শিরোনাম
প্রকাশ: ১০:১৪, শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ১৫:৩৯, শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

বিবিসির প্রতিবেদন

অবৈধভাবে কিডনি বিক্রি, মিয়ানমারের দুই নাগরিক জানালেন তাঁদের অভিজ্ঞতা

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
অবৈধভাবে কিডনি বিক্রি, মিয়ানমারের দুই নাগরিক জানালেন তাঁদের অভিজ্ঞতা

দারিদ্র্যের ফাঁদে পড়ে নিজেদের কিডনি বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন মিয়ানমারে অনেক মানুষ। সামরিক অভ্যুত্থানের পর দেশটির অর্থনীতি ভেঙে পড়ায়, জীবনযাত্রার ব্যয় মেটাতে এই পথ বেছে নিচ্ছেন অনেকে। সম্প্রতি মিয়ানমারের একাধিক নাগরিক অবৈধভাবে ভারতে গিয়ে কিডনি বিক্রি করেছেন বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বিবিসি।

বিবিসি-র এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, কীভাবে মিয়ানমারের এক খামার শ্রমিক জেয়া এবং আরেক গ্রামবাসী মায়ো উইনের মতো সাধারণ মানুষরা দারিদ্র্য মোকাবেলায় এ বিপজ্জনক পথে পা বাড়িয়েছেন:

মিয়ানমারের খামার শ্রমিক জেয়া বলেন, "আমি শুধু একটা বাড়ির মালিক হতে চেয়েছিলাম, সঙ্গে ঋণের বোঝা কমাতে চেয়েছিলাম—এ কারণেই কিডনি বিক্রির সিদ্ধান্ত নিই।"

২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর মিয়ানমারে গৃহযুদ্ধ ছড়িয়ে পড়লে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বাড়তে থাকে। জেয়ার আয় কমে যায়, ফলে পরিবারে খরচ বহন করা তার জন্য কঠিন হয়ে ওঠে।

এরই মধ্যে তিনি ঋণেরভারে জর্জরিত হয়ে পড়েন। জেয়ার পুরো পরিবার তার শাশুড়ির বাড়িতে থাকতেন। একটি প্রত্যন্ত গ্রাম, যেখানে দেশের প্রধান শহর ইয়াঙ্গুন থেকে যেতে কয়েক ঘণ্টা লাগে। খড়ের ছাউনি দেওয়া ছোট ঘর, কাঁচা রাস্তার এ গ্রাম। জেয়া জানতেন, তার আশপাশে কয়েকজন কিডনি বিক্রি করেছেন। “তাদের দেখে সুস্থই মনে হচ্ছিল,” বলেন তিনি।

তাই নিজেও কিডনি বিক্রির উপায় খুঁজতে শুরু করেন। জেয়া তাদেরই একজন, যারা ভারতে গিয়ে কিডনি বিক্রি করেছেন। বিবিসি বার্মিজকে ওই অঞ্চলের অন্তত আটজন জানিয়েছেন, তারা একই পথ বেছে নিতে বাধ্য হয়েছেন।

এশিয়াজুড়েই অবৈধ অঙ্গ বাণিজ্য একটি বড় সমস্যা। জেয়ার অভিজ্ঞতা সেই নিষ্ঠুর বাস্তবতারই এক ঝলক তুলে ধরেছে। মিয়ানমার ও ভারতে মানবদেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ কেনাবেচা বেআইনি।

তবে জেয়া জানান, তিনি অল্প কিছুদিনের মধ্যেই এক ব্যক্তির সন্ধান পান, যাকে তিনি ‘দালাল’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

জেয়ার ভাষ্য অনুযায়ী, ওই দালাল তার ডাক্তারি পরীক্ষার ব্যবস্থা করেন এবং কয়েক সপ্তাহ পর জানান, একজন সম্ভাব্য গ্রহীতা পাওয়া গেছে। যিনি একজন বার্মিজ নারী। এরপর অস্ত্রোপচারের জন্য তাদের ভারতে যাওয়ার পরিকল্পনা চূড়ান্ত হয়।

ভারতে দাতা ও গ্রহীতা যদি নিকটাত্মীয় না হন, তবে তাদের প্রমাণ করতে হয় যে, এই দান নিছক মানবিক উদ্দেশ্যে, কোনও বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে নয়।

তাই সেই নিয়ম এড়াতে দালাল একটি ভুয়া নথি তৈরি করে, যা মিয়ানমারের প্রতিটি পরিবারের জন্য থাকা বাধ্যতামূলক নথির অনুরূপ। এতে পরিবারের সদস্যদের বিবরণ লেখা থাকে। "দালাল গ্রহীতার পারিবারিক নথিতে আমার নাম ঢুকিয়ে দেয়," বলেন জেয়া।

তিনি আরও জানান, দালাল নথিটি এমনভাবে সাজান, যাতে মনে হয় তিনি বিবাহসূত্রে আত্মীয়। যিনি রক্তের সম্পর্কিত নন, তবে দূর সম্পর্কের আত্মীয় হিসেবে বিবেচিত হতে পারেন।

কিডনি বিক্রির পক্রিয়া বর্ণনা করে জেয়া বলেন, দালাল তাকে ইয়াঙ্গুনে নিয়ে যান গ্রহীতার সঙ্গে দেখা করেন। সেখানে এক ব্যক্তি, যিনি নিজেকে চিকিৎসক হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন, আরও কিছু নথির কাজ সম্পন্ন করেন।

তিনি সতর্ক করে দেন, যদি জেয়া শেষ মুহূর্তে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেন, তাহলে তাকে বড় অঙ্কের জরিমানা দিতে হবে। বিবিসি পরে ওই ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, তার কাজ কেবল রোগীর শারীরিক উপযুক্ততা পরীক্ষা করা, দাতা ও গ্রহীতার সম্পর্ক যাচাই করা নয়।

জেয়াকে জানানো হয়েছিল, অস্ত্রোপচারের বিনিময়ে তিনি ৭৫ লাখ মিয়ানমার কিয়াত (প্রায় ১,৭০০ থেকে ২,৭০০ মার্কিন ডলার) পাবেন। এরপর তিনি উত্তর ভারতে যান। সেখানে একটি বড় হাসপাতালে অস্ত্রোপচারটি সম্পন্ন হয়।

ভারতে বিদেশি নাগরিকদের অঙ্গ প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে হাসপাতাল বা স্থানীয় সরকারের অধীনে থাকা অনুমোদন কমিটির অনুমোদন প্রয়োজন। জেয়া জানান, অস্ত্রোপচারের আগে এক অনুবাদকের মাধ্যমে চারজন তার সাক্ষাৎকার নেন।

জেয়া জানান, অস্ত্রোপচারের আগে কর্তৃপক্ষ তাকে জিজ্ঞাসা করেছিল যে, তিনি স্বেচ্ছায় কিডনি দান করছেন কি না, কোনও জোরজবরদস্তি ছিল কি না। তিনি বলেন, "আমি তাদের বলেছিলাম যে, গ্রহীতা আমার আত্মীয়, এবং এরপর প্রতিস্থাপনের অনুমোদন দেওয়া হয়," বলেন তিনি।

জেয়ার কথায়, "অস্ত্রোপচারের পর বড় কোনও সমস্যা হয়নি, তবে প্রচণ্ড ব্যথার কারণে আমি সহজে নড়াচড়া করতে পারছিলাম না।” এরপর এক সপ্তাহ তিনি হাসপাতালে কাটিয়েছিলেন বলে জানান।

আরেক দাতা, মায়ো উইন (ছদ্মনাম), বিবিসি-কে বলেন, তিনিও আত্মীয় সাজার ভান করেছিলেন। "দালাল আমাকে একটি কাগজ ধরিয়ে দেয়, এবং তাতে যা লেখা ছিল তা আমাকে মুখস্থ করতে হয়েছিল," বলেন তিনি।

তাকে বলা হয়েছিল, গ্রহীতা তার এক আত্মীয়ের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ। "আমার বিষয়টি পর্যালোচনা করা ব্যক্তি আমার মাকে ফোন করেন, কিন্তু দালাল আগেই একজন 'নকল মা' - এর ব্যবস্থা করে রাখে," বলেন মায়ো উইন।

তিনি আরও জানান, ওই নারী কল ধরে নিশ্চিত করেন, তিনি সত্যিই তার এক আত্মীয়কে কিডনি দান করছেন। মায়ো উইন জানান, তাকেও জেয়ার সমপরিমাণ অর্থের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল।

তবে এটি "দাতব্য অনুদান" হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছিল এবং মায়োকে তার দালালকে মোট অর্থের প্রায় ১০% দিতে হয়েছিল। উভয় দাতাই জানান, অস্ত্রোপচারের আগে তাদের প্রাপ্য অর্থের এক-তৃতীয়াংশ অগ্রিম দেওয়া হয়েছিল।

মায়ো বলেন, অস্ত্রোপচার কক্ষে প্রবেশের মুহূর্তে তার মনে একটাই চিন্তা ঘুরছিল— “আমি সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছি যে, আমাকে একাজ করতেই হবে, কারণ আমি ইতিমধ্যে তাদের টাকা নিয়ে ফেলেছি।”

তিনি আরও বলেন, চরম আর্থিক সংকটের কারণে তিনি এ পথ বেছে নিতে বাধ্য হয়েছিলেন। স্ত্রীর চিকিৎসা খরচ ও ঋণের বোঝা তাকে এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করে।

এই বিভাগের আরও খবর
এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড
এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি
শান্তি আলোচনায় সময় ফুরিয়ে আসছে, রাশিয়াকে হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের
শান্তি আলোচনায় সময় ফুরিয়ে আসছে, রাশিয়াকে হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের
মেক্সিকোতে প্রথম এইচ৫এন১ বার্ড ফ্লু রোগী শনাক্ত
মেক্সিকোতে প্রথম এইচ৫এন১ বার্ড ফ্লু রোগী শনাক্ত
লাশের গন্ধে ভারী মিয়ানমারের সাগাইংয়ের বাতাস
লাশের গন্ধে ভারী মিয়ানমারের সাগাইংয়ের বাতাস
ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন
ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন
সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা
সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা
ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব
ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব
অভিনেতাসহ গ্রেপ্তার ১১, তুরস্কে বয়কট আন্দোলন
অভিনেতাসহ গ্রেপ্তার ১১, তুরস্কে বয়কট আন্দোলন
কানাডায় ভারতীয় নাগরিক খুন
কানাডায় ভারতীয় নাগরিক খুন
‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প
‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প
গাজায় প্রতিদিন ১০০ শিশু নিহত বা আহত হচ্ছে: জাতিসংঘ কর্মকর্তা
গাজায় প্রতিদিন ১০০ শিশু নিহত বা আহত হচ্ছে: জাতিসংঘ কর্মকর্তা
সর্বশেষ খবর
পরিবারকে আনন্দ দেওয়া সুন্নত
পরিবারকে আনন্দ দেওয়া সুন্নত

১২ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

মুসলমানের জীবনযাপনে শালীনতা
মুসলমানের জীবনযাপনে শালীনতা

২৮ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

জবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক হিমেলকে নিকলীতে গণসংবর্ধনা
জবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক হিমেলকে নিকলীতে গণসংবর্ধনা

৫৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

জামায়াতের দাবি বছর শেষে জাতীয় নির্বাচন : রেজাউল করিম
জামায়াতের দাবি বছর শেষে জাতীয় নির্বাচন : রেজাউল করিম

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের বাড়িতে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ
সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের বাড়িতে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সিরাজগঞ্জে ট্রাক-অটোভ্যান সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ২
সিরাজগঞ্জে ট্রাক-অটোভ্যান সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইউনূস-মোদি বৈঠক বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক : গোলাম পরওয়ার
ইউনূস-মোদি বৈঠক বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক : গোলাম পরওয়ার

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গাজীপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জরিমানা
গাজীপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জরিমানা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাইবান্ধায় হস্তশিল্প মেলার নামে চলছে জুয়া ও অশ্লীল নাচ
গাইবান্ধায় হস্তশিল্প মেলার নামে চলছে জুয়া ও অশ্লীল নাচ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নৌকাডুবিতে স্বামীসহ প্রাণ হারালেন ইবি শিক্ষার্থী
নৌকাডুবিতে স্বামীসহ প্রাণ হারালেন ইবি শিক্ষার্থী

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নেতাকর্মীদের সতর্ক করলো সিলেট বিএনপি
নেতাকর্মীদের সতর্ক করলো সিলেট বিএনপি

২ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনা হোক : সালাউদ্দিন আহমেদ
গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনা হোক : সালাউদ্দিন আহমেদ

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মার্কিন শুল্কারোপ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই : খলিলুর রহমান
মার্কিন শুল্কারোপ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই : খলিলুর রহমান

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাঞ্জাবকে বড় ব্যবধানে হারালো রাজস্থান
পাঞ্জাবকে বড় ব্যবধানে হারালো রাজস্থান

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চেন্নাইকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে দিল্লি
চেন্নাইকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে দিল্লি

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে পোশাক শ্রমিকের মৃত্যু
চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে পোশাক শ্রমিকের মৃত্যু

৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রহ্মপুত্র নদে অষ্টমীর স্নান উৎসবে লাখো পুণ্যার্থীর ঢল
ব্রহ্মপুত্র নদে অষ্টমীর স্নান উৎসবে লাখো পুণ্যার্থীর ঢল

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ

৫ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গাজীপুরে ট্রাকের ধাক্কায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
গাজীপুরে ট্রাকের ধাক্কায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শাহবাগে ফুলের দোকানের আগুন নিয়ন্ত্রণে
শাহবাগে ফুলের দোকানের আগুন নিয়ন্ত্রণে

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শাহবাগে ফুলের দোকানে আগুন
শাহবাগে ফুলের দোকানে আগুন

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত ইয়াসিনের পরিবারের পাশে তারেক রহমান
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত ইয়াসিনের পরিবারের পাশে তারেক রহমান

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কু-প্রস্তাবে অসম্মতি জানানোয় বিধবাকে পিটিয়ে আহত, বসতবাড়ি ভাঙচুর
কু-প্রস্তাবে অসম্মতি জানানোয় বিধবাকে পিটিয়ে আহত, বসতবাড়ি ভাঙচুর

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড
এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিএনপি ক্ষমতার পাগল নয়, ক্ষমতা বিএনপির প্রাপ্য : ফজলুর রহমান
বিএনপি ক্ষমতার পাগল নয়, ক্ষমতা বিএনপির প্রাপ্য : ফজলুর রহমান

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শুধু মানুষের নয়, বানরও অর্থবহ ভাষা তৈরি করতে সক্ষম : গবেষণা
শুধু মানুষের নয়, বানরও অর্থবহ ভাষা তৈরি করতে সক্ষম : গবেষণা

৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা
শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা

৮ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক
যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ভারতে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসে খেলাফত মজলিসের উদ্বেগ
ভারতে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসে খেলাফত মজলিসের উদ্বেগ

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সর্বাধিক পঠিত
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি
আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব
ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা
সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন
ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে
কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে

১২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড
এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম
নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার
হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প
‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী
পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি
হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি

১৪ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার
লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা
চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা

২০ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি
ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা
পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার
৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা
কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু
আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার
প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার

১৬ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা
আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা
ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২
কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা
শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা

৮ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক
যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জটিলতা ৫৫ আসনে
জটিলতা ৫৫ আসনে

পেছনের পৃষ্ঠা

সেন্টমার্টিন এখন অন্যরকম
সেন্টমার্টিন এখন অন্যরকম

পেছনের পৃষ্ঠা

মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক
মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক

প্রথম পৃষ্ঠা

দূরত্ব কাটাবে ঢাকা-দিল্লি
দূরত্ব কাটাবে ঢাকা-দিল্লি

প্রথম পৃষ্ঠা

ফের উত্তপ্ত হবে রাজপথ
ফের উত্তপ্ত হবে রাজপথ

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার
ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত
এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত

প্রথম পৃষ্ঠা

ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান
ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্ষমতার মজা পেয়ে গেছেন উপদেষ্টা পরিষদের সবাই
ক্ষমতার মজা পেয়ে গেছেন উপদেষ্টা পরিষদের সবাই

প্রথম পৃষ্ঠা

বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক
বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক

শোবিজ

সুপার লিগে খেলার লড়াই
সুপার লিগে খেলার লড়াই

মাঠে ময়দানে

রাজবাড়ীতে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির শকুন উদ্ধার
রাজবাড়ীতে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির শকুন উদ্ধার

পেছনের পৃষ্ঠা

মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ

প্রথম পৃষ্ঠা

যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ
যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ

প্রথম পৃষ্ঠা

বাণিজ্য ছাড়িয়েছিল হাজার কোটি ডলার
বাণিজ্য ছাড়িয়েছিল হাজার কোটি ডলার

পেছনের পৃষ্ঠা

লাহোরে নিগারদের অনুশীলন
লাহোরে নিগারদের অনুশীলন

মাঠে ময়দানে

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা
ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

জরাজীর্ণ ভবন, নষ্ট এক্স-রে মেশিন
জরাজীর্ণ ভবন, নষ্ট এক্স-রে মেশিন

দেশগ্রাম

বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০
বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০

প্রথম পৃষ্ঠা

লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি
লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি

দেশগ্রাম

শরীয়তপুরে খোলা মাঠ যেন যুদ্ধক্ষেত্র
শরীয়তপুরে খোলা মাঠ যেন যুদ্ধক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

সংস্কার শেষেই নির্বাচন দিতে হবে
সংস্কার শেষেই নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

একই দিনে দুই বিয়ে
একই দিনে দুই বিয়ে

শোবিজ

তেহরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প
তেহরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প

পূর্ব-পশ্চিম

অভিযোগের জবাবে পরী
অভিযোগের জবাবে পরী

শোবিজ

জংলি নিয়ে দর্শকদের সাড়া দেখে আমি আনন্দিত
জংলি নিয়ে দর্শকদের সাড়া দেখে আমি আনন্দিত

শোবিজ

বিশ্বজুড়ে মানবিক সহায়তার সিংহভাগ যুক্তরাষ্ট্র আর বহন করবে না
বিশ্বজুড়ে মানবিক সহায়তার সিংহভাগ যুক্তরাষ্ট্র আর বহন করবে না

পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে
ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে

সম্পাদকীয়