শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বৃহস্পতিবার, ০৯ জানুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ০০:১৪, বৃহস্পতিবার, ০৯ জানুয়ারি, ২০২৫

আতঙ্ক ও উদ্বেগে ব্যবসায়ীরা

♦ গ্যাসের দাম বাড়ানোর উদ্যোগ শিল্পবাণিজ্যে মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা ♦ নতুন উদ্যোক্তারা বাজারে টিকতে পারবেন না ♦ কষ্ট বাড়বে সাধারণ মানুষের ♦ বাড়বে মূল্যস্ফীতি
জিন্নাতুন নূর
প্রিন্ট ভার্সন
আতঙ্ক ও উদ্বেগে ব্যবসায়ীরা

দেশে শিল্প খাতের সুদিন যেন ফিরছেই না। দিন যতই যাচ্ছে ততই কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়ছেন শিল্পোদ্যোক্তারা। দীর্ঘদিন ধরে ডলার সংকট, সুদের উচ্চহার এবং শ্রমিক অসন্তোষসহ বিভিন্ন কারণে ব্যবসা করতে হিমশিম খাচ্ছেন। অতীতের যে কোনো সময়ের চেয়ে শিল্পমালিকরা কঠিন সময় পার করছেন। ব্যবসা ধরে রাখতে যখন ব্যবসায়ীরা মরিয়া ঠিক তখনই মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘার মতো শিল্পে গ্যাসের দাম নতুন করে ১৫২ শতাংশ বা আড়াই গুণ পর্যন্ত বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিল্পমালিকরা বহুদিন থেকেই অভিযোগ জানিয়ে আসছেন, তাঁরা বাড়তি দাম দিয়েও কারখানায় নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস পাচ্ছেন না। এ অবস্থায় নতুন করে আবারও গ্যাসের দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্তে ব্যবসায়ীরা উদ্বেগ ও আতঙ্কের মধ্যে আছেন। অনেকে ব্যবসা গুটিয়ে নেওয়ার চিন্তাও করছেন। কেউ কেউ বলছেন, শিল্প স্থাপন করে বিপদে পড়ার চেয়ে ট্রেডিং ব্যবসা অনেক ভালো। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জ্বালানি খাতে এত উচ্চমূল্যে নতুন শিল্পোদ্যোক্তারা বাজারে রপ্তানি করতে পারবেন কি না তা দেখার বিষয়। এটা নতুনদের জন্য চ্যালেঞ্জ।

শিল্পোদ্যোক্তারা গতকাল বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, যে মাত্রায় শিল্পে এবার গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে তা বেশ বড়। এর ফলে মূল্যস্ফীতির যে চাপ তা আরও বাড়বে। শিল্প খাতে কোনো উদ্যোক্তা নতুন করে গ্যাস সংযোগ নিয়ে কারখানা স্থাপনের কথা চিন্তা করবেন না। এ অবস্থায় শিল্প টিকিয়ে রাখার প্রশ্নই আসে না। নতুন উদ্যোক্তারা কোনোভাবে প্রতিযোগিতার বাজারে টিকে থাকতে পারবেন না। এতে অবশ্যই শিল্পে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। গ্যাসের দাম বৃদ্ধি করার প্রস্তাব যদি বাস্তবায়ন করা হয় তাহলে এর মাধ্যমে নীতিনির্ধারকরা এই বার্তা দেবেন যে, বাংলাদেশে আগামীতে তাঁরা আর ম্যানুফ্যাকচারিং খাত চাচ্ছেন না।

গত বছরের আগস্টের পর রাজনৈতিক পট পরিবর্তনে দেশজুড়ে রাজনৈতিক অস্থিরতা, অস্থিতিশীল বাজার, সুদহার বৃদ্ধি, ঋণপত্র খোলার জটিলতা, ডলার সংকট এবং শ্রমিক অসন্তোষের কারণে দেশের অসংখ্য কারখানা বন্ধ হয়ে যায়। যেসব কারখানা এখনো লড়াই করে টিকে আছে সেগুলোও ধুঁকে ধুঁকে চলছে। ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন বহু শিল্পমালিক। এ অবস্থায় নতুন করে শিল্পে গ্যাসের দাম আড়াই গুণ বৃদ্ধির প্রস্তাব দেশীয় শিল্প খাতের জন্য অশনিসংকেত বলে এ খাত সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। মূলত নতুন করে গ্যাসের দাম বৃদ্ধি করা হলে ভারী শিল্প সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এর পাশাপাশি ক্ষুদ্র শিল্পগুলোও ক্ষতির মুখে পড়বে। এ ধরনের এসব শিল্পে বিনিয়োগকারীরা বড় ধরনের বিনিয়োগ করেন। এ শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হলে বিনিয়োগকারীদের ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা আছে। আর শিল্পকারখানা বন্ধ হলে চাকরি হারাবেন বহু শ্রমিক ও শিল্প খাতসংশ্লিষ্ট মানুষ। শিল্পে নতুন বিনিয়োগ আসবে না, হবে না নতুন কর্মসংস্থান। বিদেশি বিনিয়োগকারীরাও নিরুৎসাহিত হবেন। এর প্রভাব পড়বে রপ্তানি শিল্পে। সব মিলিয়ে শিল্পের প্রসার বাধাগ্রস্ত হবে।

ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশ প্রতিদিনকে জানান, গ্যাসের দাম বৃদ্ধি করে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও শিল্পোদ্যোক্তারা এখন পর্যন্ত তা পাননি। এজন্য অনেক কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। এখন যদি নতুন করে আবার গ্যাসের দাম বৃদ্ধি করা হয় তাহলে গ্যাসনির্ভর কারখানাগুলো বন্ধ করে দিতে হবে। ব্যাংক ঋণ এখন সাড়ে ১৪ থেকে ১৬ শতাংশ হয়েছে। গ্যাসের দাম আবার বাড়ালে শিল্প খাত ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে চলে যাবে। শিল্প খাতের লাখ লাখ শ্রমিক বেকার হয়ে পড়বেন।

সরকারের জ্বালানি বিভাগ এরই মধ্যে শিল্পে গ্যাসের নতুন দাম বৃদ্ধির জন্য নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে। প্রস্তাবটি চূড়ান্ত করার জন্য এখন বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনে (বিইআরসি) রয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী নতুন কারখানার জন্য গ্যাসের দাম হবে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এনএনজি) আমদানি ব্যয়ের সমান। এতে নতুন কারখানাগুলোকে বর্তমান দরের চেয়ে আড়াই গুণ বেশি দামে গ্যাস কিনতে হবে। এমনকি পুরনো শিল্পকারখানাগুলোতে লোড বাড়াতে চাইলেও উদ্যোক্তাদের গুনতে হবে আড়াই গুণ বেশি মূল্য।

বর্তমানে শিল্পকারখানার গ্রাহকদের প্রতি ঘনমিটার গ্যাস কিনতে ৩০ টাকা এবং ক্যাপটিভ পাওয়ারে (শিল্পে ব্যবহৃত নিজস্ব বিদ্যুৎ) ৩০ টাকা ৭৫ পয়সা দিতে হয়। সম্প্রতি বিইআরসিতে বাংলাদেশ তেল, গ্যাস, খনিজ সম্পদ করপোরেশন (পেট্রোবাংলা)-এর পাঠানো প্রস্তাবে প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের দাম ৭৫ টাকা ৭২ পয়সা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এর মধ্যে নতুন সংযোগের ক্ষেত্রে পুরো গ্যাস বিল হবে নতুন দামে। তবে প্রস্তাবে পুরনো শিল্পোদ্যোক্তারা কিছুটা ছাড় পাবেন।

বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ) সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম গতকাল বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, আমরা মনে করি না প্রতি ঘনমিটারে ৭০ থেকে ৭৫ টাকা দাম দিয়ে দেশে কেউ শিল্পায়ন করবে বা গ্যাস ব্যবহার করবে। এর আগে সরকার ১২ টাকা থেকে ৩০ টাকা করেছিল এবং ক্যাপটিভে সাড়ে ৩১ টাকা করেছে। এটি ছিল অস্বাভাবিক বৃদ্ধি। সে সময় কথা ছিল আমাদের নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ করা হবে। কিন্তু আমরা কখনোই সেটি পাইনি। বরং গ্যাসের দাম বৃদ্ধির পর থেকে এটি খারাপের দিকে গেছে। নতুন যে পলিসি সরকার করতে যাচ্ছে এতটুকু বলতে পারি যে, আমাদের খাতে কোনো উদ্যোক্তা নতুন করে গ্যাস সংযোগ নিয়ে কারখানা স্থাপনের কথা চিন্তা করবে না। আমাদের এখন যে ৩০/৩১ টাকা গ্যাস বিল দিতে হয় এটিই আমাদের দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। এক্ষেত্রে এই দাম ৭০/৭৫ টাকা হলে শিল্প টিকিয়ে রাখার প্রশ্নই আসে না। এতে অবশ্যই শিল্পে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের (বিসিআই) সভাপতি আনোয়ার-উল-আলম চৌধুরী বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, গ্যাসের দাম স্বল্পমূল্য হওয়ার কারণেই বাংলাদেশের ম্যানুফ্যাকচারিং সেক্টর গড়ে উঠেছিল। অন্য দেশের সঙ্গে তুলনা করলে আমাদের শিল্পকারখানার অবকাঠোতেই ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ বিনিয়োগ চলে যায়। ব্যাংক ঋণও খুব বেশি। এমনিতেই এখানে জ্বালানির মূল্য আন্তর্জাতিক বাজারের থেকে বেশি। এর মধ্যে গ্যাসের সরবরাহ নেই। যেসব কারখানা এখন আছে সেগুলোর টিকে থাকাই খুব কষ্টের। এ কারখানাগুলো বিশাল ঝুঁকির মধ্যে আছে। এজন্য বেসরকারি খাতে ক্রেডিট গ্রোথ দিনকে দিন ডাউন হয়ে যাচ্ছে। এ অবস্থায় নতুন করে গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত, বিশেষ করে নতুন সংযোগ যারা নেবে তাদের ৭৫ টাকা পড়ে যাবে। আর পুরনো যারা লোড বৃদ্ধি করবে তাদের ৫০ শতাংশ বাড়বে। এর অর্থ হচ্ছে সরকারকে যারা শিল্পে গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির পরামর্শ দিয়েছে তাদের উদ্দেশ্য শিল্পকারখানা যাতে আর উন্নতি না করে। একই সঙ্গে এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হলে পলিসি মেকাররা এ বার্তা দিয়ে দেবেন যে, বাংলাদেশে আগামীতে ম্যানুফ্যাকচারিং খাত আর চাচ্ছেন না। বাংলাদেশ সিরামিক ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিসিএমইএ) সভাপতি ও মুন্নু সিরামিকস ইন্ডাস্ট্রিজের ভাইস চেয়ারম্যান মইনুল ইসলাম গতকাল বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, সিরামিকস খাতে গ্যাস অন্যতম একটি উপাদান। এর দাম আরও বাড়ানো হলে এ খাতে আমি আর কোনো ভবিষ্যৎ দেখি না।

বিইআরসির সদস্য (গ্যাস) মো. মিজানুর রহমান বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, আমরা শিল্পে গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির জন্য প্রস্তাব পেয়েছি। এ নিয়ে বৈঠক হয়েছে। তবে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সময় লাগবে। এ নিয়ে টেকনিক্যাল কমিটিসহ বিতরণ কমিটিগুলোর সঙ্গে বৈঠক হবে, শুনানি হবে। এর মধ্যে বিতরণ কোম্পানিগুলো থেকে প্রস্তাবও আসতে হবে।

পেট্রোবাংলার হিসাবে, ২০২৩ সালের নভেম্বর থেকে গত অক্টোবর পর্যন্ত শিল্পে অনুমোদিত লোডের চেয়ে ১৪ কোটি ৭৮ লাখ ঘনমিটার গ্যাস বাড়তি ব্যবহার করা হয়েছে। আর ক্যাপটিভে ৫ কোটি ৭৬ লাখ ঘনমিটার গ্যাস বাড়তি ব্যবহার করা হয়েছে। আর প্রস্তাব অনুসারে পুরনো কারখানায় বাড়তি এমন ব্যবহারের ক্ষেত্রে গ্যাসের বিল হবে নতুন দামে। পেট্রোবাংলা দেশীয় কূপের পাশাপাশি এলএনজি আমদানি করেও জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ করে। দেশীয় কূপ থেকে পাওয়া প্রতি ঘনমিটারে তাদের গড়ে খরচ হয় ৬ টাকা ৭ পয়সা। কিন্তু এলএনজি আমদানি করতে খরচ হচ্ছে ৭৫ টাকার বেশি। এতে লোকসানে আছে সংস্থাটি। অন্তর্বর্তী সরকার এ ভর্তুকি দিতে রাজি নয়। তাই এখন এলএনজি আমদানির খরচ পুরোটাই শিল্পের ওপর চাপাতে চাইছে পেট্রোবাংলা।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ৭৫ টাকা করে গ্যাস কিনে ৩০ টাকায় দেওয়া সম্ভব নয়। আর পুরনো শিল্প গ্রাহকদের ওপর এটি কার্যকর হবে না। আমাদের এরই মধ্যে ২০ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হচ্ছে। এটি আর বাড়াতে চাই না। আমরা শিল্পে গ্যাসের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব দিয়েছি। বিইআরসি কর্তৃপক্ষ এটি যাচাইবাছাই করে তারপর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।

বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের মুখ্য অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন গতকাল বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, যে মাত্রায় শিল্পে এবার গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাব করেছে তা বেশ বড়। এতে গ্যাসনির্ভর কারখানাগুলো যেমন গার্মেন্ট কারখানা, তাদের উৎপাদন খরচের ১০ শতাংশ পর্যন্ত গ্যাসের খরচে যায়। নতুন এ প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে তা যদি কোনো পরিবর্তন ছাড়া বাস্তবায়ন করা হয় তাহলে উৎপাদন খরচের ওপর অবশ্যই ধাক্কা আসবে। এর ফলে মূল্যস্ফীতির যে চাপ তা আরও বাড়বে। এটি অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই। পেট্রোবাংলার বিরুদ্ধে গ্যাসের লিকেজ থেকে শুরু করে অনেক অভিযোগ আছে। অবৈধভাবে গ্যাস সংযোগও দেওয়া হয়। এর বিল তো সরকার পাচ্ছে না। এসব জায়গায় তাদের জবাবদিহিতাও প্রয়োজন।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ম. তামিম বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, গ্যাসের দাম বাড়ানো নিশ্চিতভাবে গ্যাসভিত্তিক নতুন শিল্পোদ্যোক্তাদের অন্তরায় হবে। নতুন উদ্যোক্তারা কোনোভাবে প্রতিযোগিতার বাজারে টিকে থাকতে পারবে না। কারণ তাদের খরচ বেশি। এটা বাজারে বিরাট পার্থক্য তৈরি করবে। বর্তমানে শিল্পকারখানাগুলো যারা অতিরিক্ত গ্যাস ব্যবহার করবে তাদেরও নতুন মূল্যে টাকা দিতে হবে। তার মানে দাম বাড়ানোর প্রভাব পুরনোদের ওপরও পড়বে। আর নতুন সংযোগ নেওয়া শিল্পগুলোর ওপর অবশ্যই প্রভাব পড়বে। জ্বালানি খাতে এত উচ্চমূল্যে নতুন শিল্পোদ্যোক্তারা বাজারে রপ্তানি করতে পারবেন কি না তা দেখার বিষয়। এটা নতুনদের জন্য চ্যালেঞ্জ।

এর আগে ২০২৩ সালের ১৮ জানুয়ারি নির্বাহী আদেশে শিল্পে গ্যাসের দাম বাড়িয়ে তিন গুণ করা হয়। প্রতি ইউনিট গ্যাসের দাম বৃহৎ শিল্পে ১১ টাকা ৯৮ পয়সা এবং ক্ষুদ্র শিল্পে ১০ টাকা ৭৮ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৩০ টাকা করা হয়। ক্যাপটিভে প্রতি ইউনিটে ১৬ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০ টাকা করা হয়েছিল। এরপর ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ক্যাপটিভে প্রতি ইউনিটের দাম ৩০ টাকা ৭৫ পয়সা নির্ধারণ করা হয়।

এই বিভাগের আরও খবর
আওয়ামী লীগের বিচার চায় বিএনপি
আওয়ামী লীগের বিচার চায় বিএনপি
ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা
ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা
বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০
বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০
যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ
যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ
মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক
মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক
ঢাকায় আইএমএফ প্রতিনিধিদল
ঢাকায় আইএমএফ প্রতিনিধিদল
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
টালমাটাল বিশ্ববাণিজ্য
টালমাটাল বিশ্ববাণিজ্য
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে
সংস্কার শেষেই নির্বাচন দিতে হবে
সংস্কার শেষেই নির্বাচন দিতে হবে
ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার
ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার
ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান
ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান
সর্বশেষ খবর
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৬ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৬ এপ্রিল)

৩ মিনিট আগে | জাতীয়

রমজানের শিক্ষা ধরে রাখতে হবে
রমজানের শিক্ষা ধরে রাখতে হবে

১০ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

মেহমানের সমাদরে জান্নাত মেলে
মেহমানের সমাদরে জান্নাত মেলে

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

মুমিনজীবনের প্রকৃত সাফল্য
মুমিনজীবনের প্রকৃত সাফল্য

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

পরিবারকে আনন্দ দেওয়া সুন্নত
পরিবারকে আনন্দ দেওয়া সুন্নত

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

মুসলমানের জীবনযাপনে শালীনতা
মুসলমানের জীবনযাপনে শালীনতা

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

জবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক হিমেলকে নিকলীতে গণসংবর্ধনা
জবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক হিমেলকে নিকলীতে গণসংবর্ধনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জামায়াতের দাবি বছর শেষে জাতীয় নির্বাচন : রেজাউল করিম
জামায়াতের দাবি বছর শেষে জাতীয় নির্বাচন : রেজাউল করিম

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের বাড়িতে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ
সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের বাড়িতে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সিরাজগঞ্জে ট্রাক-অটোভ্যান সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ২
সিরাজগঞ্জে ট্রাক-অটোভ্যান সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ২

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইউনূস-মোদি বৈঠক বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক : গোলাম পরওয়ার
ইউনূস-মোদি বৈঠক বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক : গোলাম পরওয়ার

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গাজীপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জরিমানা
গাজীপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জরিমানা

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাইবান্ধায় হস্তশিল্প মেলার নামে চলছে জুয়া ও অশ্লীল নাচ
গাইবান্ধায় হস্তশিল্প মেলার নামে চলছে জুয়া ও অশ্লীল নাচ

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নৌকাডুবিতে স্বামীসহ প্রাণ হারালেন ইবি শিক্ষার্থী
নৌকাডুবিতে স্বামীসহ প্রাণ হারালেন ইবি শিক্ষার্থী

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নেতাকর্মীদের সতর্ক করলো সিলেট বিএনপি
নেতাকর্মীদের সতর্ক করলো সিলেট বিএনপি

৪ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনা হোক : সালাউদ্দিন আহমেদ
গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনা হোক : সালাউদ্দিন আহমেদ

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মার্কিন শুল্কারোপ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই : খলিলুর রহমান
মার্কিন শুল্কারোপ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই : খলিলুর রহমান

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাঞ্জাবকে বড় ব্যবধানে হারালো রাজস্থান
পাঞ্জাবকে বড় ব্যবধানে হারালো রাজস্থান

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চেন্নাইকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে দিল্লি
চেন্নাইকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে দিল্লি

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে পোশাক শ্রমিকের মৃত্যু
চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে পোশাক শ্রমিকের মৃত্যু

৬ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রহ্মপুত্র নদে অষ্টমীর স্নান উৎসবে লাখো পুণ্যার্থীর ঢল
ব্রহ্মপুত্র নদে অষ্টমীর স্নান উৎসবে লাখো পুণ্যার্থীর ঢল

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ

৭ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গাজীপুরে ট্রাকের ধাক্কায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
গাজীপুরে ট্রাকের ধাক্কায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শাহবাগে ফুলের দোকানের আগুন নিয়ন্ত্রণে
শাহবাগে ফুলের দোকানের আগুন নিয়ন্ত্রণে

৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শাহবাগে ফুলের দোকানে আগুন
শাহবাগে ফুলের দোকানে আগুন

৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত ইয়াসিনের পরিবারের পাশে তারেক রহমান
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত ইয়াসিনের পরিবারের পাশে তারেক রহমান

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কু-প্রস্তাবে অসম্মতি জানানোয় বিধবাকে পিটিয়ে আহত, বসতবাড়ি ভাঙচুর
কু-প্রস্তাবে অসম্মতি জানানোয় বিধবাকে পিটিয়ে আহত, বসতবাড়ি ভাঙচুর

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড
এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিএনপি ক্ষমতার পাগল নয়, ক্ষমতা বিএনপির প্রাপ্য : ফজলুর রহমান
বিএনপি ক্ষমতার পাগল নয়, ক্ষমতা বিএনপির প্রাপ্য : ফজলুর রহমান

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শুধু মানুষের নয়, বানরও অর্থবহ ভাষা তৈরি করতে সক্ষম : গবেষণা
শুধু মানুষের নয়, বানরও অর্থবহ ভাষা তৈরি করতে সক্ষম : গবেষণা

১০ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

সর্বাধিক পঠিত
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি
আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব
ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা
সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড
এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন
ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে
কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম
নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার
হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প
‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী
পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি
হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি

১৫ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার
লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি
ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি

১১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা
চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা

২২ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা
পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার
৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা
কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু
আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা
আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার
প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার

১৮ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা
ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক
যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শান্তি আলোচনায় সময় ফুরিয়ে আসছে, রাশিয়াকে হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের
শান্তি আলোচনায় সময় ফুরিয়ে আসছে, রাশিয়াকে হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা
শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা

১০ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রফতানি আরও বাড়বে, কমবে না: প্রেস সচিব
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রফতানি আরও বাড়বে, কমবে না: প্রেস সচিব

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
সেন্টমার্টিন এখন অন্যরকম
সেন্টমার্টিন এখন অন্যরকম

পেছনের পৃষ্ঠা

মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক
মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক

প্রথম পৃষ্ঠা

জটিলতা ৫৫ আসনে
জটিলতা ৫৫ আসনে

পেছনের পৃষ্ঠা

ফের উত্তপ্ত হবে রাজপথ
ফের উত্তপ্ত হবে রাজপথ

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার
ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার

প্রথম পৃষ্ঠা

দূরত্ব কাটাবে ঢাকা-দিল্লি
দূরত্ব কাটাবে ঢাকা-দিল্লি

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত
এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত

প্রথম পৃষ্ঠা

ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান
ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্ষমতার মজা পেয়ে গেছেন উপদেষ্টা পরিষদের সবাই
ক্ষমতার মজা পেয়ে গেছেন উপদেষ্টা পরিষদের সবাই

প্রথম পৃষ্ঠা

সুপার লিগে খেলার লড়াই
সুপার লিগে খেলার লড়াই

মাঠে ময়দানে

বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক
বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক

শোবিজ

রাজবাড়ীতে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির শকুন উদ্ধার
রাজবাড়ীতে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির শকুন উদ্ধার

পেছনের পৃষ্ঠা

মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ

প্রথম পৃষ্ঠা

যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ
যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ

প্রথম পৃষ্ঠা

বাণিজ্য ছাড়িয়েছিল হাজার কোটি ডলার
বাণিজ্য ছাড়িয়েছিল হাজার কোটি ডলার

পেছনের পৃষ্ঠা

লাহোরে নিগারদের অনুশীলন
লাহোরে নিগারদের অনুশীলন

মাঠে ময়দানে

ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা
ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশের ওপর সৌদির ভিসা নিষেধাজ্ঞা
বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশের ওপর সৌদির ভিসা নিষেধাজ্ঞা

পেছনের পৃষ্ঠা

জরাজীর্ণ ভবন, নষ্ট এক্স-রে মেশিন
জরাজীর্ণ ভবন, নষ্ট এক্স-রে মেশিন

দেশগ্রাম

সাবেক রেলমন্ত্রীর বাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ
সাবেক রেলমন্ত্রীর বাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

পেছনের পৃষ্ঠা

লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি
লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি

দেশগ্রাম

বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০
বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০

প্রথম পৃষ্ঠা

শরীয়তপুরে খোলা মাঠ যেন যুদ্ধক্ষেত্র
শরীয়তপুরে খোলা মাঠ যেন যুদ্ধক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

সংস্কার শেষেই নির্বাচন দিতে হবে
সংস্কার শেষেই নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

একই দিনে দুই বিয়ে
একই দিনে দুই বিয়ে

শোবিজ

অভিযোগের জবাবে পরী
অভিযোগের জবাবে পরী

শোবিজ

তেহরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প
তেহরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প

পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বজুড়ে মানবিক সহায়তার সিংহভাগ যুক্তরাষ্ট্র আর বহন করবে না
বিশ্বজুড়ে মানবিক সহায়তার সিংহভাগ যুক্তরাষ্ট্র আর বহন করবে না

পূর্ব-পশ্চিম