শিরোনাম
প্রকাশ: ০৯:৪০, সোমবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ০৯:৫০, সোমবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০২৫

কালের কণ্ঠের ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে প্রকাশিত

‘আমিত্ব’ থেকে মুক্তির সুযোগ

সাইদুজ্জামান
অনলাইন ভার্সন
‘আমিত্ব’ থেকে মুক্তির সুযোগ

শাসন বদলায়, ব্যবস্থাপত্র বদলায় না। দুই যুগেরও বেশি সময়ের পেশাদার সাংবাদিকতার নির্যাস এটুকু। দেশের শীর্ষস্থানীয় দৈনিক কালের কণ্ঠের ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর লেখার শুরুটা এমন মন খারাপ করা হবে ভাবিনি। কালের কণ্ঠের প্রথম কপি পাঠকের হাতে যাওয়ার আগের প্রস্তুতি পর্ব থেকে এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছি। দিন যায় কথা থাকে-এর মতো আমার সাংবাদিকতার চর্চাও অসম্পূর্ণ রয়ে গেছে। খেলাধুলা বিনোদনের অংশ। এর দিগন্তজুড়ে আনন্দ আর উৎসব। প্রিয় দলের হারের বেদনাও অবশ্য আছে।

তবে সেই বেদনাকে বিষণ্নতা গ্রাস করে না। এই যেমন ১৯৫০ বিশ্বকাপ ফাইনালে মারাকানায় উরুগুয়ের কাছে অভাবিত হারের পর মনে হয়েছিল, ব্রাজিলে ফুটবলের মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু সেই ব্রাজিল এরপর পাঁচটা বিশ্বকাপ জিতেছে। এটাই খেলার আনন্দ। আজ তুমি জিতেছ, ভালো কথা। তবে মনে রেখো, কাল তুমি হারতেও পারো। তাই সব কিছুর জন্য প্রস্তুত থাকো- স্পোর্টসম্যানশিপের আপ্তবাক্য এটা। এই খেলোয়াড়ি মনোভাবটাই আমাদের তৈরি হয়নি। ম্যাচ জিতে উঠে আসা খেলোয়াড়কে সীমাহীন তেজোদ্দীপ্ত দেখায়।

সংবাদমাধ্যম সমান তালে আবেগের স্রোত তৈরি করে। দর্শককুল সেই খরস্রোতে গা ভাসিয়ে দেয়। জয়ের পর কেউ মনেই রাখে না যে হার অবধারিত তোলা আছে ভবিষ্যতের কোনো একটি দিনের জন্য। সেদিন আবার সমান শক্তির উল্টো স্রোত। হারের পর মোটামুটি টেনেহিঁচড়ে ড্রেসিংরুম থেকে কাউকে উপস্থিত করা হয় মিডিয়ার সামনে। প্রশ্নবাণে জর্জরিত তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিগৃহীত হন নির্মমভাবে। সাফল্য-ব্যর্থতার প্রতিক্রিয়ায় ওলটপালট সব দেশেই হয়ে থাকে। তবে ব্রাজিল থেকে নিউজিল্যান্ড, ভারত ঘুরে পাকিস্তান দেখেছি- সবার তুলনায় আমাদের আবেগ নিয়ন্ত্রণহীন। এতে সমস্যা হয় কি, দেশের খেলাধুলার মান সঠিকভাবে অনুধাবনের শক্তি আমরা হারিয়ে ফেলেছি। এক সিরিজে পাকিস্তানকে ধবলধোলাই করা মানেই ভারতের বিপক্ষে জয়ের নিশ্চয়তা নয়। আবার ওয়েস্ট ইন্ডিজে টেস্ট ও ওয়ানডেতে হারের পর টি-টোয়েন্টি সিরিজ কিন্তু জিতেছে বাংলাদেশ। এখন কোনটাকে মানদণ্ড হিসেবে ধরবেন আপনি? রাওয়ালপিন্ডিতে ‘ক্যুদেতা’র ‘আমিত্ব’ থেকে মুক্তির সুযোগ পর পাকিস্তানকে কি বাংলাদেশ বলেকয়ে হারাবে? নাকি ভারত অজেয়? কোনোটিই চূড়ান্ত নয়, ভারতের বিপক্ষেও জিতেছে বাংলাদেশ। ভারত কেন, নির্দিষ্ট দিনে যেকোনো দলকেই হারাতে পারে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল।

এটা বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বেলায়ও প্রযোজ্য। ট্রফি জেতা দল পরের ম্যাচেই হারতে পারে। তবে এ ক্ষেত্রে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন কিংবা ওপরের সারির দলের সঙ্গে বাংলাদেশের পার্থক্য আছে। চ্যাম্পিয়নরা বেশির ভাগ সময় হাসিমুখে মাঠ ছাড়ে। আর বাংলাদেশের বেলায় অপেক্ষায় থাকতে হয় সেই বিশেষ দিনটির জন্য। মোদ্দাকথা, বাংলাদেশ ক্রিকেট দল এখনো শীর্ষ সারির দল হয়ে উঠতে পারেনি। এই না পারার পেছনে দেশের ক্রীড়াঙ্গনের স্টেকহোল্ডারদের কমবেশি দায় আছে।

ক্রিকেটকেই উদাহরণ ধরছি। ২০১৫ বিশ্বকাপ থেকে ২০১৯ সালের আসর পর্যন্ত বাংলাদেশ ক্রিকেটের স্বর্ণসময় বলা যায়। যদিও ওই চার বছরে একটি ত্রিদেশীয় সিরিজ আর কিছু দ্বিপক্ষীয় সিরিজ ছাড়া কিছু জেতেনি বাংলাদেশ। তবে একটা বিশ্বাসের বাতাবরণ তৈরি হয়েছিল, বুঝি উন্নতির সিঁড়ি খুঁজে পেয়েছে বাংলাদেশ। আদতে সে রকম কিছু ঘটেনি কারণ, মিরপুরের প্রতিটি জয়ে বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস করেছে সবাই। কেউ এটা ভাবেনি যে এমন উইকেট বিশ্বের আর কোথাও মিলবে না। শীর্ষে পৌঁছতে হলে বিশ্বের সব প্রান্তে খেলার প্রস্তুতি নিতে হয়। সেসব হয়নি। বরং মিরপুরের সহায়ক উইকেটে পাওয়া জয়ে উটপাখির মতো মুখ গুঁজে ছিল সবাই। ফল যা হওয়ার তা-ই, অনভ্যস্ত কন্ডিশনে হঠাৎ বৃষ্টিতে চড়া মেকআপে মাখামাখি অবস্থা বাংলাদেশ ক্রিকেটের! এমন পরিস্থিতিতেও তৎকালীন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান কোষাগারে হাজার কোটি টাকা আমানত থাকা নিয়ে যে বাগাড়ম্বর করতেন, তা সহ্য করা কঠিন ছিল।

ক্রিকেটের কথা বেশি বলছি কারণ, দেশের এই একটি ফেডারেশনেই খেলার মানোন্নয়নের জন্য পর্যাপ্ত অর্থকড়ি ছিল এবং আছে। দ্বিতীয় ধনী ফেডারেশন ফুটবল। তবে ক্রিকেটের সঙ্গে ব্যবধান বিস্তর। ফিফা, এএফসি কিংবা বিভিন্ন টুর্নামেন্ট থেকে পৃষ্ঠপোষকতা বাবদ যে অর্থাগম ঘটে, তা দিয়ে সাফ অঞ্চলের সীমানা ডিঙানো স্রেফ অসম্ভব। বাকি ফেডারেশনগুলোর অর্থব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা না করাই তাদের জন্য অপেক্ষাকৃত সম্মানজনক!

সবচেয়ে মজার ব্যাপার, নিদারুণ অর্থকষ্টে ভোগা সেইসব ফেডারেশনের চেয়ারে বসতে আগ্রহীর সংখ্যা কখনো কমেনি। অসীম আগ্রহ সত্ত্বেও ফেডারেশনে অর্থাগম ঘটাতে পারেননি তাঁরা। তবে ফেডারেশনের পদ ব্যবহার করে রাজনীতি কিংবা ব্যবসার মাঠে জয়ী হয়েছেন। মাঝখান থেকে হারিয়ে গেছেন সত্যিকারের সংগঠকরা, যাঁরা স্রেফ ভালোবাসার সুতায় বাঁধা পড়েছিলেন খেলার মাঠে। তাঁরা হারিয়ে গেছেন, সঙ্গে নিয়ে গেছেন খেলার মাঠের নিখাদ আনন্দ। হার-জিত ঘিরে তাই উগ্রতার ব্যারোমিটার ঊর্ধ্বমুখী। এই সমস্যার সমাধান কী? চট করে উত্তর দেওয়া কঠিন। তবে এটুকু বুঝি, ক্রীড়াঙ্গনে মানসিকতার সংস্কার অতি জরুরি।

এই সংস্কারের শুরুটা হতে হবে শীর্ষ থেকে। জুলাই-আগস্ট উত্তাল আন্দোলনের আগে ‘আমিত্ব’ গ্রাস করেছিল পুরো দেশকে। ক্রীড়াঙ্গন থেকে এই আমিত্বকে প্রথমে বিসর্জন দিতে হবে। বাংলাদেশ জিতলেই প্রেসিডেন্ট বক্সে বসে বিশেষ কারোর আত্মতুষ্টির হাসি দেখানো বন্ধ করতে হবে। আপনার এই হাসির চেয়ে পূর্ব গ্যালারির রোদে পোড়া দর্শকের উচ্ছ্বাস অনেক বেশি অর্থবহ। আপনার কোষাগারে কোটি টাকা লুটোপুটি খায় রোদে পুড়ে খেলা দেখা দর্শকের কল্যাণেই। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) নবনির্বাচিত সভাপতি তাবিথ আউয়াল এখন পর্যন্ত এ ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম। সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর অদ্যাবধি তীব্র প্রচারমুখী মনে হয়নি তাঁকে। সযতনে তিনি এড়িয়ে চলেন সংবাদমাধ্যমকে। একজন মুখপাত্রকে দায়িত্ব দিয়েছেন, যিনি নিয়ম করে বাফুফের হাল-হকিকত জানান মিডিয়াকে। অবশ্য বাংলাদেশের জল-হাওয়ায় এই ধারা তিনি কত দিন ধরে রাখতে পারেন, সেটি সময়ই বলবে।

পরিবর্তন এসেছে ক্রিকেট বোর্ডেও। এই প্রথমবার জাতীয় দলের সাবেক কোনো অধিনায়ক বিসিবির শীর্ষাসনে বসেছেন। ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) বিধি-নিষেধের কারণে পূর্বতন বোর্ড ভেঙে দিতে পারেননি ফারুক আহমেদ। তবে পরিচালনা পর্ষদের সভায় টানা অনুপস্থিত থাকায় গঠনতন্ত্র মেনে অনেককে বাদ দিয়েছেন তিনি। আগের বোর্ডের যাঁরা এখনো আছেন, তাঁরা খুব স্বস্তিতে নেই বলেই খবর। মোটামুটি ‘ওয়ান ম্যান শো’ ফারুক আহমেদের বর্তমান বোর্ড। সেই একমেবাদ্বিতীয়ম স্বয়ং বোর্ড সভাপতি। একা হাতে একের পর এক পৃষ্ঠপোষক এনেছেন ফারুক, যা প্রশংসনীয়। তবে চলমান বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগ (বিপিএল) তাঁর প্রশাসনিক দক্ষতার অগ্নিপরীক্ষা নিয়ে নেবে বলে মনে হচ্ছে।

বিপিএলের ‘গা গরম’ করা থেকেই সেই পরীক্ষা শুরু ফারুকের। জমকালো আসরের প্রতিশ্রুতি দিতে যে কনসার্টের আয়োজন করেছেন, তা নিয়ে গম্ভীর আলোচনা হচ্ছে। এক ঢাকার আয়োজনের পেছনেই খরচ হয়েছে ছয় কোটি টাকারও বেশি। আমজনতা এরই মধ্যে অঙ্ক করে বলছে, যে টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন দলের অর্থ পুরস্কার দুই কোটি, সেই টুর্নামেন্টের পদধ্বনি শোনাতে এত ব্যয় কেন?

অবশ্য এবারের বিপিএল আদৌ লাভজনক হয় কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে। এবারের ফ্র্যাঞ্চাইজি ফি, এমনকি পুরনো বকেয়া টুর্নামেন্ট শুরুর আগেও বুঝে পায়নি বিসিবি। বরং দুশ্চিন্তা আছে ভবিষ্যতে সেই বকেয়ার পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়া নিয়ে। কারণ বেশ কটি ফ্র্যাঞ্চাইজি খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক ঠিকঠাক বুঝিয়ে দেয় না। নিয়মানুযায়ী সেটি বুঝিয়ে দিতে হয় বিসিবিকে। এবারের বিপিএল পূর্বাভাস বলছে, খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক পরিশোধ নিশ্চিত করতে স্থায়ী আমানতের অংশবিশেষ ভাঙাতে হবে বিসিবিকে।

এই ব্যাপারগুলো আমিত্বের পথে প্রারম্ভিক যাত্রা। দীর্ঘ পেশাগত জীবনে ধুঁকে ধুঁকে এখন অন্তত এটুকু ‘অ্যান্টিসিপেট’ করতে শিখেছি। এসবের পরিবর্তন না হলে সংস্কারের যাবতীয় চেষ্টা বৃথা যাবে। এখন প্রশ্ন একটাই-রক্ত দিয়ে পাওয়া সংস্কারের এই সুযোগ কি আমরা হেলায় হারাব?

লেখক : ক্রীড়া সম্পাদক, কালের কণ্ঠ।

বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ

এই বিভাগের আরও খবর
ছাত্রদের রাজনীতি ও জনপ্রত্যাশা
ছাত্রদের রাজনীতি ও জনপ্রত্যাশা
ড. ইউনূসের আরো স্থায়িত্বের প্রশ্নে কিছু কথা
ড. ইউনূসের আরো স্থায়িত্বের প্রশ্নে কিছু কথা
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
প্রত্যাশা সমষ্টিগত মানুষের স্বাধীনতা ও মুক্তি
প্রত্যাশা সমষ্টিগত মানুষের স্বাধীনতা ও মুক্তি
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ, জাতীয় স্বার্থ ও গণঅভ্যুত্থানের পুনর্জাগরণ
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ, জাতীয় স্বার্থ ও গণঅভ্যুত্থানের পুনর্জাগরণ
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক: জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি ও ভবিষ্যৎ প্রেক্ষিত
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক: জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি ও ভবিষ্যৎ প্রেক্ষিত
সেনাবাহিনী নিয়ে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে
সেনাবাহিনী নিয়ে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে
সেনাবাহিনী বা প্রধান নিয়ে অপরিণামদর্শী স্মার্টনেস কাম্য নয়
সেনাবাহিনী বা প্রধান নিয়ে অপরিণামদর্শী স্মার্টনেস কাম্য নয়
তবে কি সংস্কারের পুকুরে ডুবছে নতুন স্বাধীনতা ?
তবে কি সংস্কারের পুকুরে ডুবছে নতুন স্বাধীনতা ?
বুদ্ধিজীবীরা প্রত্যক্ষ ভূমিকা রেখেছেন স্বাধীনতা সংগ্রামে
বুদ্ধিজীবীরা প্রত্যক্ষ ভূমিকা রেখেছেন স্বাধীনতা সংগ্রামে
সেনাবাহিনীকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে
সেনাবাহিনীকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে
সর্বশেষ খবর
ঝালকাঠির কাঠালিয়ার ঘোড়দৌড়
ঝালকাঠির কাঠালিয়ার ঘোড়দৌড়

১৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঝালকাঠিতে গাছ থেকে মা-ছেলের মরদেহ উদ্ধার
ঝালকাঠিতে গাছ থেকে মা-ছেলের মরদেহ উদ্ধার

৩৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

জুয়া বন্ধ করতে গিয়ে জুয়াড়িদের হামলার শিকার পুলিশ, আহত ৫
জুয়া বন্ধ করতে গিয়ে জুয়াড়িদের হামলার শিকার পুলিশ, আহত ৫

৫৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

১২ দিন পর খুলছে তামাবিল স্থলবন্দর
১২ দিন পর খুলছে তামাবিল স্থলবন্দর

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাইবান্ধায় নিচে নামছে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর, পানি সংকট
গাইবান্ধায় নিচে নামছে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর, পানি সংকট

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ফিলিস্তিনে গণহত্যার প্রতিবাদে ঢাবির ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত
ফিলিস্তিনে গণহত্যার প্রতিবাদে ঢাবির ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ডিএনডি লেকে গোসলে নেমে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু
ডিএনডি লেকে গোসলে নেমে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজবাড়ীতে নিরব হত্যার প্রধান আসামি গ্রেফতার
রাজবাড়ীতে নিরব হত্যার প্রধান আসামি গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছেলের দায়ের কোপে আহত মায়ের মৃত্যু
ছেলের দায়ের কোপে আহত মায়ের মৃত্যু

৩ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ডাসারে অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিলো উপজেলা প্রশাসন
ডাসারে অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিলো উপজেলা প্রশাসন

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ফ্যাসিষ্টের দোসর ও নব্য বিএনপি থেকে সাবধান : মজনু
ফ্যাসিষ্টের দোসর ও নব্য বিএনপি থেকে সাবধান : মজনু

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি গণহত্যার প্রতিবাদে মুখে কালো কাপড় বেঁধে অবস্থান করবে ছাত্রদল
ইসরায়েলি গণহত্যার প্রতিবাদে মুখে কালো কাপড় বেঁধে অবস্থান করবে ছাত্রদল

৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগে কাশিয়ানী থানার ওসি ক্লোজড
ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগে কাশিয়ানী থানার ওসি ক্লোজড

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘ভারতে বিতর্কিত ওয়াকফ বিল মুসলিমদের আরো নিরাপত্তাহীন করে তুলবে’
‘ভারতে বিতর্কিত ওয়াকফ বিল মুসলিমদের আরো নিরাপত্তাহীন করে তুলবে’

৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

চট্টগ্রামে মদসহ চারজন গ্রেফতার
চট্টগ্রামে মদসহ চারজন গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

কক্সবাজারে ট্রেনে কাটা পড়ে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
কক্সবাজারে ট্রেনে কাটা পড়ে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামে পোশাককর্মী খুনের ঘটনায় স্বামী গ্রেফতার
চট্টগ্রামে পোশাককর্মী খুনের ঘটনায় স্বামী গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ঈদের লম্বা ছুটিতে চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনারের স্তূপ
ঈদের লম্বা ছুটিতে চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনারের স্তূপ

৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিদেশি মদসহ গ্রেফতার ৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিদেশি মদসহ গ্রেফতার ৬

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘আইএমএফ বলেছে বাংলাদেশের অর্থনীতি সঠিক দিকেই আছে’
‘আইএমএফ বলেছে বাংলাদেশের অর্থনীতি সঠিক দিকেই আছে’

৪ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

পৃথিবীর ‘সবুজ ফুসফুস’ নজরদারি করবে মহাকাশযান
পৃথিবীর ‘সবুজ ফুসফুস’ নজরদারি করবে মহাকাশযান

৪ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

গাইবান্ধায় কৃষকদের নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের আনন্দময় দিন
গাইবান্ধায় কৃষকদের নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের আনন্দময় দিন

৪ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

হজ ব্যবস্থাপনায় কোনো ত্রুটি বরদাশত করা হবে না : ধর্ম উপদেষ্টা
হজ ব্যবস্থাপনায় কোনো ত্রুটি বরদাশত করা হবে না : ধর্ম উপদেষ্টা

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের দায়ে ৭ বাসকে জরিমানা
অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের দায়ে ৭ বাসকে জরিমানা

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ঈদের ছুটি পর বেনাপোল বন্দরে ফিরেছে স্বাভাবিক গতি
ঈদের ছুটি পর বেনাপোল বন্দরে ফিরেছে স্বাভাবিক গতি

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শর্টস ভিডিও নির্মাতাদের জন্য সুখবর দিল ইউটিউব
শর্টস ভিডিও নির্মাতাদের জন্য সুখবর দিল ইউটিউব

৪ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

গলাচিপায় শুভসংঘের উদ্যোগে জমিতে অতিরিক্ত সার ও কীটনাশক প্রয়োগ বিষয়ক সচেতনামূলক সভা
গলাচিপায় শুভসংঘের উদ্যোগে জমিতে অতিরিক্ত সার ও কীটনাশক প্রয়োগ বিষয়ক সচেতনামূলক সভা

৪ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ট্রাম্পের সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল ইরান
ট্রাম্পের সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল ইরান

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিখোঁজ সেই গৃহবধূ পরকীয়া প্রেমিকসহ উদ্ধার
নিখোঁজ সেই গৃহবধূ পরকীয়া প্রেমিকসহ উদ্ধার

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাউবিতে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত
বাউবিতে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সর্বাধিক পঠিত
বিয়েবাড়ির গেটে পার্টি স্প্রে দেওয়া নিয়ে মারামারি, ভাঙলো বিয়ে
বিয়েবাড়ির গেটে পার্টি স্প্রে দেওয়া নিয়ে মারামারি, ভাঙলো বিয়ে

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশসহ ১৪ দেশের ওপর সৌদির সাময়িক ভিসা নিষেধাজ্ঞা
বাংলাদেশসহ ১৪ দেশের ওপর সৌদির সাময়িক ভিসা নিষেধাজ্ঞা

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতি নিয়ে জরুরি নির্দেশনা
সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতি নিয়ে জরুরি নির্দেশনা

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজায় গণহত্যা বন্ধে সোমবার বিশ্বব্যাপী ‘নো ওয়ার্ক নো স্কুল’
গাজায় গণহত্যা বন্ধে সোমবার বিশ্বব্যাপী ‘নো ওয়ার্ক নো স্কুল’

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতের ওয়াকফ সংশোধনী বিল নিয়ে যা বললেন আসিফ নজরুল
ভারতের ওয়াকফ সংশোধনী বিল নিয়ে যা বললেন আসিফ নজরুল

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষ্যে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা ও সহযোগিতা কার্যক্রম
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষ্যে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা ও সহযোগিতা কার্যক্রম

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতে ওয়াকফ বিল পাস হওয়ায় যে প্রতিক্রিয়া জানাল বিএনপি
ভারতে ওয়াকফ বিল পাস হওয়ায় যে প্রতিক্রিয়া জানাল বিএনপি

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মারা গেছেন
আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মারা গেছেন

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান
সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে ফ্ল্যাট নিয়ে টিউলিপের মিথ্যাচার
যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে ফ্ল্যাট নিয়ে টিউলিপের মিথ্যাচার

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভাঙচুর ও হত্যাচেষ্টা মামলায় আওয়ামীপন্থী ৬১ আইনজীবীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ
ভাঙচুর ও হত্যাচেষ্টা মামলায় আওয়ামীপন্থী ৬১ আইনজীবীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমিরাতের সহযোগিতায় ৮ বিভাগে হবে স্পোর্টস হাব : ক্রীড়া উপদেষ্টা
আমিরাতের সহযোগিতায় ৮ বিভাগে হবে স্পোর্টস হাব : ক্রীড়া উপদেষ্টা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খনিজ চুক্তি ফাঁস: তদন্তে নেমেছে ইউক্রেন
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খনিজ চুক্তি ফাঁস: তদন্তে নেমেছে ইউক্রেন

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্মার্টফোনে ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ মোডের কাজ কী?
স্মার্টফোনে ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ মোডের কাজ কী?

১৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

‘গৃহকর্ত্রীও নির্যাতিতা হতে পারেন’ -পরীমনির সেই ইস্যুতে ফেসবুকে ন্যান্সি
‘গৃহকর্ত্রীও নির্যাতিতা হতে পারেন’ -পরীমনির সেই ইস্যুতে ফেসবুকে ন্যান্সি

১২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আইনে পরিণত হলো বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী বিল
আইনে পরিণত হলো বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী বিল

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত: মস্কো
ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত: মস্কো

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন মন্ত্রণালয়ে সচিব পদে রদবদল
তিন মন্ত্রণালয়ে সচিব পদে রদবদল

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি
সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

দেশে প্রবাসী আয়ে রেকর্ড, মার্চে এল ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি
দেশে প্রবাসী আয়ে রেকর্ড, মার্চে এল ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি

৯ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব সামাল দেয়া কঠিন নয় : অর্থ উপদেষ্টা
ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব সামাল দেয়া কঠিন নয় : অর্থ উপদেষ্টা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্প-মাস্কের নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে গণবিক্ষোভ
ট্রাম্প-মাস্কের নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে গণবিক্ষোভ

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১, ছিলেন ৭০ জনের বেশি বাংলাদেশি  তীর্থযাত্রী
ভারতে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১, ছিলেন ৭০ জনের বেশি বাংলাদেশি তীর্থযাত্রী

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এসএসএফের সাবেক ডিজির ফ্ল্যাট-জমি জব্দ, ৩৪ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ
এসএসএফের সাবেক ডিজির ফ্ল্যাট-জমি জব্দ, ৩৪ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইভ্যালির রাসেল-শামীমার তিন বছরের কারাদণ্ড
ইভ্যালির রাসেল-শামীমার তিন বছরের কারাদণ্ড

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঘন ঘন দূতাবাসের স্থান পরিবর্তনে বিরক্ত মালয়েশিয়া প্রবাসীরা
ঘন ঘন দূতাবাসের স্থান পরিবর্তনে বিরক্ত মালয়েশিয়া প্রবাসীরা

৮ ঘণ্টা আগে | পরবাস

গাজাবাসীর সমর্থনে সোমবার রাজপথে নামার আহ্বান সারজিসের
গাজাবাসীর সমর্থনে সোমবার রাজপথে নামার আহ্বান সারজিসের

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিচার চেয়ে থানায় বৃদ্ধা, ‘ভিক্ষা করে কেনা মুরগি মেরে দিল কারা?’
বিচার চেয়ে থানায় বৃদ্ধা, ‘ভিক্ষা করে কেনা মুরগি মেরে দিল কারা?’

১৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকাসহ সাত বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস
ঢাকাসহ সাত বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েল সফরে গিয়ে অপমানিত দুই ব্রিটিশ নারী এমপি
ইসরায়েল সফরে গিয়ে অপমানিত দুই ব্রিটিশ নারী এমপি

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
অনিশ্চয়তায় ১০ হাজার কোটির শিপমেন্ট
অনিশ্চয়তায় ১০ হাজার কোটির শিপমেন্ট

প্রথম পৃষ্ঠা

বিক্ষোভে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র
বিক্ষোভে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র

প্রথম পৃষ্ঠা

জিয়ার স্মৃতি মুছে ফেলার সহজসরল পদ্ধতি!
জিয়ার স্মৃতি মুছে ফেলার সহজসরল পদ্ধতি!

সম্পাদকীয়

কাজ করছে না আঙুলের ছাপ
কাজ করছে না আঙুলের ছাপ

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

বিএনপিকে আওয়ামী লীগের আচরণ থেকে বের হতে হবে
বিএনপিকে আওয়ামী লীগের আচরণ থেকে বের হতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

৮ কোটি টাকার প্রকল্পের কাজ কোটেশনে!
৮ কোটি টাকার প্রকল্পের কাজ কোটেশনে!

নগর জীবন

চরের জমিতে হাজার কোটি টাকার ফসল
চরের জমিতে হাজার কোটি টাকার ফসল

পেছনের পৃষ্ঠা

রাশিয়া সফরে সেনাপ্রধান
রাশিয়া সফরে সেনাপ্রধান

প্রথম পৃষ্ঠা

সংকট নেই তবু বাড়তি দরে ডলার বিক্রি
সংকট নেই তবু বাড়তি দরে ডলার বিক্রি

পেছনের পৃষ্ঠা

মন্ত্রণালয়ে যোগ দিয়েছেন ড. শেখ মইনউদ্দিন
মন্ত্রণালয়ে যোগ দিয়েছেন ড. শেখ মইনউদ্দিন

নগর জীবন

অপপ্রচার রোধে প্রেস উইংকে ভূমিকা রাখতে হবে
অপপ্রচার রোধে প্রেস উইংকে ভূমিকা রাখতে হবে

নগর জীবন

প্রস্তুতি শুরু নিগারদের
প্রস্তুতি শুরু নিগারদের

মাঠে ময়দানে

ওসির অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ
ওসির অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ

পেছনের পৃষ্ঠা

ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে বিলীন জনবসতি
ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে বিলীন জনবসতি

প্রথম পৃষ্ঠা

কারাগারে ৬১ আইনজীবী ১৯ জনের জামিন
কারাগারে ৬১ আইনজীবী ১৯ জনের জামিন

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্ষমতায় যাওয়ার সিঁড়ি হবে না হেফাজতে ইসলাম
ক্ষমতায় যাওয়ার সিঁড়ি হবে না হেফাজতে ইসলাম

নগর জীবন

প্রধান উপদেষ্টার কাছে শহীদ পরিবারের প্রত্যাশা
প্রধান উপদেষ্টার কাছে শহীদ পরিবারের প্রত্যাশা

প্রথম পৃষ্ঠা

হাছান ও তার স্ত্রীর ব্যাংকে ৭২২ কোটি টাকা লেনদেন
হাছান ও তার স্ত্রীর ব্যাংকে ৭২২ কোটি টাকা লেনদেন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপি নেতার ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ
বিএনপি নেতার ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ

দেশগ্রাম

এক ছাতায় বিশ্বের হাজারো উদ্যোক্তা
এক ছাতায় বিশ্বের হাজারো উদ্যোক্তা

পেছনের পৃষ্ঠা

ধর্ষণের মিথ্যা  মামলা, গৃহবধূ জেলে
ধর্ষণের মিথ্যা মামলা, গৃহবধূ জেলে

পেছনের পৃষ্ঠা

টিউলিপের দুর্নীতির দালিলিক প্রমাণ সাকিবের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান
টিউলিপের দুর্নীতির দালিলিক প্রমাণ সাকিবের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান

পেছনের পৃষ্ঠা

দেবরের হাতে ভাবি খুন
দেবরের হাতে ভাবি খুন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফাঁদে ফেলে অপহরণ মুক্তিপণ আদায়
ফাঁদে ফেলে অপহরণ মুক্তিপণ আদায়

পেছনের পৃষ্ঠা

ছেলের রামদার কোপে মায়ের মৃত্যু
ছেলের রামদার কোপে মায়ের মৃত্যু

নগর জীবন

আইএমইডিতে নতুন সচিব
আইএমইডিতে নতুন সচিব

নগর জীবন

শরীয়তপুরে বোমাবাজিতে গ্রেপ্তার ৮
শরীয়তপুরে বোমাবাজিতে গ্রেপ্তার ৮

পেছনের পৃষ্ঠা

দলমতের ঊর্ধ্বে দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে কাজ করতে হবে
দলমতের ঊর্ধ্বে দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে কাজ করতে হবে

নগর জীবন

মোবাইল ব্যবহারে বাধা দেওয়ায় কিশোরীর আত্মহনন
মোবাইল ব্যবহারে বাধা দেওয়ায় কিশোরীর আত্মহনন

নগর জীবন