শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

দোষেগুণে গাজীপুর

মেজর নাসির উদ্দিন আহাম্মেদ (অব.) পিএইচডি
প্রিন্ট ভার্সন
দোষেগুণে গাজীপুর

সপ্তাহজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল রাজধানী ঢাকার নিকটতম জেলা গাজীপুর। নানা কারণে এটি আলোচিত-সমালোচিত এক জনপদ। বেশ কদিন আগে থেকেই গাজীপুরের টঙ্গী এলাকায় বিশ্ব ইজতেমার মাঠে কোন পন্থিরা আগে মাঠে থাকবেন, এ নিয়ে উত্তপ্ত ছিল পরিস্থিতি। যাঁরা মুসলমানদের শান্তির ধর্ম ইসলামের দাওয়াত দেন, তাঁরা কেমন করে অপর মুসলমানের রক্ত ঝরান, তা বুঝতে কষ্ট হয়। এ সপ্তাহে ইজতেমা মাঠে রক্ত না ঝরলেও রক্ত ঝরেছে গাজীপুর মহানগরীর ৩১নং ওয়ার্ডের অন্তর্গত দক্ষিণখানে। এই এলাকায় বিগত সরকারের মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী ও গাজীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আ ক ম মোজাম্মেল হকের বাড়িতে হামলা হয়েছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিগত সরকারের প্রধান শেখ হাসিনার সরাসরি বক্তব্য প্রদানকে কেন্দ্র করে ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়ি, সুধা সদনসহ দেশব্যাপী গুটি কয়েক আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীর বাড়িতে একযোগে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। একই ধারাবাহিকতায় সাবেক মন্ত্রীর বাড়িতেও যে আক্রমণ হবে, এটা অবধারিত ছিল। তবে ঘটনাদৃষ্টে মনে হয়, সবাই জানলেও এমন আক্রমণ হওয়ার কোনো পূর্বাভাস পায়নি একমাত্র পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন। এরই মধ্যে ওই বাড়িতে আক্রমণ হলো। কিন্তু কে বা কারা মসজিদ থেকে মাইকযোগে এমন আক্রমণকে এলাকায় ডাকাতের হামলা বলে ঘোষণা দিল এবং ডাকাতদের শায়েস্তা করতে সবাইকে উত্তেজিত করল, এখনো জানা গেল না। অভিযোগ উঠেছে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের আক্রমণে আহত হন ওই বাড়িতে আসা বা আশপাশের কিছু তরুণ। এঁদের মধ্যে একজন শিক্ষার্থী গতকাল বৃহস্পতিবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। পরবর্তী সময়ে জানা যায়, ওই বাড়িতে আক্রমণের খবর শুনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্ররা হামলাকারীদের ঠেকাতে মূলত সেখানে গিয়েছিলেন, যাঁরা আক্রমণের শিকার হন। 

এরপর বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থী আহত হওয়ার খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যরা এলাকায় পৌঁছে আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার ও স্থানীয় শহীদ তাজউদ্দীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করে। এ সময় আহত শিক্ষার্থীদের নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরাসরি কিছু বক্তব্য ও ছবি বা ভিডিওচিত্র প্রচারিত হয়। ফলে অশান্ত হয়ে ওঠে গোটা দেশ। গাজীপুরে বড় রকমের শোডাউন করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের কেন্দ্রীয় নেতারা। তবে নেতারা গাজীপুর ছেড়ে চলে যাওয়ার পরপরই আহত হন একজন স্থানীয় ছাত্রনেতা। এরই মাঝে শুরু হয় অপারেশন ডেভিল হান্ট

দোষেগুণে গাজীপুরগাজীপুর থেকেই অপারেশন ডেভিল হান্টের সূচনা। তবে কি গাজীপুর ছিল ডেভিলদের সুতিকাগার? এমন প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে ফিরে তাকাতে হবে বিগত বছরগুলোর রাজনীতির দৃশ্যপটের দিকে। বিগত বেশ কিছু বছর ধরে রাজনীতিকে নির্বাসনে পাঠানোর এক উর্বর ক্ষেত্র হয়ে উঠেছিল গাজীপুর। আ ক ম মোজাম্মেল হক মুক্তিযোদ্ধা হলেও মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে তাঁর কর্মকাণ্ড নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। বিশেষত হুমায়ূন আহমেদের মতো একজন বড় মাপের লেখক যখন গাজীপুরের একটি নারীকে পাশবিক নির্যাতন ও তাঁকে হত্যার ঘটনা উপন্যাসের পাতায় তুলে ধরেন, তখন বিব্রত হন ওই দলের সাধারণ নেতা-কর্মীরা। সম্প্রতি একজন অভিনেত্রী তাঁর পিতৃতুল্য সাবেক মন্ত্রী তাঁকে অশ্লীল প্রস্তাব দেওয়ার তথ্য প্রকাশ করেছেন। তারও আগে আওয়ামী আমলে প্রকাশিত রাজাকারের তালিকায় বহু মুক্তিযোদ্ধার নাম সংযুক্তি এবং অকাতরে নিত্যনতুন মুক্তিযোদ্ধার সনদ প্রদান ও রাজনৈতিক বিবেচনায় প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের সনদ বাতিলের কারণে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী হিসেবে তিনি সমালোচিত হন। জাতির কী দুর্ভাগ্য, ১৬ বছরেও গাজীপুরের মতো একটি জেলায় একজন মোজাম্মেল হকের বিকল্প তৈরি হয়নি। তাই ঘুরেফিরে মোজাম্মেলরাই সংসদ সদস্য এবং মন্ত্রী হয়েছেন। গাজীপুরের অঘোষিত গাজী ছিলেন আওয়ামী লীগের জাহাঙ্গীর আলম। এই নেতা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেখ মুজিবকে নিয়ে বেফাঁস মন্তব্য প্রদান করায় দলীয় প্রধানের বিরাগভাজন হন। তবে তাঁর টাকার কাছে নিজ দলের নেতারাও বিক্রি হয়ে গিয়েছিলেন। তা ছাড়াও মাঠপর্যায়ে তাঁর টাকা সর্বস্তরে কথা বলেছে। ফলে সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে তাঁর বদলে আজমত উল্লা খানকে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করা হলে, জাহাঙ্গীর তাঁর মাকে নির্বাচনে দাঁড় করান এবং জিতিয়ে আনেন। অনেকেই বলেন, জাহাঙ্গীরের ছিল হোন্ডা, গুন্ডা ও ডান্ডা। সেই সঙ্গে টাকা অর্থাৎ নোট মিশিয়ে তিনি পেয়ে যান ভোট। দল, মার্কা বা ব্যক্তিকে রাজনৈতিক মানদণ্ডে ভাবার চিরন্তন ভাবনায় চিড় ধরে গাজীপুরের রাজনীতিকে কেন্দ্র করে। রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু নেই- এমন প্রবাদকে মিথ্যা প্রমাণিত করে গাজীপুর দেখিয়েছে টাকাই রাজনীতিতে শেষ কথা।

রাজনীতিতে টাকা ও একজন জাহাঙ্গীর কেন বড় ফ্যাক্টর- তার কিছুটা ধারণা পাওয়া যাবে ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবরের ঘটনাপ্রবাহ বিশ্লেষণে। সেদিন আওয়ামী লীগ পরিকল্পিতভাবে প্রায় একতরফা নির্বাচনের প্রাক্কালে ঢাকার পল্টনে মহাসমাবেশ ডেকেছিল বিএনপি ও সমমনা দলগুলো। এই মহাসমাবেশকে ভন্ডুল করতে গাজীপুর থেকে লাঠিসোঁটা নিয়ে কয়েক ট্রাক ভর্তি যুবক পল্টনের দিকে যায়। তারা সংঘাত বাধায় কাকরাইলের মোড়ে থাকা বিএনপি নেতা-কর্মীদের সঙ্গে। এরপর ঘটে বিচারপতিদের বাসভবনের গেটে আক্রমণ ও পুলিশের ওপর হামলা। এতে প্রাণ হারান একজন পুলিশ সদস্য। আর এমন সহিংসতাকে পুঁজি করে বিএনপির সব শীর্ষ নেতাকে আটক করা হয়, যাঁরা মুক্তি পান তথাকথিত নির্বাচন শেষ হওয়ার পরে। বিএনপি নেতা-কর্মীদের ওপর এমন আক্রমণকেই শেখ হাসিনার পতনের প্রথম সোপান মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জে পেশিশক্তি ছিল রাজধানীর রাজনীতির মাঠ শান্ত কিংবা অশান্ত রাখার চালিকাশক্তি। নারায়ণগঞ্জের নারায়ণরা পট পরিবর্তনের পর আপাতত মৌনতা অবলম্বন করলেও গাজীপুরের গাজীরা রাজধানীবাসীর ঘুম হারাম করার হুমকি দিয়ে চলেছে, যা উদ্বেগজনক। রাজনীতির পাশাপাশি অর্থনীতিতেও গাজীপুরের অবদান অসামান্য। দেশের মোট তৈরি পোশাক, বস্ত্র ও সুতাশিল্প কারখানার বড় অংশ গড়ে উঠেছে গাজীপুর ও তার আশপাশের এলাকায়। বর্তমানে দেশের মোট শ্রমিকদেরও উল্লেখযোগ্য অংশ গাজীপুরে বসবাস করেন। গাজীপুরে আরও বসবাস করেন রাজধানীতে কর্মরত নিম্ন আয়ের কয়েক লাখ শ্রমিক-কর্মচারী, যাঁরা প্রতিদিন গাজীপুর থেকে ঢাকায় আসা-যাওয়া করেন। তাই মানবসম্পদে পরিপূর্ণ একটি জেলা হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ গাজীপুর। এক গাজীপুরেই যত শ্রমিক আছেন, পৃথিবীর বহু দেশের মোট জনসংখ্যাও তার চেয়ে কম। দেশের টাকা ছাপানো হয় গাজীপুরের টাঁকশালে। গাজীপুর বিশ্বময় পরিচিত বিশ্ব ইজতেমা, আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা কেন্দ্র, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষীদের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এবং ওআইসি পরিচালিত ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কল্যাণে। দেশের শিক্ষাব্যবস্থার অন্যতম মেরুদণ্ড জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান গাজীপুরে। এ ছাড়াও গাজীপুরে রয়েছে মেডিকেল কলেজ, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজসহ বহু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়।

যোগাযোগব্যবস্থার দিকে তাকালে দেখা যায়, দেশের উত্তরবঙ্গ ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল থেকে স্থলপথে রাজধানীতে প্রবেশ ও নির্গমন গাজীপুরনির্ভর। দেশের বৃহত্তম রেল যোগাযোগ গড়ে উঠেছে গাজীপুরের বুক চিরে। নদীপথে বাংলাদেশের যে বাণিজ্য, তা গাজীপুরের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া নদীর ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল।

দেশের প্রতিরক্ষাব্যবস্থার ভিত্তি হলো অস্ত্র, গোলাবারুদ ও যুদ্ধসরঞ্জাম। গাজীপুরেই রয়েছে সমরাস্ত্র ও গোলাবারুদ উৎপাদনের কারখানা ও মজুতকেন্দ্র। গাজীপুর নিয়ে আরও কিছু লিখার ইচ্ছে থাকলেও কলম থমকে গেল একটি খবর দেখে।

আন্তর্জাতিক মূল্যায়নে পৃথিবীব্যাপী সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান নিচের দিক থেকে ১৪তম। কারণ যা-ই হোক, ফলাফল হলো বাংলাদেশের অবস্থান ও সূচক আগের চেয়ে আরও খারাপ হয়েছে। দুর্নীতি আর গাজীপুর একসঙ্গে যখন মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছিল, তখন এক আড্ডায় ওঠা কিছু কথা মনে পড়ল। বন্ধুদের মধ্যে ছিলেন সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজ করা বেশ কজন। তাদের দৃষ্টিতে বাংলাদেশ সরকারের ভূমি মন্ত্রণালয়ের সবচেয়ে আশীর্বাদপুষ্ট মানুষগুলোর পদায়ন হয় গাজীপুরে। এ জেলার জমির মালিকানা এমনই, জটিল, বিতর্কিত ও দুর্বোধ্য, জমির ক্রয়বিক্রয় ও শ্রেণি পরিবর্তনের সময় অবৈধ টাকার ঢল নামে। গাজীপুরের ইটভাটা ও কলকারখানাগুলো ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ, পরিবেশ মন্ত্রণালয়, ফায়ার ব্রিগেড এবং শিল্প-কলকারখানা পরিদর্শনসহ নানা সরকারি দপ্তরের লোভী ও বিপথগামী মানুষকে আয়-আয় বলে ডাকে। রাজধানী ঢাকার বায়ুদূষণ ও পরিবেশ বিপর্যয়ের অন্যতম কারণ গাজীপুরের ইটভাটা ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোতে নজরদারির অভাব। গাজীপুরের পুলিশ বিভাগ ও কাশিমপুর কারাগারে কিছুদিন চাকরি করেই অবৈধ আয়ের ওপর নির্ভরশীল মানুষের ভাগ্য খুলে যায়। বিআরটি নামক গাজীপুরের একটি রাস্তা নির্মাণের মাধ্যমে সড়ক যোগাযোগ ও সেতু মন্ত্রণালয়, পরিকল্পনা কমিশন, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্তৃপক্ষ দেখিয়ে দিয়েছে দুর্নীতি, মোটা বুদ্ধি ও অব্যবস্থাপনা কাকে বলে, কত প্রকার ও কী কী? রাজধানীতে মাদকের জোগান আসে গাজীপুর হয়ে। গাজীপুরের বনের গাছ ও জমির পরিমাণ কমতে থাকে বন বিভাগের কর্তাব্যক্তিদের বদান্যতায়। দেশবিদেশে একশ্রেণির বন কর্মকর্তার সম্পদ বাড়ার অন্যতম অনুষঙ্গ গাজীপুরের বন বিভাগের গাছ ও জমির মালিকানা হ্রাস পাওয়া। গাজীপুরের নদনদী ও খালবিলের পানিতে এত রাসায়নিক কোথা থেকে আসে, কেউ তা জানে না। অথচ তা দেখার জন্য গাজীপুরে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কতজন আছেন, তার হিসাব সম্ভবত স্বয়ং জেলার অভিভাবকও জানেন কি না, সন্দেহ। সড়কপথে চাঁদা আদায়ের তীর্থভূমিও গাজীপুর। অন্যদিকে ঝুট ব্যবসা ও স্টকলট ব্যবসাকে কেন্দ্র করে আধিপত্যবাদ, অগ্নিসংযোগ, সংঘর্ষ এমনকি হত্যাকাণ্ড গাজীপুরের মাটিকে বারবার রক্তে রঞ্জিত করেছে।

দেশের সর্বশক্তি প্রয়োগ করে গাজীপুরকে দুর্নীতিমুক্ত করতে পারলেই দেশের চেহারা ও দুর্নীতিতে দেশের অবস্থান পাল্টে যেতে বাধ্য। কিন্তু বিড়ালের গলায় ঘণ্টা বাঁধবে কে- কে সেই গাজী? একসময় স্লোগান ছিল মরলে শহীদ, বাঁচলে গাজী, আমরা সবাই মরতে রাজি। দুর্নীতির বিরুদ্ধে এমন স্লোগান দেওয়ার মতো কেউ আছে কি?

লেখক : গবেষক, বিশ্লেষক ও কলামিস্ট

Email: [email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
তরমুজ-শসা খান
তরমুজ-শসা খান
আহা! ডিজিটাল বাংলাদেশ
আহা! ডিজিটাল বাংলাদেশ
ইউনূস-মোদি বৈঠক
ইউনূস-মোদি বৈঠক
রমজানের শিক্ষা ধরে রাখতে হবে
রমজানের শিক্ষা ধরে রাখতে হবে
ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে
ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে
দেশই সবকিছু, ব্যক্তি বা পরিবার নয়
দেশই সবকিছু, ব্যক্তি বা পরিবার নয়
সামাজিক ব্যবসা
সামাজিক ব্যবসা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
রেমিট্যান্সে আশার আলো
রেমিট্যান্সে আশার আলো
সর্বশেষ খবর
গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনা হোক : সালাউদ্দিন আহমেদ
গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনা হোক : সালাউদ্দিন আহমেদ

২৫ মিনিট আগে | রাজনীতি

মার্কিন শুল্কারোপ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই : খলিলুর রহমান
মার্কিন শুল্কারোপ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই : খলিলুর রহমান

৩৫ মিনিট আগে | জাতীয়

পাঞ্জাবকে বড় ব্যবধানে হারালো রাজস্থান
পাঞ্জাবকে বড় ব্যবধানে হারালো রাজস্থান

৪১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

চেন্নাইকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে দিল্লি
চেন্নাইকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে দিল্লি

৫০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে পোশাক শ্রমিকের মৃত্যু
চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে পোশাক শ্রমিকের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রহ্মপুত্র নদে অষ্টমীর স্নান উৎসবে লাখো পুণ্যার্থীর ঢল
ব্রহ্মপুত্র নদে অষ্টমীর স্নান উৎসবে লাখো পুণ্যার্থীর ঢল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ

২ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গাজীপুরে ট্রাকের ধাক্কায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
গাজীপুরে ট্রাকের ধাক্কায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শাহবাগে ফুলের দোকানের আগুন নিয়ন্ত্রণে
শাহবাগে ফুলের দোকানের আগুন নিয়ন্ত্রণে

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শাহবাগে ফুলের দোকানে আগুন
শাহবাগে ফুলের দোকানে আগুন

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত ইয়াসিনের পরিবারের পাশে তারেক রহমান
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত ইয়াসিনের পরিবারের পাশে তারেক রহমান

৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কু-প্রস্তাবে অসম্মতি জানানোয় বিধবাকে পিটিয়ে আহত, বসতবাড়ি ভাঙচুর
কু-প্রস্তাবে অসম্মতি জানানোয় বিধবাকে পিটিয়ে আহত, বসতবাড়ি ভাঙচুর

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড
এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিএনপি ক্ষমতার পাগল নয়, ক্ষমতা বিএনপির প্রাপ্য : ফজলুর রহমান
বিএনপি ক্ষমতার পাগল নয়, ক্ষমতা বিএনপির প্রাপ্য : ফজলুর রহমান

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শুধু মানুষের নয়, বানরও অর্থবহ ভাষা তৈরি করতে সক্ষম : গবেষণা
শুধু মানুষের নয়, বানরও অর্থবহ ভাষা তৈরি করতে সক্ষম : গবেষণা

৫ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা
শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা

৫ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক
যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ভারতে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসে খেলাফত মজলিসের উদ্বেগ
ভারতে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসে খেলাফত মজলিসের উদ্বেগ

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‌‘দেশে ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য আন্দোলন সংগ্রাম করেছি’
‌‘দেশে ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য আন্দোলন সংগ্রাম করেছি’

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শান্তি আলোচনায় সময় ফুরিয়ে আসছে, রাশিয়াকে হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের
শান্তি আলোচনায় সময় ফুরিয়ে আসছে, রাশিয়াকে হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র-কানাডার শিক্ষার্থীদের জন্য চ্যাটজিপিটি প্লাস ফ্রি, চলবে মে মাস পর্যন্ত
যুক্তরাষ্ট্র-কানাডার শিক্ষার্থীদের জন্য চ্যাটজিপিটি প্লাস ফ্রি, চলবে মে মাস পর্যন্ত

৫ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বদরগঞ্জে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৪০
বদরগঞ্জে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৪০

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মাঠজুড়ে সূর্যমুখী ফুলের সমারোহ
মাঠজুড়ে সূর্যমুখী ফুলের সমারোহ

৬ ঘণ্টা আগে | প্রকৃতি ও পরিবেশ

ভুরুঙ্গামারীতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার
ভুরুঙ্গামারীতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাকৃবিতে উন্নত জাতের টমেটোর জাত উদ্ভাবন
বাকৃবিতে উন্নত জাতের টমেটোর জাত উদ্ভাবন

৬ ঘণ্টা আগে | প্রকৃতি ও পরিবেশ

১২ এপ্রিল নিউইয়র্কে ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’
১২ এপ্রিল নিউইয়র্কে ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’

৬ ঘণ্টা আগে | পরবাস

টাঙ্গাইলে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন
টাঙ্গাইলে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাওনা টাকা চাওয়ায় হামলা, ঘটনার ৪ দিন পর যুবকের মৃত্যু
পাওনা টাকা চাওয়ায় হামলা, ঘটনার ৪ দিন পর যুবকের মৃত্যু

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সিলেটে ৯ দিনে ২৮৭ নরমাল ডেলিভারি
সিলেটে ৯ দিনে ২৮৭ নরমাল ডেলিভারি

৬ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

সর্বাধিক পঠিত
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি
আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব
ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা
সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে
কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন
ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম
নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম

১২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

১৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড
এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার
হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প
‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী
পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

১৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি
হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি

১১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার
লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার

১৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা
চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা

১৭ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি
ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি

৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা
পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা

১৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার
৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা
কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু
আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার
প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার

১৩ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা
আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা
ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২
কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জেলেনস্কির নিজ শহরে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১৮ জন নিহত
জেলেনস্কির নিজ শহরে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১৮ জন নিহত

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজায় অ্যাম্বুলেন্সে অগ্নিকাণ্ড ইসরায়েলি ‘যুদ্ধাপরাধ’ হতে পারে : জাতিসংঘ কর্মকর্তা
গাজায় অ্যাম্বুলেন্সে অগ্নিকাণ্ড ইসরায়েলি ‘যুদ্ধাপরাধ’ হতে পারে : জাতিসংঘ কর্মকর্তা

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
দূরত্ব কাটাবে ঢাকা-দিল্লি
দূরত্ব কাটাবে ঢাকা-দিল্লি

প্রথম পৃষ্ঠা

জটিলতা ৫৫ আসনে
জটিলতা ৫৫ আসনে

পেছনের পৃষ্ঠা

ফের উত্তপ্ত হবে রাজপথ
ফের উত্তপ্ত হবে রাজপথ

প্রথম পৃষ্ঠা

সেন্টমার্টিন এখন অন্যরকম
সেন্টমার্টিন এখন অন্যরকম

পেছনের পৃষ্ঠা

ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার
ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত
এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত

প্রথম পৃষ্ঠা

ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান
ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক
বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক

শোবিজ

মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক
মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক

প্রথম পৃষ্ঠা

সুপার লিগে খেলার লড়াই
সুপার লিগে খেলার লড়াই

মাঠে ময়দানে

ক্ষমতার মজা পেয়ে গেছেন উপদেষ্টা পরিষদের সবাই
ক্ষমতার মজা পেয়ে গেছেন উপদেষ্টা পরিষদের সবাই

প্রথম পৃষ্ঠা

মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজবাড়ীতে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির শকুন উদ্ধার
রাজবাড়ীতে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির শকুন উদ্ধার

পেছনের পৃষ্ঠা

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

লাহোরে নিগারদের অনুশীলন
লাহোরে নিগারদের অনুশীলন

মাঠে ময়দানে

যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ
যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ

প্রথম পৃষ্ঠা

জরাজীর্ণ ভবন, নষ্ট এক্স-রে মেশিন
জরাজীর্ণ ভবন, নষ্ট এক্স-রে মেশিন

দেশগ্রাম

বাণিজ্য ছাড়িয়েছিল হাজার কোটি ডলার
বাণিজ্য ছাড়িয়েছিল হাজার কোটি ডলার

পেছনের পৃষ্ঠা

লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি
লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি

দেশগ্রাম

বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০
বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০

প্রথম পৃষ্ঠা

সংস্কার শেষেই নির্বাচন দিতে হবে
সংস্কার শেষেই নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

শরীয়তপুরে খোলা মাঠ যেন যুদ্ধক্ষেত্র
শরীয়তপুরে খোলা মাঠ যেন যুদ্ধক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা
ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

একই দিনে দুই বিয়ে
একই দিনে দুই বিয়ে

শোবিজ

তেহরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প
তেহরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প

পূর্ব-পশ্চিম

জংলি নিয়ে দর্শকদের সাড়া দেখে আমি আনন্দিত
জংলি নিয়ে দর্শকদের সাড়া দেখে আমি আনন্দিত

শোবিজ

ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে
ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে

সম্পাদকীয়

বিশ্বজুড়ে মানবিক সহায়তার সিংহভাগ যুক্তরাষ্ট্র আর বহন করবে না
বিশ্বজুড়ে মানবিক সহায়তার সিংহভাগ যুক্তরাষ্ট্র আর বহন করবে না

পূর্ব-পশ্চিম

অভিযোগের জবাবে পরী
অভিযোগের জবাবে পরী

শোবিজ