শিরোনাম
প্রকাশ: ১৪:৫৮, সোমবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

ট্রাম্প প্রশাসনের যে আচরণে দিশাহারা ন্যাটো

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
ট্রাম্প প্রশাসনের যে আচরণে দিশাহারা ন্যাটো

গত ২০ জানুয়ারি দ্বিতীয় মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের মসনদে ফেরেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ওই দিন শপথের পর হোয়াইট হাউসে বসেই নির্বাহী আদেশের ঝড় তোলেন তিনি। এর মধ্য দিয়ে বিশ্বব্যাপী আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসেন ট্রাম্প।

এর কয়েকদিনের মধ্যেই ফিলিস্তিনের গাজা নিয়ে এক মন্তব্যের কারণে সারা বিশ্বে ব্যাপক সমালোচনার মধ্যে পড়েছেন ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, গাজাবাসীকে অন্যত্র সরিয়ে দিয়ে ওই উপত্যকা দখল করে নেবেন।

এসবের পর এবার ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। তা হলো- ইউক্রেন-রাশিয়া শান্তিচুক্তির আলোচনায় ইউরোপকে বাদ দেওয়া।

১২ ফেব্রুয়ারি ইউরোপের দেশ বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে ন্যাটোর সদর দফতরে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। কাগজে-কলমে ওই বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য ছিল- ইউক্রেনের জন্য সামরিক সহায়তা এবং নতুন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে স্বাগত জানানো। কিন্তু বাস্তবে এটি ছিল এমন একটি দিন, যখন ট্রাম্প প্রশাসন প্রায় তিন বছর চলা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রতি ন্যাটোর দৃষ্টিভঙ্গিকে পুরোপুরিভাবে উল্টে দিয়েছিল। ট্রাম্প প্রশাসন এমন একটি দৃষ্টিভঙ্গি সামনে এনেছে, যা মস্কোর কিছু গুরুত্বপূর্ণ দাবির পক্ষে যাবে বলেই মনে হচ্ছে।

ন্যাটোর জন্য সামনের দিনগুলো যে মসৃণ হবে না, আগে থেকেই তার স্পষ্ট ইঙ্গিত ছিল। ইউক্রেনের অনুকূল শান্তি চুক্তির প্রত্যাশায় পানি ঢেলে দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার কূটনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ সপ্তাহের শুরু করেছেন।

ট্রাম্প ১০ ফেব্রুয়ারি ফক্স নিউজে বলেন, ইউক্রেনের কিছু ভূখণ্ড হয়তো কোনও একদিন রাশিয়ার দখলে চলে যেতে পারে। যদিও ট্রাম্পের এই মন্তব্যের ব্যাপারে এখনও মুখ খোলেননি ইউরোপের নেতারা।

১২ ফেব্রুয়ারি লাটভিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী আন্দ্রিস স্প্রুডস বলেছেন, এখন নানা রকম কথাবার্তা শোনা যাচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে খুব স্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করা প্রয়োজন।

সম্মেলন-পূর্ব ব্রিফিংয়ে ফক্স নিউজকে দেওয়া ট্রাম্পের ওই মন্তব্যের বিষয়ে সিএনএনের করা এক প্রশ্ন পুরোপুরি এড়িয়ে যান ন্যাটো মহাসচিব মার্ক রুট। এ সময় তিনি শুধু বলেন, “আমরা সব স্তরে ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করছি। তাদের সঙ্গে খুব ভালো আলাপ-আলোচনা হচ্ছে।”

তবে মিত্রদেশগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করা ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার না–ও হতে পারে। ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন মার্কিন সরকার ন্যাটো জোটের ঘোষিত একটি নীতিকে রাতারাতি নড়বড়ে পরিস্থিতির মধ্যে ফেলে দিয়েছে। ন্যাটো একসময় বলেছিল, ইউক্রেনের জন্য জোটটির সদস্যপদ পাওয়ার পথ অপ্রতিরোধ্য।

কিন্তু ন্যাটোর ওই বৈঠকে পিট হেগসেথ স্পষ্টভাবে বলেছেন, রাশিয়ার সঙ্গে শান্তি আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে ইউক্রেনের ন্যাটোর সদস্যপদ লাভের প্রত্যাশাকে বাস্তবসম্মত বলে মনে করছে না যুক্তরাষ্ট্র।

ন্যাটো ও যুক্তরাষ্ট্রের এই দুটি অবস্থান আসলে অসংগতিপূর্ণ নয় বলে যুক্তি দেওয়ার চেষ্টা করেছেন ইউরোপের অনেক নেতা।

যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জন হিলি বলেছেন, ন্যাটো জোট হিসেবে আমরা সব সময় স্পষ্ট করে বলেছি, ন্যাটোতে ইউক্রেনের ন্যায্য স্থান রয়েছে। তবে এটি এমন একটি প্রক্রিয়া, যার জন্য কিছুটা সময় লাগবে।

তবে হেগসেথের ওই মন্তব্য মস্কোর কাছে আত্মসমর্পণের ঝুঁকি তৈরি করে কিনা, সিএনএনের এমন একটি প্রশ্ন এড়িয়ে যান ব্রিটিশ এই কূটনৈতিক।

অন্যদিকে এস্তোনিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী হ্যানো পেভকুরও একইভাবে সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, হেগসেথের বক্তব্যে কোনও সময়সীমার উল্লেখ ছিল না। তিনি যা বলতে চেয়েছেন...তা হলো, ন্যাটোর সদস্যপদ শান্তি আলোচনার ফলাফল হতে পারে না। তবে ইউক্রেনের ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার বিষয়টিও উড়িয়েও দেননি তিনি।’

এটি হোক বা না হোক কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের আগের নীতি থেকে সরে এসে ইউক্রেনের ২০১৪ সালের আগের সীমান্তে ফিরে যাওয়ার উচ্চাভিলাষ বাস্তবসম্মত নয় বলে হেগসেথ যে মন্তব্য করেছেন সেটি হোক, একটি বিষয় স্পষ্ট। লন্ডনের একটি থিঙ্ক ট্যাংক রয়েল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইনস্টিটিউটের সামরিক বিজ্ঞানের পরিচালক ম্যাথিউ স্যাভিল বলেন, যুক্তরাষ্ট্র অন্যদের কথা না ভেবে নিজের মতো সিদ্ধান্ত নিতেই পছন্দ করছে। আর তাদের এসব সিদ্ধান্তের ফল ভোগ করতে হচ্ছে ইউরোপ ও ইউক্রেনকে।

ম্যাথিউ স্যাভিলের মতে, ইউরোপকে নতুন বাস্তবতা মেনে নিতে হবে। তারা যদি ভেবে থাকে যুক্তরাষ্ট্র সব সময় তাদের রক্ষা করবে, তাহলে তারা ভুল করবে।

ব্রাসেলসে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে দিনের শেষ দিকে যখন ন্যাটোর মন্ত্রীরা রাশিয়ার আগ্রাসন বন্ধের উপায় খুঁজছিলেন, তখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে ৯০ মিনিট ফোনে কথা বলেছেন। এ ঘটনা যুক্তরাষ্ট্রের খেয়ালখুশিমতো সিদ্ধান্ত নেওয়ার জ্বলন্ত উদাহরণ। আর এ খবরটি ন্যাটোর অনেক নেতাকে হতবাক করেছে। ইউক্রেনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রুস্তেম উমেরভের কাছে এক সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি ক্যামেরার সামনে থেকে সরে যান।

ট্রাম্প প্রশাসনের দেওয়া বিবৃতিগুলোর মধ্যে একটি ইউরোপকে কঠিন সত্যের মুখোমুখি করতে পারে। ন্যাটো জোটভুক্ত দেশগুলোয় জিডিপির ২ শতাংশ প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় করার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। কিন্তু জোটের এক-তৃতীয়াংশ দেশও এই লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারেনি। আর ক্রমেই এই লক্ষ্যমাত্রা অকেজো হয়ে পড়ছে। হেগসেথ ট্রাম্পের দিকে ইঙ্গিত করে বলেছেন, তিনি বারবার এই লক্ষ্যমাত্রা বাড়ানোর প্রতি জোর দিয়েছেন।

হেগসেথ বলেন, ২ শতাংশ যথেষ্ট নয়; ট্রাম্প এটিকে ৫ শতাংশে উন্নীত করার আহ্বান জানিয়েছেন আর আমিও এতে একমত।

তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এমন ভারসাম্যহীন সম্পর্ক আর সহ্য করবে না, যা নির্ভরশীলতাকে আরও বাড়িয়ে করে।

ন্যাটোর মহাসচিব ও ডাচ প্রধানমন্ত্রী রুট বলেন, যদি আমরা ২ শতাংশের মধ্যেই আটকে থাকি, তাহলে চার থেকে পাঁচ বছর পর আমরা নিজেদের রক্ষা করতে পারব না। এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যে রাশিয়া নিজেদের শক্তিশালী করলে আমাদেরও নিজেদের শক্তিশালী করা প্রয়োজন।

রাশিয়া ইউরোপীয় ইউনিয়নের তুলনায় বেশি অস্ত্র তৈরি করছে। এমন অবস্থায় ন্যাটোর ইউরোপীয় সদস্যদের প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় বাড়ানোর বিষয়ে শুধু একমত হলেই চলবে না, এ বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে হবে। সূত্র: সিএনএন

বিডি প্রতিদিন/একেএ
 

এই বিভাগের আরও খবর
ট্রাম্পের সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল ইরান
ট্রাম্পের সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল ইরান
গাজায় গণহত্যার প্রতিবাদে বিশ্বজুড়ে ‘নো ওয়ার্ক, নো স্কুল’ কর্মসূচির ডাক
গাজায় গণহত্যার প্রতিবাদে বিশ্বজুড়ে ‘নো ওয়ার্ক, নো স্কুল’ কর্মসূচির ডাক
ইসরায়েলি গণহত্যার বিরুদ্ধে হোয়াইট হাউসের সামনে বিক্ষোভকারীদের প্রতিবাদ
ইসরায়েলি গণহত্যার বিরুদ্ধে হোয়াইট হাউসের সামনে বিক্ষোভকারীদের প্রতিবাদ
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খনিজ চুক্তি ফাঁস: তদন্তে নেমেছে ইউক্রেন
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খনিজ চুক্তি ফাঁস: তদন্তে নেমেছে ইউক্রেন
যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাম্পবিরোধী সর্ববৃহৎ সমাবেশ
যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাম্পবিরোধী সর্ববৃহৎ সমাবেশ
ইসরায়েল সফরে গিয়ে অপমানিত দুই ব্রিটিশ নারী এমপি
ইসরায়েল সফরে গিয়ে অপমানিত দুই ব্রিটিশ নারী এমপি
সন্দেহভাজন ব্যক্তির অনুপ্রবেশের জেরে কানাডার পার্লামেন্ট লকডাউন!
সন্দেহভাজন ব্যক্তির অনুপ্রবেশের জেরে কানাডার পার্লামেন্ট লকডাউন!
সোমবার বৈঠকে বসছেন ট্রাম্প-নেতানিয়াহু
সোমবার বৈঠকে বসছেন ট্রাম্প-নেতানিয়াহু
১৭ হাজার শিশুর রক্তে রঞ্জিত গাজা, অনাথ ৩৯ হাজারের বেশি
১৭ হাজার শিশুর রক্তে রঞ্জিত গাজা, অনাথ ৩৯ হাজারের বেশি
গাজায় ইসরায়েলের হামলা চলছেই
গাজায় ইসরায়েলের হামলা চলছেই
ভারতে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১, ছিলেন ৭০ জনের বেশি বাংলাদেশি  তীর্থযাত্রী
ভারতে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১, ছিলেন ৭০ জনের বেশি বাংলাদেশি তীর্থযাত্রী
বাংলাদেশসহ ১৪ দেশের ওপর সৌদির সাময়িক ভিসা নিষেধাজ্ঞা
বাংলাদেশসহ ১৪ দেশের ওপর সৌদির সাময়িক ভিসা নিষেধাজ্ঞা
সর্বশেষ খবর
ঝালকাঠির কাঠালিয়ার ঘোড়দৌড়
ঝালকাঠির কাঠালিয়ার ঘোড়দৌড়

১৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঝালকাঠিতে গাছ থেকে মা-ছেলের মরদেহ উদ্ধার
ঝালকাঠিতে গাছ থেকে মা-ছেলের মরদেহ উদ্ধার

৩৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

জুয়া বন্ধ করতে গিয়ে জুয়াড়িদের হামলার শিকার পুলিশ, আহত ৫
জুয়া বন্ধ করতে গিয়ে জুয়াড়িদের হামলার শিকার পুলিশ, আহত ৫

৫৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

১২ দিন পর খুলছে তামাবিল স্থলবন্দর
১২ দিন পর খুলছে তামাবিল স্থলবন্দর

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাইবান্ধায় নিচে নামছে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর, পানি সংকট
গাইবান্ধায় নিচে নামছে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর, পানি সংকট

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ফিলিস্তিনে গণহত্যার প্রতিবাদে ঢাবির ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত
ফিলিস্তিনে গণহত্যার প্রতিবাদে ঢাবির ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ডিএনডি লেকে গোসলে নেমে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু
ডিএনডি লেকে গোসলে নেমে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজবাড়ীতে নিরব হত্যার প্রধান আসামি গ্রেফতার
রাজবাড়ীতে নিরব হত্যার প্রধান আসামি গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছেলের দায়ের কোপে আহত মায়ের মৃত্যু
ছেলের দায়ের কোপে আহত মায়ের মৃত্যু

৩ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ডাসারে অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিলো উপজেলা প্রশাসন
ডাসারে অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিলো উপজেলা প্রশাসন

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ফ্যাসিষ্টের দোসর ও নব্য বিএনপি থেকে সাবধান : মজনু
ফ্যাসিষ্টের দোসর ও নব্য বিএনপি থেকে সাবধান : মজনু

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি গণহত্যার প্রতিবাদে মুখে কালো কাপড় বেঁধে অবস্থান করবে ছাত্রদল
ইসরায়েলি গণহত্যার প্রতিবাদে মুখে কালো কাপড় বেঁধে অবস্থান করবে ছাত্রদল

৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগে কাশিয়ানী থানার ওসি ক্লোজড
ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগে কাশিয়ানী থানার ওসি ক্লোজড

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘ভারতে বিতর্কিত ওয়াকফ বিল মুসলিমদের আরো নিরাপত্তাহীন করে তুলবে’
‘ভারতে বিতর্কিত ওয়াকফ বিল মুসলিমদের আরো নিরাপত্তাহীন করে তুলবে’

৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

চট্টগ্রামে মদসহ চারজন গ্রেফতার
চট্টগ্রামে মদসহ চারজন গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

কক্সবাজারে ট্রেনে কাটা পড়ে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
কক্সবাজারে ট্রেনে কাটা পড়ে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামে পোশাককর্মী খুনের ঘটনায় স্বামী গ্রেফতার
চট্টগ্রামে পোশাককর্মী খুনের ঘটনায় স্বামী গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ঈদের লম্বা ছুটিতে চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনারের স্তূপ
ঈদের লম্বা ছুটিতে চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনারের স্তূপ

৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিদেশি মদসহ গ্রেফতার ৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিদেশি মদসহ গ্রেফতার ৬

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘আইএমএফ বলেছে বাংলাদেশের অর্থনীতি সঠিক দিকেই আছে’
‘আইএমএফ বলেছে বাংলাদেশের অর্থনীতি সঠিক দিকেই আছে’

৪ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

পৃথিবীর ‘সবুজ ফুসফুস’ নজরদারি করবে মহাকাশযান
পৃথিবীর ‘সবুজ ফুসফুস’ নজরদারি করবে মহাকাশযান

৪ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

গাইবান্ধায় কৃষকদের নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের আনন্দময় দিন
গাইবান্ধায় কৃষকদের নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের আনন্দময় দিন

৪ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

হজ ব্যবস্থাপনায় কোনো ত্রুটি বরদাশত করা হবে না : ধর্ম উপদেষ্টা
হজ ব্যবস্থাপনায় কোনো ত্রুটি বরদাশত করা হবে না : ধর্ম উপদেষ্টা

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের দায়ে ৭ বাসকে জরিমানা
অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের দায়ে ৭ বাসকে জরিমানা

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ঈদের ছুটি পর বেনাপোল বন্দরে ফিরেছে স্বাভাবিক গতি
ঈদের ছুটি পর বেনাপোল বন্দরে ফিরেছে স্বাভাবিক গতি

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শর্টস ভিডিও নির্মাতাদের জন্য সুখবর দিল ইউটিউব
শর্টস ভিডিও নির্মাতাদের জন্য সুখবর দিল ইউটিউব

৪ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

গলাচিপায় শুভসংঘের উদ্যোগে জমিতে অতিরিক্ত সার ও কীটনাশক প্রয়োগ বিষয়ক সচেতনামূলক সভা
গলাচিপায় শুভসংঘের উদ্যোগে জমিতে অতিরিক্ত সার ও কীটনাশক প্রয়োগ বিষয়ক সচেতনামূলক সভা

৪ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ট্রাম্পের সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল ইরান
ট্রাম্পের সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল ইরান

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিখোঁজ সেই গৃহবধূ পরকীয়া প্রেমিকসহ উদ্ধার
নিখোঁজ সেই গৃহবধূ পরকীয়া প্রেমিকসহ উদ্ধার

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাউবিতে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত
বাউবিতে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সর্বাধিক পঠিত
বিয়েবাড়ির গেটে পার্টি স্প্রে দেওয়া নিয়ে মারামারি, ভাঙলো বিয়ে
বিয়েবাড়ির গেটে পার্টি স্প্রে দেওয়া নিয়ে মারামারি, ভাঙলো বিয়ে

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশসহ ১৪ দেশের ওপর সৌদির সাময়িক ভিসা নিষেধাজ্ঞা
বাংলাদেশসহ ১৪ দেশের ওপর সৌদির সাময়িক ভিসা নিষেধাজ্ঞা

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতি নিয়ে জরুরি নির্দেশনা
সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতি নিয়ে জরুরি নির্দেশনা

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজায় গণহত্যা বন্ধে সোমবার বিশ্বব্যাপী ‘নো ওয়ার্ক নো স্কুল’
গাজায় গণহত্যা বন্ধে সোমবার বিশ্বব্যাপী ‘নো ওয়ার্ক নো স্কুল’

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতের ওয়াকফ সংশোধনী বিল নিয়ে যা বললেন আসিফ নজরুল
ভারতের ওয়াকফ সংশোধনী বিল নিয়ে যা বললেন আসিফ নজরুল

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষ্যে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা ও সহযোগিতা কার্যক্রম
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষ্যে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা ও সহযোগিতা কার্যক্রম

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতে ওয়াকফ বিল পাস হওয়ায় যে প্রতিক্রিয়া জানাল বিএনপি
ভারতে ওয়াকফ বিল পাস হওয়ায় যে প্রতিক্রিয়া জানাল বিএনপি

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মারা গেছেন
আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মারা গেছেন

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান
সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে ফ্ল্যাট নিয়ে টিউলিপের মিথ্যাচার
যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে ফ্ল্যাট নিয়ে টিউলিপের মিথ্যাচার

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভাঙচুর ও হত্যাচেষ্টা মামলায় আওয়ামীপন্থী ৬১ আইনজীবীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ
ভাঙচুর ও হত্যাচেষ্টা মামলায় আওয়ামীপন্থী ৬১ আইনজীবীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমিরাতের সহযোগিতায় ৮ বিভাগে হবে স্পোর্টস হাব : ক্রীড়া উপদেষ্টা
আমিরাতের সহযোগিতায় ৮ বিভাগে হবে স্পোর্টস হাব : ক্রীড়া উপদেষ্টা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খনিজ চুক্তি ফাঁস: তদন্তে নেমেছে ইউক্রেন
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খনিজ চুক্তি ফাঁস: তদন্তে নেমেছে ইউক্রেন

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্মার্টফোনে ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ মোডের কাজ কী?
স্মার্টফোনে ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ মোডের কাজ কী?

১৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

‘গৃহকর্ত্রীও নির্যাতিতা হতে পারেন’ -পরীমনির সেই ইস্যুতে ফেসবুকে ন্যান্সি
‘গৃহকর্ত্রীও নির্যাতিতা হতে পারেন’ -পরীমনির সেই ইস্যুতে ফেসবুকে ন্যান্সি

১২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আইনে পরিণত হলো বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী বিল
আইনে পরিণত হলো বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী বিল

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত: মস্কো
ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত: মস্কো

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন মন্ত্রণালয়ে সচিব পদে রদবদল
তিন মন্ত্রণালয়ে সচিব পদে রদবদল

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি
সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

দেশে প্রবাসী আয়ে রেকর্ড, মার্চে এল ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি
দেশে প্রবাসী আয়ে রেকর্ড, মার্চে এল ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি

৯ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব সামাল দেয়া কঠিন নয় : অর্থ উপদেষ্টা
ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব সামাল দেয়া কঠিন নয় : অর্থ উপদেষ্টা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্প-মাস্কের নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে গণবিক্ষোভ
ট্রাম্প-মাস্কের নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে গণবিক্ষোভ

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১, ছিলেন ৭০ জনের বেশি বাংলাদেশি  তীর্থযাত্রী
ভারতে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১, ছিলেন ৭০ জনের বেশি বাংলাদেশি তীর্থযাত্রী

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এসএসএফের সাবেক ডিজির ফ্ল্যাট-জমি জব্দ, ৩৪ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ
এসএসএফের সাবেক ডিজির ফ্ল্যাট-জমি জব্দ, ৩৪ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইভ্যালির রাসেল-শামীমার তিন বছরের কারাদণ্ড
ইভ্যালির রাসেল-শামীমার তিন বছরের কারাদণ্ড

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঘন ঘন দূতাবাসের স্থান পরিবর্তনে বিরক্ত মালয়েশিয়া প্রবাসীরা
ঘন ঘন দূতাবাসের স্থান পরিবর্তনে বিরক্ত মালয়েশিয়া প্রবাসীরা

৮ ঘণ্টা আগে | পরবাস

গাজাবাসীর সমর্থনে সোমবার রাজপথে নামার আহ্বান সারজিসের
গাজাবাসীর সমর্থনে সোমবার রাজপথে নামার আহ্বান সারজিসের

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিচার চেয়ে থানায় বৃদ্ধা, ‘ভিক্ষা করে কেনা মুরগি মেরে দিল কারা?’
বিচার চেয়ে থানায় বৃদ্ধা, ‘ভিক্ষা করে কেনা মুরগি মেরে দিল কারা?’

১৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকাসহ সাত বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস
ঢাকাসহ সাত বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েল সফরে গিয়ে অপমানিত দুই ব্রিটিশ নারী এমপি
ইসরায়েল সফরে গিয়ে অপমানিত দুই ব্রিটিশ নারী এমপি

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
অনিশ্চয়তায় ১০ হাজার কোটির শিপমেন্ট
অনিশ্চয়তায় ১০ হাজার কোটির শিপমেন্ট

প্রথম পৃষ্ঠা

বিক্ষোভে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র
বিক্ষোভে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র

প্রথম পৃষ্ঠা

জিয়ার স্মৃতি মুছে ফেলার সহজসরল পদ্ধতি!
জিয়ার স্মৃতি মুছে ফেলার সহজসরল পদ্ধতি!

সম্পাদকীয়

কাজ করছে না আঙুলের ছাপ
কাজ করছে না আঙুলের ছাপ

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

বিএনপিকে আওয়ামী লীগের আচরণ থেকে বের হতে হবে
বিএনপিকে আওয়ামী লীগের আচরণ থেকে বের হতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

৮ কোটি টাকার প্রকল্পের কাজ কোটেশনে!
৮ কোটি টাকার প্রকল্পের কাজ কোটেশনে!

নগর জীবন

চরের জমিতে হাজার কোটি টাকার ফসল
চরের জমিতে হাজার কোটি টাকার ফসল

পেছনের পৃষ্ঠা

রাশিয়া সফরে সেনাপ্রধান
রাশিয়া সফরে সেনাপ্রধান

প্রথম পৃষ্ঠা

সংকট নেই তবু বাড়তি দরে ডলার বিক্রি
সংকট নেই তবু বাড়তি দরে ডলার বিক্রি

পেছনের পৃষ্ঠা

মন্ত্রণালয়ে যোগ দিয়েছেন ড. শেখ মইনউদ্দিন
মন্ত্রণালয়ে যোগ দিয়েছেন ড. শেখ মইনউদ্দিন

নগর জীবন

অপপ্রচার রোধে প্রেস উইংকে ভূমিকা রাখতে হবে
অপপ্রচার রোধে প্রেস উইংকে ভূমিকা রাখতে হবে

নগর জীবন

প্রস্তুতি শুরু নিগারদের
প্রস্তুতি শুরু নিগারদের

মাঠে ময়দানে

ওসির অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ
ওসির অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ

পেছনের পৃষ্ঠা

ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে বিলীন জনবসতি
ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে বিলীন জনবসতি

প্রথম পৃষ্ঠা

কারাগারে ৬১ আইনজীবী ১৯ জনের জামিন
কারাগারে ৬১ আইনজীবী ১৯ জনের জামিন

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্ষমতায় যাওয়ার সিঁড়ি হবে না হেফাজতে ইসলাম
ক্ষমতায় যাওয়ার সিঁড়ি হবে না হেফাজতে ইসলাম

নগর জীবন

প্রধান উপদেষ্টার কাছে শহীদ পরিবারের প্রত্যাশা
প্রধান উপদেষ্টার কাছে শহীদ পরিবারের প্রত্যাশা

প্রথম পৃষ্ঠা

হাছান ও তার স্ত্রীর ব্যাংকে ৭২২ কোটি টাকা লেনদেন
হাছান ও তার স্ত্রীর ব্যাংকে ৭২২ কোটি টাকা লেনদেন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপি নেতার ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ
বিএনপি নেতার ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ

দেশগ্রাম

এক ছাতায় বিশ্বের হাজারো উদ্যোক্তা
এক ছাতায় বিশ্বের হাজারো উদ্যোক্তা

পেছনের পৃষ্ঠা

ধর্ষণের মিথ্যা  মামলা, গৃহবধূ জেলে
ধর্ষণের মিথ্যা মামলা, গৃহবধূ জেলে

পেছনের পৃষ্ঠা

টিউলিপের দুর্নীতির দালিলিক প্রমাণ সাকিবের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান
টিউলিপের দুর্নীতির দালিলিক প্রমাণ সাকিবের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান

পেছনের পৃষ্ঠা

দেবরের হাতে ভাবি খুন
দেবরের হাতে ভাবি খুন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফাঁদে ফেলে অপহরণ মুক্তিপণ আদায়
ফাঁদে ফেলে অপহরণ মুক্তিপণ আদায়

পেছনের পৃষ্ঠা

ছেলের রামদার কোপে মায়ের মৃত্যু
ছেলের রামদার কোপে মায়ের মৃত্যু

নগর জীবন

আইএমইডিতে নতুন সচিব
আইএমইডিতে নতুন সচিব

নগর জীবন

শরীয়তপুরে বোমাবাজিতে গ্রেপ্তার ৮
শরীয়তপুরে বোমাবাজিতে গ্রেপ্তার ৮

পেছনের পৃষ্ঠা

দলমতের ঊর্ধ্বে দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে কাজ করতে হবে
দলমতের ঊর্ধ্বে দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে কাজ করতে হবে

নগর জীবন

মোবাইল ব্যবহারে বাধা দেওয়ায় কিশোরীর আত্মহনন
মোবাইল ব্যবহারে বাধা দেওয়ায় কিশোরীর আত্মহনন

নগর জীবন