শিরোনাম
প্রকাশ: ১২:৩৫, বুধবার, ০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

বাংলা কি অনাদৃতই থেকে যাবে

সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
অনলাইন ভার্সন
বাংলা কি অনাদৃতই থেকে যাবে

দারিদ্র্য যদি খুঁজি তাও আছে, অসাম্য খুঁজলে তাও—আমাদের সংস্কৃতিতে এই দুই উপাদানের কোনো অভাব নেই। এবং দারিদ্র্য ও অসাম্যকে এমনিতে যতটা পরস্পর নিকটবর্তী মনে হয়, আসলে তারা তার চেয়েও বেশি ঘনিষ্ঠ। বললে ভুল হবে না মোটেই যে অসাম্যই দারিদ্র্যের মূল কারণ। অসাম্য যে বিভাজন সৃষ্টি করেছে ধনীতে ও দরিদ্রে, শহরে ও গ্রামে, শিক্ষিতে ও অশিক্ষিতে, সেই বিভেদই দারিদ্র্য সৃষ্টির জন্য দায়ী—কী অর্থনীতিতে, কী সংস্কৃতিতে, যেমন মূল কাঠামোতে তেমনি ওপরকাঠামোতে।

অর্থনৈতিক দারিদ্র্যের পক্ষে সাংস্কৃতিক দারিদ্র্যের কারণ হওয়ার পথে কোনো প্রতিবন্ধক নেই। এ কথাও অবশ্যি সত্য যে টাকা হাতে এলেই যে সংস্কৃতিতে উৎকর্ষ আসবে এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই। মধ্যপ্রাচ্যের তেল-ধনী কোনো কোনো দেশ এ বিষয়ে সরলরৈখিক সমীকরণ টানার বিপক্ষে রায় দিচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যে যেতে হবে কেন, আমাদের হাতের কাছেই হঠাৎ ধনী পরিবার খুঁজলে পাওয়া যাবে, যারা ওপরে যত বেড়েছে হৃদয়ে তত বাড়েনি।না, টাকা থাকলেই রুচিবান হওয়া যায় না; কিন্তু বিপরীত পক্ষে আবার টাকা না থাকলে রুচিও বেঁচে থাকে না, কিছুই থাকে না। কেবল খাওয়ার জন্য মানুষ বাঁচে না বটে, তবে বাঁচতে হলে খেতেই হয়।

কিন্তু এ আলোচনার প্রারম্ভেই বোধ করি বলে নেওয়া আবশ্যক যে সংস্কৃতি কোনো সংকীর্ণ অর্থে বিবেচনা করছি না আমরা। সংস্কৃতি বলতে সুকুমার শিল্পের চর্চাকেই শুধু বোঝানো হচ্ছে না, বরঞ্চ চিন্তা-চেতনার প্রকাশসমূহকেই ধরা হচ্ছে, যাদের মধ্যে সুকুমার শিল্পসমূহ থাকবে তো বটেই, কিন্তু কেবল তারাই থাকবে না, সঙ্গে আপন আপন দাবি নিয়ে থাকবে ভাষা ও সাহিত্য, দর্শন ও বিজ্ঞান, থাকবে শিক্ষা ও জ্ঞানানুশীলন।

আসলে সংস্কৃতি হচ্ছে পরিবেশ ও প্রকৃতির ওপর কর্তৃত্ব স্থাপনে মানুষের যে প্রয়াস তারই প্রকাশ, এই প্রয়াসে আনন্দ আছে, বেদনা আছে, এর অভ্যন্তরে প্রতিনিয়ত গড়ে উঠছে চিন্তাধারা। এই প্রয়াসে পরিবেশ ও প্রকৃতি যেমন বদলায় তেমনি মানুষ নিজেও যায় বদলে। 

যদি সংস্কৃতির বিভিন্ন এলাকাতে আলাদা আলাদাভাবে চোখ দিই, তবে দেখা যাবে ওই যে বললাম দারিদ্র্য ও অসাম্য, তারা নানাভাবে নানারূপে কাজ করে যাচ্ছে। আসলে আমাদের এই আলোচনা সেই দৃষ্টিপাত ভিন্ন অন্য কিছু নয়। সিদ্ধান্তটা যদি আগে থেকেই দিয়ে দেওয়া হয় সে শুধু এই কারণে যে এ কোনো গোপন ব্যাপার নয়, এর মধ্যে লুকোচুরি নেই।

সত্যটা সামান্যই, অসামান্য সত্যের কার্যকারিতা, কর্মদক্ষতা ও সর্বত্রবিরাজমানতা।
সর্বক্ষেত্রের দিকে একই সঙ্গে তাকানো যাবে না। আপাতত আমরা কয়েকটি ক্ষেত্রের দিকে তাকাব। যেমন ধরা যাক ভাষার কথা।

আমাদের এই অঞ্চলে ভাষা সব সময়ই একটা বড় সমস্যা। তার একটা প্রধান কারণ বেশির ভাগ মানুষই অশিক্ষিত এখানে। অশিক্ষিতজনের কোনো ভাষা নেই, এক আর্তনাদ এবং কদাচিৎ-কখনো হুংকার ছাড়া। কিন্তু শিক্ষিতজনের মধ্যেও ভাষার সমস্যা বারংবার দেখা গেছে, অত্যন্ত কিম্ভূত, নিতান্ত কুৎসিত আকারে। বাংলা এখানে রাষ্ট্রভাষা আগে কখনোই ছিল না। শাসক ও শাসকের সহযোগী শ্রেণি সংস্কৃতের চর্চা করেছে কখনো, কখনো ফার্সির, তারপর ইংরেজির, এমনকি সেবা করতে চেয়েছিল উর্দুরও। নিকট অতীতেও ইংরেজির অত্যন্ত প্রাদুর্ভাব ছিল। দুই-দুইবার স্বাধীন হবার পরও ইংরেজির চল কমেনি, বাড়ছেই বরঞ্চ দিনকে দিন। স্বাধীন বাংলাদেশে প্রতিবছর একুশে ফেব্রুয়ারিতে নতুন করে শপথ নিতে হয় জীবনের সর্বক্ষেত্রে বাংলা ভাষা প্রচলনের। সে শপথ পরের দিনই বিলীন হয় বিস্মৃতির গহ্বরে। বলা বাহুল্য, এর কারণটা খুবই স্পষ্ট। ইংরেজ গেছে, আমেরিকা এসেছে, সাম্রাজ্যবাদ ঘটা করে চলে গেল নতুন করে, আরো প্রবলভাবে ফিরে আসার জন্য। আজ দুর্ভাগা বাংলাদেশের সর্বত্র বিদেশের উপস্থিতি, তার পুঁজি আসছে বিদেশ থেকে, আসছে ঋণ, দান, অনুদান সাহায্য। বিক্রি হয়ে যাচ্ছে পানির মাছ, হবে মনে হয় মাটির নিচের গ্যাস, ওপরের আকাশ। যুগ-যুগান্তের জন্য বন্ধক রাখা হয়ে গেছে আমাদের ভবিষ্যৎ। যার গায়ের জামায়, মুখের ভাষায়, মেধার রেখায় যত বেশি বিদেশের ছাপ সেই তত বেশি মহৎ এই দেশে। তেমন অবস্থায় বাংলা কেন চলবে? না, চলে না। সমাজের অধিপতি শ্রেণি বাংলা চর্চা করে না। বাঙালি মুসলমানের মাতৃভাষা বাংলা না উর্দু এই মর্মান্তিক বিতর্ক একদিন উঠেছিল, আজও উঠতে পারে নতুন এক বিতর্ক—বাঙালির মাতৃভাষা বাংলা নাকি ইংরেজি? উচ্চ শিক্ষিত বাঙালির প্রধান অংশটাই বাংলা চর্চায় যেমন অনভ্যস্ত তেমনি অনাগ্রহী। এমনকি যে বাঙালি বাংলা ব্যবহার করে তারও বাক্যের মধ্যে ইংরেজির অনুপ্রবেশ ক্রমবর্ধমান। কারণ এই শ্রেণির মধ্যে উদগ্র লালসাটা হলো যেকোনো পথে হোক, যেকোনোভাবেই হোক সাম্রাজ্যবাদের সঙ্গে যুক্ত হওয়া। এরা উপগ্রহ, গ্রহের আলোকেই আলোকিত। এটা একদিক। অন্যদিকে এই শ্রেণি দেশের ব্যাপক জনসাধারণের সঙ্গে নিজের দূরত্বটাকে যেভাবে পারে, যতটা পারে বজায় রাখতে চায়। সে ক্ষেত্রেও ভাষা মানুষের সহায়ক বটে। ভাষা মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে, কিন্তু এ ক্ষেত্রে ভাষা মানুষকে বিচ্ছিন্ন করেছে। ইংরেজি আসছে বিচ্ছিন্নতার তথা আভিজাত্যের স্মারকচিহ্ন হিসেবে। যেমন—এককালে ফার্সি এসেছিল, তার আগে এসেছিল সংস্কৃত। আবির্ভাব হয়েছিল উর্দুরও।

ফস করে যদি কেউ প্রশ্ন করেন, বাংলা ভাষাটা তাহলে কোথায় আছে? বলা যাবে সে আছে সাধারণ মানুষের জীবনে। এ দেশের সাধারণ মানুষ অসাধারণরূপে বিপন্ন, কিন্তু সেই বিপন্ন মানুষই বিপন্ন ভাষাকে রক্ষা করছে, মা যেমন রক্ষা করে আপন শিশুকে। বিদেশিরা বারবার এসেছে এ দেশে, এসে শাসন করেছে দেশ, তাদের তাঁবেদার শ্রেণি শাসকদের ভাষাকেই নিজেদের ভাষা হিসেবে সানন্দে মেনে নিয়েছে। কিন্তু সাধারণ মানুষ ওই ‘অছিলাটা’ পায়নি, তারা থেকেছে নিজস্ব ‘অন্ধকারে’, যায়নি দালালির পথে, হয়নি বেনিয়া-ফড়িয়া, কিংবা আমলা। তাদের ভাষা সব যুগেই স্বদেশি ভাষা। এমনকি বায়ান্নর রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনও সফল হতো না (যতটা হয়েছে) যদি না সাধারণ মানুষ নিজেদের নতুনভাবে বিপন্ন করে এগিয়ে এসে যোগ দিত লড়াইয়ে।

মাতৃভাষা চর্চাই যদি দেশপ্রেমের সবচেয়ে অকৃত্রিম ও নির্ভরযোগ্য নিরিখ হয়, তাহলে এ দেশের শ্রমিক-কৃষকই যে সবচেয়ে বড় দেশপ্রেমিক সে বিষয়ে কোনো প্রকার সন্দেহ থাকে না; শ্রমিকের চেয়েও উচ্চস্থান কৃষকের। বিদেশ কৃষককে ছুঁয়েছে সবচেয়ে কম। যে শ্রেণি উৎপাদনের ক্ষেত্রে প্রধান শক্তি সেই একই শ্রেণি যে সবচেয়ে বড় দেশপ্রেমিক এ ঘটনা তাৎপর্যবিহীন নয়।

কিন্তু দেশের সাধারণ মানুষের জীবনের সত্যি কোনো ভাষা আছে কি? সেও তো একটি মর্মান্তিক প্রশ্ন। শ্রমজীবী মানুষের জীবনটা ছোট শিশুর জীবনের চেয়েও সংকীর্ণ। কেননা তাতে শিশুর হ্রস্বত্ব আছে ঠিকই, কিন্তু শিশুর কল্পনাটা নেই। যেন আজন্ম বৃদ্ধ সে, লোলচর্ম। বাংলাদেশের গ্রামগুলোর মতোই অন্ধকারাচ্ছন্ন-আতঙ্কে জড়সড়। না, বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের মতো ভাষাহীন প্রাণী খুঁজে পাওয়া ভার। বিষয়ীর সঙ্গে বিষয় এখানে এমন গলাগলি ঠাসাঠাসি করে দাঁড়িয়ে যে সাধ্য কি সেখানে ভাষা প্রবেশ করে, অন্তঃপ্রবিষ্ট হয় বস্তুজ্ঞান, অথবা তত্ত্বচিন্তা। বিশেষ্যকে সেখানে ছাপিয়ে ওঠে বিশেষণ। তাই যদি হয়, কেমন করে তাহলে বলব যে সাধারণ মানুষের অতিসংকীর্ণ জীবনে ভাষা আছে? না, এক অর্থে ভাষা নেই। আর এখানেই আরেকটি মর্মান্তিকতা, যাদের মুখে ভাষা নেই ভাষা রক্ষার দায়িত্ব তাদেরই নিতে হচ্ছে। এ অবশ্যি অস্বাভাবিক কোনো ঘটনা নয় আমাদের দেশে। এখানে উৎপাদন যে করে উৎপাদিত পণ্য সে ভোগ করে না, এখানে দরিদ্রই দরিদ্রকে সাহায্য করে এবং দরিদ্রই ধনীকে বাঁচায়।

উচ্চবিত্তদের জীবনে বাংলার চলটা কম। বিত্তের উচ্চতা ও বাংলার ব্যবহার বিপরীত অনুপাতে চলে। এই বৈপরীত্য বাড়ছে বৈ কমছে না। আমাদের উচ্চবিত্তদের জগৎ এত বেশি উদার ও বৃহৎ, সাহসী ও বিকাশপ্রিয় যে তারা ও বিত্তহীনেরা যে একই দেশের মানুষ তা ভাবলে যে ধাঁধা লাগে না তার কারণ আমরা এ বিষয়ে ভাবিই না। এদের জগৎ মোটামুটি আন্তর্জাতিক, আর আন্তর্জাতিক মানে বাংলার উচ্চমূল্য নির্ধারণ সহজ কাজ নয়।

মাঝখানে মধ্যবিত্ত, তার জীবনে বাংলার চল উচ্চবিত্তের চেয়ে বেশি, কিন্তু বিত্তহীনের তুলনায় কম। মধ্যবিত্ত চিরকালই অসন্তুষ্ট, এ ক্ষেত্রেও তার স্বাভাবিক অসন্তোষ বিদ্যমান। সে অসন্তুষ্ট উচ্চবিত্ত থেকে সে যথেষ্ট দূরের বলে, অর্থাৎ কিনা যদৃচ্ছ ইংরেজি ব্যবহার করতে পারে না দেখে, এবং অন্যদিকে আবার অসন্তুষ্ট নিম্নবর্তী শ্রেণির যথেষ্ট নিকটবর্তী বলে, অর্থাৎ কিনা বাংলা বহুল পরিমাণে ব্যবহার করতে হয় দেখে। ব্যাপারটা এমন স্পষ্ট নয়, কিন্তু অস্পষ্টভাবে হলেও ব্যাপারটা এই রকমই।

আমরা বলে থাকি, বাংলা চলছে না। কথাটার অর্থ কি? একটা অর্থ, অফিস-আদালতে চলছে না; শিক্ষায়, বিশেষ করে উচ্চশিক্ষায় চলছে না। অফিস-আদালতে বাংলা চলবে, বাংলা ছাড়া আর কিছুই চলবে না, এই রকম হুকুম থেকে থেকে জারি হয়, কিন্তু এই ভীতির দেশেও অফিসের কলম দেখা যাচ্ছে বেশ নির্ভীক, ইংরেজিই লেখে সে, নির্ভয়ে। এমনকি ভুল লিখলেও। কিন্তু না হয় ধরেই নিলাম আমরা আমাদের ঈন্সিত লক্ষ্যে সত্যি পৌঁছে গেলাম, বাংলা ছাড়া আর কোনো ফাইলই চলছে না, কিন্তু সেই চলমানতায় কি লিখিত বাংলা ভাষা সর্বত্র চলে যাবে, পৌঁছে যাবে দীনদরিদ্র, অশিক্ষিত, অখ্যাতজনের কুঁড়েঘরে। অক্ষরজ্ঞান কি সকলের আছে, সকলের কি সামর্থ্য আছে বই কিনবে, কিনে পড়বে?

কিন্তু অফিসে-আদালতে এবং উচ্চশিক্ষায় বাংলা চালু হয়ে যাবে এ কল্পনাটাও আপাতত আকাশকুসুম বটে। প্রথম সত্য এই যে আমাদের বিদেশনির্ভরতাকে ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি করে বাংলা ভাষাকে আমরা যথোপযুক্তরূপে এমনকি অফিস-আদালতেও চালু করতে পারব না, উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে তো নয়ই। টাকা যেখান থেকে আসে ভাষাও সেখান থেকেই আসবে। টাকাই আসলে কথা বলে, অন্য সব কিছুকে ছাপিয়ে ওঠে তার গলার স্বর। সামাজিক বীরেরা বাংলা বলেন না, বা যত কম বলেন ততই বেশি পরিমাণে বীরের মর্যাদা পান—এ দৃশ্য আমরা অতীতে দেখেছি, ভবিষ্যতেও দেখতে থাকব মাশাল্লাহ, যদি না হঠাৎ করে সামাজিক বিপ্লব ঘটে যায়। দ্বিতীয়ত, অফিস-আদালতে বাংলা চলছে, বাংলা ছাড়া আর কিছুই চলছে না—এই রোমহর্ষক ছবি দেশবাসীর জন্য বৈপ্লবিক কোনো মঙ্গল আপনা থেকেই বয়ে নিয়ে আসবে এমনও তো ভরসা হয় না। জেল-ফাঁসি তো মস্ত ব্যাপার, আমরা জরিমানার কথাটাই যদি ইংরেজিতে না এসে বাংলায় আসে, তাহলে যে আহ্লাদে একেবারে আটখানা হব এমন তো ভরসা রাখি না। বাংলা, ইংরেজি, আরবি, উর্দু সবই সমান তখন আমাদের কাছে। বাংলা ভাষায় উচ্চশিক্ষা দেব কী করে? পাঠ্যপুস্তক কোথায়? কোথায় পরিভাষা? কে করবে অনুবাদ? এই সমস্ত উত্তেজিত প্রশ্নের অভ্যন্তরে আছে একটি শান্ত সিদ্ধান্ত, পাঠ্যপুস্তক দেশে লেখা হবে না, তাকে আনতে হবে বিদেশ থেকে, তার বিষয়বস্তু আপাদমস্তক বিদেশি, আবরণটাই শুধু স্বদেশি। ওইটুকুই। উচ্চশিক্ষা সব দিক দিয়েই বিদেশমুখো এবং বিদেশে তো বাংলার চল নেই। ভাষার প্রসঙ্গ যখন উঠেছেই তখন বাংলা গদ্যের ব্যাপারটাও বিবেচনা করে দেখা দরকার বৈকি।

লেখক : ইমেরিটাস অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত

এই বিভাগের আরও খবর
ছাত্রদের রাজনীতি ও জনপ্রত্যাশা
ছাত্রদের রাজনীতি ও জনপ্রত্যাশা
ড. ইউনূসের আরো স্থায়িত্বের প্রশ্নে কিছু কথা
ড. ইউনূসের আরো স্থায়িত্বের প্রশ্নে কিছু কথা
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
প্রত্যাশা সমষ্টিগত মানুষের স্বাধীনতা ও মুক্তি
প্রত্যাশা সমষ্টিগত মানুষের স্বাধীনতা ও মুক্তি
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ, জাতীয় স্বার্থ ও গণঅভ্যুত্থানের পুনর্জাগরণ
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ, জাতীয় স্বার্থ ও গণঅভ্যুত্থানের পুনর্জাগরণ
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক: জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি ও ভবিষ্যৎ প্রেক্ষিত
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক: জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি ও ভবিষ্যৎ প্রেক্ষিত
সেনাবাহিনী নিয়ে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে
সেনাবাহিনী নিয়ে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে
সেনাবাহিনী বা প্রধান নিয়ে অপরিণামদর্শী স্মার্টনেস কাম্য নয়
সেনাবাহিনী বা প্রধান নিয়ে অপরিণামদর্শী স্মার্টনেস কাম্য নয়
তবে কি সংস্কারের পুকুরে ডুবছে নতুন স্বাধীনতা ?
তবে কি সংস্কারের পুকুরে ডুবছে নতুন স্বাধীনতা ?
বুদ্ধিজীবীরা প্রত্যক্ষ ভূমিকা রেখেছেন স্বাধীনতা সংগ্রামে
বুদ্ধিজীবীরা প্রত্যক্ষ ভূমিকা রেখেছেন স্বাধীনতা সংগ্রামে
সেনাবাহিনীকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে
সেনাবাহিনীকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে
সর্বশেষ খবর
ব্যাংক ও আর্থিক খাত ধ্বংসের হোতা লোটাস কামাল
ব্যাংক ও আর্থিক খাত ধ্বংসের হোতা লোটাস কামাল

৮ মিনিট আগে | জাতীয়

গাজা থেকে ইসরায়েলে রকেট হামলা
গাজা থেকে ইসরায়েলে রকেট হামলা

৩০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পরশুরাম সীমান্তে তানজানিয়ান নাগরিক আটক
পরশুরাম সীমান্তে তানজানিয়ান নাগরিক আটক

৩৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

হঠাৎ অসুস্থ হয়ে কুমিল্লায় সিসিইউতে ভর্তি বরকত উল্লাহ বুলু
হঠাৎ অসুস্থ হয়ে কুমিল্লায় সিসিইউতে ভর্তি বরকত উল্লাহ বুলু

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঝালকাঠির কাঠালিয়ার ঘোড়দৌড়
ঝালকাঠির কাঠালিয়ার ঘোড়দৌড়

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঝালকাঠিতে গাছ থেকে মা-ছেলের মরদেহ উদ্ধার
ঝালকাঠিতে গাছ থেকে মা-ছেলের মরদেহ উদ্ধার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জুয়া বন্ধ করতে গিয়ে জুয়াড়িদের হামলার শিকার পুলিশ, আহত ৫
জুয়া বন্ধ করতে গিয়ে জুয়াড়িদের হামলার শিকার পুলিশ, আহত ৫

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

১২ দিন পর খুলছে তামাবিল স্থলবন্দর
১২ দিন পর খুলছে তামাবিল স্থলবন্দর

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাইবান্ধায় নিচে নামছে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর, পানি সংকট
গাইবান্ধায় নিচে নামছে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর, পানি সংকট

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ফিলিস্তিনে গণহত্যার প্রতিবাদে ঢাবির ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত
ফিলিস্তিনে গণহত্যার প্রতিবাদে ঢাবির ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত

৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ডিএনডি লেকে গোসলে নেমে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু
ডিএনডি লেকে গোসলে নেমে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজবাড়ীতে নিরব হত্যার প্রধান আসামি গ্রেফতার
রাজবাড়ীতে নিরব হত্যার প্রধান আসামি গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছেলের দায়ের কোপে আহত মায়ের মৃত্যু
ছেলের দায়ের কোপে আহত মায়ের মৃত্যু

৫ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ডাসারে অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিলো উপজেলা প্রশাসন
ডাসারে অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিলো উপজেলা প্রশাসন

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ফ্যাসিষ্টের দোসর ও নব্য বিএনপি থেকে সাবধান : মজনু
ফ্যাসিষ্টের দোসর ও নব্য বিএনপি থেকে সাবধান : মজনু

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি গণহত্যার প্রতিবাদে মুখে কালো কাপড় বেঁধে অবস্থান করবে ছাত্রদল
ইসরায়েলি গণহত্যার প্রতিবাদে মুখে কালো কাপড় বেঁধে অবস্থান করবে ছাত্রদল

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগে কাশিয়ানী থানার ওসি ক্লোজড
ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগে কাশিয়ানী থানার ওসি ক্লোজড

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘ভারতে বিতর্কিত ওয়াকফ বিল মুসলিমদের আরো নিরাপত্তাহীন করে তুলবে’
‘ভারতে বিতর্কিত ওয়াকফ বিল মুসলিমদের আরো নিরাপত্তাহীন করে তুলবে’

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

চট্টগ্রামে মদসহ চারজন গ্রেফতার
চট্টগ্রামে মদসহ চারজন গ্রেফতার

৫ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

কক্সবাজারে ট্রেনে কাটা পড়ে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
কক্সবাজারে ট্রেনে কাটা পড়ে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামে পোশাককর্মী খুনের ঘটনায় স্বামী গ্রেফতার
চট্টগ্রামে পোশাককর্মী খুনের ঘটনায় স্বামী গ্রেফতার

৫ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ঈদের লম্বা ছুটিতে চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনারের স্তূপ
ঈদের লম্বা ছুটিতে চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনারের স্তূপ

৫ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিদেশি মদসহ গ্রেফতার ৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিদেশি মদসহ গ্রেফতার ৬

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘আইএমএফ বলেছে বাংলাদেশের অর্থনীতি সঠিক দিকেই আছে’
‘আইএমএফ বলেছে বাংলাদেশের অর্থনীতি সঠিক দিকেই আছে’

৬ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

পৃথিবীর ‘সবুজ ফুসফুস’ নজরদারি করবে মহাকাশযান
পৃথিবীর ‘সবুজ ফুসফুস’ নজরদারি করবে মহাকাশযান

৬ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

গাইবান্ধায় কৃষকদের নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের আনন্দময় দিন
গাইবান্ধায় কৃষকদের নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের আনন্দময় দিন

৬ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

হজ ব্যবস্থাপনায় কোনো ত্রুটি বরদাশত করা হবে না : ধর্ম উপদেষ্টা
হজ ব্যবস্থাপনায় কোনো ত্রুটি বরদাশত করা হবে না : ধর্ম উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের দায়ে ৭ বাসকে জরিমানা
অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের দায়ে ৭ বাসকে জরিমানা

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ঈদের ছুটি পর বেনাপোল বন্দরে ফিরেছে স্বাভাবিক গতি
ঈদের ছুটি পর বেনাপোল বন্দরে ফিরেছে স্বাভাবিক গতি

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শর্টস ভিডিও নির্মাতাদের জন্য সুখবর দিল ইউটিউব
শর্টস ভিডিও নির্মাতাদের জন্য সুখবর দিল ইউটিউব

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সর্বাধিক পঠিত
বিয়েবাড়ির গেটে পার্টি স্প্রে দেওয়া নিয়ে মারামারি, ভাঙলো বিয়ে
বিয়েবাড়ির গেটে পার্টি স্প্রে দেওয়া নিয়ে মারামারি, ভাঙলো বিয়ে

১৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশসহ ১৪ দেশের ওপর সৌদির সাময়িক ভিসা নিষেধাজ্ঞা
বাংলাদেশসহ ১৪ দেশের ওপর সৌদির সাময়িক ভিসা নিষেধাজ্ঞা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতি নিয়ে জরুরি নির্দেশনা
সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতি নিয়ে জরুরি নির্দেশনা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজায় গণহত্যা বন্ধে সোমবার বিশ্বব্যাপী ‘নো ওয়ার্ক নো স্কুল’
গাজায় গণহত্যা বন্ধে সোমবার বিশ্বব্যাপী ‘নো ওয়ার্ক নো স্কুল’

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতের ওয়াকফ সংশোধনী বিল নিয়ে যা বললেন আসিফ নজরুল
ভারতের ওয়াকফ সংশোধনী বিল নিয়ে যা বললেন আসিফ নজরুল

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষ্যে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা ও সহযোগিতা কার্যক্রম
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষ্যে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা ও সহযোগিতা কার্যক্রম

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতে ওয়াকফ বিল পাস হওয়ায় যে প্রতিক্রিয়া জানাল বিএনপি
ভারতে ওয়াকফ বিল পাস হওয়ায় যে প্রতিক্রিয়া জানাল বিএনপি

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মারা গেছেন
আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মারা গেছেন

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান
সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভাঙচুর ও হত্যাচেষ্টা মামলায় আওয়ামীপন্থী ৬১ আইনজীবীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ
ভাঙচুর ও হত্যাচেষ্টা মামলায় আওয়ামীপন্থী ৬১ আইনজীবীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে ফ্ল্যাট নিয়ে টিউলিপের মিথ্যাচার
যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে ফ্ল্যাট নিয়ে টিউলিপের মিথ্যাচার

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমিরাতের সহযোগিতায় ৮ বিভাগে হবে স্পোর্টস হাব : ক্রীড়া উপদেষ্টা
আমিরাতের সহযোগিতায় ৮ বিভাগে হবে স্পোর্টস হাব : ক্রীড়া উপদেষ্টা

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খনিজ চুক্তি ফাঁস: তদন্তে নেমেছে ইউক্রেন
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খনিজ চুক্তি ফাঁস: তদন্তে নেমেছে ইউক্রেন

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্মার্টফোনে ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ মোডের কাজ কী?
স্মার্টফোনে ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ মোডের কাজ কী?

১৭ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

‘গৃহকর্ত্রীও নির্যাতিতা হতে পারেন’ -পরীমনির সেই ইস্যুতে ফেসবুকে ন্যান্সি
‘গৃহকর্ত্রীও নির্যাতিতা হতে পারেন’ -পরীমনির সেই ইস্যুতে ফেসবুকে ন্যান্সি

১৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আইনে পরিণত হলো বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী বিল
আইনে পরিণত হলো বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী বিল

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত: মস্কো
ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত: মস্কো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন মন্ত্রণালয়ে সচিব পদে রদবদল
তিন মন্ত্রণালয়ে সচিব পদে রদবদল

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দেশে প্রবাসী আয়ে রেকর্ড, মার্চে এল ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি
দেশে প্রবাসী আয়ে রেকর্ড, মার্চে এল ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি

১১ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি
সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব সামাল দেয়া কঠিন নয় : অর্থ উপদেষ্টা
ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব সামাল দেয়া কঠিন নয় : অর্থ উপদেষ্টা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্প-মাস্কের নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে গণবিক্ষোভ
ট্রাম্প-মাস্কের নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে গণবিক্ষোভ

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এসএসএফের সাবেক ডিজির ফ্ল্যাট-জমি জব্দ, ৩৪ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ
এসএসএফের সাবেক ডিজির ফ্ল্যাট-জমি জব্দ, ৩৪ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১, ছিলেন ৭০ জনের বেশি বাংলাদেশি  তীর্থযাত্রী
ভারতে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১, ছিলেন ৭০ জনের বেশি বাংলাদেশি তীর্থযাত্রী

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঘন ঘন দূতাবাসের স্থান পরিবর্তনে বিরক্ত মালয়েশিয়া প্রবাসীরা
ঘন ঘন দূতাবাসের স্থান পরিবর্তনে বিরক্ত মালয়েশিয়া প্রবাসীরা

৯ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ইভ্যালির রাসেল-শামীমার তিন বছরের কারাদণ্ড
ইভ্যালির রাসেল-শামীমার তিন বছরের কারাদণ্ড

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজাবাসীর সমর্থনে সোমবার রাজপথে নামার আহ্বান সারজিসের
গাজাবাসীর সমর্থনে সোমবার রাজপথে নামার আহ্বান সারজিসের

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিচার চেয়ে থানায় বৃদ্ধা, ‘ভিক্ষা করে কেনা মুরগি মেরে দিল কারা?’
বিচার চেয়ে থানায় বৃদ্ধা, ‘ভিক্ষা করে কেনা মুরগি মেরে দিল কারা?’

১৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েল সফরে গিয়ে অপমানিত দুই ব্রিটিশ নারী এমপি
ইসরায়েল সফরে গিয়ে অপমানিত দুই ব্রিটিশ নারী এমপি

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢাকাসহ সাত বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস
ঢাকাসহ সাত বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
অনিশ্চয়তায় ১০ হাজার কোটির শিপমেন্ট
অনিশ্চয়তায় ১০ হাজার কোটির শিপমেন্ট

প্রথম পৃষ্ঠা

বিক্ষোভে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র
বিক্ষোভে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র

প্রথম পৃষ্ঠা

জিয়ার স্মৃতি মুছে ফেলার সহজসরল পদ্ধতি!
জিয়ার স্মৃতি মুছে ফেলার সহজসরল পদ্ধতি!

সম্পাদকীয়

কাজ করছে না আঙুলের ছাপ
কাজ করছে না আঙুলের ছাপ

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

বিএনপিকে আওয়ামী লীগের আচরণ থেকে বের হতে হবে
বিএনপিকে আওয়ামী লীগের আচরণ থেকে বের হতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

৮ কোটি টাকার প্রকল্পের কাজ কোটেশনে!
৮ কোটি টাকার প্রকল্পের কাজ কোটেশনে!

নগর জীবন

চরের জমিতে হাজার কোটি টাকার ফসল
চরের জমিতে হাজার কোটি টাকার ফসল

পেছনের পৃষ্ঠা

অপপ্রচার রোধে প্রেস উইংকে ভূমিকা রাখতে হবে
অপপ্রচার রোধে প্রেস উইংকে ভূমিকা রাখতে হবে

নগর জীবন

সংকট নেই তবু বাড়তি দরে ডলার বিক্রি
সংকট নেই তবু বাড়তি দরে ডলার বিক্রি

পেছনের পৃষ্ঠা

রাশিয়া সফরে সেনাপ্রধান
রাশিয়া সফরে সেনাপ্রধান

প্রথম পৃষ্ঠা

স্কটল্যান্ডকে হারালেন নিগাররা
স্কটল্যান্ডকে হারালেন নিগাররা

মাঠে ময়দানে

ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে বিলীন জনবসতি
ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে বিলীন জনবসতি

প্রথম পৃষ্ঠা

কারাগারে ৬১ আইনজীবী জামিন ১৯, পালালেন ৩ জন
কারাগারে ৬১ আইনজীবী জামিন ১৯, পালালেন ৩ জন

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রধান উপদেষ্টার কাছে শহীদ পরিবারের প্রত্যাশা
প্রধান উপদেষ্টার কাছে শহীদ পরিবারের প্রত্যাশা

প্রথম পৃষ্ঠা

মন্ত্রণালয়ে যোগ দিয়েছেন ড. শেখ মইনউদ্দিন
মন্ত্রণালয়ে যোগ দিয়েছেন ড. শেখ মইনউদ্দিন

নগর জীবন

ওসির অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ
ওসির অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ

পেছনের পৃষ্ঠা

ধর্ষণের মিথ্যা মামলা গৃহবধূ জেলে
ধর্ষণের মিথ্যা মামলা গৃহবধূ জেলে

পেছনের পৃষ্ঠা

হাছান ও তার স্ত্রীর ব্যাংকে ৭২২ কোটি টাকা লেনদেন
হাছান ও তার স্ত্রীর ব্যাংকে ৭২২ কোটি টাকা লেনদেন

পেছনের পৃষ্ঠা

ক্ষমতায় যাওয়ার সিঁড়ি হবে না হেফাজতে ইসলাম
ক্ষমতায় যাওয়ার সিঁড়ি হবে না হেফাজতে ইসলাম

নগর জীবন

বিএনপি নেতার ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ
বিএনপি নেতার ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ

দেশগ্রাম

এক ছাতায় বিশ্বের হাজারো উদ্যোক্তা
এক ছাতায় বিশ্বের হাজারো উদ্যোক্তা

পেছনের পৃষ্ঠা

দেবরের হাতে ভাবি খুন
দেবরের হাতে ভাবি খুন

পেছনের পৃষ্ঠা

ছেলের রামদার কোপে মায়ের মৃত্যু
ছেলের রামদার কোপে মায়ের মৃত্যু

নগর জীবন

টিউলিপের দুর্নীতির দালিলিক প্রমাণ সাকিবের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান
টিউলিপের দুর্নীতির দালিলিক প্রমাণ সাকিবের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান

পেছনের পৃষ্ঠা

শরীয়তপুরে বোমাবাজিতে গ্রেপ্তার ৮
শরীয়তপুরে বোমাবাজিতে গ্রেপ্তার ৮

পেছনের পৃষ্ঠা

আইএমইডিতে নতুন সচিব
আইএমইডিতে নতুন সচিব

নগর জীবন

ফাঁদে ফেলে অপহরণ মুক্তিপণ আদায়
ফাঁদে ফেলে অপহরণ মুক্তিপণ আদায়

পেছনের পৃষ্ঠা

দলমতের ঊর্ধ্বে দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে কাজ করতে হবে
দলমতের ঊর্ধ্বে দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে কাজ করতে হবে

নগর জীবন

মোবাইল ব্যবহারে বাধা দেওয়ায় কিশোরীর আত্মহনন
মোবাইল ব্যবহারে বাধা দেওয়ায় কিশোরীর আত্মহনন

নগর জীবন