শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ১৬ মার্চ, ২০২৫ আপডেট: ০০:৪৭, রবিবার, ১৬ মার্চ, ২০২৫

বিশেষ সাক্ষাৎকার

সবাই নির্বাচিত সরকারের অপেক্ষায়

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী
প্রিন্ট ভার্সন
সবাই নির্বাচিত সরকারের অপেক্ষায়
জনগণের প্রতি যাদের আস্থা নেই- তাদের তো রাজনীতি করাই উচিত নয়। এটা তো একটা সম্পূর্ণ অগণতান্ত্রিক, অরাজনৈতিক প্রক্রিয়া। কে কাকে ঠেকাতে হবে, কে কাকে মাইনাস করতে হবে- এগুলো যারা করতে চায়- তাদের রাজনীতি করাই উচিত নয়...

 

বিএনপির স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ব্যবসায়ী, পেশাজীবী, রাজনৈতিক নেতা-কর্মীসহ সর্বস্তরের মানুষই এখন অপেক্ষা করছেন একটা অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত সরকারের জন্য। এ ছাড়া কোনো ক্ষেত্রেই শর্টটার্ম, মিডটার্ম কিংবা লংটার্ম কোনো সিদ্ধান্ত কেউ নিতে পারছেন না। বিশেষ করে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীরা সবচেয়ে বেশি অপেক্ষা করছেন। নির্বাচিত সরকার না থাকায় তারা বিনিয়োগের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না। নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই দেশের গণতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পাবে। সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন- শফিউল আলম দোলন।

 

বাংলাদেশ প্রতিদিন : বর্তমানে দেশের সার্বিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি কেমন?

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী : ১৬ বছর ধরে দেশের মানুষ আন্দোলন-সংগ্রাম করেছে- তাদের অধিকার আদায়ের জন্য। তাদের সাংবিধানিক রাজনীতিক, গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের জন্য। সুতরাং জনগণ অপেক্ষা করছে একটা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ফিরে যাওয়ার জন্য। আর সেটা একটা অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে একটি নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পাবে। দেশের সমগ্র জনগণ এখন সেটার অপেক্ষায় আছে। আর দেশের অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও একই অবস্থা বিরাজ করছে। দেশের এবং দেশের বাইরের সব বিনিয়োগকারী অপেক্ষা করছেন একটা নির্বাচিত সরকারের জন্য। নির্বাচিত সরকার এলে তারা একটা শর্টটার্ম, মিডটার্ম, লংটার্ম সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। এসবের ক্ষেত্রে শুধু পুলিশ আর প্রশাসন দিয়ে হয় না। আমি কাউকে দোষারোপ করছি না। এসবের ক্ষেত্রে একটা রাজনৈতিক সমর্থন লাগে। রাজনৈতিক মবিলাইজেশন ক্যাপাসিটি প্রয়োজন হয়। নইলে ব্যবসায়ীরা কিংবা দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীরা সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না। জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারের ওপর তাদের আস্থাটা থাকে সুদৃঢ়। ফলে নির্বাচিত সরকারের পক্ষেই সেটা সম্ভব।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য কেমন চলছে এবং ব্যবসায়ীরা কেমন আছেন?

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী : ব্যবসায়ীদের অবস্থা তো ভালো না। কারণ ওই একটাই। ব্যবসায়ীরা তো পুঁজি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে শর্টটার্ম কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না। আর শর্টটার্ম, মিডটার্ম, লংটার্ম ইস্যুগুলোতে সিদ্ধান্ত নিতে গেলেই প্রয়োজন একটি নির্বাচিত রাজনৈতিক সরকার। সুতরাং তারাও সবাই অপেক্ষায় আছেন জনগণের ভোটে নির্বাচিত একটা সরকারের জন্য। তবে এ সময়ের মধ্যে অন্তর্বর্তী সরকার সাময়িকভাবে শর্টটার্ম কোনো উদ্যোগ নিতে পারে। কিন্তু শর্টটার্মের এই সিদ্ধান্ত তো কোনো সমাধান নয়। সমাধানের জন্য লংটার্ম ইস্যুগুলোর সমাধান করতে হবে। আর সেজন্যই দরকার একটা নির্বাচিত সরকার। ব্যবসায়ীরা সেই অপেক্ষায় আছেন। ব্যাংকগুলোর অবস্থা অত্যন্ত খারাপ। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। কোনো ভালো ব্যবসায়ীর জন্য এটা কোনো পারফেক্ট পরিবেশ হতে পারে না। তাদের অর্থনৈতিক যে পরিবেশ দরকার সেটা তো তারা পাচ্ছেন না। ইন্টেরিম গভর্নমেন্ট ইন্টেরিম গভর্নমেন্টই। তাদের তো সব ক্ষেত্রেই একটা সীমাবদ্ধতা আছে। ইচ্ছে করলেই তো আর তারা যে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। তা ছাড়া ব্যবসায়ী বিনিয়োগকারী বলেন- তাদেরও একটা আস্থার বিষয় রয়েছে। আমি তাদের কোনো দোষারোপ করতে চাই না। তবে তাদের যেটা করা উচিত- সেটা হলো ইমিডিয়েট একটা নির্বাচন দিয়ে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব নির্বাচিত সরকারের হাতে দায়িত্ব হস্তান্তর করা। তাতে অর্থনীতি বা রাজনৈতিক ক্ষেত্রে তাড়াতাড়িই একটা সমাধান আসবে।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : জাতীয় সংসদ নির্বাচন কবে নাগাদ হতে পারে? আপনার মতে- নির্বাচনের কোনো টাইমফ্রেম আছে?

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী : আগামী ডিসেম্বরের কথা তো বলাই হয়েছে। এরপরও যত তাড়াতাড়ি সম্ভব, ততই ভালো। কারণ সব কিছুই তো একটা অনিশ্চয়তার (ফ্লুইড সিচুয়েশন) মধ্যে রয়েছে। নির্বাচনের কথা তো শুধু মুখে বললেই হবে না। এটার একটা পরিষ্কার রোডম্যাপও থাকতে হবে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন,বাংলাদেশ প্রতিদিন : নির্বাচনের পর বিএনপি ঐকমত্যের ভিত্তিতে জাতীয় সরকার গঠনের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছে। এটি ঠিক আছে কিনা?

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী : ঠিক না থাকার কোনো কারণ নেই। বিএনপি তো মোনাফেকের দল নয়। বিএনপি যা কথা দেয়- তা-ই বাস্তবায়ন করে থাকে। আমরা যেসব দল মিলে একসাথে আন্দোলন করেছি- তারা সবাই মিলে ৩১ দফা ঘোষণা করেছি। নির্বাচনের পর সবাই মিলে ঐকমত্যের জাতীয় সরকার গঠনের মাধ্যমে এই ৩১ দফা বাস্তবায়ন করব।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : যাদের সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলন করেছিলেন, তাদের কেউ ডিগবাজি দিয়েছেন?

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী : তারা সবাই ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে যার যার মতো কাজ করে যাচ্ছেন। ডিগবাজি কেউ খাননি। আর ডিগবাজি খেলে তো যে খাবে- তারই ক্ষতি হবে। আমাদের কিংবা দেশের তো কোনো ক্ষতি হবে না। অতীতে যারাই এ ধরনের ডিগবাজি খেয়েছে-তারাই নিজেদের অস্তিত্ব হারিয়েছে।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : সরকারের একজন উপদেষ্টা বলেছেন, অন্যায় না করলে- মাফ চাইলেই আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন, আপনি কী মনে করেন? গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা উচিত কিনা?

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী : ওটা তাঁর ব্যক্তিগত মতামত। তিনি তার নিজের মতামত প্রকাশ করেছেন, জনগণ বিবেচনা করবে। এতে আমার তো বলার কিছু নেই। একেক জন একেক সময় একেক ধরনের কথাবার্তা বলছেন। এটা হবে এটা হবে না। এ ধরনের কথাবার্তা বলার অধিকার তাদের কে দিয়েছে? তারা কি জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে ক্ষমতায় বসেছেন? নিজ দায়িত্বে এসব কথা বলছেন। কাজেই এসব প্রশ্নের উত্তর তারা নিজেরাই দেবেন।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : জাতীয় নির্বাচনের জন্য আপনার দলসহ রাজনৈতিক দলগুলো কতটা প্রস্তুত? অন্তর্র্বর্তী সরকারের স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন উচিত হবে কিনা?

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী : বিএনপি বহুদলীয় গণতন্ত্রের দল। আমাদের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান সাহেব তো বলেই গেছেন যে- জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস। কাজেই জনগণের ওপর আস্থা রেখে বিএনপি সব সময়ই নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত। আর আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের কথা যারা বলে- তাদের এসব কথা বলার অধিকার কে দিয়েছে। এই সরকারের একমাত্র দায়িত্ব হচ্ছে- একটি জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে দেশকে একটা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নিয়ে যাওয়া।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : পুলিশ বাহিনী, বিচার ব্যবস্থা, নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রম সন্তোষজনক কিনা?

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী : বিচার ব্যবস্থা এবং নির্বাচন কমিশনের তো কিছুটা উন্নতি হয়েছেই। তবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। এসব কিছুর উন্নয়নের জন্য যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচিত সরকারের দায়িত্ব গ্রহণ প্রয়োজন।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : জাতীয় নির্বাচন নিয়ে কোনো রকমের অনিশ্চয়তা আছে কিনা? কোনো ষড়যন্ত্র আছে বলে মনে করেন কিনা?

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী : একটা মুক্ত পরিবেশে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্যই দেশের মানুষ দীর্ঘ ১৫-১৬ বছর ধরে আন্দোলন সংগ্রাম করেছে। ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা যেভাবে তিনটি নির্বাচন করে ক্ষমতা ধরে রেখেছিলেন সেভাবে যদি আবারো কেউ ক্ষমতা ধরে রাখতে চায় তবে- জনগণ এটা কখনোই মেনে নেবে না। বরং তাদেরও একই রকমের দায়-দায়িত্ব নিয়ে বিদায় নিতে হবে।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : আনুপাতিক হার পদ্ধতিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন চায় জামায়াতে ইসলামী। এ বিষয়ে আপনার দল একমত কিনা?

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী : এই মুহূর্তে আনুপাতিক হার পদ্ধতিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তো প্রশ্নই আসে না। তবে পরবর্তীতে যদি কেউ চায় তবে- তাদের এজন্য জনগণের কাছে যেতে হবে। যার যত ধরনের দাবি আছে সবাইকে জনগণের কাছেই যেতে হবে।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : বিএনপির জাতীয় কাউন্সিল কবে নাগাদ হবে? ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফিরছেন কবে?

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী : প্রস্তুতি সম্পন্ন হওয়ার পরেই জাতীয় কাউন্সিল হবে। আর সময় হলেই ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেশে ফিরবেন।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : যে মহল মাইনাস টু করতে চেয়েছিল- তারা এবার মাইনাস বিএনপি এজেন্ডা নিয়ে তৎপর- বিষয়টি কীভাবে দেখছেন।

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী : যখনই যারা মাইনাস করতে চেয়েছে- তখনই তাদের বিদায় নিতে হয়েছে। ওয়ান-ইলেভেনের সময় যারা করেছিল- তারা দেশে আছে? তারাও গেছে। এরপর শেখ হাসিনা করেছে- সে দেশে আছে? জনগণের প্রতি যাদের আস্থা নেই- তাদের তো রাজনীতি করাই উচিত নয়। এটা তো একটা সম্পূর্ণ অগণতান্ত্রিক, অরাজনৈতিক প্রক্রিয়া। কে কাকে ঠেকাতে হবে, কে কাকে মাইনাস করতে হবে- এগুলো যারা করতে চায়- তাদের রাজনীতি করাই উচিত নয়। রাজনীতি করার অধিকার তাদের নেই। রাজনৈতিক প্রক্রিয়া হলো- সবার জন্য লেভেল প্লেয়িং গ্রাউন্ড। সেখানে জনগণ সিদ্ধান্ত নেবে কাকে গ্রহণ করবে কিংবা দায়িত্ব দেবে। সুতরাং এ ধরনের মাইনাস করার অরাজনৈতিক মানসিকতা যাদের মধ্যে আছে- তাদের রাজনীতি থেকেই বিদায় নিতে হবে। 

বাংলাদেশ প্রতিদিন : বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করেছেন?

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী : ১৫-১৬ বছর ধরে আমরা আন্দোলন করে আসছি একটা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য। এখানে রাজনৈতিক দল গঠন অস্বাভাবিক কিছু নয়। আমরা এটাকে স্বাগত জানাই। এর আগেও ছাত্রদের দ্বারা আরও দুটো রাজনৈতিক দল গঠিত হয়েছে। এর পরেও হয়তো আরও হবে। তাদেরও স্বাগত জানাব। তবে আস্থা রাখতে হবে জনগণের ওপর। এটা না হলেই সমস্যা।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : এ দলকে অনেকে কিংস পার্টি মনে করছে- আপনি কীভাবে দেখছেন?

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী : তারা কেমন সে জনগণই তখন বিচার করবে। যে দল যেমন কাজ করবে, দেশের জনগণ তাদের সেভাবেই ট্রিট করবে। যে যেমন কাজ করবে সে রকমই ফল পাবে। এতে আমার মন্তব্য করার কিছুই নেই।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : আমাদেরকে সময় দেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী : আপনাকেও ধন্যবাদ।

এই বিভাগের আরও খবর
জুলাই অভ্যুত্থানের অনুদ্‌ঘাটিত চিত্র
জুলাই অভ্যুত্থানের অনুদ্‌ঘাটিত চিত্র
সাহিত্য ও সাংবাদিকতার আন্তসম্পর্ক
সাহিত্য ও সাংবাদিকতার আন্তসম্পর্ক
সংবাদমাধ্যম টিকিয়ে রাখতে হবে গণতন্ত্রের স্বার্থে
সংবাদমাধ্যম টিকিয়ে রাখতে হবে গণতন্ত্রের স্বার্থে
মানব জাতির টিকে থাকার ইশতেহার
মানব জাতির টিকে থাকার ইশতেহার
আইনের ফাঁকফোকর
আইনের ফাঁকফোকর
আওয়ামী ফ্যাসিজমের কবলে আমি
আওয়ামী ফ্যাসিজমের কবলে আমি
শিক্ষার সংস্কৃতি কেন গুরুত্বপূর্ণ
শিক্ষার সংস্কৃতি কেন গুরুত্বপূর্ণ
সর্বশেষ খবর
শুধু মানুষের নয়, বানরও অর্থবহ ভাষা তৈরি করতে সক্ষম : গবেষণা
শুধু মানুষের নয়, বানরও অর্থবহ ভাষা তৈরি করতে সক্ষম : গবেষণা

১ মিনিট আগে | পাঁচফোড়ন

শুল্ক ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করবেন প্রধান উপদেষ্টা
শুল্ক ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করবেন প্রধান উপদেষ্টা

২ মিনিট আগে | বাণিজ্য

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি

৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এ বছরের মধ্যে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক
এ বছরের মধ্যে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক

৯ মিনিট আগে | রাজনীতি

ভারতে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসে খেলাফত মজলিসের উদ্বেগ
ভারতে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসে খেলাফত মজলিসের উদ্বেগ

১৩ মিনিট আগে | রাজনীতি

‌‘দেশে ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য আন্দোলন সংগ্রাম করেছি’
‌‘দেশে ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য আন্দোলন সংগ্রাম করেছি’

১৫ মিনিট আগে | রাজনীতি

শান্তি আলোচনায় সময় ফুরিয়ে আসছে, রাশিয়াকে হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের
শান্তি আলোচনায় সময় ফুরিয়ে আসছে, রাশিয়াকে হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের

১৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র-কানাডার শিক্ষার্থীদের জন্য চ্যাটজিপিটি প্লাস ফ্রি, চলবে মে মাস পর্যন্ত
যুক্তরাষ্ট্র-কানাডার শিক্ষার্থীদের জন্য চ্যাটজিপিটি প্লাস ফ্রি, চলবে মে মাস পর্যন্ত

২৮ মিনিট আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বদরগঞ্জে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৪০
বদরগঞ্জে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৪০

৩৩ মিনিট আগে | নগর জীবন

মাঠজুড়ে সূর্যমুখী ফুলের সমারোহ
মাঠজুড়ে সূর্যমুখী ফুলের সমারোহ

৪৫ মিনিট আগে | প্রকৃতি ও পরিবেশ

ভুরুঙ্গামারীতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার
ভুরুঙ্গামারীতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার

৫৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বাকৃবিতে উন্নত জাতের টমেটোর জাত উদ্ভাবন
বাকৃবিতে উন্নত জাতের টমেটোর জাত উদ্ভাবন

১ ঘণ্টা আগে | প্রকৃতি ও পরিবেশ

১২ এপ্রিল নিউইয়র্কে ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’
১২ এপ্রিল নিউইয়র্কে ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’

১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

টাঙ্গাইলে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন
টাঙ্গাইলে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাওনা টাকা চাওয়ায় হামলা, ঘটনার ৪ দিন পর যুবকের মৃত্যু
পাওনা টাকা চাওয়ায় হামলা, ঘটনার ৪ দিন পর যুবকের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সিলেটে ৯ দিনে ২৮৭ নরমাল ডেলিভারি
সিলেটে ৯ দিনে ২৮৭ নরমাল ডেলিভারি

১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

মহাকাশ থেকে পৃথিবীতে পড়েছে ১২০০ বস্তুর ধ্বংসাবশেষ
মহাকাশ থেকে পৃথিবীতে পড়েছে ১২০০ বস্তুর ধ্বংসাবশেষ

১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি
ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শরীরে একাধিক কোপ, ডোবা থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার
শরীরে একাধিক কোপ, ডোবা থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অক্টোবরেই অচল ২৪ কোটি কম্পিউটার, বিকল্প কী?
অক্টোবরেই অচল ২৪ কোটি কম্পিউটার, বিকল্প কী?

১ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

যৌন হেনস্তার অভিযোগে ‘স্কুইড গেম’ তারকার সাজা
যৌন হেনস্তার অভিযোগে ‘স্কুইড গেম’ তারকার সাজা

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

চাঁদপুরে ৬৪ যানবাহনে তল্লাশি ও জরিমানা
চাঁদপুরে ৬৪ যানবাহনে তল্লাশি ও জরিমানা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে যেসব সিদ্ধান্ত গৃহীত
বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে যেসব সিদ্ধান্ত গৃহীত

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষাব্যবস্থাকে মানসম্মত করতে হবে’
‘পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষাব্যবস্থাকে মানসম্মত করতে হবে’

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রফতানি আরও বাড়বে, কমবে না: প্রেস সচিব
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রফতানি আরও বাড়বে, কমবে না: প্রেস সচিব

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সিআরবিতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান
সিআরবিতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে মধ্যরাতের মধ্যে ঝড়ের আভাস
ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে মধ্যরাতের মধ্যে ঝড়ের আভাস

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মুক্তাগাছায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১
মুক্তাগাছায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বরিশালে ডোবা থেকে অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার
বরিশালে ডোবা থেকে অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

কালীগঞ্জে রেল ব্রিজের নিচ থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার
কালীগঞ্জে রেল ব্রিজের নিচ থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি
আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব
ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা
সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার
হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন
ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প
‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী
পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম
নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে
কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা
চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা

১১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার
লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার
৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি
হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি

৫ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে
প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে

১৯ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু
আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার
প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার

৭ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা
আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা
পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা
ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত
দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

যৌথ পরিবারের গল্প
যৌথ পরিবারের গল্প

শনিবারের সকাল

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে