শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

মেজর আনাস ইবনে মঞ্জুর
প্রিন্ট ভার্সন
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

ভৌগোলিক অবস্থানের কারণেই বাংলাদেশ দুর্যোগপ্রবণ। কখনো বন্যা আবার কয়েক মাস পরই খরা, কখনো ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস কিংবা নদীভাঙন। ইতিহাসের পাতা আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় ১৯৭৪, ১৯৮৭, ১৯৮৮, ১৯৯৮ ও ২০০৪ সালের ভয়াবহ বন্যার কথা। সর্বশেষ ২০২৪ সালের বন্যায় দেশের উত্তরাঞ্চলের পাশাপাশি দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের গণমানুষ অত্যধিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছিল। বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া প্রতিটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বন্যার ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কার্যকর ও দক্ষ ভূমিকা বরাবরই প্রশংসিত হয়েছে সব মহলে।

সম্প্রতি বিশ্ব জলবায়ুর আকস্মিক পরিবর্তনের কারণে আমাদের দেশের আবহাওয়ায়ও এমন চরম অনেক প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, যা ১০ বছর আগেও তেমনভাবে চোখে পড়েনি। আবহাওয়ার চরম বৈরিতার উদাহরণ যেমন মাত্রাতিরিক্ত বন্যা, শীত কিংবা গরমে জনজীবন বিপর্যস্ত করে ফেলা। এরই ধারাবাহিকতায় গত আগস্ট মাসে দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে নেমে আসে এক অভাবনীয় বন্যার প্রকোপ, যা আমাদের সবারই কমবেশি জানা আছে।

গত আগস্টের বন্যা বাংলাদেশের সমসাময়িক কালের সবচেয়ে বড় বন্যা বলে মনে করা হচ্ছে। আলোচিত এ বন্যায় কতজন মানুষের প্রাণ গেছে, তা নিখুঁতভাবে হিসাব দেওয়া কঠিন হবে। তবে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কে এম আলীর মতে, প্রাণ যাওয়া পুরুষের সংখ্যা ৪৫ জন, শিশু ১৯ জন এবং নারীর সংখ্যা ৭ জন। স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসংগঠন, শিক্ষকসমাজ, বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সংগঠন, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনী থেকে শুরু করে দেশের সর্বস্তরের জনগণ তাদের সর্বোচ্চ শক্তিসামর্থ্য ও সম্পদ দিয়ে বন্যা মোকাবিলায় কাজ করেছিল। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ভূমিকা ছিল অবিস্মরণীয়। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এ বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলার সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছিল।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার এ কাজটি মূলত তিনটি ধাপে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সম্পন্ন করেছিল। প্রথম ধাপটি ছিল- প্রি-ডিজাস্টার ফেজ অর্থাৎ দুর্যোগ-পূর্ববর্তী ধাপ। এ ধাপে দুর্যোগ মোকাবিলার প্রস্তুতি, ঝুঁঁকি মূল্যায়ন, সচেতনতা বৃদ্ধি, পূর্বাভাস এবং পরিকল্পনা করা হয়। এ সময়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পানি উন্নয়ন বোর্ড ও আবহাওয়া অধিদপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে বন্যার পূর্বাভাস সংগ্রহ করেছিল এবং তা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের কাছে বন্যার পানি আসার আগেই পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। এ ছাড়াও তারা কুমিল্লা, ফেনী এবং নোয়াখালীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় যেসব আশ্রয়কেন্দ্র আছে, সেগুলোর দেখভাল করেছিল এবং প্রাথমিক চিকিৎসার সরঞ্জাম সরবরাহ করেছিল। জনগণের যেন ক্ষতি না হয় সে ব্যাপারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী যথেষ্ট সজাগ অবস্থানে থেকে তাদের অপারেশনাল কার্যক্রম পরিচালনা করেছিল অত্যন্ত সুচারু ও সুপরিকল্পিতভাবে। 

দ্বিতীয় ধাপটি ছিল ডিউরিং ডিজাস্টার ফেজ অর্থাৎ দুর্যোগকালীন। এ ধাপে দুর্যোগ চলাকালীন জরুরি প্রতিক্রিয়া, উদ্ধারকাজ এবং ক্ষয়ক্ষতি হ্রাসের জন্য কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, এসবিপি, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি দুর্যোগপূর্ণ এলাকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার জন্য ও বন্যার্ত মানুষকে সাহস দেওয়ার জন্য ফেনী জেলার পরশুরাম ও আশপাশের এলাকায় বহুবার সশরীরে উপস্থিত হয়েছিলেন। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের সদস্যরা সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করে সেনাবাহিনী প্রধানের নির্দেশনা মোতাবেক বন্যাদুর্গতদের সহযোগিতা করেছিলেন। শুধু তা-ই নয়, যখন মানুষ বন্যার তীব্র স্রোতে নিজেকে ধরে রাখতে না পেরে বাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে দিগি¦দিক ছুটে যাচ্ছিল, ঠিক সে মুহূর্তে সেনাবাহিনীর সদস্যরা স্রোতের বিপরীতে গিয়ে নিজেদের জীবনদানে নিবেদিত হয়ে অসহায় মানুষের তল্লাশি করেছিলেন, যেন একটি মানুষও বিপদে না পড়ে। ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের ইঞ্জিনিয়ার ইউনিটের বিশেষ বোট নিয়ে সেনাসদস্যরা ঢুকে পড়েছিলেন বন্যাকবলিত এলাকার প্রত্যন্ত স্থানে। পর্যায়ক্রমে সেসব এলাকা থেকে জরুরি ভিত্তিতে অসুস্থ, বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিদের উদ্ধার করে দ্রুততার সঙ্গে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। আর এভাবেই সংকটময় পরিস্থিতি থেকে বন্যাদুর্গত মানুষদের নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে তৃতীয় ধাপটি ছিল পোস্ট-ডিজাস্টার ফেজ বা দুর্যোগ-পরবর্তী ধাপ। এই ধাপের উদ্দেশ্য ছিল জনগণের জীবনমান পুনরুদ্ধার করা এবং এ দুর্যোগের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবের মোকাবিলা করা। বন্যা-পরবর্তী সময়ে বন্যাদুর্গত পরিবারের মাঝে সেনাবাহিনী প্রয়োজনীয় পোশাক বিতরণ করেছিল। নারীদের জন্য বিশেষভাবে স্বাস্থ্য ও সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে মহিলাদের মাঝে হাইজিন কীট বিতরণ করা হয়েছিল। এ বন্যায় কুমিল্লা, ফেনী ও নোয়াখালী অঞ্চলের অসংখ্য মানুষের বাড়িঘর ধ্বংস হয়ে যায়। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার দায়িত্বপ্রাপ্ত বিভিন্ন সংস্থা ও সেনাবাহিনীর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় তাদের বাড়িঘর মেরামত কর্মকাণ্ডে সহায়তা প্রদান, ত্রাণ বিতরণ এবং পুনর্বাসনের মাধ্যমে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার কাজ সম্পাদন করা হয়েছে, যা সেসব অঞ্চলের মানুষের জন্য ছিল আশীর্বাদস্বরূপ। এ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার তিনটি ধাপেই বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ছিল এক নির্ভরযোগ্য ও দক্ষ সারথি হিসেবে, যেখানে তারা নিজেদের প্রমাণ করেছে দুর্যোগ মোকাবিলায় সফলতার মূল চাবিকাঠি হিসেবে। তাদের আত্মত্যাগী ভূমিকা প্রমাণ করে, মানবতার সেবায় সেনাবাহিনী শুধু রক্ষকই নয়, তারা দেশের সর্বস্তরের মানুষের আশাভরসা, সাহস ও বিশ্বাসের মূর্ত প্রতীক।

বাংলাদেশের মতো একটি উন্নয়নশীল দেশে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় আমাদের করণীয় অনেক। মাতৃভূমি বাংলাদেশে যেহেতু বিভিন্ন সময় প্রাকৃতিক দুর্যোগের সম্ভাবনা দেখা দেয়, বিশেষ করে বন্যার শঙ্কা থাকে, সেজন্য বন্যা রোধে ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কীভাবে কমানো যেতে পারে, এ ব্যাপারে সরকারকে গঠনমূলক আশু পদক্ষেপ নিতে হবে, যার কোনো বিকল্প নেই। দেশের সর্বস্তরের মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে যেন কেউ অপরিকল্পিত ও বেআইনিভাবে নদী ভরাট করতে না পারে। পানি উন্নয়ন বোর্ড, আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং অন্যান্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার সংশ্লিষ্ট সংস্থার মধ্যে সমন্বয় বাড়িয়ে দুর্যোগ-পূর্বাভাস ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে হবে। বর্তমান আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আবহাওয়া পূর্বাভাস ও মনিটরিং প্রযুক্তির বিভিন্ন ধরনের আধুনিক স্যাটেলাইট, রাডার ও সেন্সরবেইজড সরঞ্জামাদি বেলা এবং এগুলোর সঠিক ব্যবহারের ওপর প্রশিক্ষণদানে সরকারকে গুরুত্ব দিতে হবে। বিশ্বের অনেক দেশে এখন আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স প্রয়োগের মাধ্যমে স্যাটেলাইট থেকে প্রাপ্ত আবহাওয়া পূর্বাভাসের ডেটা এবং অতীতে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফলে ক্ষয়ক্ষতির ডেটা পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে আগত যে কোনো ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগের ধরন এবং ঝুঁঁকির মাত্রা নির্ধারণ করে সে অনুযায়ী দুর্যোগপূর্ব ব্যবস্থাপনা গ্রহণ করছে। বাংলাদেশ সরকারকে এ ধরনের প্রযুক্তিনির্ভর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্ব আরোপ করতে হবে।

বন্যানিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের মধ্যে স্মার্ট ড্রেনেজ পদ্ধতি, বন্যাপ্রবণ এলাকায় স্বয়ংক্রিয় পাম্প স্থাপন, ভূস্থানিক ম্যাপিংয়ের মাধ্যমে বন্যাকবলিত এলাকায় দ্রুততার সঙ্গে পৌঁছানো এবং পরিস্থিতি মোকাবিলা করা, বন্যাপ্রবাহ রোধ পরিকল্পনায় সবুজায়ন বৃদ্ধির উদ্যোগ থাকতে হবে। এ ছাড়াও পোস্ট ডিজাস্টার ফেজের কর্মকাণ্ড আরও স্বয়ংক্রিয় ও গঠনমূলক করার ক্ষেত্রে আমাদের বিভিন্ন প্রযুক্তিনির্ভর সহায়ক টুলসের ব্যবহার নিশ্চিত হতে হবে। উদাহরণস্বরূপ জরুরি সতর্কীকরণ ও স্বয়ংক্রিয় পাবলিক ঘোষণা পদ্ধতি ও স্যাটেলাইট ফোনের ব্যবহার, অনুসন্ধান উদ্ধারকাজে বিশেষ ড্রোনের ব্যবহার, জরুরি অবস্থায় বহনযোগ্য সৌর চার্জারের ব্যবহার ইত্যাদি। নদীর বাঁধ ও ডাইক নির্মাণ, বাঁধের মেরামত এবং নদীর তলদেশের অবকাঠামোগত সংস্কার করতে হবে যেন যে কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে সৃষ্ট বন্যার পানির প্রবাহ নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।

অধিকন্তু বাংলাদেশ ও তার পার্শ্ববর্তী দেশের মাঝে অভিন্ন ৫৪টি নদীর (যেমন গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা) পানিপ্রবাহের ওপর গ্রহণযোগ্য চুক্তি সাধন হলে, উভয় দেশের পানিব্যবস্থাপনা আরও সুসংহত ও সুষ্ঠু হবে, যা দেশে বন্যার ঝুঁঁকি কমাতে সহায়ক হবে। বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনে আমাদের দেশে প্রাকৃতিক দুর্যোগ বিশেষ করে বন্যার ফলে সৃষ্ট সমস্যাগুলো নিয়ে সব পরাশক্তি দেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে গঠনমূলক আলোচনা করতে হবে। এ ধরনের গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমে আমাদের বন্যা মোকাবিলার জন্য সহায়ক বাজেট বরাদ্দের বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

এ ছাড়াও আন্তর্জাতিক দাতব্য সংস্থাগুলোর সঙ্গে নিয়মিত আলোচনা করতে হবে এবং সেসব আলোচনার মুখ্য বিষয় হবে প্রাকৃতিক দুর্যোগ (বন্যা, ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস) মোকাবিলায় আমাদের কী কী করণীয়। সর্বশেষ মনে রাখতে হবে, যে কোনো ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ, বিশেষ করে বন্যার ক্ষয়ক্ষতি রোধে সরকার সফল হলে দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। দেশ এগিয়ে যাবে।  দেশের মানুষের মূল্যবান জীবন ও সম্পদ রক্ষা করা যাবে।

লেখক : সেনা কর্মকর্তা

এই বিভাগের আরও খবর
তরমুজ-শসা খান
তরমুজ-শসা খান
আহা! ডিজিটাল বাংলাদেশ
আহা! ডিজিটাল বাংলাদেশ
ইউনূস-মোদি বৈঠক
ইউনূস-মোদি বৈঠক
রমজানের শিক্ষা ধরে রাখতে হবে
রমজানের শিক্ষা ধরে রাখতে হবে
ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে
ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে
দেশই সবকিছু, ব্যক্তি বা পরিবার নয়
দেশই সবকিছু, ব্যক্তি বা পরিবার নয়
সামাজিক ব্যবসা
সামাজিক ব্যবসা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
রেমিট্যান্সে আশার আলো
রেমিট্যান্সে আশার আলো
সর্বশেষ খবর
ফিলিস্তিনে গণহত্যার প্রতিবাদে ঢাবির ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত
ফিলিস্তিনে গণহত্যার প্রতিবাদে ঢাবির ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ডিএনডি লেকে গোসলে নেমে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু
ডিএনডি লেকে গোসলে নেমে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজবাড়ীতে নিরব হত্যার প্রধান আসামি গ্রেফতার
রাজবাড়ীতে নিরব হত্যার প্রধান আসামি গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছেলের দায়ের কোপে আহত মায়ের মৃত্যু
ছেলের দায়ের কোপে আহত মায়ের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ডাসারে অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিলো উপজেলা প্রশাসন
ডাসারে অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিলো উপজেলা প্রশাসন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ফ্যাসিষ্টের দোসর ও নব্য বিএনপি থেকে সাবধান : মজনু
ফ্যাসিষ্টের দোসর ও নব্য বিএনপি থেকে সাবধান : মজনু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি গণহত্যার প্রতিবাদে মুখে কালো কাপড় বেঁধে অবস্থান করবে ছাত্রদল
ইসরায়েলি গণহত্যার প্রতিবাদে মুখে কালো কাপড় বেঁধে অবস্থান করবে ছাত্রদল

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগে কাশিয়ানী থানার ওসি ক্লোজড
ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগে কাশিয়ানী থানার ওসি ক্লোজড

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘ভারতে বিতর্কিত ওয়াকফ বিল মুসলিমদের আরো নিরাপত্তাহীন করে তুলবে’
‘ভারতে বিতর্কিত ওয়াকফ বিল মুসলিমদের আরো নিরাপত্তাহীন করে তুলবে’

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

চট্টগ্রামে মদসহ চারজন গ্রেফতার
চট্টগ্রামে মদসহ চারজন গ্রেফতার

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

কক্সবাজারে ট্রেনে কাটা পড়ে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
কক্সবাজারে ট্রেনে কাটা পড়ে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামে পোশাককর্মী খুনের ঘটনায় স্বামী গ্রেফতার
চট্টগ্রামে পোশাককর্মী খুনের ঘটনায় স্বামী গ্রেফতার

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ঈদের লম্বা ছুটিতে চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনারের স্তূপ
ঈদের লম্বা ছুটিতে চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনারের স্তূপ

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিদেশি মদসহ গ্রেফতার ৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিদেশি মদসহ গ্রেফতার ৬

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘আইএমএফ বলেছে বাংলাদেশের অর্থনীতি সঠিক দিকেই আছে’
‘আইএমএফ বলেছে বাংলাদেশের অর্থনীতি সঠিক দিকেই আছে’

২ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

পৃথিবীর ‘সবুজ ফুসফুস’ নজরদারি করবে মহাকাশযান
পৃথিবীর ‘সবুজ ফুসফুস’ নজরদারি করবে মহাকাশযান

২ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

গাইবান্ধায় কৃষকদের নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের আনন্দময় দিন
গাইবান্ধায় কৃষকদের নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের আনন্দময় দিন

২ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

হজ ব্যবস্থাপনায় কোনো ত্রুটি বরদাশত করা হবে না : ধর্ম উপদেষ্টা
হজ ব্যবস্থাপনায় কোনো ত্রুটি বরদাশত করা হবে না : ধর্ম উপদেষ্টা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের দায়ে ৭ বাসকে জরিমানা
অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের দায়ে ৭ বাসকে জরিমানা

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ঈদের ছুটি পর বেনাপোল বন্দরে ফিরেছে স্বাভাবিক গতি
ঈদের ছুটি পর বেনাপোল বন্দরে ফিরেছে স্বাভাবিক গতি

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শর্টস ভিডিও নির্মাতাদের জন্য সুখবর দিল ইউটিউব
শর্টস ভিডিও নির্মাতাদের জন্য সুখবর দিল ইউটিউব

২ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

গলাচিপায় শুভসংঘের উদ্যোগে জমিতে অতিরিক্ত সার ও কীটনাশক প্রয়োগ বিষয়ক সচেতনামূলক সভা
গলাচিপায় শুভসংঘের উদ্যোগে জমিতে অতিরিক্ত সার ও কীটনাশক প্রয়োগ বিষয়ক সচেতনামূলক সভা

৩ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ট্রাম্পের সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল ইরান
ট্রাম্পের সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল ইরান

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিখোঁজ সেই গৃহবধূ পরকীয়া প্রেমিকসহ উদ্ধার
নিখোঁজ সেই গৃহবধূ পরকীয়া প্রেমিকসহ উদ্ধার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাউবিতে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত
বাউবিতে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বগুড়ায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নারী নিহত
বগুড়ায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নারী নিহত

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিনিয়োগ সম্মেলনে অংশ নেবেন যুক্তরাষ্ট্র-চীনসহ ৪০ দেশের বিনিয়োগকারী
বিনিয়োগ সম্মেলনে অংশ নেবেন যুক্তরাষ্ট্র-চীনসহ ৪০ দেশের বিনিয়োগকারী

৩ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে ইমাম গ্রেফতার
কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে ইমাম গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় গণহত্যার প্রতিবাদে বিশ্বজুড়ে ‘নো ওয়ার্ক, নো স্কুল’ কর্মসূচির ডাক
গাজায় গণহত্যার প্রতিবাদে বিশ্বজুড়ে ‘নো ওয়ার্ক, নো স্কুল’ কর্মসূচির ডাক

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নদী শুধু কাঁদায় না, জেগে ওঠা চরে ফসল ফলিয়ে কৃষকদেরও বাঁচায়
নদী শুধু কাঁদায় না, জেগে ওঠা চরে ফসল ফলিয়ে কৃষকদেরও বাঁচায়

৪ ঘণ্টা আগে | প্রকৃতি ও পরিবেশ

সর্বাধিক পঠিত
বিয়েবাড়ির গেটে পার্টি স্প্রে দেওয়া নিয়ে মারামারি, ভাঙলো বিয়ে
বিয়েবাড়ির গেটে পার্টি স্প্রে দেওয়া নিয়ে মারামারি, ভাঙলো বিয়ে

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশসহ ১৪ দেশের ওপর সৌদির সাময়িক ভিসা নিষেধাজ্ঞা
বাংলাদেশসহ ১৪ দেশের ওপর সৌদির সাময়িক ভিসা নিষেধাজ্ঞা

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতি নিয়ে জরুরি নির্দেশনা
সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতি নিয়ে জরুরি নির্দেশনা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজায় গণহত্যা বন্ধে সোমবার বিশ্বব্যাপী ‘নো ওয়ার্ক নো স্কুল’
গাজায় গণহত্যা বন্ধে সোমবার বিশ্বব্যাপী ‘নো ওয়ার্ক নো স্কুল’

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতের ওয়াকফ সংশোধনী বিল নিয়ে যা বললেন আসিফ নজরুল
ভারতের ওয়াকফ সংশোধনী বিল নিয়ে যা বললেন আসিফ নজরুল

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষ্যে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা ও সহযোগিতা কার্যক্রম
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষ্যে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা ও সহযোগিতা কার্যক্রম

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মারা গেছেন
আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মারা গেছেন

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতে ওয়াকফ বিল পাস হওয়ায় যে প্রতিক্রিয়া জানাল বিএনপি
ভারতে ওয়াকফ বিল পাস হওয়ায় যে প্রতিক্রিয়া জানাল বিএনপি

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান
সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে ফ্ল্যাট নিয়ে টিউলিপের মিথ্যাচার
যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে ফ্ল্যাট নিয়ে টিউলিপের মিথ্যাচার

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভাঙচুর ও হত্যাচেষ্টা মামলায় আওয়ামীপন্থী ৬১ আইনজীবীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ
ভাঙচুর ও হত্যাচেষ্টা মামলায় আওয়ামীপন্থী ৬১ আইনজীবীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্মার্টফোনে ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ মোডের কাজ কী?
স্মার্টফোনে ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ মোডের কাজ কী?

১৪ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

‘গৃহকর্ত্রীও নির্যাতিতা হতে পারেন’ -পরীমনির সেই ইস্যুতে ফেসবুকে ন্যান্সি
‘গৃহকর্ত্রীও নির্যাতিতা হতে পারেন’ -পরীমনির সেই ইস্যুতে ফেসবুকে ন্যান্সি

১০ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আমিরাতের সহযোগিতায় ৮ বিভাগে হবে স্পোর্টস হাব : ক্রীড়া উপদেষ্টা
আমিরাতের সহযোগিতায় ৮ বিভাগে হবে স্পোর্টস হাব : ক্রীড়া উপদেষ্টা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইনে পরিণত হলো বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী বিল
আইনে পরিণত হলো বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী বিল

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খনিজ চুক্তি ফাঁস: তদন্তে নেমেছে ইউক্রেন
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খনিজ চুক্তি ফাঁস: তদন্তে নেমেছে ইউক্রেন

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত: মস্কো
ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত: মস্কো

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি
সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি

১১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

দেশে প্রবাসী আয়ে রেকর্ড, মার্চে এল ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি
দেশে প্রবাসী আয়ে রেকর্ড, মার্চে এল ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি

৭ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

তিন মন্ত্রণালয়ে সচিব পদে রদবদল
তিন মন্ত্রণালয়ে সচিব পদে রদবদল

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব সামাল দেয়া কঠিন নয় : অর্থ উপদেষ্টা
ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব সামাল দেয়া কঠিন নয় : অর্থ উপদেষ্টা

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্প-মাস্কের নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে গণবিক্ষোভ
ট্রাম্প-মাস্কের নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে গণবিক্ষোভ

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১, ছিলেন ৭০ জনের বেশি বাংলাদেশি  তীর্থযাত্রী
ভারতে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১, ছিলেন ৭০ জনের বেশি বাংলাদেশি তীর্থযাত্রী

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইভ্যালির রাসেল-শামীমার তিন বছরের কারাদণ্ড
ইভ্যালির রাসেল-শামীমার তিন বছরের কারাদণ্ড

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিচার চেয়ে থানায় বৃদ্ধা, ‘ভিক্ষা করে কেনা মুরগি মেরে দিল কারা?’
বিচার চেয়ে থানায় বৃদ্ধা, ‘ভিক্ষা করে কেনা মুরগি মেরে দিল কারা?’

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজাবাসীর সমর্থনে সোমবার রাজপথে নামার আহ্বান সারজিসের
গাজাবাসীর সমর্থনে সোমবার রাজপথে নামার আহ্বান সারজিসের

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এসএসএফের সাবেক ডিজির ফ্ল্যাট-জমি জব্দ, ৩৪ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ
এসএসএফের সাবেক ডিজির ফ্ল্যাট-জমি জব্দ, ৩৪ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দুই দফা দাবিতে শহীদ মিনারে চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যদের অবস্থান
দুই দফা দাবিতে শহীদ মিনারে চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যদের অবস্থান

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনা হোক : সালাউদ্দিন আহমেদ
গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনা হোক : সালাউদ্দিন আহমেদ

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঢাকাসহ সাত বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস
ঢাকাসহ সাত বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
সেন্টমার্টিন এখন অন্যরকম
সেন্টমার্টিন এখন অন্যরকম

পেছনের পৃষ্ঠা

মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক
মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক

প্রথম পৃষ্ঠা

জটিলতা ৫৫ আসনে
জটিলতা ৫৫ আসনে

পেছনের পৃষ্ঠা

ফের উত্তপ্ত হবে রাজপথ
ফের উত্তপ্ত হবে রাজপথ

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার
ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্ষমতার মজা পেয়ে গেছেন উপদেষ্টা পরিষদের সবাই
ক্ষমতার মজা পেয়ে গেছেন উপদেষ্টা পরিষদের সবাই

প্রথম পৃষ্ঠা

দূরত্ব কাটাবে ঢাকা-দিল্লি
দূরত্ব কাটাবে ঢাকা-দিল্লি

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান
ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত
এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত

প্রথম পৃষ্ঠা

বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক
বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক

শোবিজ

যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ
যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজবাড়ীতে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির শকুন উদ্ধার
রাজবাড়ীতে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির শকুন উদ্ধার

পেছনের পৃষ্ঠা

বাণিজ্য ছাড়িয়েছিল হাজার কোটি ডলার
বাণিজ্য ছাড়িয়েছিল হাজার কোটি ডলার

পেছনের পৃষ্ঠা

সাবেক রেলমন্ত্রীর বাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ
সাবেক রেলমন্ত্রীর বাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশের ওপর সৌদির ভিসা নিষেধাজ্ঞা
বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশের ওপর সৌদির ভিসা নিষেধাজ্ঞা

পেছনের পৃষ্ঠা

মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ

প্রথম পৃষ্ঠা

সুপার লিগে খেলার লড়াই
সুপার লিগে খেলার লড়াই

মাঠে ময়দানে

ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা
ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

একই দিনে দুই বিয়ে
একই দিনে দুই বিয়ে

শোবিজ

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

ফুটবলেই থাকছেন সালাউদ্দিন
ফুটবলেই থাকছেন সালাউদ্দিন

মাঠে ময়দানে

লাহোরে নিগারদের অনুশীলন
লাহোরে নিগারদের অনুশীলন

মাঠে ময়দানে

ডলি সায়ন্তনীর এই জমানার মেয়ে
ডলি সায়ন্তনীর এই জমানার মেয়ে

শোবিজ

অভিযোগের জবাবে পরী
অভিযোগের জবাবে পরী

শোবিজ

সরকারি বই দিতে ঘুষ
সরকারি বই দিতে ঘুষ

পেছনের পৃষ্ঠা

হামজার অন্যরকম মাইলফলক
হামজার অন্যরকম মাইলফলক

মাঠে ময়দানে

লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি
লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি

দেশগ্রাম

দেশই সবকিছু, ব্যক্তি বা পরিবার নয়
দেশই সবকিছু, ব্যক্তি বা পরিবার নয়

সম্পাদকীয়

বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০
বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০

প্রথম পৃষ্ঠা