চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার পাইন্দং এলাকায় হালদা নদীর পাড় কেটে মাটি বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। নির্বিচারে মাটি কাটার ফলে হালদা নদী ও আশপাশের এলাকার জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়ছে। পাড়ের মাটি কাটার ফলে বর্ষায় নদীর পানিতে বিস্তৃর্ণ এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বারবার মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেও মাটি কাটা বন্ধ করা যাচ্ছে না।
জানা গেছে, ফটিকছড়ির ইটভাটাগুলোতে হালদার পাড়ের বালুমিশ্রিত মাটির অনেক চাহিদা রয়েছে। একারণে এখানকার মাটি ইটভাটার মালিকরা চড়া দামে কিনে নেন। এই সুযোগে পাইন্দং ইউনিয়নের সেবাখেলা, পাট্টিল্যার কুল ও যুগিনীঘাটা এলাকা হতে নির্বিচানে মাটি কাটছে একটি চক্র। নদীর উপর অস্থায়ী সেতু তৈরী করে মাটি কেটে ড্রাম ট্রাকে করে পাশ্বর্¦বর্তী ইটভাটাতে সরবরাহ করছে চক্রটি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, নদীর পাড়ের মাটি কেটে নেয়ার ফলে বেড়িবাঁধ রক্ষায় নির্মিত ১৫৭ কোটি টাকার সিসি বøক হুমকির মুখে পড়বে। এছাড়া দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র মৎস্য হ্যারিটেজ হালদা নদীর জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়বে। মাটি পরিবহনের জন্য মাত্রাতিরিক্ত যানবাহন চলাচলের কারণে স্থানীয় সড়কগুলো খানাখন্দকে পরিণত হয়েছে।
এ ব্যাপারে ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক চৌধুরী জানান, হালদার বিভিন্ন এলাকায় মাটি কাটা বন্ধ করতে এর আগেও একাধিকবার অভিযান চালানো হয়েছে। ভবিষ্যতে এই ধরণের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে নদী সংরক্ষণ আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিডি প্রতিদিন/এএম