শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ০৯ মার্চ, ২০২৫

প্রথমে জাতীয় না স্থানীয় নির্বাচন?

মেজর নাসির উদ্দিন আহাম্মেদ (অব.) পিএইচডি
প্রিন্ট ভার্সন
প্রথমে জাতীয় না স্থানীয় নির্বাচন?

সপ্তাহজুড়ে বেশ কিছু প্রশ্ন নিয়ে সরগরম ছিল দেশের মূলধারা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। পট পরিবর্তনের প্রথম দিকে এই অন্তর্বর্তী সরকার কত দিন ক্ষমতায় থাকবে এবং জাতীয় সংসদ নির্বাচন আদৌ হবে কি না, কিংবা হলেও তা কবে নাগাদ হবে, এমন প্রশ্ন বড় হয়ে উঠেছিল। প্রায় ছয় মাস আগেই সেনাপ্রধান কর্তৃক ১৮ মাসের মধ্যে নির্বাচনের সম্ভাবনা ঘোষণা এবং বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের বিভিন্ন দায়িত্বশীল মহল থেকে স্বল্প সংস্কার চাইলে এ বছর ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন এবং বেশি সংস্কার চাইলে জুন ২০২৬-এর মধ্যে নির্বাচনের কথা বলা হয়। মূলত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিকে ইঙ্গিত করেই এই পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল।

তবে জুলাই থেকে মার্চ, এই ৯ মাসে দেশের নানাবিধ পরিবর্তন এবং উূ¢ত পরিস্থিতিতে এখন নির্বাচন আদৌ হবে কি না, এমন প্রশ্নটি সম্ভবত তেমন জোরালো নয়। বরং জোরালো হলো এমন প্রশ্ন- প্রথমে কোন নির্বাচন হবে? এ ক্ষেত্রে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনের মধ্যে কোনটি আগে হবে বা হওয়া উচিত এমন প্রশ্নে প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলসহ বিভিন্ন মহল দুটি ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। বর্তমান নির্বাচন কমিশন নতুনভাবে গঠিত হয়েছে। তাদের কাছে দেশবাসীর প্রত্যাশা অনেক বেশি। একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠান করে এই কমিশন জাতির প্রত্যাশা পূরণ করবে- এমনটা সবার আকাক্সক্ষা। এই আকাক্সক্ষা পূরণে ব্যর্থ হলে বর্তমান কমিশনকেও কলঙ্ক নিয়ে বিদায় নিতে হবে।

তা ছাড়া দেশে পুলিশ প্রশাসন মুখ থুবড়ে পড়েছে। শত শত অভিজ্ঞ পুলিশ সদস্য হয় পালিয়েছেন না হয় চাকরিচ্যুত, আটক এবং ওএসডি (ক্লোজ) অবস্থায় গণহত্যাসহ নানাবিধ অপরাধের দায়ে বিচারিক প্রক্রিয়ায় রয়েছেন। মব বা জনরোষ নিয়ন্ত্রণে পুলিশ বারবার ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। এ সপ্তাহে ছাত্র-জনতার নামে খোদ গুলশানের অভিজাত ও স্পর্শকাতর এলাকায় দুর্বৃত্তরা ঢুকে পড়ে এক বাড়িতে। তারা আসবাবসহ সবকিছু তল্লাশি করে। গুলশানে এমন নৈরাজ্য চললেও দীর্ঘ সময়ে পুলিশ বা মাঠে ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ারসহ মোতায়েন সেনাবাহিনী তা জানতে পারেনি। আর জানলেও সময়মতো সেখানে পৌঁছাতে পারেনি। দেরিতে পৌঁছলেও তাৎক্ষণিকভাবে দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া বা তাৎক্ষণিকভাবে কাউকে গ্রেপ্তার করার মতো দৃঢ়তা দেখাতে পারেনি। বরং জনমনে তীব্র প্রতিক্রিয়ার মুখে পরদিন তিনজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এমন ঘটনা কেবল রাজধানী গুলশানেই নয়, দেশের বহু অঞ্চলে ঘটেছে, ঘটছে এবং ভবিষ্যতেও ঘটবে বলে আশঙ্কা করা যায়। দেশের কোথাও কোথাও মব জাস্টিসের অভিশাপে অপ্রকৃতস্থ, ভবঘুরেসহ নিরীহ মানুষের প্রাণ ঝরেছে। দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো যে রকম দুর্বলতার পরিচয় দিয়েছে, তাতে প্রতীয়মান হয়, একই দিনে সারা দেশে একযোগে জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে এখনো প্রস্তুত নয় দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো।

সরগরম অতীতে বিতর্কিত, কলঙ্কিত ও অগ্রহণযোগ্য জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য মাঠপর্যায়ে কাজ করা শতাধিক সরকারি কর্মকর্তা, পুলিশ কর্মকর্তা,  নির্বাচন কমিশন কর্মকর্তাসহ অনেকেই প্রশাসনিক ব্যবস্থা ও বিচারের সম্মুখীন। অনেকেই পলাতক ও জেলে অন্তরীণ। এমতাবস্থায় মাঠপর্যায়ের প্রশাসন একই দিনে লাখো নির্বাচন কেন্দ্রে কার্যকর জনবল নিয়োগ ও সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনার জন্য কতটা আত্মবিশ্বাসী, তা প্রশ্নসাপেক্ষ। যদিও সব জেলার পরিস্থিতি এক রকম নয়, তবু মাঠের পরিস্থিতি স্পষ্টই প্রমাণ করে যে প্রশাসনের পক্ষে প্রথমে একই দিনে সারা দেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজন করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ একটি বিষয় হয়ে দাঁড়াবে। এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ্য, পুলিশ প্রশাসন তাদের নিজস্ব নিয়মেই চলে। নির্বাচনের সময় পুলিশ জেলা প্রশাসন বা নির্বাচন কমিশন কর্মকর্তাদের অধীনে থাকলেও বাস্তবতা হলো পুলিশ তার ওপর অর্পিত যেকোনো দায়িত্ব আন্তরিকতার সঙ্গে পালন অথবা বর্জনের জন্য এক শ একটি কারণ বা অজুহাত দাঁড় করাতে পারে। দেশে একই দিনে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা বিধানের সক্ষমতা বর্তমান পুলিশের নেই বলে ধরা চলে। দেশের বিরাজমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি তার সুস্পষ্ট প্রমাণ। এমতাবস্থায় কোনো কেন্দ্র বা জেলায় নির্বাচনকালে অব্যবস্থাপনার জন্য সরকারি কর্মকর্তা বা নির্বাচন কমিশন পুলিশকে দোষারোপ করবে, এটাই স্বাভাবিক। পুলিশও তার সীমাবদ্ধতা বা অন্য কোনো কারণ দাঁড় করাবে। ছোট্ট উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, রাজধানীতে বর্তমানে নিয়োজিত অধিকাংশ পুলিশ সদস্যই এসেছেন মফস্বল থেকে। তারা এখনো শহরের অলিগলি, অপরাধপ্রবণ এলাকা এবং এমন অভিজাত শহরের মানুষের জীবনাচারের সঙ্গে পরিচিত হয়ে উঠতে পারেনি। এ ক্ষেত্রে তাদের অসহায়ত্ব বা শহরের জটিলতা অনুধাবনে দুর্বলতা প্রকাশ্যে আলোচিত হচ্ছে আজকাল। সুতরাং প্রথমবারই একই দিনে সারা দেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচন এই পুলিশ বাহিনী এবং মাঠপর্যায়ের প্রশাসকদের জন্য এক বড় চ্যালেঞ্জ। বিশেষত এমন এক সময়ে, যখন আগের প্রশাসকরা নির্বাচন অব্যবস্থাপনার দায়ে অনুকরণীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা ও শাস্তির সম্মুখীন।

প্রথমে জাতীয় সংসদ নির্বাচন কিংবা স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের আগ্রহ বা আপত্তির নেপথ্যে রাজনৈতিক সমীকরণও বেশ জটিল। স্থানীয় সরকার নির্বাচন নির্দলীয় ও দলীয় প্রতীকের বাইরে আয়োজনের কথা বলা হলেও বাস্তবতা হলো, এই নির্বাচন একটি নির্বাচনি এলাকায় দলীয় অবস্থানের জানান দেয়। ক্যাডারভিত্তিক রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রায় নির্বিঘ্নে তার প্রার্থিতা ঘোষণা করতে পারবে বলে ধরে নেওয়া যায়। কিন্তু অন্য যেকোনো দল, এমনকি নবগঠিত ছাত্রদের দলটিও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী নির্বাচন করতে মাঠে নামলেই দলীয় বিভক্তি, বিদ্রোহী প্রার্থী সৃষ্টি, বহিষ্কার, পাল্টা বহিষ্কার, অবাঞ্ছিত ঘোষণা, রাস্তাঘাট অবরোধ, হরতাল, অরাজকতা এমনকি সহিংসতা জড়িয়ে পড়বে। দলীয় হাইকমান্ড বা পুলিশ এমন পরিস্থিতি সামাল দিতে পারবে না। আর রাজনৈতিক দলগুলোও এমন বিভক্তি হোক, তা মনেপ্রাণে চায় না। তাই জামায়াতে ইসলামী ছাড়া সব দলের সম্ভাব্য লক্ষ্য সবাইকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে মূল্যায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যন্ত দলীয় ঐক্য ও চেতনা ধরে রাখা এবং জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেই সুফল ঘরে তোলা।

আবার অতীতের অভিজ্ঞতায় দেখা যায়, প্রথমে কেউ একটি এলাকার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে তিনিই নির্ধারণ করেন কে হবেন স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি। দল তার কথা ফেলতে পারে না। তার ও দলের আস্ফালনে স্থানীয় ভদ্রসমাজের কেউ তখন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে চায় না। তদুপরি একজন সংসদ সদস্যের আত্মীয়স্বজনই যখন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রার্থীরূপে মাঠে নামেন, তখন পরিস্থিতি হয় একপেশে। পুলিশ ও মাঠ প্রশাসন তখন মুখে মুখে যতই নিরপেক্ষ ভূমিকার কথা বলুক না কেন, বাস্তবে ও মননে যে দল ক্ষমতায় এবং যে দলের সংসদ সদস্য এলাকার দায়িত্বে থাকেন, তার তালুবন্দি হয়ে পড়েন। আর সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে তার নানাবিধ সরকারি বরাদ্দ প্রদানের সুযোগ থাকে, যা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রভাব ফেলে এবং লেবেল প্লেয়িং ফিল্ড বলতে তখন আর কিছুই থাকে না। আর স্থানীয় পর্যায়ে অবৈধ ও অলিখিত আয়ের উৎস থাকে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও সরকারি দলের হাতে। ফলে কালোটাকার প্রভাব পড়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে। এই যুক্তিতে অনেকেই সোচ্চার দলীয় প্রভাব বিশেষত সংসদ সদস্যের খবরদারি শুরুর আগেই স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দাবিতে।

অতীতে জামায়াতের একজন নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও  টেকনোক্র্যাট কোটায় আরেকজন দুটি মন্ত্রণালয় পরিচালনা করেছেন। দুই মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে এই দুইজন জামায়াত নেতা সততার অনন্য নজির স্থাপন করেছেন, যা জামায়াতবিরোধীরাও স্বীকার করেন। স্থানীয় সরকার পর্যায়ে জামায়াতের সদস্যরা নির্বাচিত হলে তারাও সততা ও জনসেবার নজির স্থাপন করে নিজ দলের সম্ভাব্য সংসদ সদস্য প্রার্থীর জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি করবেন, এমন আশাবাদ করতেই পারে জামায়াতে ইসলামী।

অন্যদিকে পতিত সরকারের বহু সুবিধাভোগী, অন্ধ সমর্থক ও তাদের অবৈধ টাকার বিষয়টি অস্বীকার করার উপায় নেই। তারা অবশ্যই চাইবে আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হোক এবং তাদের সমর্থকরা অন্তত এই উপলক্ষে চাঙা হোক।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন দিয়েই নিজেদের অস্তিত্ব ও জনপ্রিয়তার স্বাক্ষর রাখতে সচেষ্ট হবে ক্ষমতা হারানো আওয়ামী লীগ। বিশেষত তাদের দুর্গ বলে পরিচিত কিছু এলাকা ও সংখ্যালঘু-অধ্যুষিত এলাকায় তারা এই সুযোগ নিয়ে ভবিষ্যতে এই সাফল্য সম্প্রসারণ করতে সচেষ্ট হবে। একই সময়ে সংখ্যালঘুদের প্রার্থী সাজিয়ে এবং তাদের ওপর নিজেদের লোকজন দিয়েই আক্রমণ ও সহিংসতা সাজিয়ে বিশ্ব দরবারে ও পাশের দেশে সংখ্যালঘুদের অসহায়ত্ব তুলে ধরতে পারে এই দল। সুতরাং আওয়ামী লীগকে এই সুযোগ যারা দিতে চায় না, তারাও আগে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পক্ষে। এ ছাড়াও আওয়ামী লীগ সমর্থক ও সংখ্যালঘুদের নীরব ভোট বর্তমান পরিস্থিতিতে এবং আওয়ামী লীগের মাঠে অনুপস্থিতির সুযোগে নিজেদের দিকে টানতে চায় কোনো কোনো দল। অন্য সব রাজনৈতিক দলগুলো জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে তাদের এই উপস্থিতি প্রমাণের সুযোগ দিতে চায় না।

এমন রাজনৈতিক বিতর্কের মধ্যেই তৃতীয় স্রোত তৈরি করেছে গণপরিষদ নির্বাচন ও সেকেন্ড রিপাবলিক প্রসঙ্গ, যা নিয়ে পরবর্তী সময়ে লেখার প্রত্যাশা রইল।

সব মিলিয়ে বলা যায়, রাজনীতি ও প্রশাসনের এক জটিল সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে আজকের বাংলাদেশ। এই সময়ে যেকোনো ভুল সিদ্ধান্তের কঠোর খেসারত গুনতে হবে সমগ্র জাতিকে। তাই ব্যক্তি ও দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে সবার জন্য মঙ্গলজনক সিদ্ধান্তে পৌঁছতে প্রয়োজন সব অংশীজনের অংশগ্রহণে ফলপ্রসূ আলোচনা ও প্রথমে কোন নির্বাচন প্রয়োজন, এ বিষয়ে বিচক্ষণ সিদ্ধান্ত। সেটাই হবে মহান জুলাই বিপ্লবের সার্থকতা।

লেখক : গবেষক, বিশ্লেষক ও কলামিস্ট

ইমেইল : [email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
তরমুজ-শসা খান
তরমুজ-শসা খান
আহা! ডিজিটাল বাংলাদেশ
আহা! ডিজিটাল বাংলাদেশ
ইউনূস-মোদি বৈঠক
ইউনূস-মোদি বৈঠক
রমজানের শিক্ষা ধরে রাখতে হবে
রমজানের শিক্ষা ধরে রাখতে হবে
ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে
ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে
দেশই সবকিছু, ব্যক্তি বা পরিবার নয়
দেশই সবকিছু, ব্যক্তি বা পরিবার নয়
সামাজিক ব্যবসা
সামাজিক ব্যবসা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
রেমিট্যান্সে আশার আলো
রেমিট্যান্সে আশার আলো
সর্বশেষ খবর
গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনা হোক : সালাউদ্দিন আহমেদ
গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনা হোক : সালাউদ্দিন আহমেদ

২৫ মিনিট আগে | রাজনীতি

মার্কিন শুল্কারোপ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই : খলিলুর রহমান
মার্কিন শুল্কারোপ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই : খলিলুর রহমান

৩৫ মিনিট আগে | জাতীয়

পাঞ্জাবকে বড় ব্যবধানে হারালো রাজস্থান
পাঞ্জাবকে বড় ব্যবধানে হারালো রাজস্থান

৪১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

চেন্নাইকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে দিল্লি
চেন্নাইকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে দিল্লি

৫০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে পোশাক শ্রমিকের মৃত্যু
চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে পোশাক শ্রমিকের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রহ্মপুত্র নদে অষ্টমীর স্নান উৎসবে লাখো পুণ্যার্থীর ঢল
ব্রহ্মপুত্র নদে অষ্টমীর স্নান উৎসবে লাখো পুণ্যার্থীর ঢল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ

২ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গাজীপুরে ট্রাকের ধাক্কায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
গাজীপুরে ট্রাকের ধাক্কায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শাহবাগে ফুলের দোকানের আগুন নিয়ন্ত্রণে
শাহবাগে ফুলের দোকানের আগুন নিয়ন্ত্রণে

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শাহবাগে ফুলের দোকানে আগুন
শাহবাগে ফুলের দোকানে আগুন

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত ইয়াসিনের পরিবারের পাশে তারেক রহমান
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত ইয়াসিনের পরিবারের পাশে তারেক রহমান

৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কু-প্রস্তাবে অসম্মতি জানানোয় বিধবাকে পিটিয়ে আহত, বসতবাড়ি ভাঙচুর
কু-প্রস্তাবে অসম্মতি জানানোয় বিধবাকে পিটিয়ে আহত, বসতবাড়ি ভাঙচুর

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড
এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিএনপি ক্ষমতার পাগল নয়, ক্ষমতা বিএনপির প্রাপ্য : ফজলুর রহমান
বিএনপি ক্ষমতার পাগল নয়, ক্ষমতা বিএনপির প্রাপ্য : ফজলুর রহমান

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শুধু মানুষের নয়, বানরও অর্থবহ ভাষা তৈরি করতে সক্ষম : গবেষণা
শুধু মানুষের নয়, বানরও অর্থবহ ভাষা তৈরি করতে সক্ষম : গবেষণা

৫ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা
শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা

৫ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক
যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ভারতে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসে খেলাফত মজলিসের উদ্বেগ
ভারতে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসে খেলাফত মজলিসের উদ্বেগ

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‌‘দেশে ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য আন্দোলন সংগ্রাম করেছি’
‌‘দেশে ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য আন্দোলন সংগ্রাম করেছি’

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শান্তি আলোচনায় সময় ফুরিয়ে আসছে, রাশিয়াকে হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের
শান্তি আলোচনায় সময় ফুরিয়ে আসছে, রাশিয়াকে হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র-কানাডার শিক্ষার্থীদের জন্য চ্যাটজিপিটি প্লাস ফ্রি, চলবে মে মাস পর্যন্ত
যুক্তরাষ্ট্র-কানাডার শিক্ষার্থীদের জন্য চ্যাটজিপিটি প্লাস ফ্রি, চলবে মে মাস পর্যন্ত

৫ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বদরগঞ্জে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৪০
বদরগঞ্জে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৪০

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মাঠজুড়ে সূর্যমুখী ফুলের সমারোহ
মাঠজুড়ে সূর্যমুখী ফুলের সমারোহ

৬ ঘণ্টা আগে | প্রকৃতি ও পরিবেশ

ভুরুঙ্গামারীতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার
ভুরুঙ্গামারীতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাকৃবিতে উন্নত জাতের টমেটোর জাত উদ্ভাবন
বাকৃবিতে উন্নত জাতের টমেটোর জাত উদ্ভাবন

৬ ঘণ্টা আগে | প্রকৃতি ও পরিবেশ

১২ এপ্রিল নিউইয়র্কে ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’
১২ এপ্রিল নিউইয়র্কে ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’

৬ ঘণ্টা আগে | পরবাস

টাঙ্গাইলে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন
টাঙ্গাইলে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাওনা টাকা চাওয়ায় হামলা, ঘটনার ৪ দিন পর যুবকের মৃত্যু
পাওনা টাকা চাওয়ায় হামলা, ঘটনার ৪ দিন পর যুবকের মৃত্যু

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সিলেটে ৯ দিনে ২৮৭ নরমাল ডেলিভারি
সিলেটে ৯ দিনে ২৮৭ নরমাল ডেলিভারি

৬ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

সর্বাধিক পঠিত
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি
আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব
ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা
সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে
কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন
ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম
নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম

১২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

১৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড
এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার
হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প
‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী
পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

১৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি
হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি

১১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার
লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার

১৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা
চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা

১৭ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি
ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি

৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা
পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা

১৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার
৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা
কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু
আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার
প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার

১৩ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা
আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা
ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২
কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জেলেনস্কির নিজ শহরে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১৮ জন নিহত
জেলেনস্কির নিজ শহরে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১৮ জন নিহত

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজায় অ্যাম্বুলেন্সে অগ্নিকাণ্ড ইসরায়েলি ‘যুদ্ধাপরাধ’ হতে পারে : জাতিসংঘ কর্মকর্তা
গাজায় অ্যাম্বুলেন্সে অগ্নিকাণ্ড ইসরায়েলি ‘যুদ্ধাপরাধ’ হতে পারে : জাতিসংঘ কর্মকর্তা

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
দূরত্ব কাটাবে ঢাকা-দিল্লি
দূরত্ব কাটাবে ঢাকা-দিল্লি

প্রথম পৃষ্ঠা

জটিলতা ৫৫ আসনে
জটিলতা ৫৫ আসনে

পেছনের পৃষ্ঠা

ফের উত্তপ্ত হবে রাজপথ
ফের উত্তপ্ত হবে রাজপথ

প্রথম পৃষ্ঠা

সেন্টমার্টিন এখন অন্যরকম
সেন্টমার্টিন এখন অন্যরকম

পেছনের পৃষ্ঠা

ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার
ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত
এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত

প্রথম পৃষ্ঠা

ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান
ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক
বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক

শোবিজ

মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক
মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক

প্রথম পৃষ্ঠা

সুপার লিগে খেলার লড়াই
সুপার লিগে খেলার লড়াই

মাঠে ময়দানে

ক্ষমতার মজা পেয়ে গেছেন উপদেষ্টা পরিষদের সবাই
ক্ষমতার মজা পেয়ে গেছেন উপদেষ্টা পরিষদের সবাই

প্রথম পৃষ্ঠা

মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজবাড়ীতে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির শকুন উদ্ধার
রাজবাড়ীতে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির শকুন উদ্ধার

পেছনের পৃষ্ঠা

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

লাহোরে নিগারদের অনুশীলন
লাহোরে নিগারদের অনুশীলন

মাঠে ময়দানে

যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ
যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ

প্রথম পৃষ্ঠা

জরাজীর্ণ ভবন, নষ্ট এক্স-রে মেশিন
জরাজীর্ণ ভবন, নষ্ট এক্স-রে মেশিন

দেশগ্রাম

বাণিজ্য ছাড়িয়েছিল হাজার কোটি ডলার
বাণিজ্য ছাড়িয়েছিল হাজার কোটি ডলার

পেছনের পৃষ্ঠা

লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি
লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি

দেশগ্রাম

বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০
বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০

প্রথম পৃষ্ঠা

সংস্কার শেষেই নির্বাচন দিতে হবে
সংস্কার শেষেই নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

শরীয়তপুরে খোলা মাঠ যেন যুদ্ধক্ষেত্র
শরীয়তপুরে খোলা মাঠ যেন যুদ্ধক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা
ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

একই দিনে দুই বিয়ে
একই দিনে দুই বিয়ে

শোবিজ

তেহরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প
তেহরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প

পূর্ব-পশ্চিম

জংলি নিয়ে দর্শকদের সাড়া দেখে আমি আনন্দিত
জংলি নিয়ে দর্শকদের সাড়া দেখে আমি আনন্দিত

শোবিজ

ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে
ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে

সম্পাদকীয়

বিশ্বজুড়ে মানবিক সহায়তার সিংহভাগ যুক্তরাষ্ট্র আর বহন করবে না
বিশ্বজুড়ে মানবিক সহায়তার সিংহভাগ যুক্তরাষ্ট্র আর বহন করবে না

পূর্ব-পশ্চিম

অভিযোগের জবাবে পরী
অভিযোগের জবাবে পরী

শোবিজ