শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ০৭ মার্চ, ২০২৫ আপডেট: ০১:১৫, শুক্রবার, ০৭ মার্চ, ২০২৫

জসীমউদ্‌দীনের কবিতায় গ্রাম, মানুষের জলছবি

সাইফুজ্জামান
প্রিন্ট ভার্সন
জসীমউদ্‌দীনের কবিতায় গ্রাম, মানুষের জলছবি

জসীমউদ্‌দীন বাংলা কবিতার আধুনিক প্রতিনিধি। পল্লীকবির অভিধার পালক তাঁর মুকুটে যুক্ত হলেও তিনি ক্রমশ দীপ্যমান হয়ে ওঠেন। গ্রাম বাংলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে তিনি মুগ্ধ হন। সরল সাধারণ মানুষের জীবনযাপনের বর্ণনা তাঁর কবিতাকে মহিমান্বিত করেছে। বাঙালির প্রাণ আবেগ। সেই আবেগকে অবলম্বন করে তিনি অসংখ্য কবিতা রচনা করেছেন। বিরহ যাতনা তাঁর কবিতার প্রাণশক্তি। প্রণয়, বিরহ, পরিণয় সব পর্যায়ে তাঁর সজাগ সতর্ক দৃষ্টিনিবদ্ধ হয়েছে। বিশ শতকের তৃতীয় দশকে জসীমউদ্‌দীন বাংলা কবিতায় আত্মপ্রকাশ করেন। যখন রবীন্দ্রনাথ ও নজরুল দোর্দণ্ড প্রতাপে বাংলা সাহিত্যকে শাসন করছেন, এমন সময়ও জসীমউদ্‌দীন তাঁর কবিতা নিয়ে বাঙালির হৃদয়ে স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছেন। 

জসীমউদ্‌দীন রচিত কাব্যগ্রন্থ : রাখালী (১৯২৭), নকশী কাঁথার মাঠ (১৯২৯), বালুচর (১৯৩০), ধানক্ষেত (১৯৩০), সোজন বাদিয়ার ঘাট (১৯৩৩), হাসু (১৯৩৮), রূপবতী (১৯৪৬), মাটির কান্না (১৯৫১), এক পয়সার বাঁশি (১৯৫৬), ভয়াবহ সেই দিনগুলিতে (১৯৬২), মা যে জননী কান্দে (১৯৬৩), হলুদ বরণী (১৯৬৬), জলে লেখন (১৯৬৯), পদ্মা নদীর দেশে (১৯৬৯), মাগো জ্বালিয়ে রাখিস আলো (১৯৭৬), কাফনের মিছিল (১৯৭৮), মহররম, দুমুখো চাঁদ পাহাড়ি (১৯৭৮), নাটক : পদ্মাপার (১৯৫০), বেদের মেয়ে (১৯৫১), মধুমালা (১৯৫১), পল্লীবধূ (১৯৫৬), গ্রামের (১৯৫৯), ওগো পুষ্প ধনু (১৯৬৮), আসমান সিংহ (১৯৮৩)। আত্মকথা; যাদের দেখেছি (১৯৫১), ঠাকুর বাড়ির আঙ্গিনায় (১৯৬১), জীবন কথা (১৯৬৪), স্মৃতিপট (১৯৬৪), স্মরণের সরণী বাহি (১৯৭৮) উপন্যাস : বোবা কাহিনী ইত্যাদি। 

জসীমউদ্‌দীন যখন কবিতা চর্চায় আত্মনিয়োগ করেন, তখন ত্রিশ দশকের পঞ্চপাণ্ডব কবিদের বিদ্রোহ নতুন মাত্রা সূচনা করে। তুমুল প্রতিযোগিতার মধ্যে তাঁর যাত্রা। জসীমউদ্দীন গ্রামের পথে ঘুরে-ফিরে এক রাখালের মতো বাঁশি বাজিয়ে সবাইকে আকৃষ্ট করলেন। নাগরিক জীবনের হাতছানি, বিপন্নতা, অবসাদ, ক্লান্তি কারও কারও কবিতায় অনুপ্রবেশ করে। জসীমউদ্‌দীন গ্রাম বাংলার পথ-ঘাট, বৃক্ষ, ফুল, মানুষ ও তার সংগ্রামকে কবিতার বিষয় হিসেবে চিহ্নিত করেন। যে পল্লী সাহিত্য উপেক্ষিত ছিল তাকে তিনি রূপ ও রস প্রদান করেন। 

ব্যক্তিজীবনের দুঃখকষ্টের মধ্যে দীনেশ চন্দ্র সেনের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হলে তিনি গ্রাম্য গাঁথা সংগ্রাহক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। একদিকে কবিতা লেখার তাগিদ, অন্যদিকে গ্রাম সম্পদ সংগ্রহের জীবন তাঁকে নতুন অভিজ্ঞতায় ঋদ্ধ করে। জীবনযুদ্ধের মধ্যে তিনি ক্রমশ অগ্রসর হয়েছেন। পৌঁছে গেছেন গন্তব্যে।

জসীমউদ্দীনের লেখালেখির শুরু ছেলেবেলা থেকেই। ছাত্রাবস্থায় তিনি রচনা করেন কবর কবিতা :

এইখানে তোর দাদির কবর

ডালিম গাছের তলে

তিরিশ বছর ভিজায়ে রেখেছি

দুই নয়নের জলে।

এতটুকু তারে ঘরে এনেছিনু

সোনার মতন মুখ,

পুতুলের বিয়ে ভেঙে গেল বলে

কেঁদে ভাসাইতো বুক।

এখানে ওখানে ঘুরিয়া ফিরিতে

ভেবে হইতাম সারা,

সারা বাড়ি ভরি এত সোনা মোর

ছড়াইয়া দিল কারা!

সোনালি ঊষায় সোনামুখ তার

আমার নয়নে ভরি

লাঙল লইয়া ক্ষেতে ছুটিতাম

গাঁয়ের ও-পথ ধরি।

যাইবার কালে ফিরে ফিরে তারে

দেখে লইতাম কত

একথা লইয়া ভাবি-সাব মোরে

তামাশা করিত শত।

কবিতাটি কল্লোল পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। লেখা পাঠানোর ছয় মাস পর কবিতাটি প্রকাশিত হলে পাঠক মহলে বিপুল সাড়া পড়ে যায়। দীনেশ চন্দ্র সেনের সমালোচনা তাঁকে নতুন করে পাদপ্রদীপের আলোয় নিয়ে আসে। দীনেশ চন্দ্র সেন এক ভবিষ্যৎ কবির সম্ভাবনাকে চিহ্নিত করেন।

জসীমউদ্‌দীন রচিত নকশী কাঁথা মাঠ অসামান্য বর্ণনায় ঋদ্ধ। সোজন বাদিয়ার ঘাট কাব্যগ্রন্থে বাংলার মাটি ও মানুষের কাহিনি বিস্তৃত হয়েছে। সোজন বাদিয়ার ঘাট সম্পর্কে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেন- তোমার সোজন বাদিয়ার ঘাট অতীব প্রশংসার যোগ্য। এ বই বাংলার পাঠকসমাজে আদৃত হবে সে বিষয়ে আমার লেশমাত্র সন্দেহ নাই। জসীমউদ্‌দীনের কবিতায় উপমা-উৎপ্রেক্ষার ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। চেনা জনপদ থেকে তিনি কবিতায় প্রবিষ্ট করেন :

লাল মোরগের পাখার মত ওড়ে

তাহার শাড়ি

ভোরের হাওয়ায় যায় যেন গো

প্রভাতী মেঘ নাড়ি।

গ্রামের সাধারণ মানুষ, পরিচিত দৃশ্য, প্রকৃতিস্নাত পঙ্ক্তিমালা পাঠকের অন্তর ছুঁয়ে যায়। তিনি ভাটিয়ালি সংগীত রচনা করেছেন। ইসলামী গান, দেশাত্মবোধক গান তাঁর রচনার অমর সৃষ্টি। জসীমউদ্‌দীন বাংলা কবিতায় এক নতুন আবহের রূপকার। যেমন কবিতার বিষয়, ছন্দ, শব্দ নির্বাচন তেমন স্বতন্ত্র হৃদয়গ্রাহী স্বাদ ও রুচির কবিতা নির্মাণে তাঁর মতো কৃতী কবি খুব কম দেখা যায়। তাঁর সময়ে একদল কবি নগর যন্ত্রণায় ব্রত হয়ে কাব্যচর্চা করেছেন। সেখানে তিনি গ্রাম্য জীবনকে অবলম্বন করে স্নাত লোকজ ঐতিহ্যের অনুরাগী হয়ে নতুনমাত্রিক কাব্যভাষা রপ্ত করেছেন। ফুল, পাখি, নদী, শস্যের মাঠ আর সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে লীন জসীমউদ্‌দীন ধীরে ধীরে আধুনিক কবি হয়ে উঠেছেন। নিসর্গপ্রেমিক তিনি রাখাল আর বালুচরের সৌন্দর্যে মুগ্ধ। তাঁর রচিত সাধারণ মানুষেরা চাঁদ, সূর্য-বালুচরের মতো স্নিগ্ধ ও প্রবহমান। অসংখ্য কবিতায় নাগরিক জীবনে অভ্যস্ত হওয়া মানুষকে পেছনে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। জসীমউদ্‌দীনের মতো আর কেউ কি বলতে পেরেছেন এমন করে প্রাণের কথা : খেলা মোদের গান গাওয়া ভাই/ খেলা লাঙল চষা/ সারাটি দিন খেলতে জানি/ জানিই নেক বসা (রাখাল ছেলে/রাখালী) উদ্ধৃত করা যেতে পারে :

১. কাল সে আসিবে,

মুখ খানি তার নতুন চরের মত

চখা আর চখি নরম

ডানায় মুছায়ে দিয়াছে কত।

(কাল সে আসিবে)

২. কেমন যেন গাল

দুখানি মাঝে রাঙা ঠোঁটটি তাহার

মাঠে ফোটা

কলমি ফুলে কতকটা তার

খেলে বাহার

(রাখালী)

৩. কাঁচা ধানের পাতার

মত কচি মুখের মায়া,

তার সাথে

কে মাখিয়ে দেছে নবীন তৃণের ছায়া

জালি লাউয়ের ডগার মত বাহু

দুখান সরু

গা খানি

তার শাওন মাসের যেমন তমাল তরু

(নকশী কাঁথার মাঠ)

জসীমউদ্‌দীন রাজনীতিতে সরাসরি যুক্ত ছিলেন না। দেশপ্রেম ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তি করে তিনি অনেক কবিতা রচনা করেছেন। তাঁর রাজনৈতিক কবিতা তেমন আলোচিত হয়নি। তাঁর সদর্থক ভূমিকা ও উপনিবেশিক ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কবিতার বিষয় হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। 

ভাষা আন্দোলনের শহিদদের উদ্দেশে তিনি উচ্চারণ করেন, ঘুমাও ঘুমাও ভাইরা মোদের ঘুমাও মাটির ঘরে/ তোমাদের কথা লিখিয়াছি মোরা রক্ত আখর গড়ে/ মাতা দিয়ে তার সন্তান বলি/ লিখেছে অমর সেই কথা কলি/ ভাই দিছে/ ভাই বৌ দিছে স্বামী যে রক্ত পথ ধরে।

হাজার বছর বাংলা কবিতার ভাণ্ডারে যে ঐতিহ্য ও বিষয় যুক্ত হয়েছিল তার সঙ্গে জসীমউদ্‌দীন নতুন ধারা সংযুক্ত করেন। বাংলার গ্রামীণ জনপদের আঙিনায় তিনি খুঁজে পেলেন তাঁর শিল্প সুষমা। রুপাই, দুলী, সাজুকে তাঁর কবিতার বিষয় বৈভব করেছেন তিনি। তাঁর মা পল্লী জননী। হিন্দু, মুসলমানদের যৌথ মাঙ্গলিক অভিযাত্রা তাঁর কবিতার মূর্ছনা। রবীন্দ্র, নজরুল, কল্লোল সাহিত্য প্রভাবিত যুগে তাঁর আবির্ভাব হলেও চন্দ্র কিরণের বিভায় আলোকিত করেছেন চারপাশ, তাঁর নিজস্বতা বজায় রেখেছেন সর্বক্ষেত্রে। আজও জসীমউদ্‌দীন স্বকাল, বাংলার রূপবৈচিত্র্য ও তাঁর ক্যানভাসে বর্ণিত বিষয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্র হিসেবে বিরাজমান। বাংলা কবিতায় তাঁর সৃজিত ফসল কবিতা, নাটক, স্মৃতিকথা ও সংগীতে সমৃদ্ধ হয়ে আছে। স্মৃতিতে, স্মরণে জসীমউদ্‌দীন অনন্তকাল বেঁচে থাকবেন তাঁর পাঠকের হৃদয়ে। 

কবি জসীমউদ্‌দীন ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। মৃত্যু ১৯৭৬র ১৩ মার্চ।

এই বিভাগের আরও খবর
উৎপল
উৎপল
নারিন্দার মেয়ে
নারিন্দার মেয়ে
প্রেম; তোমাকে-আমাকে
প্রেম; তোমাকে-আমাকে
গহিন কাব্য
গহিন কাব্য
অর্থময় সিসিফাস
অর্থময় সিসিফাস
ইরাবতী
ইরাবতী
নির্জন নদী
নির্জন নদী
প্রমার মুখ
প্রমার মুখ
বিদায়
বিদায়
ছায়া পড়ে থাকে
ছায়া পড়ে থাকে
দুজনের সম্পর্ক যা
দুজনের সম্পর্ক যা
জসীমউদ্‌দীনের কবর
জসীমউদ্‌দীনের কবর
সর্বশেষ খবর
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি

এই মাত্র | পূর্ব-পশ্চিম

এ বছরের মধ্যে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক
এ বছরের মধ্যে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক

৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

ভারতে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসে খেলাফত মজলিসের উদ্বেগ
ভারতে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসে খেলাফত মজলিসের উদ্বেগ

৯ মিনিট আগে | রাজনীতি

‌‘দেশে ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য আন্দোলন সংগ্রাম করেছি’
‌‘দেশে ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য আন্দোলন সংগ্রাম করেছি’

১০ মিনিট আগে | রাজনীতি

শান্তি আলোচনায় সময় ফুরিয়ে আসছে, রাশিয়াকে হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের
শান্তি আলোচনায় সময় ফুরিয়ে আসছে, রাশিয়াকে হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের

১২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র-কানাডার শিক্ষার্থীদের জন্য চ্যাটজিপিটি প্লাস ফ্রি, চলবে মে মাস পর্যন্ত
যুক্তরাষ্ট্র-কানাডার শিক্ষার্থীদের জন্য চ্যাটজিপিটি প্লাস ফ্রি, চলবে মে মাস পর্যন্ত

২৪ মিনিট আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বদরগঞ্জে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৪০
বদরগঞ্জে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৪০

২৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

মাঠজুড়ে সূর্যমুখী ফুলের সমারোহ
মাঠজুড়ে সূর্যমুখী ফুলের সমারোহ

৪১ মিনিট আগে | প্রকৃতি ও পরিবেশ

ভুরুঙ্গামারীতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার
ভুরুঙ্গামারীতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার

৫১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বাকৃবিতে উন্নত জাতের টমেটোর জাত উদ্ভাবন
বাকৃবিতে উন্নত জাতের টমেটোর জাত উদ্ভাবন

৫৭ মিনিট আগে | প্রকৃতি ও পরিবেশ

১২ এপ্রিল নিউইয়র্কে ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’
১২ এপ্রিল নিউইয়র্কে ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’

১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

টাঙ্গাইলে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন
টাঙ্গাইলে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাওনা টাকা চাওয়ায় হামলা, ঘটনার ৪ দিন পর যুবকের মৃত্যু
পাওনা টাকা চাওয়ায় হামলা, ঘটনার ৪ দিন পর যুবকের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সিলেটে ৯ দিনে ২৮৭ নরমাল ডেলিভারি
সিলেটে ৯ দিনে ২৮৭ নরমাল ডেলিভারি

১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

মহাকাশ থেকে পৃথিবীতে পড়েছে ১২০০ বস্তুর ধ্বংসাবশেষ
মহাকাশ থেকে পৃথিবীতে পড়েছে ১২০০ বস্তুর ধ্বংসাবশেষ

১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি
ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শরীরে একাধিক কোপ, ডোবা থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার
শরীরে একাধিক কোপ, ডোবা থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অক্টোবরেই অচল ২৪ কোটি কম্পিউটার, বিকল্প কী?
অক্টোবরেই অচল ২৪ কোটি কম্পিউটার, বিকল্প কী?

১ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

যৌন হেনস্তার অভিযোগে ‘স্কুইড গেম’ তারকার সাজা
যৌন হেনস্তার অভিযোগে ‘স্কুইড গেম’ তারকার সাজা

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

চাঁদপুরে ৬৪ যানবাহনে তল্লাশি ও জরিমানা
চাঁদপুরে ৬৪ যানবাহনে তল্লাশি ও জরিমানা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে যেসব সিদ্ধান্ত গৃহীত
বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে যেসব সিদ্ধান্ত গৃহীত

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষাব্যবস্থাকে মানসম্মত করতে হবে’
‘পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষাব্যবস্থাকে মানসম্মত করতে হবে’

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রফতানি আরও বাড়বে, কমবে না: প্রেস সচিব
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রফতানি আরও বাড়বে, কমবে না: প্রেস সচিব

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সিআরবিতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান
সিআরবিতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে মধ্যরাতের মধ্যে ঝড়ের আভাস
ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে মধ্যরাতের মধ্যে ঝড়ের আভাস

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মুক্তাগাছায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১
মুক্তাগাছায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বরিশালে ডোবা থেকে অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার
বরিশালে ডোবা থেকে অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

কালীগঞ্জে রেল ব্রিজের নিচ থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার
কালীগঞ্জে রেল ব্রিজের নিচ থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মেক্সিকোতে প্রথম এইচ৫এন১ বার্ড ফ্লু রোগী শনাক্ত
মেক্সিকোতে প্রথম এইচ৫এন১ বার্ড ফ্লু রোগী শনাক্ত

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অষ্টমী স্নানে ব্রহ্মপুত্র নদে পুণ্যার্থীদের ঢল
অষ্টমী স্নানে ব্রহ্মপুত্র নদে পুণ্যার্থীদের ঢল

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি
আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব
ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা
সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার
হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন
ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প
‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী
পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম
নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে
কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা
চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা

১১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার
লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার
৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি
হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি

৫ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে
প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে

১৯ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু
আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার
প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার

৭ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা
আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা
পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা
ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত
দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

যৌথ পরিবারের গল্প
যৌথ পরিবারের গল্প

শনিবারের সকাল

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে