শিরোনাম
প্রকাশ: ১০:০১, রবিবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২৫

কালের কণ্ঠের ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে প্রকাশিত

সংস্কার পরিকল্পনা নির্ভর বাজেট চাই

ড. মোস্তাফিজুর রহমান।
অনলাইন ভার্সন
সংস্কার পরিকল্পনা নির্ভর বাজেট চাই

আমাদের অর্থনৈতিক সংস্কারের ক্ষেত্রে বিভিন্ন জায়গায় হাত দিতে হবে। বর্তমানে সামষ্টিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা বেশ কিছু চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছে। সবার আগে এখন মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের মধ্যে নিয়ে আসতে হবে। এর পরই বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নের যে পরিকল্পনা আছে, সেখানে অগ্রাধিকার পুনর্নির্ধারণ করতে হবে। ব্যাংকিং খাতের সংস্কারে যে কাজ চলছে সেটা শক্তিশালী করতে হবে। রপ্তানি বাড়াতে সংস্কারের প্রয়োজন। এই খাতের বাজার ও পণ্য বৈচিত্র্যকরণের জন্য বেশ কিছু পদক্ষেপ নিতে হবে। সংস্কার পরিকল্পনা নির্ভর বাজেট চাইসামনে সরকারের আয় ও ব্যয়ের হিসাব বা বাজেট আসছে।

আর এই বাজেট সামনে রেখে বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়ার দরকার আছে। সংস্কার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন নির্ভর করবে বাজেটে নেওয়া পদক্ষেপের ওপর। অনেক বিষয়ে সংস্কার করতে আগামী অর্থবছরের বাজেটে পদক্ষেপ নিতে হবে। কিছু কিছু পদক্ষেপ হবে মধ্যমেয়াদি বাজেট কাঠামোতে। এর মধ্যে বেশ কিছু সংস্কার পদক্ষেপ নিয়ে পরিকল্পনা আসতে হবে। এই পরিকল্পনাগুলো হবে মধ্য মেয়াদের। আমাদের এখন সবচেয়ে বড় যা দরকার হবে তা হলো বিনিয়োগ। এই বিনিয়োগ বাড়িয়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে নজর দিতে হবে। আবার সরবরাহব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতে হবে, যাতে সরবরাহ চেইনটা আরো শক্তিশালী হয়। এর মাধ্যমে সরবরাহ ও চাহিদার যে পার্থক্য আছে, সেটা কমিয়ে আনতে হবে। সামনের দিনগুলোতে সময়মতো আমদানি করতে পদক্ষেপ নিতে হবে।

সামনে রমজান আসছে। এই সময়ে অনেক পণ্যের চাহিদা বাড়বে। এটি বিবেচনা করে রমজানে বাড়তি চাহিদা থাকা পণ্য ও সেবা সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য আগে থেকে পদক্ষেপ নিতে হবে। এর জন্য সরকারের আগাম পরিকল্পনাগুলো থাকতে হবে। দেশের চাহিদানির্ভর পণ্যের আমদানি ও মজুদ ঠিক করতে হবে। আমাদের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির মধ্যে আরো সংস্কার দরকার। সংস্কার করে এগুলোর আরো একটু দক্ষতা বাড়ানো প্রয়োজন। এ জন্য সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি পুনর্গঠন করতে হবে। সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি থেকে ধীরে ধীরে আমাদের সামাজিক নিরাপত্তায় যাওয়ার পরিকল্পনা নিতে হবে। এই সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি থেকে টেকসই সামাজিক নিরাপত্তার দিকে নিয়ে যেতে হবে। এ জন্য সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে। এটা এমন হতে পারে, সর্বজনীন পেনশন স্কিম ও সর্বজনীন ন্যূনতম মজুরি- এমন সব কার্যক্রমের দিকে যেতে হবে। যদিও এগুলো মধ্যমেয়াদি কাজ, তার পরও এসব সংস্কারের দিকে আমাদের যেতে হবে।

সংস্কার পরিকল্পনা নির্ভর বাজেট চাইঅর্থনৈতিক সংস্কারের কথা চিন্তা করলে এখন দুই দিকে খেয়াল রাখতে হবে। বাজেট সামনে রেখে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য যেসব পরিকল্পনা নেওয়া হবে সেসবের মধ্যে স্বল্পমেয়াদি সংস্কার কার্যক্রম নিতে হবে। আরো কিছু নিতে হবে মধ্যমেয়াদি বাজেট কাঠামোতে। তিন বছর মেয়াদি এই বাজেট কাঠামোতে বেশ কিছু সংস্কারের প্রয়োজন হবে। এসব পরিকল্পনা গ্রহণ করেই সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে।

এখন বিশেষায়িত মূল্যস্ফীতির চাপ অর্থনীতিতে অব্যাহত আছে। ফলে স্থির আয়ের মানুষের ওপর যে চাপ ক্রমান্বয়ে পুঞ্জীভূত হচ্ছিল, সেটা যায়নি। চাপ থেকে গেছে। এই চাপ কমাতে নজর দিতে হবে। এই চাপ কমাতে বৈদেশিক মুদ্রার মূল্যমানের স্থিতিশীলতা আনার মাধ্যমে করতে হবে। এই মুহূর্তে বেশি করা দরকার সরবরাহ সক্ষমতা বাড়ানো; বিশেষ করে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়ানোর দিকে নজর দিতে হবে।

ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতের সংস্কারে কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। রাজস্ব সংস্কারে কাজ হচ্ছে। এই দুটি সংস্কার সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ব্যাংকিং ও রাজস্ব সংস্কারের জন্য কমিশনও গঠন করা হয়েছে। এই সংস্কার কাজ যত তাড়াতাড়ি সম্পন্ন করতে পারি তত মঙ্গল। ব্যাংকিং খাত বড় চ্যালেঞ্জিং। এটা করতে না পারলে মূলধন ব্যয় ও সুদহার নিয়ন্ত্রণ কঠিন হবে, যেহেতু এর সঙ্গে বিনিয়োগ সম্পৃক্ত। আর বিনিয়োগের ওপর নির্ভর করবে কর্মসংস্থান। আবার বিনিয়োগের সঙ্গে সরবরাহব্যবস্থা সম্পৃক্ত রয়েছে। ফলে সরবরাহ ও চাহিদা নির্ভর করবে বিনিয়োগের ওপর। সুতরাং বিনিয়োগকে একটি স্বস্তির জায়গায় নিতে হবে। তাহলেই মূল্যস্ফীতি একটি স্বস্তির জায়গায় নিয়ে আসতে পারব।

রাজস্ব সংস্কার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। রাজস্ব সংস্কারের মাধ্যমে কিভাবে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বাড়ানো যায়, কিংবা সরকারের আয় শক্তিশালী করা যায় তার দিকে মনোযোগ দিতে হবে। এই সংস্কারের মধ্যে আছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের পুনর্গঠন। আবার বিভিন্ন কর কাঠামোর মধ্যে পরিবর্তন বা প্রণোদনা কাঠামোর পরিবর্তন- এগুলো সংস্কারের মধ্যে রাখতে হবে।

সরকারের ব্যয় বা বাজেট বাস্তবায়নে সংস্কারের একটি বড় বিষয় আছে। সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় এই বাজেট বাস্তবায়ন করে। তাই মন্ত্রণালয়গুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি ও জবাবদিহি দরকার। সার্বিকভাবে জবাবদিহি ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা করার কাজ করতে হবে। পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে। প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা যাতে বাড়ে এ জন্য প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার দরকার। সরকারের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানেই জবাবদিহির সংস্কৃতি, স্পষ্টতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কাজ করতে হবে। এগুলোই এখন বড় কাজ। প্রশাসনিক বিভিন্ন সংস্কার করলে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়বে বলে আমার মনে হয়। প্রশাসনিক সংস্কার কমিটি গঠন করা হয়েছে। এখন কমিটি কাজগুলো যত দ্রুত করবে, তাদের পরামর্শ যত দ্রুত পাওয়া যাবে তত ভালো। এগুলো বাস্তবায়নের জন্য যেসব সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেওয়া যাবে সেটা গুরুত্বপূর্ণ।

দেশের মানুষের প্রত্যাশা অনেক। দেশের প্রবৃদ্ধি যেটা হয়েছে, সেখানে বণ্টনের ন্যায্যতা অনেক কম ছিল। যার ফলে আয়বৈষম্য, ভোগবৈষম্য ও সম্পদবৈষম্য বেড়েছে। দুর্নীতির মাধ্যমে দেশ থেকে টাকা পাচার হয়েছে। প্রকল্প থেকে টাকা পাচার হয়েছে। মানুষের প্রত্যাশা ছিল, আরো ভালোভাবে ন্যায্যতার মাধ্যমে বণ্টন হবে। এই বণ্টনের ক্ষেত্রে ভালো কিছু আকাঙ্ক্ষা মানুষের আছে। দ্বিতীয়ত, আমাদের সমপর্যায়ের দেশগুলো, বিশেষ করে থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়া আমাদের ছাড়িয়ে গেছে। সুতরাং সেই দিকটি আমাদের মনে রাখতে হবে। কিভাবে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি উচ্চ স্তরে হবে, ন্যায্যতা নিশ্চিত হবে-এ দুই দিকে আরো বেশি প্রচেষ্টা থাকতে হবে। দেশের আর্থ-সামাজিক সূচকে অবশ্যই উন্নতি হয়েছে, যেখানে ধারাবাহিকভাবে সরকার ও সরকারবর্হিভূত ব্যক্তি খাতসহ অনেকের ভূমিকা আছে। দেশের উন্নয়নে জনগণের বড় ভূমিকা আছে। কিন্তু নীতিমালা, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা ও সুশাসন শক্তিশালী করার মাধ্যমে আমাদের জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী প্রবৃদ্ধির গতি বাড়ানো এবং বণ্টনের ন্যায্যতা নিশ্চিত করা দরকার। এ দুটিই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।

লেখক: সম্মাননীয় ফেলো, সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)।

বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ

এই বিভাগের আরও খবর
ছাত্রদের রাজনীতি ও জনপ্রত্যাশা
ছাত্রদের রাজনীতি ও জনপ্রত্যাশা
ড. ইউনূসের আরো স্থায়িত্বের প্রশ্নে কিছু কথা
ড. ইউনূসের আরো স্থায়িত্বের প্রশ্নে কিছু কথা
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
প্রত্যাশা সমষ্টিগত মানুষের স্বাধীনতা ও মুক্তি
প্রত্যাশা সমষ্টিগত মানুষের স্বাধীনতা ও মুক্তি
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ, জাতীয় স্বার্থ ও গণঅভ্যুত্থানের পুনর্জাগরণ
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ, জাতীয় স্বার্থ ও গণঅভ্যুত্থানের পুনর্জাগরণ
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক: জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি ও ভবিষ্যৎ প্রেক্ষিত
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক: জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি ও ভবিষ্যৎ প্রেক্ষিত
সেনাবাহিনী নিয়ে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে
সেনাবাহিনী নিয়ে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে
সেনাবাহিনী বা প্রধান নিয়ে অপরিণামদর্শী স্মার্টনেস কাম্য নয়
সেনাবাহিনী বা প্রধান নিয়ে অপরিণামদর্শী স্মার্টনেস কাম্য নয়
তবে কি সংস্কারের পুকুরে ডুবছে নতুন স্বাধীনতা ?
তবে কি সংস্কারের পুকুরে ডুবছে নতুন স্বাধীনতা ?
বুদ্ধিজীবীরা প্রত্যক্ষ ভূমিকা রেখেছেন স্বাধীনতা সংগ্রামে
বুদ্ধিজীবীরা প্রত্যক্ষ ভূমিকা রেখেছেন স্বাধীনতা সংগ্রামে
সেনাবাহিনীকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে
সেনাবাহিনীকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে
সর্বশেষ খবর
হঠাৎ অসুস্থ হয়ে কুমিল্লায় সিসিইউতে ভর্তি বরকত উল্লাহ বুলু
হঠাৎ অসুস্থ হয়ে কুমিল্লায় সিসিইউতে ভর্তি বরকত উল্লাহ বুলু

৩৮ মিনিট আগে | জাতীয়

ঝালকাঠির কাঠালিয়ার ঘোড়দৌড়
ঝালকাঠির কাঠালিয়ার ঘোড়দৌড়

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঝালকাঠিতে গাছ থেকে মা-ছেলের মরদেহ উদ্ধার
ঝালকাঠিতে গাছ থেকে মা-ছেলের মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জুয়া বন্ধ করতে গিয়ে জুয়াড়িদের হামলার শিকার পুলিশ, আহত ৫
জুয়া বন্ধ করতে গিয়ে জুয়াড়িদের হামলার শিকার পুলিশ, আহত ৫

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

১২ দিন পর খুলছে তামাবিল স্থলবন্দর
১২ দিন পর খুলছে তামাবিল স্থলবন্দর

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাইবান্ধায় নিচে নামছে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর, পানি সংকট
গাইবান্ধায় নিচে নামছে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর, পানি সংকট

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ফিলিস্তিনে গণহত্যার প্রতিবাদে ঢাবির ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত
ফিলিস্তিনে গণহত্যার প্রতিবাদে ঢাবির ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ডিএনডি লেকে গোসলে নেমে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু
ডিএনডি লেকে গোসলে নেমে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজবাড়ীতে নিরব হত্যার প্রধান আসামি গ্রেফতার
রাজবাড়ীতে নিরব হত্যার প্রধান আসামি গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছেলের দায়ের কোপে আহত মায়ের মৃত্যু
ছেলের দায়ের কোপে আহত মায়ের মৃত্যু

৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ডাসারে অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিলো উপজেলা প্রশাসন
ডাসারে অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিলো উপজেলা প্রশাসন

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ফ্যাসিষ্টের দোসর ও নব্য বিএনপি থেকে সাবধান : মজনু
ফ্যাসিষ্টের দোসর ও নব্য বিএনপি থেকে সাবধান : মজনু

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি গণহত্যার প্রতিবাদে মুখে কালো কাপড় বেঁধে অবস্থান করবে ছাত্রদল
ইসরায়েলি গণহত্যার প্রতিবাদে মুখে কালো কাপড় বেঁধে অবস্থান করবে ছাত্রদল

৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগে কাশিয়ানী থানার ওসি ক্লোজড
ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগে কাশিয়ানী থানার ওসি ক্লোজড

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘ভারতে বিতর্কিত ওয়াকফ বিল মুসলিমদের আরো নিরাপত্তাহীন করে তুলবে’
‘ভারতে বিতর্কিত ওয়াকফ বিল মুসলিমদের আরো নিরাপত্তাহীন করে তুলবে’

৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

চট্টগ্রামে মদসহ চারজন গ্রেফতার
চট্টগ্রামে মদসহ চারজন গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

কক্সবাজারে ট্রেনে কাটা পড়ে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
কক্সবাজারে ট্রেনে কাটা পড়ে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামে পোশাককর্মী খুনের ঘটনায় স্বামী গ্রেফতার
চট্টগ্রামে পোশাককর্মী খুনের ঘটনায় স্বামী গ্রেফতার

৫ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ঈদের লম্বা ছুটিতে চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনারের স্তূপ
ঈদের লম্বা ছুটিতে চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনারের স্তূপ

৫ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিদেশি মদসহ গ্রেফতার ৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিদেশি মদসহ গ্রেফতার ৬

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘আইএমএফ বলেছে বাংলাদেশের অর্থনীতি সঠিক দিকেই আছে’
‘আইএমএফ বলেছে বাংলাদেশের অর্থনীতি সঠিক দিকেই আছে’

৫ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

পৃথিবীর ‘সবুজ ফুসফুস’ নজরদারি করবে মহাকাশযান
পৃথিবীর ‘সবুজ ফুসফুস’ নজরদারি করবে মহাকাশযান

৫ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

গাইবান্ধায় কৃষকদের নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের আনন্দময় দিন
গাইবান্ধায় কৃষকদের নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের আনন্দময় দিন

৫ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

হজ ব্যবস্থাপনায় কোনো ত্রুটি বরদাশত করা হবে না : ধর্ম উপদেষ্টা
হজ ব্যবস্থাপনায় কোনো ত্রুটি বরদাশত করা হবে না : ধর্ম উপদেষ্টা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের দায়ে ৭ বাসকে জরিমানা
অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের দায়ে ৭ বাসকে জরিমানা

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ঈদের ছুটি পর বেনাপোল বন্দরে ফিরেছে স্বাভাবিক গতি
ঈদের ছুটি পর বেনাপোল বন্দরে ফিরেছে স্বাভাবিক গতি

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শর্টস ভিডিও নির্মাতাদের জন্য সুখবর দিল ইউটিউব
শর্টস ভিডিও নির্মাতাদের জন্য সুখবর দিল ইউটিউব

৫ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

গলাচিপায় শুভসংঘের উদ্যোগে জমিতে অতিরিক্ত সার ও কীটনাশক প্রয়োগ বিষয়ক সচেতনামূলক সভা
গলাচিপায় শুভসংঘের উদ্যোগে জমিতে অতিরিক্ত সার ও কীটনাশক প্রয়োগ বিষয়ক সচেতনামূলক সভা

৫ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ট্রাম্পের সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল ইরান
ট্রাম্পের সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল ইরান

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিখোঁজ সেই গৃহবধূ পরকীয়া প্রেমিকসহ উদ্ধার
নিখোঁজ সেই গৃহবধূ পরকীয়া প্রেমিকসহ উদ্ধার

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
বিয়েবাড়ির গেটে পার্টি স্প্রে দেওয়া নিয়ে মারামারি, ভাঙলো বিয়ে
বিয়েবাড়ির গেটে পার্টি স্প্রে দেওয়া নিয়ে মারামারি, ভাঙলো বিয়ে

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশসহ ১৪ দেশের ওপর সৌদির সাময়িক ভিসা নিষেধাজ্ঞা
বাংলাদেশসহ ১৪ দেশের ওপর সৌদির সাময়িক ভিসা নিষেধাজ্ঞা

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতি নিয়ে জরুরি নির্দেশনা
সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতি নিয়ে জরুরি নির্দেশনা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজায় গণহত্যা বন্ধে সোমবার বিশ্বব্যাপী ‘নো ওয়ার্ক নো স্কুল’
গাজায় গণহত্যা বন্ধে সোমবার বিশ্বব্যাপী ‘নো ওয়ার্ক নো স্কুল’

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতের ওয়াকফ সংশোধনী বিল নিয়ে যা বললেন আসিফ নজরুল
ভারতের ওয়াকফ সংশোধনী বিল নিয়ে যা বললেন আসিফ নজরুল

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষ্যে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা ও সহযোগিতা কার্যক্রম
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষ্যে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা ও সহযোগিতা কার্যক্রম

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতে ওয়াকফ বিল পাস হওয়ায় যে প্রতিক্রিয়া জানাল বিএনপি
ভারতে ওয়াকফ বিল পাস হওয়ায় যে প্রতিক্রিয়া জানাল বিএনপি

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মারা গেছেন
আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মারা গেছেন

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান
সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভাঙচুর ও হত্যাচেষ্টা মামলায় আওয়ামীপন্থী ৬১ আইনজীবীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ
ভাঙচুর ও হত্যাচেষ্টা মামলায় আওয়ামীপন্থী ৬১ আইনজীবীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে ফ্ল্যাট নিয়ে টিউলিপের মিথ্যাচার
যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে ফ্ল্যাট নিয়ে টিউলিপের মিথ্যাচার

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমিরাতের সহযোগিতায় ৮ বিভাগে হবে স্পোর্টস হাব : ক্রীড়া উপদেষ্টা
আমিরাতের সহযোগিতায় ৮ বিভাগে হবে স্পোর্টস হাব : ক্রীড়া উপদেষ্টা

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খনিজ চুক্তি ফাঁস: তদন্তে নেমেছে ইউক্রেন
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খনিজ চুক্তি ফাঁস: তদন্তে নেমেছে ইউক্রেন

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্মার্টফোনে ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ মোডের কাজ কী?
স্মার্টফোনে ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ মোডের কাজ কী?

১৭ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

‘গৃহকর্ত্রীও নির্যাতিতা হতে পারেন’ -পরীমনির সেই ইস্যুতে ফেসবুকে ন্যান্সি
‘গৃহকর্ত্রীও নির্যাতিতা হতে পারেন’ -পরীমনির সেই ইস্যুতে ফেসবুকে ন্যান্সি

১৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আইনে পরিণত হলো বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী বিল
আইনে পরিণত হলো বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী বিল

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত: মস্কো
ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত: মস্কো

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন মন্ত্রণালয়ে সচিব পদে রদবদল
তিন মন্ত্রণালয়ে সচিব পদে রদবদল

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি
সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

দেশে প্রবাসী আয়ে রেকর্ড, মার্চে এল ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি
দেশে প্রবাসী আয়ে রেকর্ড, মার্চে এল ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি

১০ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব সামাল দেয়া কঠিন নয় : অর্থ উপদেষ্টা
ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব সামাল দেয়া কঠিন নয় : অর্থ উপদেষ্টা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্প-মাস্কের নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে গণবিক্ষোভ
ট্রাম্প-মাস্কের নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে গণবিক্ষোভ

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এসএসএফের সাবেক ডিজির ফ্ল্যাট-জমি জব্দ, ৩৪ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ
এসএসএফের সাবেক ডিজির ফ্ল্যাট-জমি জব্দ, ৩৪ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১, ছিলেন ৭০ জনের বেশি বাংলাদেশি  তীর্থযাত্রী
ভারতে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১, ছিলেন ৭০ জনের বেশি বাংলাদেশি তীর্থযাত্রী

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইভ্যালির রাসেল-শামীমার তিন বছরের কারাদণ্ড
ইভ্যালির রাসেল-শামীমার তিন বছরের কারাদণ্ড

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঘন ঘন দূতাবাসের স্থান পরিবর্তনে বিরক্ত মালয়েশিয়া প্রবাসীরা
ঘন ঘন দূতাবাসের স্থান পরিবর্তনে বিরক্ত মালয়েশিয়া প্রবাসীরা

৮ ঘণ্টা আগে | পরবাস

গাজাবাসীর সমর্থনে সোমবার রাজপথে নামার আহ্বান সারজিসের
গাজাবাসীর সমর্থনে সোমবার রাজপথে নামার আহ্বান সারজিসের

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিচার চেয়ে থানায় বৃদ্ধা, ‘ভিক্ষা করে কেনা মুরগি মেরে দিল কারা?’
বিচার চেয়ে থানায় বৃদ্ধা, ‘ভিক্ষা করে কেনা মুরগি মেরে দিল কারা?’

১৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকাসহ সাত বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস
ঢাকাসহ সাত বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েল সফরে গিয়ে অপমানিত দুই ব্রিটিশ নারী এমপি
ইসরায়েল সফরে গিয়ে অপমানিত দুই ব্রিটিশ নারী এমপি

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
অনিশ্চয়তায় ১০ হাজার কোটির শিপমেন্ট
অনিশ্চয়তায় ১০ হাজার কোটির শিপমেন্ট

প্রথম পৃষ্ঠা

বিক্ষোভে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র
বিক্ষোভে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র

প্রথম পৃষ্ঠা

জিয়ার স্মৃতি মুছে ফেলার সহজসরল পদ্ধতি!
জিয়ার স্মৃতি মুছে ফেলার সহজসরল পদ্ধতি!

সম্পাদকীয়

কাজ করছে না আঙুলের ছাপ
কাজ করছে না আঙুলের ছাপ

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

বিএনপিকে আওয়ামী লীগের আচরণ থেকে বের হতে হবে
বিএনপিকে আওয়ামী লীগের আচরণ থেকে বের হতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

৮ কোটি টাকার প্রকল্পের কাজ কোটেশনে!
৮ কোটি টাকার প্রকল্পের কাজ কোটেশনে!

নগর জীবন

চরের জমিতে হাজার কোটি টাকার ফসল
চরের জমিতে হাজার কোটি টাকার ফসল

পেছনের পৃষ্ঠা

অপপ্রচার রোধে প্রেস উইংকে ভূমিকা রাখতে হবে
অপপ্রচার রোধে প্রেস উইংকে ভূমিকা রাখতে হবে

নগর জীবন

সংকট নেই তবু বাড়তি দরে ডলার বিক্রি
সংকট নেই তবু বাড়তি দরে ডলার বিক্রি

পেছনের পৃষ্ঠা

রাশিয়া সফরে সেনাপ্রধান
রাশিয়া সফরে সেনাপ্রধান

প্রথম পৃষ্ঠা

স্কটল্যান্ডকে হারালেন নিগাররা
স্কটল্যান্ডকে হারালেন নিগাররা

মাঠে ময়দানে

প্রধান উপদেষ্টার কাছে শহীদ পরিবারের প্রত্যাশা
প্রধান উপদেষ্টার কাছে শহীদ পরিবারের প্রত্যাশা

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে বিলীন জনবসতি
ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে বিলীন জনবসতি

প্রথম পৃষ্ঠা

মন্ত্রণালয়ে যোগ দিয়েছেন ড. শেখ মইনউদ্দিন
মন্ত্রণালয়ে যোগ দিয়েছেন ড. শেখ মইনউদ্দিন

নগর জীবন

কারাগারে ৬১ আইনজীবী জামিন ১৯, পালালেন ৩ জন
কারাগারে ৬১ আইনজীবী জামিন ১৯, পালালেন ৩ জন

প্রথম পৃষ্ঠা

ওসির অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ
ওসির অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ

পেছনের পৃষ্ঠা

ধর্ষণের মিথ্যা মামলা গৃহবধূ জেলে
ধর্ষণের মিথ্যা মামলা গৃহবধূ জেলে

পেছনের পৃষ্ঠা

হাছান ও তার স্ত্রীর ব্যাংকে ৭২২ কোটি টাকা লেনদেন
হাছান ও তার স্ত্রীর ব্যাংকে ৭২২ কোটি টাকা লেনদেন

পেছনের পৃষ্ঠা

ক্ষমতায় যাওয়ার সিঁড়ি হবে না হেফাজতে ইসলাম
ক্ষমতায় যাওয়ার সিঁড়ি হবে না হেফাজতে ইসলাম

নগর জীবন

এক ছাতায় বিশ্বের হাজারো উদ্যোক্তা
এক ছাতায় বিশ্বের হাজারো উদ্যোক্তা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপি নেতার ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ
বিএনপি নেতার ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ

দেশগ্রাম

দেবরের হাতে ভাবি খুন
দেবরের হাতে ভাবি খুন

পেছনের পৃষ্ঠা

টিউলিপের দুর্নীতির দালিলিক প্রমাণ সাকিবের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান
টিউলিপের দুর্নীতির দালিলিক প্রমাণ সাকিবের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান

পেছনের পৃষ্ঠা

ছেলের রামদার কোপে মায়ের মৃত্যু
ছেলের রামদার কোপে মায়ের মৃত্যু

নগর জীবন

শরীয়তপুরে বোমাবাজিতে গ্রেপ্তার ৮
শরীয়তপুরে বোমাবাজিতে গ্রেপ্তার ৮

পেছনের পৃষ্ঠা

আইএমইডিতে নতুন সচিব
আইএমইডিতে নতুন সচিব

নগর জীবন

ফাঁদে ফেলে অপহরণ মুক্তিপণ আদায়
ফাঁদে ফেলে অপহরণ মুক্তিপণ আদায়

পেছনের পৃষ্ঠা

দলমতের ঊর্ধ্বে দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে কাজ করতে হবে
দলমতের ঊর্ধ্বে দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে কাজ করতে হবে

নগর জীবন

মোবাইল ব্যবহারে বাধা দেওয়ায় কিশোরীর আত্মহনন
মোবাইল ব্যবহারে বাধা দেওয়ায় কিশোরীর আত্মহনন

নগর জীবন