শিরোনাম
প্রকাশ: ০৯:২৬, বৃহস্পতিবার, ২৭ মার্চ, ২০২৫

শারীরিক যোগ্যতা সুস্বাস্থ্যের মাপকাঠি

ডা. এম শমশের আলী
অনলাইন ভার্সন
শারীরিক যোগ্যতা সুস্বাস্থ্যের মাপকাঠি

হজম না হওয়া খাদ্যবস্তুর অংশ মলের মাধ্যমে শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। এ ক্ষেত্রে সঠিক পরিমাণে সুষম খাদ্য গ্রহণ খুবই জরুরি। যদি কেউ সুুষম খাদ্য গ্রহণে ব্যর্থ হয় অথবা সঠিক পরিমাণ খাদ্য গ্রহণ না করে,  তবে সে পুষ্টিহীনতায় পর্যবসিত হবে

মানব জীবনে শারীরিক যোগ্যতা এমন একটি অবস্থা যা শরীরের প্রত্যেকটি অঙ্গের ওপর নির্ভরশীল। যদি মানব দেহের কোনো একটি অঙ্গ সঠিকভাবে কাজ করতে না পারে, তবে মানুষের শারীরিক যোগ্যতা কমে যাবে-এটাই স্বাভাবিক। যদি মস্তিষ্ক সঠিকভাবে কাজ না করে, লিভার সঠিকভাবে কাজ না করে অথবা মাংসপেশি, কিডনি, পরিপাকতন্ত্র ইত্যাদি অঙ্গ সঠিকভাবে কর্মক্ষম না থাকে; তা হলে অবধারিতভাবে মানুষের শারীরিক যোগ্যতা কমে যাবে। মানব দেহের প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সঠিকভাবে কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় মাত্রায় রসদ (খাদ্যকণা) এবং অক্সিজেনের প্রয়োজন হয়। রসদ বা খাদ্যকণা আসে পরিপাকতন্ত্র থেকে, খাদ্যবস্তু হজমের মাধ্যমে। মানুষ যে সব বস্তু খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে পরিপাকতন্ত্রের মাধ্যমে তা হজম হয়ে শরীরের প্রয়োজনীয় খাদ্যকণা খাদ্যনালির মাধ্যমে শোষিত হয়ে রক্তে প্রবেশ করে। অপ্রয়োজনীয় খাদ্যাংশ এবং হজম না হওয়া খাদ্যবস্তুর অংশ মলের মাধ্যমে শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। এ ক্ষেত্রে সঠিক পরিমাণে সুষম খাদ্য গ্রহণ খুবই জরুরি। যদি কেউ সুুষম খাদ্য গ্রহণে ব্যর্থ হয় অথবা সঠিক পরিমাণ খাদ্য গ্রহণ না করে, তবে সে পুষ্টিহীনতায় পর্যবসিত হবে এবং ব্যক্তির শারীরিক যোগ্যতা কমে যাবে। তাই প্রতিটি ব্যক্তিকেই সব ধরনের খাদ্যবস্তু গ্রহণ করতে হবে, যা স্বাস্থ্য সুরক্ষায় মুখ্য ভূমিকা রাখে। সব ধরনের খাদ্যবস্তু বলতে এমন সব খাদ্যকে বোঝানো হয়, যাতে প্রয়োজনীয় পরিমাণে প্রোটিন, কার্বো-হাইড্রেট বা শর্করা, স্নেহ জাতীয় খাদ্য মানে তেল চর্বি, বিভিন্ন ধরনের লবণ বা মিনারেল, সব ধরনের ভিটামিন এবং প্রয়োজনীয় পরিমাণে পানি এই ছয়টি উপাদানকে বোঝানো হয়। উল্লেখিত উপাদানের কোনো একটির কমতি হলে আপনার স্বাস্থ্যহানি ঘটবে এটা নিঃসন্দেহে বলা যায়। প্রোটিন যুক্ত খাবার হলো- মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, ডাল, মাশরুম। স্নেহ জাতীয় খাদ্য হলো সব ধরনের উদ্ভিজ্জ তেল, সয়াবিন, পাম, সরিষার তেল ইত্যাদি এবং পশুপাখি, মাছের চর্বি ও ঘি-মাখন। শর্করা জাতীয় খাদ্য মানে চাল, গম, আলু, ভুট্টা থেকে তৈরি করা সমস্ত খাদ্য, এমনকী মিষ্টি জাতীয় বস্তু। ভিটামিন, লবণ বা মিনারেল আমরা শাকসবজি এবং ফলমূল থেকে পেয়ে থাকি। শারীরিক যোগ্যতা বজায় রাখার জন্য এই ছয় ধরনের (প্রোটিন, শর্করা, স্নেহ, ভিটামিন, মিনারেল এবং পানি) খাদ্যবস্তু সুষম মাত্রায় বা সঠিক পরিমাণে অবশ্যই গ্রহণ করতে হবে।

প্রতিটি অঙ্গের সুস্বাস্থ্য রক্ষার্থে রসদ ছাড়াও অক্সিজেন নামক এক ধরনের জ্বালানির প্রয়োজন যা বাতাসে পাওয়া যায়, তা প্রায় সবারই জানা। মানুষ শ্বাস গ্রহণের ফলে শ্বাসনালির মাধ্যমে বাতাস ফুসফুসে নিয়ে থাকে। ফুসফুসের বাতাস থেকে অক্সিজেন শোষিত হয়ে রক্তে প্রবেশ করে। সুতরাং খাদ্যনালি থেকে রসদ এবং ফুসফুস থেকে অক্সিজেন রক্তে মিশ্রিত হয়ে রক্ত প্রবাহের মাধ্যমে অক্সিজেন ও রসদ প্রতিটি অঙ্গে অঙ্গে পৌঁছে সারা শরীরের কার্যক্রম মানে কর্মক্ষমতা রক্ষা করে, শরীরিক সুস্বাস্থ্য বজায় রাখে যার ফলে মানুষের শারীরিক যোগ্যতা বজায় থাকে। হার্ট রক্ত পাম্প করে রক্তপ্রবাহ সৃষ্টি করে রক্তে বিদ্যমান থাকা রসদ ও অক্সিজেন সব অঙ্গে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব পালন করে। হার্ট রক্ত পাম্প করে রক্তপ্রবাহ সৃষ্টি করে সারা শরীরে রক্তপ্রবাহ সঠিক রাখে। ফলশ্রুতিতে আমাদের সারা শরীরে অতি প্রয়োজনীয় রসদ এবং অক্সিজেন পৌঁছে দেয়। হার্ট মাতৃগর্ভ থেকে মৃত্যু পর্যন্ত অবিরতভাবে রক্ত পাম্প করে রক্তপ্রবাহ বজায় রাখে। যদি কোনো কারণে হার্ট তিন থেকে চার মিনিটের জন্য রক্ত পাম্প করতে অপারগ হয় তবে ব্যক্তির মৃত্যু অবধারিত। বর্তমান সমাজে খাদ্য বা রসদ প্রায় সবারই পর্যাপ্ত পরিমাণে গ্রহণ করতে পারে, তবে তা সুষম মাত্রায় কি না তা নিয়ে প্রশ্ন আছে।

মানব শরীরে প্রতিটি অঙ্গই নির্দিষ্ট কাজে নিয়োজিত, ব্রেন মানুষকে সঠিক পথে পরিচালনা করে, নার্ভ শরীরের গতিপ্রকৃতি নিয়ন্ত্রণ করে, কিডনি রক্ত ছাকনির মাধ্যমে বিষাক্ত এবং অপ্রয়োজনীয় বস্তু শরীর থেকে বের করে দেয়। খাদ্যনালি থেকে খাদ্যকণা রক্তে শোষিত হওয়ার পর খাদ্যনালির সমস্ত রক্ত লিভারের মাধ্যমে খাদ্যনালি থেকে শোষিত রক্তকে যাচাই-বাছাই করে অপ্রয়োজনীয় এবং বিষাক্ত বস্তু পিত্ত রসের সঙ্গে খাদ্যনালি হয়ে মলের সঙ্গে শরীর থেকে বের করে দেয় এবং প্রয়োজনীয় বস্তুকে রক্তের মূলধারায় প্রবেশ করার অনুমতি প্রদান করে। মাংস পেশি ও হাড় মানুষের চলাচল করা ও শারীরিক কর্মকান্ড সম্পাদনে সাহায্য করে এবং সব সময়েই নার্ভের মাধ্যমে মস্তিষ্ক তা নিয়ন্ত্রণ করে। যার জন্য আমরা মস্তিষ্ক নষ্ট (ব্রেন স্ট্রোক) হওয়া ব্যক্তিকে প্যারালাইসিসে আক্রান্ত হতে দেখে থাকি। তার মানে ব্রেন যে আমাদের গতিপ্রকৃতি পরিচালনা করে, তা স্ট্রোকে আক্রান্ত ব্যক্তির হাত-পা অচল হওয়া দেখে ভালোভাবে বোঝা যায়।

আগেই আলোচনা করেছি, রক্তপ্রবাহ সৃষ্টির মাধ্যমে হার্ট তার দায়িত্ব পালন করে থাকে। হার্টকে মানব শরীরের ইঞ্জিন বলা যেতে পারে। কারণ সে সব সময় রক্ত পাম্প করে সারা শরীরের সুস্থতা রক্ষার্থে কাজ করে থাকে। অন্যভাবে বলতে গেলে বলা যায়, যদি কোনোভাবে হার্টের কর্মক্ষমতা কমে যায়, মানে হার্ট শারীরিক চাহিদা মোতাবেক প্রয়োজনীয় পরিমাণ রক্ত পাম্প করতে ব্যর্থ হয়, তবে শরীরের অন্যান্য অঙ্গ সঠিকভাবে কাজ করতে পারবে না। যাকে অনেকেই শারীরিক দুর্বলতা বলে মনে করে। এসব দুর্বলতাকে শারীরিক অযোগ্যতা বলা হয়। মানুষের শারীরিক যোগ্যতা অনেকাংশেই হার্টের যোগ্যতার সঙ্গে সম্পর্কিত, তার মানে যদি কারও হার্টের যোগ্যতা বা কর্মক্ষমতা কমে যায়, তবে সে শারীরিক অযোগ্যতায় আক্রান্ত হবেন। শারীরিক যোগ্যতা ঠিক রাখার জন্য অবশ্যই হার্টের যোগ্যতা স্বাভাবিক থাকা খুবই জরুরি। পরিশেষে এ কথা বলা যায়, আপনি যদি শারীরিকভাবে যোগ্য (ফিট) থাকেন তবে আপনার শরীরে বড় ধরনের কোনো অসুস্থতা না থাকাটাই স্বাভাবিক। আর যদি আপনার শারীরিক যোগ্যতা কমে যেতে থাকে, তবে আপনি ধরে নিতে পারেন, আপনার শরীরে যে কোনো ধরনের জটিল অসুস্থতা দেখা দিয়েছে। বয়স যদি ৫০ এর বেশি হয়, তবে সবার আগে জেনে নেবেন যে  হার্ট সুস্থ আছে কিনা। যে কোনো বয়সে যদি কারও শারীরিক যোগ্যতা কমে যায় তবে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করুন। অসুস্থতা সঠিকভাবে নির্ণয় করে, চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ হলে আপনি আবার আপনার শারীরিক যোগ্যতা ফিরে পেতে পারেন।

লেখক : চিফ কনসালট্যান্ট শমশের হার্ট কেয়ার, শ্যামলী, ঢাকা


বিডি প্রতিদিন/ ওয়াসিফ

এই বিভাগের আরও খবর
সোরিয়াটিক আর্থ্রাইটিস: যা মনে রাখা জরুরি
সোরিয়াটিক আর্থ্রাইটিস: যা মনে রাখা জরুরি
সিজার পরবর্তী নরমাল ডেলিভারি কি সম্ভব?
সিজার পরবর্তী নরমাল ডেলিভারি কি সম্ভব?
জলবসন্তে সতর্কতা
জলবসন্তে সতর্কতা
ঈদের দিনের খাওয়া-দাওয়া
ঈদের দিনের খাওয়া-দাওয়া
গর্ভকালীন ডায়াবেটিস : মা ও নবজাতাকের অসুস্থতা কিভাবে
গর্ভকালীন ডায়াবেটিস : মা ও নবজাতাকের অসুস্থতা কিভাবে
ঈদ যাত্রায় স্বাস্থ্যঝুঁকি
ঈদ যাত্রায় স্বাস্থ্যঝুঁকি
লাইপোমার উপসর্গ ও চিকিৎসা
লাইপোমার উপসর্গ ও চিকিৎসা
পরিপাকতন্ত্রের বিরল রোগ
পরিপাকতন্ত্রের বিরল রোগ
হার্ট ব্লক নিয়ে কিছু কথা
হার্ট ব্লক নিয়ে কিছু কথা
কবজি ব্যথা: কারণ ও করণীয়
কবজি ব্যথা: কারণ ও করণীয়
ঈদের দিনের খাবার দাবার
ঈদের দিনের খাবার দাবার
পায়ের পাতা ও গোড়ালি ব্যথায় করণীয়
পায়ের পাতা ও গোড়ালি ব্যথায় করণীয়
সর্বশেষ খবর
দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা
দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা

২৪ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

ভালুকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত
ভালুকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত

৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

২৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী
এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের
বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক
মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের ছুটিতেও
ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান
ঈদের ছুটিতেও ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’
‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা
ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা

২ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি
খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ
নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ

৩ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি
বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত
গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

তিন বন্ধু মোটরসাইকেলে ঘুরতে গিয়ে দুর্ঘটনা, একজন নিহত
তিন বন্ধু মোটরসাইকেলে ঘুরতে গিয়ে দুর্ঘটনা, একজন নিহত

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

'জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে জনগণ জামায়াতের প্রার্থীকে বিজয়ী করবে'
'জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে জনগণ জামায়াতের প্রার্থীকে বিজয়ী করবে'

৩ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে বন্ধ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে বন্ধ

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

তুরস্ক–গ্রিস উপকূলে পৃথক নৌকাডুবিতে ১৬ জনের প্রাণহানি
তুরস্ক–গ্রিস উপকূলে পৃথক নৌকাডুবিতে ১৬ জনের প্রাণহানি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুর্নীতি দমনে বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড চুক্তি স্বাক্ষর
দুর্নীতি দমনে বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড চুক্তি স্বাক্ষর

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রড ও কাঠ দিয়ে স্ত্রীকে বেধড়ক মারধর, স্বামী গ্রেফতার
রড ও কাঠ দিয়ে স্ত্রীকে বেধড়ক মারধর, স্বামী গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় ইয়াবাসহ একজন গ্রেফতার
গাইবান্ধায় ইয়াবাসহ একজন গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩
খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস
ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস

১৩ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে
শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’
‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

৭ ঘণ্টা আগে | পরবাস

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল
শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

২০ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য
মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রিন্ট সর্বাধিক