শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ১৪ মার্চ, ২০২৫

গল্প

লাল গাড়ি

সুন্নাহ সাজিদা খান
প্রিন্ট ভার্সন
লাল গাড়ি

নিলুর এখন শুধু দুপুরবেলা ভালো লাগে। দুপুরে কী সুন্দর রোদ থাকে, একদম শীত লাগে না। তখন পুকুরে দুইটা ডুব দিলেও ঠান্ডা লাগে না। পুকুরপাড়ে দাঁড়িয়ে গায়ে সরিষার তেল মাখলে গা-টা যা গরম হয় না, ইস! কী ভালো লাগে তার। আবার তেলের কারণে জীর্ণ হাত-পায়ে রোদ পড়ে কেমন চিকচিক করে ওঠে। চুলগুলোতে যে শেষ কবে শ্যাম্পুর ছোঁয়া লেগেছিল জানা নাই নিলুর। একবার মাস্টার বাড়িতে কাজ করে দিয়েছিল। সেদিন ওই বাড়িতেই গোসল করতে হয় তার। তখন বড় একটা শ্যাম্পুর কৌটা থেকে মাস্টারনি ওকে শ্যাম্পু দিয়ে বলেছিল, চুলের কী অবস্থা করেছিস, লাল লাল হয়ে গেছে, একটু শ্যাম্পু দে। যাওয়ার সময় তেল নিয়ে যাস মনে করে। নিলুর দাঁত ছাড়া হাসি হেসে বলেছিল, আম্মা কইছে কয়দিন পরে ফালায়া দিব চুল, হুদাই যত্ন কইরা কী হইব।

নিলুর সামনের ওপরের পাটির দুইটা দাঁত পড়েছে, মানে এখন তার বয়স ৭-এর আশেপাশে। নিলুর মা নিলুকে ঢাকা এক বাসায় কাজের জন্য পাঠিয়ে দিতে চেয়েছিল। নিলু রাজি হয়নি, গ্রামে তার সবাই আপন। মাস্টারনি কত আদর করে! আরও আছে সাদা দাড়িওয়ালা কুদ্দুস দাদা, পূবপাড়ার মেজো কাকি। সবাইকে ছেড়ে সে ঢাকা এক বাসায় বন্দি থাকতে পারবে না। এখন নিলু প্রায় সব বাড়িতেই কাজ করে, নির্দিষ্ট এক বাড়িতে তার মন বসে না। কারও ছাগল নিয়ে চরে যায়, কিংবা উঠান ঝাড়ু দিয়ে দেয়, নয় তো কারও তরকারি কাটে। কিন্তু তার শর্ত হলো বিনিময়ে তাকে মজা দিতে হবে, ভাতও না টাকাও না, তার শুধু মজা চাই।

একদিন পাড়ার মসজিদে সভার ঘোষণা হলো, আর সভা মানেই মেলা হবে। নিলুর চোখে ঘুম নেই, খুশিতে লাল-নীল আলো জ্বলছে চোখে, কারণ ওর বাবা বলেছে বিকালে মেলায় নিয়ে যাবে।

দুপুর গড়িয়ে বিকাল হলো, ওর বাবা যে রিকশা নিয়ে বের হলো এখনো বাড়ি ফেরেনি। এদিকে সবাই বাঁশিতে ভোঁ ভোঁ শব্দ করে বাড়ি ফিরছে। চোখে জল টলমল করছে। মার কাছে বায়না ধরল ওকে কিছু টাকা দেওয়ার জন্য, তাহলে সে একাই মেলায় যেতে পারবে। মা বারবার মানা করছে, কিন্তু কে শুনে কার কথা! শেষে কান্না করতে করতে বাড়ি থেকে বের হয়ে গেল।

মাগরিবের আজান হয়ে গেছে, নিলুর বাবাও বাড়ি ফিরেছে। মেয়েকে ঘরে না পেয়ে পুকুরঘাটে গেল। নিলু পুকুরপাড়ে কলাপাতা বিছিয়ে শুয়ে আছে। কাছে গিয়ে দেখে মেয়েটা ঘুমিয়ে পড়েছে। নিলুর বাবা মেলা থেকে আনা এক ডজন লাল কাচের চুড়ি মেয়েকে পরিয়ে দিল। নিলুর ঘুমও ভেঙে গেল। এবার নিলু চুড়ির দিকে তাকিয়ে বলে, লাল চুড়ি আমার আছে। আমি তো লাল গাড়ি কিনতে চাইছিলাম। রবিন কিনেছে, ওইটা রিমোট কন্ট্রোল গাড়ি। তুমি লাল চুড়ি ফেরত দিয়া লাল গাড়ি আইনা দেও।

নিলুর বাবা জানে এই গাড়ির দাম হবে অনেক। তিন দিনের সংসার খরচ চলে যাবে এক গাড়ির টাকা দিয়ে। তা-ও মেয়েকে সান্ত্বনা দিয়ে বলল, কালকে বড় বাজার থেকে কিনে আনব। এখন তুই চুড়িগুলোই পর। এগুলো ফেরত দেওয়া লাগবে না।

নিলুর চোখে খুশির ঝলক।

পরদিন সকালে ঘুম থেকে উঠেই নিলু হাজির রবিনদের বাড়ি। রবিন তো রিমোটও ধরতে দেয় না নিলকে। নিলু শুধু দূরে দাঁড়িয়ে দেখছে কীভাবে চালাতে হয়। বাবা গাড়ি নিয়ে এলে তো চালাতে হবে।

বিকালে বাবা ফিরল, কিন্তু সঙ্গে গাড়ি ফিরল না। বাবা বলেছে বড় বাজারে গাড়ি নেই, শহর থেকে আনতে হবে। সামনের সপ্তাহে শহরে যাবে গাড়ি আনতে। নিলুও মেনে নিল। এভাবে মাস কেটে গেল, দেখতে দেখতে ছয় মাস পার হলো। গাড়ি আর বাড়ি এলো না।

একসময় নিলু বুঝতে পারল, গাড়ি ঠিকই বড় বাজারে আছে, শুধু বাবার পকেটে গাড়ি কেনার টাকা নেই।

এবার নিলু সিদ্ধান্ত নিল, বাড়ি বাড়ি কাজ করে আর মজা খাবে না, টাকা নেবে। তারপর টাকা জমিয়ে গাড়ি কিনবে।

নিলু একটা বাঁশের মধ্যে ছিদ্র করেছে। এটার মধ্যেই সে টাকা জমাবে। এক কাজ দুই টাকা। যত বড় কাজ হোক বা ছোট কাজ, দুই টাকা তাকে দিতে হবে। মজার কথা হচ্ছে, মাস্টারনি কাকির কাজ করে দিলে নিলু পায় পাঁচ টাকা।

একদিন মাস্টারনি কাকি নিলুকে জিজ্ঞেস করেছিল, তুই তো আগে মজা নিতি, এখন কেন টাকা চাস?

নিলু বলেছিল, লাল গাড়ি কিনব, রিমোট কন্ট্রোল গাড়ি! সাঁই সাঁই কইরা চলে।

এর পর থেকেই তিনি নিলুকে দুই টাকার বদলে পাঁচ টাকা দেন।

দেখতে দেখতে অনেক দিন পার হয়ে গেল। নিলুকে ওর মা প্রাইমারি স্কুলে ক্লাস ওয়ানে ভর্তি করিয়ে দিল। এখন সে স্কুলে যাওয়ার জন্য কাজ করতে পারে না। কিন্তু ওর মা বলেছে, স্কুলে গেলে স্কুল থেকে টাকা দেবে। তখন ওর জমানো টাকা আর স্কুলের টাকা মিলিয়ে গাড়ি কিনতে পারবে। এই কথা শুনে অবশেষে নিলু স্কুলে যেতে রাজি হলো।

কত টাকা জমিয়েছে, তা জানার ইচ্ছা হয়, তবু বাঁশ থেকে টাকা বের করে না। যদি বাবা নিয়ে যায়, এই ভয়ে। নিলুর মা বলেছে, এবার অনেক টাকা হয়েছে। একদিন বাবার সঙ্গে বড় বাজারে গিয়ে গাড়ি কিনে আনুক।

শুক্রবারে হাটবার, তাই শুক্রবার বিকালেই যাবে ঠিক হলো। নিলু শুক্রবার সকালে ঘুম থেকে ওঠে, মায়ের সঙ্গে সব কাজ সেরে গোসল করে মোটামুটি রেডি হয়ে গেল। দুপুরে বাবা খেতে এলে মুখে পাউডার আর কানের দুল পরবে। লাল চুড়িও নামিয়ে রেখেছে পরার জন্য।

দুপুর ১২টা বেজে ৪৫ মিনিট। হঠাৎ নিলু তার জগলু কাকার ডাক শুনতে পেল, নিলু, নিলুরে! তোর মা কই, সর্বনাশ হয়ে গেছে!

নিলুর মা দৌড়ে ঘর থেকে বের হলো। কাকা কী বলল, নিলু শুনতে পেল না, শুধু মার কান্নার আওয়াজ পাচ্ছে। নিলু বের হয়ে বারান্দায় আসতেই মা বলল, নিলুরে, তোর বাপের ওপর দিয়া ট্রাক চইলা গেছে!

মা এটুকু বলেই কান্নায় ভেঙে পড়ল। কাকা বলছে, কান্নার সময় নাই, তাড়াতাড়ি হাসপাতালে যাওয়া লাগবে।

মা বাইরে থেকেই দৌড় দিল। নিলু কী করবে বুঝতে পারছে না। মার পিছু পিছু যাবে নাকি বাড়িতে থাকবে! বাবা কি আর বাড়ি ফিরবে না? লাল গাড়ি কিনে দেবে না? তখনই নিলুর খেয়াল হলো, বাবার তো বাঁচতে হবে আগে।

সে ওদের চৌকির নিচ থেকে জমানো টাকার বাঁশটা নিয়ে মার পিছু পিছু দৌড় দেয়।

বছর কেটে গেছে। নিলুর বাবা হাঁটতে পারে না। মাকে ধরে ধরে সকালে বাইরে এসে বসে, বিকালে আবার মা ঘরে নিয়ে যায়। এখন মা আর নিলুর স্বল্প আয়ে সংসার চলে। কত টাকা হাতে আসে যায়, নিলু এখন বুঝে লাল গাড়ির থেকেও দুমুঠো ভাত অনেক দামি, অনেক প্রয়োজন।

সেদিন নিলুর জমানো টাকা বের করা হলে গুনে দেখে সেখানে সাত হাজার চারশত বত্রিশ টাকা। আর এই টাকা দিয়েই বাবার চিকিৎসা করা হয়েছিল।

নিলু সেদিন গাড়ি পাওয়ার থেকেও বেশি খুশি হয়েছিল। তার জমানো টাকা যে বিফলে যায়নি।

টপিক

এই বিভাগের আরও খবর
লিখতে পারো তুমিও
লিখতে পারো তুমিও
ভালো লাগে
ভালো লাগে
গোপাল ভাঁড়
গোপাল ভাঁড়
রুপালি পাখি
রুপালি পাখি
কানামাছি
কানামাছি
ভোঁদড় ছানা
ভোঁদড় ছানা
শিশুর হাসি
শিশুর হাসি
নয় মাসের লড়াই
নয় মাসের লড়াই
চিরঋণী
চিরঋণী
ফুল বাগিচায়
ফুল বাগিচায়
চৈত্র হাওয়ায়
চৈত্র হাওয়ায়
আঁকি বুকি
আঁকি বুকি
সর্বশেষ খবর
পরিবারকে আনন্দ দেওয়া সুন্নত
পরিবারকে আনন্দ দেওয়া সুন্নত

২৯ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

মুসলমানের জীবনযাপনে শালীনতা
মুসলমানের জীবনযাপনে শালীনতা

৪৪ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

জবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক হিমেলকে নিকলীতে গণসংবর্ধনা
জবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক হিমেলকে নিকলীতে গণসংবর্ধনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জামায়াতের দাবি বছর শেষে জাতীয় নির্বাচন : রেজাউল করিম
জামায়াতের দাবি বছর শেষে জাতীয় নির্বাচন : রেজাউল করিম

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের বাড়িতে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ
সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের বাড়িতে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সিরাজগঞ্জে ট্রাক-অটোভ্যান সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ২
সিরাজগঞ্জে ট্রাক-অটোভ্যান সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইউনূস-মোদি বৈঠক বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক : গোলাম পরওয়ার
ইউনূস-মোদি বৈঠক বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক : গোলাম পরওয়ার

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গাজীপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জরিমানা
গাজীপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জরিমানা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাইবান্ধায় হস্তশিল্প মেলার নামে চলছে জুয়া ও অশ্লীল নাচ
গাইবান্ধায় হস্তশিল্প মেলার নামে চলছে জুয়া ও অশ্লীল নাচ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নৌকাডুবিতে স্বামীসহ প্রাণ হারালেন ইবি শিক্ষার্থী
নৌকাডুবিতে স্বামীসহ প্রাণ হারালেন ইবি শিক্ষার্থী

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নেতাকর্মীদের সতর্ক করলো সিলেট বিএনপি
নেতাকর্মীদের সতর্ক করলো সিলেট বিএনপি

২ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনা হোক : সালাউদ্দিন আহমেদ
গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনা হোক : সালাউদ্দিন আহমেদ

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মার্কিন শুল্কারোপ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই : খলিলুর রহমান
মার্কিন শুল্কারোপ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই : খলিলুর রহমান

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাঞ্জাবকে বড় ব্যবধানে হারালো রাজস্থান
পাঞ্জাবকে বড় ব্যবধানে হারালো রাজস্থান

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চেন্নাইকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে দিল্লি
চেন্নাইকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে দিল্লি

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে পোশাক শ্রমিকের মৃত্যু
চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে পোশাক শ্রমিকের মৃত্যু

৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রহ্মপুত্র নদে অষ্টমীর স্নান উৎসবে লাখো পুণ্যার্থীর ঢল
ব্রহ্মপুত্র নদে অষ্টমীর স্নান উৎসবে লাখো পুণ্যার্থীর ঢল

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ

৫ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গাজীপুরে ট্রাকের ধাক্কায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
গাজীপুরে ট্রাকের ধাক্কায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শাহবাগে ফুলের দোকানের আগুন নিয়ন্ত্রণে
শাহবাগে ফুলের দোকানের আগুন নিয়ন্ত্রণে

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শাহবাগে ফুলের দোকানে আগুন
শাহবাগে ফুলের দোকানে আগুন

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত ইয়াসিনের পরিবারের পাশে তারেক রহমান
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত ইয়াসিনের পরিবারের পাশে তারেক রহমান

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কু-প্রস্তাবে অসম্মতি জানানোয় বিধবাকে পিটিয়ে আহত, বসতবাড়ি ভাঙচুর
কু-প্রস্তাবে অসম্মতি জানানোয় বিধবাকে পিটিয়ে আহত, বসতবাড়ি ভাঙচুর

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড
এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিএনপি ক্ষমতার পাগল নয়, ক্ষমতা বিএনপির প্রাপ্য : ফজলুর রহমান
বিএনপি ক্ষমতার পাগল নয়, ক্ষমতা বিএনপির প্রাপ্য : ফজলুর রহমান

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শুধু মানুষের নয়, বানরও অর্থবহ ভাষা তৈরি করতে সক্ষম : গবেষণা
শুধু মানুষের নয়, বানরও অর্থবহ ভাষা তৈরি করতে সক্ষম : গবেষণা

৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা
শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা

৮ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক
যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ভারতে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসে খেলাফত মজলিসের উদ্বেগ
ভারতে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসে খেলাফত মজলিসের উদ্বেগ

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সর্বাধিক পঠিত
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি
আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব
ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা
সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন
ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড
এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে
কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম
নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার
হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প
‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী
পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি
হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি

১৪ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার
লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা
চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা

২০ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি
ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা
পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার
৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা
কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু
আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা
আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার
প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার

১৬ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা
ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২
কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক
যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা
শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা

৮ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

প্রিন্ট সর্বাধিক
জটিলতা ৫৫ আসনে
জটিলতা ৫৫ আসনে

পেছনের পৃষ্ঠা

সেন্টমার্টিন এখন অন্যরকম
সেন্টমার্টিন এখন অন্যরকম

পেছনের পৃষ্ঠা

মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক
মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক

প্রথম পৃষ্ঠা

ফের উত্তপ্ত হবে রাজপথ
ফের উত্তপ্ত হবে রাজপথ

প্রথম পৃষ্ঠা

দূরত্ব কাটাবে ঢাকা-দিল্লি
দূরত্ব কাটাবে ঢাকা-দিল্লি

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার
ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত
এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত

প্রথম পৃষ্ঠা

ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান
ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্ষমতার মজা পেয়ে গেছেন উপদেষ্টা পরিষদের সবাই
ক্ষমতার মজা পেয়ে গেছেন উপদেষ্টা পরিষদের সবাই

প্রথম পৃষ্ঠা

বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক
বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক

শোবিজ

সুপার লিগে খেলার লড়াই
সুপার লিগে খেলার লড়াই

মাঠে ময়দানে

রাজবাড়ীতে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির শকুন উদ্ধার
রাজবাড়ীতে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির শকুন উদ্ধার

পেছনের পৃষ্ঠা

মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ

প্রথম পৃষ্ঠা

যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ
যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ

প্রথম পৃষ্ঠা

লাহোরে নিগারদের অনুশীলন
লাহোরে নিগারদের অনুশীলন

মাঠে ময়দানে

বাণিজ্য ছাড়িয়েছিল হাজার কোটি ডলার
বাণিজ্য ছাড়িয়েছিল হাজার কোটি ডলার

পেছনের পৃষ্ঠা

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা
ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

জরাজীর্ণ ভবন, নষ্ট এক্স-রে মেশিন
জরাজীর্ণ ভবন, নষ্ট এক্স-রে মেশিন

দেশগ্রাম

বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০
বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০

প্রথম পৃষ্ঠা

লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি
লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি

দেশগ্রাম

শরীয়তপুরে খোলা মাঠ যেন যুদ্ধক্ষেত্র
শরীয়তপুরে খোলা মাঠ যেন যুদ্ধক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

সংস্কার শেষেই নির্বাচন দিতে হবে
সংস্কার শেষেই নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

একই দিনে দুই বিয়ে
একই দিনে দুই বিয়ে

শোবিজ

তেহরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প
তেহরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প

পূর্ব-পশ্চিম

অভিযোগের জবাবে পরী
অভিযোগের জবাবে পরী

শোবিজ

জংলি নিয়ে দর্শকদের সাড়া দেখে আমি আনন্দিত
জংলি নিয়ে দর্শকদের সাড়া দেখে আমি আনন্দিত

শোবিজ

বিশ্বজুড়ে মানবিক সহায়তার সিংহভাগ যুক্তরাষ্ট্র আর বহন করবে না
বিশ্বজুড়ে মানবিক সহায়তার সিংহভাগ যুক্তরাষ্ট্র আর বহন করবে না

পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে
ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে

সম্পাদকীয়