শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শনিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৫

কেন পারমাণবিক বর্জ্য এত বিপজ্জনক?

প্রিন্ট ভার্সন
কেন পারমাণবিক বর্জ্য এত বিপজ্জনক?

সাম্প্রতিক বছরগুলোয় পারমাণবিক শক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা তর্ক-বিতর্কের মধ্য দিয়ে একটি বিষয় সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাওয়ার কথা ছিল, কিন্তু এটি প্রায় সম্পূর্ণরূপে উপেক্ষিত হয়ে আসছে। তা হলো পারমাণবিক কার্যক্রমের ফলে সৃষ্ট বর্জ্য এবং দূষণের সমস্যা...

 

পারমাণবিক বর্জ্য কী?

অন্যান্য পন্থায় বিদ্যুৎ উৎপাদনের মতোই, পারমাণবিক জ্বালানি বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং এর উপজাত হিসেবে এক ধরনের বর্জ্য নির্গত হয়। যদিও সামান্য পারমাণবিক জ্বালানি প্রচুর পরিমাণে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্যই যথেষ্ট। এই বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রক্রিয়ায় পারমাণবিক বর্জ্য উৎপন্ন হয়ে থাকে। যেহেতু ব্যবহৃত জ্বালানির পরিমাণ কম, তাই পারমাণবিক বর্জ্যও একইভাবে কম হয়ে থাকে। তবে সেই সামান্য পরিমাণও যদি কোনো প্রকার পরিশোধন ছাড়াই সরাসরি পরিবেশে নির্গত করা হয়, তবে তা খুবই ক্ষতিকর।

 

পারমাণবিক বর্জ্য কত প্রকার?

পারমাণবিক সুবিধা থেকে তিন ধরনের পারমাণবিক বর্জ্য উৎপন্ন হয় এবং এর তেজস্ক্রিয়তা অনুযায়ী শ্রেণিবদ্ধ করা হয় :

নিম্ন স্তরের বর্জ্য (মোট বর্জ্যরে ৯০%) :

নিম্ন স্তরের বর্জ্যরে মধ্যে নানাবিধ সরঞ্জাম এবং প্রতিরক্ষামূলক পোশাক অন্তর্ভুক্ত। এতে মোট তেজস্ক্রিয়তার পরিমাণ মাত্র ১% থাকে অর্থাৎ বিটা-গামা কার্যকলাপের হিসেবে ১২ জিবি কিউ/টন এর নিচে।

মধ্যবর্তী স্তরের বর্জ্য (মোট বর্জ্যরে ৭%) :

মধ্যবর্তী স্তরের বর্জ্যরে মধ্যে রয়েছে চুল্লির ভিতরের ইস্পাতের যন্ত্রপাতি, ফিল্টার এবং পারমাণবিক পুনঃপ্রক্রিয়াকরণে ব্যবহৃত কিছু উপজাত উপাদান। এতে তেজস্ক্রিয়তার পরিমাণ মাত্র ৪%। এটি নিষ্পত্তির পর মধ্যবর্তী স্তরের বর্জ্যরে জন্য শিল্ডিং প্রয়োজন।

উচ্চ-স্তরের বর্জ্য (মোট বর্জ্যরে ৩%) :

উচ্চ স্তরের বর্জ্যে ব্যবহৃত হয় পারমাণবিক জ্বালানি। যদিও এর বর্জ্য মোট পারমাণবিক বর্জ্যরে মাত্র ৩%। তবে এর তেজস্ক্রিয়তার ক্ষমতা মারাত্মক (৯৫%)। তাই, নিষ্পত্তি করার পরে পারমাণবিক বর্জ্যরে শীতলীকরণ এবং শিল্ডিং উভয়ই প্রয়োজন।

...

যেভাবে এটি মানুষকে প্রভাবিত করে?

পারমাণবিক বর্জ্য প্রাণিকুলের জন্য খুবই বিপজ্জনক। কারণ এটি মানব শরীরের কোষগুলোকে প্রভাবিত করে। সাধারণত এর তেজস্ক্রিয়তা শরীরের কোষের স্তরে স্তরে মিউটেশন ঘটায়। ক্যান্সার এবং স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে ফেলে। প্রাথমিকভাবে, কোনো ব্যক্তি পারমাণবিক বর্জ্যরে কারণে সৃষ্ট উপসর্গ বুঝতে পারেন না। তবে যদি কোনো ব্যক্তি বারবার উচ্চমাত্রার বিকিরণের সংস্পর্শে আসেন, অর্থাৎ পারমাণবিক চুল্লির আশপাশে পাওয়া যায়, তবে তা শরীরের অনেক কোষের অপরিবর্তনীয় ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাবে। ফলে ওই ব্যক্তির বাঁচার সম্ভাবনা নাও থাকতে পারে। যদিও ভালো খবর হলো- এর তেজস্ক্রিয়তা ক্ষতিকর রূপ নিতে সময় নেয়। যা কখনো কখনো হাজার বছরও ছাড়িয়ে যেতে পারে।

কেন পারমাণবিক বর্জ্য এত বিপজ্জনক?

১. পারমাণবিক জ্বালানির উপজাতের জন্য দীর্ঘমেয়াদি স্টোরেজের অভাব। বর্তমানে ৪৪৯টি চালু পারমাণবিক কেন্দ্রের মাধ্যমে বিশ্বের প্রায় ১১% বিদ্যুৎ সরবরাহ হয়। বর্তমানে একে কোথাও সংরক্ষণ করা এবং পরে এর কী করা হবে এবং কীভাবে এটি থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে তা খুঁজে বের করে তেজস্ক্রিয় বর্জ্য মোকাবিলা করা হচ্ছে। তবে এর জন্য কোনো নিরাপদ দীর্ঘমেয়াদি বাস্তব বর্জ্য স্টোরেজ রিপোজিটরি নেই। তবে এখন সাধারণত মহাসাগর ও সমুদ্রকে স্টোরেজ রিপোজিটরি স্থান হিসেবে ব্যবহার করা হয়, কারণ এদের বিকিরণ পাতলা করার বিশাল ক্ষমতা রয়েছে। যদিও এই প্রক্রিয়ায় নির্দিষ্ট পরিমাণ স্টোরেজ সম্ভব।

২. মানব সভ্যতার ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত। কারণ এই বর্জ্য সংরক্ষণের সবচেয়ে নিরাপদ উপায় হলো গভীর ভূতাত্ত্বিক রিপোজিটরি, পারমাণবিক কার্যকলাপ কমে যাওয়ার জন্য বর্জ্যকে খুব দীর্ঘ সময়ের জন্য দূরে রাখা উচিত। এ ধারণার অনেক সমস্যা রয়েছে:

► এই স্টোরেজ রিপোজিটরিগুলো কতদিন টিকবে তা অনুমান করা যায় না।

► ক্ষয়ক্ষতি প্রতিরোধের জন্য সর্বোত্তম পন্থা হিসেবে সাধারণত কী উপায়ে পারমাণবিক বর্জ্য নিষ্পত্তি স্থান তৈরি করা যায়?

► কীভাবে নিশ্চিত করা যায় যে, এই স্টোরেজ রিপোজিটরিগুলো আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মাধ্যমে আরও সুরক্ষিত থাকবে?

► এলাকার কাছাকাছি বসবাসকারী সম্প্রদায়গুলোর নিরাপত্তার বিষয়ে ১০০ শতাংশ নিশ্চয়তা দেওয়া যায় না।

৩. পারমাণবিক বর্জ্য পরিবেশের ব্যাপক ক্ষতি করে। বাড়ায় মাত্রাতিরিক্ত দূষণ। যদি এই বর্জ্যগুলোকে সঠিকভাবে সিল করা না যায়, তবে তেজস্ক্রিয়তার মাত্রা বা দূষণ দাবানলের মতো পরিবেশে ছড়িয়ে পড়তে পারে। যা অনেক গুরুত্বপূর্ণ বাস্তুতন্ত্রেও প্রবেশ করতে পারে। বাতাস, পানি এবং জমি; পারমাণবিক বর্জ্য দ্বারা দূষিত হলে অসংখ্য মানুষ এবং পশুপাখি এমনকি জীবজন্তুও ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। বিপজ্জনক তেজস্ক্রিয় নিঃসরণ বহু বছর ধরে অলক্ষিত থাকতে পারে। এদিকে, রাজনৈতিক পার্থক্য ও অর্থনৈতিক অগ্রাধিকার বিবেচনায়, অনেক সরকার পরিবেশ সুরক্ষা নীতি বাস্তবায়ন করবে না কিংবা নাগরিকদের জন্য নিরাপত্তা উদ্বেগ জনসম্মুখে আনবে না।

৪. এর তেজস্ক্রিতায় স্থায়ী স্বাস্থ্যগত প্রভাবও রয়েছে। সাধারণত মানুষের শরীরে বিকিরণের প্রভাব পরিমাপ করা খুব কঠিন, কারণ পারমাণবিক তেজস্ক্রিয়তা শরীরের ওপর গোপনীয়ভাবে প্রভাব ফেলে। যদিও একটি বিষয় খুব স্পষ্ট যে, এই বিকিরণগুলো তীব্র বিকিরণের লক্ষণগুলোর সঙ্গে গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যা সৃষ্টি করে, যার মধ্যে খিঁচুনি এবং চুল পড়া অন্তর্ভুক্ত। এই সমস্যাগুলো এমন প্রকৃতির যে, ডাক্তারদের পক্ষে পরীক্ষা করা খুব কঠিন।

বিকিরণে সৃষ্ট স্বাস্থ্য সমস্যাগুলো হলো-

► হৃদরোগ

► স্নায়ুতন্ত্রের রোগ

► গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল রোগ

► ডায়াবেটিস

► ক্যান্সার

যার সর্বশেষ উদাহরণ হলো- চেরনোবিল বিপর্যয়। এই দুর্ঘটনার পর, বিজ্ঞানীরা ইউক্রেন এবং রাশিয়া থেকে বিকিরণের সংস্পর্শে আসা জনগোষ্ঠীর ওপর বিকিরণের প্রভাব পর্যবেক্ষণ করেছেন। ১৯৯০-২০০০ সাল পর্যন্ত (১০ বছর)  লিউকোমিয়ায় আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ৫০% এবং বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার আক্রান্তদের সংখ্যা ৪০% বেড়েছে। চেরনোবিল বিকিরণের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের মধ্যে সবচেয়ে সাধারণ ধরনের ক্যান্সার নির্ণয় করা হয়েছিল থাইরয়েড ক্যান্সার। অতএব, দেখা যায়, আমাদের ওপর সম্ভাব্য স্বাস্থ্যগত প্রভাব অত্যন্ত ক্ষতিকর এবং যা বরাবর অপ্রত্যাশিত।

৫. অন্তর্নিহিত বিপজ্জনক পারমাণবিক বর্জ্য পরিষ্কার করা অত্যন্ত ব্যয়বহুল। শুধু তাই নয়, এর পরিষ্কারের কাজে জড়িত কর্মীদের স্বাস্থ্যে নেতিবাচক প্রভাবও ফেলবে। উদাহরণস্বরূপ, উত্তর জার্মানির বনের নিচে একটি পারমাণবিক বর্জ্য ফুটো হয়েছিল, যেখানে পারমাণবিক বর্জ্যরে স্টোরেজ লকার হিসেবে ব্যবহৃত একটি লবণ খনি (১,২৬,০০০ ধারক তেজস্ক্রিয় বর্জ্য) ধসের লক্ষণ দেখিয়েছিল। পারমাণবিক বর্জ্য পরিবহনের সঙ্গেও অনেক ঝুঁকি জড়িত। স্টোরেজ পরিবহনের সময় যদি কোনো দুর্ঘটনা ঘটে, তবে পরিবেশের ওপর এর ফলাফলও বিধ্বংসী হতে পারে।

৬. পারমাণবিক বর্জ্যরে পুনঃপ্রক্রিয়াকরণ খুবই দূষণকারী এবং বিশ্বের মানবসৃষ্ট তেজস্ক্রিয়তার অন্যতম বৃহত্তম উৎস। এ সময়, ইউরেনিয়াম জ্বালানি থেকে রাসায়নিক বিক্রিয়ার একটি সিরিজের মাধ্যমে প্লুটোনিয়াম আলাদা করা হয়। প্লুটোনিয়াম তারপর পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে বা বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য নতুন  জ্বালানির মতো ব্যবহার করা হয়। জনশ্রুতি আছে, পারমাণবিক জ্বালানি   পুনঃপ্রক্রিয়াকরণের ক্ষমতা সবচেয়ে বড় অর্জন, তবে এর বিরুদ্ধে কারণও আছে-Ÿ প্লুটোনিয়াম সবচেয়ে বিষাক্ত পদার্থগুলোর একটি। যা লিভার এবং হাড়ে জমা হওয়ার কারণে এর প্রভাব অনুমান করা কঠিন।

► পারমাণবিক পুনরুৎপাদন পারমাণবিক বর্জ্য সমস্যার সর্বকালের স্থায়ী সমাধান নয়।

► প্লুটোনিয়াম নিষ্কাশনের মাধ্যমে পারমাণবিক বিস্তার হুমকির বৃদ্ধি পায়। পারমাণবিক শক্তিতে ব্যবহৃত প্রধান রাসায়নিক যৌগগুলোর মধ্যে একটি হলো প্লুটোনিয়াম।

► পারমাণবিক শক্তির পুনঃপ্রক্রিয়াকরণ একটি অত্যন্ত নোংরা এবং বিপজ্জনক প্রক্রিয়া।

পারমাণবিক বর্জ্যরে সবচেয়ে সাধারণ উৎস :

আগেই বলা হয়েছে, পারমাণবিক বিভাজন এবং সংযোজন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পারমাণবিক বর্জ্য উৎপন্ন হয়। এমনকি এর অন্যান্য পর্যায়েও কিছু বর্জ্য উৎপন্ন হয়, যার মধ্যে ইউরেনিয়াম খনির কাজ এবং প্রক্রিয়াকরণ অন্তর্ভুক্ত। যা পারমাণবিক চুল্লিতে ব্যবহারের উপযুক্ত।

তথ্যসূত্র : ওয়াস্ট্রিজ নিউক্লিয়ার

 

 

‘কে জানে মাটির নিচে কত

আপনি কি জানেন?

১৯৮৬ সালে চেরনোবিল পারমাণবিক চুল্লি বিস্ফোরিত হলে সোভিয়েত কর্তৃপক্ষ সম্পূর্ণ নীরব ছিল। এ কারণে পারমাণবিক তেজস্ক্রিয়তা ইউরোপে ছড়িয়ে পড়ে। উচ্চমাত্রার বিকিরণের সংস্পর্শে আসে অসংখ্য মানুষ। ২০ শতকের দ্বিতীয়ার্ধ থেকে আমরা আমাদের মহাসাগরে যা ফেলেছি তার একটি তালিকা এখানে দেওয়া হলো :

► ১৪টি পারমাণবিক চুল্লি

► ২ লাখেরও বেশি তেজস্ক্রিয় বর্জ্যরে ধারক।

► ১৯টি জাহাজ যার ওপর পারমাণবিক বর্জ্য রয়েছে।

► ৬টি পারমাণবিক সাবমেরিন।

পারমাণবিক দূষণের একটি বৈশ্বিক প্রভাব রয়েছে, যা বিশ্বের সবচেয়ে অপ্রত্যাশিত স্থানে দৃশ্যমান। জীববিজ্ঞানীরা পারমাণবিক বিকিরণের কারণে আলাস্কার সিল এবং ওয়ালরাসগুলোয় আলসারের পরিমাণ বৃদ্ধির মাত্রা খুঁজে পেয়েছেন।

এই বিভাগের আরও খবর
বিমানে কেন মোবাইল ফোন ফ্লাইট মোডে রাখতে বলা হয়
বিমানে কেন মোবাইল ফোন ফ্লাইট মোডে রাখতে বলা হয়
ফেসবুক অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত রাখতে
ফেসবুক অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত রাখতে
এআই যেভাবে পৃথিবী পাল্টে দিচ্ছে
এআই যেভাবে পৃথিবী পাল্টে দিচ্ছে
অবশেষে ধরা পড়ল আইনস্টাইন রিং
অবশেষে ধরা পড়ল আইনস্টাইন রিং
মৃগীরোগ শনাক্ত করবে এআই!
মৃগীরোগ শনাক্ত করবে এআই!
ধস নামবে ফোল্ডেবল ফোনের বাজারে!
ধস নামবে ফোল্ডেবল ফোনের বাজারে!
এম১০৪ : সোমব্রেরো গ্যালাক্সি
এম১০৪ : সোমব্রেরো গ্যালাক্সি
পুরোনো ফোনের ভালো দাম পেতে যা করবেন
পুরোনো ফোনের ভালো দাম পেতে যা করবেন
মাইক্রোসফট শিগগিরই ‘ব্লু স্ক্রিন অব ডেথ’ প্রতিস্থাপন করতে পারে!
মাইক্রোসফট শিগগিরই ‘ব্লু স্ক্রিন অব ডেথ’ প্রতিস্থাপন করতে পারে!
২০২৫ সালের সবচেয়ে সেরা অ্যাকশন ক্যামেরা
২০২৫ সালের সবচেয়ে সেরা অ্যাকশন ক্যামেরা
গুগলের সার্চে এআই সম্প্রসারণ
গুগলের সার্চে এআই সম্প্রসারণ
অবসরে যাচ্ছে স্কাইপ!
অবসরে যাচ্ছে স্কাইপ!
সর্বশেষ খবর
বাংলাদেশকে বন্ধু রাষ্ট্র ভেবে ভারতকে সামনে এগোতে হবে : এ্যানি
বাংলাদেশকে বন্ধু রাষ্ট্র ভেবে ভারতকে সামনে এগোতে হবে : এ্যানি

১ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

সাতক্ষীরায় ছোট ভাইয়ের হাতে বড় ভাই খুন
সাতক্ষীরায় ছোট ভাইয়ের হাতে বড় ভাই খুন

৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গ্রাস ম্যাট রফতানি শুরু করল আরএফএল
গ্রাস ম্যাট রফতানি শুরু করল আরএফএল

১৪ মিনিট আগে | কর্পোরেট কর্নার

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৪ জন ঢামেকে
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৪ জন ঢামেকে

১৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি
আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি

৩২ মিনিট আগে | জাতীয়

জনবহুল রাজধানী এখনো ফাঁকা, নেই চিরচেনা যানজট
জনবহুল রাজধানী এখনো ফাঁকা, নেই চিরচেনা যানজট

৪৩ মিনিট আগে | নগর জীবন

হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি
হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি

৪৪ মিনিট আগে | শোবিজ

ফরিদপুরে বিস্ফোরক মামলায় যুবলীগ নেতা গ্রেফতার
ফরিদপুরে বিস্ফোরক মামলায় যুবলীগ নেতা গ্রেফতার

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

খাদ্য নিরাপত্তা নি‌য়ে কো‌নো শঙ্কা নেই : খাদ্য উপদেষ্টা
খাদ্য নিরাপত্তা নি‌য়ে কো‌নো শঙ্কা নেই : খাদ্য উপদেষ্টা

৫৬ মিনিট আগে | জাতীয়

ভারতে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা
ভারতে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ফরিদপুরে চোরের হাতে প্রাণ গেল প্রবাসীর
ফরিদপুরে চোরের হাতে প্রাণ গেল প্রবাসীর

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব
ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চার বিভাগে বৃষ্টি হলেও তাপপ্রবাহ থাকবে অব্যাহত
চার বিভাগে বৃষ্টি হলেও তাপপ্রবাহ থাকবে অব্যাহত

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা
কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

'দেশে আর কোন ফ্যাসিস্ট যেন জন্মাতে না পারে'
'দেশে আর কোন ফ্যাসিস্ট যেন জন্মাতে না পারে'

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম
নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মুখের গড়ন বুঝে হতে হবে হেয়ার কাট
মুখের গড়ন বুঝে হতে হবে হেয়ার কাট

২ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

অভিনেতাসহ গ্রেপ্তার ১১, তুরস্কে বয়কট আন্দোলন
অভিনেতাসহ গ্রেপ্তার ১১, তুরস্কে বয়কট আন্দোলন

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভাঙ্গায় কিশোর ও গৃহবধূর লাশ উদ্ধার
ভাঙ্গায় কিশোর ও গৃহবধূর লাশ উদ্ধার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গরমে মেকআপ যেন না গলে
গরমে মেকআপ যেন না গলে

২ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

কিশোরগঞ্জে অষ্টমী স্নানে লাখো পুণ্যার্থীর ঢল
কিশোরগঞ্জে অষ্টমী স্নানে লাখো পুণ্যার্থীর ঢল

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশের লজ্জায় ডুবালো নিউজিল্যান্ড
পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশের লজ্জায় ডুবালো নিউজিল্যান্ড

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘স্বতন্ত্র সচিবালয়’ প্রতিষ্ঠার দ্বারপ্রান্তে রয়েছে : প্রধান বিচারপতি
‘স্বতন্ত্র সচিবালয়’ প্রতিষ্ঠার দ্বারপ্রান্তে রয়েছে : প্রধান বিচারপতি

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বগুড়ায় শহীদ জিয়া ফুটবল টুর্নামেন্টের সেমি-ফাইনাল অনুষ্ঠিত
বগুড়ায় শহীদ জিয়া ফুটবল টুর্নামেন্টের সেমি-ফাইনাল অনুষ্ঠিত

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাস-অটোরিকাশয়ার সংঘর্ষে নারী নিহত, শিশুসহ আহত ৪
বাস-অটোরিকাশয়ার সংঘর্ষে নারী নিহত, শিশুসহ আহত ৪

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কানাডায় ভারতীয় নাগরিক খুন
কানাডায় ভারতীয় নাগরিক খুন

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জয়পুরহাটে রামদেও বাজলা প্রিমিয়ার লীগের ফাইনাল অনুষ্ঠিত
জয়পুরহাটে রামদেও বাজলা প্রিমিয়ার লীগের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার
লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লাঙ্গলবন্দের স্নান ঘিরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজট
লাঙ্গলবন্দের স্নান ঘিরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজট

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সর্বাধিক পঠিত
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

১৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

১৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার
হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

১৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

২৩ ঘণ্টা আগে | পরবাস

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

২৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী
পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা
চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা

৬ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব
ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার
৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’
‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু
আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত
দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

যৌথ পরিবারের গল্প
যৌথ পরিবারের গল্প

শনিবারের সকাল

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে