শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ০০:১৮, সোমবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

চাপমুক্ত প্রশাসন এবং ড. ইউনূসের দর্শন

বিশেষ প্রতিনিধি
প্রিন্ট ভার্সন
চাপমুক্ত প্রশাসন এবং ড. ইউনূসের দর্শন

১৬ ফেব্রুয়ারি রবিবার বাংলাদেশে জেলা প্রশাসক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। তিন দিনের এ সম্মেলন শেষে জেলা প্রশাসকরা তাদের নিজ নিজ জেলায় ফিরে গেছেন। জেলায় ফিরে যাওয়ার পর তাদের মধ্যে এক ধরনের নির্ভার উদ্দীপ্ত মনোভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ঢাকা থেকে নিজ নিজ এলাকায় গিয়ে তারা আগের থেকে অনেক বেশি কর্মস্পৃহায় ঝাঁপিয়ে পড়েছেন। জেলা প্রশাসক সম্মেলনের ফল পেতে শুরু করেছি আমরা খুব দ্রুতই। একটি সম্মেলনের পর দ্রুত মাঠ প্রশাসনের এ রকম ইতিবাচক পরিবর্তন অতীতে কখনো হয়নি।

এক সপ্তাহে দেশের বিভিন্ন স্থানে জেলা প্রশাসনের কর্মকান্ড বিশ্লেষণ করে দেখা যায় যে, তারা দ্রুত সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। অনেক জায়গায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির জন্য তারা সমন্বয় সভা করছেন এবং প্রশাসনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে যে স্থবিরতা তা দূর করার জন্য তারা নতুন উদ্যমে কাজ করছেন। একটি সম্মেলন কীভাবে টনিকের মতো কাজ করে তার বড় প্রমাণ হতে পারে জেলা প্রশাসক সম্মেলন। জেলা প্রশাসকরা এ সম্মেলনের সবচেয়ে বড় উদ্দীপনা হিসেবে দেখছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নীতিনির্ধারণী বক্তৃতা। জেলা প্রশাসকরা নিজেরাই বলছেন যে, এই প্রথম সরকারের প্রধান নির্বাহী এমনভাবে বক্তব্য দিলেন যাতে মনে হচ্ছে যে আমরা সত্যিকারের একটি দিকনির্দেশনা পেয়েছি। জেলা প্রশাসকদের এ সম্মেলনে প্রথমেই ড. মুহাম্মদ ইউনূস নিজেকে প্রধান অতিথি হিসেবে অভিহিত করায় অভিমান প্রকাশ করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন যে, প্রধান অতিথি বলে আমাকে দূরে ঠেলে দেওয়া হলো। এরপর ড. মুহাম্মদ ইউনূস যে মূল বক্তব্যটি দেন, সেই বক্তব্যে তিনি পুরো প্রশাসনকে (মাঠ প্রশাসন থেকে প্রধান উপদেষ্টা পদ পর্যন্ত) একটি টিম হিসেবে চিহ্নিত করেন। তিনি খেলার সঙ্গে তুলনা করে বলেছিলেন যে, একটি টিমে সবাই যদি ঠিকঠাক মতো কাজ না করতে পারে, তাহলে যেমন দল ভালো করতে পারে না, তেমনি প্রশাসন সমন্বিতভাবে খেলতে না পারে, প্রত্যেকের মধ্যে যদি সমন্বয় না থাকে তাহলে প্রশাসন ঠিকমতো কাজ করে না।

৫৩ বছর ধরে আমরা দেখেছি যে প্রশাসনকে ব্যবহার করা হয়েছে দলীয় স্বার্থের জন্য। ক্ষমতাসীনরা ক্ষমতায় থাকার জন্য প্রশাসনকে ব্যবহার করছেন। প্রশাসন হয়েছে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের হাতিয়ার। আর এ কারণেই প্রশাসনের মধ্যে একটি বড় অংশ তাদের ক্যারিয়ারের জন্য এবং নানা রকম উচ্চাকাক্সক্ষা পোষণের জন্য সরকারি দলের লেজুড়বৃত্তি করেছে। এর ফলে নৈতিকতাহীন মোসাহেবি প্রশাসন কায়েম হয়েছিল গোটা দেশে। কারণ প্রশাসনের কাছে সুস্পষ্ট একটা বার্তা শুরুতেই ক্ষমতাসীনদের পক্ষ থেকে দেওয়া হতো যে, তারা যত সরকারের অনুগত হবে, তাতে তাদের পদোন্নতি হবে, ভালো পোস্টিং হবে। দলীয় আনুগত্য নির্ভর প্রশাসন যে দেশসেবা করতে পারে না, তার প্রমাণ নিকট অতীতেই আমরা পেয়েছি। যার কারণে আমরা দেখি প্রশাসনের মধ্যে একটি ভয়াবহ রাজনৈতিক প্রবণতা। প্রশাসনের কর্মকর্তাদের যে মেধা, দক্ষতা এবং সৃজনশীল শক্তি সেটি তারা কাজে লাগায় না। বরং সবসময় রাজনৈতিক অভিপ্রায় বাস্তবায়নের জন্য তাদের কাজ করতে হয়েছে। এ কাজ না করলে তাদের শাস্তি পেতে হয়েছে। আমরা সম্প্রতি দেখলাম যে, ২০১৮ সালের রাতের ভোটে নির্বাচনে যারা রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছিলেন, সেসব রিটার্নিং অফিসারকে প্রথম ওএসডি এবং বেশ কয়েকজনকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে। দায়িত্ব পালনে অযোগ্য এবং অক্ষম কর্মকর্তাদের যাদের চাকরির বয়স ২৫ বছর অতিক্রান্ত হয়েছে, তাদের বিদায় করা হয়েছে।

অনেকে প্রশ্ন করতে পারেন প্রশাসনের দোষ কী? তারা তো সরকারের অনুগত আজ্ঞাবহ হবেই। সর্বোচ্চ মহলের নির্দেশনা মানার বিকল্প কি ছিল তাদের হাতে? সরকার তাদের নির্বাচন পরিচালনার জন্য যেভাবে নির্দেশনা দিয়েছে সেভাবেই তো তারা কাজটি করবেন। কিন্তু বাস্তবতা যে এমনটি নয়, সেটি ড. মুহাম্মদ ইউনূসের রাষ্ট্র চিন্তা দর্শন থেকেই সুস্পষ্টভাবে বোঝা গেল। ১৬ ফেব্রুয়ারি তিনি জেলা প্রশাসক সম্মেলনে সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হিসেবে অভিহিত করেছেন। তাদের ভয় ভীতির ঊর্ধ্বে উঠে কাজ করার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি কারও রক্তচক্ষুকে ভয় না পাওয়ার জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন। অর্থাৎ প্রশাসনের দায়িত্ব সম্পর্কে একটি সুবিন্যস্ত রূপরেখা এই প্রথমবারের মতো একজন সরকারপ্রধান উপস্থাপন করলেন।

প্রজাতন্ত্রের একজন কর্মচারী রাষ্ট্রের কর্মচারী। কোনো সরকার বা কোনো রাজনৈতিক দলের না। এটি প্রশাসনের কর্মকর্তাদের প্রথম বুঝতে হবে। জনগণের জন্য আইন অনুযায়ী যেটি করণীয় সেটাই তাদের করতে হবে। রাতের ভোট আদেশ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে না। এটি সুস্পষ্ট ভাবেই তার চাকরির শর্ত ভঙ্গ। কারণ সরকারি কর্মকর্তারা জনগণের কাছে দায়বদ্ধ। জনগণের ট্যাক্সের টাকায় তাদের বেতন হয়। আর এ কারণেই সেই সময় যে সব জেলা প্রশাসক রিটার্নিং অফিসের দায়িত্ব পালন করছিলেন, তাদের উচিত ছিল এ ধরনের ব্যবস্থার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো, প্রতিবাদ করা। এমনকি কিছু না পারলে দায়িত্ব থেকে সরে যাওয়ার জন্য আবেদন করা। কিন্তু সেটি তারা করেননি। এটি না করার কারণ হলো যে, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সংস্কৃতি। ২০১৮ নির্বাচনের পরে আমরা দেখেছি প্রশাসন যেন ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের একটি শাখায় পরিণত হয়েছে। ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল যেভাবে প্রশাসনকে পরিচালনা করতে চেয়েছে, প্রশাসন ঠিক সেভাবেই কাজ করেছে। পুরো প্রশাসন যেন ক্ষমতাসীন দলের অঙ্গসংগঠনে পরিণত হয়েছিল। প্রশাসনের ভিতর যারা চাটুকার, তেলবাজ, দুর্নীতিবাজ, অযোগ্য তারাই বিভিন্ন জায়গায় পদোন্নতি পেয়েছিলেন তাদের আনুগত্যের জন্য। এ অবস্থা থেকে অবসানের জন্য বাংলাদেশের দরকার ছিল একটি সুনির্দিষ্ট রূপ পরিকল্পনা, একটি দর্শন। আর সেই দর্শনটিই উপস্থাপন করলেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এটি দেশের প্রশাসনের জন্য একটি মাইলফলক।

একজন প্রশাসনের কর্মকর্তা প্রথম থেকে যদি মনে করেন যে, তিনি প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী এবং এই রাষ্ট্র তাকে নিয়োগ দিয়েছে আইন অনুযায়ী কাজ করার জন্য, আইনের ব্যত্যয় যদি কোনো কাজ হয় সেই কাজটি তিনি করতে বাধ্য নন তাহলে কিন্তু প্রশাসনে সুস্পষ্ট শৃঙ্খলা ফিরে আসে।

ড. মুহাম্মদ ইউনূস তার ভাষণে চারটি দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রেখেছেন, যেটি পরবর্তী সরকারগুলো এবং বাংলাদেশের প্রশাসনের জন্য একটি গাইডলাইন এবং অবশ্য পালনীয়। বাংলাদেশের প্রশাসন যদি পরবর্তী সময়ে এ নির্দেশনা বা দর্শনটি মেনে চলে তাহলে বাংলাদেশের রাষ্ট্রব্যবস্থা পাল্টে যেত। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের এ চার দফা দর্শনে কী আছে? প্রথমত, প্রশাসনকে নির্মোহ এবং নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে হবে। ড. মুহাম্মদ ইউনূস কখনো বলেননি যে, এখন অন্তর্বর্তী সরকার আছে, অন্তর্বর্তী সরকার যা বলবে সেই কাজটিই করতে হবে। তিনি বলেননি যে, অন্তর্বর্তী সরকারের স্তুতি করতে হবে, অন্তর্বর্তী সরকারের চাটুকারিতা করতে হবে। তিনি সুস্পষ্টভাবে বলেছেন যে, প্রশাসনকে নির্মোহ এবং নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে হবে। অর্থাৎ প্রশাসন যদি মনে করে যে, একটি সরকার ভুল সিদ্ধান্ত নিচ্ছে বা একটি ভুল নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে সেটি সরকারের গোচরে আনা এবং ভুলটা শুধরে দেওয়ার জন্য তার জায়গা থেকে উদ্যোগ গ্রহণ করার জন্য তিনি সুস্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন।

দ্বিতীয়ত, তিনি প্রশাসনকে জনবান্ধব হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। আমরা স্বাধীনতার ৫৩ বছর পর দেখি প্রশাসনের সঙ্গে জনগণের একটা দুস্তর দূরত্ব রয়েছে। জনগণ প্রশাসনের কাছে অনেক সময়ই ঠিকঠাক মতো সেবা পান না। নানারকম হয়রানি তাদের পোহাতে হয়। বিশেষ করে ভূমি, জন্মনিবন্ধন ইত্যাদি ক্ষেত্রে জনভোগান্তির কথা সর্বজনবিদিত। একারণেই যথার্থভাবে ড. মুহাম্মদ ইউনূস চিহ্নিত করে প্রশাসনকে জনবান্ধব হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। একজন প্রশাসক বা সরকারি কর্মকর্তা যদি জনবান্ধব হন তাহলে তিনি নির্মোহ এবং নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে বাধ্য। একটি আরেকটির সঙ্গে সমন্বিত। যখন তিনি জনবান্ধব হবেন তখন তিনি জনগণের মনের কথাগুলো বুঝতে পারবেন, জনগণের আকাক্সক্ষাগুলোকে ধারণ করতে পারবেন। জনগণ কী চাচ্ছে সেটা উপলব্ধি করতে পারবেন। এ উপলব্ধি তাকে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং নির্মোহভাবে কাজ করতে বাধ্য করবে। অর্থাৎ একজন প্রশাসক যদি জনবান্ধব হন এবং জনগণের সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানের জনগণের কাছাকাছি থাকেন, তাহলে তিনি কোনো অন্যায় করতে পারেন না- এ বার্তাটি ড. মুহাম্মদ ইউনূসই প্রথম জাতির কাছে উপস্থাপন করলেন।

তৃতীয়ত, ড. মুহাম্মদ ইউনূস প্রশাসনকে সৃজনশীলতায় এবং উদ্ভাবনী শক্তি প্রয়োগের জন্য পরামর্শ দিয়েছেন। বাংলাদেশে যারা প্রশাসন ক্যাডারে কাজ করেন, তারা সবাই সৃজনশীল এবং মেধাবী। বাংলাদেশে যে পরীক্ষা কাঠামোয় সরকারি কর্মচারীদের নিয়োগ হয় তাতে, মেধাবী শিক্ষার্থীরাই সরকারি চাকরিতে প্রবেশ করেন। অথচ সরকারি চাকরিতে গিয়ে তারা তাদের সৃজনশীলতা ব্যবহার করেন না নানা বাস্তবতায়। একটি কেরানি কর্মের মধ্যে তারা নিজেদের যুক্ত করেন। কিন্তু তারা যদি তাদের সৃজনশীলতা এবং উদ্ভাবনী শক্তি প্রয়োগ করেন, তারা যদি তাদের মেধাকে প্রশাসনিক কাজে লাগান, তাহলে অনেক দক্ষ হয়। লাল ফিতার আমলাতান্ত্রিক দৌরাত্ম্য থেকেও আমরা মুক্ত হতে পারি। বিশেষ করে এখন উদ্ভাবনীর যুগ। আইটিসহ বিভিন্ন বিষয়ে সৃজনশীলতার মাধ্যমে একদিকে যেমন জনসেবা দ্রুত দেওয়া যায় তেমনি সমস্যা সমাধানেও দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যায়। আর এ কাজটি করার জন্য ড. মুহাম্মদ ইউনূসের যে খোলা বার্তা, সেই বার্তাটা অনেক বড় টনিক হিসেবে কাজ করেছে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের মধ্যে।

চতুর্থত. ড. ইউনূস সব সিদ্ধান্তের জন্য ওপরের দিকে না তাকিয়ে সক্রিয় এবং স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা তুলে দিয়েছেন মাঠ প্রশাসনের হাতে। অর্থাৎ গত ৫৩ বছর আমরা যে প্রশাসন সংস্কার দেখেছি তা ছিল খুবই কেন্দ্রীভূত প্রশাসনব্যবস্থা। কেন্দ্র থেকে আরও নির্দিষ্ট করে বললে সচিবালয় থেকেই সবকিছু নিয়ন্ত্রিত হয়। সচিবালয় থেকে যেভাবে সিদ্ধান্ত দেওয়া হয় সেভাবেই একজন জেলা প্রশাসক কাজ করেন। জেলা প্রশাসক সিদ্ধান্তের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের দিকে তাকিয়ে থাকতে হয়। কিন্তু সেই রীতি ভেঙে দেওয়ার ডাক দিয়েছেন সরকাপ্রধান। তিনি সুস্পষ্টভাবে বলেছেন যে, স্থানীয় যে সমস্যা সেটি স্থানীয়ভাবেই সমাধানের জন্য কাজ করতে হবে। সেটি যদি তারা করতে পারেন তাহলে একদিকে যেমন দ্রুত সিদ্ধান্ত দেওয়া সম্ভব হবে অন্যদিকে মাঠ প্রশাসনের দক্ষতাও বৃদ্ধি পাবে।

এ চারটি নির্দেশনার মাধ্যমে তিনি জেলা প্রশাসকদের নয়, পুরো প্রশাসনের জন্যই একটি নতুন কর্ম কৌশল দিয়েছেন। একজন প্রশাসক তিনি জনগণের কর্মচারী, তিনি জনসেবার জন্য এ দায়িত্ব পালন করছেন। জনগণের বিপক্ষে আইনের ব্যত্যয় ঘটিয়ে কোনো রাজনৈতিক দলকে তুষ্ট করার জন্য কোনো কাজ কখনো সরকারি কর্মকর্তা করবেন না, যদি তিনি এ পরামর্শগুলো মেনে চলেন। প্রশাসন যদি স্বাধীন, নিরপেক্ষ এবং সৃজনশীলভাবে কাজ করতে পারে তাহলেই একটি জনবান্ধব প্রশাসন গড়ে উঠতে পারে। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের এ দর্শন আগামী দিনে প্রশাসনের জন্য একটি সুপ্রসারী ভূমিকা রাখবে বলে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা মনে করেন। আর এ প্রভাব প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে যাবে, তখন সত্যি সত্যি আমরা একটি কার্যকর, নিরপেক্ষ এবং জনবান্ধব প্রশাসন পাব।

এই বিভাগের আরও খবর
আওয়ামী লীগের বিচার চায় বিএনপি
আওয়ামী লীগের বিচার চায় বিএনপি
ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা
ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা
বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০
বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০
যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ
যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ
মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক
মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক
ঢাকায় আইএমএফ প্রতিনিধিদল
ঢাকায় আইএমএফ প্রতিনিধিদল
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
টালমাটাল বিশ্ববাণিজ্য
টালমাটাল বিশ্ববাণিজ্য
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে
সংস্কার শেষেই নির্বাচন দিতে হবে
সংস্কার শেষেই নির্বাচন দিতে হবে
ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার
ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার
ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান
ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান
সর্বশেষ খবর
পরিবারকে আনন্দ দেওয়া সুন্নত
পরিবারকে আনন্দ দেওয়া সুন্নত

৪ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

মুসলমানের জীবনযাপনে শালীনতা
মুসলমানের জীবনযাপনে শালীনতা

১৯ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

জবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক হিমেলকে নিকলীতে গণসংবর্ধনা
জবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক হিমেলকে নিকলীতে গণসংবর্ধনা

৪৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

জামায়াতের দাবি বছর শেষে জাতীয় নির্বাচন : রেজাউল করিম
জামায়াতের দাবি বছর শেষে জাতীয় নির্বাচন : রেজাউল করিম

৫৩ মিনিট আগে | রাজনীতি

সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের বাড়িতে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ
সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের বাড়িতে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ

৫৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সিরাজগঞ্জে ট্রাক-অটোভ্যান সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ২
সিরাজগঞ্জে ট্রাক-অটোভ্যান সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ২

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইউনূস-মোদি বৈঠক বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক : গোলাম পরওয়ার
ইউনূস-মোদি বৈঠক বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক : গোলাম পরওয়ার

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গাজীপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জরিমানা
গাজীপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জরিমানা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাইবান্ধায় হস্তশিল্প মেলার নামে চলছে জুয়া ও অশ্লীল নাচ
গাইবান্ধায় হস্তশিল্প মেলার নামে চলছে জুয়া ও অশ্লীল নাচ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নৌকাডুবিতে স্বামীসহ প্রাণ হারালেন ইবি শিক্ষার্থী
নৌকাডুবিতে স্বামীসহ প্রাণ হারালেন ইবি শিক্ষার্থী

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নেতাকর্মীদের সতর্ক করলো সিলেট বিএনপি
নেতাকর্মীদের সতর্ক করলো সিলেট বিএনপি

২ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনা হোক : সালাউদ্দিন আহমেদ
গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনা হোক : সালাউদ্দিন আহমেদ

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মার্কিন শুল্কারোপ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই : খলিলুর রহমান
মার্কিন শুল্কারোপ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই : খলিলুর রহমান

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাঞ্জাবকে বড় ব্যবধানে হারালো রাজস্থান
পাঞ্জাবকে বড় ব্যবধানে হারালো রাজস্থান

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চেন্নাইকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে দিল্লি
চেন্নাইকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে দিল্লি

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে পোশাক শ্রমিকের মৃত্যু
চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে পোশাক শ্রমিকের মৃত্যু

৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রহ্মপুত্র নদে অষ্টমীর স্নান উৎসবে লাখো পুণ্যার্থীর ঢল
ব্রহ্মপুত্র নদে অষ্টমীর স্নান উৎসবে লাখো পুণ্যার্থীর ঢল

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ

৫ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গাজীপুরে ট্রাকের ধাক্কায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
গাজীপুরে ট্রাকের ধাক্কায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শাহবাগে ফুলের দোকানের আগুন নিয়ন্ত্রণে
শাহবাগে ফুলের দোকানের আগুন নিয়ন্ত্রণে

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শাহবাগে ফুলের দোকানে আগুন
শাহবাগে ফুলের দোকানে আগুন

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত ইয়াসিনের পরিবারের পাশে তারেক রহমান
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত ইয়াসিনের পরিবারের পাশে তারেক রহমান

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কু-প্রস্তাবে অসম্মতি জানানোয় বিধবাকে পিটিয়ে আহত, বসতবাড়ি ভাঙচুর
কু-প্রস্তাবে অসম্মতি জানানোয় বিধবাকে পিটিয়ে আহত, বসতবাড়ি ভাঙচুর

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড
এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিএনপি ক্ষমতার পাগল নয়, ক্ষমতা বিএনপির প্রাপ্য : ফজলুর রহমান
বিএনপি ক্ষমতার পাগল নয়, ক্ষমতা বিএনপির প্রাপ্য : ফজলুর রহমান

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শুধু মানুষের নয়, বানরও অর্থবহ ভাষা তৈরি করতে সক্ষম : গবেষণা
শুধু মানুষের নয়, বানরও অর্থবহ ভাষা তৈরি করতে সক্ষম : গবেষণা

৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা
শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা

৮ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক
যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ভারতে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসে খেলাফত মজলিসের উদ্বেগ
ভারতে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসে খেলাফত মজলিসের উদ্বেগ

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সর্বাধিক পঠিত
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি
আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব
ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা
সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন
ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে
কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে

১২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড
এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম
নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার
হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প
‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী
পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি
হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি

১৪ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার
লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা
চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা

২০ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি
ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা
পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার
৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা
কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু
আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার
প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার

১৬ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা
আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা
ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২
কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা
শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা

৮ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক
যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জটিলতা ৫৫ আসনে
জটিলতা ৫৫ আসনে

পেছনের পৃষ্ঠা

সেন্টমার্টিন এখন অন্যরকম
সেন্টমার্টিন এখন অন্যরকম

পেছনের পৃষ্ঠা

মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক
মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক

প্রথম পৃষ্ঠা

দূরত্ব কাটাবে ঢাকা-দিল্লি
দূরত্ব কাটাবে ঢাকা-দিল্লি

প্রথম পৃষ্ঠা

ফের উত্তপ্ত হবে রাজপথ
ফের উত্তপ্ত হবে রাজপথ

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার
ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত
এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত

প্রথম পৃষ্ঠা

ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান
ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্ষমতার মজা পেয়ে গেছেন উপদেষ্টা পরিষদের সবাই
ক্ষমতার মজা পেয়ে গেছেন উপদেষ্টা পরিষদের সবাই

প্রথম পৃষ্ঠা

বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক
বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক

শোবিজ

সুপার লিগে খেলার লড়াই
সুপার লিগে খেলার লড়াই

মাঠে ময়দানে

রাজবাড়ীতে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির শকুন উদ্ধার
রাজবাড়ীতে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির শকুন উদ্ধার

পেছনের পৃষ্ঠা

মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ

প্রথম পৃষ্ঠা

যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ
যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ

প্রথম পৃষ্ঠা

বাণিজ্য ছাড়িয়েছিল হাজার কোটি ডলার
বাণিজ্য ছাড়িয়েছিল হাজার কোটি ডলার

পেছনের পৃষ্ঠা

লাহোরে নিগারদের অনুশীলন
লাহোরে নিগারদের অনুশীলন

মাঠে ময়দানে

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা
ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

জরাজীর্ণ ভবন, নষ্ট এক্স-রে মেশিন
জরাজীর্ণ ভবন, নষ্ট এক্স-রে মেশিন

দেশগ্রাম

বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০
বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০

প্রথম পৃষ্ঠা

লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি
লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি

দেশগ্রাম

শরীয়তপুরে খোলা মাঠ যেন যুদ্ধক্ষেত্র
শরীয়তপুরে খোলা মাঠ যেন যুদ্ধক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

সংস্কার শেষেই নির্বাচন দিতে হবে
সংস্কার শেষেই নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

একই দিনে দুই বিয়ে
একই দিনে দুই বিয়ে

শোবিজ

তেহরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প
তেহরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প

পূর্ব-পশ্চিম

অভিযোগের জবাবে পরী
অভিযোগের জবাবে পরী

শোবিজ

জংলি নিয়ে দর্শকদের সাড়া দেখে আমি আনন্দিত
জংলি নিয়ে দর্শকদের সাড়া দেখে আমি আনন্দিত

শোবিজ

বিশ্বজুড়ে মানবিক সহায়তার সিংহভাগ যুক্তরাষ্ট্র আর বহন করবে না
বিশ্বজুড়ে মানবিক সহায়তার সিংহভাগ যুক্তরাষ্ট্র আর বহন করবে না

পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে
ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে

সম্পাদকীয়