শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৫

গল্প

কালাবনের মা-মহিষ

আলম শাইন
প্রিন্ট ভার্সন
কালাবনের মা-মহিষ

আকাশ-পাতাল তোলপাড় করা হৈ-হুল্লোড়ে ঘুম চটকে গেল। লাফ দিয়ে বাইরে এসে দেখি তুলকালাম কাণ্ড। তখনো সকাল হয়নি। ভোর।

এরপর শুরু করি গত রাত থেকে। কালাবনের দোচালায় দুটি কামরা। একটায় থাকি আমি, শ্রমিকরা অন্যটায়।

বাইরে ঘুটঘুটে আঁধার। দোচালার চারপাশে চারটা হারিকেন ঝুলছে। ক্ষীণ আলোয় দোচালার আঙিনায় রহস্যময় আবহ। দুজন সশস্ত্র প্রহরী দরজার সামনে বসে আছে, তাও শঙ্কা কাটছে না। কালাবনের বোবা ভাষাটাও রপ্ত হয়নি এখনো, কেমন দুর্ভেদ্য ঠেকছে। অন্যান্য জঙ্গলের ভাষা কিছুটা বুঝতে পারি। প্রত্যেক জঙ্গলেরই একটা নিজস্ব ভাষা আছে, যে ভাষা হাওয়ায় ভেসে বেড়ায়। নিবিড়ভাবে কান পাতলে সে ভাষা হৃদয়ঙ্গম করা যায়।

বনভূমি তখন নিস্তব্ধ। কোনো জন্তু-জানোয়ারের হাঁকডাক নেই। নেই রাতচরা পোকামাকড়ের চেঁচানিও। মাঝেমধ্যে হরিণের ডাক ভেসে আসে দূর থেকে।

জানালার পাশে দাঁড়িয়ে খোলা আকাশের দিকে তাকিয়ে আছি। আকাশ পরিষ্কার এখন। তারারা মিটমিট জ্বলছে। রাতের প্রথমার্ধ্ব পর্যন্ত চাঁদের আলো থাকলেও এ মুহূর্তে ঘোর আঁধার; যেন অমাবস্যা। আকাশ পরিষ্কার থাকায় লক্ষ তারা নজরে পড়ছে। লক্ষ কোটি যোজন দূরে হলেও নক্ষত্রমণ্ডলীকে পাড়াপড়শি মনে হয়। মনে হচ্ছে কত চেনা। আবার যেন দেখতে পাচ্ছি প্রিয়জনদের প্রতিচ্ছবিও, যারা আমাদের ছেড়ে তারার দেশে গিয়ে ঘুমাচ্ছে।

যখন এমন কত কী ভাবছি, তখনই জানালার ফাঁক দিয়ে দেখতে পেলাম দোচালা ছাড়িয়ে ২৫-৩০ গজ দূরে বনের ভিতরে ক্ষীণ আলোর ঝলকানি। বিস্মিত হলাম। দরজার কাছে দাঁড়াতেই ধারণাটা পরিষ্কার হলো। প্রহরী দুজন দরজার সামনেই বসে আছে। আমাকে দেখে উঠে দাঁড়াল ওরা। বললাম, তোমাদের মধ্যে কেউ কী কোনো কাজে জঙ্গলে ঢুকেছে?

ওরা না সূচক জবাব দিতে আমি চিন্তিত হলাম। কারণ নিজ চোখেই দেখেছি আলোকরশ্মির ঝিলিক। যদিও তত উজ্জ্বল নয় সেই আলোকচ্ছটা। বিষয়টা খুলে বললাম ওদের।

শুনে কায়েছ আলী বলল, বড়মিয়া, ডাকাত সন্দেহ হয় আমার। সবাইকে জাগিয়ে দিই।

কালাবনের ভেষজ প্লান্টের লোকজন আমাকে বড়মিয়া সম্বোধন করে। আমার নাম রাজ্জাক বিশ্বাস। প্লান্টের পরিচালক আমি। ঢাকার অফিস থেকে তাগিদ দিচ্ছে দ্রুত ভেষজ মালামালগুলো শিপমেন্ট করতে। সেই লক্ষ্যে আমরা রাতদিন কাজ করছি।

কালাবনের ভেষজ উদ্ভিদের চাহিদা ইউরোপে ব্যাপক। তাই রোমানিয়ার এক প্রতিষ্ঠান নিঝুম দ্বীপের কালাবনে ভেষজ প্লান্ট গড়েছে বনভূমি লিজ নিয়ে। এই প্লান্টটাই দেখাশোনা করতে হচ্ছে আমাকে।

বড়মিয়া সম্বোধনে ওরা শান্তি পায়। কায়েছ আলীর মুখে ডাকটা শুনে বিরক্তবোধ করলাম। বললাম, কথায় কথায় বড়মিয়া ডাকতে হবে না; স্যার বলবে। আর শোন ওরা ডাকাত নয়, আমি নিশ্চিত। অন্য কিছু হবে হয়তো। বের করার চেষ্টা কর।

কায়েছ আলী বলল, বড়মিয়া, সরি স্যার, যেই হোক না কেন, গুলি ছুড়ে দিই, অর্ডার করেন।

এখন না। সময় হলে বলব। বিষয়টা আগে নিশ্চিত হতে হবে।

এই গহিন জঙ্গলে গভীর রাতে কারা এসেছে, কেনই বা এসেছে যোগ-বিয়োগ করে কূলকিনারা করতে পারছি না। আমি যখন হিসেব-নিকেশে ব্যস্ত, ঠিক তখনই আবার নজরে পড়ল আলোর ঝলকানি। এবার অত কাছাকাছি নয়; স্পষ্টও নয়; ক্ষীণ। প্রহরীদের আঙুল উঁচিয়ে দেখিয়ে বললাম, দেখ দেখ, ওই যে আলোর ঝিলিকটা।

ওরা দুজন সেদিকে তাকাল, উঁকিঝুঁকি দিল, কিছুই দেখল না। এবার আমি একটু অপ্রস্তুত হলাম। কী ভাবছে ওরা আমাকে। দুই-তিন মিনিট দাঁড়িয়ে রইলাম, আবার যদি নজরে পড়ে। এরই মধ্যে শুনতে পেলাম, দ্রিম... দ্রিম... আওয়াজ। প্রহরীদের উদ্দেশে বললাম, তোমরা শুনতে পেয়েছ আওয়াজটা?

প্রহরীরা বন্দুক উঁচিয়ে পজিশন নিল। কায়েছ আলী বলল, ডাকাত! গুলি ছুড়েছে, আমরাও ফাঁকা আওয়াজ করি।

বললাম, নিঝুম দ্বীপের কোথাও ডাকাত-টাকাত নেই। ওরা চোরাশিকারি। হরিণ শিকার করতে এসেছে। তোমরা দুই রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়। দেখবে ওরা পালাবে।

মুহূর্তেই প্রহরীদের দুই বন্দুক গর্জে উঠল। তারপর সব চুপচাপ। আমি নিশ্চিত হলাম ওরা আসলেই চোরাশিকারি।

ঘটনার ঘণ্টাখানেক পরে দোচালায় ঢুকে চাটাইয়ের বিছানায় শুয়ে পড়লাম। রাতে আর ঘুমাতে পারিনি। নানান কথা ভাবতে ভাবতে কখন যে রাত পেরিয়ে গেছে টেরই পাইনি। ভোরের দিকে একটু চোখ লেগে এসেছিল।

এমন সময় শ্রমিকদের সেই হট্টগোল। শুনে লাফিয়ে বাইরে এলাম। কিছু একটা ঘটেছে বুঝতে পারলাম। না হলে সাতসকালে অমন হৈ-হল্লার কথা নয়।

দোচালা থেকে বেরিয়ে আঙিনায় দাঁড়াতেই দেখতে পেলাম রক্তাক্ত কাণ্ড! প্লান্টের শ্রমিক তমিজ ছৈয়াল, মাটিতে পড়ে আছে। আমি হতবিহ্বল।

প্রহরী মহব্বত দয়াল আমার পাশে এসে দাঁড়িয়েছে সব কিছু বুঝিয়ে বলতে।

সে জানাল, তমিজ ছৈয়াল পুকুর পার থেকে মহিষের একটা বাছুর ধরেছিল। বাছুরটাকে দড়ি দিয়ে বেঁধে টেনে আনার সময় মা-মহিষ বাছুরটাকে উদ্ধার করতে দৌড়ে এসে ওর পেটে শিং ঢুকিয়েছে।

কী সর্বনাশ! এখন কেমন আছে?

না, ভালো না। খুব খারাপ অবস্থা, বাঁচবে কিনা সন্দেহ।

এগিয়ে গেলাম তমিজ ছৈয়ালের কাছে। দেখলাম শিংয়ের গুঁতায় ওর পেট এফোঁড়-ওফোঁড় হয়ে গেছে। ওর শরীর স্পর্শ করলাম, বেঁচে আছে কিনা নিশ্চিত হতে। দেখলাম শ্বাসপ্রশ্বাস বইছে ঠিকই, তবে আশঙ্কাজনক অবস্থা, তাতে সন্দেহ নেই। দ্রুত ওর চিকিৎসা প্রয়োজন। সবাইকে আশ্বস্ত করে বললাম, কালাবনে আজ আর তোমাদের কাজ করতে হবে না। তোমরা এখনই তমিজকে কাঁধে তুলে শালতলার বাংলোর দিকে রওনা দাও। আমি তোমাদের সঙ্গেই যাচ্ছি। দ্রুত চল। পালা করে কাঁধে নেবে, ওকে যে করেই হোক বাঁচাতে হবে। গামছা পেঁচিয়ে তমিজের ক্ষতস্থান বেঁধে, দ্রুতই যাত্রা শুরু করলাম আমরা।

আমাদের এই দলে তমিজের ছোটভাইও আছে; সেও এ প্লান্টেরই শ্রমিক। ওর বয়স ত্রিশের কাছাকাছি। তমিজের বয়স ওর থেকে দুই-এক বছরের বেশি। ওদের বাড়ি নিঝুম দ্বীপের কোনো এক গ্রামে।

জঙ্গল মাড়িয়ে ছুটছি শালতলার উদ্দেশে। পথের যেন শেষ নেই। যেখানে জঙ্গল ভেঙে একা হাঁটাই দায়, সেখানে একজন মানুষকে কাঁধে নিয়ে হাঁটা কী যে কষ্টকর, তা বোঝানো মুশকিল। এভাবে বহু কষ্টে হেঁটে বন জঙ্গল পাড়ি দিয়ে তমিজ ছৈয়ালকে নিয়ে আমরা শালতলায় পৌঁছলাম।

সেখানে সহকর্মী বিনয় ভৌমিকের খোঁজ নিলাম আগে। সে বাংলোতেই ছিল। দ্রুত নিচে নেমে এলো।

তাকে সংক্ষেপে বিস্তারিত জানাল মহব্বত দয়াল। বললাম, বিনয়, ট্রলারে কতদূর যাওয়া যাবে?

নদী ধরে বেশি দূর যাওয়া যাবে না, খাল পেরুতে হবে। খাল পেরিয়ে মেঘলার বাংলোয় যেতে পারবেন না; জোয়ার-ভাটার ব্যাপার আছে। মাঝপথে আটকা পড়লে আবার ঘুরে আসতে হবে এখানেই।

তাহলে তো হাতির পিঠে চড়েই যেতে হবে।

এ ছাড়া আর উপায়ও নেই।

ঘণ্টা চারেকের পথ পেরুতে তমিজ বাঁচবে তো?

সন্দেহ! তার পরেও চেষ্টা করে দেখি।

তমিজের অবস্থা ক্রমেই খারাপের দিকে যাচ্ছে। দ্রুত হাতির পিঠে উঠালাম ওকে। সঙ্গে সঙ্গে মেঘলার উদ্দেশে রওনা দিলাম। হাতি দ্রুত হাঁটতে পারছে না। পথ সুবিধার নয়, দেখেশুনে হাঁটছে হাতি। চলতি পথে তমিজ ছৈয়ালের চোখ বার বার বন্ধ হয়ে আসছে। অধিক রক্তক্ষরণ, তার ওপর ৩-৪ ঘণ্টা পার হয়ে গেলেও কোনো চিকিৎসাই শুরু হয়নি এখনো। বিষয়টা পীড়াদায়কই বটে। খুব হতাশ হয়ে গেলাম। কীভাবে দ্রুত সদরে নেওয়া যায় সেই পরিকল্পনা আঁটতে লাগলাম। মেঘলার বাংলোয় পৌঁছতে পারলে স্পিডবোটে হাতিয়া উপজেলা হাসপাতালে নিতে পারব, সেরকম ভরসা আমার। কিন্তু মেঘলা পর্যন্ত পৌঁছানোই চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

হাতির পিঠে চড়ে রওনা দেওয়ার পর ঘণ্টাখানেক পার হয়েছে। এখনো তিন ঘণ্টা বাকি। তমিজের অবস্থা ক্রমেই খারাপের দিকে যাচ্ছে। নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে। এদিক-সেদিক তাকাতে চেষ্টা করছে। কিছু যেন বলতে চাচ্ছে কিন্তু পারছে না। লক্ষ্য করলাম তার শ্বাসপ্রশ্বাস দ্রুত বইছে, চোখও বন্ধ হয়ে আসছে, শরীর কাঁপছে। লক্ষণগুলো ভালো ঠেকল না।

তমিজ ছৈয়ালকে মহব্বত দয়াল ঝাঁপটে ধরে বসেছে। ওর যেন কষ্ট না হয় সেই চেষ্টাই করছে। অন্য কোনোভাবে বসানোর সুযোগ নেই, সুযোগ নেই শুইয়ে দেওয়ারও। মাহুতের পেছনে তারা দুজন; আমি একদম পেছনে। যাতে ওর শরীরে ঝাঁকুনিটা কম লাগে। তারপরও হাতির হাঁটার ঝাঁকুনিতে তমিজের কষ্ট হচ্ছে টের পেলাম। ওর শরীর থেকে এখন আর রক্ত ঝরছে না। তার মানে শরীরে রক্ত আর তেমন অবশিষ্ট নেই।

তবুও আমি আশাবাদী, ওকে চিকিৎসা করিয়ে সারিয়ে তুলব। প্লান্টের পরিচালক হিসেবে শেষ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। প্রাণান্ত চেষ্টায়ও যদি তমিজ বেঁচে যায়, এটি হবে আমার জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন। কিন্তু সে সুযোগ পেলাম না। খানিকক্ষণের মধ্যেই মহব্বত দয়াল নিচুস্বরে বলল, তমিজ আর নাই!

কষ্টে বুক ভেঙে গেল। আহারে! কী প্রাণবন্ত উচ্ছল যুবক ছিল তমিজ। দম বন্ধ হয়ে আসছে যেন আমারই। কিন্তু দৃশ্যের অন্য এক টুকরো চিত্রও আছে। আর তা হলো- সঙ্গে সঙ্গে আমার চোখের সামনে যেন ভেসে উঠল এক তেজী মা-মহিষের অগ্নিমূর্তি। যে তার সন্তানকে উদ্ধার করতে দুই শিং উঁচিয়ে তেড়ে আজছে একজন মানুষের দিকে, যার হাতে বাঁধা পড়েছে তার বুকের মানিক, শিশু শাবক...

 

 

এই বিভাগের আরও খবর
উৎপল
উৎপল
নারিন্দার মেয়ে
নারিন্দার মেয়ে
প্রেম; তোমাকে-আমাকে
প্রেম; তোমাকে-আমাকে
গহিন কাব্য
গহিন কাব্য
অর্থময় সিসিফাস
অর্থময় সিসিফাস
ইরাবতী
ইরাবতী
নির্জন নদী
নির্জন নদী
প্রমার মুখ
প্রমার মুখ
বিদায়
বিদায়
ছায়া পড়ে থাকে
ছায়া পড়ে থাকে
দুজনের সম্পর্ক যা
দুজনের সম্পর্ক যা
জসীমউদ্‌দীনের কবর
জসীমউদ্‌দীনের কবর
সর্বশেষ খবর
অঁজিকে হারিয়ে অপরাজিত চ‍্যাম্পিয়ন পিএসজি, জয়ের নায়ক দুয়ে
অঁজিকে হারিয়ে অপরাজিত চ‍্যাম্পিয়ন পিএসজি, জয়ের নায়ক দুয়ে

৫৩ সেকেন্ড আগে | মাঠে ময়দানে

মেহেরপুরে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সহ-সভাপতিসহ গ্রেফতার ৩
মেহেরপুরে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সহ-সভাপতিসহ গ্রেফতার ৩

২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত: মস্কো
ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত: মস্কো

১৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মারা গেছেন
আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মারা গেছেন

৩৩ মিনিট আগে | জাতীয়

মেক্সিকো-আর্জেন্টিনা-ব্রাজিলের শেয়ারবাজারে বড় পতন
মেক্সিকো-আর্জেন্টিনা-ব্রাজিলের শেয়ারবাজারে বড় পতন

৩৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৬ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৬ এপ্রিল)

৫২ মিনিট আগে | জাতীয়

রমজানের শিক্ষা ধরে রাখতে হবে
রমজানের শিক্ষা ধরে রাখতে হবে

৫৮ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

মেহমানের সমাদরে জান্নাত মেলে
মেহমানের সমাদরে জান্নাত মেলে

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

মুমিনজীবনের প্রকৃত সাফল্য
মুমিনজীবনের প্রকৃত সাফল্য

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

পরিবারকে আনন্দ দেওয়া সুন্নত
পরিবারকে আনন্দ দেওয়া সুন্নত

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

মুসলমানের জীবনযাপনে শালীনতা
মুসলমানের জীবনযাপনে শালীনতা

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

জবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক হিমেলকে নিকলীতে গণসংবর্ধনা
জবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক হিমেলকে নিকলীতে গণসংবর্ধনা

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জামায়াতের দাবি বছর শেষে জাতীয় নির্বাচন : রেজাউল করিম
জামায়াতের দাবি বছর শেষে জাতীয় নির্বাচন : রেজাউল করিম

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের বাড়িতে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ
সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের বাড়িতে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সিরাজগঞ্জে ট্রাক-অটোভ্যান সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ২
সিরাজগঞ্জে ট্রাক-অটোভ্যান সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ২

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইউনূস-মোদি বৈঠক বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক : গোলাম পরওয়ার
ইউনূস-মোদি বৈঠক বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক : গোলাম পরওয়ার

৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গাজীপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জরিমানা
গাজীপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জরিমানা

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাইবান্ধায় হস্তশিল্প মেলার নামে চলছে জুয়া ও অশ্লীল নাচ
গাইবান্ধায় হস্তশিল্প মেলার নামে চলছে জুয়া ও অশ্লীল নাচ

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নৌকাডুবিতে স্বামীসহ প্রাণ হারালেন ইবি শিক্ষার্থী
নৌকাডুবিতে স্বামীসহ প্রাণ হারালেন ইবি শিক্ষার্থী

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নেতাকর্মীদের সতর্ক করলো সিলেট বিএনপি
নেতাকর্মীদের সতর্ক করলো সিলেট বিএনপি

৫ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনা হোক : সালাউদ্দিন আহমেদ
গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনা হোক : সালাউদ্দিন আহমেদ

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মার্কিন শুল্কারোপ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই : খলিলুর রহমান
মার্কিন শুল্কারোপ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই : খলিলুর রহমান

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাঞ্জাবকে বড় ব্যবধানে হারালো রাজস্থান
পাঞ্জাবকে বড় ব্যবধানে হারালো রাজস্থান

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চেন্নাইকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে দিল্লি
চেন্নাইকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে দিল্লি

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে পোশাক শ্রমিকের মৃত্যু
চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে পোশাক শ্রমিকের মৃত্যু

৬ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রহ্মপুত্র নদে অষ্টমীর স্নান উৎসবে লাখো পুণ্যার্থীর ঢল
ব্রহ্মপুত্র নদে অষ্টমীর স্নান উৎসবে লাখো পুণ্যার্থীর ঢল

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ

৭ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গাজীপুরে ট্রাকের ধাক্কায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
গাজীপুরে ট্রাকের ধাক্কায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শাহবাগে ফুলের দোকানের আগুন নিয়ন্ত্রণে
শাহবাগে ফুলের দোকানের আগুন নিয়ন্ত্রণে

৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শাহবাগে ফুলের দোকানে আগুন
শাহবাগে ফুলের দোকানে আগুন

৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সর্বাধিক পঠিত
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি
আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব
ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা
সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড
এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন
ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে
কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে

১৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম
নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার
হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প
‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী
পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি
হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি

১৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার
লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার

১৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি
ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি

১২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা
চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা

২২ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা
পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার
৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা
কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু
আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক
যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক

১১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা
আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার
প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার

১৮ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা
ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শান্তি আলোচনায় সময় ফুরিয়ে আসছে, রাশিয়াকে হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের
শান্তি আলোচনায় সময় ফুরিয়ে আসছে, রাশিয়াকে হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা
শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা

১১ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ঈদের পঞ্চম দিনেও ‘দাগি’-‘জংলি’র দাপট অব্যাহত, আয় কত?
ঈদের পঞ্চম দিনেও ‘দাগি’-‘জংলি’র দাপট অব্যাহত, আয় কত?

১৪ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

প্রিন্ট সর্বাধিক
সেন্টমার্টিন এখন অন্যরকম
সেন্টমার্টিন এখন অন্যরকম

পেছনের পৃষ্ঠা

মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক
মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক

প্রথম পৃষ্ঠা

জটিলতা ৫৫ আসনে
জটিলতা ৫৫ আসনে

পেছনের পৃষ্ঠা

ফের উত্তপ্ত হবে রাজপথ
ফের উত্তপ্ত হবে রাজপথ

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার
ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার

প্রথম পৃষ্ঠা

দূরত্ব কাটাবে ঢাকা-দিল্লি
দূরত্ব কাটাবে ঢাকা-দিল্লি

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত
এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত

প্রথম পৃষ্ঠা

ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান
ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্ষমতার মজা পেয়ে গেছেন উপদেষ্টা পরিষদের সবাই
ক্ষমতার মজা পেয়ে গেছেন উপদেষ্টা পরিষদের সবাই

প্রথম পৃষ্ঠা

সুপার লিগে খেলার লড়াই
সুপার লিগে খেলার লড়াই

মাঠে ময়দানে

রাজবাড়ীতে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির শকুন উদ্ধার
রাজবাড়ীতে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির শকুন উদ্ধার

পেছনের পৃষ্ঠা

মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ

প্রথম পৃষ্ঠা

বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক
বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক

শোবিজ

যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ
যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ

প্রথম পৃষ্ঠা

বাণিজ্য ছাড়িয়েছিল হাজার কোটি ডলার
বাণিজ্য ছাড়িয়েছিল হাজার কোটি ডলার

পেছনের পৃষ্ঠা

লাহোরে নিগারদের অনুশীলন
লাহোরে নিগারদের অনুশীলন

মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশের ওপর সৌদির ভিসা নিষেধাজ্ঞা
বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশের ওপর সৌদির ভিসা নিষেধাজ্ঞা

পেছনের পৃষ্ঠা

ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা
ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

সাবেক রেলমন্ত্রীর বাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ
সাবেক রেলমন্ত্রীর বাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

পেছনের পৃষ্ঠা

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০
বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০

প্রথম পৃষ্ঠা

লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি
লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি

দেশগ্রাম

জরাজীর্ণ ভবন, নষ্ট এক্স-রে মেশিন
জরাজীর্ণ ভবন, নষ্ট এক্স-রে মেশিন

দেশগ্রাম

একই দিনে দুই বিয়ে
একই দিনে দুই বিয়ে

শোবিজ

শরীয়তপুরে খোলা মাঠ যেন যুদ্ধক্ষেত্র
শরীয়তপুরে খোলা মাঠ যেন যুদ্ধক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

সংস্কার শেষেই নির্বাচন দিতে হবে
সংস্কার শেষেই নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

তেহরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প
তেহরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প

পূর্ব-পশ্চিম

অভিযোগের জবাবে পরী
অভিযোগের জবাবে পরী

শোবিজ

আওয়ামী লীগের বিচার চায় বিএনপি
আওয়ামী লীগের বিচার চায় বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা