শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ৩১ জানুয়ারি, ২০২৫

বেহাল সিটির সেবা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট ভার্সন
বেহাল সিটির সেবা

রংপুর সিটি করপোরেশনের ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের মুন্সিপাড়ার বাসিন্দা শাহজাহান রতন বুধবার দুপুরে সিটি করপোরেশনে যান নাগরিক সনদের জন্য। সেখান থেকে নাগরিক সনদের ফরম কিনে তাকে যেতে হয় রিকশা ভাড়া খরচ করে পুলিশ কমিশনারের কার্যালয়ে।  তার ওয়ার্ডের নাগরিকসেবার দায়িত্বে রয়েছেন একজন পুলিশ কর্মকর্তা। প্রায় চার ঘণ্টা অপেক্ষার পর তিনি সনদ হাতে পান। শুধু রংপুর সিটিতেই নয়, দেশের ১১টি করপোরেশনের বাসিন্দারা কাক্সিক্ষত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। ৫ আগস্ট পট পরিবর্তনের পর নির্বাচিত মেয়রকে অপসারণ করে প্রশাসক নিয়োগ দেয় সরকার। সে প্রশাসকও বারবার বদলি হচ্ছেন। তারা নিজ দপ্তরের কাজ শেষে সিটি করপোরেশনে বাড়তি সময় দিতে গলদঘর্ম হতে হচ্ছে। আর তারা জনগণের কাছেও জবাবদিহিতা না থাকায় সেবা বঞ্চিত হচ্ছেন বলে অভিমত নগরবিদের।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন : ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) নতুন ওয়ার্ডের উন্নয়ন কাজসহ ৫০০ কোটি টাকার চলমান উন্নয়ন কাজে দেখা দিয়েছে ধীরগতি। জন্মসনদ, উত্তরাধিকার সনদসহ ১৪ ধরনের নাগরিকসেবা পেতে নাগরিকদের বেড়েছে ভোগান্তি। মশক নিধন, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের বেহাল দশায় মশার কামড়ে অতিষ্ঠ নগরবাসী। জনপ্রতিনিধি না থাকায় স্থবিরতা দেখা দিয়েছে পুরো সিটি করপোরেশনে।

এ ব্যাপারে ডিএনসিসির প্রশাসক মো. মাহমুদুল হাসান বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, আমরা অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা হিসেবে সিটি করপোরেশনের দৈনন্দিন কার্যক্রমকে এগিয়ে নিচ্ছি। শুরুর দিকে কিছুটা সমস্যা হলেও এখন কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা চলছে। উন্নয়ন কাজে অন্য সেবা সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করার কারণে কিছুটা ধীরগতি হয়েছে। কিন্তু এর অনেক সুফল রয়েছে। এক রাস্তা বারবার কাটতে হবে না এবং নগরবাসীকেও বারবার ভোগান্তি পোহাতে হবে না।

জন্ম ও মৃত্যুর নিবন্ধন, নাগরিক, চারিত্রিক, ওয়ারিশ, আয়, অবিবাহিত, দ্বিতীয় বিয়েতে আবদ্ধ না হওয়া, পারিবারিক সদস্য, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী ভাতার সত্যায়িত সনদ দেওয়া হয়। এ ছাড়া বিভিন্ন প্রত্যয়নপত্র, প্রয়োজন ক্ষেত্রে অনাপত্তিপত্র, জাতীয় পরিচয়পত্র ও ভোটার তালিকা যাচাইসহ ১৪ ধরনের নাগরিক সেবার জন্য নাগরিককে সিটি করপোরেশনের শরণাপন্ন হতে হয়। আগের রুটিন কাজের সঙ্গে এসব বাড়তি কাজের চাপ বেড়েছে আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাদের ওপর। ফলে বাজার মনিটরিং, অবৈধ উচ্ছেদের মতো রুটিন দায়িত্ব পালনে হিমশিম খাচ্ছেন তারা।

একই অবস্থা ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রায় সব কার্যক্রম। প্রশাসকবিহীন সংস্থাটি খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে। একই সঙ্গে নেই সংস্থাটির চার বিভাগীয় প্রধান কর্মকর্তা। এতেই নর্দমা ও খাল পরিষ্কার, মশক নিধন, জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রমসহ সেবামূলক প্রায় সব কাজই থমকে গেছে। ছোটবড় বিভিন্ন রাস্তায় তৈরি হওয়া খানাখন্দ ঠিক করার উদ্যোগ নেই এখনো। কয়েকটি এলাকার বাসিন্দারা বলছেন, মশা বেড়েছে। সঙ্গে এলাকার পরিচ্ছন্নতার কাজ চলছে না ঠিকমতো। শুধু প্রশাসকই নয়, করপোরেশনের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ কর্মকর্তা প্রধান নির্বাহী পদেও কেউ নেই গত এক মাস ধরে। সর্বশেষ এই পদে অতিরিক্ত সচিব মিজানুর রহমান দায়িত্ব পালন করেছেন। গত ২৪ ডিসেম্বর তিনি শেষ দিনের মতো অফিস করেছেন। এর পর থেকে এই পদ খালি। পরে সংস্থাটির সচিব মোহাম্মদ বশিরুল হক ভূঞাকে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া বর্তমানে খালি রয়েছে প্রধান হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা ও নিরীক্ষ কর্মকর্তা। সংস্থাটির সূত্রগুলো বলছে, এসব পদে সরকার অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের পদায়ন করে থাকে। বর্তমানে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের তুলনামূলক নিচের কর্মকর্তাদের দিয়ে কাজ চালিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে। তবে অভিজ্ঞতা না থাকার কারণে প্রতিনিয়ত নানা সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে।

স্থবির উন্নয়ন কাজ : সরকার পরিবর্তনের পর আর কাজ শুরু হয়নি আদি বুড়িগঙ্গা চ্যানেল খনন ও সংস্কার প্রকল্পে। এ প্রকল্পের কিছু অংশ কাজ হলে বাকিটুকু এখন বন্ধ রয়েছে। এ ছাড়া ১০তলা বিশিষ্ট বঙ্গবাজার নগর পাইকারি বিপণিবিতানের উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ বন্ধ রয়েছে। ৫১ কোটি টাকা ব্যয়ে ধানমন্ডি হ্রদে নজরুল সরোবর, জিয়া শিশু পার্কের উন্নয়ন কাজ বন্ধ রয়েছে। এ ছাড়া বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অবস্থাও খারাপ। রাস্তার পাশে, খালের পাশে, ফ্লাইওভারের নিচে, ময়লার ডাম্পিং স্টেশনের সামনে আবর্জনা জমে প্রতিদিনই। কোনো কোনো স্থান থেকে ময়লা পরিষ্কার করা হলেও অবশিষ্ট পড়ে থাকে আরও অনেক আবর্জনা। সেসব ময়লা-আবর্জনার দুর্গন্ধের কারণে স্থানীয়দের মুখে রুমাল চেপে চলতে হয়। একই সঙ্গে সংস্থাটির অধীনে থাকা ভাঙাচোরা সড়কগুলো সংস্কারে হাত দেয়নি সংস্থাটি।

ঢাকার বাইরে আমাদের নিজস্ব প্রতিবেদক ও জেলা প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর তুলে ধরা হলো :

রাজশাহী : ৫ আগস্ট হাসিনা সরকারের পতনের পর ওই দিন সন্ধ্যায় রাজশাহী নগরভবন পুড়িয়ে ভস্মীভূত করে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। লুট করে নিয়ে গেছে সিটি ভবনের সবকিছুই। এমন পরিস্থিতিতে নগরভবনে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বসে কাজ করার মতো অবস্থাও ছিল না। নগরীর বিসিক শিল্পনগরী এলাকার বাসিন্দা আনোয়ার হোসেন বলেন, আমার এলাকার রাস্তায় যে সড়কবাতিগুলো আছে সেগুলো কয়েকদিন থেকে জ্বলছে না। একেবারে ভূতুড়ে অবস্থা বিরাজ করছে। এ কারণে এলাকায় ছিনতাই-চুরি ও লুটপাট বেড়ে গেছে। নগরীর ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা রায়হান আলী বলেন, ওয়ার্ডের অনেকেই বিভিন্ন দরকারি কাজে কার্যালয়ে এসে ফিরে যাচ্ছেন। সরকারি কর্মকর্তা, যাকে দায়িত্ব দিয়েছে, তিনি আগে তার অফিস করেন, তার এখানে আসেন। এভাবে পুরো নগরীতেই নাগরিকসেবা ভেঙে পড়েছে। রাজশাহী রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক জামাত খান বলেন, সরকারি কর্মকর্তারা নানা কাজে এমনিতেই ব্যস্ত থাকেন। তার ওপর বাড়তি দায়িত্ব দিলে কাজে ব্যাঘাত ঘটবে। সিটি করপোরেশন সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান। সরকারি কর্মকর্তাদের দিয়ে জনপ্রতিনিধির কাজ সহজ নয়।

বরিশাল : মেয়রসহ কাউন্সিলর না থাকায় নগর ভবন থেকে দেওয়া নাগরিকসেবা ভেঙে পড়েছে। নগরবাসী তার কাক্সিক্ষত সেবা বঞ্চিত হওয়া ছাড়াও প্রতিদিন নানা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। জন ভোগান্তি লাগবে প্রশাসক ও কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দিয়ে কোনো সেবা পাচ্ছে না নগরবাসী। নিজেদের দায়িত্ব পালন শেষে বাড়তি সেবা দিতে কর্মকর্তারা তেমন আগ্রহী নয় বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছে। ধীরগতি, মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ঠিকমতো হচ্ছে না। অনুন্নত এলাকায় কোনো উন্নয়ন হচ্ছে না। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কাউন্সিলরের সচিব বলেন, দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা কার্যালয়ে এসে বসেন না। কেউ জন্ম-মৃত্যু সনদ, ওয়ারিশ সনদ, ট্রেড লাইসেন্সের জন্য এসে সনদ চাইলেও দিতে পারি না। প্রতিদিন সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত কার্যালয় সেবাপ্রত্যাশীদের ভিড়ে ঠাসা থাকে। এ বিষয়ে বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল বারী বলেন, কাউন্সিলররা সবাইকে চিনতেন। তাই তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে সনদ দিতে পারতেন। কর্মকর্তারা তো সবাইকে চিনেন না। তাই তদন্ত করে দিতে একটু দেরি হয়। কাজ চলছে, একেবারে বন্ধ নেই।

সিলেট : জনপ্রতিনিধি না থাকায় নগরবাসী সবচেয়ে বেশি যেসব সেবা নিয়ে ভোগান্তিতে তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে উত্তরাধিকার সনদ প্রাপ্তি। ওয়ার্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা উত্তরাধিকারী সনদে স্বাক্ষর করছেন না বলে অভিযোগ করেছেন একাধিক ব্যক্তি ও সাবেক কাউন্সিলর। এ ছাড়া জন্মনিবন্ধন, মৃত্যুসনদ, প্রত্যয়নপত্র ও ভবনের নকশা অনুমোদনেও শেষ নেই ভোগান্তির। ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আবদুল মুহিত জাবেদ জানান, প্রতি ৩ ওয়ার্ডের জন্য একজন করে সরকারি কর্মকর্তাকে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কিন্তু দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উত্তরাধিকার সনদে স্বাক্ষর করছেন না। বিভিন্ন ধরনের কাগজপত্রে স্বাক্ষর নেওয়ার জন্য ওয়ার্ডের সচিব সপ্তাহে দুই দিন ওই কর্মকর্তার কার্যালয়ে যান। কিন্তু অনেক কাগজপত্রে কর্মকর্তা স্বাক্ষর করা থেকে বিরত থাকেন। কাউন্সিলর না থাকায় অনেকে বয়স্ক ভাতা তুলতে সমস্যার শিকার হচ্ছেন। বিদ্যুৎ, পানি, পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতাসহ সব ধরনের সেবা পেতেই নাগরিকরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, আগে একজন কাউন্সিলরের অধীনে প্রতিদিন ১০ জন শ্রমিক কাজ করতেন। এখন পাঁচজন কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। ফলে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমেও গতি কমেছে। এ ব্যাপারে জানতে সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাই রাফিন সরকারকে ফোন দিলে তিনি ঢাকায় ব্যস্ত আছেন, পরে ফোন দিতে বলেন।

খুলনা : ২০২৪ সালের ১৯ আগস্ট খুলনা সিটি করপোরেশনে (কেসিসি) প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন বিভাগীয় কমিশনার মো. হেলাল মাহমুদ শরীফ। ৮ ডিসেম্বর তার বদলি হলে প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পান নতুন বিভাগীয় কমিশনার মো. ফিরোজ সরকার। পাঁচ মাসের মধ্যে সিটি করপোরেশনে শীর্ষ পদে দুজনের দায়িত্ব বদলে প্রশাসনিক কর্মকান্ড ও নাগরিক সেবায় ধীরগতি দেখা দিয়েছে। কর্মকর্তারা জানান, দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশাসক সিটি করপোরেশনে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে পূর্বপরিচিত না থাকায় যে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণে দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে পড়ছেন। যাচাই-বাছাই কাজে অনেকটা সময় ক্ষেপণ হচ্ছে। ওয়ার্ড পর্যায়ে জন্মনিবন্ধন, মৃত্যুসনদ, ওয়ারিশ কাম সার্টিফিকেট, প্রত্যয়নপত্র, বিচার শালিসির মতো জরুরি সেবা প্রদান কাজেও বিলম্ব হচ্ছে। সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকার বাসিন্দা নার্গিস আক্তার জানান, জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধনের জন্য সিটি করপোরেশনের জন্মনিবন্ধনের কাগজ জমা দিতে হবে। কিন্তু দুই তিন দিন ঘুরেও সনদপত্র না পাওয়ায় পরিচয়পত্র সংশোধনের আবেদন করতে পারছেন না।

বরিশাল : মেয়রসহ কাউন্সিলর না থাকায় নগরভবন থেকে দেওয়া নাগরিকসেবা ভেঙে পড়েছে। নগরবাসী তার কাক্সিক্ষত সেবা বঞ্চিত হওয়া ছাড়াও প্রতিদিন নানা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। জন ভোগান্তি লাগবে প্রশাসক ও কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দিয়ে কোনো সেবা পাচ্ছে না নগরবাসী। নিজেদের দায়িত্ব পালন শেষে বাড়তি সেবা দিতে কর্মকর্তারা তেমন আগ্রহী নন বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে বরিশাল সিটি করপোরেশনের একাধিক কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা বলেন, নগরবাসী এসে কার কাছে গেলে সঠিক সেবা পাবে সেই লোক খুঁজে পায় না। জন্ম ও মৃত্যুসনদ, নাগরিকসনদ, ট্রেড লাইসেন্স পাওয়াসহ প্ল্যান পাচ্ছে না নগরবাসী। বর্তমানে টিসিবির স্মার্টকার্ড ও ভোটার হওয়া নিয়ে শুরু হয়েছে আরেক ভোগান্তি। টিসিবির স্মার্টকার্ড এলেও ভুলের কারণে কার্ড পাচ্ছেন না অনেকে।

এ বিষয়ে বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল বারী বলেন, কাউন্সিলররা সবাইকে চিনতেন। তাই তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে সনদ দিতে পারতেন। কর্মকর্তারা তো সবাইকে চিনেন না। তাই তদন্ত করে দিতে একটু দেরি হয়। কাজ চলছে, একেবারে বন্ধ নেই।

গাজীপুর : গাজীপুর সিটি করপোরেশনের উন্নয়ন প্রকল্পসহ সব ধরনের কার্যক্রমে দেখা দিয়েছে ধীরগতি। মানুষকে নাগরিক সনদ, জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন সনদ, ওয়ারিশ সনদ, অবিবাহিত সনদ, প্রত্যয়নপত্র, পারিবারিক সনদসহ অন্যান্য সনদ প্রদান ব্যাহত হচ্ছে। গত ১২ বছরে তিনবার সিটি করপোরেশনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও কোনো নির্বাচিত মেয়রই তাদের মেয়াদ পূর্ণ করতে পারেননি। ভারপ্রাপ্ত মেয়র দিয়েই বেশির ভাগ সময় এ সিটি পরিচালিত হয়েছে। যার কারণে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বৃহত্তম এ সিটি করপোরেশনের কাক্সিক্ষত উন্নয়ন কর্মকান্ড ব্যাহত হয়েছে। 

 

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ৪০ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর এবং বাংলাদেশ কাউন্সিলর অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. নজরুল ইসলাম খান বলেন, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের অপসারণের ফলে সিটির জনগণ চরমভাবে ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। নাগরিক সনদ, মৃত্যুসনদ, ওয়ারিশ সনদ, মশা নিধন, ডেঙ্গু, সামাজিকভাবে শালিসি বিচার, পাসপোর্ট করা, বিদেশে যাত্রা, ভোটার হালনাগাদ, ভোটার পরিবর্তন কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এগুলো সমাধানে নির্বাচিত কাউন্সিলরদের কোনো বিকল্প নেই।

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, নির্বাচিত মেয়র ও কাউন্সিলর না থাকায় সিটি করপোরেশনের সব ধরনের সেবামূলক কাজগুলোতে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতনভাতা প্রদানে কোনো সমস্যা হচ্ছে না। সিটির বিভিন্ন উন্নয়নকাজ বন্ধ না হলেও চলছে ধীরগতিতে। টিসিবি পণ্য ও কার্ড বিতরণে জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে।

নারায়ণগঞ্জ : মেয়র ও কাউন্সিলরবিহীন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের (নাসিক) সর্বক্ষেত্রেই যেন অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদেরও দায়িত্ব পালনে অনেক হিমশিম খেতে হচ্ছে। জোরালো কোনো পদক্ষেপ নিতে পারেন না। জনপ্রতিনিধিবিহীন তারা যেন নির্বিকার। পুরো নাসিক এলাকাজুড়েই রাস্তাঘাটের কোনো সংস্কার নেই, যানবাহন, দ্রব্যমূল্য ও নাগরিক সুবিধার কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই, টিসিবি পণ্য বন্ধ হয়ে গেছে ও জন্মসনদে সীমাহীন ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে। কোনো কোনো জায়গা দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যুতের বাতি নষ্ট থাকলেও ঠিক করার উদ্যোগ নেই।

সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাকির হোসেন বলেন, কিছুটা তো সমস্যা হচ্ছেই। আমাদের প্রশাসক যিনি আছেন এটা উনার অতিরিক্ত দায়িত্ব। উনার মূল দায়িত্ব মন্ত্রণালয়ে। মন্ত্রণালয় চালাতে হয় আবার এখানে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করতে হয় এখানে দুই দিন আসেন এর বেশি তিনি আর কী করতে পারবেন। তারপরও আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি।

সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এ এইচ এম কামরুজ্জামান বলেন, পরিবর্তিত এ সময় আমাদের কাজ করতে কিছুটা হিমশিম খেতে হচ্ছে। সব সমস্যা তো একসঙ্গে কাজ করা সম্ভব নয়। তবে প্রতিটা বিষয়ে আমরা গুরুত্ব সহকারে দেখেই কাজ করছি।

কুমিল্লা : কুমিল্লা নগরীর ব্যবস্থাপনায় কোথাও শৃঙ্খলা নেই বললে চলে। বর্জ্য ডাস্টবিন উপচে পড়ছে। ফুটপাত দখল উচ্ছেদ, যানজট নিরসনে নেই সমন্বিত উদ্যোগ। নগরীর অশোকতলা এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ আনিসুর রহমান আখন্দ বলেন, জনপ্রতিনিধি তার এলাকার সমস্যা সম্পর্কে অবগত থাকেন। সেখানে কর্মকর্তা তা বোঝার কথা নয়। তার রুটিন দায়িত্ব জনগণের চাহিদা পূরণ হবে না। সাবেক নারী কাউন্সিলর কোহিনুর আক্তার কাকলী ও সাবেক মেয়র প্রার্থী নিজাম উদ্দিন কায়সার বলেন, সড়ক সংস্কার, পরিচ্ছন্নতাসহ নগরীর ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা আনতে জনপ্রতিনিধির বিকল্প নেই। কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু সায়েম ভুইয়া বলেন, আমরা অতিরিক্ত দায়িত্ব নিয়ে চালিয়ে নিচ্ছি। জনপ্রতিনিধি থাকলে কাজে আরও গতি আসবে।

ময়মনসিংহ : রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর ময়নসংহ সিটি করপোরেশনের (মসিক) মেয় কাউন্সিলরদের অপসারণের পাশাপাশি অনেক ঠিকাদারও গা ঢাকা দেওয়ায় উন্নয়ন কাজে দেখা দিয়েছে স্থবিরতা। আর এই স্থবিরতা এখন জনদুর্ভোগে রূপ নিয়েছে। ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী সুমনা আল মজীদ বলেন, চলমান ৮৬টি প্যাকেজের মধ্যে ঠিকাদারের অনুপস্থিতিসহ নানা কারণে ৮টি প্যাকেজ বাতিল করা হয়েছে। মানুষের ভোগান্তির কথা চিন্তা করে যথাসময়ের মধ্যে শেষ করার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এই বিভাগের আরও খবর
ওয়াকফ বিল বাতিলের দাবি খেলাফতের
ওয়াকফ বিল বাতিলের দাবি খেলাফতের
সাবেক রেলমন্ত্রীর বাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ
সাবেক রেলমন্ত্রীর বাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ
বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশের ওপর সৌদির ভিসা নিষেধাজ্ঞা
বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশের ওপর সৌদির ভিসা নিষেধাজ্ঞা
বাগমারায় দুই হত্যায় মামলা আসামি ১২০০
বাগমারায় দুই হত্যায় মামলা আসামি ১২০০
সরকারি বই দিতে ঘুষ
সরকারি বই দিতে ঘুষ
পাসপোর্ট র‌্যাঙ্কিংয়ে ২০০ দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ১৮২তম
পাসপোর্ট র‌্যাঙ্কিংয়ে ২০০ দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ১৮২তম
৯ বছরেও শেষ হয়নি বিচার
৯ বছরেও শেষ হয়নি বিচার
ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় দুই যুবক নিহত
ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় দুই যুবক নিহত
ফরিদপুরে নিজ বাড়িতে চোরের হাতে গেল প্রাণ
ফরিদপুরে নিজ বাড়িতে চোরের হাতে গেল প্রাণ
বরিশালে ডোবায় ক্ষতবিক্ষত লাশ
বরিশালে ডোবায় ক্ষতবিক্ষত লাশ
সিলেটে টাকা ধার না দেওয়ায় যুবক খুন
সিলেটে টাকা ধার না দেওয়ায় যুবক খুন
ব্রিটিশ বাংলাদেশিরা অংশ নিলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
ব্রিটিশ বাংলাদেশিরা অংশ নিলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
সর্বশেষ খবর
পরিবারকে আনন্দ দেওয়া সুন্নত
পরিবারকে আনন্দ দেওয়া সুন্নত

৪ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

মুসলমানের জীবনযাপনে শালীনতা
মুসলমানের জীবনযাপনে শালীনতা

১৯ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

জবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক হিমেলকে নিকলীতে গণসংবর্ধনা
জবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক হিমেলকে নিকলীতে গণসংবর্ধনা

৪৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

জামায়াতের দাবি বছর শেষে জাতীয় নির্বাচন : রেজাউল করিম
জামায়াতের দাবি বছর শেষে জাতীয় নির্বাচন : রেজাউল করিম

৫৩ মিনিট আগে | রাজনীতি

সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের বাড়িতে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ
সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের বাড়িতে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ

৫৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সিরাজগঞ্জে ট্রাক-অটোভ্যান সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ২
সিরাজগঞ্জে ট্রাক-অটোভ্যান সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ২

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইউনূস-মোদি বৈঠক বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক : গোলাম পরওয়ার
ইউনূস-মোদি বৈঠক বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক : গোলাম পরওয়ার

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গাজীপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জরিমানা
গাজীপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জরিমানা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাইবান্ধায় হস্তশিল্প মেলার নামে চলছে জুয়া ও অশ্লীল নাচ
গাইবান্ধায় হস্তশিল্প মেলার নামে চলছে জুয়া ও অশ্লীল নাচ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নৌকাডুবিতে স্বামীসহ প্রাণ হারালেন ইবি শিক্ষার্থী
নৌকাডুবিতে স্বামীসহ প্রাণ হারালেন ইবি শিক্ষার্থী

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নেতাকর্মীদের সতর্ক করলো সিলেট বিএনপি
নেতাকর্মীদের সতর্ক করলো সিলেট বিএনপি

২ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনা হোক : সালাউদ্দিন আহমেদ
গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনা হোক : সালাউদ্দিন আহমেদ

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মার্কিন শুল্কারোপ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই : খলিলুর রহমান
মার্কিন শুল্কারোপ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই : খলিলুর রহমান

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাঞ্জাবকে বড় ব্যবধানে হারালো রাজস্থান
পাঞ্জাবকে বড় ব্যবধানে হারালো রাজস্থান

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চেন্নাইকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে দিল্লি
চেন্নাইকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে দিল্লি

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে পোশাক শ্রমিকের মৃত্যু
চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে পোশাক শ্রমিকের মৃত্যু

৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রহ্মপুত্র নদে অষ্টমীর স্নান উৎসবে লাখো পুণ্যার্থীর ঢল
ব্রহ্মপুত্র নদে অষ্টমীর স্নান উৎসবে লাখো পুণ্যার্থীর ঢল

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ

৫ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গাজীপুরে ট্রাকের ধাক্কায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
গাজীপুরে ট্রাকের ধাক্কায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শাহবাগে ফুলের দোকানের আগুন নিয়ন্ত্রণে
শাহবাগে ফুলের দোকানের আগুন নিয়ন্ত্রণে

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শাহবাগে ফুলের দোকানে আগুন
শাহবাগে ফুলের দোকানে আগুন

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত ইয়াসিনের পরিবারের পাশে তারেক রহমান
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত ইয়াসিনের পরিবারের পাশে তারেক রহমান

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কু-প্রস্তাবে অসম্মতি জানানোয় বিধবাকে পিটিয়ে আহত, বসতবাড়ি ভাঙচুর
কু-প্রস্তাবে অসম্মতি জানানোয় বিধবাকে পিটিয়ে আহত, বসতবাড়ি ভাঙচুর

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড
এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিএনপি ক্ষমতার পাগল নয়, ক্ষমতা বিএনপির প্রাপ্য : ফজলুর রহমান
বিএনপি ক্ষমতার পাগল নয়, ক্ষমতা বিএনপির প্রাপ্য : ফজলুর রহমান

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শুধু মানুষের নয়, বানরও অর্থবহ ভাষা তৈরি করতে সক্ষম : গবেষণা
শুধু মানুষের নয়, বানরও অর্থবহ ভাষা তৈরি করতে সক্ষম : গবেষণা

৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা
শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা

৮ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক
যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ভারতে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসে খেলাফত মজলিসের উদ্বেগ
ভারতে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসে খেলাফত মজলিসের উদ্বেগ

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সর্বাধিক পঠিত
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি
আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব
ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা
সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন
ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে
কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে

১২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড
এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম
নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার
হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প
‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী
পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি
হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি

১৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার
লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা
চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা

২০ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি
ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা
পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার
৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা
কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু
আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার
প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার

১৬ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা
আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা
ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২
কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা
শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা

৮ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক
যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জটিলতা ৫৫ আসনে
জটিলতা ৫৫ আসনে

পেছনের পৃষ্ঠা

সেন্টমার্টিন এখন অন্যরকম
সেন্টমার্টিন এখন অন্যরকম

পেছনের পৃষ্ঠা

মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক
মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক

প্রথম পৃষ্ঠা

দূরত্ব কাটাবে ঢাকা-দিল্লি
দূরত্ব কাটাবে ঢাকা-দিল্লি

প্রথম পৃষ্ঠা

ফের উত্তপ্ত হবে রাজপথ
ফের উত্তপ্ত হবে রাজপথ

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার
ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত
এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত

প্রথম পৃষ্ঠা

ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান
ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্ষমতার মজা পেয়ে গেছেন উপদেষ্টা পরিষদের সবাই
ক্ষমতার মজা পেয়ে গেছেন উপদেষ্টা পরিষদের সবাই

প্রথম পৃষ্ঠা

বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক
বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক

শোবিজ

সুপার লিগে খেলার লড়াই
সুপার লিগে খেলার লড়াই

মাঠে ময়দানে

রাজবাড়ীতে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির শকুন উদ্ধার
রাজবাড়ীতে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির শকুন উদ্ধার

পেছনের পৃষ্ঠা

মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ

প্রথম পৃষ্ঠা

যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ
যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ

প্রথম পৃষ্ঠা

বাণিজ্য ছাড়িয়েছিল হাজার কোটি ডলার
বাণিজ্য ছাড়িয়েছিল হাজার কোটি ডলার

পেছনের পৃষ্ঠা

লাহোরে নিগারদের অনুশীলন
লাহোরে নিগারদের অনুশীলন

মাঠে ময়দানে

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

জরাজীর্ণ ভবন, নষ্ট এক্স-রে মেশিন
জরাজীর্ণ ভবন, নষ্ট এক্স-রে মেশিন

দেশগ্রাম

ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা
ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০
বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০

প্রথম পৃষ্ঠা

লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি
লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি

দেশগ্রাম

শরীয়তপুরে খোলা মাঠ যেন যুদ্ধক্ষেত্র
শরীয়তপুরে খোলা মাঠ যেন যুদ্ধক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

সংস্কার শেষেই নির্বাচন দিতে হবে
সংস্কার শেষেই নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

একই দিনে দুই বিয়ে
একই দিনে দুই বিয়ে

শোবিজ

তেহরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প
তেহরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প

পূর্ব-পশ্চিম

জংলি নিয়ে দর্শকদের সাড়া দেখে আমি আনন্দিত
জংলি নিয়ে দর্শকদের সাড়া দেখে আমি আনন্দিত

শোবিজ

অভিযোগের জবাবে পরী
অভিযোগের জবাবে পরী

শোবিজ

বিশ্বজুড়ে মানবিক সহায়তার সিংহভাগ যুক্তরাষ্ট্র আর বহন করবে না
বিশ্বজুড়ে মানবিক সহায়তার সিংহভাগ যুক্তরাষ্ট্র আর বহন করবে না

পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে
ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে

সম্পাদকীয়