শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ০০:১৯, সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

কোন জেলার নায়িকা বেশি

আলাউদ্দীন মাজিদ
প্রিন্ট ভার্সন
কোন জেলার নায়িকা বেশি

প্রবাদ আছে- ‘নায়িকার ঘাঁটি খুলনার মাটি’। সত্যি তাই, চলচ্চিত্র ও নাটকে আসা বেশির ভাগ নায়িকাই দেশের এ দুই অঞ্চলের। সুচন্দা-ববিতা-চম্পা থেকে শুরু করে শাবনূর-মৌসুমী-পপি-কেয়া, এমনকি হালের পরীমণি-আঁচল-পূজা চেরী সবাই খুলনা অঞ্চলের। চলচ্চিত্রে খুলনার মেয়েরাই কেন বেশি?

ষাট-সত্তর-আশি ও নব্বই দশক মাতিয়ে রাখা অভিনেত্রী ববিতা বলেন, ‘আমরা খুব রক্ষণশীল পরিবারে বড় হয়েছি। তবে সংস্কৃতি আর শিক্ষাদীক্ষার দিক থেকে বাবা-চাচারা, বিশেষ করে আমার আম্মা ও চাচিরা ছিলেন উদার। ছোটবেলায় আমাদের কখনো বলা হয়নি যে নাটক বা সিনেমায় অভিনয় করতে হবে। যখন বড় হলাম, দেখলাম বাসায় সকাল বেলা গানের শিক্ষক, বিকাল বেলায় নাচের শিক্ষক আর সন্ধ্যায় আসেন ছবি আঁকার শিক্ষক। মনে আছে, এক দিন সকালে ঘুম থেকে উঠতে দেরি করেছি। আম্মা কয়েকবার ডাকার পরও যখন উঠিনি তখন চিকন একটা বেত নিয়ে আমাকে মারতে শুরু করলেন। কারণ কী, পরে জানলাম বাসায় গানের শিক্ষক এসেছেন। আমার জন্য অপেক্ষা করছেন। পরিষ্কার করে বলতে গেলে আমাদের এলাকার মানুষ খুব সংস্কৃতিমনা। একটু খোঁজ নিলে দেখা যাবে এ অঞ্চলের মানুষ যত গরিবই হোক, বাসায় একটা হারমোনিয়াম বা ঢোল-তবলা আছে। স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় খেলাধুলার পাশাপাশি একটা নাটক বা নাটিকা মঞ্চায়ন করা হয়। ছোটবেলায়ই এ অঞ্চলের মেয়েরা গান-বাজনা-অভিনয় শিখে ফেলে।’ চলচ্চিত্র নির্মাতা ছটকু আহমেদ বলেন, ‘নায়িকাদের যেমন চেহারা বা শারীরিক গঠন পছন্দ করে দর্শক সেটা খুলনার মেয়েদের সবচেয়ে বেশি আছে। খুলনা থেকে আজ পর্যন্ত যত মেয়ে চলচ্চিত্রে এসেছে, অভিনয় প্রতিভার পাশাপাশি প্রত্যেকেরই চেহারা সুন্দর। কেউ কেউ বিখ্যাত তার হাসির জন্য, কেউ চঞ্চলতায়।’ এ নির্মাতার মতে, ভৌগোলিক কারণেই এখানকার মেয়েরা শুধু নয়, ছেলেরাও চলচ্চিত্রের জন্য পারফেক্ট। আমিন খান, শাকিল খান থেকে শুরু করে রিয়াজরাও খুলনার। এ এলাকা সমুদ্র উপকূলে হওয়ায় ছোটবেলা থেকেই ছেলেমেয়েরা একটু ডানপিটে স্বভাবের হয়। যে কোনো পরিবেশে খাপ খাইয়ে নিতে পারে।’  ঢাকাই চলচ্চিত্রে আরও একটি প্রবাদ প্রচলিত আছে, সেটা হলো- ‘নায়িকা যদি খুলনার হয় তাহলে ছবি হিট!’ কেউ কেউ  মজা করে বলেন, ‘খুলনার মাটি নায়িকার ঘাঁটি’। পরিসংখ্যানও সে কথাই বলে। যার সর্বশেষ প্রমাণ পরীমণি। প্রথম ছবি মুক্তি পাওয়ার আগেই ২৭টি ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলেন। বাংলাদেশ চলচ্চিত্রের ইতিহাসে এটা রেকর্ড। কী আছে পরীর মধ্যে? ‘অন্তর জ্বালা’র পরিচালক মালেক আফসারী বলেন, ‘পরী বলতে আমরা কল্পনায় যেমন নারীকে ভাবি, বাস্তবেও ঠিক তেমন দেখতে পরীমণি। সে ক্যামেরার সামনে দাঁড়ালেই আলাদা একটা রোশনাই চলে আসে। পর্দায় ওর মতো সুন্দরী নায়িকা দ্বিতীয়টি আর নেই। ওর হাসি, অভিনয়, চেহারা, তিনটি দিকই নজরকাড়া। আমার তো মনে হয় পরীকে এখনো সেভাবে কেউ কাজে লাগাতে পারেনি। আমার ছবিতে স্বল্প উপস্থিতিতেই সে প্রমাণ করেছিল কত বড়মাপের অভিনেত্রী।’ শাবনূরের কথা উঠলেই নির্মাতারা এক কথায় বলেন, ‘অসাধারণ অভিনেত্রী’। সেই শাবনূরের বাড়িও খুলনা অঞ্চলে। সালমান শাহ, রিয়াজ, শাকিল খান, ফেরদৌস, মান্না থেকে শুরু করে শাকিব খান, সবার সঙ্গে জুটি গড়ে তিনি সফল। শাবনূরের অভিনয়গুণ নিয়ে প্রশংসা করেন নায়করাই। শাবনূরকে নিয়ে শেষ পাঁচটি ছবি নির্মাণ করেছেন জাতীয় পুরস্কার পাওয়া পরিচালক মুস্তাফিজুর রহমান মানিক। তাঁর ‘দুই নয়নের আলো’ ছবি করেই প্রথমবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান এ অভিনেত্রী। মানিক বলেন, ‘বাংলাদেশে খুব কম নায়িকা আছেন যাদের ভেবে গল্প তৈরি করেন নির্মাতা। শাবানার পরে একমাত্র শাবনূরকে কেন্দ্র করেই ছবি তৈরি করেন প্রযোজক। শাবনূরকে একই সঙ্গে বলা হয় নায়ক ও নায়িকা। কারণ তাঁর ছবিতে তিনি একাই এক শ।’ খুলনা থেকে আরও এসেছেন- পপি, কেয়া, শাহনূর, আঁচল, মৌসুমী, মিষ্টি জান্নাত,  পূজা চেরী, আফসানা মিমি, তমালিকা কর্মকার, নুসরাত ডায়না, নওরীন জেনী, জান্নাতুল ফেরদৌস পিয়া, পিয়া বিপাশাসহ অনেকে। খুলনার মেয়ে মৌসুমী বলেন, ‘খুলনার মেয়েদের মধ্যে চেষ্টাটা বেশি থাকে। ভালো কাজ করার ইচ্ছাটাও তাদের মধ্যে প্রবল। এ জন্যই চলচ্চিত্রে এসে  সফল বেশির ভাগই খুলনার। প্রথম ছবি থেকে আজ পর্যন্ত যে ছবিগুলোতে আমি অভিনয় করেছি তার প্রতিটিই মনে রাখার মতো। কারণ পেশার সঙ্গে কখনো আপস করিনি। সেই শুরু থেকে সুচন্দা ম্যাডাম, ববিতা ম্যাডাম, চম্পা ম্যাডাম বা শাবনূর, প্রত্যেকের প্রোফাইল দেখলেই বোঝা যাবে তারাও ঠিক একই রকমভাবে ক্যারিয়ার ধরে রেখেছিলেন। ভালো গল্প, ভালো চরিত্র, ভালো পরিচালকদের ছবিতে অভিনয় করেছেন সবাই।’

চলচ্চিত্র ছাড়াও মিডিয়ার প্রতি বরাবরই খুলনার মেয়েদের আলাদা একটা টান, সেটা বোঝা যায় বিভিন্ন রিয়েলিটি শো দেখলে। এসব প্রতিযোগিতায় খুলনা অঞ্চলের মেয়েরাই সাড়া দেয় বেশি। এনটিভির আলোচিত রিয়েলিটি শো ‘সুপার হিরো সুপার হিরোইন’-এ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন খুলনার মেয়ে লামিয়া মিমো। তিনি ছবি করেছেন শাকিব খানের সঙ্গে। তবে পরে খুব একটা মেলে ধরতে পারেননি নিজেকে। মিমো না পারলেও পূজা চেরীর মধ্যে দারুণ সম্ভাবনা দেখছেন হালের নির্মাতারা। চিত্রপরিচালক অনন্য মামুন বলেন, ‘আমার কাছে মনে হয়েছে পূজাই হতে পারে আগামী দিনের শাবনূর। তার মধ্যে সে চেষ্টাটা আছে।’ খুলনার ডুমুরিয়ার মেয়ে পূজা চেরী। ‘দহন’ খ্যাত এ অভিনেত্রী বলেন, ‘আমার পরিবার খুব সংস্কৃতিমনা। পরিবারের সবার আগ্রহ গান-বাজনা-অভিনয়ে। তাদের দেখেই আমার ভালো লাগার শুরু। শিশুশিল্পী হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করলেও আজ আমি দুই বাংলায় ছবি করছি। এটা অনেক ভাগ্যের। এখনো অনেক শেখার আছে। ভালো অভিনেত্রী হওয়ার জন্য যা যা করা দরকার তার কোনো কমতি রাখতে চাই না। খুলনার নামকরা অন্য সব অভিনেত্রীর পাশে আমার নামটাও দেখতে চাই আগামী দিনে।’

এদিকে অনুসন্ধান করে দেখে গেছে- খুলনার পর ঢাকার মেয়েরাই চলচ্চিত্র ও নাটকে এসেছে বেশি। যেমন ঢাকা থেকে নায়িকা হওয়াদের তালিকায় রয়েছেন-বিপাশা হায়াত, সারা যাকের, রুম্মান রশীদ ঈশিতা, কেয়া পায়েল, অর্চিতা স্পর্শিয়া, শারলিন ফারজানা, ফারজানা মিলি, মুনমুন আহমেদ, ইফফাত তৃষা, জান্নাতুল সুমাইয়া হিমি, মুনমুন মুন, জেরীন খান রত্না, আইশা খান, নাদিয়া অর্ষা, তাসনুভা তিশা, মনিরা মিঠু, শবনম ফেরদৌসী, সালহা নাদিয়া, শাহতাজ মুনিরা, সাবেরী আলম, মৌসুমী নাগ, আফসানা বিন্দু, রোজী সিদ্দিকী, শর্মীমালা, সায়লা সাবি, সুজানা, মিথিলা, ফারজানা ছবি, শায়লা আমিনসহ আরও অনেকে। চিত্রপরিচালক কাজী হায়াৎ বলেন, শোবিজ জগতে খুলনা ও ঢাকার  মেয়েদের আসার মূল কারণ হলো- এ দুই অঞ্চলের মেয়েরা ছোটবেলা থেকেই সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে বেড়ে ওঠে এবং তাদের মন ও মননে সব সময় সংস্কৃতির প্রতি অদ্ভুত একটা টান থাকে।

এই বিভাগের আরও খবর
নতুন অধ্যায়ে নিদ্রা নেহা
নতুন অধ্যায়ে নিদ্রা নেহা
জনপ্রিয় বলিউড তারকা মনোজ কুমার নেই
জনপ্রিয় বলিউড তারকা মনোজ কুমার নেই
ভুয়া খবরে বিব্রত জ্যাকুলিন
ভুয়া খবরে বিব্রত জ্যাকুলিন
অঞ্জন দত্তের জীবনবোধ
অঞ্জন দত্তের জীবনবোধ
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা
উতলা রাশমিকা
উতলা রাশমিকা
কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা
কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা
আমার দেশ, মাটি, চারপাশের জীবন অভিনয় এটাই আমি
আমার দেশ, মাটি, চারপাশের জীবন অভিনয় এটাই আমি
সর্বশেষ খবর
জনবহুল রাজধানী এখনো ফাঁকা, নেই চিরচেনা যানজট
জনবহুল রাজধানী এখনো ফাঁকা, নেই চিরচেনা যানজট

৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি
হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি

৯ মিনিট আগে | শোবিজ

ফরিদপুরে বিস্ফোরক মামলায় যুবলীগ নেতা গ্রেফতার
ফরিদপুরে বিস্ফোরক মামলায় যুবলীগ নেতা গ্রেফতার

১৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

খাদ্য নিরাপত্তা নি‌য়ে কো‌নো শঙ্কা নেই : খাদ্য উপদেষ্টা
খাদ্য নিরাপত্তা নি‌য়ে কো‌নো শঙ্কা নেই : খাদ্য উপদেষ্টা

২১ মিনিট আগে | জাতীয়

ভারতে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা
ভারতে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা

২৬ মিনিট আগে | রাজনীতি

ফরিদপুরে চোরের হাতে প্রাণ গেল প্রবাসীর
ফরিদপুরে চোরের হাতে প্রাণ গেল প্রবাসীর

২৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব
ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চার বিভাগে বৃষ্টি হলেও তাপপ্রবাহ থাকবে অব্যাহত
চার বিভাগে বৃষ্টি হলেও তাপপ্রবাহ থাকবে অব্যাহত

৪১ মিনিট আগে | জাতীয়

কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা
কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা

৪৪ মিনিট আগে | জাতীয়

'দেশে আর কোন ফ্যাসিস্ট যেন জন্মাতে না পারে'
'দেশে আর কোন ফ্যাসিস্ট যেন জন্মাতে না পারে'

৪৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম
নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মুখের গড়ন বুঝে হতে হবে হেয়ার কাট
মুখের গড়ন বুঝে হতে হবে হেয়ার কাট

১ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

অভিনেতাসহ গ্রেপ্তার ১১, তুরস্কে বয়কট আন্দোলন
অভিনেতাসহ গ্রেপ্তার ১১, তুরস্কে বয়কট আন্দোলন

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভাঙ্গায় কিশোর ও গৃহবধূর লাশ উদ্ধার
ভাঙ্গায় কিশোর ও গৃহবধূর লাশ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গরমে মেকআপ যেন না গলে
গরমে মেকআপ যেন না গলে

১ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

কিশোরগঞ্জে অষ্টমী স্নানে লাখো পুণ্যার্থীর ঢল
কিশোরগঞ্জে অষ্টমী স্নানে লাখো পুণ্যার্থীর ঢল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশের লজ্জায় ডুবালো নিউজিল্যান্ড
পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশের লজ্জায় ডুবালো নিউজিল্যান্ড

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘স্বতন্ত্র সচিবালয়’ প্রতিষ্ঠার দ্বারপ্রান্তে রয়েছে : প্রধান বিচারপতি
‘স্বতন্ত্র সচিবালয়’ প্রতিষ্ঠার দ্বারপ্রান্তে রয়েছে : প্রধান বিচারপতি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বগুড়ায় শহীদ জিয়া ফুটবল টুর্নামেন্টের সেমি-ফাইনাল অনুষ্ঠিত
বগুড়ায় শহীদ জিয়া ফুটবল টুর্নামেন্টের সেমি-ফাইনাল অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাস-অটোরিকাশয়ার সংঘর্ষে নারী নিহত, শিশুসহ আহত ৪
বাস-অটোরিকাশয়ার সংঘর্ষে নারী নিহত, শিশুসহ আহত ৪

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কানাডায় ভারতীয় নাগরিক খুন
কানাডায় ভারতীয় নাগরিক খুন

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জয়পুরহাটে রামদেও বাজলা প্রিমিয়ার লীগের ফাইনাল অনুষ্ঠিত
জয়পুরহাটে রামদেও বাজলা প্রিমিয়ার লীগের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার
লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লাঙ্গলবন্দের স্নান ঘিরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজট
লাঙ্গলবন্দের স্নান ঘিরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজট

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প
‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চিরচেনা কার্তিককে দেখা গেল অন্যরূপে
চিরচেনা কার্তিককে দেখা গেল অন্যরূপে

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বাংলাদেশের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি কোথাও নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
বাংলাদেশের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি কোথাও নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে দুই ভাইকে কুপিয়ে জখম
অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে দুই ভাইকে কুপিয়ে জখম

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার
প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

সর্বাধিক পঠিত
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

১৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

১৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার
হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

২৩ ঘণ্টা আগে | পরবাস

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

২২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী
পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা
চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা

৬ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার
৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক
গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু
আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’
‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত
দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে

মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে
মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে

মাঠে ময়দানে