শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ০৪ মার্চ, ২০২৫ আপডেট: ০০:০৬, মঙ্গলবার, ০৪ মার্চ, ২০২৫

জাতীয় নির্বাচন কেন সবার আগে দরকার

অদিতি করিম
প্রিন্ট ভার্সন
জাতীয় নির্বাচন কেন সবার আগে দরকার

আগামী নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে একধরনের মতবিরোধ এবং মতভিন্নতা ক্রমশ প্রকাশ্য হচ্ছে। কোন নির্বাচন আগে হবে- এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে মতপার্থক্য লক্ষ করা যাচ্ছে। বিএনপিসহ অধিকাংশ রাজনৈতিক দল ন্যূনতম সংস্কার শেষে সবার আগে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দাবি করেছে। বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ চলতি মাসের মধ্যে নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার আহ্বান জানিয়েছেন। সেটা না হলে রাজনৈতিক দলগুলো এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেবে বলে তিনি সতর্ক করেন। অন্যদিকে জামায়াতসহ কয়েকটি দল জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় নির্বাচনের দাবি করেছে। তারা নির্বাচন কমিশনের সক্ষমতা যাচাই করার জন্য এই প্রস্তাব দিয়েছে বলে দলের শীর্ষ নেতারা জানিয়েছেন। অন্যদিকে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আত্মপ্রকাশ করা জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) দ্বিতীয় প্রজাতন্ত্র কায়েমের ঘোষণা দিয়েছে। দলের সদস্যসচিব আখতার হোসেন সংবিধান সংস্কারে সবার আগে গণপরিষদ নির্বাচন দাবি করেছেন। আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রদত্ত বক্তৃতায় তিনি এই দাবি করেন। নির্বাচন নিয়ে এই নানামুখী অবস্থান রাজনীতিতে নতুন সংকট সৃষ্টি করছে। এর ফলে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে যে ঐক্যবদ্ধ শক্তি লড়াই করেছিল তাদের মধ্যে বিভক্তি এবং ফাটল আশঙ্কা করা হচ্ছে। এর ফলে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের উত্তরণ এক নতুন সংকটে উপনীত হয়েছে।

বিএনপি স্পষ্টভাবে বলেছে, তারা প্রথমে জাতীয় নির্বাচন চায় এবং আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন হবে বলে তারা প্রত্যাশা করে। সম্প্রতি দীর্ঘ সাত বছর পর বিএনপির বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই বর্ধিত সভায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দুজনই সংযুক্ত হন। তাঁরা দুজনই যত দ্রুত সম্ভব জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য আহ্বান জানান। এই বর্ধিত সভায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্থানীয় সরকার নির্বাচনের চিন্তা থেকে সরে আসার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি সবার আগে যত দ্রুত সম্ভব জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দাবি করেছেন। এটা স্পষ্ট যে বিএনপির মতামতের বাইরে গিয়ে যদি স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আয়োজন করা হয়, তাহলে সেটি রাজনীতিতে একটি উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি করবে। বিএনপি শক্তিশালী একটি রাজনৈতিক দল, দলটির জনপ্রিয়তাও প্রশ্নাতীত। এই সংকটকালে তাদের বিরুদ্ধে কোনো সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়াটা দেশের জন্য মঙ্গলজনক হবে না।

অন্যদিকে জামায়াতসহ বেশ কিছু রাজনৈতিক দল সবার আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দাবি করেছে। রাষ্ট্র সংস্কার নিয়ে ঐকমত্য কমিশনের প্রথম বৈঠকে তারা এরকম দাবি করে। তবে নির্বাচন বিতর্ক তীব্র হয়েছে ২৮ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নাগরিক পার্টির আত্মপ্রকাশের মাধ্যমে। জাতীয় নাগরিক পার্টি দ্বিতীয় রিপাবলিকের দাবি করেছে। অবশ্য বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন গত দুই মাস থেকেই বিপ্লবের ঘোষণাপত্র প্রদানের দাবি জানিয়ে আসছে। এই দাবিতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে তারা সমাবেশের ডাক দেয়। পরে সরকারের আশ্বাসে জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্র দেওয়া হয়নি। এখন তাদের নেতৃত্বে আত্মপ্রকাশ পাওয়া ‘জাতীয় নাগরিক পার্টি’র পক্ষ থেকে তারা দ্বিতীয় প্রজাতন্ত্রের দাবি উত্থাপন করেছে। বর্তমান সংবিধান বাতিল করে প্রথমে একটি গণপরিষদ নির্বাচনের দাবি করেছে এসসিপি।। তাদের এই দাবি রাজনৈতিক অঙ্গনে ধূম্রজাল সৃষ্টি করেছে।

রাজনৈতিক অঙ্গনে এ ধরনের মতপার্থক্য ও বিতর্ক অনভিপ্রেত নয়। বরং এ ধরনের মতপার্থক্যই গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করে। ভিন্ন ভিন্ন মত থাকবে, বিভিন্ন মতের পক্ষে নানা রকম যুক্তি থাকবে। এর মধ্যে যে যুক্তিটি গ্রহণযোগ্য হবে, দেশের জন্য মঙ্গল হবে সেই যুক্তিতে সবাই একমত হয়ে কাজ করবে, এটাই গণতন্ত্রের শক্তি এবং গণতন্ত্রের সৌন্দর্য।

এখন আমরা দেখতে পারি যে সবার আগে যদি স্থানীয় সরকার নির্বাচন হয় তাহলে বাংলাদেশে যে গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা তার লাভ হবে, না ক্ষতি হবে? আমরা যদি একটু গভীরভাবে বিশ্লেষণ করি তাহলে দেখব যে স্থানীয় সরকার নির্বাচন সবার আগে হলে কতগুলো বড় ধরনের বিপদ আমাদের সামনে আসতে পারে।

সবার আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সবচেয়ে যে বিপদের আশঙ্কা রয়েছে, তা হলো আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটবে। এমনিতেই স্বৈরাচারের পতনের পর দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো নয়। দেশে খুন, রাহাজানি, ছিনতাই, হত্যা, ধর্ষণ প্রতিনিয়ত ঘটছে। এরকম একটি বাস্তবতায় দাঁড়িয়ে আমরা যদি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আগে করি তাহলে পরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন হলে ইউনিয়ন থেকে শুরু করে জেলা পর্যন্ত সব জায়গায় ছড়িয়ে পড়বে পেশিশক্তির দাপট। বাংলাদেশের অতীত ইতিহাস বলে এ দেশের স্থানীয় সরকার নির্বাচন সব সময় সহিংসতায় ভরপুর হয়। এ নির্বাচনে প্রচুর প্রাণহানি ঘটে। এই ভঙ্গুর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে যেখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এখন পর্যন্ত কার্যকর এবং সক্রিয় নয়, সেখানে প্রথমে স্থানীয় সরকার নির্বাচন সারা দেশে একটি অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারে। পরিস্থিতি সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। ফলে জাতীয় নির্বাচন ব্যাহত হতে পারে। এমনকি রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং গণতন্ত্রের পথযাত্রাও হোঁচট খেতে পারে। দ্বিতীয়ত স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর বাইরে প্রচুর একক প্রার্থীর স্বতন্ত্রভাবে দাঁড়ানোর সুযোগ পায়। এই নির্বাচন যতটুকু না দলীয় তার চেয়ে বেশি হলো স্থানীয় পর্যায়ে জনপ্রিয়তা যাচাই। এই নির্বাচন সারা দেশে নিয়ন্ত্রণহীন অরাজকতা সৃষ্টি করতে পারে।

দীর্ঘ সাড়ে ১৫ বছর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ছিল। কাজেই প্রথমে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হলে আওয়ামী লীগের দোসররা, যারা এখনো ঘাপটি মেরে আছে বিভিন্ন স্থানে, তারা সুযোগ গ্রহণ করবে। এই সুযোগ নিয়ে তারা সারা দেশে আবার নতুন করে সংগঠিত হওয়ার সুযোগ পাবে। এর ফলে তাদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া দ্রুত হবে বলে অনেকে মনে করেন। যেহেতু এখন পর্যন্ত স্বৈরাচারের সব শিকড় সরকার উৎপাটন করতে পারেনি, বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে তো নয়, কাজেই এই নির্বাচন হলে পতিত স্বৈরাচার আবার পুনর্বাসিত হবে। স্থানীয় পর্যায়ে তাদের শক্ত ভিত তৈরি হবে।

তৃতীয়ত স্থানীয় সরকার নির্বাচন আগে হলে জুলাই বিপ্লবে যে ঐক্যবদ্ধ রাজনৈতিক শক্তি, সেই ঐক্যে ফাটল ধরবে। বিভক্তি এবং হানাহানি হবে। রাজনীতিতে আবার সেই পেশিশক্তির অনুপ্রবেশ ঘটবে এবং একে অন্যকে নিঃশেষ করে দেওয়ার প্রবণতা মাথা চাড়া দিয়ে উঠবে। বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করার জন্য একটি কথা সবাইকে মনে রাখা দরকার তা হলো কোনো অবস্থাতেই জুলাই বিপ্লবের আন্দোলনকারী শক্তিতে ঐক্যে ফাটল ধরানো যাবে না। এ কথাটি প্রত্যেকেই বলছেন। বিশেষ করে বিএনপি, জামায়াত এবং জাতীয় নাগরিক কমিটি প্রত্যেকেই একই আকাক্সক্ষা ব্যক্ত করেছেন। কিন্তু যে মুহূর্তে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, সে মুহূর্তে এই ঐক্যে ফাটল ধরবেই। একে অন্যের সঙ্গে হানাহানি এবং কাদাছোড়াছুড়িতে লিপ্ত হবেই। এই সহিংসতা রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা তৈরি করবে। এর ফলে তৃতীয় শক্তির হস্তক্ষেপের সুযোগ পাবে।

চতুর্থত আমাদের একটি নতুন নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়েছে। এই নির্বাচন কমিশন এখন পর্যন্ত পরীক্ষিত নয়। এখন পর্যন্ত মাঠ প্রশাসন পুরোপুরি সক্ষমতা অর্জন করতে পারেনি। প্রশাসনে শুদ্ধি অভিযান সম্পন্ন হয়নি। এরকম পরিস্থিতিতে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের মতো একটা ব্যাপক আয়োজন যদি অনুষ্ঠিত হয়, তাহলে নির্বাচন কমিশন প্রথম ধাক্কাতেই এক ব্যর্থতার দায়িত্ব ঘাড়ে নেবে। এর ফলে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা এবং কর্মক্ষমতা প্রশ্নের মুখে পড়বে। এ রকম পরিস্থিতি কাম্য নয়। কারণ নির্বাচন কমিশন যদি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সক্ষমতার পরিচয় না দেয়, তাহলে পরবর্তী নির্বাচনে তাদের নিরপেক্ষতা এবং দক্ষতা, যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে। এটি বাংলাদেশের মূল নির্বাচন অর্থাৎ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পথকে বাধাগ্রস্ত করবে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ফলে যে হানাহানি, কাদাছোড়াছুড়ি, অবৈধ অস্ত্রের প্রয়োগ এবং অন্যান্য বিশৃঙ্খল ঘটনা ঘটবে, সেখান থেকে দেশকে একটি স্বল্পতম সময়ের মধ্যে স্বস্তির পথে নিয়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচন করা অসম্ভব এবং অবাস্তব ব্যাপার।

অনেকেই মনে করেন যে সবার আগে স্থানীয় সরকার হওয়া উচিত নির্বাচন কমিশনের একটি ‘টেস্ট কেস’ হিসেবে। কিন্তু মনে রাখতে হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনেক বেশি আক্রমণাত্মক, সহিংস এবং এই নির্বাচন সবচেয়ে দক্ষ নির্বাচন কমিশনের অধীনেও সহিংসতাপূর্ণ হতে বাধ্য। তা ছাড়া কেউ কেউ যুক্তি দেখাচ্ছেন যে জনপ্রতিনিধি ছাড়া স্থানীয় সরকারগুলো অচল হয়ে যাচ্ছে। এ কথা সত্য যে সর্বত্র জনপ্রতিনিধি দরকার কিন্তু সবার আগে জনপ্রতিনিধি দরকার হলো রাষ্ট্র পরিচালনায়। জনগণ প্রজাতন্ত্রের মালিক। আর সে কারণেই  জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের রাষ্ট্রক্ষমতায় বসিয়েই কেবল একটি গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার গন্তব্যে পৌঁছা সম্ভব। অন্য কোনোভাবে নয়।

এবার আমরা একটু খতিয়ে দেখতে চাই সবার আগে গণপরিষদ নির্বাচন এবং দ্বিতীয় রিপাবলিকের সম্ভাব্যতা। আমাদের মনে রাখতে হবে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে সরকার কোনো বিপ্লবী সরকার নয়। সংবিধানের আলোকে এবং সর্বোচ্চ আদালতের মতামত ও সম্মতির ভিত্তিতে গত বছরের ৮ আগস্ট এ সরকার গঠিত হয়। বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন প্রধান উপদেষ্টা এবং অন্য উপদেষ্টাদের শপথ পাঠ করান। কাজেই বর্তমান সংবিধানের আওতায় গঠিত এই সরকারের আর বিপ্লবী সরকারে রূপান্তরের কোনো সুযোগ নেই। তাই এখন দ্বিতীয় রিপাবলিক কায়েম করাও সম্ভব না। বর্তমান সংবিধান বাতিল করে নতুন সংবিধান প্রণয়ন করাও সম্ভব না। তাহলে এ সরকার অথর্ব হয়ে যাবে। পতিত স্বৈরাচার জাতীয় এবং আন্তর্জাতিকভাবে নিজেদের বৈধতা দাবি করার সুযোগ পাবে। তীব্র সাংবিধানিক সংকটের মুখে পড়বে দেশ। ৩১ ডিসেম্বর এ কারণেই জুলাই বিপ্লবের ঘোষণা থেকেই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে পিছিয়ে আসতে হয়েছে। এ কারণেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের দাবি নিয়েও তারা এগোতে পারেনি। সংবিধান সংশোধনের বা পরিবর্তনের একমাত্র জায়গা হলো জাতীয় সংসদ। জুলাই বিপ্লবের সাংবিধানিক স্বীকৃতির জন্য প্রয়োজন সবার আগে জাতীয় নির্বাচন।

৫ আগস্টের পর যদি সংবিধান না মেনে একটি বিপ্লবী সরকার গঠিত হতো, যদি বর্তমান সংবিধান না মেনে জনগণের শক্তিতে দেশ পরিচালিত হতো সে ক্ষেত্রে হয়তো দ্বিতীয় প্রজাতন্ত্র এবং নতুন সংবিধানের দাবি প্রাসঙ্গিক হতো। কিন্তু সেই সময় পেরিয়ে গেছে। এখন যা কিছু করার তা সংবিধান মেনেই করতে হবে। সংবিধানের আওতায় করতে হবে। এ জন্য জাতীয় নির্বাচন করতে হবে সবার আগে। সংবিধান সংস্কার বাস্তবায়নের জন্য চাই জনপ্রতিনিধিদের নির্বাচিত জাতীয় সংসদ। কাজেই আমি মনে করি সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলো একত্রে বসে কোন নির্বাচন আগে হবে এবং কেন আগে হওয়া দরকার- এই নিয়ে মুক্ত আলোচনা করবে, উন্মুক্ত বিতর্ক করবে এবং একটি যুক্তিনির্ভর সমাধানের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। কারণ আমাদের অতীত অভিজ্ঞতা ভালো নয়। আর সবাইকে মনে রাখতে হবে বাংলাদেশ সবার আগে।

 

লেখক :  নাট্যকার ও কলাম লেখক

ইমেইল: [email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
তরমুজ-শসা খান
তরমুজ-শসা খান
আহা! ডিজিটাল বাংলাদেশ
আহা! ডিজিটাল বাংলাদেশ
ইউনূস-মোদি বৈঠক
ইউনূস-মোদি বৈঠক
রমজানের শিক্ষা ধরে রাখতে হবে
রমজানের শিক্ষা ধরে রাখতে হবে
ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে
ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে
দেশই সবকিছু, ব্যক্তি বা পরিবার নয়
দেশই সবকিছু, ব্যক্তি বা পরিবার নয়
সামাজিক ব্যবসা
সামাজিক ব্যবসা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
রেমিট্যান্সে আশার আলো
রেমিট্যান্সে আশার আলো
সর্বশেষ খবর
কক্সবাজারে ট্রেনে কাটা পড়ে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
কক্সবাজারে ট্রেনে কাটা পড়ে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

১ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামে পোশাককর্মী খুনের ঘটনায় স্বামী গ্রেফতার
চট্টগ্রামে পোশাককর্মী খুনের ঘটনায় স্বামী গ্রেফতার

৯ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ঈদের লম্বা ছুটিতে চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনারের স্তূপ
ঈদের লম্বা ছুটিতে চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনারের স্তূপ

১২ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিদেশি মদসহ গ্রেফতার ৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিদেশি মদসহ গ্রেফতার ৬

১৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

‘আইএমএফ বলেছে বাংলাদেশের অর্থনীতি সঠিক দিকেই আছে’
‘আইএমএফ বলেছে বাংলাদেশের অর্থনীতি সঠিক দিকেই আছে’

২১ মিনিট আগে | বাণিজ্য

পৃথিবীর ‘সবুজ ফুসফুস’ নজরদারি করবে মহাকাশযান
পৃথিবীর ‘সবুজ ফুসফুস’ নজরদারি করবে মহাকাশযান

২২ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

গাইবান্ধায় কৃষকদের নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের আনন্দময় দিন
গাইবান্ধায় কৃষকদের নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের আনন্দময় দিন

২৩ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

হজ ব্যবস্থাপনায় কোনো ত্রুটি বরদাশত করা হবে না : ধর্ম উপদেষ্টা
হজ ব্যবস্থাপনায় কোনো ত্রুটি বরদাশত করা হবে না : ধর্ম উপদেষ্টা

২৪ মিনিট আগে | জাতীয়

অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের দায়ে ৭ বাসকে জরিমানা
অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের দায়ে ৭ বাসকে জরিমানা

২৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

ঈদের ছুটি পর বেনাপোল বন্দরে ফিরেছে স্বাভাবিক গতি
ঈদের ছুটি পর বেনাপোল বন্দরে ফিরেছে স্বাভাবিক গতি

৩৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

শর্টস ভিডিও নির্মাতাদের জন্য সুখবর দিল ইউটিউব
শর্টস ভিডিও নির্মাতাদের জন্য সুখবর দিল ইউটিউব

৪১ মিনিট আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

গলাচিপায় শুভসংঘের উদ্যোগে জমিতে অতিরিক্ত সার ও কীটনাশক প্রয়োগ বিষয়ক সচেতনামূলক সভা
গলাচিপায় শুভসংঘের উদ্যোগে জমিতে অতিরিক্ত সার ও কীটনাশক প্রয়োগ বিষয়ক সচেতনামূলক সভা

৪২ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ট্রাম্পের সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল ইরান
ট্রাম্পের সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল ইরান

৪৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিখোঁজ সেই গৃহবধূ পরকীয়া প্রেমিকসহ উদ্ধার
নিখোঁজ সেই গৃহবধূ পরকীয়া প্রেমিকসহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাউবিতে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত
বাউবিতে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বগুড়ায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নারী নিহত
বগুড়ায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নারী নিহত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিনিয়োগ সম্মেলনে অংশ নেবেন যুক্তরাষ্ট্র-চীনসহ ৪০ দেশের বিনিয়োগকারী
বিনিয়োগ সম্মেলনে অংশ নেবেন যুক্তরাষ্ট্র-চীনসহ ৪০ দেশের বিনিয়োগকারী

১ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে ইমাম গ্রেফতার
কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে ইমাম গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় গণহত্যার প্রতিবাদে বিশ্বজুড়ে ‘নো ওয়ার্ক, নো স্কুল’ কর্মসূচির ডাক
গাজায় গণহত্যার প্রতিবাদে বিশ্বজুড়ে ‘নো ওয়ার্ক, নো স্কুল’ কর্মসূচির ডাক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নদী শুধু কাঁদায় না, জেগে ওঠা চরে ফসল ফলিয়ে কৃষকদেরও বাঁচায়
নদী শুধু কাঁদায় না, জেগে ওঠা চরে ফসল ফলিয়ে কৃষকদেরও বাঁচায়

১ ঘণ্টা আগে | প্রকৃতি ও পরিবেশ

কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যদের
কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যদের

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলি গণহত্যার বিরুদ্ধে হোয়াইট হাউসের সামনে বিক্ষোভকারীদের প্রতিবাদ
ইসরায়েলি গণহত্যার বিরুদ্ধে হোয়াইট হাউসের সামনে বিক্ষোভকারীদের প্রতিবাদ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ পেডিয়াট্রিক অ্যাসোসিয়েশনের প্রথম ঈদ পুনর্মিলনী
বাংলাদেশ পেডিয়াট্রিক অ্যাসোসিয়েশনের প্রথম ঈদ পুনর্মিলনী

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

জাজিরার সেই ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার
জাজিরার সেই ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় গণহত্যা বন্ধে সোমবার বিশ্বব্যাপী ‘নো ওয়ার্ক নো স্কুল’
গাজায় গণহত্যা বন্ধে সোমবার বিশ্বব্যাপী ‘নো ওয়ার্ক নো স্কুল’

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বগুড়ায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে সাবেক এমপি লালু
বগুড়ায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে সাবেক এমপি লালু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জয়পুরহাটে তুচ্ছ ঘটনায় হোটেল শ্রমিক নিহত, আটক ১
জয়পুরহাটে তুচ্ছ ঘটনায় হোটেল শ্রমিক নিহত, আটক ১

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশে ব্যবসার অনুমোদন পেয়েছে স্টারলিংক
বাংলাদেশে ব্যবসার অনুমোদন পেয়েছে স্টারলিংক

২ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

শেরপুরে চোরাকারবারি 'ডন মাসুদ' গ্রেফতার
শেরপুরে চোরাকারবারি 'ডন মাসুদ' গ্রেফতার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাঁচদিনের রিমান্ডে সন্ত্রাসী ছোট সাজ্জাদ
পাঁচদিনের রিমান্ডে সন্ত্রাসী ছোট সাজ্জাদ

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

সর্বাধিক পঠিত
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড
এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিয়েবাড়ির গেটে পার্টি স্প্রে দেওয়া নিয়ে মারামারি, ভাঙলো বিয়ে
বিয়েবাড়ির গেটে পার্টি স্প্রে দেওয়া নিয়ে মারামারি, ভাঙলো বিয়ে

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশসহ ১৪ দেশের ওপর সৌদির সাময়িক ভিসা নিষেধাজ্ঞা
বাংলাদেশসহ ১৪ দেশের ওপর সৌদির সাময়িক ভিসা নিষেধাজ্ঞা

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের ওয়াকফ সংশোধনী বিল নিয়ে যা বললেন আসিফ নজরুল
ভারতের ওয়াকফ সংশোধনী বিল নিয়ে যা বললেন আসিফ নজরুল

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মারা গেছেন
আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মারা গেছেন

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষ্যে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা ও সহযোগিতা কার্যক্রম
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষ্যে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা ও সহযোগিতা কার্যক্রম

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান
সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে ফ্ল্যাট নিয়ে টিউলিপের মিথ্যাচার
যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে ফ্ল্যাট নিয়ে টিউলিপের মিথ্যাচার

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতে ওয়াকফ বিল পাস হওয়ায় যে প্রতিক্রিয়া জানাল বিএনপি
ভারতে ওয়াকফ বিল পাস হওয়ায় যে প্রতিক্রিয়া জানাল বিএনপি

৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতি নিয়ে জরুরি নির্দেশনা
সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতি নিয়ে জরুরি নির্দেশনা

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্মার্টফোনে ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ মোডের কাজ কী?
স্মার্টফোনে ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ মোডের কাজ কী?

১২ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

আইনে পরিণত হলো বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী বিল
আইনে পরিণত হলো বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী বিল

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘গৃহকর্ত্রীও নির্যাতিতা হতে পারেন’ -পরীমনির সেই ইস্যুতে ফেসবুকে ন্যান্সি
‘গৃহকর্ত্রীও নির্যাতিতা হতে পারেন’ -পরীমনির সেই ইস্যুতে ফেসবুকে ন্যান্সি

৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত: মস্কো
ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত: মস্কো

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজায় গণহত্যা বন্ধে সোমবার বিশ্বব্যাপী ‘নো ওয়ার্ক নো স্কুল’
গাজায় গণহত্যা বন্ধে সোমবার বিশ্বব্যাপী ‘নো ওয়ার্ক নো স্কুল’

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি
সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ভাঙচুর ও হত্যাচেষ্টা মামলায় আওয়ামীপন্থী ৬১ আইনজীবীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ
ভাঙচুর ও হত্যাচেষ্টা মামলায় আওয়ামীপন্থী ৬১ আইনজীবীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক
যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক

২৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ট্রাম্প-মাস্কের নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে গণবিক্ষোভ
ট্রাম্প-মাস্কের নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে গণবিক্ষোভ

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব সামাল দেয়া কঠিন নয় : অর্থ উপদেষ্টা
ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব সামাল দেয়া কঠিন নয় : অর্থ উপদেষ্টা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমিরাতের সহযোগিতায় ৮ বিভাগে হবে স্পোর্টস হাব : ক্রীড়া উপদেষ্টা
আমিরাতের সহযোগিতায় ৮ বিভাগে হবে স্পোর্টস হাব : ক্রীড়া উপদেষ্টা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খনিজ চুক্তি ফাঁস: তদন্তে নেমেছে ইউক্রেন
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খনিজ চুক্তি ফাঁস: তদন্তে নেমেছে ইউক্রেন

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শান্তি আলোচনায় সময় ফুরিয়ে আসছে, রাশিয়াকে হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের
শান্তি আলোচনায় সময় ফুরিয়ে আসছে, রাশিয়াকে হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১, ছিলেন ৭০ জনের বেশি বাংলাদেশি  তীর্থযাত্রী
ভারতে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১, ছিলেন ৭০ জনের বেশি বাংলাদেশি তীর্থযাত্রী

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দেশে প্রবাসী আয়ে রেকর্ড, মার্চে এল ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি
দেশে প্রবাসী আয়ে রেকর্ড, মার্চে এল ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি

৫ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ইভ্যালির রাসেল-শামীমার তিন বছরের কারাদণ্ড
ইভ্যালির রাসেল-শামীমার তিন বছরের কারাদণ্ড

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিচার চেয়ে থানায় বৃদ্ধা, ‘ভিক্ষা করে কেনা মুরগি মেরে দিল কারা?’
বিচার চেয়ে থানায় বৃদ্ধা, ‘ভিক্ষা করে কেনা মুরগি মেরে দিল কারা?’

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

তিন মন্ত্রণালয়ে সচিব পদে রদবদল
তিন মন্ত্রণালয়ে সচিব পদে রদবদল

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনা হোক : সালাউদ্দিন আহমেদ
গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনা হোক : সালাউদ্দিন আহমেদ

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
সেন্টমার্টিন এখন অন্যরকম
সেন্টমার্টিন এখন অন্যরকম

পেছনের পৃষ্ঠা

মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক
মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক

প্রথম পৃষ্ঠা

জটিলতা ৫৫ আসনে
জটিলতা ৫৫ আসনে

পেছনের পৃষ্ঠা

ফের উত্তপ্ত হবে রাজপথ
ফের উত্তপ্ত হবে রাজপথ

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার
ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার

প্রথম পৃষ্ঠা

দূরত্ব কাটাবে ঢাকা-দিল্লি
দূরত্ব কাটাবে ঢাকা-দিল্লি

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্ষমতার মজা পেয়ে গেছেন উপদেষ্টা পরিষদের সবাই
ক্ষমতার মজা পেয়ে গেছেন উপদেষ্টা পরিষদের সবাই

প্রথম পৃষ্ঠা

ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান
ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত
এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত

প্রথম পৃষ্ঠা

বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক
বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক

শোবিজ

যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ
যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজবাড়ীতে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির শকুন উদ্ধার
রাজবাড়ীতে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির শকুন উদ্ধার

পেছনের পৃষ্ঠা

বাণিজ্য ছাড়িয়েছিল হাজার কোটি ডলার
বাণিজ্য ছাড়িয়েছিল হাজার কোটি ডলার

পেছনের পৃষ্ঠা

সাবেক রেলমন্ত্রীর বাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ
সাবেক রেলমন্ত্রীর বাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশের ওপর সৌদির ভিসা নিষেধাজ্ঞা
বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশের ওপর সৌদির ভিসা নিষেধাজ্ঞা

পেছনের পৃষ্ঠা

মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ

প্রথম পৃষ্ঠা

সুপার লিগে খেলার লড়াই
সুপার লিগে খেলার লড়াই

মাঠে ময়দানে

ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা
ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

একই দিনে দুই বিয়ে
একই দিনে দুই বিয়ে

শোবিজ

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

লাহোরে নিগারদের অনুশীলন
লাহোরে নিগারদের অনুশীলন

মাঠে ময়দানে

ফুটবলেই থাকছেন সালাউদ্দিন
ফুটবলেই থাকছেন সালাউদ্দিন

মাঠে ময়দানে

ডলি সায়ন্তনীর এই জমানার মেয়ে
ডলি সায়ন্তনীর এই জমানার মেয়ে

শোবিজ

অভিযোগের জবাবে পরী
অভিযোগের জবাবে পরী

শোবিজ

সরকারি বই দিতে ঘুষ
সরকারি বই দিতে ঘুষ

পেছনের পৃষ্ঠা

হামজার অন্যরকম মাইলফলক
হামজার অন্যরকম মাইলফলক

মাঠে ময়দানে

লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি
লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি

দেশগ্রাম

বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০
বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০

প্রথম পৃষ্ঠা

আওয়ামী লীগের বিচার চায় বিএনপি
আওয়ামী লীগের বিচার চায় বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা