শিরোনাম
প্রকাশ: ০৮:১১, বুধবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০২৫

ইউরোপীয় স্থাপত্যশিল্পে মুসলিম প্রভাব

আতাউর রহমান খসরু
অনলাইন ভার্সন
ইউরোপীয় স্থাপত্যশিল্পে মুসলিম প্রভাব

খ্রিস্টীয় দ্বাদশ শতক। ইংল্যান্ডের ওয়েলসের একজন নাইট ক্রুসেড থেকে দেশে ফিরেছেন। তিনি সঙ্গে নিয়ে এসেছেন একজন ফিলিস্তিনি রাজমিস্ত্রি। স্থানীয়রা তাঁকে লেলিস নামে ডাকে, যা মূলত আরবি আল আজিজের ভুল উচ্চারণ।

রাজমিস্ত্রি আজিজ বেশ কয়েকটি আশ্রম, দুর্গ ও গির্জা নির্মাণ করেন। যার মধ্যে দক্ষিণ ওয়েলসের নেথ অ্যাবে অন্যতম, যা বর্তমান ইংল্যান্ডের সবচেয়ে আকর্ষণীয় প্রাচীন ধ্বংসপ্রাপ্ত আশ্রম। একাদশ খ্রিস্টাব্দে অপর একজন ফিলিস্তিনি রাজমিস্ত্রি আল ওমর দক্ষিণ ইংল্যান্ডের নরফোকে দৃষ্টিনন্দন ক্যাসেল একর প্রাইরি নির্মাণে সাহায্য করেছিলেন।

গবেষক ডায়ানা ডার্ক মনে করেন, ব্রিটিশ স্থাপত্যের ঐতিহ্য হয়ে ওঠা স্থাপনাগুলো নির্মাণে লেভ্যান্ট (শাম ও লেবানন) অঞ্চলের স্থপতি ও নির্মাণ প্রকৌশলীদের এই সহযোগিতা বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়।

মধ্য যুগে ইউরোপের নির্মাণ ও আলংকারিক কারুশিল্পের জগৎ মুসলিমদের দ্বারা প্রভাবিত ছিল। তিনি তাঁর সম্প্রতি প্রকাশিত বই ‘ইসলামিস্কো’তে এমনটিই দাবি করেছেন। তিনি তাঁর আগের বই ‘স্টিলিং ফ্রম দ্য সারাসেনস’-এ দাবি করেছিলেন ইউরোপের বহু সেরা স্থাপনা ইসলামী স্থাপত্যরীতি দ্বারা প্রভাবিত।

ডার্ক তাঁর বইয়ে বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণের প্রমাণ করেছেন যে মধ্য যুগে গড়ে ওঠা ‘রোমানেস্কো’ নামক স্থাপত্যরীতি ইসলামী রীতি দ্বারা উজ্জীবিত ছিল।

এখানেই শেষ নয়, বরং ইউরোপজুড়ে রোমানেস্কো রীতিতে নির্মিত সেরা স্থাপত্যকর্মের অনেকগুলোই আরব ও মুসলিমরা নির্মাণ করেছে। স্থাপত্যশিল্পের এসব নথিপত্র মধ্য যুগে সমগ্র ইউরোপে মুসলমানদের অস্তিত্বের জানান দেয়। আর এটাও প্রমাণিত হয় যে তখন ইউরোপে মুসলিমরা বসবাস করত একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ জাতি হিসেবে। যারা ছিল সুদক্ষ, উচ্চ চাহিদাসম্পন্ন, উচ্চ বেতনভোগী এবং সমাজের সম্মানিত সদস্য। কোনো সন্দেহ নেই ইউরোপীয় সভ্যতা (মুসলিম) অভিবাসীদের উচ্চতর দক্ষতার ওপর নির্মিত হয়েছিল।

ডার্ক যুক্তির সঙ্গে বলেছেন, রোমানেস্কো খ্রিস্টীয় দশম থেকে ত্রয়োদশ শতকের মধ্যভাগ পর্যন্ত ইউরোপের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপত্যরীতি। রোমানেস্কোই গোথিক স্থাপত্যরীতির পথ প্রশস্ত করেছিল। রোমানেস্কো যার অর্থ রোমানদের রীতিতে তাকে ইসলামিস্কো (ইসলামী রীতিতে) বললেই সহজে সত্য উপলব্ধি করা যাবে।

লেখকের মতে, খ্রিস্টান ইউরোপ যখন সম্পদশালী হয়ে উঠেছিল এবং চার্চ ও সমাজপতিরা নির্মাণ খাতে তাদের বরাদ্দ বাড়াচ্ছিল তখন ইউরোপে উচ্চ দক্ষতাসম্পন্ন আরব কারিগর, শিল্পী, স্থপতি ও নির্মাণ প্রকৌশলীদের আগমন বৃদ্ধি পেয়েছিল। এসব নির্মাণশিল্পী ও কারিগররা ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গির বাইরে থেকে কাজ করতে পছন্দ করত। তাদের ইউরোপে আগমনের পথ ছিল মুসলিম শাসিত সিসিলি। সিসিলিতেও এমন বহুসংখ্যক মুসলিম স্থাপত্য আছে, যা নিয়ে গর্ব করা যায়। আগ বাড়িয়ে এটাও বলা চলে, ইতালির সর্বত্র ইসলামী স্থাপত্যরীতির বহু নিদর্শন আছে। ইতালির বিখ্যাত পিসার হেলানো টাওয়ারের কথাই ধরা যাক। যার অভ্যন্তরীণ জ্যামিতিক নকশা, কলাম ও অলংকরণ সব কিছুই ইসলামী স্থাপত্যরীতি ও নান্দনিকতার বৈশিষ্ট্য ধারণ করে আছে। এটাকে আরব প্রভাবের উজ্জ্বল নিদর্শনও বলা যায়। ইতালির মতো স্পেনও মুসলিম স্থাপত্যরীতি দ্বারা দারুণভাবে প্রভাবিত ছিল। স্পেনে বিদ্যমান মুসলিম স্থাপত্যগুলোর সঙ্গে মুসলিম শাসন অবসানের পরবর্তী স্থাপত্যগুলোর তুলনা করলেই বৈশিষ্ট্যগত মিল চোখে পড়বে এবং মুসলিম প্রভাবও স্পষ্ট হবে।

পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলো যেমন—জার্মানি, ফ্রান্স ও ব্রিটিশ দ্বীপপুঞ্জ, যেখানে মূলত কখনো ইসলামী শাসন ছিল না, সেখানেও ইসলামী স্থাপত্যরীতির প্রভাব দৃশ্যমান। যেমন—ইউরোপে টিকে থাকা মধ্য যুগের চারটি অলংকৃত কাঠের সিলিংয়ের একটি সেন্ট মাইকেল গির্জায় বিদ্যমান। গির্জাটি উত্তর জার্মানির হিল্ডেসেইমে অবস্থিত। একাধিক বৈশিষ্ট্য থেকে বোঝা যায় সিলিংটি ইসলামী স্থাপত্যরীতি দ্বারা প্রভাবিত। ইংল্যান্ডের রাজা রিচার্ড দ্য লায়নহার্ট ফ্রান্সের সাইন নদীর তীরে লেজ আন্দেলেইজ শহর নির্মাণে মুসলিম নির্মাতাদের নিয়োগ দিয়েছিলেন। যেখানে এখনো ইসলামী স্থাপত্যরীতির প্রতিধ্বনি শোনা যায়। যার মধ্যে আছে একাধিক খিলানযুক্ত ঘর, ছায়াযুক্ত পথ এবং গোপনীয়তার রক্ষার উপায়।

ফ্রান্সে ইসলামী স্থাপত্যরীতি দ্বারা প্রভাবিত আরেকটি স্থাপত্য নিদর্শন হলো লে পুই ক্যাথেড্রাল। ফরাসিরাও স্বীকার করে এটা দারুণভাবে ইসলামী রীতি দ্বারা প্রভাবিত, বিশেষ করে এর সাদা-কালো খিলান, সম্মুখ ভাগের গঠন এবং দরজায় লেখা ‘আল মুলকু লিল্লাহ’ (সার্বভৌমত্ব কেবল আল্লাহর) বাক্য অস্বীকারের সব পথ বন্ধ করে দেয়।

ইউরোপে মুসলিম স্থাপত্যরীতির প্রভাব বিস্তারে নরম্যানরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তারা সিসিলি, ইতালি ও স্পেন থেকে ইসলামী রীতি রপ্ত করেছিল। তারা ব্যাপক হারে মুসলিম স্থপতিদের মতো ছেদকারী খিলান, তোরণ, জ্যামিতিক প্যাটার্ন ও জিগজাগ ব্যবহার করেছিল, যা পূর্বে ইউরোপীয় স্থাপত্যরীতিতে অজানায় ছিল। ডায়ানা ডার্কের দাবি, ব্রিটিশ দ্বীপপুঞ্জের প্রতিটি নরম্যান গির্জা ও ক্যাথেড্রাল এবং অন্যান্য ভবন ও স্থাপত্য ইসলামী প্রভাবের প্রমাণ। একইভাবে নরফোকের ক্যাসল রাইজিং ইসলামী বিশ্বের অবকাশ ও শিকার কেন্দ্রের আদলে নির্মিত, উইলিয়াম দ্য কনকারর কর্তৃক নির্মিত লন্ডন টাওয়ারের খিলানগুলো ইসলামী রীতি দ্বারা প্রভাবিত, অ্যাংলো-স্যাক্সন বণিক দ্বারা নির্মিত ব্রিস্টল ক্যাথেড্রালের অভ্যন্তর ভাগে ইসলামী রীতির জিগজাগ ব্যবহার করা হয়েছে। 

ডায়ান ডার্কের গবেষণা কর্মটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ, যা মধ্য যুগে ইউরোপের মুসলমানদের ভুলে যাওয়া ইতিহাস, তাদের অর্জন ও অবদানকে আবারও সামনে নিয়ে এসেছে; যা উগ্র ডানপন্থী ইউরোপীয় নেতাদের মুখে একটি দারুণ চপেটাঘাতও বটে। কেননা তারা ইউরোপে মুসলমানের যেকোনো উপস্থিতিকে নিন্দার দৃষ্টিতে ব্যাখ্যা করে এবং মুসলিম ইতিহাস, ঐতিহ্য ও অবদানকে বরাবর অস্বীকার করে। ডার্ক মনে করেন, কয়েক দশক আগেও ইউরোপে মুসলিম স্থপতি, কারিগর ও প্রকৌশলীদের পরিচয় আড়াল করার প্রচেষ্টাটা এত প্রবল ছিল না, যেমনটি বর্তমানে দেখা যায়। বর্তমানে ইউরোপকে মুসলিম ঐতিহ্য থেকে দূরে সরিয়ে নেওয়ার একটি প্রচারণা চলছে, যা ইতিহাস বিকৃতিরই অংশবিশেষ।

মিডল ইস্ট আই অবলম্বনে


বিডি প্রতিদিন/ ওয়াসিফ

এই বিভাগের আরও খবর
পরিবারকে আনন্দ দেওয়া সুন্নত
পরিবারকে আনন্দ দেওয়া সুন্নত
মুসলমানের জীবনযাপনে শালীনতা
মুসলমানের জীবনযাপনে শালীনতা
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
ফতোয়া প্রদানে সতর্কতা ও আবশ্যিক শর্ত
ফতোয়া প্রদানে সতর্কতা ও আবশ্যিক শর্ত
সন্তানের দ্বিনি শিক্ষা নিশ্চিত করা আবশ্যক
সন্তানের দ্বিনি শিক্ষা নিশ্চিত করা আবশ্যক
যেসব আচরণ শিখিয়ে গেল মাহে রমজান
যেসব আচরণ শিখিয়ে গেল মাহে রমজান
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
একাধিক মসজিদের আজান শোনা গেলে যা করব
একাধিক মসজিদের আজান শোনা গেলে যা করব
মুমিন যেভাবে আল্লাহর প্রিয় হয়
মুমিন যেভাবে আল্লাহর প্রিয় হয়
ইসলামপূর্ব আরবের ধর্মবিশ্বাস
ইসলামপূর্ব আরবের ধর্মবিশ্বাস
রমজান-পরবর্তী সময়ে মুমিনের করণীয়
রমজান-পরবর্তী সময়ে মুমিনের করণীয়
আমানতের খেয়ানত মারাত্মক অপরাধ
আমানতের খেয়ানত মারাত্মক অপরাধ
সর্বশেষ খবর
পরিবারকে আনন্দ দেওয়া সুন্নত
পরিবারকে আনন্দ দেওয়া সুন্নত

২১ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

মুসলমানের জীবনযাপনে শালীনতা
মুসলমানের জীবনযাপনে শালীনতা

৩৬ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

জবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক হিমেলকে নিকলীতে গণসংবর্ধনা
জবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক হিমেলকে নিকলীতে গণসংবর্ধনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জামায়াতের দাবি বছর শেষে জাতীয় নির্বাচন : রেজাউল করিম
জামায়াতের দাবি বছর শেষে জাতীয় নির্বাচন : রেজাউল করিম

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের বাড়িতে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ
সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের বাড়িতে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সিরাজগঞ্জে ট্রাক-অটোভ্যান সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ২
সিরাজগঞ্জে ট্রাক-অটোভ্যান সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইউনূস-মোদি বৈঠক বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক : গোলাম পরওয়ার
ইউনূস-মোদি বৈঠক বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক : গোলাম পরওয়ার

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গাজীপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জরিমানা
গাজীপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জরিমানা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাইবান্ধায় হস্তশিল্প মেলার নামে চলছে জুয়া ও অশ্লীল নাচ
গাইবান্ধায় হস্তশিল্প মেলার নামে চলছে জুয়া ও অশ্লীল নাচ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নৌকাডুবিতে স্বামীসহ প্রাণ হারালেন ইবি শিক্ষার্থী
নৌকাডুবিতে স্বামীসহ প্রাণ হারালেন ইবি শিক্ষার্থী

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নেতাকর্মীদের সতর্ক করলো সিলেট বিএনপি
নেতাকর্মীদের সতর্ক করলো সিলেট বিএনপি

২ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনা হোক : সালাউদ্দিন আহমেদ
গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনা হোক : সালাউদ্দিন আহমেদ

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মার্কিন শুল্কারোপ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই : খলিলুর রহমান
মার্কিন শুল্কারোপ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই : খলিলুর রহমান

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাঞ্জাবকে বড় ব্যবধানে হারালো রাজস্থান
পাঞ্জাবকে বড় ব্যবধানে হারালো রাজস্থান

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চেন্নাইকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে দিল্লি
চেন্নাইকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে দিল্লি

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে পোশাক শ্রমিকের মৃত্যু
চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে পোশাক শ্রমিকের মৃত্যু

৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রহ্মপুত্র নদে অষ্টমীর স্নান উৎসবে লাখো পুণ্যার্থীর ঢল
ব্রহ্মপুত্র নদে অষ্টমীর স্নান উৎসবে লাখো পুণ্যার্থীর ঢল

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ

৫ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গাজীপুরে ট্রাকের ধাক্কায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
গাজীপুরে ট্রাকের ধাক্কায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শাহবাগে ফুলের দোকানের আগুন নিয়ন্ত্রণে
শাহবাগে ফুলের দোকানের আগুন নিয়ন্ত্রণে

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শাহবাগে ফুলের দোকানে আগুন
শাহবাগে ফুলের দোকানে আগুন

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত ইয়াসিনের পরিবারের পাশে তারেক রহমান
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত ইয়াসিনের পরিবারের পাশে তারেক রহমান

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কু-প্রস্তাবে অসম্মতি জানানোয় বিধবাকে পিটিয়ে আহত, বসতবাড়ি ভাঙচুর
কু-প্রস্তাবে অসম্মতি জানানোয় বিধবাকে পিটিয়ে আহত, বসতবাড়ি ভাঙচুর

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড
এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিএনপি ক্ষমতার পাগল নয়, ক্ষমতা বিএনপির প্রাপ্য : ফজলুর রহমান
বিএনপি ক্ষমতার পাগল নয়, ক্ষমতা বিএনপির প্রাপ্য : ফজলুর রহমান

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শুধু মানুষের নয়, বানরও অর্থবহ ভাষা তৈরি করতে সক্ষম : গবেষণা
শুধু মানুষের নয়, বানরও অর্থবহ ভাষা তৈরি করতে সক্ষম : গবেষণা

৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা
শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা

৮ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক
যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ভারতে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসে খেলাফত মজলিসের উদ্বেগ
ভারতে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসে খেলাফত মজলিসের উদ্বেগ

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সর্বাধিক পঠিত
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি
আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব
ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা
সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন
ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড
এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে
কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম
নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার
হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প
‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী
পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি
হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি

১৪ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার
লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা
চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা

২০ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি
ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা
পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার
৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা
কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু
আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা
আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার
প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার

১৬ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা
ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২
কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক
যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা
শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা

৮ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

প্রিন্ট সর্বাধিক
জটিলতা ৫৫ আসনে
জটিলতা ৫৫ আসনে

পেছনের পৃষ্ঠা

সেন্টমার্টিন এখন অন্যরকম
সেন্টমার্টিন এখন অন্যরকম

পেছনের পৃষ্ঠা

মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক
মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক

প্রথম পৃষ্ঠা

ফের উত্তপ্ত হবে রাজপথ
ফের উত্তপ্ত হবে রাজপথ

প্রথম পৃষ্ঠা

দূরত্ব কাটাবে ঢাকা-দিল্লি
দূরত্ব কাটাবে ঢাকা-দিল্লি

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার
ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত
এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত

প্রথম পৃষ্ঠা

ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান
ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্ষমতার মজা পেয়ে গেছেন উপদেষ্টা পরিষদের সবাই
ক্ষমতার মজা পেয়ে গেছেন উপদেষ্টা পরিষদের সবাই

প্রথম পৃষ্ঠা

বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক
বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক

শোবিজ

সুপার লিগে খেলার লড়াই
সুপার লিগে খেলার লড়াই

মাঠে ময়দানে

রাজবাড়ীতে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির শকুন উদ্ধার
রাজবাড়ীতে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির শকুন উদ্ধার

পেছনের পৃষ্ঠা

মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ

প্রথম পৃষ্ঠা

যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ
যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ

প্রথম পৃষ্ঠা

লাহোরে নিগারদের অনুশীলন
লাহোরে নিগারদের অনুশীলন

মাঠে ময়দানে

বাণিজ্য ছাড়িয়েছিল হাজার কোটি ডলার
বাণিজ্য ছাড়িয়েছিল হাজার কোটি ডলার

পেছনের পৃষ্ঠা

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা
ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

জরাজীর্ণ ভবন, নষ্ট এক্স-রে মেশিন
জরাজীর্ণ ভবন, নষ্ট এক্স-রে মেশিন

দেশগ্রাম

বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০
বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০

প্রথম পৃষ্ঠা

লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি
লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি

দেশগ্রাম

শরীয়তপুরে খোলা মাঠ যেন যুদ্ধক্ষেত্র
শরীয়তপুরে খোলা মাঠ যেন যুদ্ধক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

সংস্কার শেষেই নির্বাচন দিতে হবে
সংস্কার শেষেই নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

একই দিনে দুই বিয়ে
একই দিনে দুই বিয়ে

শোবিজ

তেহরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প
তেহরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প

পূর্ব-পশ্চিম

অভিযোগের জবাবে পরী
অভিযোগের জবাবে পরী

শোবিজ

জংলি নিয়ে দর্শকদের সাড়া দেখে আমি আনন্দিত
জংলি নিয়ে দর্শকদের সাড়া দেখে আমি আনন্দিত

শোবিজ

বিশ্বজুড়ে মানবিক সহায়তার সিংহভাগ যুক্তরাষ্ট্র আর বহন করবে না
বিশ্বজুড়ে মানবিক সহায়তার সিংহভাগ যুক্তরাষ্ট্র আর বহন করবে না

পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে
ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে

সম্পাদকীয়