শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল, ২০২৫ আপডেট: ০০:১২, বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল, ২০২৫

যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে

মন্‌জুরুল ইসলাম
প্রিন্ট ভার্সন
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে

‘যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে’-এটি একটি শ্রোতাপ্রিয় গানের কলি। শামসুল হক চিশতী (চিশতী বাউল) গানটি গেয়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছেন। তার গায়কিতে গানটি আরও বেশি করে শ্রোতা-দর্শকের হৃদয় ছুঁয়ে গেছে। নসিব বা ভাগ্য সম্পর্কে পবিত্র কোরআন ও হাদিসেও বিস্তর বর্ণনা আছে। সুরা হাদিদের ২২ নম্বর আয়াতে আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘পৃথিবীতে অথবা ব্যক্তিগতভাবে তোমাদের ওপর যে বিপর্যয় আসে আমি তা সংঘটিত করার আগেই তা লিপিবদ্ধ থাকে। আল্লাহর পক্ষে এটা খুবই সহজ।’

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পট পরিবর্তন, সামাজিক অবস্থা বিচার-বিশ্লেষণ করলে এটাই বলতে হয়, ভাগ্যে থাকলে কেউ তা খণ্ডন করতে পারে না। যার ভাগ্যে যা আছে, তা অন্যরা ষড়যন্ত্র করেও বরবাদ করতে পারে না। আল্লাহপ্রদত্ত প্রজ্ঞা, মেধা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে ভাগ্য পরিবর্তন সম্ভব। তবে সে পরিবর্তনটাও ভাগ্যের ব্যাপার অর্থাৎ ভাগ্যে না থাকলে পরিশ্রম করেও ভাগ্য পরিবর্তন সম্ভব না। যারা ভাগ্যে বিশ্বাস করেন না, তারা ভিন্নমত পোষণ করলেও শেষ পর্যন্ত নিজের ভালোমন্দের বিচারে মনে মনে ভাগ্যকেই মেনে নিতে বাধ্য হন।

শেখ হাসিনা যদি আর মাস দু-এক ক্ষমতায় থাকতে পারতেন, তাহলে নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে হয়তো জেলখানায় থাকতে হতো। সেই ড. ইউনূস আজ বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান। আর যে হাসিনা তাকে জেলখানায় পাঠানোর বন্দোবস্ত করেছিলেন, তাকেই প্রাণে বাঁচতে দেশ ছেড়ে পালাতে হয়েছে। যে ছাত্ররা চাকরিতে কোটা বৈষম্য দূর করার দাবিতে রাজপথে ছিলেন, তারা এখন রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে। চাকরি চাইতে গিয়ে হয়ে গেলেন মন্ত্রী। অনেকেই জাতীয় পর্যায়ে পরিচিত নেতা। রাজনীতি শুদ্ধ করার আন্দোলন করতে গিয়ে হয়ে গেলেন গুরুত্বপূর্ণ রাজনীতিবিদ। আট মাস আগেও যারা ছিলেন নেহাত গুরুত্বহীন, তাদের সঙ্গেই বিশেষ বৈঠক করেন জাতিসংঘের মহাসচিব।

যে খালেদা জিয়াকে দিনের পর দিন বন্দি রাখা হয় জেলখানায়, চিকিৎসার জন্য বিদেশ পর্যন্ত যেতে দেওয়া হয়নি। যার মৃত্যু কামনা করে সরকারপ্রধান কটূক্তি করেছিলেন, সেই খালেদা জিয়া সরকারপ্রধানসুস্থ হয়ে পরিবারের সঙ্গে এবার ঈদ উদ্‌যাপন করেছেন। এখন মুক্ত এবং বাংলাদেশের জনপ্রিয় শ্রদ্ধেয় রাজনৈতিক নেতা। প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমানকে দেশত্যাগে বাধ্য করেছিল ওয়ান-ইলেভেন সরকার। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের প্রধান শেখ হাসিনার নির্দেশে তার বিরুদ্ধে অসংখ্য মামলা দায়ের করা হয়। অনেক মামলায় তাকে শাস্তিও দেওয়া হয়। লন্ডন থেকে তারেক রহমানকে ধরে এনে বিচার করা হবে বলে হুংকারও দিয়েছিলেন শেখ হাসিনা। সেই তারেক রহমান এখন সব মিথ্যা মামলা থেকে মুক্ত। তিনি এখন বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনৈতিক নেতা। গত ১৭টি বছর তিনি লন্ডনে বসে দেশের বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপিকে রক্ষা করেছেন।

বেগম খালেদা জিয়া টানা ৪০ বছর ক্যান্টনমেন্টের মইনুল রোডের বাড়িতে বসবাস করেছেন। ওই বাড়িটি স্বাধীনতার ঘোষকের বাড়ি। একজন সেক্টর কমান্ডারের বাড়ি। একজন প্রেসিডেন্টের বাড়ি। তিনবারের প্রধানমন্ত্রীর বাড়ি। ওটা ছিল একটা ঐতিহাসিক বাড়ি। সে বাড়ি থেকে বেগম খালেদা জিয়াকে অপমান-অপদস্থ করে বের করে দেওয়া হয়। বুলডোজার দিয়ে সে বাড়িটি মাটির সঙ্গে মিশিয়ে ফেলা হয়েছে। ওই বাড়ি ভাঙা নিয়ে শেখ হাসিনা প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে বলেছিলেন, ‘প্রতিজ্ঞা করেছিলাম ক্যান্টনমেন্টের ওই বাড়িতে তাঁকে (খালেদা জিয়াকে) বসবাস করতে দেব না। যেদিন সময় আসবে ওই বাড়ি থেকে বের করে দেব। বের করে দিয়েছি।’ প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে একজনকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার বিপরীতে প্রকৃতির প্রতিশোধ হলো তার পিতার ৩২ নম্বর ধানমন্ডির বাড়িটি জনতার রোষে পড়ে ধুলায় মিশে গেল। ওই বাড়ির ধ্বংসস্তূপের ওপর বিক্ষুব্ধ জনতাকে প্রস্রাব করতেও দেখা গেছে।

যে আদালতে জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ এনে ফাঁসিতে ঝোলানো হয়েছিল, সে আদালতেই এখন শেখ হাসিনার বিচার চলছে। যে আইনে জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবিরের রাজনীতি আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করেছিল, সে আইনেই আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হওয়ার প্রক্রিয়া হয়তো চলবে। গত আট মাসে মোটা দাগে যে বিষয়গুলো দেশবাসী প্রত্যক্ষ করল, এ সবই হলো ভাগ্য বা নসিবের লিখন। মহান আল্লাহতায়ালা যার নসিবে যা লিখেছেন, তিনি তা-ই পেয়েছেন।

যারা কর্মে বিশ্বাসী মানুষ, তারাও গত আট মাসের হিসাব মিলিয়ে দেখবেন। কর্মের ফলেই ড. মুহাম্মদ ইউনূস আজ অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হয়েছেন। আর কর্মের ফলেই সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। ভাগ্যে বা নসিবে বিশ্বাসী বা কর্মে বিশ্বাসী সবার জন্যই একই শিক্ষা। সুতরাং আগামী দিনগুলোতে যার নসিবে যা আছে, তিনি তা-ই পাবেন। শুধু শুধু নানা ষড়যন্ত্র করে কোনো লাভ নেই। ষড়যন্ত্র করলে শত্রুতা বাড়বে, নিজেদের মধ্যে হানাহানি বাড়বে, ভাগ্য বা নসিব পরিবর্তন হবে না।

অনেক বছর পর এবার দেশবাসী শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ঈদের আনন্দ উপভোগ করলেন। কর্তৃত্ববাদী শাসন নেই, গুম-খুনের ভয় নেই। যারা দীর্ঘদিন বাড়িঘর ছাড়া ছিলেন তারা নিজের পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদ করতে পেরেছেন। নয় দিনের দীর্ঘ ছুটিতে মানুষ নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছতে পেরেছেন। বেপরোয়া যান চলাচল অনেকাংশে রোধ করা সম্ভব হয়েছে। সড়ক, রেল, নৌ ও আকাশপথে ছিল স্বস্তির যাত্রা। প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের নামাজ আদায় করেছেন। সেখানে তিনি দেশবাসীর উদ্দেশে বলেন, ‘নতুন বাংলাদেশ গড়তে যারা নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন, আহত হয়ে যারা স্বাভাবিক জীবন হারিয়েছেন, তাদের জন্য দোয়া করব। তাদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য গড়তে হবে। আমরা যেন স্থায়ী একটি ঐক্যবদ্ধ জাতি হিসেবে সামনে এগিয়ে যেতে পারি সেজন্য কাজ করতে হবে। যারা নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখে আত্মাহুতি দিয়েছেন, আমরা অবশ্যই তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করব। যত বাধাই আসুক, ঐক্যবদ্ধ জাতি হিসেবে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলব।’ ঈদের জামাতে দাঁড়িয়ে প্রধান উপদেষ্টার এমন ইস্পাতকঠিন উচ্চারণ জাতিকে নতুন দিকনির্দেশনা দিয়েছে। জাতি হিসেবে আমরা বীরের জাতি, এ ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই। জাতি তার বীরত্ব বারবার প্রদর্শন করেছে। সর্বশেষ বীরত্ব প্রদর্শিত হয়েছে ৫ আগস্ট। জাতির ওপর চেপে বসা জগদ্দল পাথর সরানো সম্ভব হয়েছে। তবে এও সত্য, গিরিঙ্গিবাজি বা বেইমানিও রয়েছে জাতির রন্ধ্রে রন্ধ্রে। সে কারণেই নানা ষড়যন্ত্রে এ জাতির মধ্যে নানা অনৈক্য সৃষ্টি হয়েছে। শিশুতোষ পাঠ্যবইয়ে প্রায় সবাই পড়েছি ‘একতাই বল’। অথচ কর্মজীবনে আমাদের মধ্যে শিশু বয়সের সেই মৌলিক শিক্ষার কোনো প্রতিফলন ঘটছে না। বরং পদে পদে একতার বিপরীত কর্মকাণ্ডই বেশি হচ্ছে। সে কারণেই হয়তো প্রধান উপদেষ্টা উপলব্ধি করতে পেরেছেন যে, সংস্কার, নির্বাচন যা-ই হোক না কেন, সবার আগে দরকার ঐক্যবদ্ধতা। জাতি হিসেবে আমাদের মধ্যে ঐক্য না থাকলে সুন্দর একটি সাম্য-সম্প্রীতির দেশ হিসেবে নতুন বাংলাদেশ গড়া সম্ভব হবে না। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঐকমত্য কমিশনের মাধ্যমে সাময়িক ঐক্য হলে হবে না। নতুন বাংলাদেশ গড়ার জন্য স্থায়ী ঐক্য প্রতিষ্ঠা করতে হবে। তা না হলে জুলাই বিপ্লব ব্যর্থ হবে। আর এ বিপ্লব ব্যর্থ হলে জনরোষ থেকে কেউ রক্ষা পাবে না। সে জনরোষ রূপ নিতে পারে আরও একটি নতুন বিপ্লবে।

মেশকাত শরিফে আবু হুরায়রা (রা.) বর্ণিত, ‘একজন মানুষ সব সময়ই তার সঙ্গীসাথি দ্বারা প্রভাবিত হয়। তাই কারও সঙ্গে বন্ধুত্ব করার আগে তার বিশ্বাস ও জীবনাচার সম্পর্কে খোঁজখবর নাও।’ বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার ছাত্র-জনতার দ্বারা মনোনীত। এ সরকারের প্রধান উপদেষ্টা, উপদেষ্টামণ্ডলী ও সংশ্লিষ্ট যারা আছেন, তাদের মধ্যে হাতেগোনা কয়েকজন ছাড়া অন্যরা অতীতে কখনো রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে কাজ করেননি। সে কারণে গত আট মাসে তাদের কাজের মধ্যে অনেক ক্ষেত্রেই সমন্বয়হীনতার চিত্র ফুটে উঠেছে। সেই সঙ্গে দায়িত্বশীল প্রত্যেকের চারপাশে নতুন নতুন ধান্দাবাজ আগাছা সঙ্গীসাথিও গজিয়ে উঠেছে। এসব ধান্দাবাজ আগাছা সরকারের ভিতরে নানাভাবে ঢুকে পড়ছে। প্রধান উপদেষ্টা যে জাতীয় ঐক্য ও নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছেন, তারা এ শুভ উদ্যোগে অন্তরায় সৃষ্টি করার অপচেষ্টায় লিপ্ত। আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তো অগণিত বিশেষজ্ঞ সরকারকে নানাভাবে প্রতিনিয়ত উপদেশ-নির্দেশ দিয়ে যাচ্ছেন। এসব উপদেশ-নির্দেশ শুনলে যে কারওই মাথা গরম হওয়ার কথা। সরকারের নানা দুর্বলতার কারণেই এসব উপদেশ-নির্দেশদাতা গোষ্ঠীর জন্ম হচ্ছে। ধান্দাবাজ আগাছা উপদেশদাতাদের উদ্দেশ্য হলো দেশে যাতে স্থায়ী ঐক্য প্রতিষ্ঠিত না হয় সেজন্য যা যা প্রয়োজন তা করা। সে কারণে যত বাধাই আসুক না কেন, স্থায়ী জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠা করে নতুন বাংলাদেশ অবশ্যই গড়ে তুলতে হবে। তার জন্য যেমন দরকার স্থায়ী জাতীয় ঐক্য, তেমন দরকার একটি সুষ্ঠু নির্বাচন। জাতীয় ঐক্য ও নির্বাচন যত বিলম্বিত হবে, নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে তত বেশি সময়ক্ষেপণ হবে। সেই সঙ্গে ইমেজ নষ্ট হবে বিশ্বব্যাপী সম্মানিত ব্যক্তিত্ব ড. মুহাম্মদ ইউনূসের। মনে রাখতে হবে, ড. মুহাম্মদ ইউনূস শুধু আমাদের নেতা নন, তিনি হলেন বিশ্বনেতা। তার মর্যাদা ক্ষুণ্ন হলে, তিনি ব্যর্থ প্রমাণিত হলে তা হবে জাতির জন্য অপূরণীয় ক্ষতি। আর তাতে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের সুযোগটা হাতছাড়া হবে চিরতরে।

 

লেখক :  নির্বাহী সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন 

[email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
স্বস্তিদায়ক ঈদ
স্বস্তিদায়ক ঈদ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
ঢাকা-বেইজিং সম্পর্ক
ঢাকা-বেইজিং সম্পর্ক
সর্বশেষ খবর
পার্বত্য চট্টগ্রামের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সরকার সবসময় আন্তরিক : সুপ্রদীপ চাকমা
পার্বত্য চট্টগ্রামের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সরকার সবসময় আন্তরিক : সুপ্রদীপ চাকমা

৫০ মিনিট আগে | জাতীয়

পর্তুগালের রাষ্ট্রপতির কাছে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ
পর্তুগালের রাষ্ট্রপতির কাছে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ

১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে
শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

৪ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে

৫ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

জলবসন্তে সতর্কতা
জলবসন্তে সতর্কতা

৫ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার
যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫
ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী
স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা
বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি
কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই
১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩
যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন
ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইপিএল ছেড়ে হঠাৎ দেশে ফিরলেন রাবাদা
আইপিএল ছেড়ে হঠাৎ দেশে ফিরলেন রাবাদা

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিঠামইনে পানিতে ডুবে গৃহবধূর মৃত্যু
মিঠামইনে পানিতে ডুবে গৃহবধূর মৃত্যু

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় দেড় বছরে প্রায় ৪০ হাজার শিশু এতিম হয়েছে
গাজায় দেড় বছরে প্রায় ৪০ হাজার শিশু এতিম হয়েছে

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী
আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা
সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নাটোরে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়
নাটোরে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী
শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী

১০ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম, সম্পাদক বেলাল
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম, সম্পাদক বেলাল

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান
লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সর্বাধিক পঠিত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত

১৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

১২ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

১৪ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের
পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা
ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির
নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা
ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা
ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের
মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?
কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি

১৬ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী
‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প
শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন
প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা
২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস
মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ

১৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েলি বাহিনী
গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েলি বাহিনী

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক
শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন

প্রথম পৃষ্ঠা

মহাবিপদে রপ্তানি খাত
মহাবিপদে রপ্তানি খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি
সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা
পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা

পেছনের পৃষ্ঠা

যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল
যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল

মাঠে ময়দানে

শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে
শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক

শোবিজ

ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও

প্রথম পৃষ্ঠা

সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার

শোবিজ

বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা

শোবিজ

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যাংকক বৈঠকে নজর
ব্যাংকক বৈঠকে নজর

প্রথম পৃষ্ঠা

পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা

প্রথম পৃষ্ঠা

এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ

সম্পাদকীয়

পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা
পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা

নগর জীবন

বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়

প্রথম পৃষ্ঠা

আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন
আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন

পেছনের পৃষ্ঠা

ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!
ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার
বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

পেছানোর সুযোগ নেই ১০ এপ্রিল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা
পেছানোর সুযোগ নেই ১০ এপ্রিল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা

পেছনের পৃষ্ঠা

ফুল ও ফল ধরেছে নাগলিঙ্গম গাছে
ফুল ও ফল ধরেছে নাগলিঙ্গম গাছে

পেছনের পৃষ্ঠা