শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ১৬ মার্চ, ২০২৫ আপডেট: ০০:৪৮, রবিবার, ১৬ মার্চ, ২০২৫

সংবাদমাধ্যম টিকিয়ে রাখতে হবে গণতন্ত্রের স্বার্থে

শিমুল মাহমুদ
প্রিন্ট ভার্সন
সংবাদমাধ্যম টিকিয়ে রাখতে হবে গণতন্ত্রের স্বার্থে

সংবাদপত্রের দায়বদ্ধতা মানুষের প্রতি, সমাজের প্রতি, দেশ ও রাষ্ট্রের প্রতি। সেই দায়বদ্ধতা থেকেই প্রায় ৪০০ বছরের বেশি সময় টিকে থাকা সংবাদপত্র হারিয়ে যাবে না। তার রূপান্তর ঘটছে নানা বাস্তবতায়...

 

গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে পরিচিত সংবাদপত্র এখন সবচেয়ে বেশি বৈষম্য ও বিভাজনের শিকার। সংবাদপত্রকে সবাই নিজেদের পক্ষে রাখতে চায়। নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে চায়। ফলে, বাংলাদেশে সংবাদপত্র স্বাধীনভাবে বিকশিত হতে পারছে না। সরকার সব সময় চায় সংবাদপত্র তার অকুণ্ঠ প্রশংসা করুক। তারা সরকারের বা সরকারি দলের কোনো সমালোচনা বা ভুলত্রুটি সংবাদমাধ্যমে দেখতে চায় না। এই অনীহার কারণে যে সমালোচনা কিংবা সত্য সংবাদ থেকে সরকার উপকৃত হতে পারত, সেটা তারা পারে না। সংবাদপত্র সরকারের তৃতীয় নয়ন হিসেবে বড় ভূমিকা রাখতে পারে। সরকারের প্রতিকারের চোখ যেখানে যায় না সেখানে সংবাদপত্র সরকারের হয়ে তা দেখিয়ে দিতে পারে, যদি সরকার দেখতে চায়। কিন্তু আমাদের সরকারগুলো সংবাদপত্রকে উপেক্ষা করতেই পছন্দ করে। তারা মনে করে, সরকারের অনিয়ম, দুর্নীতি খবরের পাতায় যত কম আসে ততই ভালো। আসলে তা সত্য নয়। অনিয়মের খবর পত্রিকায় এলে সরকার ব্যবস্থা নিতে পারে। প্রতিকার করতে পারে- যদি তারা চায়। অনিয়মের বিরুদ্ধে অ্যাকশন হলে সরকারের ভাবমূর্তি, গ্রহণযোগ্যতা বাড়ে। মানুষ সরকারের প্রতি আস্থাশীল হয়।

গত বছর জুলাই বিপ্লবে ছাত্র-জনতার আন্দোলনকালে বড় প্রতিপক্ষ হিসেবে চিহ্নিত করা হয় মিডিয়াকে। ঢালাওভাবে প্রায় সব মিডিয়াকে স্বৈরাচারের দোসর ট্যাগ লাগিয়ে পথে পথে আটক ও সংবাদকর্মী বহনকারী গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। সংবাদমাধ্যমকে চাপে ফেলা, নিয়ন্ত্রণে রাখার কৌশল কখনো ভালো ফল বয়ে আনে না। সংবাদমাধ্যম হলো সমাজের প্রতিবিম্ব। তাকে ভয়-তরাসের মধ্যে রেখে সমাজের চিত্রটা বদলানো যাবে না। তাকে আমলে নিয়েই সমাজ বদলের দায়িত্ব নিতে হবে। মিডিয়াকে পর্যুদস্ত করে সমাজ একা একা এগিয়ে যেতে পারবে না। মিডিয়ার বড় শক্তি হচ্ছে তার বস্তুনিষ্ঠতা। তার গ্রহণযোগ্যতা নির্ভর করে বস্তুনিষ্ঠতার ওপর। সেই বস্তুনিষ্ঠতা অর্জনের জন্য মিডিয়াকে ভয়হীন আস্থার পরিবেশ দিতে হবে। সংবাদমাধ্যম টিকিয়ে রাখতে হবে গণতন্ত্রের স্বার্থে। সংবাদমাধ্যম টিকে থাকলে গণতন্ত্র বিকশিত হবে। দেশ ও সমাজ এগিয়ে যাবে।

প্রিন্ট মিডিয়া হচ্ছে কালের সাক্ষী। অনলাইনে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করার পরই প্রয়োজনে সেটি তুলে ফেলা যায়। চাপে পড়ে বা প্রয়োজনে সেটির অস্তিত্ব বিলোপ করা যায়। প্রিন্ট মিডিয়ার ক্ষেত্রে সেরকম কোনো সুযোগ নেই। একবার কোনো কিছু ছাপা হয়ে গেলে সেটা মহাকালের সাক্ষী হিসেবে গণ্য হয়ে যায়। কোনো কিছু ভুল হলে সেটা কেবল পরের দিনের পত্রিকায় আলাদাভাবে সংশোধনী দিয়েই ছাপতে হয়। তাই ছাপা পত্রিকার ঐতিহাসিক গুরুত্ব অপরিসীম।

মূলধারার সেই ছাপা পত্রিকার নির্ভরতা এখন কিছুটা কমে গেলেও সৎ সাংবাদিকতা দিয়েই সেই গৌরবময় দিনগুলো ফিরিয়ে আনতে হবে। এখনো বিপুলসংখ্যক মানুষ পত্রিকার পাতায় চোখ বুলিয়ে প্রকৃত সত্যটা জানতে চায়। ক্ষমতার দম্ভে যারা পত্রিকার বিকাশ স্তব্ধ করে দিতে চান, তারাও শেষ পর্যন্ত পত্রিকার ওপর নির্ভর করেন। দিনভর গুজব- প্রোপাগান্ডার পর ছাপা পত্রিকার খবরের ওপরই আস্থা রাখতে চান।

সামাজিক মাধ্যমের বিস্তৃতির এই সময়ে গুজব হয়ে উঠছে সংবাদমাধ্যমের বড় প্রতিপক্ষ। রাজনৈতিক স্বার্থে গুজব ছড়িয়ে ফায়দা লোটার প্রবণতা বাড়ছে। গুজব হয়ে উঠেছে অপ্রতিরোধ্য। দীর্ঘকাল থেকে আমরা শুনে এসেছি, গুজবে কান দেবেন না। দেয়ালেরও কান আছে-শব্দগুচ্ছ। যে তথ্য বানানো, যে তথ্য মিথ্যা ও ভিত্তিহীন- সেটাই গুজব। দেয়ালেরও কান আছে- বলতে বোঝানো হয়, সর্বভেদী-সর্ববাধা ভেদ করে অপতথ্য অতি দ্রুত অনেক মানুষের কাছে পৌঁছে যায়। সেই গুজব ঠেকাতে পারছে না রাষ্ট্র ও সমাজ। সেই গুজবে ভর করে সামাজিক বিশৃঙ্খলা ছড়িয়ে পড়ছে। গুজবের ফলে ধর্মীয় সহিংসতা, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা লাগছে। নষ্ট হচ্ছে সামাজিক স্থিতিশীলতা।

সংবাদপত্রের দায়বদ্ধতা মানুষের প্রতি, সমাজের প্রতি, দেশ ও রাষ্ট্রের প্রতিবাংলাদেশে এবং বিশ্বব্যাপী ২০২০ সালে করোনা সংক্রমণ শুরুর পর অনেকেই ছাপা পত্রিকা ছেড়ে অনলাইন এবং বিভিন্ন ইলেকট্রনিক মাধ্যম থেকে সংবাদ পড়তে অভ্যস্ত হয়ে পড়েন। তবে যিনি যে মাধ্যম থেকেই সংবাদ পড়ুন না কেন, শেষ পর্যন্ত সংবাদের সত্যতা সম্পর্কে পাঠক এখনো ছাপা কাগজকেই আস্থায় রাখছেন। ছাপা কাগজের প্রতি পাঠকের আগ্রহ, আস্থা শেষ হবে না। এ জন্য নিরপেক্ষ, বস্তুনিষ্ঠ এবং সুসাংবাদিকতার গুরুত্ব অপরিসীম। মানুষ এখন ডিজিটাল মাধ্যমে খবর পড়তে অভ্যস্ত হয়ে উঠছে। এ পরিস্থিতিতে ছাপা কাগজকে আবার আগের জায়গায় ফিরিয়ে নেওয়া কঠিন। আশার কথা, মানুষ এখনো সারা দিন ডিজিটাল মাধ্যমে যে সংবাদগুলো পান, তার সত্যতা নিশ্চিত হতে পরদিন সকালে ছাপা কাগজেই চোখ রাখেন। পাঠকের এই আস্থাই ছাপা কাগজের প্রধান শক্তি। সেই শক্তির জোরেই ছাপা কাগজ সংকট অতিক্রম করে টিকে থাকবে। তবে এজন্য সংবাদের বস্তুনিষ্ঠতা বজায় রেখে ও গুণগত মান বাড়িয়ে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা করতে হবে। সত্য প্রকাশে থাকতে হবে আপসহীন ভূমিকা।

মানুষ সংবাদপত্রের কাছে বস্তুনিষ্ঠ খবর প্রত্যাশা করে। তারা অবিকৃত মূল ঘটনা জানতে চায়। ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ সে নিজেই করতে পারে। যেসব মিডিয়া মানুষের সেই প্রত্যাশা পূরণ করতে পারে সেগুলোই এখনো পাঠকের আস্থার জায়গায় রয়ে গেছে। প্রচার সংখ্যা ধরে রাখতে পত্রিকাগুলো এখন নানারকম কৌশল নিচ্ছে। পাঠকের লেখা বেশি করে ছাপা হচ্ছে। নানা অসিলায় তাদের পুরস্কৃত করছে। নানা কর্মসূচির মাধ্যমে পাঠককে সম্পৃক্ত করা হচ্ছে।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সাধারণ মানুষ সবচেয়ে বেশি ভোগে সরকারি সেবা পেতে, থানা-পুলিশের কাছে। জায়গা-জমির কাজে। এসব নিয়ে, সরকারি অনিয়ম-দুর্নীতি নিয়ে খবর প্রকাশ হলে তা পাঠকের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়ে ওঠে। সংবাদপত্রের কাছে মানুষ নিজেদের স্বার্থের খবর দেখতে চায়। নিজেদের আগ্রহের বিষয়ে প্রতিবেদন চায় সংবাদপত্রের পাতায়। নতুন প্রজন্মের মধ্যে পত্রিকা পড়ার আগ্রহ কম। বয়স্ক পাঠকরাই মূলত পত্রিকা পড়েন। পত্রিকার প্রচার সংখ্যা বাড়াতে হলে তরুণ প্রজন্মের পাঠকদের আগ্রহী করতে হবে। রাজনীতি, দুর্নীতি, অনিয়মের সংবাদের পাশাপাশি মানুষের নতুন উদ্যোগ, উদ্যম, ইতিবাচক ঘটনা, সম্ভাবনার দিকগুলোকেও গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরতে হবে। তরুণ প্রজন্মই আমাদের ভবিষ্যৎ। নানা উদ্যোগের মাধ্যমে আরও ব্যাপকভাবে তাদের কাছে যেতে হবে। তারুণ্যের আগ্রহের বিষয়গুলো তুলে আনতে হবে পত্রিকার পাতায়।

বিশ্বব্যাপী ছাপা পত্রিকার দুঃসময় চলছে এখন। বিশ্বের অনেক বড় বড় পত্রিকা মুদ্রিত সংস্করণ বন্ধ করে দিয়ে শুধু অনলাইন সংস্করণ চালু রেখেছে। আমাদের মতো তৃতীয় বিশ্বের দেশেও এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। ২০১৯-২০২০ সালের করোনা মহামারির পর ছাপা পত্রিকার পাঠক দ্রুত কমতে থাকে। সেই বিপর্যয়ের ধাক্কা এখনো সামলে ওঠা যায়নি। 

তথ্যপ্রযুক্তির ওপর মানুষ যত বেশি নির্ভরশীল হচ্ছে, তত বেশি কমছে কাগজে ছাপা ডকুমেন্টের প্রতি তার নির্ভরশীলতা। এরই ধারাবাহিকতায় অনেক করপোরেট প্রতিষ্ঠান পেপারলেস বা কাগজমুক্ত অফিস বাস্তবায়ন করেছে। এসব প্রতিষ্ঠানের সব কাজই হচ্ছে কম্পিউটারে, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায়। এর ফলে ছোট ছোট ডিভাইসেই সংরক্ষণ করা যাচ্ছে শত বছরের বিপুল পরিমাণ ডাটা ও ডকুমেন্ট। এতে একদিকে কাগজের খরচ বাঁচে, তেমনি অফিস স্পেস ও কাগজের জঞ্জালের হাত থেকেও মুক্তি পাওয়া যাচ্ছে।

বর্তমান বাস্তবতায় কাগজে ছাপা সংবাদপত্রের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ মনে করা হয় মোবাইল ফোন। প্রায় ১৬ কোটি মানুষের দেশে এখন ১০ কোটির বেশি মানুষ মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন। তাদের মধ্যে অন্তত অর্ধেকে মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। এসব ব্যবহারকারী মোবাইল ফোনে প্রতি মুহূর্তেই খবর জানতে পারছেন। তারা খবরের জন্য বাসায় উচ্চমূল্যের কাগজে ছাপা পত্রিকা রাখবেন, সেটা যৌক্তিক নয়। তারপর ছাপা প্রচারমাধ্যম বাংলাদেশে এখনো গুরুত্বপূর্ণ। সংবাদ, কোনো ঘটনা বা বিশ্লেষণের সত্যতা যাচাই করতে মানুষ আজও ছাপা পত্রিকার ওপরই নির্ভর করে। ইন্টারনেটে প্রতিনিয়ত সংবাদ হালনাগাদ হতে থাকে, ব্রেকিং নিউজ আসতে থাকে। সংবাদ যখন পত্রিকায় ছাপা হয়, তখন তা আরও বেশি গ্রহণযোগ্য হয়ে ওঠে। পক্ষান্তরে, হাতেগোনা কিছু অনলাইন সংবাদপত্র নিজেদের বস্তুনিষ্ঠতা প্রমাণ করতে পারলেও অখ্যাত সব অনলাইন বানোয়াট আর উত্তেজনা সৃষ্টিকারী ভুয়া খবর দিয়ে পাঠকদের বিভ্রান্ত করছে।

বাস্তবতা হচ্ছে, ডিজিটাল বই/পত্রিকা পাঠের আনন্দ কম। একটানা কয়েক ঘণ্টা কাগজের বই বা পত্রিকা পড়া সম্ভব। কিন্তু একটানা এক ঘণ্টা মোবাইল ফোন বা ল্যাপটপের স্ক্রিনে তাকিয়ে থাকা বেশ কষ্টকর। পাঠকের কথা বিবেচনা করেই হয়তো মুদ্রিত পত্রিকা ও বই টিকে থাকবে। মনে রাখতে হবে, সংবাদপত্রের কয়েকটি স্বীকৃত ভূমিকা আছে। সংবাদপত্রকে বলা হয়, একটি দেশের সভ্যতার স্মারক। একটি সভ্য জাতি প্রতিদিন নিজেদের মধ্যে যেসব কথোপকথন করে, প্রশ্ন তোলে এবং তার উত্তর অন্বেষণ করে, যেগুলোর প্রতিফলন সংবাদপত্রে পড়ে, একটি দেশের সংস্কৃতি ও গণতন্ত্র কতটা শক্তিশালী, তারও একটা প্রতিচ্ছবি সংবাদপত্র।

সংবাদপত্র এখন আর সস্তা কোনো পণ্য নয়। কাগজ, কালি, ছাপা খরচ, পরিচালনা ব্যয় মিলিয়ে বিপুল ব্যয়ের প্রতিষ্ঠান হচ্ছে সংবাদপত্র। প্রতি কপি সংবাদপত্র এখন ১০ থেকে ১৫ টাকায় কিনতে হচ্ছে। যদিও তার উৎপাদন ব্যয় আরও অনেক বেশি। যারা নিয়মিত বাসায় পত্রিকা রাখেন তাদের মাসে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা বিল গুনতে হয়। তারপরও ছাপা পত্রিকা কিনে পড়ছে মানুষ। এটা এখনো আশাবাদের কথা।

বাংলাদেশ এখন একটি শক্তিশালী অর্থনীতির দেশ। জাতীয় উন্নয়ন-অগ্রগতির পথ ধরেই সংবাদপত্র টিকিয়ে রাখতে হবে। টিকে থাকার লড়াইয়ে সংবাদপত্র তার বিকাশের ক্ষেত্র পুনর্মূল্যায়ন করছে। তথ্যপ্রযুক্তি বিকাশের এই সময়ে সংবাদপত্রের ডিজিটাল রূপান্তর ঘটছে। ছাপা সংবাদপত্রের বিজ্ঞাপনের আয় কমে গেলেও এখন সংবাদপত্রের অনলাইন সংস্করণ আয়ের একটি অন্যতম মাধ্যম। এ ছাড়া ইউটিউবকেন্দ্রিক ডিজিটাল সংস্করণ হালে সংবাদপত্রের আয়ের পৃথক পথ খুলে দিয়েছে। সব মিলিয়ে সংবাদপত্র টিকে থাকার সংগ্রাম অব্যাহত আছে। 

এই সময়ে সংবাদপত্র টিকে আছে নানা প্রতিকূলতার সঙ্গে সংগ্রাম করে। নানা বিধিনিষেধ, আইনি প্রতিবন্ধকতা, স্ব-আরোপিত সেন্সরশিপ, সরকারের উপেক্ষা, বিজ্ঞাপনের বৈষম্য, রাজনৈতিক দলের ট্যাগ লাগানো, বিভিন্ন মতাদর্শের কোপানলে পড়া প্রভৃতি। এর সঙ্গে আছে কাগজ, কালি ও অন্যান্য অনুষঙ্গের মূল্যবৃদ্ধি অথবা দু®প্রাপ্যতা। সব প্রতিকূলতা নিয়েই সংবাদপত্রকে এগোতে হচ্ছে। এসব প্রতিকূলতার মধ্যেও সংবাদপত্রের সংখ্যা বেড়েছে। যদিও এর কাক্সিক্ষত মান অর্জিত হয়নি। তারপরও সংবাদপত্রের গ্রহণযোগ্যতা কোনো কোনো ক্ষেত্রে বেড়েছে বলা যায়। তবে একে আরও ব্যাপক ও টেকসই করার সুযোগ রয়েছে। তা ছাড়া দৃশ্যমাধ্যমের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে এখনো যেসব সংবাদপত্র টিকে আছে সেটি আশাব্যঞ্জক।

সাংবাদিকদের চাকরির অনিশ্চয়তা আছে, বেতন-ভাতার অপ্রতুলতা তো আছেই। এজন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী গ্র্যাজুয়েটদের প্রথম পছন্দ হিসেবে সাংবাদিকতা এখন ওপরের সারিতে নেই। নানা বিধিবিধানের খড়্গের কারণে সাংবাদিকতার চাকরিটি এখন আরও বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। তাছাড়া সাংবাদিকদের মধ্যে রাজনৈতিক বিভাজনও এখন বেশ স্পষ্ট। এসব সত্ত্বেও দেশের নানা সংকটকালে সংবাদপত্র দিকনির্দেশকের ভূমিকা পালন করছে। জনস্বার্থ, ন্যায়বিচার, মানবাধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বার্থরক্ষা, নারী ও শিশুর সুরক্ষা, শ্রমিক ও কৃষকদের ন্যায্য পাওনা আদায়, পরিবেশ সুরক্ষা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসহ অনেক বিষয়ে সংবাদপত্র ক্রমাগত তার ভূমিকা রেখে চলেছে। জনসচেতনতা তৈরি করছে। এসব কারণেই মুদ্রিত সংবাদপত্র এখনো টিকে আছে এবং আরও দীর্ঘকাল টিকে থাকাটা নিশ্চিত করছে।

অর্থাৎ একটি উন্নত দেশ ও সমাজের জন্য মুক্ত সংবাদপত্র অত্যন্ত জরুরি। অনাবশ্যক নজরদারি, নানা আইন বা বিধিবিধানের নিয়ন্ত্রণ এক্ষেত্রে বড় প্রতিবন্ধক। সংবাদপত্র কোনো আইন ভাঙলে, মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করলে, কাউকে ইচ্ছাকৃত হেনস্তা বা তার সম্মানহানি করলে প্রচলিত আইনের ভিতরেই যেন ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়। প্রেস কাউন্সিল সক্রিয় ও স্বাধীন থাকলে একটা সুষ্ঠু সমাধানও হয়। সংবাদপত্রের দায়বদ্ধতা আছে মানুষের প্রতি, সমাজের প্রতি, দেশ ও রাষ্ট্রের প্রতি। সেই দায়বদ্ধতা থেকেই প্রায় ৪০০ বছরের বেশি সময় টিকে থাকা সংবাদপত্র কখনো হারিয়ে যাবে না। তার রূপান্তর ঘটছে নানা বাস্তবতায়। কিন্তু ইতিহাসের অকাট্য প্রমাণ হিসেবে, সভ্যতার গুরুত্বপূর্ণ বাহন হিসেবে সংবাদপত্র টিকে থাকবে আরও বহুকাল। সেই পথে সরকার যেন স্পিড ব্রেকার হয়ে দাঁড়িয়ে না পড়ে- সংবাদজীবী হিসেবে সেই প্রত্যাশা আমরা করতেই পারি।   

লেখক : সাংবাদিক

এই বিভাগের আরও খবর
জুলাই অভ্যুত্থানের অনুদ্‌ঘাটিত চিত্র
জুলাই অভ্যুত্থানের অনুদ্‌ঘাটিত চিত্র
সাহিত্য ও সাংবাদিকতার আন্তসম্পর্ক
সাহিত্য ও সাংবাদিকতার আন্তসম্পর্ক
মানব জাতির টিকে থাকার ইশতেহার
মানব জাতির টিকে থাকার ইশতেহার
আইনের ফাঁকফোকর
আইনের ফাঁকফোকর
আওয়ামী ফ্যাসিজমের কবলে আমি
আওয়ামী ফ্যাসিজমের কবলে আমি
সবাই নির্বাচিত সরকারের অপেক্ষায়
সবাই নির্বাচিত সরকারের অপেক্ষায়
শিক্ষার সংস্কৃতি কেন গুরুত্বপূর্ণ
শিক্ষার সংস্কৃতি কেন গুরুত্বপূর্ণ
সর্বশেষ খবর
মুমিনজীবনের প্রকৃত সাফল্য
মুমিনজীবনের প্রকৃত সাফল্য

১ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

পরিবারকে আনন্দ দেওয়া সুন্নত
পরিবারকে আনন্দ দেওয়া সুন্নত

৩৭ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

মুসলমানের জীবনযাপনে শালীনতা
মুসলমানের জীবনযাপনে শালীনতা

৫৩ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

জবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক হিমেলকে নিকলীতে গণসংবর্ধনা
জবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক হিমেলকে নিকলীতে গণসংবর্ধনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জামায়াতের দাবি বছর শেষে জাতীয় নির্বাচন : রেজাউল করিম
জামায়াতের দাবি বছর শেষে জাতীয় নির্বাচন : রেজাউল করিম

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের বাড়িতে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ
সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের বাড়িতে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সিরাজগঞ্জে ট্রাক-অটোভ্যান সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ২
সিরাজগঞ্জে ট্রাক-অটোভ্যান সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইউনূস-মোদি বৈঠক বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক : গোলাম পরওয়ার
ইউনূস-মোদি বৈঠক বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক : গোলাম পরওয়ার

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গাজীপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জরিমানা
গাজীপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জরিমানা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাইবান্ধায় হস্তশিল্প মেলার নামে চলছে জুয়া ও অশ্লীল নাচ
গাইবান্ধায় হস্তশিল্প মেলার নামে চলছে জুয়া ও অশ্লীল নাচ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নৌকাডুবিতে স্বামীসহ প্রাণ হারালেন ইবি শিক্ষার্থী
নৌকাডুবিতে স্বামীসহ প্রাণ হারালেন ইবি শিক্ষার্থী

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নেতাকর্মীদের সতর্ক করলো সিলেট বিএনপি
নেতাকর্মীদের সতর্ক করলো সিলেট বিএনপি

৩ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনা হোক : সালাউদ্দিন আহমেদ
গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনা হোক : সালাউদ্দিন আহমেদ

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মার্কিন শুল্কারোপ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই : খলিলুর রহমান
মার্কিন শুল্কারোপ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই : খলিলুর রহমান

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাঞ্জাবকে বড় ব্যবধানে হারালো রাজস্থান
পাঞ্জাবকে বড় ব্যবধানে হারালো রাজস্থান

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চেন্নাইকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে দিল্লি
চেন্নাইকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে দিল্লি

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে পোশাক শ্রমিকের মৃত্যু
চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে পোশাক শ্রমিকের মৃত্যু

৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রহ্মপুত্র নদে অষ্টমীর স্নান উৎসবে লাখো পুণ্যার্থীর ঢল
ব্রহ্মপুত্র নদে অষ্টমীর স্নান উৎসবে লাখো পুণ্যার্থীর ঢল

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ

৫ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গাজীপুরে ট্রাকের ধাক্কায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
গাজীপুরে ট্রাকের ধাক্কায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শাহবাগে ফুলের দোকানের আগুন নিয়ন্ত্রণে
শাহবাগে ফুলের দোকানের আগুন নিয়ন্ত্রণে

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শাহবাগে ফুলের দোকানে আগুন
শাহবাগে ফুলের দোকানে আগুন

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত ইয়াসিনের পরিবারের পাশে তারেক রহমান
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত ইয়াসিনের পরিবারের পাশে তারেক রহমান

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কু-প্রস্তাবে অসম্মতি জানানোয় বিধবাকে পিটিয়ে আহত, বসতবাড়ি ভাঙচুর
কু-প্রস্তাবে অসম্মতি জানানোয় বিধবাকে পিটিয়ে আহত, বসতবাড়ি ভাঙচুর

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড
এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিএনপি ক্ষমতার পাগল নয়, ক্ষমতা বিএনপির প্রাপ্য : ফজলুর রহমান
বিএনপি ক্ষমতার পাগল নয়, ক্ষমতা বিএনপির প্রাপ্য : ফজলুর রহমান

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শুধু মানুষের নয়, বানরও অর্থবহ ভাষা তৈরি করতে সক্ষম : গবেষণা
শুধু মানুষের নয়, বানরও অর্থবহ ভাষা তৈরি করতে সক্ষম : গবেষণা

৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা
শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা

৮ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক
যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সর্বাধিক পঠিত
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি
আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব
ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা
সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড
এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন
ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে
কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম
নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

১৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার
হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প
‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী
পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

১৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি
হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি

১৪ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার
লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা
চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা

২০ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি
ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা
পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার
৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা
কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু
আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা
আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার
প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার

১৬ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা
ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২
কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক
যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা
শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা

৮ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

প্রিন্ট সর্বাধিক
জটিলতা ৫৫ আসনে
জটিলতা ৫৫ আসনে

পেছনের পৃষ্ঠা

সেন্টমার্টিন এখন অন্যরকম
সেন্টমার্টিন এখন অন্যরকম

পেছনের পৃষ্ঠা

মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক
মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক

প্রথম পৃষ্ঠা

ফের উত্তপ্ত হবে রাজপথ
ফের উত্তপ্ত হবে রাজপথ

প্রথম পৃষ্ঠা

দূরত্ব কাটাবে ঢাকা-দিল্লি
দূরত্ব কাটাবে ঢাকা-দিল্লি

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার
ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত
এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত

প্রথম পৃষ্ঠা

ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান
ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্ষমতার মজা পেয়ে গেছেন উপদেষ্টা পরিষদের সবাই
ক্ষমতার মজা পেয়ে গেছেন উপদেষ্টা পরিষদের সবাই

প্রথম পৃষ্ঠা

সুপার লিগে খেলার লড়াই
সুপার লিগে খেলার লড়াই

মাঠে ময়দানে

বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক
বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক

শোবিজ

রাজবাড়ীতে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির শকুন উদ্ধার
রাজবাড়ীতে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির শকুন উদ্ধার

পেছনের পৃষ্ঠা

মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ

প্রথম পৃষ্ঠা

যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ
যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ

প্রথম পৃষ্ঠা

লাহোরে নিগারদের অনুশীলন
লাহোরে নিগারদের অনুশীলন

মাঠে ময়দানে

বাণিজ্য ছাড়িয়েছিল হাজার কোটি ডলার
বাণিজ্য ছাড়িয়েছিল হাজার কোটি ডলার

পেছনের পৃষ্ঠা

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা
ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

জরাজীর্ণ ভবন, নষ্ট এক্স-রে মেশিন
জরাজীর্ণ ভবন, নষ্ট এক্স-রে মেশিন

দেশগ্রাম

বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০
বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০

প্রথম পৃষ্ঠা

লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি
লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি

দেশগ্রাম

শরীয়তপুরে খোলা মাঠ যেন যুদ্ধক্ষেত্র
শরীয়তপুরে খোলা মাঠ যেন যুদ্ধক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

একই দিনে দুই বিয়ে
একই দিনে দুই বিয়ে

শোবিজ

সংস্কার শেষেই নির্বাচন দিতে হবে
সংস্কার শেষেই নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

অভিযোগের জবাবে পরী
অভিযোগের জবাবে পরী

শোবিজ

তেহরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প
তেহরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প

পূর্ব-পশ্চিম

জংলি নিয়ে দর্শকদের সাড়া দেখে আমি আনন্দিত
জংলি নিয়ে দর্শকদের সাড়া দেখে আমি আনন্দিত

শোবিজ

বিশ্বজুড়ে মানবিক সহায়তার সিংহভাগ যুক্তরাষ্ট্র আর বহন করবে না
বিশ্বজুড়ে মানবিক সহায়তার সিংহভাগ যুক্তরাষ্ট্র আর বহন করবে না

পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে
ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে

সম্পাদকীয়