শিরোনাম
প্রকাশ: ১০:২৭, রবিবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২৫

কালের কণ্ঠের ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে প্রকাশিত

চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ শ্রমিক প্রস্তুত করুন

আল-আমিন নয়ন
অনলাইন ভার্সন
চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ শ্রমিক প্রস্তুত করুন

অভিবাসনপ্রক্রিয়ায় অনিয়ম ও শ্রমিকদের দক্ষতার অভাবে বাংলাদেশের প্রবাসী কর্মীদের জন্য বেশ কিছু শ্রমবাজার বন্ধ রয়েছে। বন্ধ থাকা শ্রমবাজারগুলো পুনরায় চালু করতে সরকারকে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। এর পাশাপাশি নতুন শ্রমবাজার চালু করতে হবে। নতুন শ্রমবাজারের জন্য প্রথমে সংশ্লিষ্ট দেশের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি ও উন্নয়ন করা প্রয়োজন। এর জন্য সংশ্লিষ্ট দেশের সরকার ও শ্রম চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ শ্রমিক প্রস্তুত করুনমন্ত্রণালয়ের সঙ্গে উচ্চ পর্যায়ে আলোচনার ব্যবস্থা করতে হবে। পাশাপাশি শ্রমিকদের দক্ষতা উন্নয়ন ও নতুন শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ ও প্রশিক্ষিত শ্রমিক প্রন্তুত করতে হবে। তাহলেই আগামী দিনে শ্রমবাজার হবে দক্ষ, ন্যায্য, টেকসই ও নিরাপদ। এটি অর্জনের ফলে শ্রমবাজারে যেমন দক্ষ শ্রমিকদের চাহিদা পূরণ হবে, তেমনি শ্রমিকদের অধিকার সুরক্ষিত থাকবে।

দক্ষ শ্রমিক প্রস্তুতে পেশাগত প্রশিক্ষণ প্রয়োজন। এর জন্য বাজারের চাহিদা অনুযায়ী বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ অর্থাৎ নির্মাণ, নার্সিং, কৃষি ও তথ্য-প্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিতে হবে। একই সঙ্গে গন্তব্য দেশের ভাষা ও সংস্কৃতি সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দিতে হবে। প্রশিক্ষণের পর কর্মীদের আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য মানের প্রশিক্ষণ সনদ প্রদান করতে হবে। শুধু প্রশিক্ষণেই থেমে থাকলে চলবে না, নতুন বাজারের জন্য চাই গবেষণা। বিশ্বজুড়ে নতুন শ্রমবাজার চিহ্নিত করার জন্য একটি গবেষণাদল তৈরি করা প্রয়োজন। এই দলটি কোন দেশে শ্রমিকের চাহিদা বেশি তা নির্ধারণ করবে। যেসব দেশে ভবিষ্যতে শ্রম চাহিদা বাড়বে, সেগুলোর দিকে দলটি নজর রাখবে। যেসব দেশে উৎপাদনশীল শিল্প ও নির্মাণ খাতে চাহিদা বেশি সেগুলোতে যোগাযোগ বৃদ্ধি করবে।

প্রশিক্ষণ ও গবেষণাদলের পাশাপাশি নতুন শ্রমবাজারে কর্মী পাঠানোর জন্য নিয়োগপ্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও সহজ করতে হবে। প্রবাসী শ্রমিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ শ্রমিক প্রস্তুত করুনহবে। নতুন শ্রমবাজার খুলতে হলে সংশ্লিষ্ট দেশের সরকারকে শ্রমিকদের অধিকার ও সুরক্ষা দেওয়ার বিষয়ে আশ্বস্ত করতে হবে। শ্রমিকদের ন্যায্য বেতন ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে চুক্তি বাধ্যতামূলক করতে হবে। প্রবাসী শ্রমিকদের জন্য দেশে ও বিদেশে আইনগত সুরক্ষা ব্যবস্থা চালু রাখতে হবে। নতুন বাজারে প্রবেশের ক্ষেত্রে শ্রমিক পাচারের ঘটনা বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। এর জন্য অনিবন্ধিত বা ভুয়া এজেন্সিগুলোর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। পাশাপাশি মানবপাচারবিরোধী আইন কার্যকর করতে হবে। নতুন বাজারের সম্ভাব্য নিয়োগদাতাদের বাংলাদেশি শ্রমিকদের দক্ষতা ও যোগ্যতার বিষয়ে অবহিত করতে হবে।

দ্বিপক্ষীয় চুক্তি পুনরুদ্ধার ও বন্ধ বাজারগুলোর সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য উচ্চ পর্যায়ের সরকারি বৈঠক আয়োজন করা প্রয়োজন। নিয়োগসংক্রান্ত দ্বিপক্ষীয় চুক্তিগুলো পুনর্বিবেচনা করা এবং সংশোধনের মাধ্যমে উভয় পক্ষের স্বার্থ সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা দরকার। এর জন্য অভিবাসনপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি কর্মী নিয়োগে মধ্যস্বত্বভোগী ও অবৈধ দালালচক্র নির্মূল করতে হবে। রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এর অনলাইনভিত্তিক স্বচ্ছ রেজিস্ট্রেশন ব্যবস্থা চালু করতে হবে। দক্ষতা উন্নয়নের জন্য বৈদেশিক শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী কর্মীদের জন্য প্রশিক্ষণকেন্দ্র স্থাপন এবং সুনির্দিষ্ট দক্ষতা উন্নয়ন প্রগ্রাম চালু করতে হবে। বিদেশি নিয়োগদাতাদের চাহিদা অনুযায়ী ভাষা, প্রযুক্তি ও পেশাগত দক্ষতা প্রদান করতে হবে। 

বিদেশে পাঠানোর আগে কর্মীদের কাজের শর্ত, বেতন এবং সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে সঠিক তথ্য প্রদান নিশ্চিত করতে হবে। বিদেশে কর্মরত শ্রমিকদের জন্য একটি সুরক্ষা ব্যবস্থা চালু করতে হবে, যাতে কর্মীরা তাঁদের অধিকার রক্ষা করতে পারেন। বৈদেশিক শ্রমবাজারে কূটনৈতিক চাপ প্রয়োগ বন্ধ করতে হবে। শ্রমবাজারগুলোতে বাংলাদেশের কর্মীদের ইতিবাচক চিত্র তুলে ধরতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রভাবশালী কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালাতে হবে। যাঁরা সুনামের সঙ্গে কাজ করছেন, তাঁদের উদাহরণ দিয়ে বাজারগুলোতে বাংলাদেশের বিশ্বাসযোগ্যতা পুনঃস্থাপন করা সম্ভব। সরকার যদি উল্লেখিত পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করে, তাহলে বন্ধ থাকা শ্রমবাজার পুনরায় চালু করার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে। একই সঙ্গে নতুন শ্রমবাজার খোঁজার মাধ্যমে বাংলাদেশের রেমিট্যান্স বৃদ্ধি এবং প্রবাসী শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নের সুযোগ তৈরি হবে। এর ফলে আমাদের রেমিট্যান্সপ্রবাহ বৃদ্ধি পাবে।

বর্তমানে বাংলাদেশের রেমিট্যান্সপ্রবাহ সাম্প্রতিক সময়ের তুলনায় স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে। ২০২৩ সালের শেষের দিকে এবং ২০২৪ সালের শুরুর পূর্বাভাস অনুসারে, বার্ষিক রেমিট্যান্সপ্রবাহ ২৩ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। সরকারের আড়াই শতাংশ প্রণোদনা, ডলারের বিনিময় হার সমন্বয় এবং ব্যাংকিং চ্যানেলের কার্যক্রম উন্নত হওয়ার ফলে রেমিট্যান্সপ্রবাহ বাড়ছে। বিশেষত মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে অর্থ পাঠানোর অনুপ্রেরণায় এই প্রবাহ ইতিবাচক দিক দেখাচ্ছে। তবে কিছু চ্যালেঞ্জও বিদ্যমান; যেমন- হুন্ডি চ্যানেলের প্রতিযোগিতা এবং আনুষ্ঠানিক চ্যানেলের কার্যকারিতার সীমাবদ্ধতা। ফলে রেমিট্যান্সপ্রবাহে উল্লেখযোগ্য উন্নতি নিশ্চিত করতে এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় হুন্ডি ব্যবসা (অবৈধ অর্থ লেনদেনের একটি প্রথাগত পদ্ধতি) বন্ধ করতে হবে।

হুন্ডি ব্যবসা এখনো জনপ্রিয় থাকার পেছনে কয়কটি কারণ রয়েছে। সরকার বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠানোর জন্য প্রণোদনা দিলেও অনেক প্রবাসী বাংলাদেশি হুন্ডির মাধ্যমে অর্থ পাঠানোকে সহজ ও সুবিধাজনক মনে করেন। এর কারণ হচ্ছে, সহজ ও দ্রুত প্রক্রিয়ায় হুন্ডির মাধ্যমে টাকা পাঠানো যায়; এবং অনেক ক্ষেত্রেই তা তাৎক্ষণিক। ব্যাংক বা মানি এক্সচেঞ্জের মতো প্রক্রিয়ায় অনেক সময় প্রয়োজন হয় এবং নথিপত্র জমা দিতে হয়, যা অনেকের জন্য ঝামেলার মনে হয়। বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলের তুলনায় হুন্ডির মাধ্যমে প্রবাসীরা অনেক সময় বেশি বিনিময় হার পান। সরকার নির্ধারিত রেটের তুলনায় বাজারের কালো রেট প্রায়ই বেশি থাকে, যা প্রবাসীদের আকর্ষণ করে। অনেক প্রবাসীর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নেই বা তাঁরা ব্যাংকিং ব্যবস্থার সঙ্গে পরিচিত নন। হুন্ডির মাধ্যমে অর্থ পাঠাতে কোনো আনুষ্ঠানিক অ্যাকাউন্টের প্রয়োজন হয় না। হুন্ডি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের ওপর আঞ্চলিক বা ব্যক্তিগতভাবে আস্থা থাকায় প্রবাসীরা এই পদ্ধতি বেছে নেন। এটি প্রায়ই পরিবারের সদস্য বা পরিচিতদের মাধ্যমে পরিচালিত হয়, যা বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়ায়।

সরকার বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠাতে প্রণোদনা দিলেও তা অনেক ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত নয়। প্রবাসীদের বড় অংশ মনে করেন, হুন্ডির মাধ্যমে তাঁরা দ্রুত এবং অধিক লাভজনক সুবিধা পান। অনেক প্রবাসী জানেন না যে হুন্ডি অবৈধ এবং অর্থনীতি ও দেশের ওপর এর কী ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে। সচেতনতার অভাবে তাঁরা এই পদ্ধতিকে স্বাভাবিক মনে করেন। এর জন্য প্রবাসীদের বৈধ উপায়ে অর্থ পাঠানোর উপকারিতা এবং হুন্ডির ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে জানাতে হবে। ব্যাংকিং চ্যানেলে টাকার বিনিময় হার আরো আকর্ষণীয় করে তুলতে হবে। কাগজপত্র বা সময়ের জটিলতা কমিয়ে সহজ ও দ্রুত লেনদেন ব্যবস্থা চালু করতে হবে। রেমিট্যান্স পাঠানোর জন্য সহজ অ্যাপ এবং সেবাগুলো চালু করতে হবে। এটি একটি সামাজিক ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ, যা সমাধানের জন্য সরকারের পাশাপাশি প্রবাসী কর্মী এবং সাধারণ জনগণেরও সচেতন ভূমিকা প্রয়োজন।

আগামীর শ্রমবাজার শক্তিশালী করতে হলে দেশের প্রতিটি অঞ্চলে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট স্থাপন করতে হবে। নতুন প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং অটোমেশনের ওপর ভিত্তি করে প্রশিক্ষণ দিতে হবে। অনলাইনে ভিসা আবেদন, বৈধ কাগজপত্র যাচাই এবং শ্রমিকদের প্রশিক্ষণ মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা করতে হবে। প্রবাসীদের একটি ডিজিটাল ডেটাবেইস তৈরি করতে হবে। শ্রমিকদের অভিযোগ দ্রুত সমাধান করতে দূতাবাসের কার্যক্রম আরো গতিশীল করতে হবে। নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্র, আইনি সহায়তা এবং মানসিক সেবা প্রদান নিশ্চিত করতে হবে। ইউরোপ, পূর্ব এশিয়া, ও আফ্রিকায় নতুন শ্রমবাজার তৈরি করতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা বাড়াতে হবে। এর সঙ্গে প্রতিটি দেশের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ শ্রমিক প্রস্তুত করতে হবে।

লেখক : ম্যানেজার, ব্র্যাক মাইগ্রেশন ওয়েলফেয়ার সেন্টার।

বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ

এই বিভাগের আরও খবর
ছাত্রদের রাজনীতি ও জনপ্রত্যাশা
ছাত্রদের রাজনীতি ও জনপ্রত্যাশা
ড. ইউনূসের আরো স্থায়িত্বের প্রশ্নে কিছু কথা
ড. ইউনূসের আরো স্থায়িত্বের প্রশ্নে কিছু কথা
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
প্রত্যাশা সমষ্টিগত মানুষের স্বাধীনতা ও মুক্তি
প্রত্যাশা সমষ্টিগত মানুষের স্বাধীনতা ও মুক্তি
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ, জাতীয় স্বার্থ ও গণঅভ্যুত্থানের পুনর্জাগরণ
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ, জাতীয় স্বার্থ ও গণঅভ্যুত্থানের পুনর্জাগরণ
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক: জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি ও ভবিষ্যৎ প্রেক্ষিত
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক: জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি ও ভবিষ্যৎ প্রেক্ষিত
সেনাবাহিনী নিয়ে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে
সেনাবাহিনী নিয়ে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে
সেনাবাহিনী বা প্রধান নিয়ে অপরিণামদর্শী স্মার্টনেস কাম্য নয়
সেনাবাহিনী বা প্রধান নিয়ে অপরিণামদর্শী স্মার্টনেস কাম্য নয়
তবে কি সংস্কারের পুকুরে ডুবছে নতুন স্বাধীনতা ?
তবে কি সংস্কারের পুকুরে ডুবছে নতুন স্বাধীনতা ?
বুদ্ধিজীবীরা প্রত্যক্ষ ভূমিকা রেখেছেন স্বাধীনতা সংগ্রামে
বুদ্ধিজীবীরা প্রত্যক্ষ ভূমিকা রেখেছেন স্বাধীনতা সংগ্রামে
সেনাবাহিনীকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে
সেনাবাহিনীকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে
সর্বশেষ খবর
‘ভারতে বিতর্কিত ওয়াকফ বিল মুসলিমদের আরো নিরাপত্তাহীন করে তুলবে’
‘ভারতে বিতর্কিত ওয়াকফ বিল মুসলিমদের আরো নিরাপত্তাহীন করে তুলবে’

এই মাত্র | রাজনীতি

চট্টগ্রামে মদসহ চারজন গ্রেফতার
চট্টগ্রামে মদসহ চারজন গ্রেফতার

৫৩ সেকেন্ড আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

কক্সবাজারে ট্রেনে কাটা পড়ে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
কক্সবাজারে ট্রেনে কাটা পড়ে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামে পোশাককর্মী খুনের ঘটনায় স্বামী গ্রেফতার
চট্টগ্রামে পোশাককর্মী খুনের ঘটনায় স্বামী গ্রেফতার

১৭ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ঈদের লম্বা ছুটিতে চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনারের স্তূপ
ঈদের লম্বা ছুটিতে চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনারের স্তূপ

২০ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিদেশি মদসহ গ্রেফতার ৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিদেশি মদসহ গ্রেফতার ৬

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

‘আইএমএফ বলেছে বাংলাদেশের অর্থনীতি সঠিক দিকেই আছে’
‘আইএমএফ বলেছে বাংলাদেশের অর্থনীতি সঠিক দিকেই আছে’

৩০ মিনিট আগে | বাণিজ্য

পৃথিবীর ‘সবুজ ফুসফুস’ নজরদারি করবে মহাকাশযান
পৃথিবীর ‘সবুজ ফুসফুস’ নজরদারি করবে মহাকাশযান

৩০ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

গাইবান্ধায় কৃষকদের নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের আনন্দময় দিন
গাইবান্ধায় কৃষকদের নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের আনন্দময় দিন

৩১ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

হজ ব্যবস্থাপনায় কোনো ত্রুটি বরদাশত করা হবে না : ধর্ম উপদেষ্টা
হজ ব্যবস্থাপনায় কোনো ত্রুটি বরদাশত করা হবে না : ধর্ম উপদেষ্টা

৩২ মিনিট আগে | জাতীয়

অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের দায়ে ৭ বাসকে জরিমানা
অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের দায়ে ৭ বাসকে জরিমানা

৩৭ মিনিট আগে | নগর জীবন

ঈদের ছুটি পর বেনাপোল বন্দরে ফিরেছে স্বাভাবিক গতি
ঈদের ছুটি পর বেনাপোল বন্দরে ফিরেছে স্বাভাবিক গতি

৪৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

শর্টস ভিডিও নির্মাতাদের জন্য সুখবর দিল ইউটিউব
শর্টস ভিডিও নির্মাতাদের জন্য সুখবর দিল ইউটিউব

৪৯ মিনিট আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

গলাচিপায় শুভসংঘের উদ্যোগে জমিতে অতিরিক্ত সার ও কীটনাশক প্রয়োগ বিষয়ক সচেতনামূলক সভা
গলাচিপায় শুভসংঘের উদ্যোগে জমিতে অতিরিক্ত সার ও কীটনাশক প্রয়োগ বিষয়ক সচেতনামূলক সভা

৫১ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ট্রাম্পের সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল ইরান
ট্রাম্পের সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল ইরান

৫৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিখোঁজ সেই গৃহবধূ পরকীয়া প্রেমিকসহ উদ্ধার
নিখোঁজ সেই গৃহবধূ পরকীয়া প্রেমিকসহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাউবিতে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত
বাউবিতে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বগুড়ায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নারী নিহত
বগুড়ায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নারী নিহত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিনিয়োগ সম্মেলনে অংশ নেবেন যুক্তরাষ্ট্র-চীনসহ ৪০ দেশের বিনিয়োগকারী
বিনিয়োগ সম্মেলনে অংশ নেবেন যুক্তরাষ্ট্র-চীনসহ ৪০ দেশের বিনিয়োগকারী

১ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে ইমাম গ্রেফতার
কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে ইমাম গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় গণহত্যার প্রতিবাদে বিশ্বজুড়ে ‘নো ওয়ার্ক, নো স্কুল’ কর্মসূচির ডাক
গাজায় গণহত্যার প্রতিবাদে বিশ্বজুড়ে ‘নো ওয়ার্ক, নো স্কুল’ কর্মসূচির ডাক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নদী শুধু কাঁদায় না, জেগে ওঠা চরে ফসল ফলিয়ে কৃষকদেরও বাঁচায়
নদী শুধু কাঁদায় না, জেগে ওঠা চরে ফসল ফলিয়ে কৃষকদেরও বাঁচায়

১ ঘণ্টা আগে | প্রকৃতি ও পরিবেশ

কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যদের
কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যদের

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলি গণহত্যার বিরুদ্ধে হোয়াইট হাউসের সামনে বিক্ষোভকারীদের প্রতিবাদ
ইসরায়েলি গণহত্যার বিরুদ্ধে হোয়াইট হাউসের সামনে বিক্ষোভকারীদের প্রতিবাদ

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ পেডিয়াট্রিক অ্যাসোসিয়েশনের প্রথম ঈদ পুনর্মিলনী
বাংলাদেশ পেডিয়াট্রিক অ্যাসোসিয়েশনের প্রথম ঈদ পুনর্মিলনী

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

জাজিরার সেই ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার
জাজিরার সেই ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় গণহত্যা বন্ধে সোমবার বিশ্বব্যাপী ‘নো ওয়ার্ক নো স্কুল’
গাজায় গণহত্যা বন্ধে সোমবার বিশ্বব্যাপী ‘নো ওয়ার্ক নো স্কুল’

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বগুড়ায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে সাবেক এমপি লালু
বগুড়ায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে সাবেক এমপি লালু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জয়পুরহাটে তুচ্ছ ঘটনায় হোটেল শ্রমিক নিহত, আটক ১
জয়পুরহাটে তুচ্ছ ঘটনায় হোটেল শ্রমিক নিহত, আটক ১

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশে ব্যবসার অনুমোদন পেয়েছে স্টারলিংক
বাংলাদেশে ব্যবসার অনুমোদন পেয়েছে স্টারলিংক

২ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

সর্বাধিক পঠিত
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড
এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিয়েবাড়ির গেটে পার্টি স্প্রে দেওয়া নিয়ে মারামারি, ভাঙলো বিয়ে
বিয়েবাড়ির গেটে পার্টি স্প্রে দেওয়া নিয়ে মারামারি, ভাঙলো বিয়ে

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশসহ ১৪ দেশের ওপর সৌদির সাময়িক ভিসা নিষেধাজ্ঞা
বাংলাদেশসহ ১৪ দেশের ওপর সৌদির সাময়িক ভিসা নিষেধাজ্ঞা

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের ওয়াকফ সংশোধনী বিল নিয়ে যা বললেন আসিফ নজরুল
ভারতের ওয়াকফ সংশোধনী বিল নিয়ে যা বললেন আসিফ নজরুল

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মারা গেছেন
আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মারা গেছেন

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষ্যে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা ও সহযোগিতা কার্যক্রম
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষ্যে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা ও সহযোগিতা কার্যক্রম

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান
সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে ফ্ল্যাট নিয়ে টিউলিপের মিথ্যাচার
যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে ফ্ল্যাট নিয়ে টিউলিপের মিথ্যাচার

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতে ওয়াকফ বিল পাস হওয়ায় যে প্রতিক্রিয়া জানাল বিএনপি
ভারতে ওয়াকফ বিল পাস হওয়ায় যে প্রতিক্রিয়া জানাল বিএনপি

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতি নিয়ে জরুরি নির্দেশনা
সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতি নিয়ে জরুরি নির্দেশনা

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্মার্টফোনে ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ মোডের কাজ কী?
স্মার্টফোনে ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ মোডের কাজ কী?

১২ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

আইনে পরিণত হলো বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী বিল
আইনে পরিণত হলো বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী বিল

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজায় গণহত্যা বন্ধে সোমবার বিশ্বব্যাপী ‘নো ওয়ার্ক নো স্কুল’
গাজায় গণহত্যা বন্ধে সোমবার বিশ্বব্যাপী ‘নো ওয়ার্ক নো স্কুল’

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘গৃহকর্ত্রীও নির্যাতিতা হতে পারেন’ -পরীমনির সেই ইস্যুতে ফেসবুকে ন্যান্সি
‘গৃহকর্ত্রীও নির্যাতিতা হতে পারেন’ -পরীমনির সেই ইস্যুতে ফেসবুকে ন্যান্সি

৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত: মস্কো
ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত: মস্কো

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি
সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ভাঙচুর ও হত্যাচেষ্টা মামলায় আওয়ামীপন্থী ৬১ আইনজীবীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ
ভাঙচুর ও হত্যাচেষ্টা মামলায় আওয়ামীপন্থী ৬১ আইনজীবীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক
যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক

২৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আমিরাতের সহযোগিতায় ৮ বিভাগে হবে স্পোর্টস হাব : ক্রীড়া উপদেষ্টা
আমিরাতের সহযোগিতায় ৮ বিভাগে হবে স্পোর্টস হাব : ক্রীড়া উপদেষ্টা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্প-মাস্কের নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে গণবিক্ষোভ
ট্রাম্প-মাস্কের নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে গণবিক্ষোভ

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব সামাল দেয়া কঠিন নয় : অর্থ উপদেষ্টা
ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব সামাল দেয়া কঠিন নয় : অর্থ উপদেষ্টা

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খনিজ চুক্তি ফাঁস: তদন্তে নেমেছে ইউক্রেন
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খনিজ চুক্তি ফাঁস: তদন্তে নেমেছে ইউক্রেন

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শান্তি আলোচনায় সময় ফুরিয়ে আসছে, রাশিয়াকে হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের
শান্তি আলোচনায় সময় ফুরিয়ে আসছে, রাশিয়াকে হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দেশে প্রবাসী আয়ে রেকর্ড, মার্চে এল ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি
দেশে প্রবাসী আয়ে রেকর্ড, মার্চে এল ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি

৫ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ভারতে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১, ছিলেন ৭০ জনের বেশি বাংলাদেশি  তীর্থযাত্রী
ভারতে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১, ছিলেন ৭০ জনের বেশি বাংলাদেশি তীর্থযাত্রী

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইভ্যালির রাসেল-শামীমার তিন বছরের কারাদণ্ড
ইভ্যালির রাসেল-শামীমার তিন বছরের কারাদণ্ড

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিচার চেয়ে থানায় বৃদ্ধা, ‘ভিক্ষা করে কেনা মুরগি মেরে দিল কারা?’
বিচার চেয়ে থানায় বৃদ্ধা, ‘ভিক্ষা করে কেনা মুরগি মেরে দিল কারা?’

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

তিন মন্ত্রণালয়ে সচিব পদে রদবদল
তিন মন্ত্রণালয়ে সচিব পদে রদবদল

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনা হোক : সালাউদ্দিন আহমেদ
গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনা হোক : সালাউদ্দিন আহমেদ

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
সেন্টমার্টিন এখন অন্যরকম
সেন্টমার্টিন এখন অন্যরকম

পেছনের পৃষ্ঠা

মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক
মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক

প্রথম পৃষ্ঠা

জটিলতা ৫৫ আসনে
জটিলতা ৫৫ আসনে

পেছনের পৃষ্ঠা

ফের উত্তপ্ত হবে রাজপথ
ফের উত্তপ্ত হবে রাজপথ

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার
ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার

প্রথম পৃষ্ঠা

দূরত্ব কাটাবে ঢাকা-দিল্লি
দূরত্ব কাটাবে ঢাকা-দিল্লি

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্ষমতার মজা পেয়ে গেছেন উপদেষ্টা পরিষদের সবাই
ক্ষমতার মজা পেয়ে গেছেন উপদেষ্টা পরিষদের সবাই

প্রথম পৃষ্ঠা

ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান
ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত
এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত

প্রথম পৃষ্ঠা

বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক
বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক

শোবিজ

যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ
যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজবাড়ীতে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির শকুন উদ্ধার
রাজবাড়ীতে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির শকুন উদ্ধার

পেছনের পৃষ্ঠা

বাণিজ্য ছাড়িয়েছিল হাজার কোটি ডলার
বাণিজ্য ছাড়িয়েছিল হাজার কোটি ডলার

পেছনের পৃষ্ঠা

সাবেক রেলমন্ত্রীর বাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ
সাবেক রেলমন্ত্রীর বাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশের ওপর সৌদির ভিসা নিষেধাজ্ঞা
বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশের ওপর সৌদির ভিসা নিষেধাজ্ঞা

পেছনের পৃষ্ঠা

মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ

প্রথম পৃষ্ঠা

সুপার লিগে খেলার লড়াই
সুপার লিগে খেলার লড়াই

মাঠে ময়দানে

ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা
ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

একই দিনে দুই বিয়ে
একই দিনে দুই বিয়ে

শোবিজ

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

লাহোরে নিগারদের অনুশীলন
লাহোরে নিগারদের অনুশীলন

মাঠে ময়দানে

ফুটবলেই থাকছেন সালাউদ্দিন
ফুটবলেই থাকছেন সালাউদ্দিন

মাঠে ময়দানে

ডলি সায়ন্তনীর এই জমানার মেয়ে
ডলি সায়ন্তনীর এই জমানার মেয়ে

শোবিজ

অভিযোগের জবাবে পরী
অভিযোগের জবাবে পরী

শোবিজ

সরকারি বই দিতে ঘুষ
সরকারি বই দিতে ঘুষ

পেছনের পৃষ্ঠা

হামজার অন্যরকম মাইলফলক
হামজার অন্যরকম মাইলফলক

মাঠে ময়দানে

লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি
লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি

দেশগ্রাম

বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০
বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০

প্রথম পৃষ্ঠা

আওয়ামী লীগের বিচার চায় বিএনপি
আওয়ামী লীগের বিচার চায় বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা