শিরোনাম
প্রকাশ: ১০:২০, বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

সম্মানী-অধ্যক্ষ-শিক্ষক নিয়োগে অনিয়ম

বোরহানুদ্দীন কলেজ সভাপতির বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
বোরহানুদ্দীন কলেজ সভাপতির বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ

জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে ঢাকার শেখ বোরহানুদ্দীন পোস্ট গ্রাজুয়েট কলেজের সভাপতির দায়িত্ব পান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক মুজাদ্দেদী আলফেছানী। তবে দায়িত্ব নেওয়ার ছয় মাসের মাথায় নিয়মবহির্ভূত সম্মানী গ্রহণ, অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে স্বপদে বহাল রাখা ও দুর্নীতিবাজ শিক্ষকদের আশ্রয় দেওয়াসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। 

কলেজ সূত্রে জানা গেছে, কলেজটির পরিচালনা পরিষদের সাধারণ সভায় সম্মানী নেওয়ার নিয়ম না থাকলেও প্রতিসভায় তিনি নিচ্ছেন ১৮ হাজার টাকা। আর প্রতিমাসে একাধিক সভা আহ্বান করে গড়ে সম্মানীবাবদ তিনি পাচ্ছেন ৫০ হাজার টাকার বেশি। সেইসঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সহযোগীরাও ৯ হাজার থেকে ১১ হাজার ১০০ টাকা করে সম্মানী নিচ্ছেন। অথচ বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটির ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসের নীতিমালা অনুযায়ী, গভর্নিং বডির সভাপতি ও সদস্যদের নিয়োগ পরীক্ষার সম্মানী ছাড়া অন্য কোনো সম্মানী নেওয়ার বিধান নেই। কিন্তু বিগত ছয় মাসে কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতিসহ সদস্যরা ছয় মাসে অন্তত তিন লাখ টাকারও বেশি সম্মানী নিয়েছেন।

বিধিমোতাবেক গত ৩০ নভেম্বর চাকরির বয়সসীমা শেষ হয়েছে বোরহানুদ্দীন কলেজের বর্তমান অধ্যক্ষে নূরুল হকের। তার বিরুদ্ধে শিক্ষকদের অভিযোগ, কলেজে একাধিক সিনিয়র শিক্ষক থাকলেও কাউকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ দিচ্ছেন না তিনি। বর্তমানের মেয়াদোত্তীর্ণ অধ্যক্ষের কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা নিতে তাকে এখনো স্বপদে বহাল রেখেছেন। এমনকি এর আগে যে সকল শিক্ষকের বিরুদ্ধে নানা অপরাধের প্রমাণ আছে তাদের নানা আশ্রয়-প্রশ্রয়ে রেখেছেন অধ্যাপক মুজাদ্দেদী আলফেছানী।

এদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদফতরের (ডিআইএ) তদন্ত প্রতিবেদনে দেখা গেছে, কলেজটিতে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা অনিয়ম নিয়ে বর্তমান প্রশাসন দুর্নীতিবিরোধী কোনো তদন্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করেনি। কলেজের প্রয়োজনীয় নথিপত্র গায়েব করলেও তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। জমি ক্রয়, অবৈধ নিয়োগ বাণিজ্য, ক্ষমতার অপব্যবহার ও এফডিআর কেলেঙ্কারিসহ কোটি কোটি টাকার দুর্নীতির বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিরীক্ষা ও আইন শাখা ব্রডশিট জবাব চাইলেও পরিচালনা পরিষদ তা দেয়নি।

অন্যদিকে, অভ্যন্তরীণ অডিট ফার্ম দিয়ে অডিট সম্পন্ন করতেও সহযোগিতা করছে না বর্তমান কলেজ প্রশাসন। ফলে, একদিকে যেমন বিচারহীনতার সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে, অন্যদিকে দুর্নীতিবাজরা বহাল তবিয়তে তাদের অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষক গণমাধ্যমকে বলেন, ‘মুজাদ্দেদী স্যার দায়িত্ব নেওয়ার পর সবাই তাকে এই দুর্নীতির বিষয়ে অবহিত করেন। কিন্তু ছয় মাস পার হলেও তিনি কোনো পদক্ষেপ নেননি। উপরন্তু সেই দুর্নীতিবাজ শিক্ষকদের সঙ্গেই তার বেশি সখ্যতা গড়ে ওঠে। ফলে, তারা আগের চেয়ে এখন আরও ভালো অবস্থানে আছেন।’

জানা গেছে, এ সব দুর্নীতির অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৯ জানুয়ারি ব্রডশিট জবাব চায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ডিআইএ-এর তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে আসা এসব অনিয়ম নিয়ে সাত কর্মদিবসের মধ্যে জবাব না দিলে প্রতিষ্ঠানপ্রধানের এমপিও স্থগিত এবং গভর্নিং বডির অনুমোদন বাতিলসহ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলা হয়। তবে, নির্ধারিত সময় অতিবাহিত হওয়ার পরও এসব অনিয়মের কোনো জবাব না দিয়ে বহাল তবিয়তে রয়েছেন কলেজটির অবৈধ অধ্যক্ষ। 

এ বিষয়ে তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এটা ২০১৯ সালের ঘটনা। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর এটা আমাদের উপর এসেছে। গত ২৯ জানুয়ারি যখন আমাদের কাছে চিঠি এসেছে তখন থেকে আমরা সেটা নিয়ে কাজ শুরু করেছি। অনেকগুলো ফাইল গায়েব হয়ে যাওয়ায় আমরা এখনো সেটার জবাবে চিঠি দিতে পারিনি।’

ডিআইএ-এর ওই তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অতি অল্প সময়ের মধ্যে কলেজটিতে ৪৫ জন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়। এ নিয়োগ প্রক্রিয়ায় আপ্যায়ন ও সম্মানীবাবদ খরচ করা হয় ১৩ লাখ ৯৯ হাজার টাকার বেশি। সেইসঙ্গে নিয়ম না মেনে এই নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করেন কলেজের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক হারুনর রশীদ খান।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, অবৈধভাবে নিয়োগ পাওয়া এসব শিক্ষকদের বিধিবহির্ভূতভাবে দেওয়া হয় উচ্চ বেতন। অবৈধভাবে নিয়োগ পাওয়া ৪৫ শিক্ষকের অনেকে বাদ পড়লেও এখনো ১৯ জন স্বপদে বহাল আছেন। 

এ বিষয়ে মুজাদ্দেদী বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনের পর অনেকগুলো কলেজ বন্ধ হয়ে গেছে। কিন্তু আপনি দেখেন, আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর সবকিছু স্বাভাবিকভাবে চলছে। আমরা শিক্ষার্থীদের দাবি-দাওয়ার ভিত্তিতে কাজ শুরু করেছি। ধাপে ধাপে সব হবে।’

এদিকে কলেজের নামে ক্রয়কৃত জায়গা দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেলে সেটা তদন্তের জন্য গত ১২ জানুয়ারি চার সদস্যবিশিষ্ট একটা কমিটি গঠন করেন সভাপতি আল মুজাদ্দেদী আলফেছানী। যেখানে নিয়মের বাইরে গিয়ে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাদা দল থেকে বহিষ্কৃত দুই শিক্ষক এবং কলেজের অধ্যক্ষকে সদস্য সচিব করে একটা কমিটি গঠন করেন। 

এছাড়া অভিযোগ রয়েছে এমপিও-এর বাইরে গিয়ে সৃষ্ট পদে শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে বছরে কলেজ ফান্ড থেকে বেতন দিচ্ছে এক কোটি ৫৬ লাখ ৬০ হাজার টাকা। এতে কলেজ ফান্ডের ওপর চাপ বাড়ছে। এর আগের বেসরকারি কলেজগুলোতে পরিচালনা পরিষদের সদস্যরা টাকার বিনিময়ে শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ দিত। এনটিআরসিএ গঠনের পর কলেজগুলোতে কোনো শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার বিধান নেই। কিন্তু গভর্নিং বডি নানা প্রক্রিয়ায় নিয়োগ দিয়ে যাচ্ছে। শেখ বোরহানুদ্দীন কলেজ সূত্রে জানা গেছে, সভাপতির দায়িত্ব নেওয়ার পর অন্তত ১০ জন নন-এমপিও শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছেন মুজাদ্দেদী আলফেছানী। এতে প্রতিবছর অন্তত ৩৬ লাখ টাকা কলেজের ফান্ড থেকে তাদের বেতন বাবদ দিতে হবে।

এ সব বিষয়ে জানতে চাইলে মুজাদ্দেদী আলফেছানী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমি শুধুমাত্র তাদের কন্সুলেট করেছি। তারা এর আগে পার্টটাইম শিক্ষক ছিলেন। আগে অনেককে কন্সুলেট করা হলেও এই কয়জনকে করা হয়নি। তাই, আমি তাদের কন্সুলেট করেছি মাত্র।’ তিনি বলেন, ‘একটা গ্রুপ আমার বিরুদ্ধে উঠে-পড়ে লেগেছে। তারাই আমার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে।’

সম্মানী নেওয়ার বিষয়ে অধ্যাপক মুজাদ্দেদী আলফেছানী বলেন, ‘আমরা যথাযথ নিয়ম অনুসরণ করে সম্মানী নিয়েছি। একটা গ্রুপ আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে।’.

অধ্যক্ষের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘কলেজের দায়িত্ব নেওয়ার পর দেখেছি, বর্তমান অধ্যক্ষ সবচেয়ে সৎ ও যোগ্য ব্যক্তি। তাই, তাকে আমরা এ দায়িত্ব দিয়েছি। আর, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় আইন মোতাবেক পরিচালনা পরিষদের সভাপতির ইখতিয়ার আছে যে কাউকে অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার।’

সূত্র: সারাবাংলা ডটনেট

বিডি প্রতিদিন/হিমেল

এই বিভাগের আরও খবর
কাহালু সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন গঠন
কাহালু সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন গঠন
বেনাপোল হাইস্কুলের এসএসসি ২০০৭ ব্যাচের ঈদ পুনর্মিলনী
বেনাপোল হাইস্কুলের এসএসসি ২০০৭ ব্যাচের ঈদ পুনর্মিলনী
মাছের পেটে মিলছে প্লাস্টিক কণা
মাছের পেটে মিলছে প্লাস্টিক কণা
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ঈদুল ফিতর উদযাপিত
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ঈদুল ফিতর উদযাপিত
চৌদ্দগ্রাম হাইস্কুলের এসএসসি ২০১৫ ব্যাচের ১০ম ইফতার অনুষ্ঠিত
চৌদ্দগ্রাম হাইস্কুলের এসএসসি ২০১৫ ব্যাচের ১০ম ইফতার অনুষ্ঠিত
ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঢাবিতে হবে ঈদ র‌্যালি
ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঢাবিতে হবে ঈদ র‌্যালি
ঈদে হল খোলা রাখার দাবিতে রাবি শিক্ষার্থীদের অবস্থান, প্রশাসনের বাধা
ঈদে হল খোলা রাখার দাবিতে রাবি শিক্ষার্থীদের অবস্থান, প্রশাসনের বাধা
গোবিপ্রবি’তে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার
গোবিপ্রবি’তে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার
চাঁবিপ্রবিতে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন
চাঁবিপ্রবিতে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন
রাবিতে স্বাধীনতা দিবস পালন
রাবিতে স্বাধীনতা দিবস পালন
আর্থিক সংকটে বিশ্বমঞ্চে যেতে অনিশ্চয়তায় শাবির ‘সাইনটক’
আর্থিক সংকটে বিশ্বমঞ্চে যেতে অনিশ্চয়তায় শাবির ‘সাইনটক’
কুবিতে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপিত
কুবিতে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপিত
সর্বশেষ খবর
‌‌‘শিক্ষার্থীরা পাস করে চাকরির জন্য নেতাদের পেছনে ঘুরতে হবে না’
‌‌‘শিক্ষার্থীরা পাস করে চাকরির জন্য নেতাদের পেছনে ঘুরতে হবে না’

১ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

আগৈলঝাড়ায় বসুন্ধরা শুভসংঘের মাসব্যাপী মাদকবিরোধী প্রচারণা শুরু
আগৈলঝাড়ায় বসুন্ধরা শুভসংঘের মাসব্যাপী মাদকবিরোধী প্রচারণা শুরু

৩ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

বিএনপি নেতার বহিষ্কারের প্রতিবাদে বিক্ষোভ
বিএনপি নেতার বহিষ্কারের প্রতিবাদে বিক্ষোভ

৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মেঘনা-তিতাসে অষ্টমী গঙ্গাস্নানে উপচেপড়া ভিড়
মেঘনা-তিতাসে অষ্টমী গঙ্গাস্নানে উপচেপড়া ভিড়

১০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কসবায় যুবককে ডেকে নিয়ে হত্যার অভিযোগ
কসবায় যুবককে ডেকে নিয়ে হত্যার অভিযোগ

১৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সিলেটে টাকা ধার না দেওয়ায় যুবক খুন
সিলেটে টাকা ধার না দেওয়ায় যুবক খুন

২২ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

চট্টগ্রামে জেলেদের জালে মিলল বৃদ্ধার লাশ
চট্টগ্রামে জেলেদের জালে মিলল বৃদ্ধার লাশ

২৪ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মুন্সিগঞ্জে ধলেশ্বরী নদীর তীরে অষ্টমী স্নান উৎসব পালিত
মুন্সিগঞ্জে ধলেশ্বরী নদীর তীরে অষ্টমী স্নান উৎসব পালিত

২৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ছাত্র আন্দোলনে হত্যা মামলায় শ্রমিক লীগ নেতা গ্রেফতার
ছাত্র আন্দোলনে হত্যা মামলায় শ্রমিক লীগ নেতা গ্রেফতার

২৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

লাশের গন্ধে ভারী মিয়ানমারের সাগাইংয়ের বাতাস
লাশের গন্ধে ভারী মিয়ানমারের সাগাইংয়ের বাতাস

২৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাংকর আইল্যান্ড, যেখানে পাহাড় ও সমুদ্রের অসাধারণ মিতালি!
পাংকর আইল্যান্ড, যেখানে পাহাড় ও সমুদ্রের অসাধারণ মিতালি!

৩৩ মিনিট আগে | পরবাস

এই মেয়েরাই সামনের দিনেও আমাদের পথ দেখাবে (ভিডিও)
এই মেয়েরাই সামনের দিনেও আমাদের পথ দেখাবে (ভিডিও)

৩৫ মিনিট আগে | জাতীয়

চট্টগ্রামে বাসায় ঢুকে ডাকাতি, বাধা দেওয়ায় আহত ৮
চট্টগ্রামে বাসায় ঢুকে ডাকাতি, বাধা দেওয়ায় আহত ৮

৩৯ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন
ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন

৪৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চট্টগ্রামে দেড় কোটি টাকা মূল্যের স্বর্ণসহ গ্রেফতার ৫
চট্টগ্রামে দেড় কোটি টাকা মূল্যের স্বর্ণসহ গ্রেফতার ৫

৫৪ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

জয়পুরহাটে নৈশপ্রহরীদের বেঁধে রেখে ৪ দোকানে ডাকাতি
জয়পুরহাটে নৈশপ্রহরীদের বেঁধে রেখে ৪ দোকানে ডাকাতি

৫৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

থানা থেকে পালিয়েও শেষ রক্ষা হলো না তরুণের
থানা থেকে পালিয়েও শেষ রক্ষা হলো না তরুণের

৫৬ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

রংপুরে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে বলিভিয়ার জাতীয় ফুল হেলিকোনিয়া
রংপুরে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে বলিভিয়ার জাতীয় ফুল হেলিকোনিয়া

৫৮ মিনিট আগে | প্রকৃতি ও পরিবেশ

চুলা জ্বালানো নিয়ে সতর্ক করল তিতাস গ্যাস
চুলা জ্বালানো নিয়ে সতর্ক করল তিতাস গ্যাস

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

পদ্মা নদীতে বেড়াতে গিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু
পদ্মা নদীতে বেড়াতে গিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে
কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

অতিরিক্ত গরম ও হিটস্ট্রোক
অতিরিক্ত গরম ও হিটস্ট্রোক

১ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা
সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বায়ার্নের সঙ্গে মুলারের ২৫ বছরের সম্পর্ক ভাঙছে
বায়ার্নের সঙ্গে মুলারের ২৫ বছরের সম্পর্ক ভাঙছে

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশকে বন্ধু রাষ্ট্র ভেবে ভারতকে সামনে এগোতে হবে : এ্যানি
বাংলাদেশকে বন্ধু রাষ্ট্র ভেবে ভারতকে সামনে এগোতে হবে : এ্যানি

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাতক্ষীরায় ছোট ভাইয়ের হাতে বড় ভাই খুন
সাতক্ষীরায় ছোট ভাইয়ের হাতে বড় ভাই খুন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গ্রাস ম্যাট রফতানি শুরু করল আরএফএল
গ্রাস ম্যাট রফতানি শুরু করল আরএফএল

১ ঘণ্টা আগে | কর্পোরেট কর্নার

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৪ জন ঢামেকে
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৪ জন ঢামেকে

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি
আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জনবহুল রাজধানী এখনো ফাঁকা, নেই চিরচেনা যানজট
জনবহুল রাজধানী এখনো ফাঁকা, নেই চিরচেনা যানজট

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সর্বাধিক পঠিত
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

২১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি
আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

২০ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব
ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার
হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

১৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

১৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী
পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা
চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা

৮ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প
‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার
৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

২৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম
নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’
‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু
আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২
কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে
প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে

১৬ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

প্রিন্ট সর্বাধিক
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত
দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা

যৌথ পরিবারের গল্প
যৌথ পরিবারের গল্প

শনিবারের সকাল

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে