শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ০৭ জানুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ০০:১৪, মঙ্গলবার, ০৭ জানুয়ারি, ২০২৫

বিশ্বাস আর স্বপ্নের আলিঙ্গন

আবু তাহের
প্রিন্ট ভার্সন
বিশ্বাস আর স্বপ্নের আলিঙ্গন

প্রতিশোধস্পৃহাজনিত উন্মত্ততায় ভোগা ব্যক্তিদের কাজকারবার দেখলে আমোদিত হন অনেকে। কেউ কেউ হন রুষ্ট। দুই কিসিমেরই অভিজ্ঞতা আছে আমার। ওই অভিজ্ঞতা অর্জনকালে আমি হই স্মৃতিকাতর। তখন কেবলই যাঁকে মনে পড়ে তিনি সাহিত্যিক-সাংবাদিক আবু জাফর শামসুদ্দিন (জন্ম : ১২ মার্চ-১৯১১, মৃত্যু : ২৪ আগস্ট ১৯৮৮)। তাঁকে আমরা তাঁর ভাষায় ‘চ্যাংড়া সাংবাদিকরা’- জাফর ভাই বলে সম্বোধন করতাম। দুনিয়ায় অল্প যে কজনকে অতি উচ্চমানের মানুষ বলে মানি তাঁদের একজন এই আবু জাফর শামসুদ্দিন।

‘বৈহাসিকের পার্শ্বচিন্তা’ শিরোনামে দৈনিক সংবাদ-এ কলাম লিখতেন একুশে পদকজয়ী (১৯৮৩) আবু জাফর শামসুদ্দিন। ‘অল্পদর্শী’ ছদ্মনামে লিখতেন। সংবাদ-এ কাজ করতাম বলেই বিরাট মাপের এই মানুষটির সঙ্গে মাঝেমধ্যে ভাববিনিময়ের সুযোগ পাই। তাঁর লেখা ‘পদ্মা মেঘনা যমুনা’ বাংলা সাহিত্যের অনন্য গ্রন্থ। তাঁর লেখা গল্প, উপন্যাস ইংরেজি, হিন্দি, উর্দু, মারাঠি ও জাপানি ভাষায় অনূদিত হয়েছে। তাঁর স্নেহছায়া পেয়ে আমরা গর্বিত।

রাজধানীর রাজারবাগে আবু জাফর শামসুদ্দিনের মাঝারি মানের বাসভবন। পাশে আরেকটি ছোট্ট বাসা, এটা তিনি সংসার খরচের ক্ষেত্রে বরকত হবে, এই আশায় ভাড়া দিতেন। আমার অনুরোধে তিনি ফাহিম নামে সদাগরি অফিসের এক তরুণ কর্মকর্তাকে ওই বাসায় সপরিবার থাকতে দেন। তাঁকে ‘চাচা’ ডাকতেন ফাহিম। ফাহিমের জাফর চাচা প্রায় প্রতিদিনই রান্না করা খাবার পাঠাতেন চার সদস্যের ফাহিম পরিবারের জন্য। ফাহিমের ধারণা, বাড়িঅলা প্রতি মাসে ভাড়াটেদের ন্যূনপক্ষে সাড়ে তিন কী চার হাজার টাকার খাবার বিনি পয়সায় খাওয়ানোর ব্যবস্থা জারি রেখেছেন। বছরখানেক পরে প্রমোশন পেয়ে ম্যানেজার পদে উঠলেন ফাহিম। তখন ফাহিম আরও উন্নত মানের বাসায় ওঠার সিদ্ধান্ত নেন। তাই বাসাটি ছেড়ে দেন। ‘আগামী মাস থেকে থাকব না’ নোটিস দিতে গেলে জাফর ভাই বলেন, ‘দুই হাজার টাকায় তোমার বোধ হয় পোষাচ্ছে না। বহু বছর চাকরি করেছি। চাকরিজীবনের কষ্ট আমি বুঝি। সামনের মাস থেকে তুমি দেড় হাজার টাকা করেই দিও।’

পাকিস্তান জমানায় জাফর ভাই ও তাঁর কয়েকজন সাংবাদিক বন্ধু আফগানিস্তান সফর করেছিলেন। সে দেশের সরকারের মেহমান তাঁরা। তাপানুকূল মিনিবাসের আরোহী হয়ে তাঁরা নানা শহর পরিদর্শন করার পর্যায়ে কান্দাহার শহরে ঢুকছেন। একদা মাদরাসায় পড়া আবু জাফর শামসুদ্দিন পশতু ভাষায় লেখা শব্দাবলি মোটামুটি বুঝতেন। তিনি দেখলেন, রাস্তার দুধারে সুন্দর সুন্দর বাড়ি। প্রায় প্রতিটি বাড়ির সামনে বাহারি ফুল বাগান। ওই বাগানগুলোর মধ্যেই পারিবারিক গোরস্তান। কবরের উত্তর দেয়ালটা বেশ উঁচু। সেখানে যাকে গোর দেওয়া হয়েছে তার নাম লেখা। নামের নিচেই পশতু ভাষায় কী কী যেন লেখা। এই লেখার পর আরেকটা নাম। এরপর কী কী লেখা। এভাবে নাম আর কী কী লেখা আছে পাঁচবার।

‘বুজছনি! আমি মনে করলাম এক কবরে পাঁচজনকে দাফন করা হয়েছে’ বলেন জাফর ভাই, ‘গাইডকে বলি, তোমাদের বিশাল দেশ। মানুষ কম। দাফনের বেলায় জমি নিয়া কনজুসিকরণের দরকার হইল ক্যান?’ জবাবে গাইড যা বললেন তাতে জাফর ভাই হতভম্ব হয়ে গেলেন। গাইড জানালেন, কবরে একজনই শায়িত। তার নাম প্রথমে লেখা রয়েছে।

এরপরই লেখা আছে ঘাতকের নাম। মানে যার গুলিবর্ষণে বা ছুরিকাঘাতে মৃত্যুটি ঘটেছে তার নাম। ঘাতকের নামের পরে রয়েছে ঘাতকের বাবার নাম। এরপর ঘাতকের ভাইয়েরবাংলা সাহিত্যে নাম। এরপর রয়েছে ঘাতকের ছেলের নাম। এরপর ঘাতকের নাতির নাম। এতজনের নাম লেখার উদ্দেশ্য কী? জানতে চাইলেন আবু জাফর শামসুদ্দিন। গাইড বলেন, ‘হত্যার প্রতিশোধ গ্রহণের সুবিধার্থে নাম-পরিচয় দেওয়া আর কী। ঘাতকের রক্ত-সম্পর্কীয় যে কোনো একজনকে খতম করে দিতে পারলেই হাসিল হয়ে যাবে মনজিলে মকসুদ, মানে প্রতিশোধ। জাফর ভাই বলেন, ‘যাকে ঘাতক মনে করে এত পরিকল্পনা সে-ই যে প্রকৃত ঘাতক সেটা নির্ণয় করার পদ্ধতি কী?’ গাইড বলেন, ‘পদ্ধতির নাম বিশ্বাস। যার নিকটজন হত্যার শিকার হলো, সে হত্যা ঘটনার বিভিন্ন দিক বিশ্লেষণ করে এবং একটা বিশ্বাস ধারণ করে যে অমুকই খুনটা করেছে। এই বিশ্বাসের সঙ্গে একটা স্বপ্নের সংযোগ ঘটে দ্রুত। বিশ্বাস ছাড়া স্বপ্ন বাস্তবায়ন অসম্ভব।’

‘বিশ্লেষণ তো ভুলও হতে পারে। সে ক্ষেত্রে নির্দোষ ব্যক্তির জীবন যাওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়।’ যুক্তি দেখালেন আবু জাফর শামসুদ্দিন, ‘পুলিশি তদন্তের পর হত্যা মামলা রুজু করার ব্যবস্থা কি এদেশে নেই? গাইড বলেন, ‘অবশ্যই আছে। ওটা তো বাদশাহি এন্তেজাম। মামলা হবে। বিচার হবে। রায় হবে। মৃত্যুদণ্ড হলে তা কার্যকর করতে বাদশাহর অনুমোদন লাগবে। দীর্ঘ ইন্তেজারের ব্যাপার! অত ঝামেলায় কার পোষায়?’

আমরা সমস্বরে বলি, বিশ্বাস আর স্বপ্নের আলিঙ্গন তো দেখছি ভেরি ডেঞ্জারাস!

২. প্রতিশোধস্পৃহাজনিত উন্মত্ততায় ভোগা এক ব্যক্তি দূরপাল্লার বাসে আমার সহযাত্রী হয়েছিলেন ১৯৭৮ সালে। ঈদুল ফিতর উদযাপন করতে বাড়ি যাচ্ছিলাম। সালামত আলী বসেছেন আমার বাঁয়ে। বাস ছুটছে ফেনী শহরের দিকে। সংবাদপত্র পড়ছি। চল্লিশোর্ধ সালামত আলী গায়ে পড়ে আলাপ জমানোয় সচেষ্ট। বললেন, ‘স্টুডেন? নাকি সার্ভিস? (ছাত্র, নাকি চাকুরে)’

বিনোদন সূত্র পাওয়ায় সংবাদপঠনে ক্ষান্ত দিলাম। বললাম, ‘সার্ভিস’। সালামত বলেন, ‘মাশাল্লাহ। বুঝাই যায় না সার্ভিস করেন। তো কোন ডিফাটে সার্ভিস করেন। বেতন কত? বেতনের অঙ্ক শুনে বলেন, ‘ফাইন! ফাইন! ম্যারিজ (বিয়ে) কইচ্ছেননি?’ তাঁকে জানাই যে বিয়ে করা হয়নি। সালামত বিস্মিত হন, ‘কন কী! সার্ভিস করেন অথচ ম্যারিজ করেন নাই, থান ক্যামনে? (থাকেন কীভাবে)’

আপনি ম্যারিজ করেছেন? প্রশ্ন শুনে সালামত আলী হাহ্ হা হোহ্ হাসতে হাসতে বলেন, ‘টু সান, ওয়ান ডটারের ফাদাররে কইলেন ম্যারিজ কইরছনি, আপনি ভাইজান, দারুণ রহস্য করতে পারেন।’

শুধু সালামত নন, অনেক শিক্ষিতজনকেও দেখেছি, তারা ‘রসিকতা করা’ না বলে, বলেন ‘রহস্য করা’। রসিকতা আর রহস্যর মধ্যকার পার্থক্য বুঝিয়ে বলি সালামতকে। সালামত বলেন, ‘ক্লাস এইট পইজ্জন্ত পইড়ছি। সব শব্দের ইন্টারেস্টিং বুজার পাওয়ার তো কম হবেই। তো আল্লার কাছে শোকর। এইট পাস আমারে মাবুদ দিছেন আদমসির মতো মিলের ফোরম্যানের পোস্ট।’

‘আদমসি’ মানে আদমজী জুট মিল। এই ফোরম্যান যে ভায়রার বাড়িতে ফায়ার-লাগানো-ম্যান সেটা জানা গেল মিনিট দশেকের মধ্যে। বাস তখন ফেনী শহর ছেড়ে পশ্চিমমুখো ছুটছিল। সালামত আলী জানান, তাঁর এসএসসি পাস শালি বিজলী বেগমের সঙ্গে বিকম পাস ব্যাংক অফিসার আকমল হোসেনের বিয়ের পর শ্বশুরবাড়িতে তাঁর কদর কমতে কমতে একেবারে জিরো হয়ে গেছে। ভায়রাকে পাঁচ কাঠা জমি উপহার দিয়েছেন শ্বশুর। সালামতকেও পাঁচ কাঠা দেওয়া হয়েছিল, ওটা তিনি বেচে দিয়েছেন। শ্বশুর প্রদত্ত জমিতে আকমল নিজের জন্য এল টাইপের চমৎকার একটা ঘর তুলেছেন।

সালামতের বিশ্বাস, ওই ঘরে ওঠার পর থেকে আকমল-বিজলী দম্পতির অহংকার আসমান ছুঁয়ে ফেলেছে। ফলত বিশ্বাসের সঙ্গে স্বপ্নের সংযোগ ঘটালেন সালামত। স্বপ্ন বাস্তবায়নও হয়ে গেছে। বিজলীর শিশুসন্তানের আকিকা অনুষ্ঠান হলো ধুমধামে। খেয়েদেয়ে মেহমানরা বিদায় নিতে নিতে রাত গভীর। বাড়ির লোকজন ঘুমিয়ে পড়তেই দাউ দাউ আগুন জ্বলে উঠল নতুন টিনের ঘরে। সালামত বলেন, ‘আড়াই  টিঁয়ার (টাকার) কেরোসিন ত্যাল আর পঁচিশ পইসার ম্যাচবাত্তির একখান কাঠি ব্যবহার করলাম ভাইজান। ব্যস, ছাই হইয়া গেল সত্তর হাজার টিঁয়া খরচ করি বানানো রাজবাড়ি।’

সাফল্যের বর্ণনাকালে তৃপ্তিতে উজ্জ্বল হয়ে ওঠে সালামতের চেহারা। আমার আসনের সামনের আসনে বসা বিস্মিত দুই যাত্রী কুপিত হয়ে বলেন, ‘এই জানোয়াররে ধাক্কা মাইরা বাসের তুন ফেলি দেওয়া উচিত। আমার পেছনের আসনে বসা দুই যুবক হাঁক দেয়, ‘কন্ডাক্টর। বাস থামান।’ আমি সালামতকে বললাম, ‘চুপচাপ নেমে যান। নইলে এরা আপনাকে দুরমশ করবে।’ তখন আমার বয়স কম, সাহস বেশি। সমমনা চার যাত্রীর আবির্ভাবে শক্তিমান হয়ে গর্জে উঠি, ‘জলদি নামবি? নাকি লাথি খাওনের জন্য ওয়েট করছিস?’

৩. মালয়ালম ভাষার কাহিনিকার কামরু নীলকান্ত পিল্লাই তাঁর ‘উল্টাসিধা’ শীর্ষক গল্পে প্রতিশোধ গ্রহণ ব্যাকুলতায় ব্যাধিগ্রস্ত ধনপতি কনজু মেননের মর্মান্তিক পরিণতি বর্ণনা করেছেন। ‘উল্টাসিধা’ গল্পটি পড়তে পড়তে যা স্পষ্ট হয়, তা হলো : প্রতিপক্ষকে নাকাল করার বেলায় অতিচালাকের সফল কৌশল দেখে মুখ হাঁ হয়ে যায় আমাদের। তখন আমরা ভুলে যাই যে এরা নিজের দম আটকানোর জন্য নিজের গলায় দড়িও বাঁধে চমৎকার।

রাজনীতিক রাজ শিবশংকরের সঙ্গে ধনপতি কনজু মেননের বিরোধ পাকতে পাকতে এমন অবস্থায় এসেছে যে মওকামতো পেলে রাজকে কাবাব বানিয়ে খায় কনজু। সমস্যা হলো, কনজু যতই রাজকে বিড়াল বানাতে চায় রাজ ততই বাঘ হয়ে যায়। শেষতক কনজুর বিশ্বাস জন্মে যে রাজকে সপরিবার হাওয়া করে দেওয়াই মঙ্গল। স্বপ্নটা ছকে ফেলল কনজু মেনন। স্বপ্নটা হলো : গভীর রাতে পেশাদার খুনি ভইকম সদলে ঢুকবে রাজনীতিক রাজের বাড়িতে। রাজ, তার বৃদ্ধ মা, স্ত্রী, এক ছেলে, এক মেয়ে আর গৃহপরিচারিকাকে জবাই করবে। ঘাতকের হাতে বাড়ির নম্বর দিয়ে বলা হয়, সাবধান! কুটিকরণ রোডের দুই ধারের সব বাড়িরই রং গোলাপি। তুমি উনিশ নম্বর বাড়িতে অপারেশন করবে। মনে রেখ, নাম্বার নাইনটিন।

চক্রান্ত অনুযায়ী অপারেশন চালানো হয়। অপারেশন সাকসেসফুল! হত্যা অভিযানের বিবরণ শোনার পর কনজু মেননের আর্তচিৎকার ‘হায় রে তোরা কী করলি! তোরা তো আমার বোনের বাড়ির সবাইকে খুন করে ফেললি।’ ঘাতকের হাতে দেওয়া হয়েছিল ইংরেজিতে লেখা উনিশ। যে কাগজে উনিশ লেখা ছিল, ঘাতকরা উল্টো করে ধরায় তা ইংরেজি একষট্টি হয়ে যায়। কনজু মেননের বোনের বাড়ি নম্বর ছিল একষট্টি।

লেখক : সাংবাদিক

এই বিভাগের আরও খবর
তরমুজ-শসা খান
তরমুজ-শসা খান
আহা! ডিজিটাল বাংলাদেশ
আহা! ডিজিটাল বাংলাদেশ
ইউনূস-মোদি বৈঠক
ইউনূস-মোদি বৈঠক
রমজানের শিক্ষা ধরে রাখতে হবে
রমজানের শিক্ষা ধরে রাখতে হবে
ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে
ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে
দেশই সবকিছু, ব্যক্তি বা পরিবার নয়
দেশই সবকিছু, ব্যক্তি বা পরিবার নয়
সামাজিক ব্যবসা
সামাজিক ব্যবসা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
রেমিট্যান্সে আশার আলো
রেমিট্যান্সে আশার আলো
সর্বশেষ খবর
ফিলিস্তিনে গণহত্যার প্রতিবাদে ঢাবির ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত
ফিলিস্তিনে গণহত্যার প্রতিবাদে ঢাবির ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ডিএনডি লেকে গোসলে নেমে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু
ডিএনডি লেকে গোসলে নেমে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজবাড়ীতে নিরব হত্যার প্রধান আসামি গ্রেফতার
রাজবাড়ীতে নিরব হত্যার প্রধান আসামি গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছেলের দায়ের কোপে আহত মায়ের মৃত্যু
ছেলের দায়ের কোপে আহত মায়ের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ডাসারে অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিলো উপজেলা প্রশাসন
ডাসারে অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিলো উপজেলা প্রশাসন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ফ্যাসিষ্টের দোসর ও নব্য বিএনপি থেকে সাবধান : মজনু
ফ্যাসিষ্টের দোসর ও নব্য বিএনপি থেকে সাবধান : মজনু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি গণহত্যার প্রতিবাদে মুখে কালো কাপড় বেঁধে অবস্থান করবে ছাত্রদল
ইসরায়েলি গণহত্যার প্রতিবাদে মুখে কালো কাপড় বেঁধে অবস্থান করবে ছাত্রদল

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগে কাশিয়ানী থানার ওসি ক্লোজড
ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগে কাশিয়ানী থানার ওসি ক্লোজড

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘ভারতে বিতর্কিত ওয়াকফ বিল মুসলিমদের আরো নিরাপত্তাহীন করে তুলবে’
‘ভারতে বিতর্কিত ওয়াকফ বিল মুসলিমদের আরো নিরাপত্তাহীন করে তুলবে’

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

চট্টগ্রামে মদসহ চারজন গ্রেফতার
চট্টগ্রামে মদসহ চারজন গ্রেফতার

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

কক্সবাজারে ট্রেনে কাটা পড়ে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
কক্সবাজারে ট্রেনে কাটা পড়ে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামে পোশাককর্মী খুনের ঘটনায় স্বামী গ্রেফতার
চট্টগ্রামে পোশাককর্মী খুনের ঘটনায় স্বামী গ্রেফতার

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ঈদের লম্বা ছুটিতে চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনারের স্তূপ
ঈদের লম্বা ছুটিতে চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনারের স্তূপ

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিদেশি মদসহ গ্রেফতার ৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিদেশি মদসহ গ্রেফতার ৬

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘আইএমএফ বলেছে বাংলাদেশের অর্থনীতি সঠিক দিকেই আছে’
‘আইএমএফ বলেছে বাংলাদেশের অর্থনীতি সঠিক দিকেই আছে’

২ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

পৃথিবীর ‘সবুজ ফুসফুস’ নজরদারি করবে মহাকাশযান
পৃথিবীর ‘সবুজ ফুসফুস’ নজরদারি করবে মহাকাশযান

২ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

গাইবান্ধায় কৃষকদের নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের আনন্দময় দিন
গাইবান্ধায় কৃষকদের নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের আনন্দময় দিন

২ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

হজ ব্যবস্থাপনায় কোনো ত্রুটি বরদাশত করা হবে না : ধর্ম উপদেষ্টা
হজ ব্যবস্থাপনায় কোনো ত্রুটি বরদাশত করা হবে না : ধর্ম উপদেষ্টা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের দায়ে ৭ বাসকে জরিমানা
অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের দায়ে ৭ বাসকে জরিমানা

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ঈদের ছুটি পর বেনাপোল বন্দরে ফিরেছে স্বাভাবিক গতি
ঈদের ছুটি পর বেনাপোল বন্দরে ফিরেছে স্বাভাবিক গতি

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শর্টস ভিডিও নির্মাতাদের জন্য সুখবর দিল ইউটিউব
শর্টস ভিডিও নির্মাতাদের জন্য সুখবর দিল ইউটিউব

২ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

গলাচিপায় শুভসংঘের উদ্যোগে জমিতে অতিরিক্ত সার ও কীটনাশক প্রয়োগ বিষয়ক সচেতনামূলক সভা
গলাচিপায় শুভসংঘের উদ্যোগে জমিতে অতিরিক্ত সার ও কীটনাশক প্রয়োগ বিষয়ক সচেতনামূলক সভা

৩ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ট্রাম্পের সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল ইরান
ট্রাম্পের সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল ইরান

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিখোঁজ সেই গৃহবধূ পরকীয়া প্রেমিকসহ উদ্ধার
নিখোঁজ সেই গৃহবধূ পরকীয়া প্রেমিকসহ উদ্ধার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাউবিতে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত
বাউবিতে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বগুড়ায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নারী নিহত
বগুড়ায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নারী নিহত

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিনিয়োগ সম্মেলনে অংশ নেবেন যুক্তরাষ্ট্র-চীনসহ ৪০ দেশের বিনিয়োগকারী
বিনিয়োগ সম্মেলনে অংশ নেবেন যুক্তরাষ্ট্র-চীনসহ ৪০ দেশের বিনিয়োগকারী

৩ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে ইমাম গ্রেফতার
কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে ইমাম গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় গণহত্যার প্রতিবাদে বিশ্বজুড়ে ‘নো ওয়ার্ক, নো স্কুল’ কর্মসূচির ডাক
গাজায় গণহত্যার প্রতিবাদে বিশ্বজুড়ে ‘নো ওয়ার্ক, নো স্কুল’ কর্মসূচির ডাক

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নদী শুধু কাঁদায় না, জেগে ওঠা চরে ফসল ফলিয়ে কৃষকদেরও বাঁচায়
নদী শুধু কাঁদায় না, জেগে ওঠা চরে ফসল ফলিয়ে কৃষকদেরও বাঁচায়

৪ ঘণ্টা আগে | প্রকৃতি ও পরিবেশ

সর্বাধিক পঠিত
বিয়েবাড়ির গেটে পার্টি স্প্রে দেওয়া নিয়ে মারামারি, ভাঙলো বিয়ে
বিয়েবাড়ির গেটে পার্টি স্প্রে দেওয়া নিয়ে মারামারি, ভাঙলো বিয়ে

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশসহ ১৪ দেশের ওপর সৌদির সাময়িক ভিসা নিষেধাজ্ঞা
বাংলাদেশসহ ১৪ দেশের ওপর সৌদির সাময়িক ভিসা নিষেধাজ্ঞা

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতি নিয়ে জরুরি নির্দেশনা
সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতি নিয়ে জরুরি নির্দেশনা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজায় গণহত্যা বন্ধে সোমবার বিশ্বব্যাপী ‘নো ওয়ার্ক নো স্কুল’
গাজায় গণহত্যা বন্ধে সোমবার বিশ্বব্যাপী ‘নো ওয়ার্ক নো স্কুল’

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতের ওয়াকফ সংশোধনী বিল নিয়ে যা বললেন আসিফ নজরুল
ভারতের ওয়াকফ সংশোধনী বিল নিয়ে যা বললেন আসিফ নজরুল

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষ্যে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা ও সহযোগিতা কার্যক্রম
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষ্যে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা ও সহযোগিতা কার্যক্রম

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মারা গেছেন
আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মারা গেছেন

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতে ওয়াকফ বিল পাস হওয়ায় যে প্রতিক্রিয়া জানাল বিএনপি
ভারতে ওয়াকফ বিল পাস হওয়ায় যে প্রতিক্রিয়া জানাল বিএনপি

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান
সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে ফ্ল্যাট নিয়ে টিউলিপের মিথ্যাচার
যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে ফ্ল্যাট নিয়ে টিউলিপের মিথ্যাচার

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভাঙচুর ও হত্যাচেষ্টা মামলায় আওয়ামীপন্থী ৬১ আইনজীবীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ
ভাঙচুর ও হত্যাচেষ্টা মামলায় আওয়ামীপন্থী ৬১ আইনজীবীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্মার্টফোনে ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ মোডের কাজ কী?
স্মার্টফোনে ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ মোডের কাজ কী?

১৪ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

‘গৃহকর্ত্রীও নির্যাতিতা হতে পারেন’ -পরীমনির সেই ইস্যুতে ফেসবুকে ন্যান্সি
‘গৃহকর্ত্রীও নির্যাতিতা হতে পারেন’ -পরীমনির সেই ইস্যুতে ফেসবুকে ন্যান্সি

১০ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আমিরাতের সহযোগিতায় ৮ বিভাগে হবে স্পোর্টস হাব : ক্রীড়া উপদেষ্টা
আমিরাতের সহযোগিতায় ৮ বিভাগে হবে স্পোর্টস হাব : ক্রীড়া উপদেষ্টা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইনে পরিণত হলো বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী বিল
আইনে পরিণত হলো বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী বিল

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খনিজ চুক্তি ফাঁস: তদন্তে নেমেছে ইউক্রেন
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খনিজ চুক্তি ফাঁস: তদন্তে নেমেছে ইউক্রেন

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত: মস্কো
ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত: মস্কো

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি
সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি

১১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

দেশে প্রবাসী আয়ে রেকর্ড, মার্চে এল ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি
দেশে প্রবাসী আয়ে রেকর্ড, মার্চে এল ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি

৭ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

তিন মন্ত্রণালয়ে সচিব পদে রদবদল
তিন মন্ত্রণালয়ে সচিব পদে রদবদল

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব সামাল দেয়া কঠিন নয় : অর্থ উপদেষ্টা
ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব সামাল দেয়া কঠিন নয় : অর্থ উপদেষ্টা

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্প-মাস্কের নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে গণবিক্ষোভ
ট্রাম্প-মাস্কের নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে গণবিক্ষোভ

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১, ছিলেন ৭০ জনের বেশি বাংলাদেশি  তীর্থযাত্রী
ভারতে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১, ছিলেন ৭০ জনের বেশি বাংলাদেশি তীর্থযাত্রী

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইভ্যালির রাসেল-শামীমার তিন বছরের কারাদণ্ড
ইভ্যালির রাসেল-শামীমার তিন বছরের কারাদণ্ড

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিচার চেয়ে থানায় বৃদ্ধা, ‘ভিক্ষা করে কেনা মুরগি মেরে দিল কারা?’
বিচার চেয়ে থানায় বৃদ্ধা, ‘ভিক্ষা করে কেনা মুরগি মেরে দিল কারা?’

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজাবাসীর সমর্থনে সোমবার রাজপথে নামার আহ্বান সারজিসের
গাজাবাসীর সমর্থনে সোমবার রাজপথে নামার আহ্বান সারজিসের

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এসএসএফের সাবেক ডিজির ফ্ল্যাট-জমি জব্দ, ৩৪ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ
এসএসএফের সাবেক ডিজির ফ্ল্যাট-জমি জব্দ, ৩৪ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দুই দফা দাবিতে শহীদ মিনারে চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যদের অবস্থান
দুই দফা দাবিতে শহীদ মিনারে চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যদের অবস্থান

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনা হোক : সালাউদ্দিন আহমেদ
গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনা হোক : সালাউদ্দিন আহমেদ

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঢাকাসহ সাত বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস
ঢাকাসহ সাত বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
সেন্টমার্টিন এখন অন্যরকম
সেন্টমার্টিন এখন অন্যরকম

পেছনের পৃষ্ঠা

মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক
মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক

প্রথম পৃষ্ঠা

জটিলতা ৫৫ আসনে
জটিলতা ৫৫ আসনে

পেছনের পৃষ্ঠা

ফের উত্তপ্ত হবে রাজপথ
ফের উত্তপ্ত হবে রাজপথ

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার
ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্ষমতার মজা পেয়ে গেছেন উপদেষ্টা পরিষদের সবাই
ক্ষমতার মজা পেয়ে গেছেন উপদেষ্টা পরিষদের সবাই

প্রথম পৃষ্ঠা

দূরত্ব কাটাবে ঢাকা-দিল্লি
দূরত্ব কাটাবে ঢাকা-দিল্লি

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান
ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত
এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত

প্রথম পৃষ্ঠা

বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক
বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক

শোবিজ

যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ
যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজবাড়ীতে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির শকুন উদ্ধার
রাজবাড়ীতে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির শকুন উদ্ধার

পেছনের পৃষ্ঠা

বাণিজ্য ছাড়িয়েছিল হাজার কোটি ডলার
বাণিজ্য ছাড়িয়েছিল হাজার কোটি ডলার

পেছনের পৃষ্ঠা

সাবেক রেলমন্ত্রীর বাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ
সাবেক রেলমন্ত্রীর বাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশের ওপর সৌদির ভিসা নিষেধাজ্ঞা
বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশের ওপর সৌদির ভিসা নিষেধাজ্ঞা

পেছনের পৃষ্ঠা

মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ

প্রথম পৃষ্ঠা

সুপার লিগে খেলার লড়াই
সুপার লিগে খেলার লড়াই

মাঠে ময়দানে

ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা
ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

একই দিনে দুই বিয়ে
একই দিনে দুই বিয়ে

শোবিজ

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

ফুটবলেই থাকছেন সালাউদ্দিন
ফুটবলেই থাকছেন সালাউদ্দিন

মাঠে ময়দানে

লাহোরে নিগারদের অনুশীলন
লাহোরে নিগারদের অনুশীলন

মাঠে ময়দানে

ডলি সায়ন্তনীর এই জমানার মেয়ে
ডলি সায়ন্তনীর এই জমানার মেয়ে

শোবিজ

অভিযোগের জবাবে পরী
অভিযোগের জবাবে পরী

শোবিজ

সরকারি বই দিতে ঘুষ
সরকারি বই দিতে ঘুষ

পেছনের পৃষ্ঠা

হামজার অন্যরকম মাইলফলক
হামজার অন্যরকম মাইলফলক

মাঠে ময়দানে

লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি
লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি

দেশগ্রাম

দেশই সবকিছু, ব্যক্তি বা পরিবার নয়
দেশই সবকিছু, ব্যক্তি বা পরিবার নয়

সম্পাদকীয়

বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০
বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০

প্রথম পৃষ্ঠা