শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শনিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ০১:৪২, শনিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৫

হাত বাড়ালেই মাদক

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দুর্বলতায় বেপরোয়া কারবারিরা
সাখাওয়াত কাওসার
প্রিন্ট ভার্সন
হাত বাড়ালেই মাদক

রাজধানীর কাঁঠালবাগান ফ্রি স্কুল স্ট্রিট এলাকা। ৭ জানুয়ারি রাত দেড়টা। দুই যুবকের মাঝখানে এক যুবতী হাঁটছিলেন। তাদের বয়স ২০ থেকে ২২ বছরের মতো। কেউই ঠিকমতো হাঁটতে পারছিলেন না। বুঁদ হয়েছিলেন নেশায়। কিছুদূর এগিয়ে বসে পড়লেন একটি ভ্যানের ওপর। ৫-৭ মিনিট জিরিয়ে আবার এগোচ্ছিলেন। কয়েকটি সিএনজি অটোরিকশা চালকের সঙ্গে কথা বলছিলেন তারা।

মনে হচ্ছিল, তাদের গন্তব্যের বিষয়টি ঠিকমতো বুঝিয়ে বলতে পারছিলেন না চালককে। একসময় একটি সিএনজি ম্যানেজ করে কোনোমতে উঠে পড়েন যুবতী। অপর দুই যুবক পাশের একটি গলিতে ঢুকে পড়েন। বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধান চালাতেই জানা গেল ভয়ংকর সব তথ্য। ওই এলাকারই একটি নির্মাণাধীন ভবনে তৈরি হয়েছে মাদক স্পট। স্থানীয় অনেক প্রভাবশালী এর দেখভাল করছেন।

ওপরের কেস স্টাডির মতো রাজধানীর বিভিন্ন এলাকাতে এমন দৃশ্যের অবতারণা হচ্ছে হরহামেশাই। স্পটের দেখা মিলছে রীতিমতো অলিগলিতে। চাহিবা মাত্র ইহার বাহককে দিতে বাধ্য থাকিবে টাকার লেখা স্লোগানটির মতোই অনেকটা হাত বাড়ালেই মিলছে ভয়ংকর সব ড্রাগস। তবে শর্ত একটাই, প্রয়োজন হবে কোনো মাদকসেবীর রেফারেন্স। ইতোমধ্যে বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার পক্ষ থেকে মাদকের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযানের কথা বলা হলেও বহাল তবিয়তে মাদক কারবারিরা। প্রশ্ন উঠছে অভিযানকারীদের সক্ষমতা নিয়েও।

খবর মিলছে, আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর দুর্বলতার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বেপরোয়া হয়ে উঠছে মাদক মাফিয়া এবং গ্রহীতারা। বিভিন্ন সংস্থার প্রতিবেদনে আগে রাজধানীতে সাড়ে ৩০০ মাদক স্পটের কথা উল্লেখ করা হলেও বর্তমানে তা দেড় হাজার ছাড়িয়েছে। বাইরে থেকে টং দোকানের মতো দেখালেও সেখানে বিক্রি হচ্ছে হরেক রকমের মরণনেশা। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গত জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের সুযোগ কাজে লাগিয়েছে মাদক মাফিয়ারা। কেবল ওই সময়েই দেশে যে পরিমাণ মাদক মজুত করা হয়েছে তা দিয়ে আগামী দুই-তিন বছর চলে যাবে মন্তব্য করেছেন তাদের অনেকে।

অপরাধ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শেখ হাসিনা সরকারের পতনে বিশেষ ভূমিকা পালন করা ছাত্র সমন্বয়ক এমনকি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা মাদকের বিষয়টি এড়িয়ে যাচ্ছেন। মাদক নিয়ন্ত্রণের জন্য তারা কোনো উদ্যোগও নিচ্ছেন না।

ভুক্তভোগীদের পারিবারিক সূত্র বলছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোর সঠিক নজরদারির অভাবে কিশোর-তরুণের পাশাপাশি বখাটে শিক্ষার্থী প্রকাশ্যে রাজধানীর অলিগলিসহ স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে মাদক সেবন করছে। বিভিন্ন ক্যাম্পাসেও মিলছে স্বল্পমূল্যে নানান মাদক। এতে পড়াশোনার সঙ্গে বিচ্ছেদও ঘটছে শিক্ষার্থীদের। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ছাত্রীদের মাঝেও আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে চলেছে মাদকের বিস্তার।

জানা গেছে, রাজধানীর মোহাম্মদপুর জেনেভা ক্যাম্পে এখনো সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত মাদক বিক্রি হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকার একাধিক ব্যক্তি বলেন, বর্তমানে শীর্ষ মাদক কারবারির ছয়টি গ্রুপ মোহাম্মদপুর জেনেভা ক্যাম্প নিয়ন্ত্রণ করছে। তাদের রয়েছে ৩ শতাধিক সদস্য। তবে শীর্ষ মাদক কারবারির বিরুদ্ধে এলাকার লোকজনও কথা বলতে ভয় পায়। শীর্ষ মাদক কারবারি চুয়া সেলিম সম্প্রতি গ্রেপ্তার হলেও তার প্রতিদ্বন্দী ভূঁইয়া সোহেল দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। একই সঙ্গে চুয়া সেলিমের সহযোগী উল্টা সালাম, শান্ত, পিচ্চি রাজা, ফাট্টা আবিদ, পিস্তল নাঈম ও শাহজাদা এলাকায় মাদক কারবার অব্যাহত রেখেছে। এ ছাড়া ক্যাম্পে সক্রিয় রয়েছে মুক্তার, রাশেদ, রাজু, আরশাদ, পিচ্চি রাজা, শাহজাদা, বড় রাজা, পেলু আরমান ও মুন্না। একটি গ্রুপের নেতৃত্বে রয়েছে গালকাটা মনু, শাহ আলম, ইমতিয়াজ, আকরাম চোরওয়া জানু, বিল্লু, সাবু, বাসির ও ইরফান। এদের ৫৫ জনের বেশি সদস্য রয়েছে। একটি গ্রুপের নেতৃত্বে রয়েছে বাবু, সাদ্দাম, মনু, মোফিজ, সুমন, রাজু, নাদিম ও জাম্বু। এদের বেশির ভাগ এখনো ধরা পড়েনি বলে পুলিশ জানিয়েছে।

কেন মাদক নির্মূল করা যাচ্ছে না এমন প্রশ্নের জবাবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ডিএমপির এক শীর্ষ কর্মকর্তা এ প্রতিবেদককে বলেন, ক্যাম্পের অন্তত ৬৫ শতাংশ লোক প্রত্যক্ষ-পরোক্ষভাবে মাদকের সঙ্গে যুক্ত। পুলিশ অভিযানে গেলে অপরাধীরা স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের আত্মীয় এবং নেতা-কর্মী পরিচয় দিচ্ছে। ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নিলে ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর বলে তকমা দেওয়ার চেষ্টা করছে। উল্টো নালিশ করছে বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের কাছে। এভাবে চললে ভবিষ্যতের পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে।

সরেজমিন মোহাম্মদপুর জেনেভা ক্যাম্পে গিয়ে দেখা গেছে, ক্যাম্প ঘিরে থাকা গজনবী রোড, বাবর রোড, শাহজাহান রোড, হুমায়ুন রোডে রয়েছে পুলিশের ক্যাম্প, তল্লাশি চৌকি ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি। তবে কিছুরই তোয়াক্কা করছে না ক্যাম্পে বসবাসকারীরা। একই পরিস্থিতি মিরপুর, পল্লবী বিহারি ক্যাম্প, মিরপুর বেড়িবাঁধ এলাকা, গ্রিন রোড, কলাবাগান, হাজারীবাগ, যাত্রাবাড়ী, কমলাপুর, বাসাবো, বনশ্রী এলাকা। এ ছাড়া কারওয়ান বাজার রেলগেট কেন্দ্রিক এখন আরও ওপেন সিক্রেট। এ ছাড়া সবুজবাগ ওহাব কলোনি, কমলাপুর স্টেশনের আশপাশ এলাকাতেও মাদক রমরমা।

ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) এস এন মো. নজরুল ইসলাম বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, আমরা চেষ্টার কোনো কমতি রাখছি না। প্রতিনিয়ত নানা ধরনের প্রোগ্রাম করে সদস্যদের মনোবল বাড়নোর চেষ্টা করছি। তাদের নির্ভয়ে কাজ করার নির্দেশ দিচ্ছি। মাদকের বিষয়টি আমাদের বিশেষ গুরুত্বের মধ্যে রয়েছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) মহাপরিচালক (ডিজি) খোন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ডিএনসির বাইরেও বর্তমানে বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে এখনো নানা উদ্বেগ-ভয় কাজ করছে। আমরা অভিযানে গেলে পুলিশসহ অন্যান্য বাহিনীর সাহায্য নিয়ে থাকি। এটা নিরাপত্তার জন্যই প্রয়োজন পড়ে। তবে বর্তমানে পরিস্থিতি কিছুটা ভিন্ন। এর মধ্যেও আমাদের সফলতা আসছে।

তিনি বলেন, মাদক নিয়ন্ত্রণের জন্য আমরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে বিশেষভাবে গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছি। এজন্য প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাদকের বিরুদ্ধে সচেতনতার জন্য প্রতিষ্ঠানপ্রধানের নেতৃত্বে ৫ সদস্যের কমিটি কাজ করছে। প্রতিটি অ্যাসেম্বলি এবং শুরুর ক্লাসে মাদক নিয়ে কথা বলা হচ্ছে। এক্ষেত্রে বিভাগীয়, জেলা এবং উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা বিষয়টির তদারকি করছেন।

এই বিভাগের আরও খবর
আওয়ামী লীগের বিচার চায় বিএনপি
আওয়ামী লীগের বিচার চায় বিএনপি
ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা
ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা
বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০
বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০
যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ
যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ
মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক
মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক
ঢাকায় আইএমএফ প্রতিনিধিদল
ঢাকায় আইএমএফ প্রতিনিধিদল
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
টালমাটাল বিশ্ববাণিজ্য
টালমাটাল বিশ্ববাণিজ্য
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে
সংস্কার শেষেই নির্বাচন দিতে হবে
সংস্কার শেষেই নির্বাচন দিতে হবে
ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার
ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার
ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান
ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান
সর্বশেষ খবর
সিরাজগঞ্জে ট্রাক-অটোভ্যান সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ২
সিরাজগঞ্জে ট্রাক-অটোভ্যান সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ২

১৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইউনূস-মোদি বৈঠক বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক : গোলাম পরওয়ার
ইউনূস-মোদি বৈঠক বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক : গোলাম পরওয়ার

২১ মিনিট আগে | রাজনীতি

গাজীপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জরিমানা
গাজীপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জরিমানা

৩১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গাইবান্ধায় হস্তশিল্প মেলার নামে চলছে জুয়া ও অশ্লীল নাচ
গাইবান্ধায় হস্তশিল্প মেলার নামে চলছে জুয়া ও অশ্লীল নাচ

৩৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নৌকাডুবিতে স্বামীসহ প্রাণ হারালেন ইবি শিক্ষার্থী
নৌকাডুবিতে স্বামীসহ প্রাণ হারালেন ইবি শিক্ষার্থী

৪৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নেতাকর্মীদের সতর্ক করলো সিলেট বিএনপি
নেতাকর্মীদের সতর্ক করলো সিলেট বিএনপি

৪৯ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনা হোক : সালাউদ্দিন আহমেদ
গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনা হোক : সালাউদ্দিন আহমেদ

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মার্কিন শুল্কারোপ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই : খলিলুর রহমান
মার্কিন শুল্কারোপ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই : খলিলুর রহমান

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাঞ্জাবকে বড় ব্যবধানে হারালো রাজস্থান
পাঞ্জাবকে বড় ব্যবধানে হারালো রাজস্থান

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চেন্নাইকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে দিল্লি
চেন্নাইকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে দিল্লি

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে পোশাক শ্রমিকের মৃত্যু
চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে পোশাক শ্রমিকের মৃত্যু

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রহ্মপুত্র নদে অষ্টমীর স্নান উৎসবে লাখো পুণ্যার্থীর ঢল
ব্রহ্মপুত্র নদে অষ্টমীর স্নান উৎসবে লাখো পুণ্যার্থীর ঢল

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ

৩ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গাজীপুরে ট্রাকের ধাক্কায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
গাজীপুরে ট্রাকের ধাক্কায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শাহবাগে ফুলের দোকানের আগুন নিয়ন্ত্রণে
শাহবাগে ফুলের দোকানের আগুন নিয়ন্ত্রণে

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শাহবাগে ফুলের দোকানে আগুন
শাহবাগে ফুলের দোকানে আগুন

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত ইয়াসিনের পরিবারের পাশে তারেক রহমান
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত ইয়াসিনের পরিবারের পাশে তারেক রহমান

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কু-প্রস্তাবে অসম্মতি জানানোয় বিধবাকে পিটিয়ে আহত, বসতবাড়ি ভাঙচুর
কু-প্রস্তাবে অসম্মতি জানানোয় বিধবাকে পিটিয়ে আহত, বসতবাড়ি ভাঙচুর

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড
এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিএনপি ক্ষমতার পাগল নয়, ক্ষমতা বিএনপির প্রাপ্য : ফজলুর রহমান
বিএনপি ক্ষমতার পাগল নয়, ক্ষমতা বিএনপির প্রাপ্য : ফজলুর রহমান

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শুধু মানুষের নয়, বানরও অর্থবহ ভাষা তৈরি করতে সক্ষম : গবেষণা
শুধু মানুষের নয়, বানরও অর্থবহ ভাষা তৈরি করতে সক্ষম : গবেষণা

৬ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা
শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক
যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ভারতে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসে খেলাফত মজলিসের উদ্বেগ
ভারতে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসে খেলাফত মজলিসের উদ্বেগ

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‌‘দেশে ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য আন্দোলন সংগ্রাম করেছি’
‌‘দেশে ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য আন্দোলন সংগ্রাম করেছি’

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শান্তি আলোচনায় সময় ফুরিয়ে আসছে, রাশিয়াকে হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের
শান্তি আলোচনায় সময় ফুরিয়ে আসছে, রাশিয়াকে হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র-কানাডার শিক্ষার্থীদের জন্য চ্যাটজিপিটি প্লাস ফ্রি, চলবে মে মাস পর্যন্ত
যুক্তরাষ্ট্র-কানাডার শিক্ষার্থীদের জন্য চ্যাটজিপিটি প্লাস ফ্রি, চলবে মে মাস পর্যন্ত

৭ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বদরগঞ্জে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৪০
বদরগঞ্জে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৪০

৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মাঠজুড়ে সূর্যমুখী ফুলের সমারোহ
মাঠজুড়ে সূর্যমুখী ফুলের সমারোহ

৭ ঘণ্টা আগে | প্রকৃতি ও পরিবেশ

সর্বাধিক পঠিত
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি
আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব
ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা
সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন
ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে
কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে

১১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম
নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড
এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার
হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প
‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী
পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি
হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি

১২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার
লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার

১৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা
চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা

১৮ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি
ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি

৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা
পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার
৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা
কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু
আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা
আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার
প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার

১৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা
ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২
কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জেলেনস্কির নিজ শহরে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১৮ জন নিহত
জেলেনস্কির নিজ শহরে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১৮ জন নিহত

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা
শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

প্রিন্ট সর্বাধিক
জটিলতা ৫৫ আসনে
জটিলতা ৫৫ আসনে

পেছনের পৃষ্ঠা

দূরত্ব কাটাবে ঢাকা-দিল্লি
দূরত্ব কাটাবে ঢাকা-দিল্লি

প্রথম পৃষ্ঠা

সেন্টমার্টিন এখন অন্যরকম
সেন্টমার্টিন এখন অন্যরকম

পেছনের পৃষ্ঠা

ফের উত্তপ্ত হবে রাজপথ
ফের উত্তপ্ত হবে রাজপথ

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার
ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার

প্রথম পৃষ্ঠা

মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক
মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত
এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত

প্রথম পৃষ্ঠা

ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান
ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক
বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক

শোবিজ

সুপার লিগে খেলার লড়াই
সুপার লিগে খেলার লড়াই

মাঠে ময়দানে

ক্ষমতার মজা পেয়ে গেছেন উপদেষ্টা পরিষদের সবাই
ক্ষমতার মজা পেয়ে গেছেন উপদেষ্টা পরিষদের সবাই

প্রথম পৃষ্ঠা

মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজবাড়ীতে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির শকুন উদ্ধার
রাজবাড়ীতে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির শকুন উদ্ধার

পেছনের পৃষ্ঠা

লাহোরে নিগারদের অনুশীলন
লাহোরে নিগারদের অনুশীলন

মাঠে ময়দানে

যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ
যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ

প্রথম পৃষ্ঠা

বাণিজ্য ছাড়িয়েছিল হাজার কোটি ডলার
বাণিজ্য ছাড়িয়েছিল হাজার কোটি ডলার

পেছনের পৃষ্ঠা

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

জরাজীর্ণ ভবন, নষ্ট এক্স-রে মেশিন
জরাজীর্ণ ভবন, নষ্ট এক্স-রে মেশিন

দেশগ্রাম

লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি
লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি

দেশগ্রাম

ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা
ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০
বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০

প্রথম পৃষ্ঠা

সংস্কার শেষেই নির্বাচন দিতে হবে
সংস্কার শেষেই নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

শরীয়তপুরে খোলা মাঠ যেন যুদ্ধক্ষেত্র
শরীয়তপুরে খোলা মাঠ যেন যুদ্ধক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

একই দিনে দুই বিয়ে
একই দিনে দুই বিয়ে

শোবিজ

তেহরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প
তেহরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প

পূর্ব-পশ্চিম

জংলি নিয়ে দর্শকদের সাড়া দেখে আমি আনন্দিত
জংলি নিয়ে দর্শকদের সাড়া দেখে আমি আনন্দিত

শোবিজ

অভিযোগের জবাবে পরী
অভিযোগের জবাবে পরী

শোবিজ

বিশ্বজুড়ে মানবিক সহায়তার সিংহভাগ যুক্তরাষ্ট্র আর বহন করবে না
বিশ্বজুড়ে মানবিক সহায়তার সিংহভাগ যুক্তরাষ্ট্র আর বহন করবে না

পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে
ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে

সম্পাদকীয়