একদা এক সুন্দর গ্রামের মধ্যে বাস করত এক অদ্ভুত ভূত, নাম ছিল কালু ভূত। কালু ভূতের ছিল দশটা ঠ্যাং, আর প্রতিটি ঠ্যাং ছিল আলাদা আলাদা রঙের। এক ঠ্যাং লাল, অন্যটা নীল, তৃতীয়টা সবুজ, আর চতুর্থটা হলুদ এভাবে দশটা ঠ্যাং নানা রঙের!
কালু ভূত সব সময় চিন্তা করত, ‘আমি কেমন করে আমার ঠ্যাংগুলো সঠিকভাবে ব্যবহার করব?’ একদিন সে ঠিক করল, গ্রামের শিশুরা তাকে সাহায্য করতে পারবে। তাই সে গ্রামের মাঠে গিয়ে ডাক দিল, ‘হে ছোট্ট বন্ধুরা, আসো আমার ঠ্যাংগুলো সঠিকভাবে ব্যবহার করতে সাহায্য করো!’
শিশুরা শুনে খুব আনন্দিত হলো। তারা কালু ভূতের ঠ্যাংগুলো নিয়ে খেলতে শুরু করল। কেউ বলল, ‘আমার লাল ঠ্যাং দিয়ে আমরা লাল ফুলের খেলা খেলব!’ আরেকজন বলল, ‘আমার নীল ঠ্যাং দিয়ে আমরা নীল আকাশের মতো নাচব!’
একদিন, কালু ভূত তাদের বলল, ‘আমার সব ঠ্যাং একত্র করে কিছু দারুণ করতে হবে!’ শিশুরা ভাবল, তারা একটি বড় আকর্ষণ তৈরি করবে। লাল ঠ্যাং দিয়ে তারা লাল ফুলের টানে লাগাল, নীল ঠ্যাং দিয়ে তারা নীল আকাশ আঁকল, সবুজ ঠ্যাং দিয়ে তারা সবুজ ঘাসের মতো লাগাল আর হলুদ ঠ্যাং দিয়ে তারা সূর্য আঁকল।
কালু ভূত দেখল যে তার ঠ্যাংগুলো একসঙ্গে কাজ করে একটি সুন্দর আর্ট তৈরি করেছে। সে খুব খুশি হয়ে শিশুদের ধন্যবাদ জানাল। শিশুরাও কালু ভূতের সঙ্গে মজা করে আরও অনেক কিছু করতে শুরু করল।
এরপর থেকে, কালু ভূত তার ঠ্যাংগুলো দিয়ে নানা ধরনের খেলাধুলা ও সৃজনশীল কাজ করতে থাকল, আর গ্রামের শিশুদের সঙ্গে আনন্দে কাটাল। কালু ভূতের ঠ্যাংগুলো শুধু রঙিন নয়, তারা আনন্দ ও মজার রূপ নিল।
আর এরপর থেকে, গ্রামে সবাই জানল- কালু ভূতের দশ ঠাং দিয়ে যে কোনো সমস্যা সমাধান করা সম্ভব!