পরপর দুই ম্যাচে কনকাসন সাব নিয়ে খেলল পাকিস্তান। টানা দুই ম্যাচে পাকিস্তানের ১২ ক্রিকেটার ব্যাটিং করেছেন। যা ক্রিকেট বিশ্বে বিরল। মাউন্ট মনগুনাইয়ে গতকাল ওয়ানডে সিরিজের শেষ ম্যাচে শুধু ১২ জনই ব্যাটিং করেননি, ৩৯ ওভারে ব্যাটারের দিকে বোলারের বল ছোড়ার সময় বিদ্যুৎ চলে যায় সবগুলো ফ্লাডলাইটের। এমন ঘটনা কখনো ঘটেনি কোনো ক্রিকেট ম্যাচে। ঘটনাবহুল ম্যাচটিতে পাকিস্তান হার এড়াতে পারেনি। স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের কাছে ৪৩ রানে হেরে হোয়াইটওয়াশ হয়েছে পাকিস্তান। নেপিয়ারে প্রথম ওয়ানডেতে ৭৩ রানে ও হ্যামিল্টনে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ৮৪ রানে জিতেছিল নিউজিল্যান্ড। ওয়ানডের আগে টি-২০ সিরিজও জিতেছে স্বাগতিক নিউজিল্যান্ড। ৫ ম্যাচ টি-২০ সিরিজ ব্ল্যাকক্যাপসরা জিতেছে ৪-১ ব্যবধানে। বিস্ময়কর ঘটনার জন্ম দেওয়া গতকালের ম্যাচে প্রথম ব্যাটিংয়ে নিউজিল্যান্ডের সংগ্রহ ছিল ৪২ ওভারে ৮ উইকেটে ২৬৪ রান। পাকিস্তান অলআউট হয় ২২১ রানে। আগের রাতে ভারী বৃষ্টিপাত হওয়ায় ম্যাচ নির্ধারিত সময়ের দেড় ঘণ্টা পর শুরু হয়। এজন্য ৪২ ওভারের কার্টেল ম্যাচ হয়। ম্যাচে প্রথম ব্যাটিংয়ে ৪২ ওভার ব্যাটিং করে স্বাগতিকরা। দলটির পক্ষে ৫৯ রান করেন অধিনায়ক মিচেল ব্রেসওয়েল। ৪০ বলের ইনিংসটিতে কিউই অধিনায়ক একটি চার ও ৬টি ছক্কা মারেন। ওপেনার রিস মাইরু ৫৮ রানের ইনিংস খেলেন ৬১ বলে ৬ চার ও ২ ছক্কায়। পাকিস্তানের বাঁ হাতি পেসার আকিফ জাভেদ ৪ উইকেট নেন ৮ ওভারের স্পেলে ৬২ রানের খরচে। নাসিম শাহ নেন ২ উইকেট। টার্গেট ২৬৫ রান। পেসার বেন সিয়ার্সের বিধ্বংসী বোলিংয়ে ৪০ ওভারে ২২১ রানে অলআউট হয় পাকিস্তান। সিয়ার্স ৩৪ রানের খরচে নেন ৫ উইকেট।
হ্যামিল্টন ম্যাচেও ৫ উইকেট নেন সিয়ার্স। টানা দুই ম্যাচে ৫টি করে ১০ উইকেট নিয়ে সিরিজ সেরা হন বেন সিয়ার্স।
ম্যাচে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের ঘটনা ঘটে ৩৯.৪ ওভারে। ব্যাটিং করছিলেন পাকিস্তানের তাইয়েব তাহির। বল করছিলেন নিউজিল্যান্ডের জ্যাকব ডাফি। ডাফি বল করতেই সবগুলো ফ্লাডলাইট নিভে যায়। বিপদ বুঝে স্ট্যাম্প ছেড়ে দেন তাহির। বলের গতি বুঝতে পারেননি উইকেটরক্ষক মিচেল হে। বল বাউন্ডারি সীমানা পার হয়ে যায়।
নিউজিল্যান্ড : ২৬৪/৮, ৪২ ওভার (ব্রেসওয়েল ৫৯, মারিউ ৫৮, মিচেল ৪৩। আকিফ ৪/৬২, নাসিম ২/৫৪)।
পাকিস্তান : ২২১/১০, ৪০ ওভার (বাবর ৫০, রিজওয়ান ৩৭, শফিক ৩৩। সিয়ার্স ৫/৩৪, ডাফি ২/৪০)।