মৃগী রোগীর জন্য বৈদ্য-কবিরাজদের ঝাড়-ফুঁকের মতো অপচিকিৎসার আশ্রয় নিবেন না। অন্য সাধারণ রোগের মতো সঠিক চিকিৎসায় মৃগী রোগীও সম্পূর্ণ সুস্থ হতে পারে। তবে প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে মৃগীরোগের উপসর্গ অন্য কোনো রোগের উপসর্গ হিসেবেও দেখা দিতে পারে। তাই পরিবারের কারও মৃগী রোগের উপসর্গ দেখা দিলে বৈদ্য কিংবা কবিরাজের অপচিকিৎসা না নিয়ে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে।
সোমবার সকালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের (চমেক) নিউ কনফারেন্স হলে নিউরোলজি বিভাগের উদ্যোগে বিশ্ব মৃগী রোগ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন।
চমেক হাসপাতালের নিউরোলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. হাসানুজ্জামানের সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. তসলিম উদ্দীন। চমেক হাসপাতালের নিউরোলজি বিভাগের রেজিস্ট্রার ডা. সামী এম আদনানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সেমিনারে ‘মৃগী রোগের সাথে বসবাস’ শীর্ষক বৈজ্ঞাানিক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন নিউরোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মাহবুবুল আলম খন্দকার। সেমিনার শেষে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা চমেক হাসপাতালের ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ শেষে নিউরোলজি বিভাগের সামনে এসে শেষ হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন নিউরোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. শিউলি মজুমদার, অধ্যাপক ডা. প্রদীপ কুমার কায়স্থগীর, অধ্যাপক ডা. পঞ্চানন দাশ, সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোহিতুল ইসলাম, ডা. মসীহুজ্জামান আলফা, ডা. মো. তৌহিদুর রহমান, ডা. মো. সালাউদ্দিন, সহকারী অধ্যাপক ডা. আনোয়ারুল কিবরিয়া, ডা. জামান আহমেদ, ডা. একরামুল আজম, ডা. হুমায়ুন কবির, ডা. শামসুল আলম, ডা. নাঈমা মাসরুরা, ডা. প্রিয়তোষ দাশ, ডা. বেলাল হোসেন, ডা. মো. রিফাত কামাল ও ডা. মুবিনুল হক চৌধুরী, ডা. সৈয়দ আরিফ উদ্দীন, ডা. মো. ওসমান ও ডা. কামরুল হাসান প্রমুখ।
বিডি প্রতিদিন/হিমেল