শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ০২:০২, মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

বিশ্বে বাংলাদেশকে নতুন মর্যাদা দিলেন ড. ইউনূস

বাংলাদেশের কথা এখন বিশ্ব শুনছে। বাংলাদেশ এখন বিশ্বের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু
বিশেষ প্রতিনিধি
প্রিন্ট ভার্সন
বিশ্বে বাংলাদেশকে নতুন মর্যাদা দিলেন ড. ইউনূস

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সবচেয়ে আস্থাভাজন, বিশ্বের সবচেয়ে ধনীদের একজন ইলন মাস্ক। তিনি এখন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষতাবিষয়ক মন্ত্রী। বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তি। বিশ্বের যে কোনো সরকারপ্রধান তাঁর সঙ্গে কথা বলার জন্য প্রাণান্ত চেষ্টা করেন। তাঁর সাক্ষাৎ পাওয়াটাই এক বিরাট সৌভাগ্যের বিষয়। অথচ সেই ইলন মাস্কই ফোন করলেন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে। তাঁদের মধ্যে কথা হলো হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশে। প্রধান উপদেষ্টা ইলন মাস্ককে বাংলাদেশে সাদরে আমন্ত্রণ জানালেন। এই ছোট উদাহরণ বলে দেয় বাংলাদেশের বদলে যাওয়া কূটনীতির কথা। বিদেশে বদলে যাওয়া বাংলাদেশের গল্প।

সাত মাসেরও কম সময় ধরে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন শান্তিতে নোবেলজয়ী বিশ্বনেতা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশ কেবল ঘুরেই দাঁড়ায়নি, বরং বাংলাদেশ এক নতুন মর্যাদার আসনে আসীন হয়েছে বিশ্বে। একটা সময় ছিল যখন বাংলাদেশের সরকার এবং রাষ্ট্রপ্রধানরা বিদেশে কোনো দাওয়াত পেতে লবিং করতেন। বিদেশে কোনো অনুষ্ঠানে যোগ দিলে অপাঙ্ক্তেয় হয়ে পড়ে থাকতেন। তাঁদের প্রায় ক্ষেত্রেই খুব কম গুরুত্ব দেওয়া হতো বা গুরুত্বহীন করে রাখা হতো। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা একটা দ্বিপক্ষীয় বৈঠক বা সাইডলাইনে বৈঠকের জন্য গলদঘর্ম হতেন, কিন্তু তারপরও খুব একটা বড় ধরনের সাফল্য আসত না, বরং হঠাৎ করে পথে দেখা হলে বা চায়ের দাওয়াতে নিমন্ত্রণ পেয়ে একটি ছবি তুলে সেটিকে ব্যাপক প্রচারণা করা হতো। এটাকে নিয়ে রাজনীতির মাঠে ফায়দা হাসিলের চেষ্টা করত। সেরকম একটি অবস্থার সঙ্গে আমরা পরিচিত দীর্ঘদিন। কিন্তু সেই পরিস্থিতি মাত্র ছয় মাসের মধ্যে পাল্টে দিয়েছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে তাঁর ব্যক্তিত্ব, বিশ্বে তাঁর প্রভাব এবং সুনামের কারণে যেমন তিনি সমস্ত রাষ্ট্রনায়ক এবং বিশ্বনেতার আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছেন, তেমনি ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশকে নিয়ে গেছেন অন্য উচ্চতায়। এখন বাংলাদেশের কূটনীতিকদের দেনদরবার করতে হয় না, অনুরোধ করতে হয় না সরকারপ্রধানের সঙ্গে একটা সাক্ষাৎকারের ব্যবস্থা করার জন্য। বরং বিভিন্ন দেশ বাংলাদেশকে অনুরোধ করে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সামান্য একটা সাক্ষাৎকারের জন্য। শুধু তাই নয়, বাংলাদেশের কথা এখন বিশ্ব শুনছে। বাংলাদেশ এখন বিশ্বের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু। সর্বশেষ ড. ইউনূসের ওয়ার্ল্ড গভর্নমেন্ট সামিটে অংশগ্রহণের কথাই ধরা যাক না কেন। সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে মাত্র দুই দিনের জন্য গিয়েছিলেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। অথচ এই দুই দিনেই এমন সব ব্যক্তিত্বরা তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন, যাতে প্রকারান্তে আসলে বাংলাদেশেরই মর্যাদা বৃদ্ধি পেয়েছে। এ সময় ড. মুহাম্মদ ইউনূস এক প্লেনারি সেশনে বক্তব্য রাখেন। এ ধরনের প্লেনারি সেশনে আমন্ত্রণ পাওয়াটাও একটা বড় ধরনের মর্যাদার ব্যাপার। তার চেয়েও বড় বিষয় হলো যে এ সেশনটি পরিচালনা করেন সিএনএনের প্রখ্যাত সাংবাদিক বেকি অ্যান্ডারসন। যিনি এই পৃথিবীর অন্যতম প্রভাবশালী সাংবাদিক হিসেবে পরিচিত। বাংলাদেশের জন্য এ ধরনের একটি প্লেনারি সেশনে যোগ দেওয়া আগে ছিল অবিশ্বাস্য এবং অসম্ভব বিষয়। কিন্তু ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আন্তর্জাতিক সুনাম এবং অর্জনের জন্য এটি এখন স্বাভাবিক বিষয়ে পরিণত হয়েছে। দায়িত্ব গ্রহণের পর বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলনে যোগ দিতে গিয়েছিলেন এবং সবগুলোতেই তিনি আলো ছড়িয়েছেন। তাঁর উপস্থিতি এবং প্রভাব যেমন বিশ্ব নেতৃত্বকে পুলকিত করেছে, ঠিক তেমনিভাবে বাংলাদেশও হয়েছে গৌরবান্বিত। গত বছরের সেপ্টেম্বরে তিনি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৯তম অধিবেশনে যোগ দিয়েছিলেন। এটি ছিল প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে তাঁর প্রথম বিদেশ সফর। আর এ সফরে তিনি অতীতের সমস্ত রীতিনীতি-পদ্ধতি পাল্টে ফেলেন। ছোট্ট একটি দল নিয়ে তিনি বিদেশ সফরে যান। আমাদের সরকারপ্রধানদের বিদেশ সফরের অতীত অভিজ্ঞতা অত্যন্ত তিক্ত। জনগণের ট্যাক্সের টাকা অপচয় করে শত শত মানুষকে সফরসঙ্গী করা হতো এবং এসব সফরসঙ্গীদের কার্যত সেখানে কোনো কাজই ছিল না। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে একটি ভাষণের জন্য দিনের পর দিন আমাদের সরকারপ্রধানরা অপেক্ষা করতেন। রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় হতো। কিন্তু ড. মুহাম্মদ ইউনূস তাঁর সংক্ষিপ্ত সফরে আলো ছড়িয়েছেন সর্বত্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন থেকে শুরু করে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দেশের নেতাদের সঙ্গে এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানদের সঙ্গে তিনি বাংলাদেশ নিয়ে কথা বলেছেন। নতুন বাংলাদেশ গড়ার জন্য সহযোগিতা চেয়েছেন এবং নতুন বাংলাদেশকে একটি ভিন্ন আলোকে ভিন্ন প্রেক্ষাপটে উপস্থাপন করেছেন। গত বছরের নভেম্বরে ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলনে যোগদান করেন। ১১ থেকে ২২ নভেম্বর পর্যন্ত এ সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়। আমরা সবাই জানি যে, বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা একটি দেশ। আর এ সফরে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের তিন শূন্য তত্ত্ব বা থ্রি জিরো তত্ত্ব নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়েছে। যে কদিন এ সম্মেলনে ড. মুহাম্মদ ইউনূস ছিলেন, তিনি ছিলেন সম্মেলনের মধ্যমণি। অতীতে কোনো সরকারপ্রধান এভাবে একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন না। সবচেয়ে বড় কথা হলো- ড. মুহাম্মদ ইউনূস এ জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক সম্মেলনে যোগ দিয়ে বিশ্বকে পথ দেখিয়েছেন। অতীতে এ ধরনের সম্মেলনগুলোতে গিয়ে আমরা শুধু সাহায্য চাইতাম, অর্থ চাইতাম, কিন্তু এখন বাংলাদেশ পথ দেখায়। যে পথে আসলে জলবায়ু ঝুঁকি থেকে বিশ্বের মুক্তি সম্ভব। গত ডিসেম্বরে মিসরে গিয়েছিলেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ডি-৮ সম্মেলন ১৮ থেকে ২০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয়। এ সম্মেলনেও মধ্যমণি ছিলেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শুধু সম্মেলনে নয়, ড. ইউনূসকে নিয়ে যে তরুণ সমাজের প্রবল আগ্রহ এবং উদ্দীপনা রয়েছে তার প্রমাণ পাওয়া যায় মিসরে। সেখানে তিনি আল আকসা বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি অসাধারণ ভাষণ দেন, যেটি তরুণদের ব্যাপকভাবে উজ্জীবিত করে। ডি-৮ সম্মেলনে তিনি বাংলাদেশের বর্তমান বাস্তবতাকে তুলে ধরেন।

এ বছরের শুরুতেই তিনি যান সুইজারল্যান্ডের দাভোসে এবং সেখানে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন। এখানে তিনি বিশ্বের বিভিন্ন নেতা এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানদের কাছে বাংলাদেশ পুনর্গঠন এবং বাংলাদেশের পুনর্নির্মাণের জন্য আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্বের আহ্বান জানান, যেটি ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর এ সম্মেলনে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের উপস্থিতি এবং তাঁর বিভিন্ন বিষয়ে অবস্থান বাংলাদেশকে নিয়ে গেছে নতুন মর্যাদায়। আর সম্প্রতি সংযুক্ত আরব আমিরাতে সংক্ষিপ্ত সফরেও তিনি আলো ছড়িয়েছেন। এখানে কয়েকটি লক্ষ্যণীয় বিষয় রয়েছে, অন্য সরকারপ্রধানরা বিদেশে যেতেন ব্যক্তিগত ইমেজ বৃদ্ধির জন্য। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তাঁর প্রভাব এবং পরিচিতি বাড়ানোর জন্য। ক্ষমতায় থাকতে প্রভাবশালী দেশগুলোর সমর্থন আদায়ের জন্য। কিন্তু ড. ইউনূস এক্ষেত্রে বিরল ব্যতিক্রম। তিনি যাচ্ছেন বাংলাদেশকে মর্যাদাবান বাড়ানোর জন্য। বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী হিসেবে ড. ইউনূসের দায়িত্ব গ্রহণ বাংলাদেশকেই নিয়ে যাচ্ছে একটি মর্যাদার আসনে। ফলে তাঁর নিজের ইমেজ বৃদ্ধি নয়, বরং বাংলাদেশের ইমেজ বৃদ্ধি হচ্ছে। যে কারণে গত ছয় মাসে কূটনৈতিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এক প্রভূত উন্নতি অর্জন করেছে। শুধু দেশের বাইরে গিয়ে কূটনীতি নয়, দেশে থেকেও কূটনৈতিক তৎপরতার মাধ্যমে বাংলাদেশকে মর্যাদার আসনে নেওয়া যায় এবং বাংলাদেশের যে প্রয়োজনগুলো, সেই প্রয়োজনের জন্য উন্নয়ন অংশীদারদের কাছে আহ্বান জানানো হয়। আমরা লক্ষ্য করব যে, ড. মুহাম্মদ ইউনূস দায়িত্ব গ্রহণের পর ইউরোপীয় ইউনিয়নের যেসব দেশগুলোর বাংলাদেশে অফিস নেই, দিল্লি থেকে কাজ করে, সেসব মিশনপ্রধানদের ঢাকায় আসার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। এটি ড. ইউনূসের পক্ষেই সম্ভব। ২৬টি দেশের মিশনপ্রধানরা দিল্লি থেকে ঢাকায় এসেছিলেন শুধু ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করার জন্য। বাংলাদেশ এরকম কূটনীতিক সাফল্য অতীতে কখনো অর্জন করেছে কি না কারও জানা নেই। শুধু তাই নয়, এ সময়ের মধ্যে তিনি বিভিন্ন রাষ্ট্র এবং সরকারপ্রধানদের সঙ্গে টেলিফোনে আলাপ করেছেন, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতদের প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। বাংলাদেশের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাঁরা কথা বলেছেন। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের মানবাধিকার লঙ্ঘন বিষয়ে যে জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে, সেই প্রতিবেদনটি প্রকাশের ক্ষেত্রেও ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অনন্য অবদান ছিল। কারণ এত দ্রুত সময় এবং এত স্পষ্ট ভাষায় জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সহিংসতা নিয়ে জাতিসংঘের মতো প্রতিষ্ঠানের প্রতিবেদন দেওয়া সত্যিই একটি বিরাট ব্যাপার। এ প্রতিবেদন জুলাই গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দিয়েছে। বাংলাদেশে সাবেক সরকার যে ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য নৃশংস পদক্ষেপ নিয়েছিল, তাকে রাজনৈতিক আলোচনার বাইরে একটি আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিষ্ঠিত সত্য হিসাবে প্রমাণ করা সম্ভব হয়েছে। জুলাই গণহত্যা নিয়ে সব বিতর্কের অবসান হয়েছে। আমরা দেখি যে, এ ধরনের অপকর্মের পর অনেকেই এটিকে রাজনৈতিক বিতর্কের মধ্যে নিয়ে যান এবং এটিকে একটি বিতর্কিত বিষয় হিসেবে প্রমাণের চেষ্টা করেন। কিন্তু জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশন যখন গণহত্যাকে স্বীকৃতি দেয়, তখন এটি নিয়ে আর কোনো বিতর্ক থাকে না। এটি সম্ভব হয়েছে ড. ইউনূসের জন্য। ড. মুহাম্মদ ইউনূস এরই মধ্যে বিশ্বে বরেণ্য ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। তাই তাঁর নিজেকে তুলে ধরার কিছু নেই। তিনি তাঁর সারা জীবনের অর্জন, সারা জীবনের সুনাম, সারা জীবনের পরিচিতি ব্যবহার করছেন বাংলাদেশের জন্য, বাংলাদেশের মানুষের কল্যাণের জন্য। ৫ আগস্টের গণ অভ্যুত্থানের পর একটি নতুন ব্যবস্থাপনার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ এগোচ্ছে। এ সময় আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলের সমর্থন এবং সহানুভূতি অত্যন্ত জরুরি। বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে নানারকম টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এ সময় বিদেশি সাহায্য, সহযোগিতা বাংলাদেশের জন্য বিশেষভাবে প্রয়োজন। আর এ কারণেই ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কূটনীতি হলো বিশ্বে বাংলাদেশকে নতুনভাবে পরিচয় করিয়ে দেওয়া। ক্ষুধা, দারিদ্র্য, সাহায্য সহযোগিতা এবং অনুকম্পা, নির্ভরতা কূটনীতির তিনি গত ছয় মাসে একটি মর্যাদা এবং সহযাত্রার কূটনীতি চালু করেছেন। যে কূটনীতি বাংলাদেশকে নতুন পরিচয়ে উদ্ভাসিত করেছে বিশ্বের মানচিত্রে।

এই বিভাগের আরও খবর
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
আলোচনার মাধ্যমে সব সমাধান সম্ভব
আলোচনার মাধ্যমে সব সমাধান সম্ভব
ছুরি মেরে ব্যবসায়ীকে হত্যা পিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
ছুরি মেরে ব্যবসায়ীকে হত্যা পিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
নির্বাচনে অনিশ্চয়তা বাড়াবে জটিলতা
নির্বাচনে অনিশ্চয়তা বাড়াবে জটিলতা
একাধিক আঞ্চলিক সহযোগিতা চুক্তি ও সমঝোতায় স্বাক্ষর
একাধিক আঞ্চলিক সহযোগিতা চুক্তি ও সমঝোতায় স্বাক্ষর
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট অপসারিত
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট অপসারিত
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
বৈঠককে ইতিবাচক দেখছে বিএনপি
বৈঠককে ইতিবাচক দেখছে বিএনপি
ইউনূস-মোদির বৈঠক আশা জাগিয়েছে
ইউনূস-মোদির বৈঠক আশা জাগিয়েছে
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
সর্বশেষ খবর
এ বছরের মধ্যে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক
এ বছরের মধ্যে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক

১ মিনিট আগে | রাজনীতি

ভারতে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসে খেলাফত মজলিসের উদ্বেগ
ভারতে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসে খেলাফত মজলিসের উদ্বেগ

৫ মিনিট আগে | রাজনীতি

‌‘দেশে ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য আন্দোলন সংগ্রাম করেছি’
‌‘দেশে ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য আন্দোলন সংগ্রাম করেছি’

৭ মিনিট আগে | রাজনীতি

শান্তি আলোচনায় সময় ফুরিয়ে আসছে, রাশিয়াকে হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের
শান্তি আলোচনায় সময় ফুরিয়ে আসছে, রাশিয়াকে হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের

৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র-কানাডার শিক্ষার্থীদের জন্য চ্যাটজিপিটি প্লাস ফ্রি, চলবে মে মাস পর্যন্ত
যুক্তরাষ্ট্র-কানাডার শিক্ষার্থীদের জন্য চ্যাটজিপিটি প্লাস ফ্রি, চলবে মে মাস পর্যন্ত

২০ মিনিট আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বদরগঞ্জে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৪০
বদরগঞ্জে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৪০

২৫ মিনিট আগে | নগর জীবন

মাঠজুড়ে সূর্যমুখী ফুলের সমারোহ
মাঠজুড়ে সূর্যমুখী ফুলের সমারোহ

৩৭ মিনিট আগে | প্রকৃতি ও পরিবেশ

ভুরুঙ্গামারীতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার
ভুরুঙ্গামারীতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার

৪৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বাকৃবিতে উন্নত জাতের টমেটোর জাত উদ্ভাবন
বাকৃবিতে উন্নত জাতের টমেটোর জাত উদ্ভাবন

৫৪ মিনিট আগে | প্রকৃতি ও পরিবেশ

১২ এপ্রিল নিউইয়র্কে ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’
১২ এপ্রিল নিউইয়র্কে ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’

৫৯ মিনিট আগে | পরবাস

টাঙ্গাইলে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন
টাঙ্গাইলে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাওনা টাকা চাওয়ায় হামলা, ঘটনার ৪ দিন পর যুবকের মৃত্যু
পাওনা টাকা চাওয়ায় হামলা, ঘটনার ৪ দিন পর যুবকের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সিলেটে ৯ দিনে ২৮৭ নরমাল ডেলিভারি
সিলেটে ৯ দিনে ২৮৭ নরমাল ডেলিভারি

১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

মহাকাশ থেকে পৃথিবীতে পড়েছে ১২০০ বস্তুর ধ্বংসাবশেষ
মহাকাশ থেকে পৃথিবীতে পড়েছে ১২০০ বস্তুর ধ্বংসাবশেষ

১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি
ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শরীরে একাধিক কোপ, ডোবা থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার
শরীরে একাধিক কোপ, ডোবা থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অক্টোবরেই অচল ২৪ কোটি কম্পিউটার, বিকল্প কী?
অক্টোবরেই অচল ২৪ কোটি কম্পিউটার, বিকল্প কী?

১ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

যৌন হেনস্তার অভিযোগে ‘স্কুইড গেম’ তারকার সাজা
যৌন হেনস্তার অভিযোগে ‘স্কুইড গেম’ তারকার সাজা

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

চাঁদপুরে ৬৪ যানবাহনে তল্লাশি ও জরিমানা
চাঁদপুরে ৬৪ যানবাহনে তল্লাশি ও জরিমানা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে যেসব সিদ্ধান্ত গৃহীত
বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে যেসব সিদ্ধান্ত গৃহীত

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষাব্যবস্থাকে মানসম্মত করতে হবে’
‘পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষাব্যবস্থাকে মানসম্মত করতে হবে’

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রফতানি আরও বাড়বে, কমবে না: প্রেস সচিব
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রফতানি আরও বাড়বে, কমবে না: প্রেস সচিব

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সিআরবিতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান
সিআরবিতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে মধ্যরাতের মধ্যে ঝড়ের আভাস
ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে মধ্যরাতের মধ্যে ঝড়ের আভাস

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মুক্তাগাছায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১
মুক্তাগাছায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বরিশালে ডোবা থেকে অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার
বরিশালে ডোবা থেকে অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

কালীগঞ্জে রেল ব্রিজের নিচ থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার
কালীগঞ্জে রেল ব্রিজের নিচ থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মেক্সিকোতে প্রথম এইচ৫এন১ বার্ড ফ্লু রোগী শনাক্ত
মেক্সিকোতে প্রথম এইচ৫এন১ বার্ড ফ্লু রোগী শনাক্ত

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অষ্টমী স্নানে ব্রহ্মপুত্র নদে পুণ্যার্থীদের ঢল
অষ্টমী স্নানে ব্রহ্মপুত্র নদে পুণ্যার্থীদের ঢল

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ধর্ষণের শিকার জমজ দুই বোনকে আইনি সহায়তা প্রদানের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান
ধর্ষণের শিকার জমজ দুই বোনকে আইনি সহায়তা প্রদানের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি
আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব
ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা
সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার
হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন
ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প
‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী
পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম
নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে
কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা
চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা

১১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার
লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার
৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি
হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি

৫ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে
প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে

১৯ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু
আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার
প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার

৭ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা
আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা
পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা
ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত
দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

যৌথ পরিবারের গল্প
যৌথ পরিবারের গল্প

শনিবারের সকাল

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে