শিরোনাম
প্রকাশ: ০৮:৪১, বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

প্রাচীন ইরানের জরথুস্ত্র ধর্ম

ড. মোহাম্মদ বেলাল হোসেন
অনলাইন ভার্সন
প্রাচীন ইরানের জরথুস্ত্র ধর্ম

প্রাচীন ইরানের অন্তর্গত আজারবাইজানে জন্মগ্রহণকারী একজন বিখ্যাত ব্যক্তি জরথুস্ত্র ছিলেন এ ধর্মের প্রবর্তক। তাঁর নামানুসারে এ ধর্মের নাম করা হয়। এটি মূলত একটি মাজুসি (অগ্নি পূজারি) ধর্ম। এ ধর্মের প্রবর্তককে জরথুস্ত্র, জরোয়েস্টার ইত্যাদি নামে ডাকা হতো।

এ শব্দগুলোর অর্থ হলো বৃদ্ধ উটওয়ালা। অবশ্য পারসিকরা তার নামের অর্থ করেছে স্বর্ণালি তারকা তথা দেদীপ্যমান নক্ষত্র। জরথুস্ত্রের পিতার নাম ছিল ইউরশাব, যিনি রাজা কোস্তাসাব বিন লাহারসাবের রাজত্বকালে আজারবাইজানে আবির্ভূত হন। তাঁর মাতার নাম ছিল জগদুয়া।

তিনি ছিলেন রাইয়ের অধিবাসিনী। (আল-শাহরাস্তানি, আল মিলাল ওয়ান নিহাল, ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা-২৩৬)

ঐতিহাসিক আল-মাসউদি জরথুস্ত্রের কুলজি বর্ণনায় লিখেছেন, তিনি হলেন জারাদাস্ত ইবন আসবিসান। তিনি ছিলেন অগ্নি-উপাসকদের নবী। [আল-মাসউদি, মুরুজুব জাহাব, ১ম খণ্ড, তাহকিক : মুহাম্মাদ মহিউদ্দিন আব্দুল হামিদ (বৈরুত : দারুল ফিকর, ১৯৭৩ খ্রি.) পৃষ্ঠা-২২৯]

প্রাচীন ঐতিহাসিক তথ্যাবলি থেকে অনুমান করা হয় যে তিনি ৬২৮ খ্রিস্ট পূর্বাব্দে কোনো একসময়ে জন্মগ্রহণ করেন।

জরথুস্ত্র ২০ বছর বয়সে স্বীয় মাতাপিতা ও স্ত্রী হারান। ফলে তিনি সংসার ত্যাগ করে সয়লা নগরীতে ধ্যানমগ্ন হন। অতঃপর ৩০ বছর বয়সে ধর্ম প্রবর্তক হিসেবে আবির্ভূত হন। তিনি নিজেকে দৈববাণীপ্রাপ্ত ব্যক্তি বলে দাবি করেন এবং সমকালীন ইরানের বহুদেববাদের সংস্কার করে নিজ ধর্ম প্রচার করতে থাকেন। ধর্মীয় আধ্যাত্মিক ও নৈতিক শিক্ষায় পরিপূর্ণ হওয়ায় তাঁর এই নতুন ধর্মমত বিকাশ লাভ করে।

এমনকি সাসানিরা একে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে গ্রহণ করে। সাসানিরা যেহেতু ধর্মের ওপর ভিত্তি করে রাষ্ট্রনীতি গ্রহণ করেছিল, সেহেতু তারা জরথুস্ত্র ধর্মকে রাষ্ট্রীয় ধর্ম হিসেবে ঘোষণা দেয় এবং এ ধর্মের পুরোহিতদের পর্যাপ্ত ক্ষমতা প্রদান করে। সাসানিরা অন্য ধর্মের অনুসারীদের প্রতি সদাচরণ করত না; বরং কখনো কখনো তারা জরথুস্ত্র ধর্মযাজকদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে অন্য ধর্মাবলম্বীদের ধর্ম ত্যাগ করতে বাধ্য করত এবং বল প্রয়োগের মাধ্যমে জরথুস্ত্র ধর্মকে তাদের ওপর চাপিয়ে দিত। [শহীদ আয়াতুল্লাহ মুর্তাজা মুতাহহারি, ইসলাম ও ইরানের পারস্পরিক অবদান, অনুবাদ : এফ কে এম আনোয়ারুল কবির (ঢাকা : ইরানি কালচারাল সেন্টার, ২০০৪ খ্রি.), পৃষ্ঠা-৯৬-৯৭)]


ধর্মীয় বিশ্বাস

জরথুস্ত্র ধর্ম পারস্যে বহু দেবদেবীর অর্চনা ও প্রাণী উৎসর্গের যুগে আবির্ভূত হয়েও প্রাথমিক পর্যায়ে একত্ববাদের কথা বলত। পরবর্তীকালে এতে এক ঈশ্বরের স্বীকৃতি থাকলেও পরিণতিতে তা ছিল এক দ্বৈতবাদী নীতিতে বিশ্বাস। কেউ কেউ এ ধর্মের আকিদা-বিশ্বাস একেশ্বরবাদী বলে উল্লেখ করলেও স্বয়ং জরথুস্ত্র পৃথিবীতে দুজন খোদার কথা বলেছেন। একজন ইয়াজদান, অপরজন আহিরমান। ইয়াজদান কল্যাণের খোদা। তিনি হলেন আলোক দেবতা, সর্বজ্ঞানী, পবিত্র ও একক। তিনি মিথ্যাকে অপছন্দ করেন এবং অপবিত্রকে বিনাশ করেন। আর আহিরমান অমঙ্গল বা অন্ধকারের স্রষ্টা। এ প্রসঙ্গে জরথুস্ত্র আরো বলেন, ইয়াজদান ও আহিরমানের পারস্পরিক ক্রিয়া থেকেই এ জগতের সৃষ্টি হয়েছে। ইয়াজদান সব সময় শুভ ও কল্যাণকর জগৎ সৃষ্টির চেষ্টা করেন। আর আহিরমান প্রতি মুহূর্তে তার সে প্রচেষ্টাকে ব্যর্থতায় পর্যবসিত করে পৃথিবীতে নিজের প্রভুত্ব বিস্তার করতে সচেষ্ট।


দ্বৈতবাদে বিশ্বাস

প্রাথমিক পর্যায়ে জরথুস্ত্র ধর্মের বিশ্বাস ছিল একেশ্বরবাদ। পরবর্তীকালে তাতে দ্বৈতবাদের উদ্ভব ঘটে। আল-শাহরাস্তানি এ ধর্মকে একেশ্বরবাদী ধর্ম হিসেবে উল্লেখ করলেও একেশ্বরবাদ বলতে যা বোঝায় সে দৃষ্টিকোণ থেকে একে কখনো একেশ্বরবাদী ধর্ম বলা যাবে না। কারণ জরথুস্ত্র আহুরামাজদাকে আহিরমানের সৃষ্টিকর্তা ও আহিরমানকে তার দ্বারা সৃষ্ট বলে মনে করেন।

জরথুস্ত্র ধর্মে আল্লাহর ধারণা সম্পর্কে অনুসৃত বিশ্বাস সাবিঈ ধর্মের মতোই। তাদের দৃষ্টিতে সৃষ্টিকর্তা কেবল কল্যাণ ও মঙ্গলকর কাজ সৃষ্টি করেন এবং তার থেকে কখনো অমঙ্গলজনক কোনো ক্রিয়াকলাপ প্রকাশিত হয় না। তারা আরো মনে করে যে আহুরামাজদা হলো আসমান ও জমিনের সৃষ্টিকর্তা। তিনিই আদি, তিনিই অন্ত। (ড. আসআদ আস-সাহমারাসি, আল জারাদিস্তাহ, পৃষ্ঠা-৪৯-৫০)


পরকালে বিশ্বাস

এ ধর্মের লোকেরা পরকালের প্রতি বিশ্বাসী। তাদের মতে, এ পৃথিবী একদিন শেষ হয়ে যাবে। জরথুস্ত্রের বিশ্বাস অনুযায়ী, এ পৃথিবী ১২ হাজার বছর টিকে থাকবে। শেষ ৯০০০ বছর অতিক্রান্ত হলে জরথুস্ত্ররা আবার পৃথিবীতে আবির্ভূত হবে। শেষ বিচারের দিনে মানুষ পুনরুত্থিত হবে। পাপীরা স্বল্পকালের জন্য নরকবাসী হবে। অতঃপর সবাই স্বর্গে বসবাস করবে। উল্লেখ্য যে জরথুস্ত্রবাদীরা পরকালে দৈহিক পুনরুত্থানে বিশ্বাস করে। তারা মনে করে, পরকালে মানুষ তার কর্মফল লাভের জন্য দেহ ধারণ করে মহান স্রষ্টার সামনে বিচারের সম্মুখীন হবে। (প্রাগুক্ত, পৃষ্ঠা-৫৫)


আগুন ও পানির পবিত্রতায় বিশ্বাস

এ ধর্মে আগুন ও পানিকে পবিত্র বস্তু বলে মনে করা হয়। সুতরাং আগুন ও পানিকে অপবিত্র করা জঘন্য অপরাধ। এ জন্য তারা আগুনকে উপাসনার প্রতীক হিসেবে গ্রহণ করে শিখা অনির্বাণ মতবাদের প্রতিষ্ঠা করে। ঘরের মধ্যখানে অগ্নি প্রজ্বলিত করে আগুনের সামনে তারা সৃষ্টিকর্তার সমীপে প্রার্থনা নিবেদন করে। এ প্রার্থনা নিবেদনের সময় তারা গোটা শরীর ধৌতকরণের মাধ্যমে পবিত্রতা অর্জন করে একের পর এক ঘরে প্রবেশ করে অগ্নিপূজা করে। তারা অগ্নিপূজায় এমন সতর্কতা অবলম্বন করে যে, যাতে করে কোনোভাবে অগ্নি নাপাক না হয়। (প্রাগুক্ত, পৃষ্ঠা-৫৬)


প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা প্লাবন

জরথুস্ত্রবাদীরা বিশ্বাস করে তারা কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা মহাপ্লাবন দ্বারা আক্রান্ত হবে না, যা নুহ (আ.)-এর যুগে হয়েছিল। কেননা তাদের মধ্যে এ বিশ্বাস বদ্ধমূল যে তারা জিউমারছের বংশোদ্ভূত। যদি কোনো কারণে তারা এ রকম প্লাবনে আক্রান্ত হয় তাহলে ওই জিউমারছ তাদের প্লাবন থেকে মুক্ত করবে। বিখ্যাত ঐতিহাসিক ইবনুল আছির লিখেছেন, জরথুস্ত্রবাদীদের তথা অগ্নি পূজকদের প্লাবন সম্পর্কে কোনো ধারণা নেই। তারা বলে, জিউমারছ তথা আদম (আ.)-এর যুগ থেকে চিরদিন তাদের রাজত্ব অপরিবর্তিত থাকবে। যদি এরূপ না হয় তাহলে মানব বংশক্রমে ব্যত্যয় ঘটবে এবং তাদের রাজত্ব বিশৃঙ্খল হয়ে পড়বে। তাদের মধ্যে আবার কিছু কিছু লোক ব্যাবিলনে প্লাবনের অস্তিত্বকে স্বীকার করে। আর পূর্ব দিকে জিউমারছের (আদমের) বিশেষ সন্তানদের আবাস ভূমি হওয়ায় সেখানে কোনো ধরনের প্লাবন আসবে না। এটি তাদের ধর্মীয় বিশ্বাসে পরিণত হয়েছে।

(আল কামিল ফিত তারিখ, ৬ষ্ঠ খণ্ড, পৃষ্ঠা-৭৩)


ইমামের আবির্ভাব

জরথুস্ত্রবাদীরা আশীযরীকারের আবির্ভাবে বিশ্বাসী। তাদের ধর্মীয় পরিভাষায় আশীযরীকারের অর্থ হলো, একজন ন্যায়নিষ্ঠাবান ধর্মীয় ইমাম। তারা মনে করে, শেষ জামানায় একজন ইমামের আবির্ভাব ঘটবে, যিনি বিশ্বকে দ্বিন ও ন্যায়নিষ্ঠা দ্বারা সুশোভিত করবেন। তাঁর ২০ বছর রাজত্বকালে বিপর্যয় ও সংকট দেখা দিলে তাঁর অনুবর্তী হিসেবে আরেকজন ইমামের (আশীযরীকারের) আবির্ভাব ঘটবে। তিনি সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করবেন, মন্দ ও মিথ্যাচারিতার মূলোৎপাটন করবেন এবং পরিবর্তিত রীতি-নীতিকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নেবেন। রাজন্যবর্গ তাঁর আনুগত্য করবে এবং তাঁর সব কর্মকাণ্ড সহজভাবে পরিচালিত হবে। তিনি দ্বিন ও সত্যকে সাহায্য করবেন। তাঁর জামানায় সব ফিতনা-ফ্যাসাদ ও অরাজকতা অপসৃত হবে। (আল মিলাল ওয়ান নিহাল, ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা-২৩৯)


আহিরমান অমঙ্গলের প্রতীক

জরথুস্ত্রবাদীরা তাদের দ্বৈত বিশ্বাস অনুযায়ী মনে করে, আহিরমান অমঙ্গলের প্রতীক। সে হলো শয়তান। সে সব সময় অমঙ্গল ও মন্দ কাজ নিয়ে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। এ জন্যই আহুরামাজদা এবং আহিরমানের মধ্যে চিরন্তন সংঘাত লেগে আছে, যা জরথুস্ত্রবাদীদের বিশ্বাসকে একত্ববাদের পরিবর্তে দ্বিত্ববাদের দিকে ধাবিত করে। মোটকথা তারা দুই খোদায় বিশ্বাসী। একজন হলো আলোর খোদা, অপরজন হলো অন্ধকারের খোদা। সৎ লোকেরা আলোর খোদার অনুসারী এবং অসাধু লোকেরা অন্ধকারের খোদার সমর্থক। এককথায় জরথুস্ত্রবাদীরা আহুরামাজদাকে ভালো কাজের স্রষ্টা এবং আহিরমানকে সব অপকর্মের স্রষ্টা হিসেবে বিশ্বাস করে। (ড. আসআদ আস-সাহারানি, আল জারাদিস্তাহ, পৃষ্ঠা-৫০)

(লেখকের তুলনামূলক ধর্ম বই থেকে)


বিডি প্রতিদিন/ ওয়াসিফ

এই বিভাগের আরও খবর
মুসলমানের জীবনযাপনে শালীনতা
মুসলমানের জীবনযাপনে শালীনতা
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
ফতোয়া প্রদানে সতর্কতা ও আবশ্যিক শর্ত
ফতোয়া প্রদানে সতর্কতা ও আবশ্যিক শর্ত
সন্তানের দ্বিনি শিক্ষা নিশ্চিত করা আবশ্যক
সন্তানের দ্বিনি শিক্ষা নিশ্চিত করা আবশ্যক
যেসব আচরণ শিখিয়ে গেল মাহে রমজান
যেসব আচরণ শিখিয়ে গেল মাহে রমজান
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
একাধিক মসজিদের আজান শোনা গেলে যা করব
একাধিক মসজিদের আজান শোনা গেলে যা করব
মুমিন যেভাবে আল্লাহর প্রিয় হয়
মুমিন যেভাবে আল্লাহর প্রিয় হয়
ইসলামপূর্ব আরবের ধর্মবিশ্বাস
ইসলামপূর্ব আরবের ধর্মবিশ্বাস
রমজান-পরবর্তী সময়ে মুমিনের করণীয়
রমজান-পরবর্তী সময়ে মুমিনের করণীয়
আমানতের খেয়ানত মারাত্মক অপরাধ
আমানতের খেয়ানত মারাত্মক অপরাধ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
সর্বশেষ খবর
মুসলমানের জীবনযাপনে শালীনতা
মুসলমানের জীবনযাপনে শালীনতা

১১ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

জবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক হিমেলকে নিকলীতে গণসংবর্ধনা
জবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক হিমেলকে নিকলীতে গণসংবর্ধনা

৪১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

জামায়াতের দাবি বছর শেষে জাতীয় নির্বাচন : রেজাউল করিম
জামায়াতের দাবি বছর শেষে জাতীয় নির্বাচন : রেজাউল করিম

৪৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের বাড়িতে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ
সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের বাড়িতে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ

৪৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সিরাজগঞ্জে ট্রাক-অটোভ্যান সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ২
সিরাজগঞ্জে ট্রাক-অটোভ্যান সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ২

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইউনূস-মোদি বৈঠক বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক : গোলাম পরওয়ার
ইউনূস-মোদি বৈঠক বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক : গোলাম পরওয়ার

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গাজীপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জরিমানা
গাজীপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জরিমানা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাইবান্ধায় হস্তশিল্প মেলার নামে চলছে জুয়া ও অশ্লীল নাচ
গাইবান্ধায় হস্তশিল্প মেলার নামে চলছে জুয়া ও অশ্লীল নাচ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নৌকাডুবিতে স্বামীসহ প্রাণ হারালেন ইবি শিক্ষার্থী
নৌকাডুবিতে স্বামীসহ প্রাণ হারালেন ইবি শিক্ষার্থী

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নেতাকর্মীদের সতর্ক করলো সিলেট বিএনপি
নেতাকর্মীদের সতর্ক করলো সিলেট বিএনপি

২ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনা হোক : সালাউদ্দিন আহমেদ
গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনা হোক : সালাউদ্দিন আহমেদ

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মার্কিন শুল্কারোপ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই : খলিলুর রহমান
মার্কিন শুল্কারোপ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই : খলিলুর রহমান

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাঞ্জাবকে বড় ব্যবধানে হারালো রাজস্থান
পাঞ্জাবকে বড় ব্যবধানে হারালো রাজস্থান

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চেন্নাইকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে দিল্লি
চেন্নাইকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে দিল্লি

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে পোশাক শ্রমিকের মৃত্যু
চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে পোশাক শ্রমিকের মৃত্যু

৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রহ্মপুত্র নদে অষ্টমীর স্নান উৎসবে লাখো পুণ্যার্থীর ঢল
ব্রহ্মপুত্র নদে অষ্টমীর স্নান উৎসবে লাখো পুণ্যার্থীর ঢল

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ

৪ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গাজীপুরে ট্রাকের ধাক্কায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
গাজীপুরে ট্রাকের ধাক্কায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শাহবাগে ফুলের দোকানের আগুন নিয়ন্ত্রণে
শাহবাগে ফুলের দোকানের আগুন নিয়ন্ত্রণে

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শাহবাগে ফুলের দোকানে আগুন
শাহবাগে ফুলের দোকানে আগুন

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত ইয়াসিনের পরিবারের পাশে তারেক রহমান
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত ইয়াসিনের পরিবারের পাশে তারেক রহমান

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কু-প্রস্তাবে অসম্মতি জানানোয় বিধবাকে পিটিয়ে আহত, বসতবাড়ি ভাঙচুর
কু-প্রস্তাবে অসম্মতি জানানোয় বিধবাকে পিটিয়ে আহত, বসতবাড়ি ভাঙচুর

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড
এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিএনপি ক্ষমতার পাগল নয়, ক্ষমতা বিএনপির প্রাপ্য : ফজলুর রহমান
বিএনপি ক্ষমতার পাগল নয়, ক্ষমতা বিএনপির প্রাপ্য : ফজলুর রহমান

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শুধু মানুষের নয়, বানরও অর্থবহ ভাষা তৈরি করতে সক্ষম : গবেষণা
শুধু মানুষের নয়, বানরও অর্থবহ ভাষা তৈরি করতে সক্ষম : গবেষণা

৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা
শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা

৮ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক
যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ভারতে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসে খেলাফত মজলিসের উদ্বেগ
ভারতে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসে খেলাফত মজলিসের উদ্বেগ

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‌‘দেশে ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য আন্দোলন সংগ্রাম করেছি’
‌‘দেশে ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য আন্দোলন সংগ্রাম করেছি’

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সর্বাধিক পঠিত
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি
আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব
ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা
সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন
ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে
কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে

১২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড
এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম
নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার
হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প
‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী
পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি
হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি

১৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার
লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা
চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা

২০ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি
ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা
পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার
৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা
কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু
আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার
প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার

১৬ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা
আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা
ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২
কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা
শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা

৮ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক
যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জটিলতা ৫৫ আসনে
জটিলতা ৫৫ আসনে

পেছনের পৃষ্ঠা

সেন্টমার্টিন এখন অন্যরকম
সেন্টমার্টিন এখন অন্যরকম

পেছনের পৃষ্ঠা

মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক
মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক

প্রথম পৃষ্ঠা

দূরত্ব কাটাবে ঢাকা-দিল্লি
দূরত্ব কাটাবে ঢাকা-দিল্লি

প্রথম পৃষ্ঠা

ফের উত্তপ্ত হবে রাজপথ
ফের উত্তপ্ত হবে রাজপথ

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার
ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত
এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত

প্রথম পৃষ্ঠা

ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান
ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্ষমতার মজা পেয়ে গেছেন উপদেষ্টা পরিষদের সবাই
ক্ষমতার মজা পেয়ে গেছেন উপদেষ্টা পরিষদের সবাই

প্রথম পৃষ্ঠা

বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক
বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক

শোবিজ

সুপার লিগে খেলার লড়াই
সুপার লিগে খেলার লড়াই

মাঠে ময়দানে

রাজবাড়ীতে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির শকুন উদ্ধার
রাজবাড়ীতে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির শকুন উদ্ধার

পেছনের পৃষ্ঠা

মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ

প্রথম পৃষ্ঠা

যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ
যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ

প্রথম পৃষ্ঠা

বাণিজ্য ছাড়িয়েছিল হাজার কোটি ডলার
বাণিজ্য ছাড়িয়েছিল হাজার কোটি ডলার

পেছনের পৃষ্ঠা

লাহোরে নিগারদের অনুশীলন
লাহোরে নিগারদের অনুশীলন

মাঠে ময়দানে

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

জরাজীর্ণ ভবন, নষ্ট এক্স-রে মেশিন
জরাজীর্ণ ভবন, নষ্ট এক্স-রে মেশিন

দেশগ্রাম

ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা
ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০
বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০

প্রথম পৃষ্ঠা

লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি
লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি

দেশগ্রাম

শরীয়তপুরে খোলা মাঠ যেন যুদ্ধক্ষেত্র
শরীয়তপুরে খোলা মাঠ যেন যুদ্ধক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

সংস্কার শেষেই নির্বাচন দিতে হবে
সংস্কার শেষেই নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

একই দিনে দুই বিয়ে
একই দিনে দুই বিয়ে

শোবিজ

তেহরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প
তেহরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প

পূর্ব-পশ্চিম

জংলি নিয়ে দর্শকদের সাড়া দেখে আমি আনন্দিত
জংলি নিয়ে দর্শকদের সাড়া দেখে আমি আনন্দিত

শোবিজ

অভিযোগের জবাবে পরী
অভিযোগের জবাবে পরী

শোবিজ

বিশ্বজুড়ে মানবিক সহায়তার সিংহভাগ যুক্তরাষ্ট্র আর বহন করবে না
বিশ্বজুড়ে মানবিক সহায়তার সিংহভাগ যুক্তরাষ্ট্র আর বহন করবে না

পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে
ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে

সম্পাদকীয়