শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ১২ মার্চ, ২০২৫ আপডেট: ০২:১৭, বুধবার, ১২ মার্চ, ২০২৫

সশস্ত্র বাহিনীকে সব বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতেই হবে

অদিতি করিম
প্রিন্ট ভার্সন
সশস্ত্র বাহিনীকে সব বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতেই হবে

বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী আমাদের জাতীয় ঐক্যের প্রতীক। আমাদের সার্বভৌমত্বের রক্ষক। সশস্ত্র বাহিনী আমাদের অহংকার ও গৌরবের প্রতিষ্ঠান। আর তাই এ বাহিনীকে সব বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখা আমাদের নাগরিক দায়িত্ব। আমাদের সশস্ত্র বাহিনীকে যদি বিতর্কিত করা হয়, যদি হেয় প্রতিপন্ন করা হয় তাহলে আমাদের সার্বভৌমত্ব, অখণ্ডতা বিপন্ন হতে পারে। ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বাংলাদেশ। সবার আগে দেশ এটি আমাদের মনে রাখতে হবে।

সাম্প্রতিক সময়ে আমরা লক্ষ করছি বাংলাদেশের গৌরবের প্রতীক, আমাদের অস্তিত্বের স্মারক সশস্ত্র বাহিনীকে নানাভাবে বিতর্কিত করার চেষ্টা হচ্ছে। সমাজমাধ্যমে বিভিন্ন পক্ষ-বিপক্ষ শক্তি নানা রকমভাবে সশস্ত্র বাহিনী সম্পর্কে বিভিন্ন রকম মন্তব্য করছে, গুজব ছড়াচ্ছে বুঝে না বুঝে। সমাজমাধ্যমে সশস্ত্র বাহিনী, বিশেষ করে সেনাবাহিনী নিয়ে অনভিপ্রেত চর্চা আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর মর্যাদা ক্ষুণ্নের শামিল। এর মাধ্যমে প্রকারান্তরে সশস্ত্র বাহিনীকে হেয় প্রতিপন্ন করা হচ্ছে। সেনাবাহিনী প্রধানসহ সশস্ত্র বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে নানা রকম সত্য-মিথ্যা বিষোদ্গার করে রীতিমতো তর্কযুদ্ধ অনাকাঙ্ক্ষিত, অগ্রহণযোগ্য এবং অনভিপ্রেত। এসব তর্কযুদ্ধ কখনোই দেশের জন্য মঙ্গলজনক নয়। এ ধরনের বিতর্ক আমাদের জাতীয় ঐক্য শুধু বিনষ্ট করবে না, আমাদের সার্বভৌমত্বও হুমকির মুখে ফেলবে। বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী একটি পেশাদার চৌকশ বাহিনী হিসেবে সারা বিশ্বে সমাদৃত, পরিচিত। এই তো কদিন আগে অক্টোবরে সেন্ট্রাল আফ্রিকার বিদ্রোহী দমনে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর কমান্ডাররা গেলেন। সেখানে তারা এক অসাধারণ অভিযানের মাধ্যমে বিদ্রোহ দমন করলেন। শান্তি প্রতিষ্ঠা করলেন। সম্প্রতি সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান সেন্ট্রাল আফ্রিকায় শান্তি প্রতিষ্ঠার পর সেখানে সফরে গিয়েছিলেন। বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর উদ্যোগে একটি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র তিনি উদ্বোধন করেন। বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করা হচ্ছে আফ্রিকাজুড়ে। শুধু সেন্ট্রাল আফ্রিকা নয়, সিয়েরা লিওন, সুদানসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর অবদান সবাই গভীর আস্থার সঙ্গে স্বীকার করে। বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী সারা বিশ্বে শান্তিরক্ষায় আস্থার প্রতীক। এ কারণেই আমাদের সশস্ত্র বাহিনী জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সবচেয়ে বেশি সংখ্যায় অংশগ্রহণ করছে। এটি আমাদের জন্য এক বিরাট অর্জন। এটি শুধু বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী বা বিমান বাহিনীর সাফল্য নয়, এটি পুরো বাংলাদেশের গৌরব। এ গৌরবকে আমাদের সব সময় স্মরণ করতে হবে।

বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী সমস্ত দুর্যোগ, দুর্বিপাক এবং রাষ্ট্রীয় সংকটে জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে। মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে গড়ে ওঠা আমাদের সশস্ত্র বাহিনী সব সময় জনগণের পক্ষে, শান্তির পক্ষে কাজ করেছে। ইতিহাস তা-ই বলে। আমরা যদি জুলাইয়ের গণ অভ্যুত্থান পর্যালোচনা করি, তাহলে দেখব সেখানেও সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা ছিল গৌরবোজ্জ্বল। সশস্ত্র বাহিনী নিরীহ জনসাধারণের প্রতিপক্ষ হতে চায়নি। তারা জনগণকে অস্ত্র দিয়ে দমন করতে চায়নি। সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধান চেয়েছে। কিন্তু জুলাই বিপ্লবের পর এখন নানা রকম ব্লেম গেম শুরু হয়েছে, যেখানে সশস্ত্র বাহিনীকে বিতর্কিত করার গভীর ষড়যন্ত্র লক্ষ করা যাচ্ছে। সমাজমাধ্যমে সশস্ত্র বাহিনী সম্পর্কে মনগড়া তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে জাতিসংঘ মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক বিবিসিতে একটি সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী সম্পর্কে কিছু অযাচিত, অনভিপ্রেত এবং তাঁর দায়িত্বের বাইরে কথা বলেছেন। এ বক্তব্যগুলো কখনোই কাম্য নয়, কাঙ্ক্ষিত নয়। ভলকার তুর্ক তাঁর ম্যান্ডেটের বাইরে গিয়ে এ ধরনের বক্তব্য দেওয়াটাকে অনেকেই ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করছেন না। তিনি কেন এবং কোন প্রেক্ষাপটে এ ধরনের কথা বলছেন সেটা তিনিই ভালো বলতে পারবেন। কিন্তু ৭ মার্চ বিবিসির হার্ডটক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী সম্পর্কে যে মন্তব্য তিনি করেছেন, তা তাঁর দায়িত্বের মধ্যে পড়ে না বলেই মনে করেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা। কারণ, বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী একটি চেইন অব কমান্ড-এর মধ্যে চলে। জাতিসংঘ মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারও একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা এবং পদ্ধতির মাধ্যমে পরিচালিত হন। তাঁদের দায়িত্ব হলো বিভিন্ন দেশে মানবাধিকার সংরক্ষণ এবং মানবাধিকার সুরক্ষার জন্য প্রচার, জনমত সৃষ্টি এবং মতামত ব্যক্ত করা। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আমরা দেখছি মানবাধিকার লঙ্ঘনের নানা রকম ঘটনা ঘটেছে এবং সেসব ঘটনায় অনেক ক্ষেত্রেই জাতিসংঘ এবং জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশন সীমাহীন ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। বিশেষ করে গাজার গণহত্যার পর মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনের পক্ষপাতিত্ব ও নমনীয় নীতি সারা বিশ্বে সমালোচিত হয়েছে। সেসব বাস্তবতা মাথায় না নিয়ে ভলকার তুর্ক কেন বাংলাদেশ প্রসঙ্গ নিয়ে আগ বাড়িয়ে অযাচিত কথা বলতে গেলেন সেটি একটি প্রশ্নসাপেক্ষ বিষয়। এমনিতেই বাংলাদেশের জুলাই বিপ্লবের ওপর মানবাধিকার কমিশনের রিপোর্ট নিয়ে নানা রকম প্রশ্ন উঠেছে। বিভিন্ন মহল এর গ্রহণযোগ্যতা, তথ্য-উপাত্তের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। বিশেষ করে সব পক্ষের মতামতের ভিত্তিতে এ প্রতিবেদনটি প্রস্তুত হয়েছে কি না তা নিয়ে বড় বিতর্ক এখনো চলমান। এই প্রথম জাতিসংঘের একটি রিপোর্ট নিয়ে বিভিন্ন মহলে বিতর্ক উত্থাপিত হলো, এমনটি নয়। জাতিসংঘ মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনের বহু রিপোর্টই খি ত, পক্ষপাতদুষ্ট এবং বিতর্কিত হিসেবে সমালোচিত। সে বিষয়ে মনোযোগী না হয়ে ভলকার তুর্ক কেন সেনাবাহিনীর প্রসঙ্গ উত্থাপন করলেন সেটি ভেবে দেখা দরকার। কারণ, জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশনের এটি এখতিয়ারভুক্ত বিষয় নয়। ভলকার তুর্ক হার্ডটকে যেটি বলেছেন সেটি আরও যদি খোলাসা করে বলতেন, তাহলে হয়তো এ বিতর্ক হতো না। তিনি যদি বলতেন সুনির্দিষ্টভাবে তিনি সশস্ত্র বাহিনীর কাকে, কী সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন, তাহলে প্রশ্ন উঠত না। জাতিসংঘের সঙ্গে একটি সদস্য রাষ্ট্রের যোগাযোগের ধরন সম্পর্কে যাদের ন্যূনতম ধারণা আছে, তারা জানেন জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশন সেনাবাহিনী বা সশস্ত্র বাহিনীকে সরাসরি এ ধরনের সতর্কবার্তা দিতে পারে না, দেয়ও না। জাতিসংঘের এভাবে সতর্কবার্তা দেওয়ার কোনো পদ্ধতিও নেই। তিনি যদি কোনো সতর্কবার্তা দেন, তাহলে সেটি হয়তো বাংলাদেশের তৎকালীন সরকারকে অথবা প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়কে দিয়েছেন। সে বিষয়টি স্পষ্ট না করে তাঁর এ বক্তব্য সশস্ত্র বাহিনী সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মধ্যে নেতিবাচক ধারণা তৈরি করবে।

সেনাবাহিনী প্রধান বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকের প্রেসিডেন্টকে তোয়াদেরা কমিউনিটি ক্লিনিকের প্রতীকী কাগজপত্র হস্তান্তর করেন   -আইএসপিআর
সেনাবাহিনী প্রধান বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকের প্রেসিডেন্টকে তোয়াদেরা কমিউনিটি ক্লিনিকের প্রতীকী কাগজপত্র হস্তান্তর করেন   -আইএসপিআর

আশার কথা ভলকার তুর্ক এ বক্তব্যের পরপরই আইএসপিআর একটি দায়িত্বশীল বিবৃতি দিয়েছে, যে বিবৃতিতে সুস্পষ্টভাবে তারা উল্লেখ করেছেন যে এ ধরনের কোনো ইঙ্গিত বা বার্তা সম্পর্কে সেনাবাহিনী অবহিত নয়। আইএসপিআরের বিবৃতিতে গণ অভ্যুত্থানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ভূমিকা সম্পর্কে ভলকার তুর্কের মন্তব্য নাকচ করা হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী মানবাধিকার তাৎপর্য যথাযথভাবে মূল্যায়ন এবং যে কোনো গঠনমূলক সমালোচনা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে। তবে অধিকতর সঠিকতা ও স্বচ্ছতার উদ্দেশ্যে উক্ত মন্তব্যের বিষয়ে কিছু স্পষ্টীকরণ প্রয়োজন বলে মনে করে। বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জাতিসংঘ মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার থেকে এ বিষয়ে কোনো ইঙ্গিত বা বার্তা সম্পর্কে অবহিত নয়। যদি এ-সংক্রান্ত কোনো উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়, তবে তা তৎকালীন বাংলাদেশ সরকারকে জানানো হয়ে থাকতে পারে, সেনাবাহিনীকে নয়। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জাতীয় নিরাপত্তা নির্দেশিকা অনুযায়ী কাজ করে এবং সর্বদা আইনের শাসন, মানবাধিকার নীতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ভলকার তুর্কের এ মন্তব্য কিছু মহলের মধ্যে ভুলভাবে উপস্থাপিত হচ্ছে, যা সেনাবাহিনীর ভূমিকা সম্পর্কে ভ্রান্ত ধারণা সৃষ্টি এবং পেশাদারি প্রশ্নবিদ্ধ করছে। আইএসপিআরের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নিরপেক্ষতা ও সততার মহান ঐতিহ্য ধারণ করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সর্বদা জনগণের পাশে থাকতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রতিষ্ঠার পর থেকে কখনোই এমন কোনো অবস্থান কোনো সময় গ্রহণ করেনি, যেটি জনগণের বিপক্ষে যায়। আমরা লক্ষ করেছি, ১৯৯০ সালের স্বৈরাচার পতনের সময় সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা ছিল অভাবনীয়, ইতিবাচক। সে সময় তারা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের প্রতি অন্ধ আনুগত্য প্রদর্শন করে জনগণের মুখোমুখি দাঁড়ায়নি। এমনকি আমরা যদি লক্ষ করি ২০০৭ সালে নির্বাচনের আগের প্রেক্ষাপটেও সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা ছিল গৌরবোজ্জ্বল। আর সবশেষ ২০২৪ সালে গণ অভ্যুত্থানের সময় সশস্ত্র বাহিনীর দায়িত্বশীল এবং নিরপেক্ষ ভূমিকার কারণেই শেষ পর্যন্ত জনগণের বিজয় হয়েছে। মনে রাখতে হবে, আমাদের সশস্ত্র বাহিনী আমাদের জনগণের প্রতিষ্ঠান। মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক একটি সুশৃঙ্খল বাহিনী। আমাদের রাষ্ট্রীয় অখ তা, সার্বভৌমত্বের মহান দায়িত্ব পালন করে বাংলাদেশের তিন বাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত সশস্ত্র বাহিনী। কাজেই কোনোভাবেই যেন আমরা সশস্ত্র বাহিনীকে বিতর্কিত না করি। অযাচিত দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য করে এ বাহিনী সম্পর্কে বিভ্রান্তির সৃষ্টি না করি। ৫ আগস্টের গণ অভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশে যখন পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ নিষ্ক্রিয় ছিল, তখন সশস্ত্র বাহিনী মানুষের জানমালের হেফাজত করেছে। এখনো দেশে যেটুকু আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বলবৎ আছে সেটি সশস্ত্র বাহিনীর দৃঢ়চিত্ত ভূমিকার কারণে। মাসের পর মাস তারা এ দায়িত্ব পালন করছে। দীর্ঘদিন ধরে সশস্ত্র বাহিনীর এ দায়িত্ব পালন করা উচিত নয় বলে অনেকে মনে করেন। কিন্তু জনগণের স্বার্থে এবং জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক হিসেবে তারা এ দায়িত্ব পালন করছে। এবারই প্রথম নয়, দেশের যে কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ-দুর্বিপাকে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরাই প্রথম অসহায় মানুষের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়েছেন। এজন্য সশস্ত্র বাহিনীর প্রতি দেশের আপামর মানুষের অসীম আস্থা। এ রকম বাস্তবতায় আমাদের প্রধান দায়িত্ব হলো রাষ্ট্রের আস্থার প্রতীক এ প্রতিষ্ঠানটিকে সব বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখা। কারণ, এ প্রতিষ্ঠানটি যদি বিতর্কিত করা হয় তাহলে আমরাই অস্তিত্বের সংকটে পড়ব। বিপন্ন হবে আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব।

অদিতি করিম : নাট্যকার ও কলাম লেখক

Email : [email protected]

 

 

এই বিভাগের আরও খবর
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
আলোচনার মাধ্যমে সব সমাধান সম্ভব
আলোচনার মাধ্যমে সব সমাধান সম্ভব
ছুরি মেরে ব্যবসায়ীকে হত্যা পিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
ছুরি মেরে ব্যবসায়ীকে হত্যা পিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
নির্বাচনে অনিশ্চয়তা বাড়াবে জটিলতা
নির্বাচনে অনিশ্চয়তা বাড়াবে জটিলতা
একাধিক আঞ্চলিক সহযোগিতা চুক্তি ও সমঝোতায় স্বাক্ষর
একাধিক আঞ্চলিক সহযোগিতা চুক্তি ও সমঝোতায় স্বাক্ষর
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট অপসারিত
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট অপসারিত
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
বৈঠককে ইতিবাচক দেখছে বিএনপি
বৈঠককে ইতিবাচক দেখছে বিএনপি
ইউনূস-মোদির বৈঠক আশা জাগিয়েছে
ইউনূস-মোদির বৈঠক আশা জাগিয়েছে
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
সর্বশেষ খবর
জনবহুল রাজধানী এখনো ফাঁকা, নেই চিরচেনা যানজট
জনবহুল রাজধানী এখনো ফাঁকা, নেই চিরচেনা যানজট

এই মাত্র | নগর জীবন

হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি
হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি

১ মিনিট আগে | শোবিজ

ফরিদপুরে বিস্ফোরক মামলায় যুবলীগ নেতা গ্রেফতার
ফরিদপুরে বিস্ফোরক মামলায় যুবলীগ নেতা গ্রেফতার

১০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

খাদ্য নিরাপত্তা নি‌য়ে কো‌নো শঙ্কা নেই : খাদ্য উপদেষ্টা
খাদ্য নিরাপত্তা নি‌য়ে কো‌নো শঙ্কা নেই : খাদ্য উপদেষ্টা

১৩ মিনিট আগে | জাতীয়

ভারতে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা
ভারতে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা

১৭ মিনিট আগে | রাজনীতি

ফরিদপুরে চোরের হাতে প্রাণ গেল প্রবাসীর
ফরিদপুরে চোরের হাতে প্রাণ গেল প্রবাসীর

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব
ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব

২৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চার বিভাগে বৃষ্টি হলেও তাপপ্রবাহ থাকবে অব্যাহত
চার বিভাগে বৃষ্টি হলেও তাপপ্রবাহ থাকবে অব্যাহত

৩৩ মিনিট আগে | জাতীয়

কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা
কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা

৩৫ মিনিট আগে | জাতীয়

'দেশে আর কোন ফ্যাসিস্ট যেন জন্মাতে না পারে'
'দেশে আর কোন ফ্যাসিস্ট যেন জন্মাতে না পারে'

৩৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম
নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মুখের গড়ন বুঝে হতে হবে হেয়ার কাট
মুখের গড়ন বুঝে হতে হবে হেয়ার কাট

১ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

অভিনেতাসহ গ্রেপ্তার ১১, তুরস্কে বয়কট আন্দোলন
অভিনেতাসহ গ্রেপ্তার ১১, তুরস্কে বয়কট আন্দোলন

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভাঙ্গায় কিশোর ও গৃহবধূর লাশ উদ্ধার
ভাঙ্গায় কিশোর ও গৃহবধূর লাশ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গরমে মেকআপ যেন না গলে
গরমে মেকআপ যেন না গলে

১ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

কিশোরগঞ্জে অষ্টমী স্নানে লাখো পুণ্যার্থীর ঢল
কিশোরগঞ্জে অষ্টমী স্নানে লাখো পুণ্যার্থীর ঢল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশের লজ্জায় ডুবালো নিউজিল্যান্ড
পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশের লজ্জায় ডুবালো নিউজিল্যান্ড

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘স্বতন্ত্র সচিবালয়’ প্রতিষ্ঠার দ্বারপ্রান্তে রয়েছে : প্রধান বিচারপতি
‘স্বতন্ত্র সচিবালয়’ প্রতিষ্ঠার দ্বারপ্রান্তে রয়েছে : প্রধান বিচারপতি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বগুড়ায় শহীদ জিয়া ফুটবল টুর্নামেন্টের সেমি-ফাইনাল অনুষ্ঠিত
বগুড়ায় শহীদ জিয়া ফুটবল টুর্নামেন্টের সেমি-ফাইনাল অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাস-অটোরিকাশয়ার সংঘর্ষে নারী নিহত, শিশুসহ আহত ৪
বাস-অটোরিকাশয়ার সংঘর্ষে নারী নিহত, শিশুসহ আহত ৪

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কানাডায় ভারতীয় নাগরিক খুন
কানাডায় ভারতীয় নাগরিক খুন

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জয়পুরহাটে রামদেও বাজলা প্রিমিয়ার লীগের ফাইনাল অনুষ্ঠিত
জয়পুরহাটে রামদেও বাজলা প্রিমিয়ার লীগের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার
লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লাঙ্গলবন্দের স্নান ঘিরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজট
লাঙ্গলবন্দের স্নান ঘিরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজট

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প
‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চিরচেনা কার্তিককে দেখা গেল অন্যরূপে
চিরচেনা কার্তিককে দেখা গেল অন্যরূপে

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বাংলাদেশের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি কোথাও নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
বাংলাদেশের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি কোথাও নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে দুই ভাইকে কুপিয়ে জখম
অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে দুই ভাইকে কুপিয়ে জখম

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার
প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

সর্বাধিক পঠিত
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

১৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

১৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার
হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

২৩ ঘণ্টা আগে | পরবাস

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

২২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী
পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা
চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা

৬ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার
৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক
গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু
আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত
দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত

পেছনের পৃষ্ঠা

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে

মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে
মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে

মাঠে ময়দানে