শীর্ষ সন্ত্রাসী সানজিদুল ইসলাম ইমন ওরফে ইমনের সেকেন্ড ইন কমান্ড হেজাজ ওরফে এজাজের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল বিকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ সময় তার ডায়ালাইসিস চলছিল বলে জানা গেছে। ঢামেক সূত্র জানায়, মারা যাওয়ার পরপরই তার লোকজন লাশ জোরপূর্বক নিয়ে যায়।
উল্লেখ্য, গত ১০ মার্চ রাতে রাজধানীর জিগাতলার টালি অফিস রোড থেকে তাকে আটক করে যৌথবাহিনী। পরের দিন যৌথবাহিনী তাকে মোহাম্মদপুর থানায় হস্তান্তর করে। পুলিশ জানায়, হাজারীবাগ, জিগাতলা, মোহাম্মদপুর, ধানমন্ডি ও কলাবাগান এলাকায় শীর্ষ সন্ত্রাসী ইমনের সেকেন্ড ইন কমান্ড নামে পরিচিত ছিলেন হেজাজ। সম্প্রতি মোহাম্মদপুর ও হাজারীবাগের বেড়িবাঁধ এলাকায় প্রকাশ্যে চাপাতি বাহিনী ও দখলবাজ করার সন্ত্রাসী গ্রুপগুলোর মধ্যে একটি বড় গ্রুপের নেতৃত্ব দেয় হেজাজ।
থানা পুলিশ জানায়, হেজাজ বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ধানমন্ডির ১৫ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। জেল থেকে ইমন বাহিনীর চাঁদাবাজির নেটওয়ার্ক হেজাজ নিয়ন্ত্রণ করতেন। তার গ্রুপের অন্য সদস্যদের মধ্যে অনিক, কিলার কামাল, প্রিন্স ও ইব্রাহিমকেও পুলিশ খুঁজছে। গত ৫ আগস্টের পর ইমন জেল থেকে জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর মোহাম্মদপুর, ধানমন্ডি ও হাজারীবাগ এলাকায় হেজাজের গ্রুপ ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে। প্রকাশ্যে চলতে থাকে চাপাতি বাহিনীর দোর্দ প্রতাপ। এরই মধ্যে গত মাসে এক ট্যানারি ব্যবসায়ীকে চাঁদার দাবিতে অপহরণ করে হেজাজের গ্রুপ। পরে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দিয়ে ওই ব্যবসায়ী মুক্তি পান।