শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বৃহস্পতিবার, ০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ০০:২১, বৃহস্পতিবার, ০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

আরেকটি সুযোগ কি হাতছাড়া হচ্ছে!

মন্‌জুরুল ইসলাম
প্রিন্ট ভার্সন
আরেকটি সুযোগ কি হাতছাড়া হচ্ছে!

২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি এবং ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট এক নয়। বাংলাদেশের ইতিহাসে দুটিই স্মরণীয় ঘটনার দিন। একটির নায়ক ছিল বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। ঘটনা পরিচিতি লাভ করে ওয়ান-ইলেভেন নামে। অন্যটির নায়ক দেশের ছাত্র-জনতা। পরিচিতি লাভ করে জুলাই বিপ্লব নামে। ওয়ান-ইলেভেনের নায়ক মইন উ আহমেদের নেতৃত্বাধীন সেনাবাহিনী। বিএনপি ও মিত্র রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী ছাড়া সবাই তখন তাদের স্বাগত জানিয়েছিল। আওয়ামী লীগ ও তখনকার সুশীল সমাজ গর্ব করে বলত, ওয়ান-ইলেভেন তাদের আন্দোলনের ফসল। জুলাই বিপ্লবে ঘটল এর উল্টো। এ ঘটনার নায়ক ছাত্র-জনতা। আওয়ামী লীগ ও মিত্র রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী ছাড়া দেশবাসী এ বিপ্লবে অংশগ্রহণ করেছে। আর এ বিপ্লবকে সমর্থন করেছে দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী। তবে দুটি ঘটনার উদ্দেশ্য এক ও অভিন্ন- দেশটা হবে জনগণের এবং দুর্নীতিমুক্ত। প্রতিষ্ঠিত হবে আইনের শাসন। মানুষের মৌলিক অধিকার, মানবাধিকার থাকবে সুরক্ষিত। শেষ পর্যন্ত ওয়ান-ইলেভেনের সরকারের যা পরিণতি হয়েছিল এবং বিগত ১৮ বছর দেশবাসীর কপালে যা জুটল, তা যেন চুন খেয়ে মুখ পুড়ে দই দেখে ভয় পাওয়ার মতো অবস্থা।

অনেকেই ওয়ান-ইলেভেন সরকারের পোস্টমর্টেম করেছেন অনেকভাবে। সাধারণত তিন সময়ে এবং তিনভাবে এটি করা হয়েছে। ঘটনা ঘটার আগে কেউ কেউ এমন একটি সরকারের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছিলেন। সে কারণে পরবর্তীতে দাবি করা হয়েছিল, ওই সরকার ছিল তাদের সরকার। ওই সরকারের শাসন চলাকালে অনেকেই সফলতার কথা আগ বাড়িয়ে বলেছিলেন। তাদের অদক্ষতা, অসততা ও জাতির সঙ্গে প্রতারণার কথা কেউ সাহস করে বলেননি। তবে বিদায়ের পর আবার কেউ কেউ ব্যর্থতার নানা দিক নিয়ে কথা বলেছিলেন। ওয়ান-ইলেভেন সরকারের সবচেয়ে দুঃসাহসিক কাজ ছিল ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা এবং একই বছরের ৩ সেপ্টেম্বর তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে গ্রেপ্তার করা। দুই নেত্রীকে গ্রেপ্তার করার মতো ঘটনায় ওই সরকারের প্রতি তখন সাধারণ মানুষের ভীতি তৈরি হয়। এ সরকারের পক্ষে সবকিছু করা সম্ভব-এমন একটি ইমেজও তৈরি হয়েছিল। সেই সঙ্গে মাইনাস টু ফর্মুলার উদ্ভাবকরা আনন্দে উল্লসিত হয়েছিলেন। তবে দেশের প্রয়োজনীয় সংস্কার, রাজনীতির অরাজনৈতিক কার্যক্রম ও দুর্নীতি বন্ধ, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার সব সুযোগ এবং জনসমর্থন ওই সরকার পেয়েছিল। সুবর্ণ সুযোগ হাতের মুঠোয় পেয়েও কাজের চেয়ে অকাজে জড়িয়ে পড়ায় মানুষ দিনদিন ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে মাত্র আট মাসের মাথায় ২০০৭ সালের ২০ আগস্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে ছাত্রদের খেলা কেন্দ্র করে ছাত্র ও সেনাসদস্যদের মধ্যে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। সেনাসদস্যরা শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতন চালায়। লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক এবং বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের বর্তমান চেয়ারম্যান মোবাশ্বের মোনেম সেনাসদস্যদের দ্বারা লাঞ্ছনার শিকার হন। এর প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন শিক্ষার্থীরা। এরপর ২১, ২২ ও ২৩ আগস্ট সারা দেশে সেই বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। ধীরে ধীরে বিভিন্ন ইস্যুতে জনরোষ বাড়তে থাকে। যা হোক, পরের ঘটনা কমবেশি সবারই জানা। একটি ইতিবাচক পরিবর্তন অর্থাৎ সংস্কার করার যে সুযোগ ওই সরকার ও সেনাবাহিনী পেয়েছিল, বেলা শেষে সে সুযোগ হাতছাড়া হয়। প্রকাশিত হতে থাকে ওয়ান-ইলেভেন সরকারের প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য অংশীজনদের অদক্ষতা, অসততা ও জাতির সঙ্গে প্রতারণার ভয়াবহ সব কাহিনি। তারা এত বেশি অপকর্ম করেছিল যে, ওয়ান-ইলেভেনের সুবিধাভোগী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পরও কোনো কুশীলব দেশে নিজেকে নিরাপদ ভাবতে পারেননি। বাধ্য হয়ে মইন উদ্দিন, ফখরুদ্দীনসহ সংশ্লিষ্ট প্রায় সবাই দেশ ছাড়েন। আর যারা দেশের মধ্যে ছিলেন তাদের অনেকেই মৃত্যুবরণ করেছেন। অনেকে নিজেদের রীতিমতো গুটিয়ে রেখেছেন। চলে গেছেন লোকচক্ষুর অন্তরালে। ওয়ান-ইলেভেনের কুশীলব কথাটি এখন দেশবাসীর কাছে গালি হিসেবে বিবেচিত। আর যারা মাইনাস টু ফর্মুলার উদ্ভাবক ছিলেন, তারা এখনো গণধিকৃত হয়ে আছেন।

দীর্ঘ ১৮ বছর পর আরও একটি সুযোগ আমরা পেলাম। ছাত্র-জনতা স্বৈরাচারের জগদ্দল পাথর সজোরে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিল। আমরা আমজনতা হাঁফ ছেড়ে বাঁচলাম। আওয়ামী লীগ ও ১৪ দলের নেতা-কর্মী ছাড়া প্রায় সবাই ছাত্র-জনতাকে শাবাশ দিয়েছে। প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছে। মিষ্টি বিতরণ করেছে। সুযোগ থাকার পরও বন্দুক হাতে সেনাবাহিনী ক্ষমতা দখল করেনি। বরং বিপ্লবী ছাত্র-জনতা বিশ্ববরেণ্য ব্যক্তিত্ব নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ফুল দিয়ে বরণ করে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে। প্রথমে তিনি এ গুরুদায়িত্ব নিতে রাজি হননি। দায়িত্ব গ্রহণের ঐতিহাসিক ঘটনা বিশ্ববাসী ও দেশবাসীর সামনে তুলে ধরে ড. ইউনূস বলেছেন, আমি তখন প্যারিসে ছিলাম। আরেকটি সুযোগ কি হাতছাড়া হচ্ছে!অলিম্পিক আয়োজন নিয়ে কাজ করছিলাম। ঠিক সে সময়ই প্রথম ফোন আসে। আমি তখন হাসপাতালে ছোট্ট একটি অস্ত্রোপচারের জন্য ভর্তি ছিলাম। ফোনে বলা হয়, শেখ হাসিনা চলে গেছেন, এখন আমাদের সরকার গঠন করতে হবে। অনুগ্রহ করে আমাদের জন্য সরকার গঠন করুন। আমি বললাম, আমি এ বিষয়ে কিছু জানি না এবং এতে জড়াতে চাই না। কিন্তু আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বারবার অনুরোধ জানায়। তারা বলে, দেশের সংকট মুহূর্তে আপনিই উপযুক্ত ব্যক্তি। আমি তাদের বোঝানোর চেষ্টা করলাম, বাংলাদেশে অনেক ভালো নেতা আছেন, তোমরা কাউকে খুঁজে নাও। কিন্তু তারা বলল, না, আমরা কাউকে পাচ্ছি না। আপনাকেই আসতে হবে। শেষ পর্যন্ত ছাত্রদের আত্মত্যাগের কথা ভেবে রাজি হই। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের প্রেক্ষাপট সহজসরল শিশুর মতো তিনি একাধিকবার দেশে-বিদেশে বলেছেন। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকলে বিশ্ববরেণ্য এ মানুষটি হয়তো আজ জেলখানায় থাকতেন। কিন্তু ছাত্র-জনতার অকুণ্ঠ আস্থায় মহান আল্লাহ তাঁকে সম্মানিত করেছেন। এ মহান ব্যক্তিত্ব দেশের দায়িত্ব নেওয়ার পর দেশবাসীর প্রত্যাশা হয়েছিল আকাশচুম্বী। জনসাধারণের মধ্যে এবার দেশের কিছু একটা হবে এমন ইতিবাচক আশাবাদ কাজ করছিল। ছাত্র-জনতার প্রত্যাশা পূরণ করতে তিনি তাঁর পারিষদ গঠন করলেন। কিন্তু পারিষদবর্গ দেখে সচেতন দেশবাসী প্রথমেই একটু হোঁচট খেল। থ্রি-জিরো তত্ত্ব দিয়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূস যেখানে পৃথিবীকে নতুন আলোয় আলোকিত করছেন, সেখানে এ পারিষদ দিয়ে তিনি কি নিজের দেশটা বদলাতে পারবেন-এমন প্রশ্ন ঘুরপাক খেতে থাকে। প্রশ্নটা প্রথমে দেশের মুষ্টিমেয় কিছু বোদ্ধাজনের মধ্যে জন্ম নিলেও গত ছয় মাসে বিস্তৃত হয়ে এখন অনেকের মধ্যেই কাজ করছে। চিন্তা-চেতনায়, দক্ষতায়, জ্ঞান-গরিমায়, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে সুখ্যাতিতে ড. মুহাম্মদ ইউনূস যে উচ্চতায় রয়েছেন, তাঁর পারিষদের সদস্যরা সে তুলনায় কতটা খর্বাকৃতির, গত ছয় মাসে তাঁদের কার্যকলাপে নিজেরাই প্রমাণ করেছেন। আমরা যদি তর্কের খাতিয়ে ধরে নিই, দেশটা সংস্কার করে গড়ে তোলার জন্য এর চেয়ে যোগ্য মানুষ পাওয়া যায়নি, তাহলে সেটা ১৭ কোটি মানুষের দুর্ভাগ্য। তবে এও ঠিক, পারিষদের সদস্যরা তাঁদের নিজস্ব কাজের ক্ষুদ্র গণ্ডিতে অবশ্যই সফল ছিলেন।

জুলাই বিপ্লবের পর ছাত্রদের বিশেষ করে সমন্বয়কদের সামাজিক, রাজনৈতিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মর্যাদা ছিল ঈর্ষণীয়। দেশের বহু মানুষ সমন্বয়কদের সঙ্গে হাত মেলাতে পারলে ধন্য হয়ে যেত। বহু মানুষ তাঁদের সঙ্গে ছবি তুলে ফেসবুকের প্রোফাইল বানিয়েছেন। অনেক পিতা-মাতা তাঁদের ছোট ছোট সন্তানকে সমন্বয়কদের ছবি দেখিয়ে বলেছেন, বড় হয়ে এমন বিপ্লবী ও সাহসী হবে। জুলাই বিপ্লবের পর দেশের অনেক স্থানে মারামারি, বিশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টি হয়। যে কোনো একজন সমন্বয়ক সেখানে ছুটে গেলেই থেমে যেত মারামারি বা বিশৃঙ্খলা। কিন্তু ৩ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাতে আমরা দেখলাম, জুলাই বিপ্লবে আহতরা মিন্টো রোডে প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনার সামনে অবস্থান নেন। খবর পেয়ে মধ্যরাতেই সেখানে ছুটে যান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি আহতদের প্রতি সমবেদনা জানান এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহতদের সুচিকিৎসা না দেওয়াকে সরকারের ব্যর্থতা বলে উল্লেখ করেন। তবে ঘটনাস্থলের যে বিষয়টি গণমাধ্যমের কল্যাণে দেশবাসী প্রত্যক্ষ করেছে তা হলো, কয়েক মাস আগেও হাসনাত আবদুল্লাহকে যেভাবে মূল্যায়ন করা হতো এখন সেভাবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে না। বিপ্লবের সঙ্গীরাই তাঁকে চ্যালেঞ্জ করছেন।

বিপ্লবীরা এখন রাজনৈতিক দল গঠনের কাজে ব্যস্ত। হয়তো আগামী সপ্তাহেই তাঁদের দলের আত্মপ্রকাশ ঘটবে। তারপর হবে নির্বাচনের রোডম্যাপ। সবাই মিলে আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন। রাজনীতিতে ইতিবাচক ধারা ফেরাতে বিপ্লবীরা রাজনীতিতে আসছেন। তাঁদের এ উদ্যোগ অবশ্যই সাধুবাদ পাওয়ার যোগ্য। শুধু ভেবে দেখার বিষয় হলো, সরকার ও বিপ্লবীদের ইমেজ ছয় মাসের মধ্যে যেভাবে নিম্নমুখী হচ্ছে, নির্বাচন পর্যন্ত সে গতি কোন পর্যায়ে গিয়ে ঠেকবে। সরকারের ব্যর্থতার কথা বিপ্লবীরাই এখন বলতে বাধ্য হচ্ছেন। ব্যর্থতা যদি দিনদিন আরও প্রকট হয় এবং নির্বাচনে বিপ্লবীরা যদি আশাহত হন, তাহলে দেশ গঠনের আরও একটি সুযোগ হাতছাড়া হবে কি না ভাববার বিষয়। কারণ সম্মান ও সমৃদ্ধি অর্জন করার চেয়ে ধরে রাখা অনেক কঠিন।

লেখক : নির্বাহী সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন

[email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
তরমুজ-শসা খান
তরমুজ-শসা খান
আহা! ডিজিটাল বাংলাদেশ
আহা! ডিজিটাল বাংলাদেশ
ইউনূস-মোদি বৈঠক
ইউনূস-মোদি বৈঠক
রমজানের শিক্ষা ধরে রাখতে হবে
রমজানের শিক্ষা ধরে রাখতে হবে
ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে
ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে
দেশই সবকিছু, ব্যক্তি বা পরিবার নয়
দেশই সবকিছু, ব্যক্তি বা পরিবার নয়
সামাজিক ব্যবসা
সামাজিক ব্যবসা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
রেমিট্যান্সে আশার আলো
রেমিট্যান্সে আশার আলো
সর্বশেষ খবর
রাজবাড়ীতে নিরব হত্যার প্রধান আসামি গ্রেফতার
রাজবাড়ীতে নিরব হত্যার প্রধান আসামি গ্রেফতার

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ছেলের দায়ের কোপে আহত মায়ের মৃত্যু
ছেলের দায়ের কোপে আহত মায়ের মৃত্যু

১৬ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ডাসারে অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিলো উপজেলা প্রশাসন
ডাসারে অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিলো উপজেলা প্রশাসন

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ফ্যাসিষ্টের দোসর ও নব্য বিএনপি থেকে সাবধান : মজনু
ফ্যাসিষ্টের দোসর ও নব্য বিএনপি থেকে সাবধান : মজনু

৩১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি গণহত্যার প্রতিবাদে মুখে কালো কাপড় বেঁধে অবস্থান করবে ছাত্রদল
ইসরায়েলি গণহত্যার প্রতিবাদে মুখে কালো কাপড় বেঁধে অবস্থান করবে ছাত্রদল

৪১ মিনিট আগে | রাজনীতি

ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগে কাশিয়ানী থানার ওসি ক্লোজড
ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগে কাশিয়ানী থানার ওসি ক্লোজড

৪১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

‘ভারতে বিতর্কিত ওয়াকফ বিল মুসলিমদের আরো নিরাপত্তাহীন করে তুলবে’
‘ভারতে বিতর্কিত ওয়াকফ বিল মুসলিমদের আরো নিরাপত্তাহীন করে তুলবে’

৪৫ মিনিট আগে | রাজনীতি

চট্টগ্রামে মদসহ চারজন গ্রেফতার
চট্টগ্রামে মদসহ চারজন গ্রেফতার

৪৫ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

কক্সবাজারে ট্রেনে কাটা পড়ে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
কক্সবাজারে ট্রেনে কাটা পড়ে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

৫৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামে পোশাককর্মী খুনের ঘটনায় স্বামী গ্রেফতার
চট্টগ্রামে পোশাককর্মী খুনের ঘটনায় স্বামী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ঈদের লম্বা ছুটিতে চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনারের স্তূপ
ঈদের লম্বা ছুটিতে চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনারের স্তূপ

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিদেশি মদসহ গ্রেফতার ৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিদেশি মদসহ গ্রেফতার ৬

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘আইএমএফ বলেছে বাংলাদেশের অর্থনীতি সঠিক দিকেই আছে’
‘আইএমএফ বলেছে বাংলাদেশের অর্থনীতি সঠিক দিকেই আছে’

১ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

পৃথিবীর ‘সবুজ ফুসফুস’ নজরদারি করবে মহাকাশযান
পৃথিবীর ‘সবুজ ফুসফুস’ নজরদারি করবে মহাকাশযান

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

গাইবান্ধায় কৃষকদের নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের আনন্দময় দিন
গাইবান্ধায় কৃষকদের নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের আনন্দময় দিন

১ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

হজ ব্যবস্থাপনায় কোনো ত্রুটি বরদাশত করা হবে না : ধর্ম উপদেষ্টা
হজ ব্যবস্থাপনায় কোনো ত্রুটি বরদাশত করা হবে না : ধর্ম উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের দায়ে ৭ বাসকে জরিমানা
অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের দায়ে ৭ বাসকে জরিমানা

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ঈদের ছুটি পর বেনাপোল বন্দরে ফিরেছে স্বাভাবিক গতি
ঈদের ছুটি পর বেনাপোল বন্দরে ফিরেছে স্বাভাবিক গতি

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শর্টস ভিডিও নির্মাতাদের জন্য সুখবর দিল ইউটিউব
শর্টস ভিডিও নির্মাতাদের জন্য সুখবর দিল ইউটিউব

১ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

গলাচিপায় শুভসংঘের উদ্যোগে জমিতে অতিরিক্ত সার ও কীটনাশক প্রয়োগ বিষয়ক সচেতনামূলক সভা
গলাচিপায় শুভসংঘের উদ্যোগে জমিতে অতিরিক্ত সার ও কীটনাশক প্রয়োগ বিষয়ক সচেতনামূলক সভা

১ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ট্রাম্পের সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল ইরান
ট্রাম্পের সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল ইরান

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিখোঁজ সেই গৃহবধূ পরকীয়া প্রেমিকসহ উদ্ধার
নিখোঁজ সেই গৃহবধূ পরকীয়া প্রেমিকসহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাউবিতে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত
বাউবিতে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বগুড়ায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নারী নিহত
বগুড়ায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নারী নিহত

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিনিয়োগ সম্মেলনে অংশ নেবেন যুক্তরাষ্ট্র-চীনসহ ৪০ দেশের বিনিয়োগকারী
বিনিয়োগ সম্মেলনে অংশ নেবেন যুক্তরাষ্ট্র-চীনসহ ৪০ দেশের বিনিয়োগকারী

২ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে ইমাম গ্রেফতার
কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে ইমাম গ্রেফতার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় গণহত্যার প্রতিবাদে বিশ্বজুড়ে ‘নো ওয়ার্ক, নো স্কুল’ কর্মসূচির ডাক
গাজায় গণহত্যার প্রতিবাদে বিশ্বজুড়ে ‘নো ওয়ার্ক, নো স্কুল’ কর্মসূচির ডাক

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নদী শুধু কাঁদায় না, জেগে ওঠা চরে ফসল ফলিয়ে কৃষকদেরও বাঁচায়
নদী শুধু কাঁদায় না, জেগে ওঠা চরে ফসল ফলিয়ে কৃষকদেরও বাঁচায়

২ ঘণ্টা আগে | প্রকৃতি ও পরিবেশ

কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যদের
কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যদের

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলি গণহত্যার বিরুদ্ধে হোয়াইট হাউসের সামনে বিক্ষোভকারীদের প্রতিবাদ
ইসরায়েলি গণহত্যার বিরুদ্ধে হোয়াইট হাউসের সামনে বিক্ষোভকারীদের প্রতিবাদ

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
বিয়েবাড়ির গেটে পার্টি স্প্রে দেওয়া নিয়ে মারামারি, ভাঙলো বিয়ে
বিয়েবাড়ির গেটে পার্টি স্প্রে দেওয়া নিয়ে মারামারি, ভাঙলো বিয়ে

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশসহ ১৪ দেশের ওপর সৌদির সাময়িক ভিসা নিষেধাজ্ঞা
বাংলাদেশসহ ১৪ দেশের ওপর সৌদির সাময়িক ভিসা নিষেধাজ্ঞা

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের ওয়াকফ সংশোধনী বিল নিয়ে যা বললেন আসিফ নজরুল
ভারতের ওয়াকফ সংশোধনী বিল নিয়ে যা বললেন আসিফ নজরুল

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মারা গেছেন
আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মারা গেছেন

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষ্যে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা ও সহযোগিতা কার্যক্রম
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষ্যে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা ও সহযোগিতা কার্যক্রম

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতি নিয়ে জরুরি নির্দেশনা
সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতি নিয়ে জরুরি নির্দেশনা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান
সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজায় গণহত্যা বন্ধে সোমবার বিশ্বব্যাপী ‘নো ওয়ার্ক নো স্কুল’
গাজায় গণহত্যা বন্ধে সোমবার বিশ্বব্যাপী ‘নো ওয়ার্ক নো স্কুল’

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতে ওয়াকফ বিল পাস হওয়ায় যে প্রতিক্রিয়া জানাল বিএনপি
ভারতে ওয়াকফ বিল পাস হওয়ায় যে প্রতিক্রিয়া জানাল বিএনপি

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে ফ্ল্যাট নিয়ে টিউলিপের মিথ্যাচার
যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে ফ্ল্যাট নিয়ে টিউলিপের মিথ্যাচার

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্মার্টফোনে ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ মোডের কাজ কী?
স্মার্টফোনে ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ মোডের কাজ কী?

১৩ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

‘গৃহকর্ত্রীও নির্যাতিতা হতে পারেন’ -পরীমনির সেই ইস্যুতে ফেসবুকে ন্যান্সি
‘গৃহকর্ত্রীও নির্যাতিতা হতে পারেন’ -পরীমনির সেই ইস্যুতে ফেসবুকে ন্যান্সি

৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আইনে পরিণত হলো বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী বিল
আইনে পরিণত হলো বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী বিল

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভাঙচুর ও হত্যাচেষ্টা মামলায় আওয়ামীপন্থী ৬১ আইনজীবীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ
ভাঙচুর ও হত্যাচেষ্টা মামলায় আওয়ামীপন্থী ৬১ আইনজীবীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত: মস্কো
ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত: মস্কো

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি
সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আমিরাতের সহযোগিতায় ৮ বিভাগে হবে স্পোর্টস হাব : ক্রীড়া উপদেষ্টা
আমিরাতের সহযোগিতায় ৮ বিভাগে হবে স্পোর্টস হাব : ক্রীড়া উপদেষ্টা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খনিজ চুক্তি ফাঁস: তদন্তে নেমেছে ইউক্রেন
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খনিজ চুক্তি ফাঁস: তদন্তে নেমেছে ইউক্রেন

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব সামাল দেয়া কঠিন নয় : অর্থ উপদেষ্টা
ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব সামাল দেয়া কঠিন নয় : অর্থ উপদেষ্টা

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্প-মাস্কের নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে গণবিক্ষোভ
ট্রাম্প-মাস্কের নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে গণবিক্ষোভ

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দেশে প্রবাসী আয়ে রেকর্ড, মার্চে এল ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি
দেশে প্রবাসী আয়ে রেকর্ড, মার্চে এল ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি

৬ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ভারতে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১, ছিলেন ৭০ জনের বেশি বাংলাদেশি  তীর্থযাত্রী
ভারতে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১, ছিলেন ৭০ জনের বেশি বাংলাদেশি তীর্থযাত্রী

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইভ্যালির রাসেল-শামীমার তিন বছরের কারাদণ্ড
ইভ্যালির রাসেল-শামীমার তিন বছরের কারাদণ্ড

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তিন মন্ত্রণালয়ে সচিব পদে রদবদল
তিন মন্ত্রণালয়ে সচিব পদে রদবদল

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিচার চেয়ে থানায় বৃদ্ধা, ‘ভিক্ষা করে কেনা মুরগি মেরে দিল কারা?’
বিচার চেয়ে থানায় বৃদ্ধা, ‘ভিক্ষা করে কেনা মুরগি মেরে দিল কারা?’

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনা হোক : সালাউদ্দিন আহমেদ
গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনা হোক : সালাউদ্দিন আহমেদ

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

দুই দফা দাবিতে শহীদ মিনারে চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যদের অবস্থান
দুই দফা দাবিতে শহীদ মিনারে চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যদের অবস্থান

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঢাকাসহ সাত বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস
ঢাকাসহ সাত বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েল সফরে গিয়ে অপমানিত দুই ব্রিটিশ নারী এমপি
ইসরায়েল সফরে গিয়ে অপমানিত দুই ব্রিটিশ নারী এমপি

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড. ইউনূসের আরো স্থায়িত্বের প্রশ্নে কিছু কথা
ড. ইউনূসের আরো স্থায়িত্বের প্রশ্নে কিছু কথা

১২ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

প্রিন্ট সর্বাধিক
সেন্টমার্টিন এখন অন্যরকম
সেন্টমার্টিন এখন অন্যরকম

পেছনের পৃষ্ঠা

মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক
মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক

প্রথম পৃষ্ঠা

জটিলতা ৫৫ আসনে
জটিলতা ৫৫ আসনে

পেছনের পৃষ্ঠা

ফের উত্তপ্ত হবে রাজপথ
ফের উত্তপ্ত হবে রাজপথ

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার
ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার

প্রথম পৃষ্ঠা

দূরত্ব কাটাবে ঢাকা-দিল্লি
দূরত্ব কাটাবে ঢাকা-দিল্লি

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্ষমতার মজা পেয়ে গেছেন উপদেষ্টা পরিষদের সবাই
ক্ষমতার মজা পেয়ে গেছেন উপদেষ্টা পরিষদের সবাই

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান
ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত
এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত

প্রথম পৃষ্ঠা

বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক
বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক

শোবিজ

যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ
যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজবাড়ীতে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির শকুন উদ্ধার
রাজবাড়ীতে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির শকুন উদ্ধার

পেছনের পৃষ্ঠা

বাণিজ্য ছাড়িয়েছিল হাজার কোটি ডলার
বাণিজ্য ছাড়িয়েছিল হাজার কোটি ডলার

পেছনের পৃষ্ঠা

সাবেক রেলমন্ত্রীর বাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ
সাবেক রেলমন্ত্রীর বাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশের ওপর সৌদির ভিসা নিষেধাজ্ঞা
বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশের ওপর সৌদির ভিসা নিষেধাজ্ঞা

পেছনের পৃষ্ঠা

মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ

প্রথম পৃষ্ঠা

সুপার লিগে খেলার লড়াই
সুপার লিগে খেলার লড়াই

মাঠে ময়দানে

ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা
ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

একই দিনে দুই বিয়ে
একই দিনে দুই বিয়ে

শোবিজ

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

লাহোরে নিগারদের অনুশীলন
লাহোরে নিগারদের অনুশীলন

মাঠে ময়দানে

ফুটবলেই থাকছেন সালাউদ্দিন
ফুটবলেই থাকছেন সালাউদ্দিন

মাঠে ময়দানে

ডলি সায়ন্তনীর এই জমানার মেয়ে
ডলি সায়ন্তনীর এই জমানার মেয়ে

শোবিজ

অভিযোগের জবাবে পরী
অভিযোগের জবাবে পরী

শোবিজ

সরকারি বই দিতে ঘুষ
সরকারি বই দিতে ঘুষ

পেছনের পৃষ্ঠা

হামজার অন্যরকম মাইলফলক
হামজার অন্যরকম মাইলফলক

মাঠে ময়দানে

লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি
লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি

দেশগ্রাম

বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০
বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০

প্রথম পৃষ্ঠা

আওয়ামী লীগের বিচার চায় বিএনপি
আওয়ামী লীগের বিচার চায় বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা