শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

আনন্দের ছোঁয়া

সুলেখা আক্তার শান্তা
প্রিন্ট ভার্সন
আনন্দের ছোঁয়া

মায়েদের ধারণা ছন্দের সুরে কথা বললে বাচ্চা হয়তো শান্ত হবে। মিলিও তাই করে। খোকন সোনা খোকন সোনা আর কাঁদে না আর কাঁদে না। কিন্তু তার সোনার কান্না আর থামে না। কান্না না থামায় বাচ্চাকে কিছু খাওয়াতে পারে না, ঘুম তো পরের ব্যাপার। সব মায়ের মতো সেও প্রয়োগ করে ভাও থেরাপি। ওই যে ভাও আসল। তাতে কাজ হয়, বাচ্চা ভয় পেয়ে মায়ের বুকে মুখ লুকায়। লক্ষ্মী সোনা তখন খাবার খায় এবং ঘুমায়। এভাবে মিলি তার ছেলেকে প্রতিদিন খাওয়া ও ঘুম পাড়ায়। কিন্তু বাচ্চার মনে জমা হতে থাকে এক অজানা ভয়। ভাও নামক দৈত্যটা ঢুকে পড়ে শিশুমনের ভিতর। খোকন কখনো ভাও দেখেনি। কিন্তু তার সমস্ত অস্তিত্বজুড়ে কর্তৃত্ব করে ভাও। 

খোকনদের বাড়ির পেছনে আছে বিরাট এক জঙ্গল। সেই জঙ্গলে শেয়াল-কুকুর অনেক কিছুর ডাক শোনা যেত রাতে। শিয়াল ডাকের বিচিত্র বৈশিষ্ট্য আছে। এক শিয়াল ডেকে উঠলে সব শিয়াল সমস্বরে এক ভীতিকর ঐকতান সৃষ্টি করে। অনেকক্ষণ ধরে চলে সেই হুক্কা হুয়া, হুয়া হুয়া কলরব। শিয়ালের এহেন ডাক শুনে খোকন ভয়ে মাকে জড়িয়ে ধরে। ছেলের ভয় পাওয়া দেখে মিলির খারাপ লাগে। সে চায় ছেলে সাহসী হবে। মিলি ছেলেকে সান্ত্বনা দেয়, না বাবা আমি আছি না, ভাও তোমার কাছে আসতে পারবে না। এই যে লাঠি কাছে রেখেছি ওকে পিটিয়ে দূর করে দেব। খোকন মায়ের কথায় সাহস পায়। বুদ্ধিমানের মতো বলে, আমাকে যদি নিয়ে যেতে চায়? মা খোকনকে বুকে চেপে বলে, না বাবা আমি কি তোমাকে নিতে দেব নাকি? আমার খোকন সোনাকে! পিটিয়ে ওর পা ভেঙে দেব না। তবে তোমাকে একটা জিনিস করতে হবে, ঠিকমতো খেতে হবে, ঘুমাতে হবে। খোকন বলে, আমার তো খেতে ভালো লাগে না। মা বলে, বাবা না খেলে তুমি শিয়ালের সঙ্গে পারবে কী করে? খেলে তো তোমার গায়ে অনেক শক্তি হবে। দেখবে তখন শিয়াল তাড়াতে কাউকে লাগবে না। তুমি নিজেই ওদের তাড়িয়ে দিতে পারবে। খোকন বুদ্ধিমানের মতো মাথা দুলিয়ে মাকে আশ্বস্ত করে। ঠিক আছে মা আমি বেশি বেশি খাব। কিন্তু আমি ভাত খাব না। চিপস খাব, চকলেট খাব। মা বলে, না বাবা এগুলো খেলে তুমি আর ভাত খেতে পার না। ভাত না খেলে শক্তি হবে কী করে? ওগুলো খাবা খুব কম। আর ভাত খাওয়ার সময় তুমি অন্য কিছু খাবা না।

মিলি ছেলেকে নিয়ে বাবার বাড়ি যাবে। স্বামীকে বলে, তুমিও চলো। অনেকদিন শ্বশুরবাড়িতে যাও না। আশিক বলে, আমি যেতে পারব না আমার অফিস আছে। তুমি ছেলেকে নিয়ে যাও, আমি গিয়ে তোমাদের নিয়ে আসব। খোকনের খুব আনন্দ। মামাবাড়ি বেড়াতে যাবে। মামাকে পাবে, খালামণিকে পাবে। এবার সে অনেক দুষ্টুমি করতে পারবে। যেগুলো করতে তার ভালো লাগে সেগুলোকে দুষ্টুমি বলা হয় কেন? সে ভেবে পায় না। খাওয়া নিয়ে উৎপাত কেন করা হয়, সে বোঝে না। খেতে ইচ্ছে করলে তো আমিই খেতে চাইব। মা যদি তাকে মারতে আসে খালামণি, মামা ঠেকাবে। তাকে আদর করবে, মাকে মারতে দেবে না। সে খাওয়া থেকে বেঁচে যাবে। খোকন কিছুতেই খেতে চায় না। সে দৌড়ে খালামণিকে জড়িয়ে ধরে। খালা নিলুফা বলে, কী হয়েছে আমার খোকন বাবার? খোকন বলে, আমি খাব না, মা আমাকে জোর করে খাওয়াবে। খালা বলে, বাবা তুমি খাও খেলে তোমার মা আর খাবার নিয়ে জোর করবে না। দেখবে তখন তোমাকে কত আদর করে, আমি আদর করব সবাই তোমাকে আদর করবে। সময়ের কী পরিবর্তন, একটা কথা মনে পড়ে মনে মনে হাসে নিলুফা। তাদের জন্য বরাদ্দ খাবার তো খেতই তারপর মা যেখানে যা রাখত চুরি করে খেয়ে ফেলত। আর আজকাল বাচ্চাদের খাওয়ানোর জন্য যুদ্ধ করতে হয়।

একদিন খোকন খেলছিল তার মামা বাড়ির পেছনে জঙ্গলটার কাছে। সেই জঙ্গল থেকে একটা বড় শিয়াল বেরিয়ে এলো। শিয়ালটা আস্তে আস্তে খোকনের সামনে এলো। খোকন রাজ্যের বিস্ময় নিয়ে তাকে অবাক দৃষ্টিতে দেখে! শিয়ালের কান দুটো খাড়া খাড়া। গায়ের অংশ একটু বাদামি ধূসর। নিরাপদ দূরত্বে খোকনের সামনে এসে দাঁড়ায় শিয়ালটা। তাকিয়ে থাকে খোকনের দিকে অপলক দৃষ্টিতে। খোকন কখনো দ্রুত ধাবমান পলায়ন পর শিয়াল হয়তো দেখেছে। কিন্তু এমন স্থির দৃষ্টিতে দেখা শিয়াল দেখেনি তাও আবার এত কাছ থেকে। খোকন আরও আশ্চর্য হয় শিয়াল দেখে তার কোনো ভয়ভীতি লাগছে না! খোকনের হাতে চিপস ছিল শিয়ালকে বলে, তুমি এটা খাবে? মনে হলো শিয়াল মাথা নেড়ে সম্মতি জানাল। খোকন চিপস বের করে শিয়ালকে খেতে দিল। শিয়াল বাধ্য ছেলের মতো সেগুলো খেলো। খাওয়া শেষ করে শিয়াল জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে খোকনের দিকে তাকায়। খোকন বলে, কাল তুমি আবার এসো আমি তোমাকে খেতে দেব। খোকন জঙ্গলের ধারে এলেই শিয়াল সতর্ক দৃষ্টিতে চারদিক দেখে উপস্থিত হয়। মনে হয় যেন সে খোকনের প্রতীক্ষায় ছিল। খোকন যা খায় তা শিয়ালকে খাওয়ায়। এভাবে খোকনের সঙ্গে শিয়ালের এক অস্বাভাবিক বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। একদিন খোকনের মনে হলো শিয়ালকে ধরে দেখলে কেমন হয়! সে হাত বাড়িয়ে দিলে শিয়াল অনুগতের মতো হাতের কাছে এসে দাঁড়ায়। খোকন মাথায় হাত বুলিয়ে তাকে আদর করে দেয়। অনেকক্ষণ হয়েছে খোকনের মনে হয় বাড়ি যাওয়ার কথা। এদিকে বাড়ির সবাই খোকনকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেছে। মিলি তো ছেলেকে না পেয়ে কান্নাকাটি শুরু করে। হায় হায় আমার ছেলে গেল কোথায়? বাড়ির পেছনে জঙ্গলে গিয়ে দেখে খোকন এক শিয়াল একসঙ্গে খেলা করছে। মিলি তো দেখে অবাক! ছেলেকে যে শিয়াল আর ভাও এর কথা বলে ভয় দেখিয়ে খাওয়ানো হতো। আজ সেই ছেলের সঙ্গে শিয়ালের বন্ধুত্ব। ভাওকে জয় করল সে কীভাবে! সবাই দেখে তাজ্জব। এরপর জঙ্গলের পাশে এসে প্রায়ই শিয়াল খোকনের সঙ্গে খেত, খেলত।

আশিক শ্বশুরবাড়ি আসে স্ত্রী আর ছেলেকে নিয়ে যেতে। খোকন বাবাকে পেয়ে খুশি কিন্তু তাকে বাড়িতে যেতে হবে শিয়াল বন্ধুকে রেখে। সে জন্য তার মন খারাপ। সে কান্না জুড়ে দেয়, আমি বাড়ি যাব না। বন্ধু শিয়ালকে রেখে বাড়িতে যাব না। বাবা-মা দুজনেই খোকনকে বোঝায়। কিন্তু খোকন সোনা কোনো কিছুই শুনতে চায় না। এদিকে শিয়ালটাও হয়তো বুঝতে পেরেছে আসন্ন বন্ধু বিচ্ছেদের কথা। সে মাঝে মাঝে তার স্বরে চিৎকার করতে থাকে, মনে হয় যেন কাঁদছে। কী আর করা শেষ পর্যন্ত খোকনদের বাড়ি যাওয়ার প্রস্তুতি নিতে হয়। বাড়ি যাওয়ার দিন ঘটে আর এক ঘটনা।

শিয়াল মশাই স্বয়ং এসে হাজির। শিয়াল সাধারণত মানুষের সান্নিধ্য এড়িয়ে চলে। কিন্তু এই শিয়াল খোকনের কাছে এসে গা ঘেঁষে দাঁড়ায়। খোকন কী করবে বুঝতে পারে না। মাকে বলে, মা শিয়ালকে বাড়ি নিয়ে চলো। শেয়াল কোনো গৃহপালিত জীব নয়। মিলি ছেলের সৃষ্টিছাড়া কথা শুনে বলে, বাবা এরা বন-জঙ্গলে থাকে এরা বাড়িতে থাকে না। তাই একে নিয়ে যাওয়া যাবে না। খোকনদের গাড়ি ছেড়ে দেয়। আজব কান্ড, চারপাশে কাউকে তোয়াক্কা না করে শিয়াল গাড়ির সঙ্গে দৌড়াতে থাকে। খোকন পেছন ফিরে দেখে। হাত বাড়িয়ে দিয়ে বলে, তুমি আর এসো না পড়ে গিয়ে ব্যথা পাবে। কিন্তু শিয়াল তা শোনে না। শিয়াল গাড়ির পিছে দৌড়ে দৌড়ে খোকনদের বাড়ি এসে পৌঁছে। খোকন মাকে বলে, মা শিয়ালকে আর যেতে দেব না। শিয়ালের কারবার দেখে অভিভূত মা! বলে, ঠিক আছে বাবা। শিয়ালের জন্য তৈরি করা হয় একটা খাঁচা। সেই খাঁচায় শিয়াল বসবাস করতে থাকে খোকনের বন্ধু হয়ে। দূরদূরান্ত থেকে মানুষ আসে এই অদ্ভুত কান্ড দেখতে।

এই বিভাগের আরও খবর
লিখতে পারো তুমিও
লিখতে পারো তুমিও
ভালো লাগে
ভালো লাগে
গোপাল ভাঁড়
গোপাল ভাঁড়
রুপালি পাখি
রুপালি পাখি
কানামাছি
কানামাছি
ভোঁদড় ছানা
ভোঁদড় ছানা
শিশুর হাসি
শিশুর হাসি
নয় মাসের লড়াই
নয় মাসের লড়াই
চিরঋণী
চিরঋণী
ফুল বাগিচায়
ফুল বাগিচায়
চৈত্র হাওয়ায়
চৈত্র হাওয়ায়
আঁকি বুকি
আঁকি বুকি
সর্বশেষ খবর
ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত: মস্কো
ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত: মস্কো

৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মারা গেছেন
আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মারা গেছেন

২৩ মিনিট আগে | জাতীয়

মেক্সিকো-আর্জেন্টিনা-ব্রাজিলের শেয়ারবাজারে বড় পতন
মেক্সিকো-আর্জেন্টিনা-ব্রাজিলের শেয়ারবাজারে বড় পতন

২৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৬ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৬ এপ্রিল)

৪১ মিনিট আগে | জাতীয়

রমজানের শিক্ষা ধরে রাখতে হবে
রমজানের শিক্ষা ধরে রাখতে হবে

৪৭ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

মেহমানের সমাদরে জান্নাত মেলে
মেহমানের সমাদরে জান্নাত মেলে

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

মুমিনজীবনের প্রকৃত সাফল্য
মুমিনজীবনের প্রকৃত সাফল্য

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

পরিবারকে আনন্দ দেওয়া সুন্নত
পরিবারকে আনন্দ দেওয়া সুন্নত

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

মুসলমানের জীবনযাপনে শালীনতা
মুসলমানের জীবনযাপনে শালীনতা

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

জবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক হিমেলকে নিকলীতে গণসংবর্ধনা
জবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক হিমেলকে নিকলীতে গণসংবর্ধনা

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জামায়াতের দাবি বছর শেষে জাতীয় নির্বাচন : রেজাউল করিম
জামায়াতের দাবি বছর শেষে জাতীয় নির্বাচন : রেজাউল করিম

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের বাড়িতে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ
সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের বাড়িতে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সিরাজগঞ্জে ট্রাক-অটোভ্যান সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ২
সিরাজগঞ্জে ট্রাক-অটোভ্যান সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ২

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইউনূস-মোদি বৈঠক বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক : গোলাম পরওয়ার
ইউনূস-মোদি বৈঠক বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক : গোলাম পরওয়ার

৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গাজীপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জরিমানা
গাজীপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জরিমানা

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাইবান্ধায় হস্তশিল্প মেলার নামে চলছে জুয়া ও অশ্লীল নাচ
গাইবান্ধায় হস্তশিল্প মেলার নামে চলছে জুয়া ও অশ্লীল নাচ

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নৌকাডুবিতে স্বামীসহ প্রাণ হারালেন ইবি শিক্ষার্থী
নৌকাডুবিতে স্বামীসহ প্রাণ হারালেন ইবি শিক্ষার্থী

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নেতাকর্মীদের সতর্ক করলো সিলেট বিএনপি
নেতাকর্মীদের সতর্ক করলো সিলেট বিএনপি

৫ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনা হোক : সালাউদ্দিন আহমেদ
গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনা হোক : সালাউদ্দিন আহমেদ

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মার্কিন শুল্কারোপ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই : খলিলুর রহমান
মার্কিন শুল্কারোপ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই : খলিলুর রহমান

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাঞ্জাবকে বড় ব্যবধানে হারালো রাজস্থান
পাঞ্জাবকে বড় ব্যবধানে হারালো রাজস্থান

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চেন্নাইকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে দিল্লি
চেন্নাইকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে দিল্লি

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে পোশাক শ্রমিকের মৃত্যু
চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে পোশাক শ্রমিকের মৃত্যু

৬ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রহ্মপুত্র নদে অষ্টমীর স্নান উৎসবে লাখো পুণ্যার্থীর ঢল
ব্রহ্মপুত্র নদে অষ্টমীর স্নান উৎসবে লাখো পুণ্যার্থীর ঢল

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ

৭ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গাজীপুরে ট্রাকের ধাক্কায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
গাজীপুরে ট্রাকের ধাক্কায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শাহবাগে ফুলের দোকানের আগুন নিয়ন্ত্রণে
শাহবাগে ফুলের দোকানের আগুন নিয়ন্ত্রণে

৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শাহবাগে ফুলের দোকানে আগুন
শাহবাগে ফুলের দোকানে আগুন

৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত ইয়াসিনের পরিবারের পাশে তারেক রহমান
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত ইয়াসিনের পরিবারের পাশে তারেক রহমান

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কু-প্রস্তাবে অসম্মতি জানানোয় বিধবাকে পিটিয়ে আহত, বসতবাড়ি ভাঙচুর
কু-প্রস্তাবে অসম্মতি জানানোয় বিধবাকে পিটিয়ে আহত, বসতবাড়ি ভাঙচুর

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি
আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব
ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা
সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড
এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন
ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে
কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে

১৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম
নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার
হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প
‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী
পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি
হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি

১৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার
লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার

১৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি
ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি

১২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা
চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা

২২ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা
পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার
৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা
কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু
আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক
যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক

১১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা
আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার
প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার

১৮ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা
ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শান্তি আলোচনায় সময় ফুরিয়ে আসছে, রাশিয়াকে হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের
শান্তি আলোচনায় সময় ফুরিয়ে আসছে, রাশিয়াকে হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা
শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা

১০ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ঈদের পঞ্চম দিনেও ‘দাগি’-‘জংলি’র দাপট অব্যাহত, আয় কত?
ঈদের পঞ্চম দিনেও ‘দাগি’-‘জংলি’র দাপট অব্যাহত, আয় কত?

১৪ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

প্রিন্ট সর্বাধিক
সেন্টমার্টিন এখন অন্যরকম
সেন্টমার্টিন এখন অন্যরকম

পেছনের পৃষ্ঠা

মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক
মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক

প্রথম পৃষ্ঠা

জটিলতা ৫৫ আসনে
জটিলতা ৫৫ আসনে

পেছনের পৃষ্ঠা

ফের উত্তপ্ত হবে রাজপথ
ফের উত্তপ্ত হবে রাজপথ

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার
ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার

প্রথম পৃষ্ঠা

দূরত্ব কাটাবে ঢাকা-দিল্লি
দূরত্ব কাটাবে ঢাকা-দিল্লি

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত
এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত

প্রথম পৃষ্ঠা

ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান
ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্ষমতার মজা পেয়ে গেছেন উপদেষ্টা পরিষদের সবাই
ক্ষমতার মজা পেয়ে গেছেন উপদেষ্টা পরিষদের সবাই

প্রথম পৃষ্ঠা

সুপার লিগে খেলার লড়াই
সুপার লিগে খেলার লড়াই

মাঠে ময়দানে

রাজবাড়ীতে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির শকুন উদ্ধার
রাজবাড়ীতে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির শকুন উদ্ধার

পেছনের পৃষ্ঠা

মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ

প্রথম পৃষ্ঠা

বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক
বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক

শোবিজ

যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ
যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ

প্রথম পৃষ্ঠা

বাণিজ্য ছাড়িয়েছিল হাজার কোটি ডলার
বাণিজ্য ছাড়িয়েছিল হাজার কোটি ডলার

পেছনের পৃষ্ঠা

লাহোরে নিগারদের অনুশীলন
লাহোরে নিগারদের অনুশীলন

মাঠে ময়দানে

ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা
ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশের ওপর সৌদির ভিসা নিষেধাজ্ঞা
বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশের ওপর সৌদির ভিসা নিষেধাজ্ঞা

পেছনের পৃষ্ঠা

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

সাবেক রেলমন্ত্রীর বাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ
সাবেক রেলমন্ত্রীর বাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০
বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০

প্রথম পৃষ্ঠা

লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি
লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি

দেশগ্রাম

জরাজীর্ণ ভবন, নষ্ট এক্স-রে মেশিন
জরাজীর্ণ ভবন, নষ্ট এক্স-রে মেশিন

দেশগ্রাম

একই দিনে দুই বিয়ে
একই দিনে দুই বিয়ে

শোবিজ

শরীয়তপুরে খোলা মাঠ যেন যুদ্ধক্ষেত্র
শরীয়তপুরে খোলা মাঠ যেন যুদ্ধক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

সংস্কার শেষেই নির্বাচন দিতে হবে
সংস্কার শেষেই নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

অভিযোগের জবাবে পরী
অভিযোগের জবাবে পরী

শোবিজ

তেহরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প
তেহরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প

পূর্ব-পশ্চিম

আওয়ামী লীগের বিচার চায় বিএনপি
আওয়ামী লীগের বিচার চায় বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা