শিরোনাম
প্রকাশ: ১৭:১০, বুধবার, ১৯ মার্চ, ২০২৫ আপডেট: ১৭:১৮, বুধবার, ১৯ মার্চ, ২০২৫

বাংলাদেশের চিকিৎসা সরঞ্জাম শিল্পে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে যাচ্ছে মেগাসান বাংলাদেশ ও মেগাসান তুর্কি

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
অনলাইন ভার্সন
বাংলাদেশের চিকিৎসা সরঞ্জাম শিল্পে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে যাচ্ছে মেগাসান বাংলাদেশ ও মেগাসান তুর্কি

বাংলাদেশের চিকিৎসা সরঞ্জাম শিল্পে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পাবনা জেলার ঈশ্বরদীতে মেগাসান তুরস্ক ও মেগাসান বাংলাদেশ’র যৌথ বিনিয়োগে স্থাপিত হতে যাচ্ছে দেশের প্রথম মেডিকেল ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসেম্বলি প্লান্ট, মেগাসান মেডিকেল ইন্ডাস্ট্রিজ বাংলাদেশ লিমিটেড। মেগাসান তুরস্ক বাংলাদেশসহ বিশ্বের প্রায় ৮৫টি দেশে বিভিন্ন প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম রপ্তানি করে। আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে দেশে এমন গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জাম তৈরির বিনিয়োগ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ঈশ্বরদীর অরোনকোলায় এই অত্যাধুনিক অ্যাসেম্বলি প্লান্টের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশ চিকিৎসা সরঞ্জাম উৎপাদনে স্বনির্ভরতা অর্জনের দিকে এক ধাপ এগিয়ে গেল।

বাংলাদেশের প্রথম মেডিকেল ইকুপমেন্ট অ্যাসেম্বলি প্লান্ট মেগাসান মেডিকেল ইন্ডাস্ট্রিজ বাংলাদেশ লিমিটেডের প্রধান লক্ষ্যগুলো হলো-

১. আমদানি নির্ভরতা হ্রাস : বাংলাদেশ বর্তমানে চিকিৎসা সরঞ্জামের জন্য ব্যাপকভাবে আমদানির উপর নির্ভরশীল। ফলে চিকিৎসা খরচ বৃদ্ধি পায় এবং জরুরি পরিস্থিতিতে সরঞ্জাম সরবরাহে বিলম্ব হয়ে থাকে। বৈদেশিক মুদ্রার উপরও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। স্থানীয়ভাবে সরঞ্জাম উৎপাদন করে আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে আনবে। এটি দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে এবং বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় করবে। চিকিৎসা সরঞ্জামের দাম কমবে, যা সাধারণ মানুষের জন্য সুফল বয়ে আনবে। জরুরি মুহূর্তে চিকিৎসা সামগ্রী সহজলভ্য হবে। করোনা মহামারি পরিস্থিতিতে আমদানি জটিলতায় অক্সিজেন সরবরাহ ব্যবস্থার প্রয়োজনীয় বিভিন্ন পণ্য দেশে আনা সম্ভব হয়নি। ভবিষ্যতে কোনো মহামারি পরিস্থিতি মোকাবিলায় মেগাসান মেডিকেল ইন্ডাস্ট্রিজ প্রত্যক্ষভাবে ভূমিকা পালন করবে।

২. সুলভ মূল্যে উন্নতমানের সরঞ্জাম তৈরি ও সরবরাহ : বাংলাদেশে নিম্নমানের চিকিৎসা সরঞ্জামের ব্যবহার একটি বড় সমস্যা। এটি রোগীর স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর এবং চিকিৎসার গুণগত মান কমিয়ে দেয়। মেগাসান মেডিকেল ইন্ডাস্ট্রিজ আন্তর্জাতিক মানের (সিই এবং এফডিএ প্রত্যয়িত) সরঞ্জাম তৈরি করে এই সমস্যার সমাধানে বিশেষ ভূমিকা রাখবে। রোগীর সুরক্ষা এবং চিকিৎসার গুণগত মান নিশ্চিত করবে। দেশের চিকিৎসা যত আরও স্বনির্ভর হবে এবং দেশে সুলভমূল্যে চিকিৎসা সেবা গ্রহণে রোগীদের আস্থা বাড়বে। সকল শ্রেণির মানুষ উন্নত মানের চিকিৎসা সেবা পাবে। এতে করে রোগীদের বিদেশমুখীতা কমবে।

৩. নকল ও নিম্নমানের সরঞ্জাম প্রতিরোধ : বর্তমানে বিশেষ করে অক্সিজেন সরবরাহ ব্যবস্থায় নকল ও নিম্নমানের সরঞ্জামে সয়লাব হয়ে গেছে। যা রোগীর জীবন বিপন্ন করতে পারে। বর্তমানে সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে বিভিন্ন নকল পণ্য আমদানি না করে দেশে কোনো স্ট্যান্ডার্ড না মেনে তৈরি করে সরবরাহ করা হচ্ছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সরবরাহকারী আমদানির কাগজপত্র সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রদান করতে পারে না। উদাহরণস্বরূপ, নকল অক্সিজেন আউটলেট ব্যবহার করার ফলে দ্রুত সময়ে আউটলেটে লিকেজের সৃষ্টি হয়। এতে করে একদিকে যেমন অক্সিজেন অপচয় হয়, তেমনি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। অধিকাংশ সরকারি হাসপাতাল ঘুরে দেখা যায়, হাসপাতালের ক্রিটিকাল ইউনিটগুলোতে এই লিকেজ বিদ্যমান। এতে করে প্রচুর অক্সিজেন অপচয় ঘটে এবং সরকার প্রতিবছর ব্যাপক পরিমাণ অর্থ অক্সিজেন ক্রয়বাবদ খরচ করে।

অন্যদিকে, প্রাইভেট হাসপাতালে অপচয়কৃত অক্সিজেনের খরচ রোগীর উপরই বর্তায়, যার ফলে বেড়ে যায় চিকিৎসা খরচ। মেগাসান মেডিকেল ইন্ডাস্ট্রিজ উন্নত মানের সরঞ্জাম তৈরির মাধ্যমে নকল ও নিম্নমানের সরঞ্জামের ব্যবহার প্রতিবোধ করবে। রোগীর জীবনমান বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে। চিকিৎসা ব্যবস্থার উপর মানুষের আস্থা বাড়বে।

৪. খুচরা যন্ত্রাংশের সহজলভ্যতা : বর্তমানে চিকিৎসা সরঞ্জাম নষ্ট হলে খুচরা যন্ত্রাংশ পেতে অসুবিধা হয়। এর ফলে সরঞ্জাম মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ কঠিন হয়ে পড়ে। এ ছাড়াও বিভিন্ন হাসপাতালে দামি সেবাপ্রদানকারী ইকুপমেন্ট খুচরা যন্ত্রাংশের অভাবে অচল হয়ে আছে। মেগাসান মেডিকেল ইন্ডাস্ট্রিজ স্থানীয়ভাবে উৎপাদনের পাশাপাশি খুচরা যন্ত্রাংশের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করবে। সরঞ্জাম মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ সহজ হবে। ফলে চিকিৎসা সরঞ্জাম দীর্ঘস্থায়ী হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা নিরবচ্ছিন্ন থাকবে।

৫. কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি : বাংলাদেশে বেকারত্ব একটি বড় সমস্যা। নতুন শিল্প স্থাপন কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে মেগাসান মেডিকেল ইন্ডাস্ট্রিজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখবে।

৬. রপ্তানি এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন : বাংলাদেশের রপ্তানি খাতকে আরও শক্তিশালী করা মেগাসান মেডিকেল ইন্ডাস্ট্রিজের অন্যতম লক্ষ্য। উৎপাদিত পণ্য এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা। যার ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়বে এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকবো 

৭. কাস্টমাইজড সরঞ্জাম তৈরি : বাংলাদেশে সব হাসপাতালের কাঠামো এবং চাহিদা একরকম নয়। ফলে বিভিন্ন সময় হাসপাতালের বিভিন্ন ইউনিটে কাস্টমাইজড সরঞ্জাম সরবরাহের বিশেষ প্রয়োজন পড়ে। কাস্টমাইজড সরঞ্জাম স্বল্প পরিসরসহ বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে বেশ কার্যকরী হয়ে থাকে। এখানে উল্লেখ্য কাস্টমাইজড সরঞ্জাম বিদেশ থেকে আমদানি করা বেশ ব্যয়বহুল। একইসাথে বিদেশি প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানসমূহ সবসময় কাস্টমাইজড সরঞ্জাম উৎপাদন ও সরবরাহে আগ্রহ দেখায় না। মেগাসান মেডিকেল ইন্ডাস্ট্রিজ ব্যবহারকারীর চাহিদা অনুযায়ী কাস্টমাইজড সরঞ্জাম তৈরি করবে।

স্বাধীনতার দীর্ঘ পথ পেরিয়েও বাংলাদেশে একটি স্বনির্ভর চিকিৎসা সরঞ্জাম শিল্প গড়ে না ওঠা নিঃসন্দেহে দুর্ভাগ্যজনক। যেখানে উন্নত বিশ্ব চিকিৎসা খাতে নিত্যনতুন উদ্ভাবন নিয়ে এগিয়ে চলেছে, সেখানে আমাদের দেশে এখনো আমদানিনির্ভরতা এক বড় বাধা। তবে, মেগাসান মেডিকেল ইন্ডাস্ট্রিজ বাংলাদেশ লিমিটেডের মতো উদ্যোগ আশার আলো দেখাচ্ছে। এই সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে সরকারের সক্রিয় সহযোগিতা অপরিহার্য। সরকারের উচিত এমন শিল্প বাংলাদেশে আরও যাতে গড়ে ওঠে, সে ব্যাপারে যতটা সম্ভব সহযোগিতা করা। এক্ষেত্রে সরকার পৃষ্ঠপোষকতা, পণ্য ও খুচরা যন্ত্রাংশে শুল্ক হ্রাস, বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহের নিশ্চয়তা, নিরাপত্তা নিশ্চিতসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা ও পরামর্শ প্রদান করতে পারে।

বিশেষ করে দেশীয় শিল্পকে উৎসাহিত করতে সরকার আমদানি শুল্ক কমানো, স্থানীয় উৎপাদকদের জন্য সহজ শর্তে ঋণ প্রদান এবং প্রযুক্তিগত সহায়তার ব্যবস্থা করতে পারে। এ ছাড়া চিকিৎসা সরঞ্জাম শিল্পের জন্য একটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা যেতে পারে, যেখানে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো এবং সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হবে। সরকারের সহযোগিতা এবং বেসরকারি খাতের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ চিকিৎসা সরঞ্জাম উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করতে পারে।

একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে, আমরা চাই মেগাসান মেডিকেল ইন্ডাস্ট্রিজ শুরু থেকেই আন্তর্জাতিক গুণগত মান বজায় রেখে দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখুক। এই প্রতিষ্ঠান যেন নকল ও নিম্নমানের সরঞ্জামাদি বাজার থেকে সম্পূর্ণরূপে দূর করে রোগীদের জীবন রক্ষায় প্রত্যক্ষভাবে সাহায্য করে। দেশের স্বাস্থ্যখাতকে স্বনির্ভর করে তুলতে এবং প্রতিটি নাগরিকের জন্য উন্নত চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে, মেগাসান মেডিকেল ইন্ডাস্ট্রিজের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোর সাফল্য কামনা করছি। সর্বোপরি, এই উদ্যোগ শুধু একটি শিল্প স্থাপনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি একটি সুস্থ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের স্বপ্ন পূরণের পথে এক বলিষ্ঠ পদক্ষেপ।

বিডি প্রতিদিন/এমআই/বিজ্ঞাপন বার্তা

এই বিভাগের আরও খবর
চুলের সব সমস্যার সমাধানে জুঁই মাল্টি-ভিটামিন অয়েল
চুলের সব সমস্যার সমাধানে জুঁই মাল্টি-ভিটামিন অয়েল
জাতীয় স্মৃতিসৌধে রূপালী ব্যাংকের শ্রদ্ধা নিবেদন
জাতীয় স্মৃতিসৌধে রূপালী ব্যাংকের শ্রদ্ধা নিবেদন
অনার বাংলাদেশে নিয়ে এলো গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডধারী স্মার্টফোন
অনার বাংলাদেশে নিয়ে এলো গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডধারী স্মার্টফোন
ওয়ালটন নিয়ে এলো আর্ক ব্র্যান্ডের অনলাইন ইউপিএস
ওয়ালটন নিয়ে এলো আর্ক ব্র্যান্ডের অনলাইন ইউপিএস
ঈদের দিনে পারফেক্ট লুক: ছোটখাটো বিষয়েও মনোযোগ দিন
ঈদের দিনে পারফেক্ট লুক: ছোটখাটো বিষয়েও মনোযোগ দিন
সনি’র অফিসিয়াল স্টোর এখন গুলশানে
সনি’র অফিসিয়াল স্টোর এখন গুলশানে
বার্জার ও সিএমপি’র উন্নত কোটিং প্রযুক্তি যমুনা রেল সেতুকে দিচ্ছে দীর্ঘস্থায়ী সুরক্ষা
বার্জার ও সিএমপি’র উন্নত কোটিং প্রযুক্তি যমুনা রেল সেতুকে দিচ্ছে দীর্ঘস্থায়ী সুরক্ষা
ঈদবাজারে স্মার্টফোনপ্রেমীদের প্রথম পছন্দ ‘রিয়েলমি সি৭৫’
ঈদবাজারে স্মার্টফোনপ্রেমীদের প্রথম পছন্দ ‘রিয়েলমি সি৭৫’
বাজারে ভিভো ভি৫০
বাজারে ভিভো ভি৫০
ভিশন নিয়ে এলো সাশ্রয়ী দামে ৪ডি আল্ট্রা সিরিজের এয়ার কন্ডিশনার
ভিশন নিয়ে এলো সাশ্রয়ী দামে ৪ডি আল্ট্রা সিরিজের এয়ার কন্ডিশনার
এবার শ্রীলঙ্কায় ব্র্যান্ড বিজনেস সম্প্রসারণ করল ওয়ালটন এসি
এবার শ্রীলঙ্কায় ব্র্যান্ড বিজনেস সম্প্রসারণ করল ওয়ালটন এসি
বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করলো কাউবেল
বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করলো কাউবেল
সর্বশেষ খবর
দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা
দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা

৫ মিনিট আগে | জাতীয়

ভালুকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত
ভালুকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত

১৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

৩০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী
এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের
বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক
মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের ছুটিতেও
ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান
ঈদের ছুটিতেও ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’
‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা
ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা

২ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি
খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ
নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ

৩ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি
বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত
গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

তিন বন্ধু মোটরসাইকেলে ঘুরতে গিয়ে দুর্ঘটনা, একজন নিহত
তিন বন্ধু মোটরসাইকেলে ঘুরতে গিয়ে দুর্ঘটনা, একজন নিহত

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

'জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে জনগণ জামায়াতের প্রার্থীকে বিজয়ী করবে'
'জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে জনগণ জামায়াতের প্রার্থীকে বিজয়ী করবে'

৩ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে বন্ধ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে বন্ধ

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

তুরস্ক–গ্রিস উপকূলে পৃথক নৌকাডুবিতে ১৬ জনের প্রাণহানি
তুরস্ক–গ্রিস উপকূলে পৃথক নৌকাডুবিতে ১৬ জনের প্রাণহানি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুর্নীতি দমনে বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড চুক্তি স্বাক্ষর
দুর্নীতি দমনে বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড চুক্তি স্বাক্ষর

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রড ও কাঠ দিয়ে স্ত্রীকে বেধড়ক মারধর, স্বামী গ্রেফতার
রড ও কাঠ দিয়ে স্ত্রীকে বেধড়ক মারধর, স্বামী গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় ইয়াবাসহ একজন গ্রেফতার
গাইবান্ধায় ইয়াবাসহ একজন গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩
খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস
ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস

১৩ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে
শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’
‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

৭ ঘণ্টা আগে | পরবাস

নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল
শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

২১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য
মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রিন্ট সর্বাধিক
আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

নির্বাচনে অনিশ্চয়তা বাড়াবে জটিলতা
নির্বাচনে অনিশ্চয়তা বাড়াবে জটিলতা

প্রথম পৃষ্ঠা

নতুন অধ্যায়ে নিদ্রা নেহা
নতুন অধ্যায়ে নিদ্রা নেহা

শোবিজ

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

রংপুরে পাঁচ মাস বৃষ্টি নেই
রংপুরে পাঁচ মাস বৃষ্টি নেই

নগর জীবন

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিপক্ষের হামলায় আহত ৬
প্রতিপক্ষের হামলায় আহত ৬

দেশগ্রাম

চেলসির শীর্ষ চারের লড়াই
চেলসির শীর্ষ চারের লড়াই

মাঠে ময়দানে

মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে
মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে

মাঠে ময়দানে

বিমানবন্দরে মাদকসহ গ্রেপ্তার
বিমানবন্দরে মাদকসহ গ্রেপ্তার

মাঠে ময়দানে

৬৪ দলের বিশ্বকাপ চান না
৬৪ দলের বিশ্বকাপ চান না

মাঠে ময়দানে

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে

কাল থেকে প্রিমিয়ার ক্রিকেটের নবম রাউন্ড
কাল থেকে প্রিমিয়ার ক্রিকেটের নবম রাউন্ড

মাঠে ময়দানে

এএফসি চ্যাম্পিয়নস লিগে প্রথম চ্যাম্পিয়ন আল আইন
এএফসি চ্যাম্পিয়নস লিগে প্রথম চ্যাম্পিয়ন আল আইন

মাঠে ময়দানে

আজকের প্রশ্ন
আজকের প্রশ্ন

মাঠে ময়দানে

টি স্পোর্টস
টি স্পোর্টস

মাঠে ময়দানে

টি ভি তে
টি ভি তে

মাঠে ময়দানে

কুষ্টিয়ায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ম্যুরালে কালি লাগাল দুর্বৃত্তরা
কুষ্টিয়ায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ম্যুরালে কালি লাগাল দুর্বৃত্তরা

নগর জীবন

ফাঁকা ঢাকায়ও বাতাস অস্বাস্থ্যকর
ফাঁকা ঢাকায়ও বাতাস অস্বাস্থ্যকর

পরিবেশ ও জীবন

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

ইউনূস-মোদির বৈঠক আশা জাগিয়েছে
ইউনূস-মোদির বৈঠক আশা জাগিয়েছে

প্রথম পৃষ্ঠা

বৈঠককে ইতিবাচক দেখছে বিএনপি
বৈঠককে ইতিবাচক দেখছে বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট অপসারিত
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট অপসারিত

প্রথম পৃষ্ঠা

একাধিক আঞ্চলিক সহযোগিতা চুক্তি ও সমঝোতায় স্বাক্ষর
একাধিক আঞ্চলিক সহযোগিতা চুক্তি ও সমঝোতায় স্বাক্ষর

প্রথম পৃষ্ঠা

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা, পিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা, পিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

প্রথম পৃষ্ঠা