শিরোনাম
প্রকাশ: ০৯:৩৭, রবিবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২৫

কালের কণ্ঠের ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে প্রকাশিত

নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে সংস্কার জরুরি

মো. খলিলুর রহমান সজল
অনলাইন ভার্সন
নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে সংস্কার জরুরি

বাংলাদেশের অর্থনীতি ক্রমাগত উন্নতির দিকে থাকলেও নিত্যপণ্যের বাজারের অস্থিতিশীলতা সমাজের এক বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। নিত্যপণ্যের অপ্রাপ্যতা এবং মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের ব্যয়ভার বাড়িয়ে তুলছে। পণ্যের উচ্চমূল্যের কারণে অনেক পরিবার তাদের জীবনযাত্রার মান বজায় রাখতে হিমশিম খাচ্ছে, যা দীর্ঘ মেয়াদে তাদের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতায় নেতিবাচক প্রভাব নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে সংস্কার জরুরিফেলছে। সরকার বিভিন্ন সময়ে পণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে নানা পদক্ষেপ নিলেও তা যথেষ্ট ফলপ্রসূ হচ্ছে না।

আমাদের বাজারব্যবস্থায় সরবরাহ শৃঙ্খলে বিভিন্ন বাধা, সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য, মধ্যস্বত্বভোগীদের অতিরিক্ত মুনাফা অর্জনের প্রবণতা, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে বাজারে পণ্যের দাম বাড়িয়ে দেওয়া ইত্যাদি কারণে দ্রবমূল্যের অস্বাভাবিক ঊর্ধ্বগতি। বর্তমান বাস্তবতায় বাজারে স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে হলে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন। এতে নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল হবে এবং ভোক্তাদের মাঝে স্বস্তি ফিরে আসবে। নিত্যপণ্যের বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে নিম্নবর্ণিত সংস্কার জরুরি।

সরবরাহ শৃঙ্খল ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন

নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখার পূর্বশর্ত হলো পণ্যের সঠিক ও নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা। উৎপাদন বা আমদানি থেকে শুরু করে বাজারে পণ্য পৌঁছানো পর্যন্ত একাধিক স্তরের সরবরাহ শৃঙ্খল রয়েছে, যা মাঝে মাঝে অনিয়ন্ত্রিত হয়ে যায়। সরবরাহ শৃঙ্খলের প্রতিটি স্তরে স্বচ্ছতা ও কার্যকর পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন, যাতে মজুদদার ও কালোবাজারির দৌরাত্ম্য কমে আসে। সরবরাহব্যবস্থার ডিজিটাইজেশনও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যেখানে পণ্যের উৎপাদন থেকে বিপণন পর্যন্ত তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে রেকর্ড হবে এবং সংশিষ্ট বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো তা মনিটর করতে পারবে। ডিজিটাল সরবরাহ ব্যবস্থা গ্রহণ করার ফলে ব্যবসায়ীদের কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি ভোক্তাদের মাঝেও আস্থার পরিবেশ সৃষ্টি হবে। মানবসম্পদ ও ডিজিটাল প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে বাজারের সরবরাহ শৃঙ্খল আরো দক্ষ ও কার্যকর করা সম্ভব হবে। এ ছাড়া সরকার নিজস্ব উদ্যোগে কোনো নির্দিষ্ট পণ্যের সরবরাহ বাড়ালে এমনিতেই সেই পণ্যের দাম কমে আসবে। এতে অনৈতিকভাবে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বাজার অস্থিতিশীল করা সম্ভব হবে না। এ ব্যাপারে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) কর্মকাণ্ড আরো বিস্তৃত ও গতিশীল করতে হবে। একই সঙ্গে এই প্রতিষ্ঠানের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি।
 
পাইকারি বাজার ব্যবস্থার পুনর্গঠন

পাইকারি বাজার ব্যবস্থা যেকোনো দেশের অর্থনীতির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ। এটি উৎপাদক ও খুচরা বিক্রেতার মধ্যকার সেতুবন্ধ হিসেবে কাজ করে। বাংলাদেশে পাইকারি বাজারের ওপর নির্ভরশীলতা বেশি থাকা সত্ত্বেও আজ পর্যন্ত এই বাজারগুলোকে কোনো প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া সম্ভব হয়নি। ফলে পাইকারি বাজারে পণ্যের দাম নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট মানদণ্ড বা পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা নেই। এ অবস্থার উন্নয়ন ঘটাতে হলে সরকারকে উদ্যোগী ভূমিকা নিয়ে পাইকারি বাজার ব্যবস্থা পুনর্গঠন করতে হবে। স্থানীয় বাজারগুলোতে নিয়ন্ত্রিত মূল্য নির্ধারণ এবং সাপ্তাহিক মূল্যতালিকা প্রচলনের ব্যবস্থা করা দরকার। এ ছাড়া বাজার পরিস্থিতি আরো স্থিতিশীল করতে পাইকারি বাজারের আধুনিকায়ন, স্টোরেজ সুবিধা বৃদ্ধি এবং দাম নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। যদিও পাইকারি বাজার ব্যবস্থার পুনর্গঠন একটি জটিল প্রক্রিয়া, তার পরও যতক্ষণ পর্যন্ত পাইকারি বাজার ব্যবস্থা পুনর্গঠন করা না যাবে ততক্ষণ পণ্যের অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে না।

কৃষক ও খুচরা বিক্রেতার মধ্যে সরাসরি সংযোগ স্থাপন

কৃষিপণ্যের বাজারব্যবস্থা আরো দক্ষ ও কার্যকর করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হলো কৃষক ও খুচরা বিক্রেতার মধ্যে সরাসরি সংযোগ স্থাপন। এই সংযোগ স্থাপন নিশ্চিত করা গেলে মধ্যস্বত্বভোগী এড়ানো যাবে। ফলে কৃষকরা তাদের উৎপাদন করা পণ্যের ন্যায্য মূল্য পাবে এবং তারা পণ্য উৎপাদনে আরো বেশি উৎসাহী হবে। এ ছাড়া ভোক্তারাও কম দামে কৃষিপণ্য ক্রয় করতে পারবে। তাই প্রতিটি উপজেলায় কৃষকদের জন্য অন্তত একটি কৃষি বিপণন কেন্দ্র বা ‘কৃষকবাজার’ স্থাপন করার ব্যবস্থা নিতে হবে, যেখানে কৃষকরা সরাসরি পণ্য বিক্রি করতে পারবে। এই লক্ষ্যে একটি উপযুক্ত নীতিমালা এবং কৃষকবাজারের একটি আদর্শ মডেল প্রণয়ন করা জরুরি। এ ছাড়া একাধিক কৃষক মিলে একটি সমবায় সংস্থা গঠন করলে সহজে ও ন্যায্য মূল্যে তাদের উৎপাদন করা পণ্য একসঙ্গে বিক্রি করতে পারবে। এতে প্রান্তিক কৃষকরা তাদের উৎপন্ন পণ্যের প্রতিযোগিতামূলক দাম পাবে। এ ব্যাপারে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর ও সমবায় অধিদপ্তর যৌথভাবে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারে। কৃষকবাজার ব্যবস্থা চালু করা গেলে কৃষকদের আয় বাড়বে, মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমবে এবং ভোক্তারাও সঠিক দামে গুণমানসম্পন্ন কৃষিপণ্য ক্রয় করতে পারবে।

মজুদদারি ও কালোবাজারি রোধে আইনের প্রয়োগ

কালোবাজারি ও মজুদদারের নিয়ন্ত্রণে আমাদের পণ্যবাজার। আলু, পেঁয়াজ, ডিম, চাল, ডাল, তেল, চিনি—সব কিছুর দামই তথাকথিত মজুদদার ও আড়তদার কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে। দেশে উৎপন্ন কিংবা বিদেশ থেকে আমদানি করা প্রায় সব ভোগ্য পণ্যই এখন সিন্ডিকেটের কবলে। এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী ও মজুদদার দেশে উৎপন্ন পণ্যে সিন্ডিকেট তৈরি করে থাকে। বিদেশ থেকে আমদানি করা পণ্যের নিয়ন্ত্রণও গুটিকয়েক বড় করপোরেটের হাতে। ফলে সেখানেও রয়েছে সিন্ডিকেটের অদৃশ্য হাত। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর আওতায় মজুদদারদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ না থাকায় ভোক্তা স্বার্থ সংরক্ষণ অধিদপ্তর মজুদদারি ও কালোবাজারি রোধে তেমন কোনো কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারছে না। তাই দণ্ডবিধি অথবা বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ প্রয়োগ করার মাধ্যমে মজুদদারি ও কালোবাজারির বিরুদ্ধে সঠিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। জেল ও আর্থিক জরিমানার বিধান রেখে মজুদদারি ও কালোবাজারি রোধে একটি যুগোপযোগী নতুন আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করা দরকার। নিয়মিত অভিযান এবং আইনের কঠোর প্রয়োগের মাধ্যমে বাজারে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে।

পণ্যের মূল্যতথ্য প্রচারণা এবং ভোক্তা সচেতনতা বৃদ্ধি
 
পণ্যের মূল্যতথ্য প্রচারণা এবং ভোক্তা সচেতনতা বৃদ্ধি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এটি উৎপাদক ও ভোক্তা উভয়ের জন্যই উপকারী। ক্রেতার কাছে পণ্যের মূল্যতথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করা গেলে একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক বাজারব্যবস্থা সৃষ্টি করা সম্ভব হবে। এতে ক্রেতাদের পণ্য ক্রয়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণ সহজ হয় এবং বাজারে একটি সুস্থ প্রতিযোগিতা বজায় থাকে। প্রযুক্তির সাহায্যে নিত্যপণ্যের মূল্য জনগণের কাছে সরাসরি পৌঁছে দেওয়া যেতে পারে। সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে অনলাইন বা মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে দৈনিক মূল্যতালিকা প্রকাশ করা গেলে ক্রেতারা বাজারের প্রকৃত অবস্থার সঙ্গে পরিচিত হতে পারবে। এ ছাড়া ভোক্তাদের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নিতে হবে, যাতে তারা অবগত হয়ে যাচাই-বাছাই করে পণ্য কিনতে পারে।

নীতিগত ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতা

বাজারের জন্য একটি কার্যকর নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা করে সরকারের ভূমিকা শক্তিশালী করতে হবে। পাশাপাশি বাজার ব্যবস্থাপনায় দায়িত্বশীল সংস্থা, যেমন- ভোক্তা স্বার্থ সংরক্ষণ অধিদপ্তর, প্রতিযোগিতা কমিশন, কৃষি বিপণন অধিদপ্তরসহ অন্যান্য নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় বাড়াতে হবে এবং নিয়মিত নজরদারি ব্যবস্থা আরো জোরদার করতে হবে। এতে অপ্রত্যাশিত মজুদদারি বা মূল্যবৃদ্ধি রোধে সরকার আরো কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে। মনে রাখতে হবে, শুধু অভিযান চালিয়ে পণ্যের দাম কমানো যাবে না। নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখার জন্য প্রস্তাবিত সংস্কারসমূহ বাস্তবায়ন করা সময়ের দাবি।

লেখক : নির্বাহী পরিচালক, ভলান্টারি কনজিউমারস ট্রেনিং অ্যান্ড অ্যাওয়্যারনেস সোসাইটি (ভোক্তা)।

বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ
 

এই বিভাগের আরও খবর
ছাত্রদের রাজনীতি ও জনপ্রত্যাশা
ছাত্রদের রাজনীতি ও জনপ্রত্যাশা
ড. ইউনূসের আরো স্থায়িত্বের প্রশ্নে কিছু কথা
ড. ইউনূসের আরো স্থায়িত্বের প্রশ্নে কিছু কথা
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
প্রত্যাশা সমষ্টিগত মানুষের স্বাধীনতা ও মুক্তি
প্রত্যাশা সমষ্টিগত মানুষের স্বাধীনতা ও মুক্তি
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ, জাতীয় স্বার্থ ও গণঅভ্যুত্থানের পুনর্জাগরণ
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ, জাতীয় স্বার্থ ও গণঅভ্যুত্থানের পুনর্জাগরণ
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক: জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি ও ভবিষ্যৎ প্রেক্ষিত
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক: জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি ও ভবিষ্যৎ প্রেক্ষিত
সেনাবাহিনী নিয়ে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে
সেনাবাহিনী নিয়ে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে
সেনাবাহিনী বা প্রধান নিয়ে অপরিণামদর্শী স্মার্টনেস কাম্য নয়
সেনাবাহিনী বা প্রধান নিয়ে অপরিণামদর্শী স্মার্টনেস কাম্য নয়
তবে কি সংস্কারের পুকুরে ডুবছে নতুন স্বাধীনতা ?
তবে কি সংস্কারের পুকুরে ডুবছে নতুন স্বাধীনতা ?
বুদ্ধিজীবীরা প্রত্যক্ষ ভূমিকা রেখেছেন স্বাধীনতা সংগ্রামে
বুদ্ধিজীবীরা প্রত্যক্ষ ভূমিকা রেখেছেন স্বাধীনতা সংগ্রামে
সেনাবাহিনীকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে
সেনাবাহিনীকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে
সর্বশেষ খবর
হঠাৎ অসুস্থ হয়ে কুমিল্লায় সিসিইউতে ভর্তি বরকত উল্লাহ বুলু
হঠাৎ অসুস্থ হয়ে কুমিল্লায় সিসিইউতে ভর্তি বরকত উল্লাহ বুলু

৩৮ মিনিট আগে | জাতীয়

ঝালকাঠির কাঠালিয়ার ঘোড়দৌড়
ঝালকাঠির কাঠালিয়ার ঘোড়দৌড়

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঝালকাঠিতে গাছ থেকে মা-ছেলের মরদেহ উদ্ধার
ঝালকাঠিতে গাছ থেকে মা-ছেলের মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জুয়া বন্ধ করতে গিয়ে জুয়াড়িদের হামলার শিকার পুলিশ, আহত ৫
জুয়া বন্ধ করতে গিয়ে জুয়াড়িদের হামলার শিকার পুলিশ, আহত ৫

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

১২ দিন পর খুলছে তামাবিল স্থলবন্দর
১২ দিন পর খুলছে তামাবিল স্থলবন্দর

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাইবান্ধায় নিচে নামছে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর, পানি সংকট
গাইবান্ধায় নিচে নামছে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর, পানি সংকট

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ফিলিস্তিনে গণহত্যার প্রতিবাদে ঢাবির ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত
ফিলিস্তিনে গণহত্যার প্রতিবাদে ঢাবির ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ডিএনডি লেকে গোসলে নেমে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু
ডিএনডি লেকে গোসলে নেমে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজবাড়ীতে নিরব হত্যার প্রধান আসামি গ্রেফতার
রাজবাড়ীতে নিরব হত্যার প্রধান আসামি গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছেলের দায়ের কোপে আহত মায়ের মৃত্যু
ছেলের দায়ের কোপে আহত মায়ের মৃত্যু

৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ডাসারে অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিলো উপজেলা প্রশাসন
ডাসারে অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিলো উপজেলা প্রশাসন

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ফ্যাসিষ্টের দোসর ও নব্য বিএনপি থেকে সাবধান : মজনু
ফ্যাসিষ্টের দোসর ও নব্য বিএনপি থেকে সাবধান : মজনু

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি গণহত্যার প্রতিবাদে মুখে কালো কাপড় বেঁধে অবস্থান করবে ছাত্রদল
ইসরায়েলি গণহত্যার প্রতিবাদে মুখে কালো কাপড় বেঁধে অবস্থান করবে ছাত্রদল

৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগে কাশিয়ানী থানার ওসি ক্লোজড
ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগে কাশিয়ানী থানার ওসি ক্লোজড

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘ভারতে বিতর্কিত ওয়াকফ বিল মুসলিমদের আরো নিরাপত্তাহীন করে তুলবে’
‘ভারতে বিতর্কিত ওয়াকফ বিল মুসলিমদের আরো নিরাপত্তাহীন করে তুলবে’

৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

চট্টগ্রামে মদসহ চারজন গ্রেফতার
চট্টগ্রামে মদসহ চারজন গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

কক্সবাজারে ট্রেনে কাটা পড়ে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
কক্সবাজারে ট্রেনে কাটা পড়ে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামে পোশাককর্মী খুনের ঘটনায় স্বামী গ্রেফতার
চট্টগ্রামে পোশাককর্মী খুনের ঘটনায় স্বামী গ্রেফতার

৫ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ঈদের লম্বা ছুটিতে চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনারের স্তূপ
ঈদের লম্বা ছুটিতে চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনারের স্তূপ

৫ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিদেশি মদসহ গ্রেফতার ৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিদেশি মদসহ গ্রেফতার ৬

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘আইএমএফ বলেছে বাংলাদেশের অর্থনীতি সঠিক দিকেই আছে’
‘আইএমএফ বলেছে বাংলাদেশের অর্থনীতি সঠিক দিকেই আছে’

৫ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

পৃথিবীর ‘সবুজ ফুসফুস’ নজরদারি করবে মহাকাশযান
পৃথিবীর ‘সবুজ ফুসফুস’ নজরদারি করবে মহাকাশযান

৫ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

গাইবান্ধায় কৃষকদের নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের আনন্দময় দিন
গাইবান্ধায় কৃষকদের নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের আনন্দময় দিন

৫ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

হজ ব্যবস্থাপনায় কোনো ত্রুটি বরদাশত করা হবে না : ধর্ম উপদেষ্টা
হজ ব্যবস্থাপনায় কোনো ত্রুটি বরদাশত করা হবে না : ধর্ম উপদেষ্টা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের দায়ে ৭ বাসকে জরিমানা
অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের দায়ে ৭ বাসকে জরিমানা

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ঈদের ছুটি পর বেনাপোল বন্দরে ফিরেছে স্বাভাবিক গতি
ঈদের ছুটি পর বেনাপোল বন্দরে ফিরেছে স্বাভাবিক গতি

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শর্টস ভিডিও নির্মাতাদের জন্য সুখবর দিল ইউটিউব
শর্টস ভিডিও নির্মাতাদের জন্য সুখবর দিল ইউটিউব

৫ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

গলাচিপায় শুভসংঘের উদ্যোগে জমিতে অতিরিক্ত সার ও কীটনাশক প্রয়োগ বিষয়ক সচেতনামূলক সভা
গলাচিপায় শুভসংঘের উদ্যোগে জমিতে অতিরিক্ত সার ও কীটনাশক প্রয়োগ বিষয়ক সচেতনামূলক সভা

৫ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ট্রাম্পের সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল ইরান
ট্রাম্পের সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল ইরান

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিখোঁজ সেই গৃহবধূ পরকীয়া প্রেমিকসহ উদ্ধার
নিখোঁজ সেই গৃহবধূ পরকীয়া প্রেমিকসহ উদ্ধার

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
বিয়েবাড়ির গেটে পার্টি স্প্রে দেওয়া নিয়ে মারামারি, ভাঙলো বিয়ে
বিয়েবাড়ির গেটে পার্টি স্প্রে দেওয়া নিয়ে মারামারি, ভাঙলো বিয়ে

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশসহ ১৪ দেশের ওপর সৌদির সাময়িক ভিসা নিষেধাজ্ঞা
বাংলাদেশসহ ১৪ দেশের ওপর সৌদির সাময়িক ভিসা নিষেধাজ্ঞা

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতি নিয়ে জরুরি নির্দেশনা
সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতি নিয়ে জরুরি নির্দেশনা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজায় গণহত্যা বন্ধে সোমবার বিশ্বব্যাপী ‘নো ওয়ার্ক নো স্কুল’
গাজায় গণহত্যা বন্ধে সোমবার বিশ্বব্যাপী ‘নো ওয়ার্ক নো স্কুল’

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতের ওয়াকফ সংশোধনী বিল নিয়ে যা বললেন আসিফ নজরুল
ভারতের ওয়াকফ সংশোধনী বিল নিয়ে যা বললেন আসিফ নজরুল

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষ্যে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা ও সহযোগিতা কার্যক্রম
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষ্যে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা ও সহযোগিতা কার্যক্রম

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতে ওয়াকফ বিল পাস হওয়ায় যে প্রতিক্রিয়া জানাল বিএনপি
ভারতে ওয়াকফ বিল পাস হওয়ায় যে প্রতিক্রিয়া জানাল বিএনপি

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মারা গেছেন
আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মারা গেছেন

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান
সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভাঙচুর ও হত্যাচেষ্টা মামলায় আওয়ামীপন্থী ৬১ আইনজীবীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ
ভাঙচুর ও হত্যাচেষ্টা মামলায় আওয়ামীপন্থী ৬১ আইনজীবীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে ফ্ল্যাট নিয়ে টিউলিপের মিথ্যাচার
যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে ফ্ল্যাট নিয়ে টিউলিপের মিথ্যাচার

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমিরাতের সহযোগিতায় ৮ বিভাগে হবে স্পোর্টস হাব : ক্রীড়া উপদেষ্টা
আমিরাতের সহযোগিতায় ৮ বিভাগে হবে স্পোর্টস হাব : ক্রীড়া উপদেষ্টা

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খনিজ চুক্তি ফাঁস: তদন্তে নেমেছে ইউক্রেন
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খনিজ চুক্তি ফাঁস: তদন্তে নেমেছে ইউক্রেন

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্মার্টফোনে ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ মোডের কাজ কী?
স্মার্টফোনে ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ মোডের কাজ কী?

১৭ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

‘গৃহকর্ত্রীও নির্যাতিতা হতে পারেন’ -পরীমনির সেই ইস্যুতে ফেসবুকে ন্যান্সি
‘গৃহকর্ত্রীও নির্যাতিতা হতে পারেন’ -পরীমনির সেই ইস্যুতে ফেসবুকে ন্যান্সি

১৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আইনে পরিণত হলো বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী বিল
আইনে পরিণত হলো বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী বিল

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত: মস্কো
ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত: মস্কো

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন মন্ত্রণালয়ে সচিব পদে রদবদল
তিন মন্ত্রণালয়ে সচিব পদে রদবদল

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি
সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

দেশে প্রবাসী আয়ে রেকর্ড, মার্চে এল ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি
দেশে প্রবাসী আয়ে রেকর্ড, মার্চে এল ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি

১০ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব সামাল দেয়া কঠিন নয় : অর্থ উপদেষ্টা
ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব সামাল দেয়া কঠিন নয় : অর্থ উপদেষ্টা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্প-মাস্কের নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে গণবিক্ষোভ
ট্রাম্প-মাস্কের নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে গণবিক্ষোভ

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এসএসএফের সাবেক ডিজির ফ্ল্যাট-জমি জব্দ, ৩৪ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ
এসএসএফের সাবেক ডিজির ফ্ল্যাট-জমি জব্দ, ৩৪ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১, ছিলেন ৭০ জনের বেশি বাংলাদেশি  তীর্থযাত্রী
ভারতে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১, ছিলেন ৭০ জনের বেশি বাংলাদেশি তীর্থযাত্রী

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইভ্যালির রাসেল-শামীমার তিন বছরের কারাদণ্ড
ইভ্যালির রাসেল-শামীমার তিন বছরের কারাদণ্ড

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঘন ঘন দূতাবাসের স্থান পরিবর্তনে বিরক্ত মালয়েশিয়া প্রবাসীরা
ঘন ঘন দূতাবাসের স্থান পরিবর্তনে বিরক্ত মালয়েশিয়া প্রবাসীরা

৮ ঘণ্টা আগে | পরবাস

গাজাবাসীর সমর্থনে সোমবার রাজপথে নামার আহ্বান সারজিসের
গাজাবাসীর সমর্থনে সোমবার রাজপথে নামার আহ্বান সারজিসের

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিচার চেয়ে থানায় বৃদ্ধা, ‘ভিক্ষা করে কেনা মুরগি মেরে দিল কারা?’
বিচার চেয়ে থানায় বৃদ্ধা, ‘ভিক্ষা করে কেনা মুরগি মেরে দিল কারা?’

১৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকাসহ সাত বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস
ঢাকাসহ সাত বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েল সফরে গিয়ে অপমানিত দুই ব্রিটিশ নারী এমপি
ইসরায়েল সফরে গিয়ে অপমানিত দুই ব্রিটিশ নারী এমপি

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
অনিশ্চয়তায় ১০ হাজার কোটির শিপমেন্ট
অনিশ্চয়তায় ১০ হাজার কোটির শিপমেন্ট

প্রথম পৃষ্ঠা

বিক্ষোভে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র
বিক্ষোভে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র

প্রথম পৃষ্ঠা

জিয়ার স্মৃতি মুছে ফেলার সহজসরল পদ্ধতি!
জিয়ার স্মৃতি মুছে ফেলার সহজসরল পদ্ধতি!

সম্পাদকীয়

কাজ করছে না আঙুলের ছাপ
কাজ করছে না আঙুলের ছাপ

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

বিএনপিকে আওয়ামী লীগের আচরণ থেকে বের হতে হবে
বিএনপিকে আওয়ামী লীগের আচরণ থেকে বের হতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

৮ কোটি টাকার প্রকল্পের কাজ কোটেশনে!
৮ কোটি টাকার প্রকল্পের কাজ কোটেশনে!

নগর জীবন

চরের জমিতে হাজার কোটি টাকার ফসল
চরের জমিতে হাজার কোটি টাকার ফসল

পেছনের পৃষ্ঠা

অপপ্রচার রোধে প্রেস উইংকে ভূমিকা রাখতে হবে
অপপ্রচার রোধে প্রেস উইংকে ভূমিকা রাখতে হবে

নগর জীবন

সংকট নেই তবু বাড়তি দরে ডলার বিক্রি
সংকট নেই তবু বাড়তি দরে ডলার বিক্রি

পেছনের পৃষ্ঠা

রাশিয়া সফরে সেনাপ্রধান
রাশিয়া সফরে সেনাপ্রধান

প্রথম পৃষ্ঠা

স্কটল্যান্ডকে হারালেন নিগাররা
স্কটল্যান্ডকে হারালেন নিগাররা

মাঠে ময়দানে

প্রধান উপদেষ্টার কাছে শহীদ পরিবারের প্রত্যাশা
প্রধান উপদেষ্টার কাছে শহীদ পরিবারের প্রত্যাশা

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে বিলীন জনবসতি
ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে বিলীন জনবসতি

প্রথম পৃষ্ঠা

মন্ত্রণালয়ে যোগ দিয়েছেন ড. শেখ মইনউদ্দিন
মন্ত্রণালয়ে যোগ দিয়েছেন ড. শেখ মইনউদ্দিন

নগর জীবন

কারাগারে ৬১ আইনজীবী জামিন ১৯, পালালেন ৩ জন
কারাগারে ৬১ আইনজীবী জামিন ১৯, পালালেন ৩ জন

প্রথম পৃষ্ঠা

ওসির অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ
ওসির অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ

পেছনের পৃষ্ঠা

ধর্ষণের মিথ্যা মামলা গৃহবধূ জেলে
ধর্ষণের মিথ্যা মামলা গৃহবধূ জেলে

পেছনের পৃষ্ঠা

হাছান ও তার স্ত্রীর ব্যাংকে ৭২২ কোটি টাকা লেনদেন
হাছান ও তার স্ত্রীর ব্যাংকে ৭২২ কোটি টাকা লেনদেন

পেছনের পৃষ্ঠা

ক্ষমতায় যাওয়ার সিঁড়ি হবে না হেফাজতে ইসলাম
ক্ষমতায় যাওয়ার সিঁড়ি হবে না হেফাজতে ইসলাম

নগর জীবন

এক ছাতায় বিশ্বের হাজারো উদ্যোক্তা
এক ছাতায় বিশ্বের হাজারো উদ্যোক্তা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপি নেতার ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ
বিএনপি নেতার ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ

দেশগ্রাম

দেবরের হাতে ভাবি খুন
দেবরের হাতে ভাবি খুন

পেছনের পৃষ্ঠা

টিউলিপের দুর্নীতির দালিলিক প্রমাণ সাকিবের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান
টিউলিপের দুর্নীতির দালিলিক প্রমাণ সাকিবের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান

পেছনের পৃষ্ঠা

ছেলের রামদার কোপে মায়ের মৃত্যু
ছেলের রামদার কোপে মায়ের মৃত্যু

নগর জীবন

শরীয়তপুরে বোমাবাজিতে গ্রেপ্তার ৮
শরীয়তপুরে বোমাবাজিতে গ্রেপ্তার ৮

পেছনের পৃষ্ঠা

আইএমইডিতে নতুন সচিব
আইএমইডিতে নতুন সচিব

নগর জীবন

ফাঁদে ফেলে অপহরণ মুক্তিপণ আদায়
ফাঁদে ফেলে অপহরণ মুক্তিপণ আদায়

পেছনের পৃষ্ঠা

দলমতের ঊর্ধ্বে দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে কাজ করতে হবে
দলমতের ঊর্ধ্বে দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে কাজ করতে হবে

নগর জীবন

মোবাইল ব্যবহারে বাধা দেওয়ায় কিশোরীর আত্মহনন
মোবাইল ব্যবহারে বাধা দেওয়ায় কিশোরীর আত্মহনন

নগর জীবন