শিরোনাম
প্রকাশ: ০৭:৫৫, মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ০৮:২৮, মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৫

আদর্শ মুসলিম শাসক উমর ইবনে আব্দুল আজিজ (রহ.)

মুফতি মাহমুদ হাসান
অনলাইন ভার্সন
আদর্শ মুসলিম শাসক উমর ইবনে আব্দুল আজিজ (রহ.)

উমর ইবনে আব্দুল আজিজ (রহ.) উমাইয়া খেলাফতের অষ্টম খলিফা। সত্যনিষ্ঠা, খোদাভীরুতা ও ন্যায়-ইনসাফের কারণে মুসলিম উম্মাহ তাঁকে খুলাফায়ে রাশিদিনের মধ্যে গণ্য করে। তাঁকে পঞ্চম বা ষষ্ঠ খলিফায়ে রাশেদও বলা হয়। এ ছাড়া তাঁকে ‘দ্বিতীয় উমর’ বলেও স্মরণ করা হয়।

শৈশব থেকে মদিনা নগরীতে মহান ব্যক্তিদের সান্নিধ্যে বেড়ে ওঠায় দৃঢ়তা ও শক্তিশালী ব্যক্তিত্ব ছিল উমর ইবনে আব্দুল আজিজ (রহ.)-এর প্রধান গুণাবলি।
 
মদিনার গভর্নর নিযুক্তির মাধ্যমে শাসনকার্যের সূচনা

৮৭ হিজরিতে খলিফা আব্দুল মালিক ইবনে মারওয়ান উমর ইবনে আব্দুল আজিজকে মদিনার গভর্নর নিযুক্ত করেন। ৯১ হিজরিতে তিনি তায়েফসহ পুরো হেজাজের গভর্নর হন। গভর্নর নিযুক্তির পর প্রথম দিনই তিনি মদিনার বিজ্ঞ আলেমদের ডেকে বললেন : ‘আপনারা আমাকে সৎ পথে চলতে সহযোগিতা করবেন, আমি আপনাদের পরামর্শ ছাড়া কোনো কাজ করব না।

আমার অধীন কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর থেকেও কোনো জুলুমের খবর পেলে আমাকে অবশ্যই জানাবেন।’ ফলে সবাই তাঁকে স্বাগত জানান ও সন্তুষ্টচিত্তে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
(সিয়ারু আলামিন নুবালা ৫/১১৮)

মুসলিম উম্মাহর খেলাফতের দায়িত্ব গ্রহণ

৯৯ হিজরিতে সুলাইমান ইবনে আব্দুল মালিকের ইন্তেকালের পর উমর ইবনে আব্দুল আজিজ (রহ.) উম্মাহর খলিফা নিযুক্ত হন। খলিফার দায়িত্ব গ্রহণের আগে তাঁর চলাফেরা ও বেশভূষায় ছিল একজন শৌখিন যুবকের ছাপ।

আতরের সুঘ্রাণ পেলেই মানুষ বুঝতে পারত এ রাস্তা দিয়ে উমর ইবনে আব্দুল আজিজ গিয়েছেন। তাঁর পোশাক-আশাক ও ব্যবহার্য সামগ্রীর মূল্য ছিল আকাশছোঁয়া। কিন্তু সেই উমর খেলাফতের দায়িত্ব গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গেই তাঁর চলাফেরায় আমূল পরিবর্তন চলে এলো। আগের জৌলুস ভরা জীবন পরিত্যাগ করে সরল ও সাধারণ জীবন গ্রহণ করলেন।
(আখবারু উমর ইবনে আব্দুল আজিজ, আবু বকর আজুরি পৃ: ৫৫)

খেলাফত গ্রহণের পর সর্বপ্রথম ভাষণেই তিনি বলেন, ‘হে লোকসকল! আমি কোনো আইন প্রণেতা নই, বরং আমি শরিয়তের আইন বাস্তবায়নকারী।

আমি নতুন কিছু আবিষ্কার করার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত হইনি, বরং রাসুলুল্লাহ (সা.) ও খুলাফায়ে রাশিদিনের সুন্নাহের অনুসরণকারী। তোমরা যদি আমাকে মেনে নাও তাহলে আমি তোমাদের শাসক, নচেৎ আমি তোমাদের শাসক নই।’ ভাষণ শেষে নামার পর আরোহণের জন্য রাজকীয় বাহন আনা হলে তিনি বললেন : ‘না, আমার সাধারণ বাহনই যথেষ্ট, তা আন।’
(সিয়ারু আলামিন নুবালা : ৫/১২৬)

শাসনব্যবস্থার বিরল বৈশিষ্ট্য ও কার্যাবলি

দায়িত্ব গ্রহণের পর খেলাফতব্যবস্থার সংস্কারে দৃঢ় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন। সুশাসন প্রতিষ্ঠা, মজলিসে শুরা বা উপদেষ্টা পরিষদ গঠন, অত্যাচার-নিপীড়নমূলক সব নীতিমালা পরিহার, জনসাধারণের মধ্যে ইলমের প্রচার-প্রসার ও হাদিস সংকলনের সূচনাসহ অনেক কল্যাণমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেন তিনি।

উমরের আড়াই বছরের সংক্ষিপ্ত খেলাফতকালে এমনই প্রাচুর্য হয়েছে যে মানুষ দান করার জন্য মাল বোঝাই করে দরিদ্রদের খুঁজত, কিন্তু কোনো দরিদ্র খুঁজে না পেয়ে সেগুলো নিয়ে ঘরে ফিরে আসত। আলেমদের মধ্যে যারা দ্বিনি শিক্ষাকার্যক্রমের কারণে আয়-রোজগারের পেছনে সময় দিতে পারতেন না, তিনি তাঁদের জন্য কোষাগার থেকে ভাতা চালু করেন।

(সিরাতে উমর বিন আব্দুল আজিজ, ইবনে আব্দুল হাকাম পৃ: ১১০, ১৪১)

তিনি তাঁর মহান পূর্বসূরি খলিফা উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.)-এর ন্যায় মানুষের দুঃখ-দুর্দশার খোঁজ নিতে ছদ্মবেশে জনপদে বের হতেন, মানুষের সমস্যার সমাধা করতেন, অত্যাচারিত ব্যক্তির পাশে দাঁড়াতেন। (প্রাগুক্ত, পৃ: ১১১, ১১৫)

উমর ইবনে আব্দুল আজিজের স্ত্রী ফাতেমা বলেন : একদা আমি তাঁকে দেখলাম জায়নামাজে বসে অঝোরে কাঁদছেন। আমি জিজ্ঞেস করলাম, কোনো দুর্ঘটনা ঘটেছে? তিনি বললেন : ফাতেমা! আমি মুহাম্মাদ (সা.)-এর উম্মতের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়েছি, তাই আমি ক্ষুধার্ত দরিদ্রদের কথা ভাবছি, অসুস্থ, বস্ত্রহীন, দূরদেশে শত্রুদের হাতে বন্দি, শোষিত, অশীতিপর বৃদ্ধ-বৃদ্ধা, প্রত্যন্ত অঞ্চলের অভাবগ্রস্ত পরিবারের কথা ভাবছি। আমাকে আমার রব হাশরের দিন এদের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করবেন এবং তাদের পক্ষে খোদ মুহাম্মাদ (সা.) দাঁড়াবেন। এ কথা ভেবে ভয়ে কাঁদছি যে সেদিন আমার কী অবস্থা হবে।

(সিয়ারু আলামিন নুবালা : ৫/১৩২)

আমর ইবনে মুহাজির বলেন : উমর ইবনে আব্দুল আজিজ (রহ.) যখন সরকারি কাজে ব্যস্ত থাকতেন, তখন সরকারি বাতি ব্যবহার করতেন, কিন্তু যখন সরকারি কাজ শেষ হতো তা নিভিয়ে নিজ মালিকানাধীন বাতি জ্বালাতেন। (প্রাগুক্ত : ৫/১৩৬)

অনাড়ম্বর জীবন ও খোদাভীরুতার কিছু দৃষ্টান্ত

খলিফা হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও সার্বিক জীবনযাপনে তাঁর মতো সাদাসিধা অনাড়ম্বর খোদাভীরু শাসক সত্যিই ইতিহাসের পাতায় বিরল। মাইমুন (রহ.) বলেন, আমি উমর ইবনে আব্দুল আজিজের কাছে ছয় মাস অবস্থান করেছি, আমি তাঁকে একটি জামার বেশি ব্যবহার করতে দেখিনি, যা প্রতি জুমার দিন ধুয়ে শুকানোর পর আবার গায়ে দিতেন। একদা জুমায় আসতে দেরির কারণ জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন : ‘জামাটি ধুয়ে দিয়েছিলাম, তা শুকাতে দেরি হয়েছিল।’

(সিয়ারু আলামিন নুবালা : ৫/১৩২)

একদা উমর ইবনে আব্দুল আজিজ (রহ.) অসুস্থ হলে মাসলামা (রহ.) দেখতে যান। তখন তাঁর জামা ময়লা দেখতে পেয়ে স্ত্রী ফাতেমা, যিনি মাসলামার বোন, তাঁকে জামা ময়লা কেন জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, কী করব? তাঁর এ ছাড়া কোনো জামা নেই, এটি ধুয়ে দিলে জামা ছাড়াই থাকতে হবে। (সিরাতে উমর, ইবনে আব্দুল হাকাম : পৃ: ৪৮)

খেলাফতের দায়িত্ব গ্রহণের পর তাঁর ঘরে সর্বদা অভাব-অনটন লেগেই থাকত। একবার তিনি ঘরে এসে দেখলেন, তাঁর মেয়েরা কথা বলার সময় মুখে হাত চাপা দিচ্ছে। তিনি বললেন, কী ব্যাপার? তারা বলল, আজ ঘরে কোনো তরকারি ছিল না, আমরা পেঁয়াজ দিয়ে রুটি খেয়েছি, আপনার কষ্ট হবে তাই আমরা মুখে হাত চেপে রেখেছি। এতদশ্রবণে তাঁর দুই চোখ অশ্রুসজল হলো। তিনি বললেন, ‘তোমরা কি চাও, তোমরা বিভিন্ন মুখরোচক খাবার খাবে, আর তোমাদের বাবা জাহান্নামের আগুনে জ্বলবে!’ এরপর তাঁরা সবাই কাঁদতে লাগলেন। (প্রাগুক্ত : পৃ: ৫৪)

একবার তাঁর এক কন্যা কানের দুল বানিয়ে দেওয়ার আবেদন করে কাউকে পাঠালে তিনি কন্যার কাছে দুটি জ্বলন্ত অঙ্গার পাঠিয়ে বললেন : ‘যদি তুমি এ দুটি তোমার কানে পরতে পার, তাহলে আমি তোমাকে কানের দুল বানিয়ে দেব।’ (প্রাগুক্ত, পৃ: ১৩৮)

স্ত্রী ফাতেমা বলেন : উমর খুব বেশি নফল পড়তেন না, নফল রোজা রাখতেন না। কিন্তু আল্লাহর কসম, আমি তাঁর মতো অধিক আল্লাহভীরু কাউকে দেখিনি। বিছানায় শুয়ে আল্লাহর কোনো নির্দেশ স্মরণ হলে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতেন এবং বলতেন : ‘হায়! আমার আর এই খেলাফতের দায়িত্বের মধ্যে যদি পূর্ব-পশ্চিমের দূরত্ব হতো।’ আল্লাহর কসম, খেলাফত গ্রহণের পর থেকে আমি তাঁকে কখনো হাসতে দেখিনি। (প্রাগুক্ত, পৃ: ৪৭)

তাঁর ব্যাপারে তাঁর ছেলেকে জিজ্ঞেস করা হলো যে খেলাফত গ্রহণের সময় তিনি কী পরিমাণ সম্পদের মালিক ছিলেন? তিনি বললেন, ৫০ হাজার দিনার (স্বর্ণ মুদ্রা)। এরপর জিজ্ঞেস করা হলো, তাঁর মৃত্যুর সময় কী পরিমাণ সম্পদের মালিক ছিলেন? বলা হলো ২০০ দিনার।

(সিয়ারু আলামিন নুবালা : ৫/১৩৪)

১০১ হিজরি সনের ২০ রজব মুসলিম উম্মাহর এই মহান খলিফা মৃত্যুবরণ করেন। তখন তাঁর বয়স ছিল ৩৯ বছর। তাঁর শাসনকাল ছিল মাত্র দুই বছর পাঁচ মাস। মুসলিম উম্মাহ আজও সহস্রাধিক বছর যাবৎ আরেকজন উমর ইবনে আব্দুল আজিজের অপেক্ষায় আছে। আসবে কী সেই প্রতীক্ষিত উমর!

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন

এই বিভাগের আরও খবর
পরিবারকে আনন্দ দেওয়া সুন্নত
পরিবারকে আনন্দ দেওয়া সুন্নত
মুসলমানের জীবনযাপনে শালীনতা
মুসলমানের জীবনযাপনে শালীনতা
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
ফতোয়া প্রদানে সতর্কতা ও আবশ্যিক শর্ত
ফতোয়া প্রদানে সতর্কতা ও আবশ্যিক শর্ত
সন্তানের দ্বিনি শিক্ষা নিশ্চিত করা আবশ্যক
সন্তানের দ্বিনি শিক্ষা নিশ্চিত করা আবশ্যক
যেসব আচরণ শিখিয়ে গেল মাহে রমজান
যেসব আচরণ শিখিয়ে গেল মাহে রমজান
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
একাধিক মসজিদের আজান শোনা গেলে যা করব
একাধিক মসজিদের আজান শোনা গেলে যা করব
মুমিন যেভাবে আল্লাহর প্রিয় হয়
মুমিন যেভাবে আল্লাহর প্রিয় হয়
ইসলামপূর্ব আরবের ধর্মবিশ্বাস
ইসলামপূর্ব আরবের ধর্মবিশ্বাস
রমজান-পরবর্তী সময়ে মুমিনের করণীয়
রমজান-পরবর্তী সময়ে মুমিনের করণীয়
আমানতের খেয়ানত মারাত্মক অপরাধ
আমানতের খেয়ানত মারাত্মক অপরাধ
সর্বশেষ খবর
পরিবারকে আনন্দ দেওয়া সুন্নত
পরিবারকে আনন্দ দেওয়া সুন্নত

২১ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

মুসলমানের জীবনযাপনে শালীনতা
মুসলমানের জীবনযাপনে শালীনতা

৩৬ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

জবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক হিমেলকে নিকলীতে গণসংবর্ধনা
জবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক হিমেলকে নিকলীতে গণসংবর্ধনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জামায়াতের দাবি বছর শেষে জাতীয় নির্বাচন : রেজাউল করিম
জামায়াতের দাবি বছর শেষে জাতীয় নির্বাচন : রেজাউল করিম

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের বাড়িতে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ
সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের বাড়িতে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সিরাজগঞ্জে ট্রাক-অটোভ্যান সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ২
সিরাজগঞ্জে ট্রাক-অটোভ্যান সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইউনূস-মোদি বৈঠক বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক : গোলাম পরওয়ার
ইউনূস-মোদি বৈঠক বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক : গোলাম পরওয়ার

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গাজীপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জরিমানা
গাজীপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জরিমানা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাইবান্ধায় হস্তশিল্প মেলার নামে চলছে জুয়া ও অশ্লীল নাচ
গাইবান্ধায় হস্তশিল্প মেলার নামে চলছে জুয়া ও অশ্লীল নাচ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নৌকাডুবিতে স্বামীসহ প্রাণ হারালেন ইবি শিক্ষার্থী
নৌকাডুবিতে স্বামীসহ প্রাণ হারালেন ইবি শিক্ষার্থী

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নেতাকর্মীদের সতর্ক করলো সিলেট বিএনপি
নেতাকর্মীদের সতর্ক করলো সিলেট বিএনপি

২ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনা হোক : সালাউদ্দিন আহমেদ
গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনা হোক : সালাউদ্দিন আহমেদ

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মার্কিন শুল্কারোপ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই : খলিলুর রহমান
মার্কিন শুল্কারোপ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই : খলিলুর রহমান

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাঞ্জাবকে বড় ব্যবধানে হারালো রাজস্থান
পাঞ্জাবকে বড় ব্যবধানে হারালো রাজস্থান

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চেন্নাইকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে দিল্লি
চেন্নাইকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে দিল্লি

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে পোশাক শ্রমিকের মৃত্যু
চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে পোশাক শ্রমিকের মৃত্যু

৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রহ্মপুত্র নদে অষ্টমীর স্নান উৎসবে লাখো পুণ্যার্থীর ঢল
ব্রহ্মপুত্র নদে অষ্টমীর স্নান উৎসবে লাখো পুণ্যার্থীর ঢল

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ

৫ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গাজীপুরে ট্রাকের ধাক্কায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
গাজীপুরে ট্রাকের ধাক্কায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শাহবাগে ফুলের দোকানের আগুন নিয়ন্ত্রণে
শাহবাগে ফুলের দোকানের আগুন নিয়ন্ত্রণে

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শাহবাগে ফুলের দোকানে আগুন
শাহবাগে ফুলের দোকানে আগুন

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত ইয়াসিনের পরিবারের পাশে তারেক রহমান
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত ইয়াসিনের পরিবারের পাশে তারেক রহমান

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কু-প্রস্তাবে অসম্মতি জানানোয় বিধবাকে পিটিয়ে আহত, বসতবাড়ি ভাঙচুর
কু-প্রস্তাবে অসম্মতি জানানোয় বিধবাকে পিটিয়ে আহত, বসতবাড়ি ভাঙচুর

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড
এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিএনপি ক্ষমতার পাগল নয়, ক্ষমতা বিএনপির প্রাপ্য : ফজলুর রহমান
বিএনপি ক্ষমতার পাগল নয়, ক্ষমতা বিএনপির প্রাপ্য : ফজলুর রহমান

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শুধু মানুষের নয়, বানরও অর্থবহ ভাষা তৈরি করতে সক্ষম : গবেষণা
শুধু মানুষের নয়, বানরও অর্থবহ ভাষা তৈরি করতে সক্ষম : গবেষণা

৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা
শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা

৮ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক
যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ভারতে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসে খেলাফত মজলিসের উদ্বেগ
ভারতে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসে খেলাফত মজলিসের উদ্বেগ

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সর্বাধিক পঠিত
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি
আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব
ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা
সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন
ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড
এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে
কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম
নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার
হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প
‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী
পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি
হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি

১৪ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার
লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা
চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা

২০ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি
ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা
পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার
৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা
কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু
আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা
আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার
প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার

১৬ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা
ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২
কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক
যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা
শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা

৮ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

প্রিন্ট সর্বাধিক
জটিলতা ৫৫ আসনে
জটিলতা ৫৫ আসনে

পেছনের পৃষ্ঠা

সেন্টমার্টিন এখন অন্যরকম
সেন্টমার্টিন এখন অন্যরকম

পেছনের পৃষ্ঠা

মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক
মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক

প্রথম পৃষ্ঠা

ফের উত্তপ্ত হবে রাজপথ
ফের উত্তপ্ত হবে রাজপথ

প্রথম পৃষ্ঠা

দূরত্ব কাটাবে ঢাকা-দিল্লি
দূরত্ব কাটাবে ঢাকা-দিল্লি

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার
ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত
এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত

প্রথম পৃষ্ঠা

ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান
ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্ষমতার মজা পেয়ে গেছেন উপদেষ্টা পরিষদের সবাই
ক্ষমতার মজা পেয়ে গেছেন উপদেষ্টা পরিষদের সবাই

প্রথম পৃষ্ঠা

বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক
বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক

শোবিজ

সুপার লিগে খেলার লড়াই
সুপার লিগে খেলার লড়াই

মাঠে ময়দানে

রাজবাড়ীতে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির শকুন উদ্ধার
রাজবাড়ীতে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির শকুন উদ্ধার

পেছনের পৃষ্ঠা

মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ

প্রথম পৃষ্ঠা

যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ
যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ

প্রথম পৃষ্ঠা

লাহোরে নিগারদের অনুশীলন
লাহোরে নিগারদের অনুশীলন

মাঠে ময়দানে

বাণিজ্য ছাড়িয়েছিল হাজার কোটি ডলার
বাণিজ্য ছাড়িয়েছিল হাজার কোটি ডলার

পেছনের পৃষ্ঠা

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা
ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

জরাজীর্ণ ভবন, নষ্ট এক্স-রে মেশিন
জরাজীর্ণ ভবন, নষ্ট এক্স-রে মেশিন

দেশগ্রাম

বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০
বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০

প্রথম পৃষ্ঠা

লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি
লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি

দেশগ্রাম

শরীয়তপুরে খোলা মাঠ যেন যুদ্ধক্ষেত্র
শরীয়তপুরে খোলা মাঠ যেন যুদ্ধক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

সংস্কার শেষেই নির্বাচন দিতে হবে
সংস্কার শেষেই নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

একই দিনে দুই বিয়ে
একই দিনে দুই বিয়ে

শোবিজ

তেহরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প
তেহরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প

পূর্ব-পশ্চিম

অভিযোগের জবাবে পরী
অভিযোগের জবাবে পরী

শোবিজ

জংলি নিয়ে দর্শকদের সাড়া দেখে আমি আনন্দিত
জংলি নিয়ে দর্শকদের সাড়া দেখে আমি আনন্দিত

শোবিজ

বিশ্বজুড়ে মানবিক সহায়তার সিংহভাগ যুক্তরাষ্ট্র আর বহন করবে না
বিশ্বজুড়ে মানবিক সহায়তার সিংহভাগ যুক্তরাষ্ট্র আর বহন করবে না

পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে
ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে

সম্পাদকীয়