চট্টগ্রামে ১৩ লাখ ৮৫ হাজার ৭১৬ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে চট্টগ্রাম মহানগরের ৪১টি ওয়ার্ডে খাওয়ানো হবে ৫ লাখ ৬০ হাজার শিশুকে এবং ১৫ উপজেলায় খাওয়ানো হবে ৮ লাখ ২৫ হাজার ৭১৬ জন।
আগামী ১৫ মার্চ শনিবার দিনব্যাপী শিশুদের এই ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। ৬-১১ মাসের শিশুকে ১ লাখ ইউনিটের নীল রঙের ও ১২-৫৯ মাসের শিশুকে ২ লাখ ইউনিটের লাল রঙের ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।
গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ও দুপুরে পৃথক সংবাদ সম্মেলনে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এবং চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয় এসব তথ্য জানায়।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে চসিকের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে চিকিৎসক ও গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ ইমাম হোসেন রানা, স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. হোসনে আরা, সহকারী স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. রফিকুল ইসলাম, ডা. তপন কুমার চক্রবর্তী, জোনাল মেডিকেল অফিসার ডা. সুমন তালুকদার, ডা. আকিল মাহমুদ নাফে, ডা. আবদুল মজিদ সিকদার, ডা. শর্মীলা রায়, ডা. মামুন রশিদ।
অন্যদিকে, গতকাল দুপুর ২টা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে ক্যাম্পেইননিয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. তৌহিদুল আনোয়ার, স্বাস্থ্য কর্মকর্তা নুরুল হায়দার শামীম ও ডা. নওশাদ আহমেদ।
চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন সফল করার লক্ষ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে চসিক। ক্যাম্পেইনে বাদ পড়া শিশুদের চসিকের ব্যবস্থাপনায় চসিক পরিচালিত দাতব্য চিকিৎসালয়, নগর স্বাস্থ্য কেন্দ্র, ইপিআই কেন্দ্রে খাওয়ানো হবে। শিশুদের রাতকানা রোগ প্রতিরোধ এবং অপুষ্টি ও মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষার জন্য মা, বাবা, অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানাই।
বিডি প্রতিদিন/নাজমুল