শিরোনাম
প্রকাশ: ০৭:৫২, শনিবার, ০৮ মার্চ, ২০২৫

মাহে রমজানের ইতিহাস ও ঐতিহ্য

আহমাদ আরিফুল ইসলাম
অনলাইন ভার্সন
মাহে রমজানের ইতিহাস ও ঐতিহ্য

মহান আল্লাহ তাআলা রোজার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের ওপর আলোকপাত করে পবিত্র কোরআনে বলেছেন,

‘হে মুমিনরা! তোমাদের জন্য সিয়ামের (রোজার) বিধান দেওয়া হলো, যেমন বিধান তোমাদের পূর্ববর্তীগণকে দেওয়া হয়েছিল, যাতে তোমরা সংযমশীল হতে পার।’ (সুরা : বাকারাহ, আয়াত : ১৮৩)

এ আয়াতে শেষ নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর আগেও সব শরিয়তেই রোজা ফরজ ছিল বলে ঘোষণা করা হয়েছে। ধারণা করা হয়, রোজার প্রচলন হজরত আদম (আ.)-এর সময় থেকে শুরু। তবে শেষ নবীর উম্মতদের মতো অন্য কোনো নবীর উম্মতরা সুনির্দিষ্টভাবে কোনো বিশেষ মাসে রোজা পালন করত কি না সে সম্পর্কে সুস্পষ্ট কোনো তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যায় না।


বাইবেলে বাইতুল ইলের বাসিন্দা ও বনি ইয়াহুদাদের প্রতি রোজা রাখার হুকুমের কথা সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে। এমনিভাবে ইতিহাস পর্যালোচনা করলে সব শরিয়তেই রোজার সন্ধান পাওয়া যায়। বস্তুত ধর্ম-বর্ণ-নির্বিশেষে সব জাতির মধ্যেই রোজা পালনের বিধান ছিল।

ইসলামের পূর্বে আরব সমাজে রমজান মাসকে কেন্দ্র করে কিছু প্রচলিত রীতি ও সংস্কৃতি ছিল, তবে সেগুলো ইসলাম-পরবর্তী রমজানের গুরুত্ব ও আচার-অনুষ্ঠানের মতো সুস্পষ্ট বা ধর্মীয়ভাবে অনুপ্রাণিত ছিল না।


প্রাক-ইসলামিক আরবে (জাহেলিয়াত যুগে) রমজান মাসের কিছু বৈশিষ্ট্য নিম্নরূপ ছিল :
প্রাক-ইসলামিক যুগে রমজান মাস সম্মানিত চার মাসের (আশহুরুল হুরুম) অন্তর্ভুক্ত না হলেও এটি কিছু কারণে বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ বিবেচিত হতো। মক্কার কিছু ধর্মপ্রাণ ব্যক্তি, যারা ‘হানিফ’ নামে পরিচিত ছিলেন (যেমন—ওয়ারাকা বিন নাওফাল, কুস ইবন সাইদাহ ও আব্দুল মুত্তালিব), তাঁরা মক্কার গুহাগুলোতে ধ্যান করতেন এবং স্রষ্টার কাছে প্রার্থনা করতেন। রাসুল (সা.)-ও নবুয়তের  আগে হেরা গুহায় ধ্যান করতেন, যা রমজান মাসে ওহি নাজিলের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

রমজান মাসকে কেন্দ্র করে কিছু আরব গোত্র বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনা করত।


মক্কা ও আশপাশের এলাকায় বিভিন্ন ব্যবসা ও মেলা অনুষ্ঠিত হতো, যেখানে বিভিন্ন অঞ্চলের লোকেরা একত্র হতো। তবে এ সময়ে নির্দিষ্টভাবে রমজানকে কেন্দ্র করে কোনো পূজা বা উপাসনা প্রচলিত ছিল কি না, সে বিষয়ে নির্ভরযোগ্য ঐতিহাসিক সূত্র পাওয়া যায় না।
‘প্রি-ইসলামিক এরাবিয়া’ বইতে লেখক মন্টেগোমেরি ওয়াট উল্লেখ করেছেন যে আরবদের মধ্যে কিছু ধর্মীয় গোষ্ঠী রমজান মাসকে বিশেষভাবে দেখত, তবে এটি ততটা সুসংগঠিত ছিল না, যতটা ইসলাম এটিকে করেছে।

 

ইসলামের আবির্ভাব ও রমজানের গুরুত্ব

ইসলামের আবির্ভাবের পর, দ্বিতীয় হিজরিতে (৬২৪ খ্রিস্টাব্দ) রমজান মাসের রোজা ফরজ করা হয়। কোরআনে বলা হয়েছে, ‘রমজান সেই মাস, যাতে কোরআন নাজিল করা হয়েছে, যা মানুষের জন্য হিদায়াত এবং সত্য-মিথ্যার পার্থক্যকারী।’
(সুরা : বাকারাহ, আয়াত : ১৮৫)

রমজানের ফরজ রোজা ছাড়াও এ মাসে ইসলামের ইতিহাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটতে থাকে। হিজরি দ্বিতীয় সনের ১৭ রমজান তারিখে মুসলিম ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধ, বদরের যুদ্ধ সংঘটিত হয়। এটি ছিল ইসলামের প্রথম ও গুরুত্বপূর্ণ বিজয়। হিজরি অষ্টম সনের রমজান মাসেই মুসলমানরা মক্কা বিজয় করে। রাসুলুল্লাহ (সা.) মক্কায় প্রবেশ করে কাবা শরিফকে মূর্তিপূজা মুক্ত করেন। যার ফলে রমজান ঐতিহাসিকভাবে আরো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠে।

মুসলিম বিশ্বের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিতে রমজান

মুসলিম খিলাফতের আমলে রমজান মাস ছিল বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। উমাইয়া, আব্বাসীয় ও উসমানীয় সাম্রাজ্যে রমজানকে কেন্দ্র করে বিশেষ আয়োজন হতো।

খলিফারা রমজান মাসে বিচার ও প্রশাসনিক কার্যক্রম কমিয়ে দিতেন। দরিদ্রদের মধ্যে ইফতার ও খাবার বিতরণ করতেন। মসজিদে বিশেষ ধর্মীয় আলোচনা ও কোরআন তিলাওয়াতের আসর বসত।

উসমানীয় খলিফারা বিভিন্ন শহরে ইফতার ও সাহরির জন্য আলোকসজ্জা করতেন। এ সময় মসজিদে আলোকসজ্জার প্রথা চালু হয়। রমজান উপলক্ষে বিশেষ কবিতা ও সাহিত্য রচনা হতো। তাদের সময় রমজান মাসকে কেন্দ্র করে বিশেষ ইসলামিক সংস্কৃতির বিকাশ ঘটে, যা আজও অনেক দেশে প্রচলিত। তবে সারা বিশ্বের মুসলিম সম্প্রদায় একইভাবে রমজান পালন করলেও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ভিন্ন ভিন্ন রমজানের ঐতিহ্য দেখা যায়।

 

মিসরীয়দের চাঁদ দেখার ঐতিহ্য

ইবনে বতুতা তাঁর মিসর ভ্রমণের সময় বর্ণনা করেন, ইবিয়ার শহরে কিভাবে মানুষ রমজানের চাঁদ দেখার জন্য একত্র হতো। বিকেল গড়ালে শহরের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বিচারকের বাড়িতে সমবেত হতো। সেখানে অপেক্ষারত ব্যক্তিরা একে অপরকে সম্মান জানিয়ে অভ্যর্থনা করত। সন্ধ্যার পর তারা শহরের বাইরে একটি উঁচু স্থানে গিয়ে চাঁদ দেখার চেষ্টা করত। এরপর চাঁদ দেখা গেলে শহরে ফিরে আলো, প্রদীপ ও ফানুসের মিছিল বের করা হতো।

মরক্কোর শহরের কাঁদুনেরা সাহরির জন্য বাঁশি বাজায়। 

তুরস্কেও এই রীতি প্রচলিত। এই বাদকরা সেখানে ‘দাভুলকুসু’ নামে পরিচিত।

 

সংযুক্ত আরব আমিরাতে শিশুরা মিষ্টির জন্য গান গায়

একে ট্রিক-অর-ট্রিট এর মুসলিম সংস্করণও বলা হয়। ‘হক আল লায়লা’ প্রথাটি ১৩, ১৪ ও ১৫ রমজানে অনুষ্ঠিত হয়।

ঐতিহ্যটি বাহরাইনে শুরু হয়েছিল, যেখানে শিশুরা একটি ঐতিহ্যবাহী স্থানীয় গান গাওয়ার সময় মিষ্টি সংগ্রহ করে, উজ্জ্বল পোশাক পরে আশপাশে ঘুরে বেড়ায়।

‘আওতানা আল্লাহ ইউতিকুম, বাইত মক্কা ইউদিকুম’ উচ্চারণ করা হয়, যা আরবি থেকে অনুবাদ করলে দাঁড়ায় ‘আমাদের পুরস্কার দিন, আল্লাহ আপনাকে পুরস্কার দেবেন এবং মক্কায় আল্লাহর ঘর পরিদর্শনে সহায়তা করবেন।’ এখন এই ঐতিহ্যটি অন্যান্য প্রতিবেশী দেশজুড়েও পালিত হয়। এটি শক্তিশালী সামাজিক বন্ধন এবং পারিবারিক মূল্যবোধের গুরুত্ব তুলে ধরে।

 

ইন্দোনেশিয়ায় রমজানে শুদ্ধ হওয়ার অনুষ্ঠান

পাদুসান (অর্থাত্ গোসল করা) হলো একটি ইন্দোনেশিয়ান ঐতিহ্য, যেখানে মুসলমানরা রমজানের আগের দিন নিজেদের ‘শুদ্ধ’ করার জন্য বিভিন্ন আচার-অনুষ্ঠান পরিচালনা করে। ‘ওয়ালি সানগো’ জাভায় ইসলাম ধর্মের প্রথম ধর্ম প্রচারক। তাঁরাই প্রথম পাদুসান প্রথার প্রসার ঘটান বলে মনে করা হয়।

 

সিরিয়ায় ইফতারের জন্য কামানের গোলা নিক্ষেপ

‘মিদফা আল ইফতার’ নামে পরিচিত, এই ঐতিহ্যটি মিসরে শুরু হয়েছিল বলে জানা যায় ২০০ বছর আগে যখন দেশটি অটোমান শাসক খোশ কাদাম দ্বারা শাসিত হচ্ছিল। সূর্যাস্তের সময় একটি নতুন কামান পরীক্ষা করার সময় ভুলবশত কামানটি গোলা নিক্ষেপ করে। পুরো কায়রোজুড়ে সেই আওয়াজ ধ্বনিত হয়। এর ফলে অনেক সাধারণ নাগরিক ভেবেছিল যে এটি ইফতারের সংকেত দেওয়ার নতুন উপায়। পরবর্তী সময়ে সিরিয়া ও লেবাননের মতো অন্যান্য দেশও এই ঐতিহ্যকে গ্রহণ করে এবং আজও সিরিয়ায় এই রীতি চালু রয়েছে।

 

বাংলাদেশে যেভাবে পালিত হয়

বাংলাদেশে সাহরি ও ইফতারের সময় বেশির ভাগ জায়গায়ই মসজিদে মুয়াজ্জিন ঘোষণা দিলেও কিছু কিছু শহর বা এলাকায় সাইরেন বাজানো হয়। এ ছাড়া পুরান ঢাকায় ঢোল বা কাসিদা গেয়ে সাহরিতে জাগানো এবং দল বেঁধে চাঁদ দেখার ঐতিহ্য বেশ পুরনো।

রমজান মাস ইসলামের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি কেবল ধর্মীয় অনুশীলনের মাস নয়, বরং এটি মুসলিম সভ্যতার গঠনে এক বিশাল ভূমিকা রেখেছে।

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন

এই বিভাগের আরও খবর
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
ফতোয়া প্রদানে সতর্কতা ও আবশ্যিক শর্ত
ফতোয়া প্রদানে সতর্কতা ও আবশ্যিক শর্ত
সন্তানের দ্বিনি শিক্ষা নিশ্চিত করা আবশ্যক
সন্তানের দ্বিনি শিক্ষা নিশ্চিত করা আবশ্যক
যেসব আচরণ শিখিয়ে গেল মাহে রমজান
যেসব আচরণ শিখিয়ে গেল মাহে রমজান
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
একাধিক মসজিদের আজান শোনা গেলে যা করব
একাধিক মসজিদের আজান শোনা গেলে যা করব
মুমিন যেভাবে আল্লাহর প্রিয় হয়
মুমিন যেভাবে আল্লাহর প্রিয় হয়
ইসলামপূর্ব আরবের ধর্মবিশ্বাস
ইসলামপূর্ব আরবের ধর্মবিশ্বাস
রমজান-পরবর্তী সময়ে মুমিনের করণীয়
রমজান-পরবর্তী সময়ে মুমিনের করণীয়
আমানতের খেয়ানত মারাত্মক অপরাধ
আমানতের খেয়ানত মারাত্মক অপরাধ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
রমজানের অর্জন ধরে রাখা আবশ্যক
রমজানের অর্জন ধরে রাখা আবশ্যক
সর্বশেষ খবর
সিরাজগঞ্জে ট্রাক-অটোভ্যান সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ২
সিরাজগঞ্জে ট্রাক-অটোভ্যান সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ২

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইউনূস-মোদি বৈঠক বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক : গোলাম পরওয়ার
ইউনূস-মোদি বৈঠক বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক : গোলাম পরওয়ার

১২ মিনিট আগে | রাজনীতি

গাজীপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জরিমানা
গাজীপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জরিমানা

২২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গাইবান্ধায় হস্তশিল্প মেলার নামে চলছে জুয়া ও অশ্লীল নাচ
গাইবান্ধায় হস্তশিল্প মেলার নামে চলছে জুয়া ও অশ্লীল নাচ

২৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নৌকাডুবিতে স্বামীসহ প্রাণ হারালেন ইবি শিক্ষার্থী
নৌকাডুবিতে স্বামীসহ প্রাণ হারালেন ইবি শিক্ষার্থী

৩৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নেতাকর্মীদের সতর্ক করলো সিলেট বিএনপি
নেতাকর্মীদের সতর্ক করলো সিলেট বিএনপি

৪১ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনা হোক : সালাউদ্দিন আহমেদ
গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনা হোক : সালাউদ্দিন আহমেদ

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মার্কিন শুল্কারোপ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই : খলিলুর রহমান
মার্কিন শুল্কারোপ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই : খলিলুর রহমান

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাঞ্জাবকে বড় ব্যবধানে হারালো রাজস্থান
পাঞ্জাবকে বড় ব্যবধানে হারালো রাজস্থান

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চেন্নাইকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে দিল্লি
চেন্নাইকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে দিল্লি

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে পোশাক শ্রমিকের মৃত্যু
চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে পোশাক শ্রমিকের মৃত্যু

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রহ্মপুত্র নদে অষ্টমীর স্নান উৎসবে লাখো পুণ্যার্থীর ঢল
ব্রহ্মপুত্র নদে অষ্টমীর স্নান উৎসবে লাখো পুণ্যার্থীর ঢল

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ

৩ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গাজীপুরে ট্রাকের ধাক্কায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
গাজীপুরে ট্রাকের ধাক্কায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শাহবাগে ফুলের দোকানের আগুন নিয়ন্ত্রণে
শাহবাগে ফুলের দোকানের আগুন নিয়ন্ত্রণে

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শাহবাগে ফুলের দোকানে আগুন
শাহবাগে ফুলের দোকানে আগুন

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত ইয়াসিনের পরিবারের পাশে তারেক রহমান
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত ইয়াসিনের পরিবারের পাশে তারেক রহমান

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কু-প্রস্তাবে অসম্মতি জানানোয় বিধবাকে পিটিয়ে আহত, বসতবাড়ি ভাঙচুর
কু-প্রস্তাবে অসম্মতি জানানোয় বিধবাকে পিটিয়ে আহত, বসতবাড়ি ভাঙচুর

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড
এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিএনপি ক্ষমতার পাগল নয়, ক্ষমতা বিএনপির প্রাপ্য : ফজলুর রহমান
বিএনপি ক্ষমতার পাগল নয়, ক্ষমতা বিএনপির প্রাপ্য : ফজলুর রহমান

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শুধু মানুষের নয়, বানরও অর্থবহ ভাষা তৈরি করতে সক্ষম : গবেষণা
শুধু মানুষের নয়, বানরও অর্থবহ ভাষা তৈরি করতে সক্ষম : গবেষণা

৬ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা
শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক
যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ভারতে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসে খেলাফত মজলিসের উদ্বেগ
ভারতে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসে খেলাফত মজলিসের উদ্বেগ

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‌‘দেশে ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য আন্দোলন সংগ্রাম করেছি’
‌‘দেশে ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য আন্দোলন সংগ্রাম করেছি’

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শান্তি আলোচনায় সময় ফুরিয়ে আসছে, রাশিয়াকে হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের
শান্তি আলোচনায় সময় ফুরিয়ে আসছে, রাশিয়াকে হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র-কানাডার শিক্ষার্থীদের জন্য চ্যাটজিপিটি প্লাস ফ্রি, চলবে মে মাস পর্যন্ত
যুক্তরাষ্ট্র-কানাডার শিক্ষার্থীদের জন্য চ্যাটজিপিটি প্লাস ফ্রি, চলবে মে মাস পর্যন্ত

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বদরগঞ্জে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৪০
বদরগঞ্জে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৪০

৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মাঠজুড়ে সূর্যমুখী ফুলের সমারোহ
মাঠজুড়ে সূর্যমুখী ফুলের সমারোহ

৭ ঘণ্টা আগে | প্রকৃতি ও পরিবেশ

সর্বাধিক পঠিত
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি
আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব
ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা
সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন
ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে
কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে

১১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম
নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড
এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার
হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প
‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী
পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি
হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি

১২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার
লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার

১৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা
চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা

১৮ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি
ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি

৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা
পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার
৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা
কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু
আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা
আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার
প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার

১৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা
ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২
কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জেলেনস্কির নিজ শহরে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১৮ জন নিহত
জেলেনস্কির নিজ শহরে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১৮ জন নিহত

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজায় অ্যাম্বুলেন্সে অগ্নিকাণ্ড ইসরায়েলি ‘যুদ্ধাপরাধ’ হতে পারে : জাতিসংঘ কর্মকর্তা
গাজায় অ্যাম্বুলেন্সে অগ্নিকাণ্ড ইসরায়েলি ‘যুদ্ধাপরাধ’ হতে পারে : জাতিসংঘ কর্মকর্তা

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জটিলতা ৫৫ আসনে
জটিলতা ৫৫ আসনে

পেছনের পৃষ্ঠা

দূরত্ব কাটাবে ঢাকা-দিল্লি
দূরত্ব কাটাবে ঢাকা-দিল্লি

প্রথম পৃষ্ঠা

সেন্টমার্টিন এখন অন্যরকম
সেন্টমার্টিন এখন অন্যরকম

পেছনের পৃষ্ঠা

ফের উত্তপ্ত হবে রাজপথ
ফের উত্তপ্ত হবে রাজপথ

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার
ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার

প্রথম পৃষ্ঠা

মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক
মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত
এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত

প্রথম পৃষ্ঠা

ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান
ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক
বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক

শোবিজ

সুপার লিগে খেলার লড়াই
সুপার লিগে খেলার লড়াই

মাঠে ময়দানে

ক্ষমতার মজা পেয়ে গেছেন উপদেষ্টা পরিষদের সবাই
ক্ষমতার মজা পেয়ে গেছেন উপদেষ্টা পরিষদের সবাই

প্রথম পৃষ্ঠা

মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজবাড়ীতে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির শকুন উদ্ধার
রাজবাড়ীতে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির শকুন উদ্ধার

পেছনের পৃষ্ঠা

লাহোরে নিগারদের অনুশীলন
লাহোরে নিগারদের অনুশীলন

মাঠে ময়দানে

যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ
যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ

প্রথম পৃষ্ঠা

বাণিজ্য ছাড়িয়েছিল হাজার কোটি ডলার
বাণিজ্য ছাড়িয়েছিল হাজার কোটি ডলার

পেছনের পৃষ্ঠা

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

জরাজীর্ণ ভবন, নষ্ট এক্স-রে মেশিন
জরাজীর্ণ ভবন, নষ্ট এক্স-রে মেশিন

দেশগ্রাম

লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি
লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি

দেশগ্রাম

ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা
ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০
বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০

প্রথম পৃষ্ঠা

সংস্কার শেষেই নির্বাচন দিতে হবে
সংস্কার শেষেই নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

শরীয়তপুরে খোলা মাঠ যেন যুদ্ধক্ষেত্র
শরীয়তপুরে খোলা মাঠ যেন যুদ্ধক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

একই দিনে দুই বিয়ে
একই দিনে দুই বিয়ে

শোবিজ

তেহরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প
তেহরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প

পূর্ব-পশ্চিম

জংলি নিয়ে দর্শকদের সাড়া দেখে আমি আনন্দিত
জংলি নিয়ে দর্শকদের সাড়া দেখে আমি আনন্দিত

শোবিজ

অভিযোগের জবাবে পরী
অভিযোগের জবাবে পরী

শোবিজ

বিশ্বজুড়ে মানবিক সহায়তার সিংহভাগ যুক্তরাষ্ট্র আর বহন করবে না
বিশ্বজুড়ে মানবিক সহায়তার সিংহভাগ যুক্তরাষ্ট্র আর বহন করবে না

পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে
ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে

সম্পাদকীয়