শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ০০:২৬, শুক্রবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

গ্রাস হচ্ছে কর্ণফুলী

কমেছে নদীর নাব্য, মৎস্যসম্পদ ও নৌপরিবহন
রেজা মুজাম্মেল, চট্টগ্রাম
প্রিন্ট ভার্সন
গ্রাস হচ্ছে কর্ণফুলী

প্রাকৃতিক, অর্থনৈতিক ও ভৌগোলিক- এই তিন দৃষ্টিকোণেই কর্ণফুলী নদীর গুরুত্ব অনন্য। নদীটির কোলেই আছে দেশের অর্থনীতির হৃৎপি- চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর। এই নদীর ওপর নির্মিত সেতুটিই নগরের সঙ্গে সংযোগ ঘটিয়েছে কক্সাবাজার, বান্দরবান, টেকনাফ এবং দক্ষিণ চট্টগ্রামের। অথচ এমন গুরুত্বপূর্ণ নদীটিই এখন দখল, দূষণ ও ভরাটের কবলে পড়েছে। ফলে কমছে নাব্য, কমছে মৎস্য সম্পদ। ভরাট হচ্ছে কর্ণফুলীর শাখা খাল। কমছে খালকেন্দ্রিক নৌপরিবহন।     

স্থানীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে, দেশের হৃৎপি- হলো চট্টগ্রাম বন্দর। জাতীয় অর্থনীতিতে চট্টগ্রাম বন্দরের অবদান অপরীসিম। দেশের আমদানি বাণিজ্যের প্রায় ৮৫ ভাগ এবং রপ্তানি বাণিজ্যের ৮০ ভাগই পরিচালিত হয় বন্দরের মাধ্যমে। এই বন্দর অবস্থিত কর্ণফুলীর তীরেই। বন্দরের অস্তিত্বই নির্ভর করছে কর্ণফুলীর ওপর। দেশের জাতীয় অর্থনীতির উৎকর্ষ, সমৃদ্ধি, উন্নয়ন ও অগ্রগতি সিংহভাগ নির্ভর করে বন্দরের ওপর। আর বন্দর নির্ভর করে কর্ণফুলী নদীর ওপর। চবির প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. মনজুরুল কিবরিয়া বলেন, গুরুত্বপূর্ণ কর্ণফুলী নদীটিকে এখন নানাভাবে গ্রাস করা হচ্ছে। দখল দূষণের কবলে নদী ক্রমেই ছোট হয়ে আসছে, আর তা হুমকি তৈরি করছে সমুদ্রবন্দরের জন্য। শহরের আবাসিক ও বাণিজ্যিক বর্জ্যগুলো খাল হয়ে পড়ছে কর্ণফুলীতে। ফলে কমছে মৎস্য সম্পদ, কমছে নদীর নাব্য। তাই দেশের জাতীয় অর্থনীতির স্বার্থেই কর্ণফুলী নদীতে বাঁচানো জরুরি। চট্টগ্রাম খাল-নদী রক্ষা আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক আলীউর রহমান বলেন, কর্ণফুলী নদীর তীরে এখনো অনেক স্থাপনা থেকে গেছে। এ ব্যাপারে আমরা জেলা প্রশাসনকে বারবার অবহিত করেছি। আদালতের নির্দেশনাও আছে। তাছাড়া, নগরের বর্জ্যও খাল হয়ে আসছে কর্ণফুলীতে। নদীটিকে বাঁচাতে হলে এসব দখল ও দূষণ থেকে রক্ষা করতে হবে। ২০১২ সালের এক জরিপ থেকে জানা গেছে, কর্ণফুলী নদীর গড় গভীরতা ছিল ৩ থেকে ২২  মিটার। এর মধ্যে বন্দর এলাকায় ছিল ১১ থেকে ২২ মিটার। বন্দরের হাইড্রোগ্রাফিক জরিপ অনুযায়ী, ১৯৮৯-৯০ সালে ব্রিজঘাট এলাকায় কর্ণফুলীর প্রস্থ ছিল ৮৭০ মিটার। একই জায়গায় ২০০৯-১০ সালের জরিপে প্রস্থ হয় ৬০০ মিটার। ১৯৯০ সালে চাক্তাই খালের মুখ এলাকায় প্রস্থ ছিল ৬৫০ মিটার, ২০১১ সালে তা হয় ৬০০ মিটার। সর্বশেষ জরিপ অনুযায়ী, গত ২৫ বছরে স্থানভেদে নদীর প্রশস্ততা কমেছে ৫০ থেকে ৩০০ মিটার পর্যন্ত। বন্দরের মাঝিরঘাট এলাকায় অতীতে একটি পন্টুন দিয়ে পণ্য ওঠা-নামা করা যেত, এখন ক্ষেত্র বিশেষ দুই থেকে তিনটি পন্টুন ব্যবহার করতে হচ্ছে। নদীতে পলি জমার কারণে জাহাজ তীরের কাছে ভিড়তে না পারায় এমন দশা। পক্ষান্তরে, গঠনের দিক থেকে দেশের অন্যান্য নদীর চেয়ে ভিন্নতর এ নদী। কর্ণফুলী নদীর কোথাও কোথাও ৩৫ দশমিক শূন্য ৫ ডিগ্রি আনুভূমিক তল রয়েছে। এটি এমনভাবেই খাড়া যে জোয়ারের পানি কোনোভাবেই উজানে ২০ কিলোমিটারের বেশি অতিক্রম করতে পারে না। ফলে পাহাড় থেকে নেমে আসা পলি মাটি ক্রমশ নদীর নাব্য কমিয়ে ফেলে। কর্ণফুলী নদীটি প্রতিনিয়তই দূষণের কবলে আছে। নদীতে পড়ছে নগরের কারখানার তরল বর্জ্য। সঙ্গে আছে গৃহস্থালি বর্জ্য। তাছাড়া নদীর সঙ্গে থাকা প্রায় ১৯টি শাখা খালের মাধ্যমে পড়ছে কর্ণফুলী নদীতে। পরিবেশ অধিদপ্তর কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তী কর্ণফুলী পেপার মিল, রেয়ন মিল, সিইউএফএল, কাফকো, টিএসপি, ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড, পদ্মা, মেঘনা, যমুনার ডিপো, চিটাগাং ড্রাইডক লিমিটেড, সিমেন্ট কারখানাসহ ২২০টি কারখানাকে মারাত্মক দূষণকারী হিসেবে চিহ্নিত করেছে। তাছাড়া, চট্টগ্রাম নগরের কাছে কালুরঘাট, নাসিরাবাদ, ভাটিয়ারি, বাড়বকুন্ড, পতেঙ্গা, ফৌজদারহাট, কাপ্তাই ও ষোলোশহর এলাকায় অবস্থিত ১৯টি চামড়া শিল্প, ২৬টি বস্ত্রকল, পাঁচটি মৎস্য প্রক্রিয়াকরণ কারখানা, একটি ইস্পাত মিল, আটটি সাবান কারখানা, চারটি রঙের কারখানা ও দুটি সিমেন্ট কারখানার বর্জ্য প্রতিনিয়ত কর্ণফুলী নদীতে গিয়ে পড়ছে। অন্যদিকে, কাপ্তাই নতুন বাজার থেকে মোহনার মাথা পর্যন্ত ৮৮ দশমকি ৫ কিলোমিটার কর্ণফুলী তীরবর্তী ছোট-বড় ৪০টি বাজারের মৌসুমি ফল ও ফলের উচ্ছিষ্ট ফেলা হয় কর্ণফুলীতে। আছে খোলা বাথরুম, হাঁস, মুরগি, গরু, ছাগলের মল ও মৃতদেহ। সর্বোপরি কলকারখানা ও গৃহস্থালি বর্জ্য, জাহাজ ও নৌকার নির্গত তেল, কসাইখানার বর্জ্য ও সিমেন্ট ক্লিংকারের  পাউডার, নগরীর সলিড এবং তরল বর্জ্য সব মিলে নাভিশ্বাস উঠেছে কর্ণফুলীর। পরিবেশ অধিদপ্তর কর্ণফুলী নদীতে ২০১৪ সালে এক সমীক্ষা পরিচালনা করে। সমীক্ষায় উল্লেখ করা হয়, দূষণের কারণে নদীর ৩৫ প্রজাতির মাছ বিলুপ্ত হয়েছে। অতীতে এ নদীতে ৬৬ প্রজাতির মিঠা পানির মাছ ও ৫৯ প্রজাতির মিশ্র পানির এবং ১৫ প্রজাতির সামুদ্রিক পরিযায়ী মাছ পাওয়া যেত। এখন মিঠা পানির ২০ থেকে ২৫ প্রজাতির এবং মিশ্র পানির ১০ প্রজাতির মাছ বিলুপ্ত প্রায়। এ ছাড়া হুমকিতে আছে আরও ২০ প্রজাতির মাছ। দূষণই এর একমাত্র কারণ।

এই বিভাগের আরও খবর
ওয়াকফ বিল বাতিলের দাবি খেলাফতের
ওয়াকফ বিল বাতিলের দাবি খেলাফতের
সাবেক রেলমন্ত্রীর বাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ
সাবেক রেলমন্ত্রীর বাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ
বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশের ওপর সৌদির ভিসা নিষেধাজ্ঞা
বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশের ওপর সৌদির ভিসা নিষেধাজ্ঞা
বাগমারায় দুই হত্যায় মামলা আসামি ১২০০
বাগমারায় দুই হত্যায় মামলা আসামি ১২০০
সরকারি বই দিতে ঘুষ
সরকারি বই দিতে ঘুষ
পাসপোর্ট র‌্যাঙ্কিংয়ে ২০০ দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ১৮২তম
পাসপোর্ট র‌্যাঙ্কিংয়ে ২০০ দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ১৮২তম
৯ বছরেও শেষ হয়নি বিচার
৯ বছরেও শেষ হয়নি বিচার
ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় দুই যুবক নিহত
ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় দুই যুবক নিহত
ফরিদপুরে নিজ বাড়িতে চোরের হাতে গেল প্রাণ
ফরিদপুরে নিজ বাড়িতে চোরের হাতে গেল প্রাণ
বরিশালে ডোবায় ক্ষতবিক্ষত লাশ
বরিশালে ডোবায় ক্ষতবিক্ষত লাশ
সিলেটে টাকা ধার না দেওয়ায় যুবক খুন
সিলেটে টাকা ধার না দেওয়ায় যুবক খুন
ব্রিটিশ বাংলাদেশিরা অংশ নিলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
ব্রিটিশ বাংলাদেশিরা অংশ নিলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
সর্বশেষ খবর
ফিলিস্তিনে গণহত্যার প্রতিবাদে ঢাবির ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত
ফিলিস্তিনে গণহত্যার প্রতিবাদে ঢাবির ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ডিএনডি লেকে গোসলে নেমে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু
ডিএনডি লেকে গোসলে নেমে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজবাড়ীতে নিরব হত্যার প্রধান আসামি গ্রেফতার
রাজবাড়ীতে নিরব হত্যার প্রধান আসামি গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছেলের দায়ের কোপে আহত মায়ের মৃত্যু
ছেলের দায়ের কোপে আহত মায়ের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ডাসারে অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিলো উপজেলা প্রশাসন
ডাসারে অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিলো উপজেলা প্রশাসন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ফ্যাসিষ্টের দোসর ও নব্য বিএনপি থেকে সাবধান : মজনু
ফ্যাসিষ্টের দোসর ও নব্য বিএনপি থেকে সাবধান : মজনু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি গণহত্যার প্রতিবাদে মুখে কালো কাপড় বেঁধে অবস্থান করবে ছাত্রদল
ইসরায়েলি গণহত্যার প্রতিবাদে মুখে কালো কাপড় বেঁধে অবস্থান করবে ছাত্রদল

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগে কাশিয়ানী থানার ওসি ক্লোজড
ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগে কাশিয়ানী থানার ওসি ক্লোজড

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘ভারতে বিতর্কিত ওয়াকফ বিল মুসলিমদের আরো নিরাপত্তাহীন করে তুলবে’
‘ভারতে বিতর্কিত ওয়াকফ বিল মুসলিমদের আরো নিরাপত্তাহীন করে তুলবে’

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

চট্টগ্রামে মদসহ চারজন গ্রেফতার
চট্টগ্রামে মদসহ চারজন গ্রেফতার

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

কক্সবাজারে ট্রেনে কাটা পড়ে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
কক্সবাজারে ট্রেনে কাটা পড়ে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামে পোশাককর্মী খুনের ঘটনায় স্বামী গ্রেফতার
চট্টগ্রামে পোশাককর্মী খুনের ঘটনায় স্বামী গ্রেফতার

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ঈদের লম্বা ছুটিতে চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনারের স্তূপ
ঈদের লম্বা ছুটিতে চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনারের স্তূপ

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিদেশি মদসহ গ্রেফতার ৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিদেশি মদসহ গ্রেফতার ৬

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘আইএমএফ বলেছে বাংলাদেশের অর্থনীতি সঠিক দিকেই আছে’
‘আইএমএফ বলেছে বাংলাদেশের অর্থনীতি সঠিক দিকেই আছে’

২ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

পৃথিবীর ‘সবুজ ফুসফুস’ নজরদারি করবে মহাকাশযান
পৃথিবীর ‘সবুজ ফুসফুস’ নজরদারি করবে মহাকাশযান

২ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

গাইবান্ধায় কৃষকদের নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের আনন্দময় দিন
গাইবান্ধায় কৃষকদের নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের আনন্দময় দিন

২ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

হজ ব্যবস্থাপনায় কোনো ত্রুটি বরদাশত করা হবে না : ধর্ম উপদেষ্টা
হজ ব্যবস্থাপনায় কোনো ত্রুটি বরদাশত করা হবে না : ধর্ম উপদেষ্টা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের দায়ে ৭ বাসকে জরিমানা
অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের দায়ে ৭ বাসকে জরিমানা

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ঈদের ছুটি পর বেনাপোল বন্দরে ফিরেছে স্বাভাবিক গতি
ঈদের ছুটি পর বেনাপোল বন্দরে ফিরেছে স্বাভাবিক গতি

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শর্টস ভিডিও নির্মাতাদের জন্য সুখবর দিল ইউটিউব
শর্টস ভিডিও নির্মাতাদের জন্য সুখবর দিল ইউটিউব

২ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

গলাচিপায় শুভসংঘের উদ্যোগে জমিতে অতিরিক্ত সার ও কীটনাশক প্রয়োগ বিষয়ক সচেতনামূলক সভা
গলাচিপায় শুভসংঘের উদ্যোগে জমিতে অতিরিক্ত সার ও কীটনাশক প্রয়োগ বিষয়ক সচেতনামূলক সভা

৩ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ট্রাম্পের সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল ইরান
ট্রাম্পের সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল ইরান

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিখোঁজ সেই গৃহবধূ পরকীয়া প্রেমিকসহ উদ্ধার
নিখোঁজ সেই গৃহবধূ পরকীয়া প্রেমিকসহ উদ্ধার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাউবিতে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত
বাউবিতে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বগুড়ায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নারী নিহত
বগুড়ায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নারী নিহত

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিনিয়োগ সম্মেলনে অংশ নেবেন যুক্তরাষ্ট্র-চীনসহ ৪০ দেশের বিনিয়োগকারী
বিনিয়োগ সম্মেলনে অংশ নেবেন যুক্তরাষ্ট্র-চীনসহ ৪০ দেশের বিনিয়োগকারী

৩ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে ইমাম গ্রেফতার
কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে ইমাম গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় গণহত্যার প্রতিবাদে বিশ্বজুড়ে ‘নো ওয়ার্ক, নো স্কুল’ কর্মসূচির ডাক
গাজায় গণহত্যার প্রতিবাদে বিশ্বজুড়ে ‘নো ওয়ার্ক, নো স্কুল’ কর্মসূচির ডাক

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নদী শুধু কাঁদায় না, জেগে ওঠা চরে ফসল ফলিয়ে কৃষকদেরও বাঁচায়
নদী শুধু কাঁদায় না, জেগে ওঠা চরে ফসল ফলিয়ে কৃষকদেরও বাঁচায়

৪ ঘণ্টা আগে | প্রকৃতি ও পরিবেশ

সর্বাধিক পঠিত
বিয়েবাড়ির গেটে পার্টি স্প্রে দেওয়া নিয়ে মারামারি, ভাঙলো বিয়ে
বিয়েবাড়ির গেটে পার্টি স্প্রে দেওয়া নিয়ে মারামারি, ভাঙলো বিয়ে

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশসহ ১৪ দেশের ওপর সৌদির সাময়িক ভিসা নিষেধাজ্ঞা
বাংলাদেশসহ ১৪ দেশের ওপর সৌদির সাময়িক ভিসা নিষেধাজ্ঞা

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতি নিয়ে জরুরি নির্দেশনা
সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতি নিয়ে জরুরি নির্দেশনা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজায় গণহত্যা বন্ধে সোমবার বিশ্বব্যাপী ‘নো ওয়ার্ক নো স্কুল’
গাজায় গণহত্যা বন্ধে সোমবার বিশ্বব্যাপী ‘নো ওয়ার্ক নো স্কুল’

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতের ওয়াকফ সংশোধনী বিল নিয়ে যা বললেন আসিফ নজরুল
ভারতের ওয়াকফ সংশোধনী বিল নিয়ে যা বললেন আসিফ নজরুল

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষ্যে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা ও সহযোগিতা কার্যক্রম
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষ্যে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা ও সহযোগিতা কার্যক্রম

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মারা গেছেন
আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মারা গেছেন

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতে ওয়াকফ বিল পাস হওয়ায় যে প্রতিক্রিয়া জানাল বিএনপি
ভারতে ওয়াকফ বিল পাস হওয়ায় যে প্রতিক্রিয়া জানাল বিএনপি

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান
সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে ফ্ল্যাট নিয়ে টিউলিপের মিথ্যাচার
যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে ফ্ল্যাট নিয়ে টিউলিপের মিথ্যাচার

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভাঙচুর ও হত্যাচেষ্টা মামলায় আওয়ামীপন্থী ৬১ আইনজীবীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ
ভাঙচুর ও হত্যাচেষ্টা মামলায় আওয়ামীপন্থী ৬১ আইনজীবীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্মার্টফোনে ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ মোডের কাজ কী?
স্মার্টফোনে ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ মোডের কাজ কী?

১৪ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

‘গৃহকর্ত্রীও নির্যাতিতা হতে পারেন’ -পরীমনির সেই ইস্যুতে ফেসবুকে ন্যান্সি
‘গৃহকর্ত্রীও নির্যাতিতা হতে পারেন’ -পরীমনির সেই ইস্যুতে ফেসবুকে ন্যান্সি

১০ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আমিরাতের সহযোগিতায় ৮ বিভাগে হবে স্পোর্টস হাব : ক্রীড়া উপদেষ্টা
আমিরাতের সহযোগিতায় ৮ বিভাগে হবে স্পোর্টস হাব : ক্রীড়া উপদেষ্টা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইনে পরিণত হলো বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী বিল
আইনে পরিণত হলো বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী বিল

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খনিজ চুক্তি ফাঁস: তদন্তে নেমেছে ইউক্রেন
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খনিজ চুক্তি ফাঁস: তদন্তে নেমেছে ইউক্রেন

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত: মস্কো
ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত: মস্কো

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি
সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি

১১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

দেশে প্রবাসী আয়ে রেকর্ড, মার্চে এল ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি
দেশে প্রবাসী আয়ে রেকর্ড, মার্চে এল ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি

৭ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

তিন মন্ত্রণালয়ে সচিব পদে রদবদল
তিন মন্ত্রণালয়ে সচিব পদে রদবদল

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব সামাল দেয়া কঠিন নয় : অর্থ উপদেষ্টা
ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব সামাল দেয়া কঠিন নয় : অর্থ উপদেষ্টা

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্প-মাস্কের নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে গণবিক্ষোভ
ট্রাম্প-মাস্কের নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে গণবিক্ষোভ

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১, ছিলেন ৭০ জনের বেশি বাংলাদেশি  তীর্থযাত্রী
ভারতে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১, ছিলেন ৭০ জনের বেশি বাংলাদেশি তীর্থযাত্রী

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইভ্যালির রাসেল-শামীমার তিন বছরের কারাদণ্ড
ইভ্যালির রাসেল-শামীমার তিন বছরের কারাদণ্ড

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিচার চেয়ে থানায় বৃদ্ধা, ‘ভিক্ষা করে কেনা মুরগি মেরে দিল কারা?’
বিচার চেয়ে থানায় বৃদ্ধা, ‘ভিক্ষা করে কেনা মুরগি মেরে দিল কারা?’

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজাবাসীর সমর্থনে সোমবার রাজপথে নামার আহ্বান সারজিসের
গাজাবাসীর সমর্থনে সোমবার রাজপথে নামার আহ্বান সারজিসের

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এসএসএফের সাবেক ডিজির ফ্ল্যাট-জমি জব্দ, ৩৪ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ
এসএসএফের সাবেক ডিজির ফ্ল্যাট-জমি জব্দ, ৩৪ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দুই দফা দাবিতে শহীদ মিনারে চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যদের অবস্থান
দুই দফা দাবিতে শহীদ মিনারে চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যদের অবস্থান

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনা হোক : সালাউদ্দিন আহমেদ
গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনা হোক : সালাউদ্দিন আহমেদ

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঢাকাসহ সাত বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস
ঢাকাসহ সাত বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
সেন্টমার্টিন এখন অন্যরকম
সেন্টমার্টিন এখন অন্যরকম

পেছনের পৃষ্ঠা

মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক
মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক

প্রথম পৃষ্ঠা

জটিলতা ৫৫ আসনে
জটিলতা ৫৫ আসনে

পেছনের পৃষ্ঠা

ফের উত্তপ্ত হবে রাজপথ
ফের উত্তপ্ত হবে রাজপথ

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার
ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্ষমতার মজা পেয়ে গেছেন উপদেষ্টা পরিষদের সবাই
ক্ষমতার মজা পেয়ে গেছেন উপদেষ্টা পরিষদের সবাই

প্রথম পৃষ্ঠা

দূরত্ব কাটাবে ঢাকা-দিল্লি
দূরত্ব কাটাবে ঢাকা-দিল্লি

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান
ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত
এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত

প্রথম পৃষ্ঠা

বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক
বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক

শোবিজ

যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ
যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজবাড়ীতে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির শকুন উদ্ধার
রাজবাড়ীতে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির শকুন উদ্ধার

পেছনের পৃষ্ঠা

বাণিজ্য ছাড়িয়েছিল হাজার কোটি ডলার
বাণিজ্য ছাড়িয়েছিল হাজার কোটি ডলার

পেছনের পৃষ্ঠা

সাবেক রেলমন্ত্রীর বাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ
সাবেক রেলমন্ত্রীর বাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশের ওপর সৌদির ভিসা নিষেধাজ্ঞা
বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশের ওপর সৌদির ভিসা নিষেধাজ্ঞা

পেছনের পৃষ্ঠা

মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ

প্রথম পৃষ্ঠা

সুপার লিগে খেলার লড়াই
সুপার লিগে খেলার লড়াই

মাঠে ময়দানে

ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা
ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

একই দিনে দুই বিয়ে
একই দিনে দুই বিয়ে

শোবিজ

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

ফুটবলেই থাকছেন সালাউদ্দিন
ফুটবলেই থাকছেন সালাউদ্দিন

মাঠে ময়দানে

লাহোরে নিগারদের অনুশীলন
লাহোরে নিগারদের অনুশীলন

মাঠে ময়দানে

ডলি সায়ন্তনীর এই জমানার মেয়ে
ডলি সায়ন্তনীর এই জমানার মেয়ে

শোবিজ

অভিযোগের জবাবে পরী
অভিযোগের জবাবে পরী

শোবিজ

সরকারি বই দিতে ঘুষ
সরকারি বই দিতে ঘুষ

পেছনের পৃষ্ঠা

হামজার অন্যরকম মাইলফলক
হামজার অন্যরকম মাইলফলক

মাঠে ময়দানে

লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি
লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি

দেশগ্রাম

দেশই সবকিছু, ব্যক্তি বা পরিবার নয়
দেশই সবকিছু, ব্যক্তি বা পরিবার নয়

সম্পাদকীয়

বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০
বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০

প্রথম পৃষ্ঠা