শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ২১ মার্চ, ২০২৫

গল্প

আজমীর সাহেবের অবকাশযাপন

নিলয় মাহমুদুল
প্রিন্ট ভার্সন
আজমীর সাহেবের অবকাশযাপন

আজমীর সাহেব অফিস থেকে এক সপ্তাহের ছুটি নিয়েছেন। এ কয়দিন অফিসে বেশ ঝামেলা গেছে তার ওপর দিয়ে। কদিন রেস্ট নেওয়া দরকার। কিন্তু কোথায় যাবেন? বাড়িতে থেকে ছুটি কাটানো যাবে না। কারণ তার স্ত্রী খুব আমুদে মানুষ। এ মুহূর্তে আমুদের চাইতে একটু নিরিবিলি থাকতে বেশি ইচ্ছে করছে আজমীর সাহেবের। আজমীর সাহেবের স্ত্রী যদি কোনোভাবে জানতে পারে সে এক সপ্তাহের ছুটি নিয়েছে, অমনি গো ধরবে তাকে নিয়ে ঘুরতে যেতে হবে। তাও আবার দেশে না, বিদেশে।

স্ত্রীকে নিয়ে ঘুরতে যাওয়াই যায়। এতে দোষের কিছু নেই। তবে স্ত্রী যদি ঘুরতে এসে কোন মহিলা কী পরল, কাকে কেমন দেখাচ্ছে, কার জামা-কাপড়ের কত দাম হতে পারে- এসব নিয়ে পড়ে থাকে সেই স্ত্রীকে নিয়ে ঘুরতে যাওয়ার কোনো মানে হয়? গত বছর তারা দার্জিলিং বেড়াতে গিয়েছিল। সঙ্গে তার স্ত্রীর বড় বোনও ছিল। দুই বোন একসঙ্গে হলে, পারলে একেকজনকে ডেকে ডেকে বলে, ‘আপা দেখ বুড়িটাকে কেমন লাগছে। ইচ্ছে করছে ডেকে বলি, আপনাকে এই পোশাকে খুবই বাজে লাগছে।’ শুধু ভদ্রতার খাতিরে বলতে পারে না। দুই বোন তখন নিজেরা নিজেরা হাসতে হাসতে শেষ। অথচ দুই বোনেরই বয়স এখন ঢালের দিকে। শরীরে মেদ জমেছে। শাড়ি ছাড়া তাদের অন্য কিছুতে মানায় না। ভারী মেকআপে খুবই অস্বস্তিকর দেখায়। তাও তাদের রূপচর্চায় কোনো কমতি থাকে না। তাদের ঘোরাফেরা শুধু কাপড় আর কসমেটিকসের দোকান পর্যন্ত সীমাবদ্ধ থাকে। শেষে দেখা যায়, দুজনের কেনাকাটার ব্যাগ বইতে বইতে আজমীর সাহেবের জীবন যায়। তখন একটা ভিন্ন দেশ দেখার যে আগ্রহ নিয়ে আস্বাদ, তা একেবারেই শেষ হয়ে যায়। এমনিতেই এক মহিলার যন্ত্রণায় অস্থির, তার ওপর আরেকজন। কোনো এক অদ্ভুত কারণে স্ত্রীর ছোট বোনের প্রতি পুরুষদের যে মায়া কাজ করে, বড় বোনদের প্রতি করে, তার উল্টোটা।

আজমীর সাহেব ঠিক করলেন এবারের ছুটিটা তিনি গ্রামে গিয়ে কাটাবেন। তার এক বন্ধু থাকেন গ্রামে। তার নাম ওয়াহিদুর রহমান। বর্তমান সময়ের অন্যতম ব্যস্ত লেখক। শহরে অভিজাত এলাকাতে নিজের কেনা ফ্ল্যাট থাকা সত্ত্বেও বছরের বেশির ভাগ সময় গ্রামেই থাকেন। তিনি বিয়ে করেননি। তবে প্রেম করেছেন প্রচুর। এ নিয়ে বাজারে অনেক চটকদার খবর চালু আছে। বছরখানেক হয় নতুন জায়গা কিনে বাড়ি করেছেন। সেখানে যাওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়ে একটা চিঠিও দিয়েছিলেন।

বন্ধু,

ভালো আছ নিশ্চয়ই। তোমার ৮টা-৫টার জীবন কেমন চলছে? সম্প্রতি একটা নতুন বাড়ি করলাম। একদম নিটল, শান্ত পরিবেশ। দোতলা টিনের ঘর। লাগোয়া বিশাল বারান্দা। বর্ষাকালে বারান্দায় বসে চা খেতে খেতে বৃষ্টি দেখি। কী যে এক অনাবিল শান্তি। না দেখলে বুঝবে না। বাড়ির দক্ষিণ পাশে বিশাল একটা পুকুর কাটিয়েছি। স্বচ্ছ টলটলা পানি। চৈত্রের তপ্ত দুপুরে গাছের ছায়ায় পুকুর পাড়ে যখন বসি, মনটা এত শীতল হয় যে, মনে হয় মায়ের কোলে আছি। একটা বজরার মতো নৌকা বানিয়েছি। জ্যোৎস্না রাতে সেই নৌকায় একা একা ভেসে বেড়াই। এখানে একটা ছেলে আছে। ওর নাম সুমন। চমৎকার গান করে। মাঝে মাঝে ওকে ডেকে নিয়ে গান শুনি। তখন তারাশঙ্কর সাহেবের একটা কথা খুব মনে পড়ে- জীবন এত ছোট কেন?

ঘড়ির কাঁটা হিসাব করে চলা মানুষ তোমরা। একদিন বেহিসাবি হওয়ার আমন্ত্রণ রইল।

আজমীর সাহেব বাড়িতে বললেন, অফিসের কাজে কিছুদিনের জন্য ঢাকার বাইরে যেতে হবে।

শুনে স্ত্রী বললেন, কবে ফিরবে?

সপ্তাহখানেক।

এক সপ্তাহ?

হ্যাঁ। কেন?

বড় আপা বলছিল তিন-চার দিনের জন্য নেপাল যাবে। দুলাভাইও যাচ্ছে সঙ্গে। আপার নামে নতুন কী এক ব্যবসা নাকি দেবে। তাই দেখতে যাচ্ছে। আমাকে জিজ্ঞেস করেছিল যাব কি না। তখন না করেছিলাম। এখন যেহেতু তুমি বাসায় থাকছ না, তাহলে আমিও যাই সঙ্গে? তুমি কী বল?

আদিল, রিপা ওরা বাসায় একা থাকবে?

একা কোথায়? মফিজ ভাই, ছনিয়ার মা, আলাউদ্দিন ওরা তো আছেই। তাছাড়া ওরা এখন যথেষ্ট ম্যাচিউরড।

যাও যেখানে খুশি।

এমনভাবে বলছ যেন আমি তোমার গলার কাঁটা হয়ে আছি।

আমি সেটা বলিনি। বলতে চেয়েছি আরও কোথাও যেতে চাইলে যেতে পার।

আরও কোথাও কীভাবে যাব? এত টাকা আছে আমার কাছে?

টাকা নেই মানে? গত সপ্তায় না এক লাখ টাকা নিলে?

তোমাকে বলিনি, কেনাকাটা করেছি?

আজমীর সাহেব বুঝতে পারেন না একটা মহিলা এত খরুচে স্বভাবের হয় কীভাবে? ছেলেমেয়েগুলোও দিনদিন মায়ের মতো হচ্ছে। এক অজানা কারণে মা আর ছেলেমেয়েদের কাউকে তিনি কিছু বলতে পারেন না। নিজের স্ত্রীর ওপর যতই বিরক্ত হন না কেন, মাঝে মাঝে প্রবল মায়া আর ভালোবাসায় কেমন যেন আটকে যান।

আজমীর সাহেব গাড়ি নিয়ে বের হলেন বিকাল বেলা। প্রথমে ভেবেছিলেন গাড়ি ছাড়াই বের হবেন। পরে ভাবলেন, নতুন অপরিচিত জায়গা, শেষে রাস্তা হারিয়ে ফেললে বিপদ হবে। তাই গাড়ি নিয়েই বের হলেন। আজমীর সাহেবের ড্রাইভারের নাম রমজান। প্রায় সাত বছর হয় আজমীর সাহেবের গাড়ি চালাচ্ছে সে।  অনেকটা পরিবারের সদস্যের মতোই হয়ে গেছে।

পোস্তগোলা ব্রিজ পার হওয়ার পর হাসনাবাদ স্ট্যান্ড। বসুন্ধরা রিভারভিউ রোড ধরে পানগাঁওয়ের কাছাকাছি আসতেই আজমীর সাহেব গাড়ির গ্লাস নামিয়ে ফেললেন। সবকিছু ছবির মতো সুন্দর লাগছে। রাস্তার দুপাশে সারি সারি গাছ। মাঝে মাঝে কিছু বাড়ি, পরপর ছোট ছোট জলাশয়। তীব্র বেগে হাওয়া গা ছুয়ে যাচ্ছে। নিজেকে অনেক হালকা মনে হচ্ছে। ইচ্ছে হচ্ছে পাখির মতো উড়ে যেতে। চলতি পথে সাধারণত তিনি গ্লাস নামান না। ঢাকা শহরে যেই জ্যাম। তার ওপর কোথাও থামলেই ভিক্ষুকদের উৎপাত।

স্যার একটা কথা বলমু? বাড়ি থেকে বের হয়ে আসার পর এই প্রথম রমজান কিছু বলল।

বল।

অনেক দিন ধইরাই ভাবতাছিলাম বলমু, সুযোগ হইতাছিল না।

এত ভনিতা করার কী আছে? তুমি তো আমার সঙ্গেই থাক। চাইলে যে কোনো সময়ই তো বলতে পার।

তারপরেও স্যার, সব কথা সব সময় বলা যায় না।

আচ্ছা বলো দেখি তোমার কী এমন কথা।

কথাটা আসলে ছোট সাহেবরে নিয়া।

আদিলকে নিয়ে আবার কী কথা?

আমার মনে হয় ছোট সাহেব খারাপ ছেলেপেলের পাল্লায় পড়ছে।

মানে? বুঝলাম না ঠিক।

লজ্জার কথা কী বলব স্যার, সেদিন তারে আমি গাঁজা খাইতে দেখছি। এর আগেই আমার একবার সন্দেহ হইছিল, তাই খোঁজখবর নেওয়ার জন্য নজর রাখছিলাম। একদিন দেখি এক মাইয়া মাইনষের কাছ থেইকা নেশাপানি কিনতাছে।

আজমীর সাহেব কী প্রতিক্রিয়া দেখাবেন বুঝতে পারছেন না। চুপ করে রইলেন।

আমারে ক্ষমা করবেন স্যার। অন্য কোনো বিষয় হইলে বলতাম না। আদিল বাবাজিকে আমি সন্তানের মতো দেখি। চোখের সামনে ছেলেটা নষ্ট হইয়া যাইব, এইটা মানা স্যার আমার পক্ষে সম্ভব না।

না না তুমি কেন ক্ষমা চাইছ? বরং ভালোই করেছ। ঠিক আছে আমি           দেখছি।

এতক্ষণ যেই ফুরফুরে আমেজে তিনি ছিলেন তার সবটাই এখন নষ্ট হয়ে গেছে। ছোটবেলা থেকেই ছেলেমেয়ের কোনো ইচ্ছা অপূর্ণ রাখেননি আজমীর সাহেব। যখন যা চেয়েছে একবাক্যে দিয়েছেন। আজকের এই দিনটির জন্য? আজমীর সাহেব মনে মনে ভাবলেন- আজ আমার ড্রাইভার বলছে আমার ছেলে নেশা করে! মেয়েটার চলাফেরাও দিনদিন উচ্ছৃঙ্খল হয়ে যাচ্ছে। রাতে দেরি করে বাড়ি ফেরে। রোকসানাকে কয়েকবার বলেওছিলেন। সে বলে, মেয়ে বড় হয়েছে, কলেজে পড়ে, এখন একটু ঘোরাফেরা করবে না তো কবে করবে? কিন্তু ছেলেটা? শান্তশিষ্ট এ ছেলেটা তলে তলে এসব করে বেড়ায়? কলেজ শেষ করে সবে ইউনিভার্সিটিতে উঠেছে। সামনে উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ। আর সে কি না এভাবে সব নষ্ট করছে? কোনো দিন ছেলেমেয়েকে একটা ধমকও দেননি আজমীর সাহেব। আজ তারাই কি না কলিজায় দাগ কেটে যাচ্ছে?

ব্রাহ্মণগাঁওয়ের কাছাকাছি আসতেই হঠাৎ গাড়িটা বন্ধ হয়ে গেল। সন্ধ্যা হবে হবে। ফাঁকা রাস্তা, আশপাশে কয়েকটা ইটের ভাটা, অফ সিজন হওয়ায় সেখানেও কাউকে দেখা যাচ্ছে না।

কী হলো রমজান?

সেইটাই তো বুঝতাছি না স্যার।

রমজান পরপর কয়েকবার গাড়ি স্টার্ট দেওয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হলো।

বের হওয়ার আগে গাড়ি চেক করনি?

সবই তো ঠিক ছিল, হঠাৎ কি হইল বুঝতাছি না।

এখান থেকে আর কতদূর বলতে পার?

এক কিলোর মতো হইব।

আজমীর সাহেব গাড়ি থেকে নেমে একটা সিগারেট ধরালেন। পরিবেশটা মন্দ না। মৃদু বাতাস বইছে, চারদিক থেকে ঝিঁঝি পোকার আওয়াজ শোনা যাচ্ছে। দূরে আকাশের তারার মতো মিটমিট করে কিছু আলো জ্বলতে দেখা যাচ্ছে।

আজমীর সাহেব জিজ্ঞেস করলেন, ওটা কি কোনো বাজার নাকি?

রমজান বলল, বাজারের মতোই। কয়েকটা দোকানপাট আছে। জাজিরা বোটঘাট এটা।

তুমি এখানে এত কিছু চেন কীভাবে?

আগে যখন ভাড়া গাড়ি চালাইতাম বিদেশি যাত্রী নিয়া মাঝে মাঝে আসা হইত।

চলো তাহলে সামনে যাই। দেখি কোনো মেকানিক পাওয়া যায় কি না!

এইখানে কোনো মেকানিক পাওয়া যাইব বইলা মনে হয় না। হয় ফতুল্লা ঘাটে যাইতে হইব, না হয় হাসনাবাদ।

গিয়ে দেখি কোনো ব্যবস্থা হয় কি না। না হলে কাল সকালে দেখা যাবে।

এমন সুনসান জায়গায় গাড়িটা রাইখা যাওয়া কি ঠিক হইব স্যার?

এ ছাড়া উপায় কী?

আমি না হয় স্যার সামনে থেইকা আপনারে একটা রিকশা কইরা দেই, আপনে চইলা যান। আমি গাড়ি ঠিক করায়া নিয়া আসতাছি।

অল্প কিছু দূর পরেই একটা ছোট ব্রিজ। ব্রিজের এক কোনায়, নিচে কে একজন জবুথবু হয়ে বসে আছে। কৌতূহলবশত আজমীর সাহেব উঁকি দিলেন। লোকটার মাথা নিম্নমুখী। কারও উপস্থিতি টের পেয়ে ঘাড় ঘুরিয়ে তাকাল। লোকটির চোখেমুখে ভয় ধরানো একটা ব্যাপার আছে। রহস্যময় একটা হাসি দিয়ে কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইল। রমজান ভয় পেয়ে বলল, চলেন স্যার।

আজমীর সাহেব লোকটিকে পা থেকে মাথা অবধি এক নজর দেখলেন। এই গরমেও লোকটা চাদর গায়ে দিয়ে আছে। চাদরের ভিতরে কিছু পরে আছে কিনা বোঝা যাচ্ছে না। নিম্নাংশে ধুতি পরিহিত। হাতে লাঠি।

রমজান আবারও বলল, পাগল মনে হইতাছে। এদের কাছে বেশিক্ষণ থাকা ঠিক হইব না। চলেন স্যার।

আজমীর সাহেব চোখে মুখে আগের মতোই কৌতূহল নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন।

সেই রহস্যময় লোকটি হাসি হাসি মুখ করে বলল, এ দুনিয়ায় ভালা মানুষ কেডা? কেউ ট্যাকার পাগল, কেউ মাইয়া মাইনষের পাগল, কেউ আবার সরাবের পাগল। কিছু কিছু পাগল আছে সত্যরে মিথ্যা আর মিথ্যারে সত্য জ্ঞান করে।

আজমীর সাহেব অথবা রমজান, তদের কেউ লোকটির কথার আগা মাথা কিছুই বুঝতে পারল না।

লোকটা এবার বিরক্তির ছাপ মুখে নিয়ে বলল, যাহ, আমারে ত্যক্ত করিছ না। অগো লগে আমার কথা আছে।

লোকটি আগের মতোই তার স্থানে বসে পড়ল।

লেখক সাহেবের বাড়ি পৌঁছাতে রাত ৮টা বেজে গেল। আজমীর সাহেব এসেছেন ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাতে। রমজান গেছে মেকানিকের সন্ধানে।

নৈশভোজ শেষে দুই বন্ধু বসেছে পুকুর ঘাটে। আজমীর সাহেবের দৃষ্টিনিবদ্ধ হয়ে আছে পুকুরের যেখানটায় চাঁদের আলো এসে পড়েছে সেখানটায়। লেখক সাহেব এক খিলি পান মুখে দিলেন। মুখের ভিতর পিষতে থাকা পানের শব্দে আজমীর সাহেব ফিরে তাকালেন।

তুমি আবার পান খাও কবে থেকে?

লেখক মৃদু হেসে বললেন, সব সময় খাই না। মাঝে মধ্যে। দেব নাকি তোমাকে একটা বানিয়ে?

না, না তুমিই খাও। পান মুখে দিয়ে জাবর কাটতে আমার অসহ্য লাগে।

ঠিক আছে তোমার খেতে হবে না।

কিছুক্ষণের নীরবতা শেষে আজমীর সাহেব বললেন, অনেক দিন পর ঝিঁঝি পোকার ডাক শুনছি। রাস্তা দিয়ে আসার সময়ও শুনতে পেয়েছিলাম। ছোটবেলার কথা মনে পড়ে যাচ্ছে।

তুমি এসবও ভাবো?

শহরের অভ্যস্ত ব্যস্ত জীবনে এসব নিয়ে ভাববার সময় কই?

তা অবশ্য ঠিক। আর সে জন্যই তো এখানে গর্ত খুঁড়লাম। সম্পূর্ণ গর্তজীবী হবো বলে।

তুমি খুব ভালো আছ ভাই।

কেন, তুমি নেই?

ঠিক বুঝতে পারি না।

এই কথা শুনে লেখক সাহেব উচ্চৈঃস্বরে হাসতে লাগলেন। এই হাসির অর্থ বুঝতে পারলেন না আজমীর সাহেব। কেন যেন জিজ্ঞেসও করতে ইচ্ছে করছে না।

প্রসঙ্গ পাল্টে জিজ্ঞেস করলেন, আসার সময় একজন পাগলের সঙ্গে দেখা হলো। কেমন উদ্ভট লাগল।

এটা কেমন কথা বন্ধু? পাগলেরা উদ্ভট হবে সেটাই তো স্বাভাবিক।

সেই স্বাভাবিকের মধ্যেও কেমন যেন একটা অস্বাভাবিক ব্যাপার ছিল।

তুমি হয়তো আমীর সাহেবের কথা বলছ।

‘সাহেব’ বলছ যে।

হুম তিনি শিক্ষক ছিলেন। দশ বছর আগে এক দুর্ঘটনার পর থেকে তার এই অবস্থা।

কেমন দুর্ঘটনা?

আজমীর সাহেব স্থানীয় এক প্রাইমারি স্কুলের হেডমাস্টার ছিলেন। একটা মাত্রই ছেলে ছিল তার। অনেক কষ্টে ছেলেকে ডাক্তার বানিয়েছেন। ছেলে নিজের পছন্দে তারই এক সহপাঠীকে বিয়ে করে। এতে তাদের কোনো আপত্তি ছিল না অবশ্য। ছেলে বউ নিয়ে ঢাকাতেই থাকত। দুজন প্রাক্টিসও করত একই হাসপাতালে। বিয়ের প্রথম বছরেই খুশির সংবাদ পায় সবাই। সেই আনন্দ উদযাপনে স্ত্রীকে নিয়ে একদিন এক রেস্টুরেন্টে খেতে গিয়ে সেখান থেকে আর বের হতে পারেনি তারা। তুমি জানো নিশ্চয়ই গুলশানের বহুতল ভবনের সেই অগ্নিকান্ডের কথা। সেই দুর্ঘটনার কথা শোনার পর আজমীর সাহেবের স্ত্রী স্ট্রোক করে মারা যান। তারপর থেকে তিনিও এলোমেলো হয়ে গেলেন।

আজমীর সাহেব পলকহীন দৃষ্টি নিয়ে কথাগুলো শুনছিলেন। তার চোখের পানি জোছনার আলোয় চিকচিক করছে। লেখক সাহেব খেয়াল করেও কিছু বললেন না।

আজমীর সাহেবের খুব বলতে ইচ্ছে করছে- বন্ধু জানো, সেই ভবনের অনুমোদন আমি দিয়েছিলাম। ছয়তলার অনুমতি নিয়ে বারোতলা ভবন করা হয়েছে জেনেও আমি কোনো পদক্ষেপ নিইনি। করপোরেট ভবনের অনুমতি নেওয়া হলেও ব্যাঙের ছাতার মতো রেস্টুরেন্ট হয়েছে, তাও চুপ থেকেছি। সামান্য কিছু টাকার জন্য। অগ্নিকান্ড ঘটার পর আমার নামে কেস হয়। এত বছর পর গতকাল সেই কেসের নিষ্পত্তি করে তোমার এখানে এসেছি।

কী ভাবছ এমন আনমনে? লেখক সাহেব জিজ্ঞেস করলেন।

কিছু না।

সুমনকে ডেকে পাঠিয়েছি। হয়তো এসে পড়বে এখনই। ওর গান শুনলে ভালো লাগবে। কোনো কিছু নিয়ে এত ভেব না। যদি ভাবতেই হয় সময়মতো ভাববে। তাহলে হয়তো পরবর্তীতে আর কষ্ট পেতে হবে না। জানতো মানুষের ভাগ্য তার কর্মে।

সুমন এসে গান ধরে-

আমি অপার হয়ে বসে আছি

ও হে দয়াময়

পারে লইয়ে যাও আমায়...

ভরা যৌবনের মতো পূর্ণিমার আলোয় ভেসে যায় গান, সঙ্গে কতিপয় প্রাণ।

 

লেখা পাঠানোর ইমেইল ঠিকানা

[email protected]

 

এই বিভাগের আরও খবর
উৎপল
উৎপল
নারিন্দার মেয়ে
নারিন্দার মেয়ে
প্রেম; তোমাকে-আমাকে
প্রেম; তোমাকে-আমাকে
গহিন কাব্য
গহিন কাব্য
অর্থময় সিসিফাস
অর্থময় সিসিফাস
ইরাবতী
ইরাবতী
নির্জন নদী
নির্জন নদী
প্রমার মুখ
প্রমার মুখ
বিদায়
বিদায়
ছায়া পড়ে থাকে
ছায়া পড়ে থাকে
দুজনের সম্পর্ক যা
দুজনের সম্পর্ক যা
জসীমউদ্‌দীনের কবর
জসীমউদ্‌দীনের কবর
সর্বশেষ খবর
ঝালকাঠির কাঠালিয়ার ঘোড়দৌড়
ঝালকাঠির কাঠালিয়ার ঘোড়দৌড়

১৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঝালকাঠিতে গাছ থেকে মা-ছেলের মরদেহ উদ্ধার
ঝালকাঠিতে গাছ থেকে মা-ছেলের মরদেহ উদ্ধার

৩৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

জুয়া বন্ধ করতে গিয়ে জুয়াড়িদের হামলার শিকার পুলিশ, আহত ৫
জুয়া বন্ধ করতে গিয়ে জুয়াড়িদের হামলার শিকার পুলিশ, আহত ৫

৫৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

১২ দিন পর খুলছে তামাবিল স্থলবন্দর
১২ দিন পর খুলছে তামাবিল স্থলবন্দর

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাইবান্ধায় নিচে নামছে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর, পানি সংকট
গাইবান্ধায় নিচে নামছে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর, পানি সংকট

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ফিলিস্তিনে গণহত্যার প্রতিবাদে ঢাবির ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত
ফিলিস্তিনে গণহত্যার প্রতিবাদে ঢাবির ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ডিএনডি লেকে গোসলে নেমে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু
ডিএনডি লেকে গোসলে নেমে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজবাড়ীতে নিরব হত্যার প্রধান আসামি গ্রেফতার
রাজবাড়ীতে নিরব হত্যার প্রধান আসামি গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছেলের দায়ের কোপে আহত মায়ের মৃত্যু
ছেলের দায়ের কোপে আহত মায়ের মৃত্যু

৩ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ডাসারে অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিলো উপজেলা প্রশাসন
ডাসারে অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিলো উপজেলা প্রশাসন

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ফ্যাসিষ্টের দোসর ও নব্য বিএনপি থেকে সাবধান : মজনু
ফ্যাসিষ্টের দোসর ও নব্য বিএনপি থেকে সাবধান : মজনু

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি গণহত্যার প্রতিবাদে মুখে কালো কাপড় বেঁধে অবস্থান করবে ছাত্রদল
ইসরায়েলি গণহত্যার প্রতিবাদে মুখে কালো কাপড় বেঁধে অবস্থান করবে ছাত্রদল

৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগে কাশিয়ানী থানার ওসি ক্লোজড
ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগে কাশিয়ানী থানার ওসি ক্লোজড

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘ভারতে বিতর্কিত ওয়াকফ বিল মুসলিমদের আরো নিরাপত্তাহীন করে তুলবে’
‘ভারতে বিতর্কিত ওয়াকফ বিল মুসলিমদের আরো নিরাপত্তাহীন করে তুলবে’

৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

চট্টগ্রামে মদসহ চারজন গ্রেফতার
চট্টগ্রামে মদসহ চারজন গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

কক্সবাজারে ট্রেনে কাটা পড়ে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
কক্সবাজারে ট্রেনে কাটা পড়ে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামে পোশাককর্মী খুনের ঘটনায় স্বামী গ্রেফতার
চট্টগ্রামে পোশাককর্মী খুনের ঘটনায় স্বামী গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ঈদের লম্বা ছুটিতে চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনারের স্তূপ
ঈদের লম্বা ছুটিতে চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনারের স্তূপ

৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিদেশি মদসহ গ্রেফতার ৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিদেশি মদসহ গ্রেফতার ৬

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘আইএমএফ বলেছে বাংলাদেশের অর্থনীতি সঠিক দিকেই আছে’
‘আইএমএফ বলেছে বাংলাদেশের অর্থনীতি সঠিক দিকেই আছে’

৪ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

পৃথিবীর ‘সবুজ ফুসফুস’ নজরদারি করবে মহাকাশযান
পৃথিবীর ‘সবুজ ফুসফুস’ নজরদারি করবে মহাকাশযান

৪ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

গাইবান্ধায় কৃষকদের নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের আনন্দময় দিন
গাইবান্ধায় কৃষকদের নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের আনন্দময় দিন

৪ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

হজ ব্যবস্থাপনায় কোনো ত্রুটি বরদাশত করা হবে না : ধর্ম উপদেষ্টা
হজ ব্যবস্থাপনায় কোনো ত্রুটি বরদাশত করা হবে না : ধর্ম উপদেষ্টা

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের দায়ে ৭ বাসকে জরিমানা
অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের দায়ে ৭ বাসকে জরিমানা

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ঈদের ছুটি পর বেনাপোল বন্দরে ফিরেছে স্বাভাবিক গতি
ঈদের ছুটি পর বেনাপোল বন্দরে ফিরেছে স্বাভাবিক গতি

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শর্টস ভিডিও নির্মাতাদের জন্য সুখবর দিল ইউটিউব
শর্টস ভিডিও নির্মাতাদের জন্য সুখবর দিল ইউটিউব

৪ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

গলাচিপায় শুভসংঘের উদ্যোগে জমিতে অতিরিক্ত সার ও কীটনাশক প্রয়োগ বিষয়ক সচেতনামূলক সভা
গলাচিপায় শুভসংঘের উদ্যোগে জমিতে অতিরিক্ত সার ও কীটনাশক প্রয়োগ বিষয়ক সচেতনামূলক সভা

৪ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ট্রাম্পের সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল ইরান
ট্রাম্পের সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল ইরান

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিখোঁজ সেই গৃহবধূ পরকীয়া প্রেমিকসহ উদ্ধার
নিখোঁজ সেই গৃহবধূ পরকীয়া প্রেমিকসহ উদ্ধার

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাউবিতে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত
বাউবিতে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সর্বাধিক পঠিত
বিয়েবাড়ির গেটে পার্টি স্প্রে দেওয়া নিয়ে মারামারি, ভাঙলো বিয়ে
বিয়েবাড়ির গেটে পার্টি স্প্রে দেওয়া নিয়ে মারামারি, ভাঙলো বিয়ে

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশসহ ১৪ দেশের ওপর সৌদির সাময়িক ভিসা নিষেধাজ্ঞা
বাংলাদেশসহ ১৪ দেশের ওপর সৌদির সাময়িক ভিসা নিষেধাজ্ঞা

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতি নিয়ে জরুরি নির্দেশনা
সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতি নিয়ে জরুরি নির্দেশনা

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজায় গণহত্যা বন্ধে সোমবার বিশ্বব্যাপী ‘নো ওয়ার্ক নো স্কুল’
গাজায় গণহত্যা বন্ধে সোমবার বিশ্বব্যাপী ‘নো ওয়ার্ক নো স্কুল’

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতের ওয়াকফ সংশোধনী বিল নিয়ে যা বললেন আসিফ নজরুল
ভারতের ওয়াকফ সংশোধনী বিল নিয়ে যা বললেন আসিফ নজরুল

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষ্যে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা ও সহযোগিতা কার্যক্রম
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষ্যে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা ও সহযোগিতা কার্যক্রম

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতে ওয়াকফ বিল পাস হওয়ায় যে প্রতিক্রিয়া জানাল বিএনপি
ভারতে ওয়াকফ বিল পাস হওয়ায় যে প্রতিক্রিয়া জানাল বিএনপি

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মারা গেছেন
আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মারা গেছেন

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান
সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে ফ্ল্যাট নিয়ে টিউলিপের মিথ্যাচার
যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে ফ্ল্যাট নিয়ে টিউলিপের মিথ্যাচার

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভাঙচুর ও হত্যাচেষ্টা মামলায় আওয়ামীপন্থী ৬১ আইনজীবীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ
ভাঙচুর ও হত্যাচেষ্টা মামলায় আওয়ামীপন্থী ৬১ আইনজীবীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমিরাতের সহযোগিতায় ৮ বিভাগে হবে স্পোর্টস হাব : ক্রীড়া উপদেষ্টা
আমিরাতের সহযোগিতায় ৮ বিভাগে হবে স্পোর্টস হাব : ক্রীড়া উপদেষ্টা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খনিজ চুক্তি ফাঁস: তদন্তে নেমেছে ইউক্রেন
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খনিজ চুক্তি ফাঁস: তদন্তে নেমেছে ইউক্রেন

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্মার্টফোনে ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ মোডের কাজ কী?
স্মার্টফোনে ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ মোডের কাজ কী?

১৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

‘গৃহকর্ত্রীও নির্যাতিতা হতে পারেন’ -পরীমনির সেই ইস্যুতে ফেসবুকে ন্যান্সি
‘গৃহকর্ত্রীও নির্যাতিতা হতে পারেন’ -পরীমনির সেই ইস্যুতে ফেসবুকে ন্যান্সি

১২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আইনে পরিণত হলো বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী বিল
আইনে পরিণত হলো বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী বিল

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত: মস্কো
ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত: মস্কো

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন মন্ত্রণালয়ে সচিব পদে রদবদল
তিন মন্ত্রণালয়ে সচিব পদে রদবদল

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি
সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

দেশে প্রবাসী আয়ে রেকর্ড, মার্চে এল ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি
দেশে প্রবাসী আয়ে রেকর্ড, মার্চে এল ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি

৯ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব সামাল দেয়া কঠিন নয় : অর্থ উপদেষ্টা
ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব সামাল দেয়া কঠিন নয় : অর্থ উপদেষ্টা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্প-মাস্কের নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে গণবিক্ষোভ
ট্রাম্প-মাস্কের নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে গণবিক্ষোভ

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১, ছিলেন ৭০ জনের বেশি বাংলাদেশি  তীর্থযাত্রী
ভারতে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১, ছিলেন ৭০ জনের বেশি বাংলাদেশি তীর্থযাত্রী

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এসএসএফের সাবেক ডিজির ফ্ল্যাট-জমি জব্দ, ৩৪ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ
এসএসএফের সাবেক ডিজির ফ্ল্যাট-জমি জব্দ, ৩৪ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইভ্যালির রাসেল-শামীমার তিন বছরের কারাদণ্ড
ইভ্যালির রাসেল-শামীমার তিন বছরের কারাদণ্ড

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঘন ঘন দূতাবাসের স্থান পরিবর্তনে বিরক্ত মালয়েশিয়া প্রবাসীরা
ঘন ঘন দূতাবাসের স্থান পরিবর্তনে বিরক্ত মালয়েশিয়া প্রবাসীরা

৮ ঘণ্টা আগে | পরবাস

গাজাবাসীর সমর্থনে সোমবার রাজপথে নামার আহ্বান সারজিসের
গাজাবাসীর সমর্থনে সোমবার রাজপথে নামার আহ্বান সারজিসের

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিচার চেয়ে থানায় বৃদ্ধা, ‘ভিক্ষা করে কেনা মুরগি মেরে দিল কারা?’
বিচার চেয়ে থানায় বৃদ্ধা, ‘ভিক্ষা করে কেনা মুরগি মেরে দিল কারা?’

১৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকাসহ সাত বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস
ঢাকাসহ সাত বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েল সফরে গিয়ে অপমানিত দুই ব্রিটিশ নারী এমপি
ইসরায়েল সফরে গিয়ে অপমানিত দুই ব্রিটিশ নারী এমপি

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
অনিশ্চয়তায় ১০ হাজার কোটির শিপমেন্ট
অনিশ্চয়তায় ১০ হাজার কোটির শিপমেন্ট

প্রথম পৃষ্ঠা

বিক্ষোভে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র
বিক্ষোভে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র

প্রথম পৃষ্ঠা

জিয়ার স্মৃতি মুছে ফেলার সহজসরল পদ্ধতি!
জিয়ার স্মৃতি মুছে ফেলার সহজসরল পদ্ধতি!

সম্পাদকীয়

কাজ করছে না আঙুলের ছাপ
কাজ করছে না আঙুলের ছাপ

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

বিএনপিকে আওয়ামী লীগের আচরণ থেকে বের হতে হবে
বিএনপিকে আওয়ামী লীগের আচরণ থেকে বের হতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

৮ কোটি টাকার প্রকল্পের কাজ কোটেশনে!
৮ কোটি টাকার প্রকল্পের কাজ কোটেশনে!

নগর জীবন

চরের জমিতে হাজার কোটি টাকার ফসল
চরের জমিতে হাজার কোটি টাকার ফসল

পেছনের পৃষ্ঠা

রাশিয়া সফরে সেনাপ্রধান
রাশিয়া সফরে সেনাপ্রধান

প্রথম পৃষ্ঠা

সংকট নেই তবু বাড়তি দরে ডলার বিক্রি
সংকট নেই তবু বাড়তি দরে ডলার বিক্রি

পেছনের পৃষ্ঠা

মন্ত্রণালয়ে যোগ দিয়েছেন ড. শেখ মইনউদ্দিন
মন্ত্রণালয়ে যোগ দিয়েছেন ড. শেখ মইনউদ্দিন

নগর জীবন

অপপ্রচার রোধে প্রেস উইংকে ভূমিকা রাখতে হবে
অপপ্রচার রোধে প্রেস উইংকে ভূমিকা রাখতে হবে

নগর জীবন

প্রস্তুতি শুরু নিগারদের
প্রস্তুতি শুরু নিগারদের

মাঠে ময়দানে

ওসির অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ
ওসির অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ

পেছনের পৃষ্ঠা

ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে বিলীন জনবসতি
ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে বিলীন জনবসতি

প্রথম পৃষ্ঠা

কারাগারে ৬১ আইনজীবী ১৯ জনের জামিন
কারাগারে ৬১ আইনজীবী ১৯ জনের জামিন

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্ষমতায় যাওয়ার সিঁড়ি হবে না হেফাজতে ইসলাম
ক্ষমতায় যাওয়ার সিঁড়ি হবে না হেফাজতে ইসলাম

নগর জীবন

প্রধান উপদেষ্টার কাছে শহীদ পরিবারের প্রত্যাশা
প্রধান উপদেষ্টার কাছে শহীদ পরিবারের প্রত্যাশা

প্রথম পৃষ্ঠা

হাছান ও তার স্ত্রীর ব্যাংকে ৭২২ কোটি টাকা লেনদেন
হাছান ও তার স্ত্রীর ব্যাংকে ৭২২ কোটি টাকা লেনদেন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপি নেতার ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ
বিএনপি নেতার ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ

দেশগ্রাম

এক ছাতায় বিশ্বের হাজারো উদ্যোক্তা
এক ছাতায় বিশ্বের হাজারো উদ্যোক্তা

পেছনের পৃষ্ঠা

ধর্ষণের মিথ্যা  মামলা, গৃহবধূ জেলে
ধর্ষণের মিথ্যা মামলা, গৃহবধূ জেলে

পেছনের পৃষ্ঠা

টিউলিপের দুর্নীতির দালিলিক প্রমাণ সাকিবের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান
টিউলিপের দুর্নীতির দালিলিক প্রমাণ সাকিবের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান

পেছনের পৃষ্ঠা

দেবরের হাতে ভাবি খুন
দেবরের হাতে ভাবি খুন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফাঁদে ফেলে অপহরণ মুক্তিপণ আদায়
ফাঁদে ফেলে অপহরণ মুক্তিপণ আদায়

পেছনের পৃষ্ঠা

ছেলের রামদার কোপে মায়ের মৃত্যু
ছেলের রামদার কোপে মায়ের মৃত্যু

নগর জীবন

আইএমইডিতে নতুন সচিব
আইএমইডিতে নতুন সচিব

নগর জীবন

শরীয়তপুরে বোমাবাজিতে গ্রেপ্তার ৮
শরীয়তপুরে বোমাবাজিতে গ্রেপ্তার ৮

পেছনের পৃষ্ঠা

দলমতের ঊর্ধ্বে দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে কাজ করতে হবে
দলমতের ঊর্ধ্বে দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে কাজ করতে হবে

নগর জীবন

মোবাইল ব্যবহারে বাধা দেওয়ায় কিশোরীর আত্মহনন
মোবাইল ব্যবহারে বাধা দেওয়ায় কিশোরীর আত্মহনন

নগর জীবন