শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শনিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৫ আপডেট: ০০:৩০, শনিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৫

রাষ্ট্র সংস্কারে অর্জিত হোক জাতির প্রকৃত মুক্তি

ড. মোহা : ইয়ামিন হোসেন
প্রিন্ট ভার্সন
রাষ্ট্র সংস্কারে অর্জিত হোক জাতির প্রকৃত মুক্তি

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে জুলাই গণ অভ্যুত্থান এক গুরুত্বপূর্ণ বাঁকবদল। স্বৈরাচারমুক্ত নতুন বাংলাদেশে নাগরিক জীবনে সমঅধিকার সংরক্ষণে রাষ্ট্র সংস্কার অতি জরুরি হয়ে পড়েছে। এক্ষেত্রে সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকসহ সব ক্ষেত্রেই সংস্কার প্রয়োজন...

 

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে জুলাই গণ অভ্যুত্থান এক গুরুত্বপূর্ণ বাঁকবদল। কেবল সরকার পতন নয়; রাষ্ট্রব্যবস্থার মৌলিক সংস্কার দাবিতে পরিচালিত একটি গণ আন্দোলন। দীর্ঘ ১৬ বছর আওয়ামী ফ্যাসিজমের অবসান ঘটিয়ে এ অভ্যুত্থান নতুন রাজনৈতিক চেতনার উত্থান ঘটিয়েছে। বৈষম্যহীন রাষ্ট্র বিনির্মাণের পথ সুগম হয়েছে।

জুলাই অভ্যুত্থান রাষ্ট্রব্যবস্থার পুঙ্খানুপুঙ্খ সংস্কারের সূচনা করেছে; যেখানে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও অর্থনৈতিক সমতার প্রশ্ন জোরালোভাবে উঠে এসেছে। এ সংগ্রামে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, নাগরিক সমাজ ও শ্রমজীবী শ্রেণির সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল। এ পরিপ্রেক্ষিতে জুলাই ঘোষণাপত্র ভবিষ্যৎ রাষ্ট্র গঠনে একটি দিকনির্দেশনা হিসেবে কার্যকর হতে পারে।

বাংলাদেশে শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদী শাসনের ১৬ বছর ছিল রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক দমন-পীড়নের যুগ। এই শাসনামলে স্বৈরাচারী দমননীতিতে বিরোধী দল ও সমালোচকদের বিনা অপরাধে গ্রেপ্তার, নির্যাতন ও গুম করা হয়। সংবাদপত্রের স্বাধীনতা কেবল হরণই নয়, বরং সম্পূর্ণ ধ্বংস করে গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণে নেয় আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সরকার। স্বাধীন মতপ্রকাশ বাধাগ্রস্ত হয়। বাকরুদ্ধ হয় জাতির বিবেক!

নির্বাচনে চরম দুর্নীতির মাধ্যমে একাধিক ভুয়া নির্বাচন করে সরকার; যেখানে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জালিয়াতিতে প্রত্যক্ষ সহযোগিতা করে। নাগরিকের ভোটাধিকার হরণ করে গণতন্ত্রকে হুমকির মুখে ফেলে স্বৈরাচার শেখ হাসিনার সরকার। গোষ্ঠীভিত্তিক সরকারি সুবিধা প্রদানের রীতি চালু করে চরম অর্থনৈতিক বৈষম্য সৃষ্টি করা হয়। এতে ধনী ও দরিদ্রের পার্থক্য তীব্র হয়।

ফ্যাসিবাদী শক্তির এই আগ্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে জনমনে ধীরে ধীরে ক্ষোভ পুঞ্জীভূত হয় এবং গণ অভ্যুত্থানের পথ সুগম হয়।

কোটা সংস্কার আন্দোলন কেন্দ্র করে চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থান ঘটে। শিক্ষার্থীরা বৈষম্যহীন বাংলাদেশ বিনির্মাণে রাজপথে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলে। স্বৈরাচার হাসিনা সরকার বরাবরের মতোই ফ্যাসিবাদী কায়দায় শিক্ষার্থীদের দমনে তৎপর হয়। শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে সরকারের মদদপুষ্ট ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগ ও পেটোয়া পুলিশ বাহিনী লেলিয়ে দিয়ে দমন-পীড়নে মেতে ওঠে। ফলে আন্দোলন আরও বেগবান হয়ে গণ অভ্যুত্থানে রূপ নেয়।

আগস্টের শুরুতে সরকার পতনের এক দফা দাবিতে দেশের সর্বত্র গণবিস্ফোরণ ঘটে। তীব্র গণপ্রতিরোধে স্বৈরাচারের পেটোয়া বাহিনী পিছু হটতে বাধ্য হয়। ছাত্র-জনতার অবস্থান আরও তীব্র ও দৃঢ় হয়। ৫ আগস্ট রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশ যেন এক দফা দাবিতে পথে নেমে আসে। এদিন স্বৈরাচার শেখ হাসিনা দেশ থেকে পালিয়ে যান। স্বৈরাচারমুক্ত হয় বাংলাদেশ।

জুলাই বিপ্লবে ছাত্র-জনতার ভূমিকা ছিল অগ্রগণ্য। ছাত্রী ও নারী সমাজের অংশগ্রহণ আন্দোলনকে আরও বেগবান করে। বিশেষভাবে বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রিক আন্দোলন মধ্যবিত্ত সমাজকে ঐক্যবদ্ধ করেছিল। বেসরকারি চাকরিজীবী ও শ্রমিকদের ধর্মঘটও সরকারকে চাপে ফেলেছিল। নাগরিক সমাজের এ প্রতিবাদ জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করে এবং বৈষম্যহীন সমাজ বিনির্মাণে আশার সঞ্চার করে।

স্বৈরাচারমুক্ত নতুন বাংলাদেশে নাগরিক জীবনে সমঅধিকার সংরক্ষণে রাষ্ট্র সংস্কার অতি জরুরি হয়ে পড়েছে। এক্ষেত্রে সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকসহ সব ক্ষেত্রেই সংস্কার প্রয়োজন।

সংবিধান সংস্কার

বাংলাদেশের সংবিধান অনেকবার সংশোধিত হয়েছে; ফলে একদলীয় দুঃশাসনের প্রবণতা বেড়েছে এবং সংসদ ও বিচার বিভাগের ওপর নির্বাহী ক্ষমতার প্রভাব চূড়ান্ত হয়। এ সমস্যার সমাধানে সংবিধানে গণতান্ত্রিক ভারসাম্য পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে হবে। সংসদ, বিচার বিভাগ, প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে।

নির্বাচন ব্যবস্থার সংস্কার

বিরাজমান নির্বাচনি ব্যবস্থা অত্যন্ত দুর্নীতিগ্রস্ত। ভোট কারচুপি, প্রশাসনের প্রভাব ও বিরোধী দল দমনের মাধ্যমে একদলীয় শাসন প্রতিষ্ঠা করা হয়। এই শোচনীয় অবস্থা থেকে উত্তরণে নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে। ভোট কারচুপি বন্ধে কঠোর আইন প্রয়োগ করতে হবে। সব দলের সমান অংশগ্রহণের সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।

অর্থনৈতিক বৈষম্যের অবসান

ফ্যাসিবাদী শাসনে-শিক্ষা, কৃষি ও শিল্প খাত অবহেলিত এবং ধনী-গরিব বৈষম্য তীব্রতর হয়েছে। এ সমস্যার সমাধানে অর্থনীতিকে সুষম ও অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং শ্রম অধিকার ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

বিচার ব্যবস্থার সংস্কার

বর্তমান বিচারব্যবস্থা রাজনৈতিক প্রভাবাধীন। বিচার বিভাগকে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপমুক্ত করতে হবে। বিচারকদের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নিষিদ্ধ করতে হবে।

শিক্ষার সংস্কার

শিক্ষার উন্নয়নে একটি জাতির ভাগ্যের পরিবর্তন হয়। তবে দুঃখজনক হলেও সত্য স্বাধীনতার অর্ধশতাব্দী অতিবাহিত হলেও দেশের শিক্ষার কোনো মৌলিক উন্নয়ন হয়নি। এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধকতা বাজেট বরাদ্দ। এছাড়া রাজনৈতিক পট পরিবর্তন ও স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থা ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। এ অভিশাপ থেকে জাতিকে মুক্তি দিতে এ খাতে বাজেট বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রযুক্তিনির্ভর নৈতিক ও প্রায়োগিক শিক্ষাব্যবস্থার প্রবর্তন করতে হবে।

স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সংস্কার

ফ্যাসিবাদের দুঃশাসনকালে স্বাস্থ্য খাতে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতি হয়েছে। সেবার পরিবর্তে এ খাত বাণিজ্যিক রূপ নিয়েছে। সরকারি হাসপাতালে আধুনিক যন্ত্রপাতির অভাবে হাজারও জনগণ কাক্সিক্ষত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। গ্রামীণ জনপদে এ সেবার মান আরও ভয়াবহ। জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় গ্রামীণ জনপদে আগে সুষ্ঠু চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে হবে। সঠিক রোগ নির্ণয়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও আধুনিক চিকিৎসাযন্ত্র সরবরাহ করতে হবে। চিকিৎসকের অর্থোপার্জনই কেবল মুখ্য নয় বরং রোগীর সেবাই দায়িত্ব, এমন শিক্ষায় গড়ে তুলতে হবে। সরকারি অথবা বেসরকারি উদ্যোগে স্বাস্থ্যবিমা চালু করতে হবে এবং এক্ষেত্রে সরকারকে জনসচেতনতা বৃদ্ধির পদক্ষেপ নিতে হবে।

সাংস্কৃতিক সংস্কার

সাংস্কৃতিক আচার-অনুষ্ঠান একটি দেশের সমাজব্যবস্থার ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে। এক্ষেত্রে বাঙালি চিরায়ত সংস্কৃতি চর্চার পাশাপাশি ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের প্রাধান্য দিতে হবে। মুক্তচিন্তার সুযোগ থাকবে, তবে মুক্তচিন্তার আড়ালে পাশ্চাত্যের অপসংস্কৃতি চর্চা নিয়ন্ত্রণ করে তরুণ প্রজন্মকে রক্ষার রূপরেখা তৈরি করতে হবে।

এ ক্ষেত্রে জুলাই ঘোষণাপত্র গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠার পথ সুগম করতে সহায়ক হবে বলে আশা করা যায়। কারণ, এ ঘোষণাপত্রের লক্ষ্যই গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা; সংবিধান ও আইন সংস্কার; অর্থনৈতিক সমতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত এবং সংবাদমাধ্যমের অবাধ স্বাধীনতা নিশ্চিত করা।

জুলাই গণ অভ্যুত্থান কেবল সরকার পতন নয়; বরং দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতি, স্বার্থসিদ্ধির রাজনৈতিক সংস্কৃতি ও আর্থ-সামাজিক বৈষম্যের মূলে কুঠারাঘাত। এ আন্দোলন গণতন্ত্র, মানবাধিকার এবং অর্থনৈতিক সাম্যের ভিত্তিতে একটি নতুন রাষ্ট্র গঠনের সম্ভাবনা তৈরি করেছে। তাই যথাযথ পরিকল্পনা ও জনঅংশগ্রহণে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে জাতির মুক্তির পথ সুগম করতে হবে।

লেখক : অধ্যাপক, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

এই বিভাগের আরও খবর
নিরন্তর বিপ্লবী নজরুল
নিরন্তর বিপ্লবী নজরুল
বিপ্লব থেকে রাজনৈতিক দল
বিপ্লব থেকে রাজনৈতিক দল
আন্দোলনের পথ ও প্রাপ্তি
আন্দোলনের পথ ও প্রাপ্তি
জুলাই বিপ্লব ও রাষ্ট্র সংস্কার
জুলাই বিপ্লব ও রাষ্ট্র সংস্কার
জুলাই বিপ্লবে চিকিৎসকদের অবদান
জুলাই বিপ্লবে চিকিৎসকদের অবদান
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় প্রয়োজন জাতীয় ঐক্য
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় প্রয়োজন জাতীয় ঐক্য
জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে বরিশাল
জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে বরিশাল
আশা-নিরাশার দোলা
আশা-নিরাশার দোলা
প্রফেসর মানুষ এভাবে স্লোগান দেয় নাকি
প্রফেসর মানুষ এভাবে স্লোগান দেয় নাকি
হাসিনাকে দ্রুত ফেরত দেওয়া উচিত
হাসিনাকে দ্রুত ফেরত দেওয়া উচিত
রাজনীতিবিদদের হাতছাড়া হয়ে গেছে রাজনীতি
রাজনীতিবিদদের হাতছাড়া হয়ে গেছে রাজনীতি
এক অজানা ভয় মিডিয়ার গতি রোধ করছে
এক অজানা ভয় মিডিয়ার গতি রোধ করছে
সর্বশেষ খবর
শরীরে একাধিক কোপ, ডোবা থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার
শরীরে একাধিক কোপ, ডোবা থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার

১ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

অক্টোবরেই অচল ২৪ কোটি কম্পিউটার, বিকল্প কী?
অক্টোবরেই অচল ২৪ কোটি কম্পিউটার, বিকল্প কী?

১ মিনিট আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

যৌন হেনস্তার অভিযোগে ‘স্কুইড গেম’ তারকার সাজা
যৌন হেনস্তার অভিযোগে ‘স্কুইড গেম’ তারকার সাজা

৬ মিনিট আগে | শোবিজ

চাঁদপুরে ৬৪ যানবাহনে তল্লাশি ও জরিমানা
চাঁদপুরে ৬৪ যানবাহনে তল্লাশি ও জরিমানা

১২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে যেসব সিদ্ধান্ত গৃহীত
বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে যেসব সিদ্ধান্ত গৃহীত

১৩ মিনিট আগে | জাতীয়

‘পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষাব্যবস্থাকে মানসম্মত করতে হবে’
‘পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষাব্যবস্থাকে মানসম্মত করতে হবে’

১৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রফতানি আরও বাড়বে, কমবে না: প্রেস সচিব
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রফতানি আরও বাড়বে, কমবে না: প্রেস সচিব

২২ মিনিট আগে | জাতীয়

সিআরবিতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান
সিআরবিতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান

৩০ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে মধ্যরাতের মধ্যে ঝড়ের আভাস
ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে মধ্যরাতের মধ্যে ঝড়ের আভাস

৪৮ মিনিট আগে | জাতীয়

মুক্তাগাছায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১
মুক্তাগাছায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বরিশালে ডোবা থেকে অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার
বরিশালে ডোবা থেকে অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার

৫৭ মিনিট আগে | নগর জীবন

কালীগঞ্জে রেল ব্রিজের নিচ থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার
কালীগঞ্জে রেল ব্রিজের নিচ থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মেক্সিকোতে প্রথম এইচ৫এন১ বার্ড ফ্লু রোগী শনাক্ত
মেক্সিকোতে প্রথম এইচ৫এন১ বার্ড ফ্লু রোগী শনাক্ত

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অষ্টমী স্নানে ব্রহ্মপুত্র নদে পুণ্যার্থীদের ঢল
অষ্টমী স্নানে ব্রহ্মপুত্র নদে পুণ্যার্থীদের ঢল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ধর্ষণের শিকার জমজ দুই বোনকে আইনি সহায়তা প্রদানের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান
ধর্ষণের শিকার জমজ দুই বোনকে আইনি সহায়তা প্রদানের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্যবসায়ীর ফেলে যাওয়া ১৮ ভরি স্বর্ণ ‍ফিরিয়ে দিলেন অটোরিকশাচালক
ব্যবসায়ীর ফেলে যাওয়া ১৮ ভরি স্বর্ণ ‍ফিরিয়ে দিলেন অটোরিকশাচালক

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৩২৯টি উপজেলায় হচ্ছে টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ
৩২৯টি উপজেলায় হচ্ছে টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ডার্ক এনার্জি স্থির নয়! বিজ্ঞানীদের সামনে নতুন ধাঁধা
ডার্ক এনার্জি স্থির নয়! বিজ্ঞানীদের সামনে নতুন ধাঁধা

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

ঈদের ছুটিতে ঢাকা ছেড়েছেন ১ কোটি সিমধারী, ফিরেছেন ৪৪ লাখ
ঈদের ছুটিতে ঢাকা ছেড়েছেন ১ কোটি সিমধারী, ফিরেছেন ৪৪ লাখ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঈদের পঞ্চম দিনেও ‘দাগি’-‘জংলি’র দাপট অব্যাহত, আয় কত?
ঈদের পঞ্চম দিনেও ‘দাগি’-‘জংলি’র দাপট অব্যাহত, আয় কত?

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

পতেঙ্গায় ১ কেজি স্বর্ণালংকারসহ আটক ৫
পতেঙ্গায় ১ কেজি স্বর্ণালংকারসহ আটক ৫

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

‌‌‘শিক্ষার্থীরা পাস করে চাকরির জন্য নেতাদের পেছনে ঘুরতে হবে না’
‌‌‘শিক্ষার্থীরা পাস করে চাকরির জন্য নেতাদের পেছনে ঘুরতে হবে না’

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আগৈলঝাড়ায় বসুন্ধরা শুভসংঘের মাসব্যাপী মাদকবিরোধী প্রচারণা শুরু
আগৈলঝাড়ায় বসুন্ধরা শুভসংঘের মাসব্যাপী মাদকবিরোধী প্রচারণা শুরু

১ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

বিএনপি নেতার বহিষ্কারের প্রতিবাদে বিক্ষোভ
বিএনপি নেতার বহিষ্কারের প্রতিবাদে বিক্ষোভ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মেঘনা-তিতাসে অষ্টমী গঙ্গাস্নানে উপচেপড়া ভিড়
মেঘনা-তিতাসে অষ্টমী গঙ্গাস্নানে উপচেপড়া ভিড়

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কসবায় যুবককে ডেকে নিয়ে হত্যার অভিযোগ
কসবায় যুবককে ডেকে নিয়ে হত্যার অভিযোগ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সিলেটে টাকা ধার না দেওয়ায় যুবক খুন
সিলেটে টাকা ধার না দেওয়ায় যুবক খুন

২ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

চট্টগ্রামে জেলেদের জালে মিলল বৃদ্ধার লাশ
চট্টগ্রামে জেলেদের জালে মিলল বৃদ্ধার লাশ

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মুন্সিগঞ্জে ধলেশ্বরী নদীর তীরে অষ্টমী স্নান উৎসব পালিত
মুন্সিগঞ্জে ধলেশ্বরী নদীর তীরে অষ্টমী স্নান উৎসব পালিত

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছাত্র আন্দোলনে হত্যা মামলায় শ্রমিক লীগ নেতা গ্রেফতার
ছাত্র আন্দোলনে হত্যা মামলায় শ্রমিক লীগ নেতা গ্রেফতার

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সর্বাধিক পঠিত
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি
আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব
ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

২৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার
হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

১৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা
সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী
পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প
‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম
নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা
চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা

১০ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন
ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার
৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে
কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’
‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার
লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু
আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে
প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে

১৭ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা
আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত
দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

যৌথ পরিবারের গল্প
যৌথ পরিবারের গল্প

শনিবারের সকাল

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে